

কুড়িগ্রামের
উলিপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মুনতাহা (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার থেতরাই
ইউনিয়নের বসুনিয়া পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুটি কিশোরপুর গ্রামের বাসিন্দা
শহিদুল ইসলামের মেয়ে।
এলাকাবাসী
জানান, দুপুরে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে শিশু মুনতাহা বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে
পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলেপ উদ্দিন গোসল করতে পুকুরে নামলে তার
পায়ে কোনো একটি বস্তু স্পর্শ করে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে পানিতে
ডুব দিয়ে পানির নিচ থেকে মুনতাহাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা করেন।
উলিপুর
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দীক বলেন, বিষয়টি শুনেছি। এ ব্যাপারে
খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ঢালিউডের
কিংবদন্তি নায়ক আসলাম তালুকদার মান্না এবং কলিউড সুপারস্টার এবং তামিলনাড়ুর মূখ্যমন্ত্রী
থালাপতি বিজয়ের একটি ছবি হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এক ফ্রেমে দুই
প্রজন্মের দুই জনপ্রিয় মুখকে দেখার পর থেকেই নেটিজেনদের আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে
ছবিটি।
ভাইরাল
ছবিটিতে দেখা যায়, মান্নার কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন বিজয়। দাবি করা হচ্ছে, প্রায়
২০ বছর আগে তোলা এই ছবি। তবে এটি আসল নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে
তা নিয়ে নেটপাড়ায় চলছে ধোঁয়াশা।
ভাইরাল
হওয়া এ ছবি অনেকের মনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি করছে, আবার অনেকে ছবিটিকে এআই দিয়ে তৈরি
বলে দাবি করছেন। কিন্তু ছবির আসল রহস্য কী জানেন?
তথ্য
বলছে, ২০০০ সালে চিত্রনায়ক মান্না ভারতীয় অভিনেত্রী রানী মুখার্জিকে নিয়ে কৃতাঞ্জলি
চলচ্চিত্র থেকে একটি সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দেন। পরবর্তী সময়ে ভারতে বিজয় থালাপতিসহ
অনেক তারকাদের সঙ্গে প্রয়াত মান্নার দেখা হয়। তবে যে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ভাইরাল হয়েছে সেটি তখনকার সময়ে তোলা কি না তার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
অনেকে
মনে করছেন, এটি বাস্তবও হতে পারে। কারণ, মান্নার একাধিক সিনেমার পোস্ট-প্রোডাকশন কাজ
হয়েছে ভারতের চেন্নাইয়ের প্রসাদ ল্যাব ও এভিএম স্টুডিওতে। ২০০৩ থেকে ২০০৪ সালের দিকে
মান্না যখন ‘বাস্তব’, ‘মিনিস্টার’
বা ‘বীর সৈনিক’- সিনেমার কাজে চেন্নাইয়ে ছিলেন, তখন একই সময় বিজয়ের সিনেমার
কাজও চলছিল বলে জানা যায়। সেই সূত্রেই মান্না-বিজয়ের দেখা হয়ে থাকতে পারে এমন ধারণা
করছেন অনেকে।
এ
প্রসঙ্গে সঠিক তথ্য জানতে প্রয়াত নায়ক মান্নার স্ত্রী শেলি মান্নার কাছে জানতে চাইলে
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, অনেক আগের কথা, ঠিক মনে পড়ছে না। তবে বিজয়ের সঙ্গে তার দেখা
হতেও পারে। প্রায় তো ইন্ডিয়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও কাজে যেত। নায়ক মান্নার ছেলে
সিয়াম ইলতেমাশ অবশ্য দাবি করেছেন, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি।
এদিকে
ছবি শনাক্তকারী ওয়েবসাইট সাইটইঞ্জিন বলছে, মান্না ও থালাপতি বিজয়ে ছবিটি ৩ শতাংশ এআই
দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ ছবিটি বাস্তব ক্যামেরায় তোলা। জিরোজেপিটি বলছে, ছবিটির ৫১ শতাংশ
মৌলিক। পুরোনো ছবি হওয়ায় এতে আলো ও অন্য কিছু কাজ হয়েছে।
নেটিজেনদের
একাংশের দাবি, ছবিটি বাস্তব ক্যামেরায় তোলা। ছবিতে ছিলেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ অথবা
কাজী মারুফ। আধুনিক এআই প্রযুক্তির সাহায্যে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ অথবা কাজী মারুফের
ছবির মধ্যে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থালাপতি বিজয়ের মুখ বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভাইরাল
ছবিটি আসল হোক কিংবা এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি হোক এটি ভক্তদের আবেগি করে তুলেছে মান্নার
পুরোনো স্মৃতিতে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা বলছেন, মান্না ও থালাপতি বিজয় দুজনেই গণমানুষের
নায়ক যারা নিজ নিজ ইন্ডাস্ট্রিতে সাধারণ মানুষের হৃদয়ের গভীরে জায়গা করে নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের কাছ থেকে পাওয়া সংস্কার প্রস্তাবগুলোর মধ্যে
যে সব এখনই বাস্তবায়নযোগ্য, সেগুলো অন্তর্বর্তী সরকার অতিদ্রুত কার্যকরের উদ্যোগ নেবে।
আজ শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন হস্তান্তরকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে যে সব এখনই বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো আমরা দ্রুত
বাস্তবায়ন করে ফেলতে চাই। সে জন্য আমি চাইবো সংস্কার কমিশন আশু করণীয় বা দ্রুত বাস্তবায়ন
করা যায় এমন সুপারিশগুলো তাড়াতাড়ি আলাদাভাবে আমাদের কাছে পেশ করুক।
সিনিয়র সাংবাদিক কামাল আহমেদের নেতৃত্বাধীন
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের কাজকে অমূল্য উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা এ প্রতিবেদন যেন
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য মানুষ পড়তে পারে সে লক্ষ্যে
কাজ করার পরামর্শ দেন।
দেশীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলো একটি নির্দিষ্ট
স্যাটেলাইট ব্যবহারে বাধ্য বলে বিদেশ থেকে বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো দেখা যায়
না, কমিশনের পক্ষ থেকে এমন তথ্য পাওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের টেলিভিশন
চ্যানেলগুলো যাতে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা এবং আগ্রহী বিদেশিরা দেখতে পারেন সেজন্য
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার।
কমিশন প্রধান কামাল আহমেদসহ অন্যান্য
সদস্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।
কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতিআরা নাসরীন, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের
সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের প্রতিনিধি শামসুল হক জাহিদ, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন ওনার্স
(অ্যাটকো) প্রতিনিধি মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, নিউজ পেপার
ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সচিব আখতার হোসেন খান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের
সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, যমুনা টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
ও ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের ট্রাস্টি ফাহিম আহমেদ, মিডিয়া সাপোর্ট নেটওয়ার্কের
আহ্বায়ক সাংবাদিক জিমি আমির, ডেইলি স্টারের বগুড়া জেলা প্রতিনিধি মোস্তফা সবুজ, বিজনেস
স্ট্যান্ডার্ডের ডেপুটি এডিটর টিটু দত্ত গুপ্ত এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ
আল মামুন।
মন্তব্য করুন


খেজুরের রসে মারাত্মক প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর খেজুরের রস বিক্রেতাদের কাঁচা রস বিক্রি বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছে ।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (জুনোটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম) ডা. শ. ম. গোলাম কায়ছার স্বাক্ষরিত জরুরি এক স্বাস্থ্য বার্তায় অধিদপ্তর জানায়, নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যুর হার প্রায় ৭০ শতাংশেরও বেশি। ২০২২-২৩ সালে দেশে এই রোগে আক্রান্ত ১৪ জনের মধ্যে ১০ জনই মৃত্যুবরণ করেন। তাই প্রতিরোধই হচ্ছে এই রোগ থেকে বাঁচার উপায়।
এতে বলা হয়েছে, নিপাহ একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক প্রাণঘাতী রোগ। সাধারণত শীতকালে নিপাহ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। কাঁচা খেজুরের রসে বাদুড়ের বিষ্ঠা বা লালা মিশ্রিত হয় এবং ওই বিষ্ঠা বা লালাতে নিপাহ ভাইরাসের জীবাণু থাকে। ফলে খেজুরের কাঁচা রস পান করলে মানুষ নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে যে কেউ।
স্বাস্থ্য বার্তায় আরো বলা হয়েছে, বর্তমান সময়ে বড়দের পাশাপাশি শিশু-কিশোরেরা নিপাহ ভাইরাসে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তাই খেজুরের কাঁচা রস সংগ্রহ, বিক্রয় ও বিতরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গাছিকে এবং জনসাধারনগণকে প্রাণিবাহিত সংক্রামক ব্যাধি রোগ নিপাহ ভাইরাস সম্পর্কে অবহিত করা হলে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
বিজ্ঞপ্তিতে খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড় খেতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
অধিদপ্তর বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানায়,নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যুর হার প্রায় ৭০ শতাংশেরও বেশি। ২০২২-২৩ সালে দেশে এ রোগে আক্রান্ত ১৪ জনের মধ্যে ১০ জনই মৃত্যুবরণ করেন। অধিদপ্তর জানায়, প্রতিরোধই হচ্ছে এই রোগ থেকে বাঁচার উপায়। খেজুরের রস বিক্রেতাদের প্রতি অনুরোধ কেউ কাঁচা রস খেতে চাইলে বিক্রি করবেন না।
নিপাহ রোগের প্রধান লক্ষণ সমূহ :
১. জ্বরসহ মাথা ব্যাথা
২. খিচুনি
৩. প্রলাপ বকা
৪. অজ্ঞান হওয়া
৫. কোনো কোনো ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট হওয়া
নিপাহ রোগ প্রতিরোধে করণীয় :
১. খেজুরের কাঁচা রস খাবেন না
২. কোনো ধরনের আংশিক খাওয়া ফল খাবেন না
৩. ফল-মূল পরিস্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে খাবেন
৪. নিপাহ রোগের লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে অতি দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাবেন
৫. আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসার পর সাবান ও পানি দিয়ে দুই হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলবেন
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
পুলিশ বিভিন্ন জেলায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে । ইতোমধ্যে বন্যার্তদের
উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য জেলাভিত্তিক পুলিশের জরুরি নম্বরও চালু করা
হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর
জানান, বন্যার্তদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার জন্য অনুরোধ জানানো
হয়েছে। এছাড়া জেলাভিত্তিক উদ্ধারে পুলিশ কর্মকর্তাদের মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে। সেগুলো
হলো-
জেলা
পুলিশ, নোয়াখালী
+8801320111898
জেলা পুলিশ, লক্ষ্মীপুর
+8801320112898
জেলা
পুলিশ, ফেনী
+8801320113898
জেলা
পুলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
+880
1320-115898
জেলা
পুলিশ, কুমিল্লা
+880
1320-114898
জেলা
পুলিশ, চাঁদপুর
+880
13 2011 6898
জেলা
পুলিশ, রাঙ্গামাটি
+8801320109898
জেলা
পুলিশ, বান্দরবান
+8801320110898
জেলা
পুলিশ, খাগড়াছড়ি
+8801320110398
জেলা
পুলিশ, চট্টগ্রাম
+8801320108398
জেলা
পুলিশ, কক্সবাজার
+8801320109398
জেলা
পুলিশ, মৌলভীবাজার
+880
1320-120698
জেলা
পুলিশ, হবিগঞ্জ
+880
1320-119698
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (১৪ নভেম্বর) বলেছেন, তাঁর সরকার দেশের তৈরি
খাতে আরও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করার প্রয়াসে শ্রম খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করবে।
এখানে
প্রাপ্ত এক খবরে বলা হয়েছে, আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনের
ফাঁকে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র
সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশের
সাম্প্রতিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করার সময় অধ্যাপক ইউনূস তাকে বলেন, ‘শ্রম ইস্যুটি আমাদের
সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের অন্যতম এবং আমরা সকল শ্রম সমস্যার সমাধান করতে চাই।’
থেরেসা
মে বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রম ইস্যুতে কাজ করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে মানব পাচার ও অভিবাসন ইস্যু নিয়েও আলোচনা করেন।
অধ্যাপক
ইউনূস আইনি মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে অভিবাসন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি
ঝুঁকি ও অনিয়মিত অভিবাসন কমিয়ে দেবে এবং মানব পাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ
করবে।
অধ্যাপক
ইউনূস থেরেসা মেকে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সময় বাংলাদেশী তরুণদের আঁকা গ্রাফিতি ও ম্যুরাল
বিষয়ক বই আর্ট অফ ট্রায়াম্ফের একটি অনুলিপি উপহার দেন।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব ও মুখ্য
সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, তুরস্ক এবং আজারবাইজানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আনামুল
হক উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে আজ সকালে তার অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক ও সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেঙ্গলি। এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে সারাহ কুক দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তথ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে সরকার গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজ শুরু করেছে। মন্ত্রী এক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্যা অফিস অফ কমিউনিকেশনস (অফকম) এর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, অফকমের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে গণমাধ্যম খাতে নীতি নির্ধারণে কাজে লাগানো যেতে পারে।
হাইকমিশনার এক্ষেত্রে তথ্যমন্ত্রীকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি অফকমের কার্যক্রম সম্পর্কেও মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত সাক্ষাৎকালে তথ্যমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিন্তে বদ্ধপরিকর। একইসাথে আমরা জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকেও সুরক্ষা দিতে চাই। এজন্য তিনি সুইজারল্যান্ড এর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
এসময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিলেও একই সাথে এটি একটা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তিনি এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিমন্ত্রী এ সময় বাংলাদেশে প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য সুইস রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


প্রায় ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা শুরু হয়েছে। চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জেরে এ দীর্ঘসময় সেবা বন্ধ ছিলো ।
চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় তাই হাসপাতালে সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়।
চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে ২ প্লাটুন বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। হাসপাতালে আসা রোগীদের সঙ্গে দুইজন প্রবেশ করতে পারবেন। নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন ও দর্শনার্থীদের তল্লাশি করে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। লাঠি, ধারালো অস্ত্র বা জীবনহানি হয় এমন কোনো জিনিস নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
রাতে ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে গিয়ে দেখা যায়, চিকিৎসকরা হাসপাতালে আসা রোগীদের সেবা দেওয়া শুরু করেছেন। হাসপাতালে আসা রোগীরা টিকিট কেটে জরুরি বিভাগে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে পারছেন।
জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক জানান, শর্ত সাপেক্ষে আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাসে সেবা দেওয়া শুরু করেছি। আমাদের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হয়েছে এবং মূল দাবি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকদের মারপিট করা দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি আমাদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে সেনাবাহিনী এবং বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। আশা করব, এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে।
প্রসঙ্গত
যে, গতকাল শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি
অব বিজনেস টেকনোলজির (বিইউবিটি) শিক্ষার্থী আহসানুল হক দীপ্তর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে।
পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের তিন চিকিৎসককে মারধরের ঘটনা
ঘটে। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দেন চিকিৎসকরা।
এরই জেরে আজ দিনভর জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন ঢামেকের চিকিৎসকরা।
মন্তব্য করুন


প্রখ্যাত নজরুল গবেষক, কবি, সাংবাদিক, বাচিক শিল্পী, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর ডিন এবং পাঠাগার আন্দোলনের জাতীয় কমিটির সম্মানিত ট্রাস্টি অধ্যাপক ড. আলী হোসেন চৌধুরী স্যার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট কর্তৃক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান মহোদয় হতে 'নজরুল পদক' পাওয়ায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপু মহোদয় ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন । শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টা ২০ মিনিটে শপথ নেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২৮ মিনিটে তিনি তার গাড়িবহর নিয়ে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
এর আগে বিএনপির নেতারা, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
তার আগে দুপুর ২টা ১১ মিনিটে ড. ইউনূসকে বহনকারী ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
এরপর বিমানবন্দরে ড. ইউনূস বলেন, আমার ওপর যদি আস্থা এবং বিশ্বাস রাখেন তাহলে এটা নিশ্চিত করতে হবে কারও ওপর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না, বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। যদি বিশৃঙ্খলা করা হয় তাহলে আমি এই দায়িত্বে থাকব না।
নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। যারা এটি করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, তারা (সমন্বয়করা) দেশকে রক্ষা করেছে।
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেন, দেশবাসী কাছে আমার ওপরে বিশ্বাস রাখেন, ভরসা রাখেন, দেশে কারও ওপর কোনো হামলা হবে না।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি করাকে স্বাভাবিক করাকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনূস বলেন, যেজন্য আন্দোলন হয়েছে সেটার ফলাফল যেন ব্যর্থ না হয়। পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। যে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ নতুন করে বিজয় পেল তা যেন পূর্ণতা পায়।
মন্তব্য করুন


সোমবার (৫ আগস্ট) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেনাবাহিনীর প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান খুব শিগগিরই সকল ছাত্র-শিক্ষক প্রতিনিধির সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ডাকা সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। এরপর দেশের বর্তমান সংকট নিরসনে রাজনৈতিক দলের নেতাসহ বিশিষ্টজনদের সঙ্গে সেনা সদরদপ্তরে আলোচনায় বসেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
এরপর বিকেল পৌনে ৪টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন সেনাপ্রধান এবং ভাষণে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হচ্ছে বলে জানান।
সেনাবাহিনীর প্রধান আরো বলেন, রাজনৈতিক ক্রান্তিকাল চলছে। একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হবে। সেনাবাহিনীর ওপর আস্থা রাখেন। আমরা রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি।
জনগণের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, দেশে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখেন। আপনারা আমার ওপর আস্থা রাখেন, একসাথে কাজ করি। দয় করে সাহায্য করেন। মারামারি সংঘাত করে আর কিছু পাব না। সংঘাত থেকে বিরত হোন। সবাই মিলে সুন্দর দেশ গড়েছি।
ভাষণ শেষে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ছাত্রদের শান্ত হওয়ার পরামর্শ দেন।
মন্তব্য করুন