

নেপালে
বাংলাদেশের একটি সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের
কবলে পড়েছেন টালিউডের দুই প্রখ্যাত অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায় এবং রজতাভ দত্ত।
হিন্দুস্তান
টাইমসের প্রতিবেদন অনযায়ী, বাংলাদেশের একটি
ছবির শ্যুটিংয়ের কাজে নেপালে গিয়েছেন টালিউডডের এই দুই শিল্পী। অভিনেতা খরাজের সঙ্গে
তার স্ত্রী এবং শুটিং দলের অন্যান্য সদস্যরাও সেখানে রয়েছেন।
নেপালের
চীন সীমান্ত লাগোয়া রাসুয়া জেলায় হড়পা বানের দাপটে ধূলিসাৎ বিস্তীর্ণ এলাকা। স্বাভাবিকভাবেই
যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন। অভিনেতার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।
খরাজের চিন্তায় উদ্বিগ্ন পরিবার থেকে শুরু করে অনুরাগীর।
অভিনেতাদের
বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে খরাজ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যে তারা বর্তমানে হোটেলেই
অবস্থান করছেন এবং নিরাপদে আছেন।
তিনি
জানান গত ২০ তারিখ তারা নেপালে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু পৌঁছানোর পর থেকেই প্রবল বৃষ্টি
ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বারবার শুটিং ব্যাহত হয়। অত্যন্ত কষ্ট করে বৃষ্টির মধ্যেই
শুটিং শেষ করতে হয়েছে তাদের।
খরাজ
আরও জানান, দুর্যোগের কারণে কাঠমান্ডু যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সকালের
বিমানটি তারা ধরতে পারেননি। ফলে সড়কপথে ভারত সীমানার কাছে গোরক্ষপুর পৌঁছে সেখান থেকে
২৮ তারিখে সরাসরি কলকাতার বিমান ধরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন তারা।
তিব্বত
থেকে নেমে আসা ভোতে কোশি নদীতে আচমকা জলস্তর মারাত্মক বৃদ্ধি পাওয়ায় তিমুরে ও স্যাফ্রুবেশি-সহ
বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাজার, রাস্তা ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত
হওয়ার পাশাপাশি নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বহু পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন,
যার মধ্যে শতাধিক ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন। আপাতত নেপাল সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী উদ্ধারে
নেমেছে এবং দুর্যোগের কবলে থাকা ভারতীয়রা নিরাপদে ফিরে আসার পথ খুঁজছেন।
স্থানীয়
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রসুয়া জেলায় হড়পা বানের ঘটনায় ইতিমধ্যেই অন্তত আটজনের
মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।
মন্তব্য করুন


পবিত্র রমজান মাসে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি জানিয়েছে সরকার।
বুধবার (৫ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, রমজানে দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর সব সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে।
এতে বলা হয়, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।
রমজানে
রাজধানীর যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএ এই দিন যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ।এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জারি করা নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছে, আগামী ৬ জানুয়ারি রাত ১২টা থেকে ৭ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল করতে পারবে না।
আর সেই সঙ্গে ৫ জানুয়ারি রাত বারোটা থেকে ৮ জানুয়ারি রাত বারোটা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, পর্যেবক্ষক দল ও জরুরি সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন এর আওতামুক্ত থাকবে।
এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভোটের দিন প্রাইভেটকার, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। এবার আমরা যে সার্কুলার (বিজ্ঞপ্তি) দিয়েছি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মতামত নিয়ে, সেখানে যানবাহনের ওপর আগে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটা এবার শিথিল করা হয়েছে ।
মন্তব্য করুন


শরীয়তপুরের
নড়িয়ায় চটপটির দোকানঘর নির্মাণ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় অর্ধশতাধিক
ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়েছে। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার
(২৯ মে) রাতে উপজেলার মুলফৎগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুলফৎগঞ্জ এলাকায় পদ্মানদীর তীরে একটি চটপটির দোকানঘর
নির্মাণ করছিলেন রাসেল বেপারি নামের এক ব্যক্তি। এই নির্মাণকাজে বাধা দেন স্থানীয়
যুবদল নেতা রাজিব ছৈয়ালের সমর্থকরা। অপরদিকে রাসেল বেপারির পক্ষে অবস্থান নেন কেদারপুর
ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাব্বি ঢালী। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই তীব্র
উত্তেজনা চলছিল।
এরই
ধারাবাহিকরতায় শুক্রবার রাতে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। কয়েক
দফা সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়। বিকট শব্দে একের পর এক ককটেল ফাটতে
থাকায় মূলফৎগঞ্জ বাজার ও আশপাশের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যবসায়ীরা
দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।
খবর
পেয়ে নড়িয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে আহতদের
উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়।
নড়িয়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, ‘একটি চটপটির দোকান বসানোকে কেন্দ্র
করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে খবর পেয়েছি।
ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
মন্তব্য করুন


জুলাই
গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং আহত ছাত্র জনতার কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫
এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।
আজ
বৃহস্পতিবার (২২ মে) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ
ইউনূস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ২৯ তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়।
বিকেলে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা সুমন মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে উত্থাপিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং আহত ছাত্র জনতার
কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং
সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে যা মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো
হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে
আরো জানানো হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং আহত ছাত্র জনতার কল্যাণ ও পুনর্বাসন
অধ্যাদেশ ছাড়াও আরো কয়েকটি বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
এর
মধ্যে রয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন দ্য প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব
ফিশ (আমেনমেন্ট) ২০২৫ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের
ভেটিং সাপেক্ষে এটির অনুমোদন দেয়া হয়।
বাংলাদেশ
ও নেদারল্যান্ড সরকারের মধ্যে নৌ প্রতিরক্ষা সামগ্রী সংক্রান্ত সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা
স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগ থেকে উত্থাপিত সংস্কার কমিশনের সুপারিশের মধ্যে আশু বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশ সমূহের
বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান বিষয়ে বলা হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক উত্থাপিত সংস্কার
কমিশনের সুপারিশ সমূহ বাস্তবায়নযোগ্য কিনা, বাস্তবায়নযোগ্য হলে সম্ভাব্য সময় এবং বাস্তবায়নের
প্রভাব সংশ্লেষের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিভাগ দফা ওয়ারী সুচিন্তিত মতামত মন্ত্রী
পরিষদ বিভাগের মাধ্যমে উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে উপস্থাপন করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে
সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেছিল ১ লাখ ২২ হাজার শিক্ষার্থী। তবে শেষ পর্যন্ত ফরম পূরণ করেছে মাত্র ৯৫ হাজার ৮৯ জন। ফলে প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি বা অংশ নেয়ার সুযোগ পায়নি। এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর ঝরে পড়াকে উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছে শিক্ষা বোর্ড।
বোর্ডের চেয়ারম্যান বলছেন, দুর্বল অর্থনৈতিক কাঠামোর কারণে অনেক শিক্ষার্থী লেখাপড়া ছেড়ে আয়-রোজগারে যুক্ত হওয়ায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে কুমিল্লা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়।
এবার মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৭ হাজার ৩২৪ জন ছাত্রী এবং ৩৭ হাজার ৭৬৫ জন ছাত্র। অর্থাৎ ছেলেদের তুলনায় ২০ হাজার ১৬৫ জন বেশি মেয়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহসান পারভেজ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. শফিকুল ইসলাম, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. সালাউদ্দিনসহ বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন শেষে বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর আহসান পারভেজ জানায়, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর এ ছয় জেলার ৪৬৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১৯৩টি কেন্দ্রে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়।
তিনি জানান, ‘দেশের দুর্বল অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অনেক শিক্ষার্থী পরিবারকে সহায়তা করতে আয়-রোজগারে যুক্ত হচ্ছে। এ কারণেই নিবন্ধনের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।’
এ দিকে বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বিভাগভিত্তিক পরীক্ষার্থীর মধ্যে মানবিক বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৪৩ হাজার ৪৯৪ জন, বিজ্ঞান বিভাগে ২৮ হাজার ৪৯৭ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২৩ হাজার ৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
জেলাভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী কুমিল্লা জেলায়। জেলার ১৭০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৭৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩৩ হাজার ৬১২ জন। নোয়াখালী জেলায় ১৭ হাজার ৯০৫ জন, চাঁদপুরে ১৩ হাজার ৭৯৫ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ হাজার ৪৮ জন, লক্ষ্মীপুরে ৯ হাজার ৮০ জন এবং সবচেয়ে কম ফেনী জেলায় ৪২টি প্রতিষ্ঠানের ১১টি কেন্দ্রে ৮ হাজার ৬৪৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. শফিকুল ইসলাম জানান, সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করতে সব কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারির জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে বোর্ড থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা যায়।
তিনি আরও জানান, বৈরী আবহাওয়ার কথা বিবেচনায় রেখে প্রতিটি কেন্দ্রে মোমবাতি, চার্জলাইট ও বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে।
বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর আহসান পারভেজ বলেন, ‘২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। নকল ও অনিয়মমুক্ত পরীক্ষা আয়োজনেই বোর্ড বদ্ধপরিকর। পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি দায়িত্বপ্রাপ্ত পরীক্ষক এবং ভিজিল্যান্স টিমও কঠোর নজরদারিতে থাকবে। কোথাও কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


সোমবার (৪ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে ৪৭ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বদলির অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এদিকে বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা সময় সংবাদকে জানান, চল্লিশের বেশি পঞ্চাশের কম সংখ্যক ইউএনওকে আজ বদলি করা হতে পারে।যারা এক বছরের বেশি ইউএনও হিসেবে কর্মস্থলে ছিলেন তাদেরই বদল করা হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
এর আগে সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও সব ইউএনওকে বদলির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।সে নির্দেশনার আলোকেই ৪৭ ইউএনওর বদলির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের কাছে সুপারিশ করে। এরপর নির্বাচন কমিশন বদলির অনুমোদন দেয়।
জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পেয়েছেন কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,এ ব্যাপারে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা পাইনি। নির্বাচন কমিশন আমাদের যা করতে বলবেন, আমরা তা-ই করব বলে জানিয়েছেন তিনি। ২০০ জনের মতো ইউএনও বদলি হতে পারেন। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বদলির বিষয়ে প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে।
গত ৩০ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠায়। এতে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পর্যায়ক্রমে বদলি করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে যে সব ইউএনওর বর্তমান কর্মস্থল এক বছরের বেশি চাকরিস্থল সম্পন্ন হয়েছে তাদের অন্য জেলায় বদলির প্রস্তাব আগামী মঙ্গলবারের (৫ নভেম্বরের) মধ্যে নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে হবে।
গত ১৫ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। ১ ডিসেম্বর থেকে বাছাই শুরু হয়েছে, বাছাই চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ৬-১৫ ডিসেম্বর এবং ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর। এবং আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


মেক্সিকোয়
এক নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে প্রকাশ করা পোস্টারে অতিরিক্ত ফিল্টারযুক্ত ছবি ব্যবহারের
ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। নিখোঁজ নারীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নেওয়া ছবিগুলো
এতটাই সম্পাদিত ছিল যে, পরিচিতজনদের অনেকেই পোস্টারে থাকা নারীকে বাস্তবের নারীর সঙ্গে
সহজে মিলিয়ে নিতে পারেননি।
৩০
বছর বয়সী গ্রেসিয়া গুয়াদালুপে ওরান্তেস মেন্দোসা গত ১২ এপ্রিল মেক্সিকোর চিয়াপাস রাজ্যে
নিখোঁজ হন। এরপর তাকে খুঁজে বের করতে দেশটির নিখোঁজ নারীদের সন্ধানে ব্যবহৃত জরুরি
ব্যবস্থা ‘আলবা প্রোটোকল’ চালু করে কর্তৃপক্ষ।
সন্ধান
কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গ্রেসিয়ার ছবি দিয়ে বিভিন্ন সতর্কবার্তা ও পোস্টার প্রকাশ করা
হয়। কিন্তু সেসব পোস্টারে ব্যবহৃত ছবিগুলো ছিল তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত
ফিল্টার দেওয়া ছবি। ফলে ছবিতে তার স্বাভাবিক মুখাবয়বের সঙ্গে বাস্তব চেহারার বেশ পার্থক্য
তৈরি হয়।
নিখোঁজ
হওয়ার কয়েক দিন পর ওকোসোকোয়াউতলা ও জিকিপিলাসের মধ্যবর্তী একটি মহাসড়কের পাশে গ্রেসিয়াকে
জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানা গেছে। এতে স্বস্তি ফিরলেও ঘটনাটি সামনে এনেছে গুরুত্বপূর্ণ
একটি প্রশ্ন—নিখোঁজ ব্যক্তিকে শনাক্ত করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সম্পাদিত
ছবি কতটা কার্যকর?
বিশেষজ্ঞদের
মতে, নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে ব্যবহৃত ছবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত
তার বাস্তব চেহারার সঙ্গে মিল। মুখের গঠন, চোখ, নাক, চুল কিংবা ত্বকের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য
অতিরিক্ত ফিল্টার বা সম্পাদনার মাধ্যমে বদলে গেলে প্রত্যক্ষদর্শীদের জন্য তাকে শনাক্ত
করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে ফিল্টার ব্যবহার এখন অনেকের কাছেই
স্বাভাবিক বিষয়। তবে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানের মতো পরিস্থিতিতে সেই ছবিই যদি প্রধান
শনাক্তকরণ উপকরণ হয়ে ওঠে, তাহলে অতিরিক্ত সম্পাদনা অনুসন্ধান প্রক্রিয়াকে উল্টো জটিল
করে তুলতে পারে।
গ্রেসিয়ার
ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত সুখবর মিলেছে। তবে ঘটনাটি মনে করিয়ে দিল—সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমের ছবিতে যতটা ‘সুন্দর’ দেখানো যায়, নিখোঁজের সন্ধানে ততটাই
গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে একজন মানুষের বাস্তব চেহারাটি।
মন্তব্য করুন


পৌষ
মাসের শেষ দিন পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের সাকরাইন উৎসবে মেতে ওঠার দিন। এ উৎসবের মূল
আকর্ষণ ঘুড়ি উড়ানো।
রবিবার
(১৪ জানুয়ারি) পৌষের শেষ দিন। ঐতিহ্যের আলোয় পৌষের শেষদিনকে রঙিন করতে মাতোয়ারা পুরান
ঢাকাবাসী। তাই উৎসব ঘিরে পুরান ঢাকার অলিগলিতে চলছে ঘুড়ি বেচাকেনার উৎসব। শিশু, তরুণ,
বৃদ্ধরা কিনছেন ঘুড়ি, নাটাই, সুতা। চলছে সুতায় মাঞ্জা দেওয়ার কাজ। পুরান ঢাকায় চলছে
ঘুড়ি বেচাকেনার ধুম। দোকানে দোকানে হরেক রকমের ঘুড়ি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। রঙ-বেরঙের ঘুড়ি
আর নাটাই-সুতা সারি সারি করে সাজিয়ে রেখেছেন দোকানিরা। বাজারে বিভিন্ন নামের ঘুড়ি পাওয়া
যাচ্ছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম- চোখদার, চশমাদার, কাউটাদার, লাভবার্ড, পঙ্খিরাজ, প্রজাপতি,
চক্ষুদার, ঈগল, সাদাঘুড়ি, চার বোয়া, দুই বোয়া, টেক্কা, লাভঘুড়ি, তিন টেক্কা, মালাদার,
দাবা ঘুড়ি, বাদুড়, চিল, অ্যাংগ্রি বার্ডস হরেক রঙের ঘুড়ি। এসব নাটাই মিলবে ৫০০ থেকে
তিন হাজার টাকার মধ্যে। সেসব সুতার মধ্যে রক সুতা, ডাবল ড্রাগন, কিংকোবরা, ক্লাক ডেবিল,
ব্লাক গান, ডাবল গান, সম্রাট, ডাবল ব্লেট, মানজা, বর্ধমান, লালগান ও টাইগার অন্যতম।
জানা
যায়, রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাকরাইন শুরু হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা
পর্যন্ত ঘুড়ি ওড়ানোর পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে চলবে পিঠাপুলির উৎসব।
মন্তব্য করুন


বরিশালে
ইয়াবাসহ আটক এক যুবকের গায়ে থাকা আর্জেন্টিনার জার্সি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি
ব্যবহার করে ব্রাজিলের জার্সিতে পরিবর্তন করার অভিযোগ উঠেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের
(বিএমপি) মিডিয়া উইংয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার পাশাপাশি ব্রাজিল
সমর্থকদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
জানা
গেছে, সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে বরিশাল নগরীর পলাশপুর কলোনিতে অভিযান চালিয়ে রাসেল হাওলাদার
(৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে কাউনিয়া থানা পুলিশ। আটকের সময় তার
গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি ছিল। পরে থানার পক্ষ থেকে তোলা ছবি বিএমপির মিডিয়া সেলে পাঠানো
হলে সেখানে ডিজিটালভাবে জার্সির নকশা পরিবর্তন করে ব্রাজিলের জার্সি যুক্ত করা হয় বলে
অভিযোগ ওঠে।
বিএমপির
মিডিয়া সেল থেকে ওই ছবি প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিতর্কের
সৃষ্টি হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে সংশোধিত ছবি ও তথ্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ
এবং ই-মেইলের মাধ্যমে পুনরায় পাঠানো হয়।
বিএমপির
মিডিয়া সেলের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তানজিল আহমেদ বলছেন, বিষয়টি ‘দুষ্টুমির ছলে’
করা হয়েছিল।
কাউনিয়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ গণমাধ্যমকে জানান, গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা
উদ্ধার করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরেক অভিযুক্ত আঁখি (৩২) পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলায় আটক রাসেল ও পলাতক আঁখিকে
আসামি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ইতালির
রাজধানী রোমে বাংলাদেশি একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। স্ত্রী-সন্তানসহ
নিহত কামাল উদ্দিনের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে। বর্তমানে তার বাড়িতে চলছে শোকের
মাতম।
শনিবার
(২৭ জুন) সকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নিহত কামালের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে আত্মীয়-স্বজন
ও প্রতিবেশীদের ভিড় দেখা গেছে। শোকাহত পরিবারকে দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন স্বজনরা।
এর
আগে শুক্রবার (২৬ জুন) ইতালির সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে রোমের পশ্চিমাঞ্চলীয় অরেলিও
এলাকার ভিয়া মন্টিগ্লিও সড়কের একটি আবাসিক ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা
হলেন, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজুল ইসলামের
ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী মমতাজ বেগম আরজু (৩৮) ও মেয়ে আরওয়া ইসলাম
আরিশা (৫)। একই ঘটনায় তাদের ছেলে আমির হোসেন অয়ন (১৮) গুরুতর আহত হয়েছেন।
কামালের
চাচাতো ভাই সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে আশপাশের প্রতিবেশী ও নিহতের আত্মীয়-স্বজনরা
বাড়িতে জমায়েত হয়েছেন। ইতালীয় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী তাদের লাশ উদ্ধার করেছে এবং আহতকে আশঙ্কাজনক
অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তবে তিনি শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
নিহত
কামালের বাবা সিরাজুল ইসলাম বলেন, এক বছর আগে আমার ছেলে যখন দেশে এসেছিল, তখনই আমাদের
বাড়িতে তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে একটি উড়োচিঠি দেওয়া হয়। বিষয়টি আমি স্থানীয় পুলিশ
প্রশাসনসহ সবাইকে জানাই। আমার ছেলে অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিল। আমি এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক
বিচার ও দোষীদের ফাঁসি চাই।
ইতালির
সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে প্রতিবেশীরা ওই ফ্ল্যাট থেকে চিৎকার
শুনতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনের লাশ উদ্ধার
করে। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি
আঘাত করে তাদের হত্যা করা হয়েছে।
খবর
পেয়েই রোম পুলিশের বিশেষ শাখা এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ
করে। তবে কী কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কিংবা এর পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখন
পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানাতে পারেনি প্রশাসন।
মন্তব্য করুন