

ভারতীয় সীমান্তে পাচারের সময় ৪৪০ কেজি
ইলিশ মাছ জব্দ করেছে বিজিবি।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন ৬০ বিজিবির অধিনায়ক এ এম জাবের বিন জব্বার।
তিনি বলেন, প্রথম প্রহরে কুমিল্লা জেলার
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী মনোরা নামক স্থানে পাওয়া যায় এসব ইলিশ।
তিনি জানান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্ত
পিলার ২০৫৭২-এস হতে ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মনোরা নামক স্থানে এসব ইলিশ পাওয়া
যায়৷ এসময় কাউকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিজিবি আসার খবরে এসব ইলিশ ফেলে পালিয়ে
যায় চোরাকারবারিরা।
৪৪০ কেজি ইলিশ মাছের মূল্য ৯ লাখ ৬৮
হাজার টাকা। ইলিশগুলো বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর বুড়িচংয়ের আনন্দপুর
সীমান্তে সাড়ে ৬০০ কেজি ইলিশ জব্দ করেছিলো বিজিবি।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে বাজার
তদারকি অভিযান পরিচালনা করে চার প্রতিষ্ঠানকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ শনিবার সকাল ১১টা
থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই ও বিজয়পুর বাজারে
এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অভিযানে ডিম, ব্রয়লার মুরগী, আলু, মরিচ, সবজিসহ
নিত্যপণ্যের ক্রয় ভাউচার দেখা হয় এবং বিক্রয়ের তথ্য যাচাই করা হয়। দৃশ্যমান স্থানে
পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শিত আছে কিনা দেখা হয়। অভিযানে ক্রয় ভাউচার দেখাতে
না পারা এবং দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা না রাখায় বিজয়পুর বাজারের ভাইয়ের বন্ধন
ভ্যারাইটিজ স্টোরকে ৩ হাজার টাকা, লোকনাথ স্টোরকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা
হয়। এছাড়াও মেয়াদহীন ঔষধ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করায় লালমাই বাজারের মোল্লা
ফার্মেসীকে ৮ হাজার টাকা এবং কাঁচা মাছ মাংসের সাথে বাসি গ্রিল সংরক্ষণ করায় একই
বাজারের বাংলা রেস্তোরাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং বাসি গ্রিল জব্দ করে
ধ্বংস করা হয়।
আজ ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মোট চার প্রতিষ্ঠানকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং অন্যদের সতর্ক করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মাঠ ও বাজার পরিদর্শক এমদাদুল্লাহ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি- কুমিল্লার উদ্যোগে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ধর্মপুরে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে একাধিক মামলার আসামী শাফিয়াকে ১০০ পুরিয়া গাঁজাসহ আটক করে নিয়মিত মামলা দায়ের এবং ইয়াবা সেবনের অপরাধে দুই জনকে মোবাইলকোর্টে কারাদণ্ড প্রদান।
ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্বাবধানে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাৎ হোসেন এঁর নেতৃত্বে উক্ত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসারসহ ১৩ জন সেনা সদস্য, কুমিল্লা এনএসআই এর ফিল্ড অফিসার মিনহাস আহমেদ, কুমিল্লা কাস্টমস এর সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো: শামসুল আলম, আট জন পুলিশ সদস্য, বিভাগীয় পরিদর্শক মো: শরিফুল ইসলাম, পরিদর্শক মো: শফিকুল ইসলামসহ ডিএনসির সকল সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর ৫ টায় কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানাধীন ধর্মপুরের বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িতে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী শাফিয়া আক্তার (৫৭) নামের একজন আসামিকে আটক করে। আটককৃত আসামি কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ধর্মপুর গ্রামের (শাহ আলম মেম্বার বাড়ী) মৃত মনজিল মিয়ার স্ত্রী।
ইয়াবা সেবনের জন্য ইয়াবা সংরক্ষণের অপরাধে জাকির হোসেনকে ৩ মাসের কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয় এবং ইয়াবা সেবনের অপরাধে আমান হোসেনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
তারা হলেন- কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন
ধর্মপুর এলাকার আমির হোসেন
এর ছেলে জাকির হোসেন (৪২) এবং হারুন মিয়ার
ছেলে আমান হোসেন (৪০)।
গ্রেফতারকৃত আসামী শাফিয়ার আক্তারের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নগরীর বাদুরতলা এলাকা থেকে সেনাবাহিনীর অভিযানে পিকআপ ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তিকে
আটক করা হয়েছে।
জানা
যায়, গত ১ মে ২০২৫ তারিখে দেবিদ্বার এলাকা থেকে চট্ট মেট্রো-ন ১২-০৫০১ নম্বরের একটি
পিকআপ ছিনতাই হয়। পরে ছিনতাইকারী মোঃ সম্রাট মালিকের কাছ থেকে গাড়ি ফেরত দেওয়ার
আশ্বাস দিয়ে ১ লাখ টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে মালিককে পুনরায় ৫০,০০০
টাকা নিয়ে কুমিল্লায় আসতে বলা হয়। পিকআপের মালিক আলাউদ্দিন চট্টগ্রামের পাহাড়তলী
এলাকার বাসিন্দা।
সেনাবাহিনীর
টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে বাদুরতলা এলাকা থেকে ছিনতাইকারী
মোঃ সম্রাটকে আটক করে।
আটককৃত
ছিনতাইকারী হলেন- কুমিল্লা চান্দিনার মহিচাইল গ্রামের মোখলেসুর রহমান এর ছেলে মোঃ সম্রাট
(২০)।
সম্রাটকে
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ নারী নেতৃবৃন্দের জন্য আয়োজিত আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ প্রোগ্রাম ‘সাউথ এশিয়া ইয়ং উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট একাডেমি’তে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লার উদীয়মান নারী নেত্রী সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী।
সুইডেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল অ্যাসিস্ট্যান্স (IDEA) এই ফেলোশিপের আয়োজন করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অর্থায়নে এবং জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন (UN Women)-এর সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিতব্য এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের তরুণ নারী নেতৃবৃন্দ অংশ নেবেন।
ফেলোশিপটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর, শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয়। তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা নেতৃত্ব বিকাশ, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী বলেন, “আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ আমার জন্য গৌরব ও সম্মানের। দেশের তরুণ নারীদের অবস্থান ও সক্ষমতা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার এই দায়িত্ব আমি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব ইনশাআল্লাহ। এই অভিজ্ঞতা আমাকে ব্যক্তি ও পেশাগত জীবনে সমৃদ্ধ করবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যৎ নারী নেতৃত্ব গঠনে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবেও কাজ করবে।”
সুমাইয়া বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল গবেষক এবং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য-প্রযুক্তি সংসদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মহানগর মহিলা দলের সহ-সভাপতি এবং ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের তরুণ রাজনৈতিক ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় সুমাইয়া ইতোমধ্যে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তরুণ নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
এই ধরনের আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ বাংলাদেশের তরুণ নারীদের সক্ষমতা ও নেতৃত্বের দক্ষতাকে বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরছে। সুমাইয়া বিনতে হোসাইনীর মতো নেতৃত্বগুণে সমৃদ্ধ নারীরা আগামী দিনের পরিবর্তনের রূপকার হয়ে উঠবেন—এমনটাই প্রত্যাশা দেশের মানুষের।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আল আমিন ও তার সহযোগীকে পিস্তলসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
২২ নভেম্বর রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন সংরাইশ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ আল আমিন এবং ২। আবুল
কাশেম নামের দুইজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেন। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১ টি পিস্তল,
১টি ম্যাগাজিন ও ৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো: ১। মোঃ আল আমিন (৩৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সংরাইশ মধ্যপাড়া গ্রামের
মৃত ইদ্রিস মিয়া এর ছেলে এবং ২। আবুল কাশেম (৩৪) একই গ্রামের বাবুল মিয়া এর ছেলে।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার উপ-পরিচালক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামী আল আমিন এর বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিরীহ ছাত্রদের উপর গুলিবর্ষণেরও তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় পালিত হয়েছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস।
আজ বুধবার সকালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে “মানসম্মত হেলমেট নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ’র যৌথ উদ্যোগে দিবসটি উদযাপিত হয়।
র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক ফারুক আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছার। বিশেষ অতিথি ছিলেন হাইওয়ে পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম খান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আদনান ইবনে হাসান, মোটরযান পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম, পরিবহন মালিক সমিতি ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া চালক সংগঠনের প্রতিনিধি, রোভার স্কাউট ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন অনুষ্ঠানে।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন অসংখ্য প্রাণ ঝরছে অসচেতনতা, অতিরিক্ত গতি, অবৈধ পার্কিং ও নিয়ম না মানার কারণে। তারা বলেন, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ নয়, চালক, যাত্রী ও পথচারী সবার মধ্যেই ট্রাফিক সচেতনতা বাড়াতে হবে।
বক্তারা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, মানসম্মত হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা, ওভারটেকিং নিয়ন্ত্রণ এবং যানবাহনের নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা জোরদারের আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছার বলেন, “সরকার বিভিন্ন আইন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিচ্ছে, কিন্তু তবুও মৃত্যুর মিছিল থামছে না। সবাইকে নিজের অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, চালকদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ, রাস্তার মানোন্নয়ন ও ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলা সম্ভব। “জনসচেতনতা ও সহযোগিতা ছাড়া কোনো উদ্যোগই সফল হবে না,” যোগ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংয়ের এক তরুণীর সঙ্গে কুমিল্লার
নাঙ্গলকোটের আরিম নামে এক তরুণের ৬ মাস আগে রং নাম্বারে পরিচয় হয় । তারপর ঢাকায় বিয়ে
করে।
এরপর স্ত্রীকে নিয়ে আরিফ কুমিল্লার
নাঙ্গলকোটে তার গ্রামের বাড়িতে আসলে পরিবার এ বিয়ে মানতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বাড়ি
থেকে বের হয়ে স্ত্রীকে রেলস্টেশনে রেখে পালিয়ে যায় স্বামী আরিফ। স্ত্রীর দাবি নিয়ে
সেই তরুণী এখন অনশন করছে স্বামীর বাড়িতে।
প্রেমিক আরিফ (২১) কুমিল্লার নাঙ্গলকোট
উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের উরুকচাউল গ্রামের আবদুস ছাত্তারের ছেলে।
শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণী জানান,
৬ মাস আগে রং নম্বরে তাদের দুজনের পরিচয় হয়। এরপর তাদের দেখা হয়। তারপর প্রেম। আরিফের
সঙ্গে তার বাড়িতে যান তিনি। কিন্তু আরিফের বাবা তাদের দুজনকে বের করে দেয়। এরপর প্রেমিক
তাকে নিয়ে রেলস্টেশনে যায়। সেখানে রেখে পালিয়ে যায় আরিফ। পরে স্ত্রীর স্বীকৃতি চেয়ে
অনশনে বসেছেন তিনি। স্ত্রীর অধিকার না পাওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন।
আরিফের মা সেলিনা বেগম জানান, মেয়েটি
যদি বিয়ের প্রমাণ দেখাতে পারে তাহলে স্ত্রী হিসেবে মেনে নেবেন তারা।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি দেবাশীষ চৌধুরী
বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার জেলার মুরাদনগর উপজেলায় বাড়ির পাশে থাকা পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের কালারাইয়া গ্রামের কাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে বইছে শোকের মাতম।
নিহত শিশু কাজী ইয়াছিন আরাফাত(৩) উপজেলার কালারাইয়া গ্রামের কাজী তানভীর মিয়ার ছেলে ও রোজা মনি(৩) একই এলাকার মিদন মিয়ার মেয়ে। তারা দুজন সম্পর্কে চাচা-ভাতিজি ছিল।
দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি ছেলের বাবা কাজী তানভীর নিশ্চিত করে জানান, প্রতিদিনের মত আজকে সকাল ৯টার দিকে আমার ভাইয়ের মেয়ে রোজা মনি ও আমার ছেলে ইয়াছিন দুজন মিলে বাড়ির পিছনে পুকুর পাড়ে খেলতে যায়। কিছুক্ষন পর তাদের দুইজনকে কোথাও দেখতে না পেয়ে দুই পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজতে থাকি। খোঁজাখুঁজির একপর্যায় পুকুর পাড়ে তাদের ভাসতে দেখি। তাৎক্ষনিক তাদের উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুইজনকে মৃত ঘোষণা করে।
বিকালের দিকে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের নলচর এলাকায় চাঁদাবাজবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে চালিভাঙ্গা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজমগীর হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, নলচর এলাকার দক্ষিণ পাশে পাথর ও বালুবোঝাই বোট থেকে চাঁদাবাজরা টাকা আদায় করছিল। খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ অভিযান চালালে চাঁদাবাজরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
আহতরা হলেন, এএসআই মাকসুদ (ডান হাতে ট্রেডার ঘাই ও বুকে লাঠির আঘাতপ্রাপ্ত), কনস্টেবল সাইদুল এবং কনস্টেবল সোহাগ। প্রাথমিকভাবে আহতদের মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা পাঠানো হয়েছে।
চালিভাঙ্গা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজমগীর হোসেন বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে অভিযান চালাতে গেলে চাঁদাবাজরা আমাদের পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনজন আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় অভিযানকালে নলচর গ্রামের বারেকের ছেলে রানা এবং রুপ মিয়ার ছেলে সাজ্জাদকে আটক করেছে চালিভাঙ্গা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি। আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইনচার্জ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গতকাল (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা গোয়েন্দা
শাখা, কুমিল্লার একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং থানার চড়ানল এলাকার কুমিল্লা-টু-কসবাগামী
রাস্তার উপর হতে ১২২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী ছাব্বির হোসেন শুভ ও মোঃ
সোহাগকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: কুমিল্লা
জেলার বুড়িচং থানার পাঁচোড়া (আসকার বাড়ী) এলাকার মৃত আলম খান এর ছেলে ছাব্বির হোসেন
শুভ (২৫) এবং মৃত কবির হোসেন এর ছেলে মোঃ সোহাগ (২৭)।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা
দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন