

বরিশাল
বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শুভ বৈরাগী নামে এক শিক্ষার্থীর
ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
আজ
রোববার (৪ জানুয়ারি) সকালে তার বাড়ি গোপালগঞ্জের বৌলতলী থেকে ঝুলন্ত লাশটি উদ্ধার করা
হয়।
মৃত্যুর
আগে গত ১ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্টে শুভ নিজের এবং
তার প্রেমিকার পরিচয় ও ছবি প্রকাশ করে প্রেমের সম্পর্কের ঘটনা বর্ণনা দেন।
শুভ
তার প্রেমিকা ও প্রেমিকার পরিবারকে তার মৃত্যুর জন্য দায়ী করেন।
ফেসবুক
পোস্টে শুভ দাবি করেন, দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় ধরে এক তরুণীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক
ছিল। প্রেমিকার জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানাতে তিনি ওই তরুণীর বাড়িতে গেলে পরিবারের
কয়েকজন সদস্যের হাতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। শুভর অভিযোগ, এ সময় তাকে
মারধর করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি মিথ্যা ভিডিও তৈরি করতে বাধ্য করা হয়, যেখানে
তাকে চুরির অপবাদ দিয়ে সেটার স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়। পোস্টে শুভ আরও লেখেন, অর্থনৈতিক
দুর্বলতার কারণে তার সঙ্গে সম্পর্কটি মেনে নেওয়া হয়নি এবং এই অপমান ও সামাজিক হেয়প্রতিপন্ন
করার ঘটনাই তাকে চরম সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দেয়। তিনি তার মৃত্যুর জন্য সংশ্লিষ্ট কয়েকজন
ব্যক্তি ও ‘ঘুণে ধরা সমাজব্যবস্থা’-কে দায়ী করেন এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার
বিষয়ে আইনি শাস্তির দাবি জানান।
বরিশাল
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উম্মেষ রায় বলেন, ‘শুভর মৃত্যুতে আমরা
অত্যন্ত মর্মাহত। কিছুদিন আগেই তার অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে। হঠাৎ এ ধরনের
খবর পেয়ে আমাদের মন ভেঙে গিয়েছে।’
শুভ
বৈরাগীর সহপাঠীরা জানান, তিনি মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছিলেন। তার এমন মৃত্যুর খবরে
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী জুলকার
নাঈম বলেন, ‘শুভ আসলে আত্মহত্যা করেনি, ওকে একপ্রকার খুন করা হয়েছে! ওর খুনের সঙ্গে
জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ৩৩ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে একটি
প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর যেসব এসপি ও ইউনিট প্রধানরা বিপিএম-পিপিএম পদক পেয়েছিল তাও বাতিল করা হয়েছে।
এই
একই
কারণে এর আগে ওএসডি করা হয় ১২ ডিসিকে।
ওএসডি করা কর্মকর্তাদের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
মন্তব্য করুন


শনিবার (৬ ডিসেম্বর) গভীর রাতে মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় এবং তাঁর স্ত্রী সুর্বনা রায়ের নিজ বাড়িতে ঘটে যায় ভয়াবহ এক হত্যাকাণ্ড। শান্ত-নিরিবিলি এলাকায় এমন নৃশংস ঘটনা স্থানীয়দের স্তম্ভিত করেছে।
প্রতিবেশী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, স্বাভাবিক নিয়মে রাতে ঘুমাতে যান দম্পতি। তবে রোববার ভোরে তাদের দরজায় বারবার ডাকা সত্ত্বেও কোনো সাড়া না পেয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তখন প্রতিবেশী দীপক নামের একজন বাড়ির সামনের গেটে মই লাগিয়ে ভেতরে ঢোকার উদ্যোগ নেন। ঘরে প্রবেশ করতেই তিনি আতঙ্কজনক দৃশ্যের মুখোমুখি হন—রান্নাঘরে সুর্বনা রায় ও ডাইনিং রুমে যোগেশ চন্দ্র রায় গলা কাটা অবস্থায় পড়ে আছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানান এবং এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় ছিলেন রহিমাপুর নয়াহাট মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। অবসর জীবনে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে শান্তভাবেই বাড়িতে থাকতেন। তাদের দুই ছেলে বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের ভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করছেন। দম্পতিকে সাধারণত নিরিবিলি, শান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবেই সবাই চিনতেন।
এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের কারণ স্পষ্ট না হলেও পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তারাগঞ্জ থানার এসআই আবু ছাইয়ুম জানান, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে দুজনকেই মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পেছনে কারো শত্রুতা, লুটপাটের চেষ্টা বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না—সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার পরপরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোনাববর হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি বিষয়টি রংপুর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)কেও জানানো হয়েছে এবং তারা তদন্তে সহায়তা করছেন।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বাস ও মোটরসাইকেলের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন মোটরসাইকেল আরোহীর। নিহতদের একজন বন্ধু এবং বাকি দু’জন আপন ভাই। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাতের দিকে উপজেলার মাধবপুর কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তিনজন হলেন—সুমন মণ্ডল, ইমন মণ্ডল এবং তাদের সঙ্গী আসিফ মোল্লা। সুমন ও ইমন ভাই, আর আসিফ ছিলেন তাঁদের সহযাত্রী।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাতে তিনজন মোটরসাইকেলে করে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া যাচ্ছিলেন। পথে মাধবপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বরিশালগামী একটি বাস সরাসরি মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় দু’জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অপরজনকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকদের চেষ্টায় তাকে আর বাঁচানো যায়নি।
দুর্ঘটনার পর বাসটি থামেনি বলে স্থানীয়রা জানান। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে।
মন্তব্য করুন


মধ্যপ্রাচ্যে
যুদ্ধ পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে অস্থিরতার ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবেলায়
বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর সহযোগিতা চেয়েছে।
বুধবার
(১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বৈঠকের
বিস্তারিত জানানো হয়।
ওয়াশিংটন
ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দফতরে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী
ক্রিস রাইটের সঙ্গে আলোচনায় বসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বৈঠকে মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে পাশে থাকার আশ্বাস
দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, বিশ্বজুড়ে সরবরাহ শৃঙ্খলে অস্থিরতার কারণে
বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি খাতে নানামুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে
দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটানো এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের
কারিগরি ও কৌশলগত সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।
এসময়
তিনি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন জ্বালানি দফতরকে বিশেষ ভূমিকা
রাখার অনুরোধ জানান।
বাংলাদেশের
উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের
বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত। এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের পাশে থাকতে এবং
প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি
আরও জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উত্থাপিত বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা
হবে এবং সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বৈঠকে
শুধু বর্তমান সংকট নিরসনই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়েও দুই পক্ষ
একমত পোষণ করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিরাপদ ও স্থিতিশীল জ্বালানি
সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি পণ্য আমদানির সম্ভাবনা ও সুযোগ
বাড়ানো, জ্বালানি খাতের আধুনিকায়নে প্রযুক্তিগত বিনিময়।
এ
সময় উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
আলোচনায় অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লায় নানা আয়োজনে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
এরপর কুমিল্লা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক মু.রেজা হাসান।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন করে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের নিরাপত্তা, অগ্রগতি ও জাতি গঠনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান সত্যিই প্রশংসনীয়। দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আপনারা যে ত্যাগ ও নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন, তা দৃষ্টান্তমূলক।’
আগামী নির্বাচনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারিতে আমাদের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে সত্যিই একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করতে হবে। এটি শুধু একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে না, বরং শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করবে। ভোটাররা যখন ভোট দিতে বের হবেন, তা উৎসবমুখর হবে এবং জাতি গর্বের সঙ্গে স্মরণ করবে যে তারা দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে অংশ নিয়েছেন।’একইসঙ্গে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা, অগ্রগতি, জাতি গঠন এবং সংকটকালে জনগণের পাশে দাঁড়ানোয় সশস্ত্র বাহিনীর অবদানের প্রশংসা করেন।
আজ রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স (এনডিসি) ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স (এএফডব্লিউসি)-২০২৫-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মহামারীর মতো সংকটে সশস্ত্র বাহিনীর অব্যাহত প্রচেষ্টা দেশের জনগণের কল্যাণে তাদের প্রস্তুতি ও অটল নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।’ বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বৈশ্বিক শান্তিতে অবদান রাখার জন্যও ধন্যবাদ জানান, যা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতি
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় তিনি দেশবাসীকে দোয়া ও প্রার্থনা করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানের এই আনন্দময় মুহূর্তে আসুন আমরা সকল বাংলাদেশীর সঙ্গে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি আমাদের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’
স্নাতক সম্পন্ন করা অফিসারদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকের গ্র্যাজুয়েশন আপনার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করা সত্যিই একটি বড় অর্জন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি আপনার জীবনের স্মরণীয় মুহূর্ত। এই অর্জন বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের প্রতিফলন। এখন আপনি উচ্চতর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত, যা আপনাকে জাতীয় নিরাপত্তা, রাষ্ট্র পরিচালনা, নীতি নির্ধারণ, কৌশল প্রণয়ন এবং জাতীয় উন্নয়নের জটিলতাগুলো বোঝার ক্ষমতা প্রদান করবে।’
ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, কলেজটি এমন নেতৃবন্দ গড়ে তোলার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যারা জটিল ও ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেকে নিবেদিত করতে সক্ষম হবেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা এমন এক এক সময়ে আছি যখন অর্থনৈতিক কেন্দ্রীকরণের গুরুত্ব এশিয়ার দিকে স্থানান্তরিত হচ্ছে, বাংলাদেশ এমন একটি কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে যা অসাধারণ সুযোগ প্রদান করে। ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য এই অনন্য ভূ-রাজনৈতিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে দেশের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।’
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স একটি কৌশলগত স্তরের কোর্স, যা অংশগ্রহণকারীদের জাতীয় নিরাপত্তা বোঝার, বিশ্লেষণ এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম এবং নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স কৌশলগত ও অপারেশনাল স্তরের ওপর কাজ করে এবং কৌশলগত ও ট্যাকটিক্যাল স্তরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে সহায়ক। এই কোর্স চলাকালীন, আপনি বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ যেমন সন্ত্রাসবাদ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সাইবার হুমকি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিশ্লেষণে যুক্ত হয়ে পড়েছেন।’
বিদেশি গ্রাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি আশা করি, এখানে আপনার সময়কালে আপনি এমন বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন যা দিগন্ত বিস্তারী যা আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গভীরতর বোঝাপড়া তৈরি করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের উপস্থিতি আমাদের প্রতিষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করেছে এবং আমি বিশ্বাস করি, আপনারা আপনার নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করবেন। বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও মজবুত করবেন। আমি আপনাদের আগামীর জন্য সফলতা কামনা করছি।’
এনডিসির অবদানের প্রশংসা করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ প্রতিষ্ঠার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করেছে। ‘এটি স্বীকার করা গুরুত্বপূর্ণ যে এনডিসি কেবল সামরিক ক্ষেত্রে নয়, ভবিষ্যত নেতৃত্ব গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতি বছর বেসরকারি প্রশাসন,পররাষ্ট্র ক্যাডার, পুলিশ, আর্মি ও বিডিপির উঁচু পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এনডিসি কোর্সে অংশগ্রহণ করা আমাকে অত্যন্ত আনন্দ দেয়।’
তিনি আরও বলেন, বিদেশি কর্মকর্তাসহ কোর্সটি চিন্তাধারা বিনিময়, বন্ধুত্ব সৃষ্টি এবং বোঝাপড়া সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য অসাধারণ সুযোগ প্রদান করে। ‘আমি কমান্ড্যান্ট, শিক্ষক ও স্টাফদের আন্তরিক প্রশংসা জানাই, যারা ২০২৫ সালের এনডিসি কোর্স এবং সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ কোর্সটি উৎকর্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেছেন,’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন।
অধ্যাপক ইউনূস কোর্সে অবদান রাখার জন্য রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স পার্সন এবং বিশেষ বক্তাদের প্রশংসা জানিয়ে বলেন, ‘আমি সেই দেশের সমর্থনকেও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করি, যারা স্টাডি ট্যুরের আয়োজন করেছে, যা এই কোর্সের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’
তিনি আরো বলেন,‘ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী যে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ তার মূলমন্ত্র ‘সুরক্ষা থেকে জ্ঞান’ বজায় রাখবে। এই প্রচেষ্টা আপনাদের নতুন ভূমিকা গ্রহণের সময় প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা নির্ধারণে পথ দেখাবে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জটিলতা মোকাবিলায় সহায়ক হবে।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান
ছাড়াও সুফি মাজারে যেকোনো বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী
সরকার। সেই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে
কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছে সরকার।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয় থেকে পাঠানো
বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত কয়েকদিনে কিছু দুর্বৃত্তের
দেশের সুফি মাজারগুলোতে হামলা চালানোর বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের নজরে এসেছে। অন্তর্বর্তী
সরকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা এবং সুফি মাজার সম্পর্কিত যেকোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য
এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায়
আনা হবে। সেই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়
ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের
দেশ। ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতিকে বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা
সরকার দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এই বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
এ বিষয়ে দায়িত্বরত (বিজিবি) কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে ০২ প্লাটুন (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। ০১ প্লাটুন হাসপাতালের গেটে দায়িত্ব পালন করছে। আরেক প্লাটুন টহলে রয়েছে।’
গত সোমবার রাতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা ও দলীয় নেতা–কর্মীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ব্যারিকেড বসায়। তারপরও আজ (০৩ ডিসেম্বর) বুধবার সকাল থেকেই হাসপাতালের সামনে নানা এলাকা থেকে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী এসে জড়ো হয়েছেন। ব্যারিকেডের বাইরে নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থান করছেন তারা। হাসপাতালের সামনে উপস্থিত নেতাকর্মীদের অনেকে বলেন, ভিড় এড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু তাদের মন সায় দেয়নি। উদ্বেগ আর টানাপোড়েন সামলে তারা ছুটে এসেছেন হাসপাতালে।
উল্লেখ্য, ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেদিন তার অনেক শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছিল। দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার চিকিৎসা শুরু হয়। অবস্থার অবনতি হলে ০২ দিন আগে তাকে হাসপাতালের কেবিন থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে মেডিকেল বোর্ডের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ০২ মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ০২ বছরের বেশি সময় তিনি কারাবন্দী ছিলেন। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন সরকার নির্বাহী আদেশে তার সাজা স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেয়। এরপর ০৬ মাস পরপর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছিল সরকার। যদিও চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ যেতে দেওয়া হয়নি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় র্যাব-১১-এর পৃথক অভিযানে ২৩ কেজি গাঁজাসহ দুজন মাদক কারবারি এবং দুজন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে র্যাব-১১-এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
র্যাব জানায়, গতকাল সোমবার রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি মডেল থানার পশ্চিম বাগিচাগাঁও এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তিন কেজি গাঁজা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
এর আগে একই দিন সকালে বুড়িচং থানার মিরপুর এলাকায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে মহসিন (৫৯) ও আলী আজগর কালু (৬৪) নামের দুই ব্যক্তিকে ২০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়।
অপর দিকে, একই দিন রাতে কোতোয়ালি মডেল থানার টমছম ব্রিজ ও রসুলপুর এলাকায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. অলিউল্লাহ সুমন (৫৫) ও মিন্টু মিয়াকে (৪৯) গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার মহসিন ও আলী আজগর কালু দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সরবরাহ করে আসছিলেন।
র্যাব অধিনায়ক জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


রাজনৈতিক
প্রতিযোগিতা থাকলেও তা যেনো কোনোভাবে সহিংসতায় না গড়ায়, এমন আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলগুলোর মধ্যে কোনও ধরনের বিভাজন যেনো সৃষ্টি না
হয়, সে বিষয়ে ও সতর্ক থাকার কথাও বলেন তিনি।
আজ
রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে, গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার
জন্য দলের পক্ষ থেকে খোলা শোকবইয়ে স্বাক্ষর ও তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য স্বাক্ষাৎ
শেষে এ তথ্য জানান বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ।
তিনি
বলেন, মব সন্ত্রাস ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে শঙ্কিত তারেক রহমান। মানুষের
মধ্যে শান্তি, সোহার্দ্য সৃষ্টির বার্তা দিয়েছেন তিনি। দেশকে ঐক্য ও সংহতির দিকে এগিয়ে
নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
সাইফুল
হক জানান, দু'দলের আলোচনায়, আগামী নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা
নিশ্চিত করার কথা হয়েছে।
এ
সময়, ঢাকা-১২ আসনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তারেক রহমান নির্বাচনী গণসংযোগে অংশ নেয়ার
বিষয়েও কথা হয়।
মন্তব্য করুন