

হিমালয়
পাহাড় ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩২ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে
নেপালের পুলিশ। বন্যাদুর্গত এলাকাগুলো থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
এ
বন্যায় নেপাল ও চীনের তিব্বতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে
প্রায় ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক। বন্যায় দুই দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর, সড়ক, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ
বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হয়েছে।
গত
বুধবার (২৫ আগস্ট) নেপালে প্রলয়ঙ্করী এ বন্যার সৃষ্টি হয়। ত্রিশূলী নদীতে পাহাড়ের কাদা,
পাথর ও বরফ ধসে পড়লে পানির প্রবল স্রোত তৈরি হয়। এতে নেপাল ও তিব্বতের বিভিন্ন এলাকা
প্লাবিত হয়।
শুরুতে
তিব্বতে আঘাত হানা ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হলেও
এখনো এর সঙ্গে বন্যার যোগসূত্র এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি নেপাল বা চীন।
কাঠমান্ডু
পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিমবাহের পাথর ও বরফধস, হিমবাহ হ্রদের পানি হঠাৎ
বেরিয়ে আসা কিংবা ভারী বৃষ্টিপাতের মতো বিভিন্ন সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা।
তবে যোগাযোগব্যবস্থা বিপর্যস্ত থাকায় সীমান্তের দুর্গম এলাকা থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য
মিলছে না। ফলে ভয়াবহ এই দুর্যোগের মূল কারণ কী, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন দিশাহারা
নেপাল।
নেপালের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বুধবার পার্লামেন্টে জানান, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭
মিনিটে ভূমিকম্প আঘাত হানে এবং মাত্র তিন মিনিট পর, সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে আকস্মিক বন্যার
খবর পাওয়া যায়। তবে এই দুই ঘটনার সময়ের সম্পর্ক এখনো যাচাই করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে।
তাছাড়া আগামী শনিবার সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে।
সেই সঙ্গে আরো বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
এতে আরো বলা হয়, রবিবার ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
এ দিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
পূর্বাভাসে আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে এবং মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
মন্তব্য করুন


শরীরজুড়ে
পাকা ধানের শীষ জড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় হাজির হয়ে সবার নজর কেড়েছেন মৌলভীবাজারের
শিমুল হোসেন। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এই নেতাকে ঘিরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানুষের
মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। অনেকেই তার সঙ্গে ছবি তুলতে ভিড় করেন।
বুধবার
(১৭ জুন) মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচির
তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন শিমুল। তার মাথায় ছিল ধানের শীষ দিয়ে তৈরি
মাথাল। পরনের পোশাকেও ছিল ধানের শীষ।
শিমুলের
এমন রূপে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি স্থানীয় নেতাদের বেশ আনন্দ দেয় বলে
জানা গেছে। তারা শিমুলের প্রশংসাও করেন।
মো.
শিমুল হোসেনের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গিয়াসনগর ইউনিয়নের মোকামবাজার এলাকায়। পেশায়
রাজমিস্ত্রি। তিনি গিয়াসনগর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সদর উপজেলা বিএনপির
সদস্য।
এর
আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচি’র
তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনে যোগ দিতে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
থেকে মৌলভীবাজারে পৌঁছান। সেখান থেকে তিনি সরাসরি শ্রীমঙ্গলে যান। দুপুর ১টার দিকে
শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ফ্যামিলি কার্ড
বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর
সফরকে ঘিরে মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুরো জেলায় জোরদার
করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি
সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
কয়েক
দিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জেলা শহরের সড়ক, সরকারি স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ
অবকাঠামো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। সার্কিট হাউস, জেলা জজ আদালত, পৌরসভা ভবনসহ বিভিন্ন
সরকারি ভবনে রং করা হয়েছে। এছাড়া সড়কের ব্রিজ ও কালভার্ট নতুন করে লাল-সাদা রঙে সাজানো
হয়।
অনুষ্ঠানস্থল
মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের
নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)।
কেন্দ্রীয়
বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী জানান, শ্রীমঙ্গলের অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী
মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত আরেকটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। দুপুর আড়াইটার
দিকে সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এক সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। উক্ত অভিযানে গোমস্তাপুর থানা এলাকা থেকে ১ কেজি ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ০৬ মে ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৬:১০ ঘটিকা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি চৌকস দল গোমস্তাপুর থানাধীন রহনপুর পৌরসভার নুনগোলা কেডিসিপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে আসামিদের হেফাজত থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত দুই আসামি সম্পর্কে আপন বোন। তারা হলেন:১. মোসাঃ সাজেদা বেগম (৫৪), স্বামী- আঃ সাত্তার, সাং- নুনগোলা কেডিসিপাড়া, রহনপুর পৌরসভা, গোমস্তাপুর ২. মোসাঃ শাহিদা বেগম (৫৮), স্বামী- মৃত শামসুল আলম, বর্তমান ঠিকানা- নুনগোলা কেডিসিপাড়া (সাজেদার বাড়ি), স্থায়ী ঠিকানা- গ্রাম: মহাডাঙ্গা, পোরশা, নওগাঁ।
অভিযান শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিস্তার রোধে এবং জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকার বারিধারায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে গিয়ে ‘বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট’ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডেএম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যেতে হতে পারে। সেজন্য আজকে উনি বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে আমেরিকান অ্যাম্বেসিতে গিয়েছিলেন।’
খালেদা জিয়া গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে রওয়ানা হয়ে পাজোরো জিপে বেলা ২টা ২০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে প্রবেশ করেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া দূতাবাসে পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান।
এ সময় সঙ্গে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, চেয়ারপার্সনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার এবং চেয়ারপার্সনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক মোহাম্মদ মামুন ছিলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, কিডনি, ডায়াবেটিক্সসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।
এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা হলেও তাঁর চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাল্টি ডিসিপ্লানারি সেন্টারে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে বেগম খালেদা জিয়া প্রথমে লন্ডন এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে চিকিৎসকরা জানান।
মন্তব্য করুন


সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে গড়ে ওঠা এক সম্পর্কের জেরে দুই পরিবারের জীবনে ঘটেছে নাটকীয় পরিবর্তন।
পুরোনো সঙ্গীদের ছেড়ে এক যুগলের একসঙ্গে চলে যাওয়ার ঘটনার পর অবশেষে তাদের স্বামী-স্ত্রীই
নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু
হয়েছে ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকে।
স্থানীয়
সূত্রের দাবি, কয়েক বছর আগে ফালাকাটা এলাকার এক বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে ময়নাগুড়ির
এক গৃহবধূর ফেসবুকে পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে রূপ নেয়। পরে
প্রায় দেড় মাস আগে তারা নিজ নিজ পরিবার ছেড়ে একসঙ্গে চলে যান বলে জানা যায়।
এই
ঘটনার পর উভয় পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজ শুরু করেন। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তির
স্ত্রী এবং গৃহবধূর স্বামীর মধ্যে যোগাযোগ হয়। একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার কারণে
তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে তারা নতুন করে জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত
নেন।
জানা
গেছে, গত সপ্তাহে ফালাকাটার ওই নারী ময়নাগুড়িতে আসেন। পরে স্থানীয় একটি মন্দিরে
সামাজিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
ঘটনাটি
এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে নানা
প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ
দায়ের করেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন ও তাদের
দায়িত্ব বণ্টন করে শুক্রবার (৯ আগস্ট) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট ১৭ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত
হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাতে শপথ নিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের
প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং অন্য ১৩ জন উপদেষ্টা। তবে ঢাকার বাইরে থাকায় সেদিন
তিনজন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে পারেননি।
এক নজরে কে কোন মন্ত্রণালয় এর দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেন -
১. প্রধান উপদেষ্টা ড.
মুহাম্মদ ইউনূস
১. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ২. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ৩. সশস্ত্র
বাহিনী বিভাগ, ৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ৫. সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, ৬. খাদ্য
মন্ত্রণালয়, ৭. গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ৮. ভূমি মন্ত্রণালয়, ৯. বস্ত্র ও পাট
মন্ত্রণালয়, ১০. কৃষি মন্ত্রণালয়, ১১. বিজ্ঞান ও প্রযুুক্তি মন্ত্রণালয়, ১২. রেলপথ
মন্ত্রণালয়, ১৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ১৪. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
মন্ত্রণালয়, ১৫. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, ১৬. পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, ১৭. মহিলা ও
শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ১৮. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ১৯. তথ্য ও
সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, ২০. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ২১.
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ২২. শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ২৩. সংস্কৃতি বিষয়ক
মন্ত্রণালয়, ২৪. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ২৫. মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ২৬. পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ২৭. প্রাথমিক ও
গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
অন্য উপদেষ্টারা
২. ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ- অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা
মন্ত্রণালয়।
৩. ড. আসিফ নজরুল- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৪. আদিলুর রহমান খান- শিল্প মন্ত্রণালয়।
৫. এ এফ হাসান আরিফ- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
মন্ত্রণালয়।
৬. মো. তৌহিদ হোসেন- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৭. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন
মন্ত্রণালয়।
৮. শারমিন এস মুরশিদ- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
৯. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন- স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়।
১০. আ ফ ম খালিদ হোসেন- ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১১. ফরিদা আখতার- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
১২. নুরজাহান বেগম- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
১৩. মো. নাহিদ ইসলাম- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি
মন্ত্রণালয়।
১৪. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
তবে ঢাকার বাইরে থাকায় ফারুক-ই-আযম, সুপ্রদীপ চাকমা ও বিধান
রঞ্জন রায় উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে পারেননি।
মন্তব্য করুন


চলমান
বন্যায় চট্টগ্রামে সাপের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৫ জন। বন্যা শুরুর
পর সাপে কাটার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে এক ধরনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
রবিবার
(১২ জুলাই) বিকালে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামে
আজ পর্যন্ত সাপের কামড়ে আহত হয়ে ৮৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে বোয়ালখালী
উপজেলায় ২০, রাঙ্গুনিয়ায় তিন জন, হাটহাজারীতে আট জন, সাতকানিয়ায় ছয় জন, চন্দনাইশে তিন
জন, লোহাগাড়ায় দুজন, পটিয়ায় ১৮ জন, রাউজানে নয় জন, বাঁশখালীতে ১২ জন, আনোয়ারায় পাঁচ
ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় তিন জন সাপের কামড়ে আহত হয়েছেন।
হাটহাজারী
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কান্তি মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে
জানিয়েছেন, রবিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আট জন সাপে কাটা রোগী হাটহাজারী
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সাত জন লাউডগা সাপের কামড়ে আক্রান্ত
হয়েছেন। চিকিৎসা দেওয়ার পর সবাই এখন সুস্থ আছেন। এর মধ্যে একজন নিজে থেকে চট্টগ্রাম
মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চলে গেছেন। খবর নিয়ে জেনেছি তিনিও সুস্থ আছেন। হাসপাতালে
সাপে কাটা রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) মজুত রয়েছে। এখন পর্যন্ত
কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
তিনি
আরও বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে সাপগুলোর বাসা ভেঙে গেছে। এজন্য ঘরবাড়ি ও উঁচু জায়গায় আশ্রয়
নিচ্ছে। এ সময় চলাচলে সতর্ক থাকতে হবে। সাপে কাটলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত হাসপাতালে
আসতে হবে। ওঁঝা বা কবিরাজের কাছে না গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। রাতে ঘুমানোর সময় মশারি
টাঙাতে হবে। এ ছাড়া ঘরের আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং অন্ধকারে চলাচলের সময় টর্চলাইট ব্যবহার
করতে হবে।’
এ
ব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বন্যার
পানির কারণে সাপগুলো গর্ত থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে বন্যা শুরুর পর থেকে সাপে কাটা
রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
তিনি
বলেন, ‘সাপে কাটা রোগীদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। আক্রান্ত ব্যক্তি সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ
যে কোনও সরকারি হাসপাতালে গেলে অ্যান্টিভেনম পাওয়া যাবে। চট্টগ্রামে ৮৫ জন সাপে কাটা
রোগীর মধ্যে সবাই সুস্থ আছেন। আমাদের কাছে এক হাজার রোগী অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।
শিগগিরই ঢাকা থেকে আরও আসবে।’
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ইজতেমা গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হতে যাচ্ছে ।
বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে। আর ইজতেমায় আগত মুসুল্লিদের সুবিধার্থে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে ময়দানের প্রস্তুতির কাজ।
মুসলমানদের বৃহত্তম এই সম্মেলন সুষ্ঠু, সুন্দর করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বছর দুইপর্বে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। প্রথম পর্ব হবে ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি, দ্বিতীয় পর্ব হবে ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি।
টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানের সম্পূর্ণ মাঠ ইতোমধ্যেই খুঁটি বসানো শেষ হয়েছে। নামাজে দাগ কাটাও প্রায় শেষের দিকে। বিভিন্ন খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে ময়দানটি। ইজতেমা ময়দানের পশ্চিম পাশের সামিয়ানা টাঙানোর কাজ প্রায় শেষ। মাইকের জন্য বৈদ্যুতিক তার স্থাপনের কাজও শুরু হয়েছে। তুরাগ তীরের প্রায় ১৬০ একর জমি বিস্তৃত ইজতেমা ময়দানে প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসুল্লিরা এসে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কাজ করছেন। স্বেচ্ছাশ্রমে এরই মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ করেছে মুসুল্লিরা। প্রতি বছরের মতো ইজতেমার নিরাপত্তায় আশপাশে সিসি টিভি বসানোসহ ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। এছাড়া বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠের ভেতর ও বাইরে কাজ করবেন।
মুসুল্লিরা বলছেন, বিশ্বের লাখ লাখ দেশি-বিদেশি মেহমান আসবে ইজতেমা ময়দানে। তাদের থাকা-খাওয়া ও বসার জন্য তারা স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন।
জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন মিয়া বলেন, অন্যান্য বছরের মতো সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ইজতেমা করার জন্য প্রয়োজনীয় টয়লেট, পানি সরবরাহ এবং ওজু-গোসলের নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইজতেমা সফল করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, দপ্তরের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলছেন, নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ইজতেমা আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পুলিশ প্রশাসন, সিটি করপোরেশন আলাদাভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, সংবাদদাতা
জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরের চর নামক এলাকায় সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত থানা অভিযান চালিয়ে ১১০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে সানন্দবাড়ী থানা পুলিশ। সোমবার ভোর রাতে উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরেরচর গ্রামে সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি আভিযানিক দল এই অভিযান চালায়।
পুলিশ জানায়, সীমান্তঘেঁষা পাথরেরচর এলাকার একটি ভুট্টার ক্ষেতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক মজুত করা হয়েছে—গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ভারত থেকে আনা মাদকের চালানটি ফেলে রেখে চোরাকারবারিরা কৌশলে সটকে পড়ে। পরে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১১০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব মাদকের বর্তমান আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
দেওয়ানগঞ্জের সানন্দবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের জানান, এ ঘটনায় দেওয়ানগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনীর
গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি
মাঠপর্যায়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং
পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মঙ্গলবার
(০৭ জুলাই) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নবম
পদাতিক ডিভিশনের অধীন অষ্টম বীরের গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী
বিস্তীর্ণ এলাকা পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে
তিনি 'ফার্ম বেস'-এর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং
(জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও কৌশলগত
প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি একজন কমান্ডারের মৌখিক অপারেশনাল নির্দেশনা (ভার্বাল
অর্ডার) শোনেন এবং সেনাসদস্যদের পরিচালিত একটি 'রেইড' মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।
প্রধানমন্ত্রী
যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, রণকৌশল, সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী
প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক পরিদর্শন করেন। তিনি সেনা বাঙ্কারে নেমে মহড়ায় অংশগ্রহণকারী
অফিসার ও সেনাসদস্যদের সঙ্গে রণকৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনাসদস্যদের
কাছেও গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ দেন।
একপর্যায়ে
প্রধানমন্ত্রী মহড়ায় অংশ নেওয়া সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা তাৎক্ষণিক রান্না করা
খাবার গ্রহণ করেন এবং তাদের সঙ্গে চা পান করেন।
পরে
সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর
ওপর গভীর আস্থা রাখে। জাতীয় সংকট ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর গৌরবময় ভূমিকার
প্রশংসা করে তিনি পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার আহ্বান
জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
এ
সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল
ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর
জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন