

জমে উঠেছে দেশের সর্ববৃহৎ পাইকারী ফুলের বাজার যশোরের গদখালী,
দেশের ফুলের চাহিদার ৭০ থেকে ৮০ ভাগ ফুল সরবরাহ হয় এই গদখালী থেকে। ফুলের ভালো দাম
পেয়ে খুশি ফুল চাষীরা।
গত বছরের তুলনায় এ বছর ফুলের দাম অনেক বেশি। প্রাকৃতিক
দূর্যোগ আর বৃষ্টির কারণে ফুলের দাম বেশি বলে জানান গদখালী ফুল চাষী ও ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে তারা সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছেন। দাম
বেশি হওয়ায় ফুলের চাহিদা কমে গেছে, বিশেষ করে এই সময়ে ফুলের দাম বেশি হওয়ায়
দোকানদারেরা ফুলের অর্ডার দিচ্ছেন অনেক কম।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদেরর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে ফুলের বিক্রি বাড়ার
প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে তা ঘটছে না। ফুলের দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারাও ফুল
কিনছেন অনেক কম। বিশেষ করে আগে রাজনৈতিক নেতাদের জন্য ফুলের চাহিদা থাকলেও, এখন
সেই চাহিদাও কমে গেছে।
আর দেড় মাস পরে বিজয় দিবস, সামনে শীত, বাগানে নতুন ফুল ফুটবে, আর রাজনৈতিক
স্থিতিশীলতা ফিরলে ফুলের চাহিদা আরও বাড়বে। তখন ফুলের বাজারে আবার প্রাণচাঞ্চল্য
ফিরে আসব।
গদখালীর সৈয়দপাড়া, নীলকন্ঠ নগর, পটুয়াপাড়া, নিমতলা, হাড়িয়া,
পানিসারা ও টাওরা গ্রামে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ফুলের চাষ হয়। মোহর আলী বলেন আমি দুই
বিঘা জমিতে গোলাপ চাষ করেছি, দাম বেশি হলেও চাষের খরচের টাকা উঠবে না, কারন হিসেবে
জানান অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে ফুল পঁচে নষ্ট হয়ে গেছে।
মিনারুল ইসলাম বলেন, এ বছর এক বিঘা জমিতে গোলাপ চাষ করেছি
দামে আমি অনেক খুশি।
মিলন হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে আমার গোলাপ ফুল, গাধা ফুল প্রায়
নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
গদখালী বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে প্রতি পিছ গোলাপ
বিক্রি হচ্ছে ৮ টাকা থেকে ১৪ টাকা পর্যন্ত, প্রতি পিছ রজনীগন্ধা বিক্রি
হচ্ছে ১১ টাকা থেকে ১৬ টাকা পর্যন্ত। এক হাজার গাধা ফুল বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে ৩০০ থেকে
৬০০ টাকা পর্যন্ত।
চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অতি মাত্রায় বৃষ্টি হওয়ার কারণে
বেশিরভাগ ফুলের ডাল পঁচে গেছে। তাদের আশা সামনে ফুলের দাম আরও বেশি হবে।
যশোর ফুল উৎপাদক ও বিপণন সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, গাছে ফুল না থাকলেও দামে চাষীরা খুশি। চাষীরা চেষ্টা করে যাচ্ছেন খরচের টাকা তোলার জন্য।
উল্লেখ্য যশোরের গদখালী এলাকায় প্রায় ১২০০ হেক্টর জমিতে প্রায় এগারো রকমের ফুলের চাষ হয়। এ এলাকার ৬ হাজার পরিবারের প্রায় দেড় লাখ মানুষ ফুল চাষের সাথে জড়িত। প্রতি বছর তিনশো কোটি টাকার বেশি ফুল উৎপাদন হয় এই অঞ্চলে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলের পর কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন।
আজ শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুম্মার নামাজ শেষে ছাতিপট্রি মসজিদে তাঁর উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন এবং বেগম জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
দোয়া মাহফিল শেষে বিকালে হাজী ইয়াছিন নগরীর ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের তেলিকোনা, গোবিন্দপুকুরপাড় ও আশপাশ এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লাকে নিয়ে তাঁর উন্নয়ন–ভিশন তুলে ধরে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, তরুণ ভোটার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
গণসংযোগ চলাকালে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের সংগ্রামের প্রতীক। তাঁর দ্রুত আরোগ্য পাওয়াই এখন আমাদের প্রত্যাশা। এজন্যই আজ আমরা আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে দোয়া করেছি।
কুমিল্লা–০৬ আসনের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আরও বলেন,“এই এলাকার মানুষ পরিবর্তন চায়, ন্যায়বিচার চায়। আমি ঘরে ঘরে যাচ্ছি মানুষের কথা শুনতে। শান্তিপূর্ণভাবে আমরা মাঠে আছি—মানুষের আস্থা অর্জন ও তাদের প্রত্যাশার প্রতিদান দেওয়াই আমার লক্ষ্য।”
রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা নিয়ে হাজী ইয়াছিন বলেন,“দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায়, জবাবদিহি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ঘোষিত এই ৩১ দফা জনগণের প্রকৃত আশা–আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। কুমিল্লাকে আমরা একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও নাগরিকবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
গণসংযোগ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন—মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুব রহমান দুলাল, আব্দুল জলিল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মজিবুর রহমান কামাল, রিয়াজ খান রাজু, মনির হোসেন পারভেজ, কুমিল্লা মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকি রাকিব, সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, ১৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফরহাদ হোসেন ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর হাবিবুল্লা, ১৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব, ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জুবায়ের আলম জিলানীসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরে জীবন্ত রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপ ধরে বনবিভাগে জমা দেওয়ার পর
আওয়ামী লীগের ঘোষিত পুরস্কারের অর্থ পেয়েছেন দুই ব্যক্তি।
এ দুজন ছাড়াও আরও একজনকে পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকেলে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো.
ইশতিয়াক আরিফ জীবিত রাসেলস ভাইপার ধরা দুজনকে ৫০ হাজার করে ১ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার
বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুরস্কারের অর্থের চেক পাওয়া আজাদ শেখ বলেন, আমি জেলা আওয়ামী লীগের ঘোষিত পুরস্কারের
৫০ হাজার টাকা পেয়েছি। ধন্যবাদ জেলা আওয়ামী লীগ, তাদের কথা রাখার জন্য।
সোমবার দিবাগত রাতে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত অফিসে
দুজনের হাতে পুরস্কারের অর্থের চেক তুলে দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ
মো. ইশতিয়াক আরিফ।
পুরস্কার পাওয়া ব্যাক্তিরা হলেন—ফরিদপুর সদরের রেজাউল করিম ও আজাদ শেখ। শাহজাহান
নামের আরও একজনকে পরে পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক আরিফ বলেন, আমাদের
ঘোষণা অনুযায়ী তিন ব্যক্তিকে পুরস্কার বাবদ ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথা। আমরা ঘোষণা
অনুযায়ী দুজনকে সোমবার রাতে আমার ব্যক্তিগত অফিসে ৫০ হাজার করে এক লাখ টাকা দিয়েছি।
আর একজনকে আমরা পুরস্কার দেব। সেটা দুই-একদিনের মধ্যে দিয়ে দেব। জেলা আওয়ামী লীগ তাদের
কথা রেখেছে।
প্রসঙ্গত, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন উপেক্ষা করে প্রথমে রাসেলস ভাইপার মারতে পারলে
গত ২০ জুন ৫০ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক
শাহ মো. ইশতিয়াক। এ নিয়ে সমালোচনা হওয়ার একদিন পরে ২১ জুন জেলা আওয়ামী লীগ ওই ঘোষণা
থেকে কিছুটা সরে এসে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিজে সুরক্ষিত থেকে জীবিত রাসেলস
ভাইপার ধরে বনবিভাগে জমা দেওয়া হলে তাকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হব। তবে জেলা
আওয়ামী লীগের এ সংশোধিত ঘোষণাও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের পরিপন্থি। এ ঘোষণার পর রাসেলস
ভাইপার জীবিত ধরার জন্য তোড়জোর শুরু হয়ে যায় ফরিদপুর সদরসহ বিভিন্ন গ্রামে।
ইশতিয়াক আরিফ আরও বলেন, মৃত রাসেলস ভাইপার সাপ আনতে পারলে ও পরবর্তীতে জীবিত
রাসেলস ভাইপার ধরতে পারলে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। তবে প্রথমে মৃত রাসেলস ভাইপারের পুরস্কারের
কথাটা আমরা একটু ইমোশনাল হয়েই বলেছিলাম। তবে, এ ব্যাপারে নানা জনের নানা কথা শুনতে
হয় আমাদের, পরবর্তীতে জীবিত রাসেলস ভাইপার সাপ ধরতে পারলে পুরস্কারের ঘোষণা করেও নানা
কথা শুনতে হয় এবং আইনগত সমস্যা আছে বলে জানানো হয়। পরে আমরা উভয় পুরস্কারের ঘোষণা প্রত্যাহার
করে নিয়েছি। এরপর থেকে জীবিত কিংবা মৃত রাসেলস ভাইপারের জন্য কাউকে কোনো পুরস্কার দেওয়া
হবে না।
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সাবেক ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার হাবিবপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ব্রি হাইব্রিড ধান ৮ এর ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফুলবাড়ীর সহযোগিতায় ও ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় রংপুরের বাস্তবায়নে কৃষক আমজাদ হোসেনের উঠানে এ ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপজেলা কৃষি অফিসার নিলুফা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন, ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় রংপুরের প্রধান ড. মো: রকিবুল হাসান, এসএসও সেলিনা জাহান, হাইব্রিড রাইস বিভাগ গাজীপুরের এসএসও ড. আনোয়ারা আক্তার ও কৃষক আমজাদ হোসেন সহ আরো অনেকে।
এ সময় বক্তারা, ব্রি হাইব্রিড ধান ৮ এর ফলন বিঘায় ২৭ মন হওয়ায় বিদেশি ধানের পরিবর্তে দেশি জাতের ব্রি হাইব্রিড ধান ৮ লাগানোর পরামর্শ প্রদান করেন ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বজ্রপাতে চার উপজেলায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে পৃথক সময়ে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা, সদর দক্ষিণ, বুড়িচং ও দেবিদ্বার উপজেলায় চারজনের মৃত্যু হয়।
বজ্রপাতে
মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার
ধামতী গ্রামের মোখলেছুর রহমান (৫৮), চান্দিনা উপজেলার
বরকইট ইউনিয়নের কিছমত-শ্রীমন্তপুর গ্রামের সুন্দর আলীর ছেলে দৌলতুর রহমান (৪৭),বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের পাচোরা গ্রামের কুদ্দুস মিয়ার আলম হোসেন এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ার ইউনিয়নের উত্তর সূর্যনগর গ্রামের আতিকুল ইসলাম ( ৫০) ।
সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ও স্থানীয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত
করা হয়।
মন্তব্য করুন


মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) মধ্যরাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুজিবনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী স্বাধীনতা সড়কে অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয় তাদের।
আটকৃতরা হলো: মুজিবনগর উপজেলার গৌরীনগর গ্রামের দারিয়াপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে মো. মাসুদ রানা (৩৫) ও একই উপজেলার সাজিবুর রহমানের স্ত্রী মোছা. কোহিনুর (৪৫)।
ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার বলেন, ফেনসিডিল পাচার হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ২ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মুজিবনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুরে তীব্র গরমে
একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় অসুস্থ এক শিক্ষার্থীকে হোসেনপুর
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দুপুরে উপজেলার
হোসেনপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন
করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য মন্ডল।
এ ছাড়াও ঘটনাস্থলে আসেন উপজেলা শিক্ষা
অফিসার নুরুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষা অফিসার সালমা আক্তার।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক রেবেকা
সুলতানা জানান, হঠাৎই তীব্র গরমে একটি ক্লাসের কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে যায়। পরে
অন্যান্য শ্রেণিতে গিয়ে একই অবস্থা দেখা যায়। কয়েকজন অভিভাবক তাদের সন্তানদের নিয়ে
যায়। পরে আমরা প্রতিষ্ঠানটি ছুটি দিয়ে দেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য
মন্ডল জানান, গরম কিছুটা বেশি। ঘটনাস্থলে এসে দেখেছি কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে
গেছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতায়
বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন কুমিল্লার মোফাজ্জল মাহিন চৌধুরী। জানা
যায়, আগামী ১ ও ২ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের রিচমন্ডে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বের
১৬টি দেশের সাত শতাধিক খেলোয়াড় এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন।
সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তথ্য জানান ‘দ্য রয়েল কারাতে-দো অ্যাসোসিয়েশন’-এর সভাপতি ও বাংলাদেশের একমাত্র নির্বাচিত খেলোয়াড় মোফাজ্জল মাহিন চৌধুরী।
মোফাজ্জল মাহিন চৌধুরী বলেন, লন্ডনের আন্তর্জাতিক
কারাতে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের একমাত্র অংশগ্রহণকারী হিসেবে সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত
গর্বিত। দেশের পতাকা বিদেশের মাটিতে উড্ডয়ন রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
মাহিন চৌধুরী আরও জানান, এর আগে তিনি ভারতের এশিয়ান
চ্যাম্পিয়নশিপসহ একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ১২টি আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদকসহ
জাতীয় ও আন্তঃজেলা পর্যায়ে অসংখ্য পদক অর্জন করেছেন। ভবিষ্যতে তিনি আন্তর্জাতিক মানের
মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।
দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনতে দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন এই তরুণ খেলোয়াড়।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি
কামাল উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মো. একরামুল হক, সহকারী যুগ্ম সম্পাদক কাউসার আকাশসহ
সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ভোলা ও পাথরঘাটায় পৃথক ২ টি বিশেষ অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা ও নগদ অর্থসহ ৩ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার মধ্যরাত ১টার দিকে ভোলার সদরের ব্যাংকেরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে তল্লাশি করে ৪৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৪ হাজার টাকা। আটক ব্যক্তির নাম মোঃ জাহিদুল ইসলাম (২০)। তিনি ভোলা সদর উপজেলার কুঞ্জপট্টি এলাকার বাসিন্দা।
অপরদিকে, কোস্ট গার্ড স্টেশন পাথরঘাটা সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১০ নভেম্বর) রাত ১১টায় বরগুনার পাথরঘাটার রায়হানপুর মিয়া বাড়ি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সন্দেহভাজন ২ জন ব্যক্তিকে তল্লাশি করে দেড় কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। এছাড়া তাদের কাছ থেকে নগদ ২ হাজার ৬১০ টাকা পাওয়া যায়।
আটক ২ মাদক কারবারি হলেন, “মোঃ নিলয় তালুকদার ”(২১)। নিলয় পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার হোতখালী এলাকার বিরু তালুকদারের ছেল। অপরজন “মোঃ সাকিব সিকদার” (২৪)। সাকিব বরগুনা জেলার পাথরঘাটা এলাকা জাকির সিকদারের ছেলে।
আটক ৩ জন মাদক কারবারি ও জব্দ করা ইয়াবা, গাঁজা ও নগদ অর্থ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা “লে. বিএন মোঃ আবুল কাশেম” জানান, মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা অঞ্চলের মানুষ আর চট্টগ্রাম-গাজীপুর গিয়ে কাগজপত্র আনতে হবে না। পরিক্ষা খাতা জমা দিতে হবে না। এডমিশন টেস্টের খাতা দেওয়ার জন্য আর দৌড়াতে হবে না। আপনারা কুমিল্লায় বসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ করতে পারবেন। এই আঞ্চলিক অফিস কুমিল্লাতে আমাদের আরো আগেই করা দরকার ছিল।
শুক্রবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কুমিল্লা আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধনী সভায় এসব কথা বলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইসা-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অডিটোরিয়াম এ উদ্বোধনী সভা হয়।
উদ্বোধনী সভার পর কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট এলাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কুমিল্লা আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধ করা হয়। এসময় কুমিল্লা অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা অঞ্চলের মানুষকে নিয়ে গবেষণা হতে পারে মন্তব্য করে ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, হাজার বছরের সংস্কৃতি কুমিল্লা, বাংলাদেশের অস্তিত্বের সাথে জড়িত। কুমিল্লার সাংস্কৃতিক ইতিহাস, খাবার, মিষ্টান্ন ও কুমিল্লার মানুষদের নিয়ে শত মত পৃষ্ঠা লিখা যাবে। আমি কুমিল্লা নিয়ে গর্ববোধ করি। কুমিল্লার ছেলে মেয়েরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে। তারা চমৎকার পারফর্ম করছে। শুধু বললে হবে না। আমি নিজের চোখে দেখেছি, তারা কতটা পরিশ্রমী। যারা পরিশ্রম করে তারা তো সফল হবেই।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল বাসার ভূঁঞা সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজিব আল মিঠু।
ড. এ এস এম আমানুল্লাহ আরো বলেন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ল্যাংগুয়েজ ক্লাব স্থাপন হবে। যেখানে জাপানি, কুরিয়ান, ইংরেজি আরবি ভাষা শিক্ষা দেওয়া হবে। যার ফলে এই কলেজে শিক্ষার্থীদোর ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। ভিক্টোরিয়া কলেজের জিয়া অডিটোরিয়াম সংস্কার করা দরকার। এ বিষয় নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বসবে।
মন্তব্য করুন


মো:
মাসুদ রানা,কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
মুড়ি ভাজার কারখানা চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কাদলা গ্রাম। মাহে রমজানকে সামনে রেখে দেশীয় মুড়ি ভাজার কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন ওই গ্রামের পালবাড়ির বাসিন্দারা। এ যেন কারিগরদের ধম নেয়ারও সময় নেই।
সরেজমিনে কাদলা গ্রামের পাল বাড়িতে গিয়ে কয়েকজন মুড়ি ভাজার কারিগরদের সাথে কথা হয়। ওই গ্রামের বিমল পাল,শ্যামল পাল, যুবরাজ,অমর পাল ও অজয় পাল জানান,মুড়ি ভাজা আমাদের বাপ-দাদার ঐতিহ্যগত পেশা হিসেবে মুড়ি ভাজার কাজে আছি। সংসারের হাল ধরার একমাত্র উপার্জনক্ষন ব্যক্তি হিসেবে তারা বংশগত এ পেশার উপরেই নির্ভরশীল রয়েছেন বলেও তারা জানান।
তারা আরো জানান, মুড়ি ভাজতে অনেক পরিশ্রম হয়। বর্তমান যুগে মুড়ির চাহিদা কমে যাওয়ায় তাদের এখানে আগের মতো এখন আর কেউ মুড়ি ভাজতে আসে না। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ কেজি মুড়ি ২০ টাকা প্রতি কেজি ধরে ভাজা হয় প্রতিটি পরিবারে। প্রতি কেজি মুড়ি তারা ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি করেন। এক সময় এ গ্রামে ২৫টি পরিবার মুড়ি ভাজার কাজে থাকলেও বর্তমানে ৩/৪টি পরিবার মুড়ি ভাজার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ধানের দাম বেশি হওয়ায় এবং আধুনিক মেশিনে মুড়ি ভাজায় হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা অনেকটাই কমে গেছে। তবে রমজান আসলে একটু চাহিদা থাকলেও বছরের অন্যান্য সময় অনেকটা অলস সময় কাটাতে হয় তাদের। মুড়ি ভাজতে লবন, বালু লাগলেও এতে সহায়ক হিসেবে মাটির চুলা, লাকরি ও মাটির কড়াইয়ে মুড়ি ভাজা হয়। এতে এক একটি পরিবারের ৪ থেকে ৫ জন সদস্য সার্বক্ষনিক মুড়ি ভাজার কাজে সহায়তা করে থাকেন।
এমনি ভাবে কাদলা পাল বাড়ির অজয় পাল, যুবরাজ পাল, বিমল পাল, দিলিপ পাল, বিষ্ণু পদ পাল, বিমল পালের পরিবারও এ মুড়ি ভাজার কাজ করে তাদের সংসার চালিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। তবে তারা জানান, এ পেশায় আগের মতো চাহিদা না থাকায় এবং লোকজন আগের মতো মুড়ি না ভাজায় বাধ্য হয়ে বংশগত পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে অনেকে।
তাদের দাবি বাপ-দাদার ঐতিহ্যগত এ পেশা বদল করতে চাইলেও পারছে না এবং কাছা-কাছি এলাকায় বৃহৎ বাজার না থাকায় ইচ্ছা করলেও ব্যবসা করতে পারছে না তারা।
বিমল পাল,শ্যামল পাল ও অমর পাল জানান, চলতি বছর এক মন ধান ১৭-১৮শ টাকায় ক্রয় করতে হয়। মুড়ির দাম কম হওয়ায় এবং আগের মতো মানুষের হাতে ভাজা মুড়ি ক্রয়ে আগ্রহ না থাকায় এ পেশায় আমাদের এখন আর পোষে না। আমরা বাপ দাদার ঐতিহ্য পেশায় ধরে রাখলে ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের ছেলেরা এ পেশায় থাকবে না। তারা আরো জানান, ইচ্ছা করলেই এ পেশা বদল করা যায় না। তাই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা এনজিও সংস্থার ঋণ সহায়তা নিয়ে এ পেশাকে এগিয়ে নিতে চান কাদলা গ্রামের মুড়ি ভাজার কারিগড়রা ।
মন্তব্য করুন