

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ৭০ বোতল ফেন্সিডিলসহ স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের চন্দনী গ্রাম থেকে ফেন্সিডিলসহ স্বামী-স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ। আটকৃতরা হলো: চন্দনী গ্রামের মোশাররফ হোসেন (৪৫) ও তার স্ত্রী হেনা বেগম (৩৫)। এ ঘটনায় মাদক মামলা প্রক্রিয়াধীন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে বুধবার বিকেলে বোয়ালমারী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মোশাররফ হোসেনের রান্না ঘর থেকে ৭০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেন। এ সময় ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে পুলিশ মোশাররফ ও তার স্ত্রী হেনাকে আটক করেন।
এ ব্যাপারে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ সাদিক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ফেন্সিডিলসহ তাদের আটক করা হয়। মোশাররফ একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় থানায় মাদক মামলা প্রক্রিয়াধীন। আসামীদের বৃহস্পতিবার ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৯জন তন্মধ্যে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫১ জন, পাসের হার শতকরা ৯২.৭১ ভাগ। আলিমে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮ জন ও পাসের হার শতকরা ৯১.৩৯ভাগ।
শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলার ৯টি কলেজ থেকে মোট ২ হাজার ১শ ৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে তন্মধ্যে পাস করে ১হাজার ৯শ ৮৩জন। এছাড়া ১৩টি মাদ্রাসা থেকে মোট ৪শ ৭৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে তন্মধ্যে পাস করে ৪শ ৩৫জন।
ফলাফলের দিক থেকে আশেক আলী খান স্কুল এ্যান্ড কলেজ ও ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ শীর্ষে রয়েছে। আশেক আলী খান স্কুল এ্যান্ড কলেজ থেকে ২৭৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে শতভাগ কৃতকার্য হয়। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫২ জন।
অপর দিকে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ থেকে ১৪৬জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে শতভাগ কৃতকার্য হয়। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ জন। এছাড়া আলিম পরীক্ষায় ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে কাদলা এসএস ফাজিল মাদ্রাসা। এ মাদ্রাসা থেকে ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে শতভাগ কৃতকার্য হয়। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় লবণের ট্রাকে সাড়ে ২১ হাজার ইয়াবা বহনের মামলায় এক আসামিকে যাবজ্জীবন এবং তার সহযোগীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এ রায় দেন।
মামলায় প্রধান আসামি চালক মো. সাদ্দাম হোসেন হাজারীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং তার সহযোগী মো. আয়নাল ইসলামকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. আয়নাল ইসলাম আদালতে উপস্থিত থাকলেও প্রধান আসামি মো. সাদ্দাম হোসেন হাজারী পলাতক ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ইউসুফ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩১ মার্চ ভোরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি দল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী লবণ বোঝাই একটি ট্রাককে থামানোর সংকেত দিলে ট্রাকের চালক মো. সাদ্দাম হোসেন ও তার সহযোগী মো. আয়নাল ইসলাম পালানোর চেষ্টা করেন। র্যাব সদস্যরা তাদের আটক করে তল্লাশি চালায়।
তল্লাশিকালে চালক সাদ্দাম হোসেনের প্যান্টের পকেট এবং চালকের আসনের নিচ থেকে মোট ২০ হাজার পিস এবং সহযোগী আয়নাল ইসলামের পকেট থেকে ১,৪৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। এ ঘটনায় র্যাব বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে।
আদালত সূত্র জানায়, উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনার পর ট্রাইব্যুনাল এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
বিচারক পলাতক আসামি মো. সাদ্দাম হোসেন হাজারীকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
অপরদিকে, আদালতে উপস্থিত আসামি মো. আয়নাল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকা থেকে ০৬ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত (২১ জুন) বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ জামাল হোসেন (৫০), ২। মোঃ শাহিন (৪৮), ৩। রাসেল আহমেদ (২৭) এবং ৪। মোঃ খোকন (৫০) নামক ০৪ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ২,৫৪০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গত (২১ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মিজানুর রহমান (২২) এবং ২। মোঃ আব্দুর রশিদ (৫০) নামক ০২ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ৯,৭৯০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ জামাল হোসেন (৫০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শাসনগাছা গ্রামের মৃত শফিক ইসলাম এর ছেলে, ২। মোঃ শাহিন (৪৮) একই গ্রামের মৃত খয়েজ আলী এর ছেলে, ৩। রাসেল আহমেদ (২৭) একই গ্রামের মৃত আবুল হাশেম এর ছেলে, ৪। মোঃ খোকন (৫০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সাতোরা চম্পকনগর গ্রামের মৃত তাজুল এর ছেলে, ৫। মিজানুর রহমান (২২) কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানার পরকরা গ্রামের আবুল হাশেম এর ছেলে এবং ৬। মোঃ আব্দুর রশিদ (৫০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর বিজয়পুর গ্রামের মানিক মিয়া এর ছেলে।
আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা সকলেই চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী ও সদর দক্ষিণ থানা এবং এর আশ-পাশের বিভিন্ন রাস্তায় অটো, সিএনজি ইত্যাদি পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের নিকট হতে ক্ষয়ক্ষতি ও গুরুতর আঘাতের ভয়ভীতি দেখিয়ে বলপূর্বক টাকা গ্রহণ করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
১৯৯০ সালে তৎকালীন জাতীয় পার্টির সময়ে নির্মিত হয়েছিল চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার উত্তর বাজারের ব্রীজটি। ব্রীজটি নির্মানের কয়েক বছর হলেও ব্রীজটির দু’পাশের প্রবেশদ্বার ভেঙ্গে জনচলাচলে অনুপোযোগী হওয়ায় স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে এ ব্রীজটির দু’পাশের জনচলাচলে পাকাকরনের উদ্যোগ নেয়া হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সাচার উত্তর বাজারে পুরাতন ব্রীজটি সংস্কারের অভাবে ও দু’পাশের মাটি ভেঙ্গে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষ কষ্টে যাতায়াত করে আসছে। বিগত সময়ে অনেক চেষ্টার পরও ব্রীজটির দু’পাশের সংসকার করা হয়নি। ফলে স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ড জামায়েত ইসলামীর সভাপতি মাওলানা মো: মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে ও বিএনপিসহ স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ীসহ অন্যন্যাদের আর্থিক সহযোগিতায় শুক্রবার স্বেচ্ছাশ্রমে ব্রীজটির সংস্কার কাজ করা হয়।
কচুয়া উপজেলার সাচার ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামী সভাপতি মাওলানা মো: মুজাম্মেল হক বলেন, এ ব্রীজ দিয়ে রাগদৈলগামী প্রায় ২০-২৫ গ্রামের হাজার হাজার মানুষের প্রতিনিয়ত যাতায়াত। মানুষের দু:খ-খষ্ট দেখে আমরা স্থানীয়দের সহযোগীতা নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে এ ব্রীজটির সংস্কার কাজ করে দিয়েছি। সাচার রেনেসাঁ হাসপাতালের পরিচালক মো.জিয়াউদ্দিন মজুমদার জানান, গুরুত্বপূর্ন এ ব্রীজটি সংস্কারের উদ্যোগ খুবই প্রসংশনীয়। যারা স্বেচ্ছাশ্রমে এ কাজটি করছে আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি সরো এ ব্রীজটি আরো প্রশস্থ বাড়িয়ে নতুন করে দ্রুত নির্মানের দাবী জানাই।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনের ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় ভোটগ্রহণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল থেকে জেলার ১৭টি উপজেলার নির্ধারিত ভেন্যুতে ব্রিফিং শেষে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে এসব সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্স, সিল, স্ট্যাম্প, ভোটার তালিকাসহ প্রয়োজনীয় সকল সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং অফিসার, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা নিজ নিজ কেন্দ্রের সরঞ্জাম গ্রহণ করেন।
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ২৬ হাজারেরও বেশি সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন।
জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পুরো জেলায় ৩ হাজার ৯৫৯ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ৭৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ৫৫ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ৩৯ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ২৪টি টিম, ব্যাটালিয়ন আনসারের ২৭২ জন সদস্য এবং আনসার ও ভিডিপির ১৯ হাজার ৩৮৩ জন সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, কঠোর নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতার মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ সীমান্ত
রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) এর কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর সফল অভিযানে ৩০ লক্ষ
৪৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল জব্দ করা হয়েছে।
১৪ মার্চ রাত ১টায় কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের
আওতাধীন বিবির বাজার বিওপির কটকবাজার পোষ্টের একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক
ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পালপাড়া নামক স্থানে সীমান্ত শূন্য
লাইন থেকে আনুমানিক ৭ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মালিকবিহীন অবস্থায় ৬,৭৭০ কেজি
অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত চাউলের বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ
৪৬ হাজার ৫০০ টাকা। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা করা হবে।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর
অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক
মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের সময় ৪০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে।
আজ বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ বৌয়ারা বাজার বিওপি এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ২০৮৫/২-এস
হতে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সূর্যনগর নামক স্থান হতে ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) পিস
ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের সর্বমোট মূল্য ১,২০,০০,০০০/- (এক কোটি
বিশ লক্ষ) টাকা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অস্ত্র ও কার্তুজসহ একজন অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
মঙ্গলবার
(১৭ এপ্রিল) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন উত্তর কালিয়াজুরি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা
করে আসামী মোঃ নাইম (২৪) নামক একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর
কাছ থেকে ১ টি এলজি গান ও ১ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ নাইম (২৪) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার উত্তর কালিয়াজুরি গ্রামের মোঃ তপন
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম
সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের
বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ
পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাইকারী চক্রের মূল হোতাকে গ্রেফতার করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ।
গত (৫ জুন) রাতে সঞ্জিত চন্দ্র সরকার
পিকআপ গাড়ি করে মাছ নিয়ে যাওয়ার সময় মুরাদনগর থানাধীন মুরাদনগর বাজারের আল্লাহ চত্ত্বর
সিএনজি স্টেশনে আসার পর অজ্ঞাতনামা একজন মোটরসাইকেল যোগে এসে মাছের গাড়িকে সিগন্যাল
দিয়ে গাড়িতে অবৈধ মাল আছে বলে জিজ্ঞাসা করে এবং নিজেকে আইনের লোক বলে পরিচয় দেয়। পিকআপটি
দাঁড় করানোর সাথে সাথে অজ্ঞাতনামা লোক মোটরসাইকেল ও প্রাইভেকার নিয়ে পিকআপের পাশে এসে
দাঁড়ায় এবং পিকআপ চেক করতে শুরু করে। এমন সময় অন্য একজন অজ্ঞাতনামা লোক পিকআপ গাড়ির
ড্রাইভার মোঃ সোহেল এর প্যান্টের বাম পকেট থেকে ১ লক্ষ ২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিলে বিষয়টি সন্দেহ হলে সাথে সাথে আসামীদেরকে চ্যালেঞ্জ করলে
অজ্ঞাতনামা আসামীরা তাৎক্ষণিক মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার যোগে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে
সঞ্জিত চন্দ্র সরকার থানায় এসে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত এজাহার দায়ের
করেন।
উক্ত ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির সাথে সাথে
মুরাদনগর থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম লুষ্ঠিত টাকা ও ঘটনায় জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের
লক্ষে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযান পরিচালনার সময় তথ্য প্রযুক্তি
ও স্থানীয় সোর্সের সহায়তায় গত (১২ জুন) মুরাদনগর থানাধীন নিমাইকান্দি গ্রামের মাসুদ
এর বিল্ডিংয়ের সামনে পৌঁছালে পুলিশ দেখতে পেয়ে দৌঁড়ে পালানোর সময় আসামী মোঃ নাজমুল
হাসান লিটনকে গ্রেফতার করা হয় এবং অপর এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির হাতে থাকা ১৫ পিস ইয়াবা
ফেলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার
মুরাদনগর থানাধীন ১৩নং মুরাদনগর সদর ইউনিয়নের মুরাদনগর মধ্যপাড়া এলাকার ওমর আলীর ছেলে
মোঃ নাজমুল হাসান লিটন (২৬)।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালে
তার অপর এক সহযোগীর সহায়তায় উক্ত ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করে এবং তার দেখানো স্থান
হতে ছিনতাইকাজে ব্যবহৃত রেজিস্ট্রেশন ও নম্বরবিহীন একটি কালো রংয়ের ১৫০ সিসি পালসার
মোটরসাইকেল এবং লুণ্ঠিত ১ লক্ষ ২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীদেরকে
গ্রেফতারের জন্য ও ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়ী উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উক্ত ঘটনায় পৃথকভাবে মুরাদনগর থানার
মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কলা গাছে সাধারণত একটি মোচা হয়। তবে বিষয়টি কম বেশি সবারই জানা। একটি কলা গাছে ৪০টি মোচা ধরেছে, তবে বিষয়টি আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি।
এমন ঘটনা ঘটেছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার গান্ধাইল ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামে। এই ঘটনা দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার মানুষ ছুটে যাচ্ছেন ওই গ্রামে। যা নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, সিয়াম নামের এক কিশোর গত (১৮ এপ্রিল) দুপুরে বানিয়াজান খালের কৃষি জমিতে কাজ করতে যায়।
এসময় জমির পাশেই একটি কলা গাছে ওই অদ্ভুত ওই মোচা দেখতে পায়। সে ফিরে এসে গ্রামের অনেককে বিষয়টি জানায়। এমনি করে খবরটি পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ওই কলাগাছটি দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন। অনেকেই কলাগাছটির ছবি তুলে নিয়ে যাচ্ছেন। অনেকে গাছের নিচে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে তা সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিচ্ছেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবদুল মান্নান জানান, এক কলা গাছে অসংখ্য মোচা ধরেছে এমন ঘটনা আগে দেখিনি। তবে আমি নিজেও আশ্চর্য হয়েছি।
কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, একটি কলা গাছে প্রায় ৪০টি মোচা ধরার ঘটনা বিরল। এমনটা অস্বাভাবিক। এখানে কুসংস্কারের কিছু নেই।
মন্তব্য করুন