

ঢাকার ভাসানটেক এলাকার একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ লিজা আক্তার (১৭) মারা গেছে। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় দগ্ধ লিজার মা, বাবা, ভাই, বোন, নানিসহ পরিবারটির ৬ সদস্যই না-ফেরার দেশে চলে গেল।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম জানান, লিজা আক্তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে ভর্তি ছিল।
তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এ ঘটনায় দগ্ধ আর কেউ ইনস্টিটিউটে ভর্তি নেই।
পুলিশ, পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ এপ্রিল ভোর ৪টার দিকে ভাসানটেক নতুনবাজার কালভার্ট রোডের ৪/১৩ নম্বর দোতলা বাসার নিচতলায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন মো. লিটন (৪৮), তাঁর স্ত্রী সূর্য বানু (৩০), তাঁদের তিন সন্তান লিজা আক্তার (১৭), লামিয়া (৭) ও সুজন (৮) এবং লিটনের শাশুড়ি মেহরুন্নেছা (৮০)। পরে তাঁদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ এপ্রিল মেহরুন্নেছা, ১৫ এপ্রিল সূর্য বানু, ১৬ এপ্রিল মো. লিটন, ১৯ এপ্রিল লামিয়া ও ২৪ এপ্রিল সুজনের মৃত্যু হয়।
দগ্ধদের স্বজন ময়না বেগম জানান, পরিবার নিয়ে কালভার্ট রোডের দোতলা বাড়িটির নিচতলায় ভাড়া থাকেতেন ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো: লিটন। ১২ এপ্রিল রাতে ওই বাসার সবাই ঘুমিয়ে ছিল। ভোরে মশার কয়েল জ্বালানোর জন্য লিটন দিয়াশলাই জালাতেই আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারটির ছয়জনই দগ্ধ হয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী ভাসানটেক থানার এসআই নাঈমুল ইসলাম হূদয় জানান, আগে থেকেই গ্যাসের লিকেজের কারণে বাসাটিতে গ্যাস জমে ছিল। ভোর ৪টার দিকে মশার কয়েলের জন্য দিয়াশলাই জ্বালাতেই সেই গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ হয়। ছড়িয়ে পড়া গ্যাসে আগুন ধরে গেলে তারা দগ্ধ হয়।
মন্তব্য করুন


পেশাদারত্ব ও ধৈর্যের পরিচয় দেওয়ায়
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সাধুবাদ পেয়েছেন ক্যাপ্টেন
আশিক।
রোববার (১৮ আগস্ট) সেনাপ্রধানের কার্যালয়ে
এক সাক্ষাতে এই সাধুবাদ জানান সেনাপ্রধান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রতিকূল
পরিস্থিতিতেও পেশাদারত্ব বজায় রাখায় ক্যাপ্টেন আশিককে সাধুবাদ জানান সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের জন্য অনুপ্রাণিত করেন তিনি।
এসময় আরও দুই সেনা কর্মকর্তা উপস্থিত
ছিলেন। সেনাপ্রধানের সঙ্গে এক ফটোসেশনে অংশ নিতেও দেখা গেছে আশিককে।
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি
একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে শাহবাগ থানায় এক নারীকে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চবাচ্য করতে
দেখা যায়। এরকম পরিস্থিতিতে ক্যাপ্টেন আশিক অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতির
সামাল দেন এবং সেটির সমাধান করেন। ক্যাপ্টেন আশিকের এই ধৈর্য ও পেশাদারত্ব দেখে নেটিজেনরা
প্রশংসা করছেন।
মন্তব্য করুন


সেমিফাইনালের আগে বাংলাদেশী সমর্থকের উদ্দেশে হৃদয়ছোঁয়া বার্তা দিয়েছেন লিওনেল স্কালোনি। জানিয়েছেন হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে থেকেও আর্জেন্টিনার প্রতি বাংলাদেশের মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসায় মুগ্ধ তিনি।
মঙ্গলবার
(১৪ জুলাই) আর্জেন্টিনার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এই কোচ জানান, বাংলাদেশের সমর্থন তাদের সবসময়ই
বিস্মিত করে। এবার সেমিফাইনালে জয় এনে সেই সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানোর প্রত্যাশাও
ব্যক্ত করেছেন তিনি।
ম্যাচপূর্ব
সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে ধন্যবাদ। সত্যি বলতে এটা অবিশ্বাস্য। বাংলাদেশের
মানুষ আমাদের সবসময়ই চমকে দেয়। এত দূরে থেকেও তারা আর্জেন্টিনাকে এত ভালোবাসে, এটা
সত্যিই অসাধারণ।’‘নিজের দেশের বাইরেও অন্য দেশের মানুষকে
আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে জড়াতে দেখাটা দারুণ অনুভূতি। বাংলাদেশকে অনেক ধন্যবাদ। আশা
করি আজ আমরা বাংলাদেশের সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে পারব। এজন্যই তো আমরা এখানে এসেছি।’বাংলাদেশের
প্রসঙ্গের পর নিজের দলের পারফরম্যান্স নিয়েও কথা বলেন স্কালোনি। তার মতে, সমালোচনা
থাকলেও আর্জেন্টিনা মোটেও খারাপ খেলেনি। টানা আরেকটি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠাকে
তিনি দলের কঠোর পরিশ্রমেরই ফল বলে মনে করেন।
স্কালোনি
বলেন, ‘এই পর্যায়ে উঠতে হলে নিশ্চয়ই আমরা ভালো কিছু করেছি। আমি এই ছেলেদের কাছে কৃতজ্ঞ,
কারণ ওরাই আবার আমাদের বিশ্বের সেরা চার দলের মধ্যে নিয়ে এসেছে। আমরা অনেক ভালো কাজ
করেছি। কখনো কখনো তা যথেষ্ট মনে হয় না, কিন্তু এখান পর্যন্ত যা করেছি, তা নিয়ে আমাদের
গর্বিত হওয়া উচিত।’
নকআউট
পর্বের কঠিন পথ পেরিয়ে সেমিফাইনালে এসেছে আর্জেন্টিনা। স্কালোনির বিশ্বাস, বিশ্বকাপে
শিরোপার স্বপ্ন পূরণ করতে হলে প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করতেই হয়। তার ভাষায়, ‘সেমিফাইনাল
বা ফাইনালে উঠতে হলে ভুগতেই হয়, যদি না প্রতিপক্ষের চেয়ে আপনি অনেক এগিয়ে থাকেন। আগের
বিশ্বকাপেও আমরা অনেক ম্যাচে প্রতিপক্ষের চেয়ে ভালো খেলেও ভুগেছি। বিশ্বকাপে প্রতিকূলতা
সামলে এগিয়ে যাওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
সেমিফাইনালে
আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামের মতো বিশ্বমানের
ফুটবলারদের নিয়ে গড়া দলটির প্রতি যথেষ্ট সম্মান দেখিয়েছেন স্কালোনি। তবে তাদের রুখতে
নিজেদের পরিকল্পনাও প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলে, ‘এটি আগের ম্যাচের চেয়ে
ভিন্ন একটি লড়াই হবে। আমরা যে জায়গাগুলোতে ভালো করতে পারিনি, সেগুলো নিয়ে কাজ করেছি।
কেইন ও বেলিংহ্যাম এমন দুই ফুটবলার, যাদের যে কোনো কোচই দলে চাইবেন। তবে তাদের থামাতে
আমাদেরও নিজস্ব পরিকল্পনা রয়েছে।’
সংবাদ
সম্মেলনে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথকে ঘিরে ফকল্যান্ড যুদ্ধের প্রসঙ্গও ওঠে। তবে
স্কালোনি স্পষ্ট করে দেন, ইতিহাসের সেই বেদনাদায়ক অধ্যায়ের সাথে ফুটবলকে এক করতে চান
না তিনি। তার কথায়, ‘এটা শুধুই একটি ফুটবল ম্যাচ। ৪০ বছর আগে যা ঘটেছে, তা বদলানোর
ক্ষমতা আমাদের নেই। ইতিহাসকে আমরা অবশ্যই স্মরণ করি, কিন্তু ফুটবলকে যুদ্ধের সাথে মিশিয়ে
ফেলা ঠিক নয়।‘যারা সেই সময়ে কষ্ট পেয়েছেন, তাদের প্রতি সম্মান রেখেই
বলছি; এটি বিশ্বকাপের একটি সেমিফাইনাল, এর বেশি কিছু নয়।’
যোগ করেন স্কালোনি। উল্লেখ্য, দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ বুধবার রাত ১টায় আটলান্টায় মুখোমুখি
হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। জয়ী দল আগামী ১৯ জুলাই স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে খেলবে
।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে ঝোলানো ব্যাগ চুরির চেষ্টাকালে
একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্রের তিন সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ।
গতকাল
বুধবার (১০ জুন) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ
কমিশনার (ডিসি) এন এম নাসিরুদ্দিন এ তথ্য জানান। গ্রেফতাররা হলেন- আব্দুল মতিন (৩৮),
সোহাগ (৪০) ও আমির (৪৮)।
মিরপুর
মডেল থানার বরাত দিয়ে ডিসি নাসিরুদ্দিন বলেন, গ্রেফতাররা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা শহরের বিভিন্ন
এলাকায় ভাসমান হিসেবে বসবাস করে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরকেন্দ্রিক চলন্ত মোটরসাইকেলের
পেছনে থাকা ব্যাগ চুরির অপরাধ করে আসছিল। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের এই
অভিনব চুরির ভিডিও ভাইরাল হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
মিরপুর
মডেল থানার একটি চৌকস টিম গত মঙ্গলবার মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় চুরি ও ছিনতাই
প্রতিরোধে দায়িত্ব পালনকালে চক্রটিকে ফের চলন্ত এক মোটরসাইকেল থেকে ব্যাগ চুরির চেষ্টাকালে
হাতেনাতে তিনজনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারদের
প্রত্যেককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছর করে সাজা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয়
পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে
তিনি বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কতটা কমানো যায় সে বিষয়ে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
প্রেস সচিব বলেন, সরকারের প্রচেষ্টায় ডিমের দাম কমেছে এবং অন্যান্য
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামও নিম্নগামী। আজকে কয়েকটি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে যে আলুর দাম
৪০০ টাকায় উঠে গেছে। এটি একটি বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার সংখ্যালঘুদের অধিকার সম্পর্কে অনেক
সচেতন। সরকার গত দুর্গাপূজার সময় সংখ্যালঘুদের জন্য নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি
বলেন, গত বছরের তুলনায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশে অপরাধের ঘটনা কম ঘটেছে এবং আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের চলমান সংকটের কথা বলতে গিয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, রাতারাতি সব সমস্যার সমাধান হয় না। সরকার এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট
সবার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার আশা করছে দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন সংক্রান্ত অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস
সচিব বলেন, একটি ব্যাপক-ভিত্তিক প্যানেল থেকে কমিশনের সদস্যদের নির্বাচন করা হয়েছে।
আমরা আশা করি যে তারা সবাই মিলে একটি ভাল প্রতিবেদন জমা দিতে সক্ষম হবেন। প্রবীণ সাংবাদিক
কামাল আহমেদকে প্রধান করে ১১ সদস্যের গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করেছে সরকার। রোববার
এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
উক্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ
মজুমদার ও অপূর্ব জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ ৪-৫ বছর পানির নিচে তলিয়ে ছিল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ অবস্থিত চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে যেত স্কুলের মাঠে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কষ্ট করে বিদ্যালয়ে আসতে হতো। মাঠে পানি জমে থাকার কারনে বৃষ্টির সময় শিক্ষার্থী উপস্থিতির সংখ্যাও ছিল অনেক কম।
সর্বশেষ গত ১ মাস আগে স্কুলের মাঠে মাটি ভরাট করে, স্কুলের বারান্দার ওয়াল ইট দিয়ে উঁচ করে জলাবদ্ধতার সমাধান করেন উক্ত এলাকার কৃতী সন্তান আবদুল হালিম মজুমদার।
এছাড়াও এই স্কুলের উন্নয়নে ব্যক্তিগতভাবে ব্যাপক অর্থ খরচ করেন হালিম মজুমদার। যার ফলে আজকে বিদ্যালয়ের সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং ক্লাস রুমে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


হামে
আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ
দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রোববার
(১০ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবীর পল্লব জনস্বার্থে এ রিট দায়ের
করেন। রিটে স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
দুই মাসের কম সময়ে হাম ও উপসর্গে দেশে মৃত্যু ছাড়িয়েছে ৩৫০। একই সময়ে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে
৪৭ হাজার। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৯ হাজারের বেশি শিশু। গত ১৫ মার্চ থেকে
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় এ তথ্য।
স্বাস্থ্য
অধিদফতর জানিয়েছে, এরমধ্যেই চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত সারা দেশে ১
কোটি ৭২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৮ শিশু হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ শতাংশ।
সারা দেশের প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এই কার্যক্রমের আওতায় টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ করেছিল সরকার।
মন্তব্য করুন


ঢাকার
সাভারে ১৫ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে এক মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার
করেছে পুলিশ।
আজ
বুধবার (১৭ জুন) সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ দ্য ডেইলি স্টারকে
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার
ব্যক্তির নাম গোলাম রব্বানী (৪০)। তিনি সাভারের তেঁতুলঝোড়া এলাকার একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।
পুলিশ
পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ বলেন, একাধিকবার বলাৎকারের অভিযোগ এনে গতকাল রাতে মামলা দায়ের
করেন ১৫ বছর বয়সী ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাবা।
মামলার
পর রাতেই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গোলাম রব্বানীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতে পাঠানোর
প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। প্রচণ্ড গরমে মানুষের নাভিশ্বাস অবস্হা ।
তীব্র তাপদাহে ইতোমধ্যে সারা দেশে বেশ কয়েকজনের হিট অ্যাটাকে মৃত্যুও হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন নগরবাসীকে ব্যাগে পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
তীব্র তাপপ্রবাহের এই পরিস্হিতিতে সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই অবস্থা থেকে সবাইকে বাঁচানোর জন্য তারা নিয়মিত ‘হিট অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন’ চালাচ্ছেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেন ঢাকায় তাপমাত্রা বাড়ছে তা খুঁজে বের করার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেটার চেষ্টা সম্পর্কে বুশরা জানান, তার মতে, ঢাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রা কমাতে আরও বেশি গাছ লাগানো জরুরি।
তিনি বলেন, আমাদের এখানে রাস্তার ধারে ২ লাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর উপযুক্তভাবে রক্ষণাবেক্ষণও করতে হবে। নগরে বনায়ন করা খুব জরুরি। এখানে যে ফাঁকা এবং পরিত্যক্ত জায়গাগুলো পড়ে আছে সেখানে সবুজায়ন করার দিকেও আমরা নজর দিয়েছি। আমাদের এখানে আরও অনেক পার্ক এবং সবুজে ঘেরা জায়গা দরকার। তাতে তাপমাত্রা যেমন কমবে, তেমনই পাখিসহ নানা প্রাণীও ফিরে আসবে।
হিট অফিসার আরো বলেন, ঢাকা শহরের প্রায় ৮০ শতাংশ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এর ফলে নানা রকম সমস্যার সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রাও। দিন দিন বাড়তে থাকা জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে সংকটে পড়া ঢাকার তাপমাত্রা গ্রামাঞ্চলের চেয়ে বেশি হচ্ছে।
নগরের তাপমাত্রা কমাতে ঢাকায় বনাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনার বিষয়ে বুশরা আফরিন বলেন, ঢাকায় তাপমাত্রা কমানোর জন্য আমরা ‘টু অ্যাবেল ফরেস্ট’ অর্থাৎ দুটি বন করার চেষ্টা করছি। একটা হচ্ছে মিরপুর কল্যাণপুরের দিকে; অন্যটি বনানীর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে।
তিনি বলেন, এই বন দুটি যে শুধু নগরের হিট কমাবে তা নয় পাশাপাশি দূষণ প্রতিরোধেও সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহ কমাতে শহরের ফাঁকা জায়গাগুলোতে গাছ লাগনো হবেও বলে জানান তিনি।
বুশরা বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহে আমরা নিজেরা যদি সচেতন থাকি- আমরা যদি বাসা থেকে বের হওয়ার আগে আমাদের ব্যাগে একটা পানির বোতল, টুপি, ফ্যান, ছাতার মতো জিনিসপত্র সঙ্গে রাখি তাহলে কিন্তু অনেকটাই নিরাপত্তা পেতে পারি।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
টঙ্গী তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। লাখো মুসল্লি এ জুমার নামাজে অংশ নেন।
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদ'র বড়
ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।
বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বের
আনুষ্ঠানিকতা।
আজ
লাখো মুসল্লির সঙ্গে শরিক হয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায় করতে সকাল থেকেই চারদিক
থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে আসতে শুরু করেন। ময়দানে, সড়ক-মহাসড়ক, খালি জায়গাসহ
বিভিন্ন স্থানে পলিথিন, খবরের কাগজ ও চট বিছিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
যানজট
নিয়ন্ত্রণে ও মুসল্লিদের নিরাপত্তায় রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক
হাজার সদস্য।
আজ
বয়ান করেন যারা:
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পরে বয়ান করেন মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ। তার বয়ান বাংলায়
তর্জমা করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। জুমার আগে জুমার ফাজায়েল বয়ান করেন মাওলানা
মনির বিন ইউসুফ।
জুমার
পরে বয়ান করবেন- শেখ মোফলে (আরবি) এবং বাংলা তর্জমা করবেন মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ
মনসুর। আসরের পরে বয়ান করবেন মাওলানা মোশাররফ। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন মাওলানা ইউসুফ
বিন সাদ। পরে তা বাংলায় তর্জমা করবেন মাওলানা জিয়া বিন কাশেম।
মুসল্লির
মৃত্যু-
বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৪ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা
হলেন, শেরপুর সদর থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোনার কেন্দুয়া
থানার কুতুবপুর এলাকার হেলিম মিয়া (৬৫), দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালের
চর এলাকার নবীর উদ্দিন (৬৫)।
রোববার
(১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী শপিং মল ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজায় অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে মেগা র্যাফেল ড্র-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। মার্কেটের পঞ্চম তলায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। হাফেজ ইয়াকুব আলীর পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে মোট ১০১ জন ভাগ্যবান বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়, যার মধ্যে আকর্ষণীয় পুরস্কার হিসেবে ছিল পাঁচটি মোটরসাইকেল।
ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ মঞ্জুরুল আলম ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট আবদুল মমিন ফেরদৌস, উপদেষ্টা আলহাজ্ব শাহ মোঃ আলমগীর খান এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব মোঃ নুরে আলম ভূইয়া। সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও সাংবাদিক মোঃ এমদাদুল হক সোহাগের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মালিক সমিতির উপদেষ্টা মোঃ মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজা দোকান মালিক সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, সহসভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুনুর রশীদ মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসান মোর্শেদ, অর্থ সম্পাদক মিয়া বাতেন এবং প্রচার সম্পাদক মোঃ মোতাহের হোসেন। এছাড়াও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুর রব ভূইয়া লিটন, জাকির হোসেন-১, মাহবুবুর রহমান মামুন, সোহাগ শেখ ও জাকির হোসেন-২ সহ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও বিপুল সংখ্যক ক্রেতা-সাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন