

মানুষ
প্রায়ই ধরে নেয় যে বিড়াল আর কুকুর শত্রু। অবশ্য, কিছু কুকুর আর কিছু বিড়াল একসঙ্গে
না চললেও, অনেকেই আবার দারুণ বন্ধু হতে পারে। এমনকি কিছু কুকুর নিজের জীবন ঝুঁকিতে
ফেলে ফেলাইন বন্ধুকে বাঁচাতেও প্রস্তুত থাকে।
কয়েক বছর আগে ইউক্রেনের দোনেৎস্ক সিটির কাছে একটি প্রতিরক্ষা শিল্প ভবনে বিস্ফোরণ ঘটে। আগুন ও ধোঁয়া আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে, অনেক মানুষ বিপদের মধ্যে পড়ে। লোকজন জ্বলন্ত ভবন থেকে দৌড়ে বেরিয়ে আসার সময় তাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে নিতে নিশ্চিত হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বিশৃঙ্খলার মধ্যে কিছু পোষ্য পিছনে রয়ে গিয়েছিল।
বিস্ফোরণের
ধোঁয়া মাইলের পর মাইল ছড়িয়ে পড়ে, আশেপাশের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক মানুষকে
বাড়ি ছেড়ে পালাতে হয়, যার মধ্যে একজন মানুষ ও তার কুকুরও ছিল—তাদের
বাড়িতেও আগুন লেগেছিল। বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর কুকুরটির দড়ি খুলে দেওয়া হয়, কিন্তু
মানুষটি চিন্তিত ছিল না, কারণ কুকুরটি পালিয়ে যাওয়ার মত নয়।
কুকুরটি
কিছুক্ষণ সামনের উঠানে দাঁড়িয়ে রইল, কিন্তু তারপরই বুঝতে পারল কিছু একটা ভুল হচ্ছে।
মালিকের বিস্ময়ের মধ্যেই কুকুরটি বাড়ির দিকে দৌড়াতে শুরু করল, যদিও আগুন ক্রমেই
বাড়ছিল।
কুকুরটি
দৌড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার মালিক আতঙ্কে তাকে ডাকতে লাগল। কিন্তু সাধারণত বাধ্য
কুকুরটি এবার কোনোভাবেই কথা শুনল না। সে জানত, আরও জরুরি কিছু করার আছে। কেউ কিছু বুঝে
ওঠার আগেই সে ফিরে গেল জ্বলন্ত বাড়ির ভেতরে। তখনই মালিক বুঝলেন—ঘরের
ভেতরে আরেকটি লোমশ বন্ধু রয়ে গেছে, যে হয়তো বের হতে পারেনি।
কুকুরটি
আগুন থেকে তার সেরা বন্ধুকে উদ্ধার করে । কুকুরটি যখন আগুনের মধ্যে ঢুকল, মালিক ও প্রতিবেশীরা
শ্বাস আটকে তাকিয়ে রইল। পরিস্থিতি কুকুরটির পক্ষে ছিল না, কিন্তু কেউই খারাপ কিছু
ভাবতে চাইছিল না।
কিন্তু
কয়েকটি দীর্ঘ, ভয়ঙ্কর মুহূর্তের পর কুকুরটি বেরিয়ে এলো—তার
দাঁতের মাঝে আলতো করে ধরা একটি ছোট্ট বিড়ালছানা। সে জ্বলন্ত বাড়ি থেকে বিড়ালছানাটিকে
তুলে এনে নিরাপদে নিয়ে আসে। কুকুর আর বিড়ালছানার সম্পর্ক ঠিক কী ছিল তা স্পষ্ট নয়,
তবে তারা একই বাড়ি থেকে এসেছে বলে ধরে নেওয়া যায় যে তারা পরিবার।
সেই
ক্ষুদে বিড়ালছানাটি সত্যিই ভাগ্যবান, কারণ তার দেখভালের জন্য এমন সাহসী কুকুর ছিল।
যদি কুকুরটি নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে না ফেলত, তাহলে বাড়িটি পুরোপুরি পুড়ে যাওয়ার আগেই
বিড়ালছানাটি হয়তো বেরোতে পারত না। নিজের ছোট্ট বন্ধুকে বাঁচাতে সে প্রাণপণ চেষ্টা
করেছে। সত্যিকারের বীর সে!
মন্তব্য করুন


পবিত্র
ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে, সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি
নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
কার্যকর
ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত উদ্যোগের ফলে এবারের ঈদযাত্রায় মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট হবে না
বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
আজ
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ কথা
বলেন।
তিনি
বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সরকারের গৃহীত বহুমুখী পদক্ষেপ ইতোমধ্যে কার্যকর করা
হয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা যানজট ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন।
এ
সময় জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে, মানুষের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতার কথাও
উল্লেখ করেন তিনি।
সুলতান
সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, ঈদের ছুটিতে যাতে ঘরমুখো মানুষ ভোগান্তির শিকার না হন এবং
রোজাদারদের সড়কে ইফতার করতে না হয়, সে জন্য সার্বক্ষণিকভাবে মহাসড়ক পর্যবেক্ষণ করা
হচ্ছে।
তিনি
বলেন, গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন খাতের ছুটি শুরু হওয়ায়, আজ থেকে প্রায় ৪০ লাখ অতিরিক্ত
মানুষ এই মহাসড়ক ব্যবহার করবে বলেও তিনি জানান।
মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদযাত্রায়
কোনো ধরনের ভোগান্তি যেন না হয়, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
এখন
পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও যানজট সৃষ্টি হয়নি এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলেও উল্লেখ
করেন তিনি।
যান
চলাচল সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সক্রিয় রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গুরুত্বপূর্ণ
পয়েন্টগুলোতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি তদারকি
করছেন। দলীয় নেতা-কর্মীরাও সড়কে থেকে পুলিশকে সহায়তা করছেন।
এক
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অতীতে অব্যবস্থাপনার কারণে মানুষ যানজটে পড়লেও, এবার আগাম
প্রস্তুতি ও সার্বক্ষণিক তদারকির ফলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
পরিদর্শনকালে
ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম
সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় একটি পোষা বিড়ালকে দা দিয়ে আঘাত করে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সালেহ আল রেজা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি বাকেরগঞ্জ উপজেলার এক এলাকায় গৃহবধূ তানিয়া বেগমের পোষা বিড়ালকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী নাসিমা বেগম দা দিয়ে আঘাত করেন। এতে বিড়ালটির একটি পা ভেঙে যায়। ঘটনার প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত নারীর স্বামী আইউব মৃধা তানিয়া বেগমকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সোমবার বাকেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী তানিয়া বেগম।
তানিয়া জানান, আহত অবস্থায় বিড়ালটিকে উদ্ধার করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিড়ালটির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সালেহ আল রেজা বলেন, “বিড়ালটিকে ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে কিছুটা সময় লাগবে।”
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বাকেরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজু আহমেদ বলেন, “লিখিত অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাটল ট্রেন সেবা সংস্কারের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল“শিক্ষার্থী মরে গরমে, প্রশাসন থাকে আরামে”, “পর্যাপ্ত ফ্যান নাই, প্রশাসনের খবর নাই”, “পর্যাপ্ত বগি নাই, প্রশাসনের খবর নাই”, “ঘামে ঘামে জীবন শেষ, ভিসি থাকে আরামে বেশ”, “শাটলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে”, “আর কত ভাঙা ট্রেন, যুক্ত কর নতুন ট্রেন”, “এই মুহূর্তে দরকার শাটলের সংস্কার”, “এই মুহূর্তে দরকার রেললাইনের সংস্কার” প্রভৃতি।
অবস্থান কর্মসূচী থেকে আলাওল হলের সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বলেন, "শাটলে পর্যাপ্ত বগি না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেক কষ্টে যাতায়াত করে। এরআগেও শাটল সংস্কারের দাবিতে অনেক আন্দোলন হয়েছে, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে সফল হয়নি। এখন যেহেতু চাকসু হয়েছে এই চাকসুর মাধ্যমে আমরা দাবি জানাতে চাই আমাদের শাটলের যৌক্তিক সংস্কার করা হোক।"
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)-এর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইসহাক ভুঁইয়া বলেন, শাটল ট্রেন সংস্কারের জন্য আগে প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দাবি জানানো হলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। নতুন উপাচার্য আশ্বাস দিলেও তা এখনো কার্যকর হয়নি।
তিনি আরও বলেন, শাটলে পাথর নিক্ষেপ, নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা এবং রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটলেও এসব সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান করা হয়নি। এসব কারণেই শিক্ষার্থীরা এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা শাটল ট্রেন সংস্কারের দাবিতে ১১ দফা দাবি উত্থাপন করেন। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধি, বিকল্প রুট চালু ও অপারেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কোচ বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করা, নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ, ইলেকট্রনিক সুবিধা নিশ্চিত করা, ট্রেনের গতি বৃদ্ধি, বগির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ, স্টেশন প্ল্যাটফর্মের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, স্টেশন অবকাঠামো ও পরিবেশ উন্নয়ন এবং শাটল স্টেশন ও ট্রেনে নিরাপত্তা জোরদার করা।
শিক্ষার্থীরা জানান, আগামী রবিবারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দেবেন।
চবি প্রতিনিধি
মন্তব্য করুন


বিএনপি
যে কোনো সময়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির
সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ
সোমবার (৪ আগস্ট) গুলশানে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, জুলাই সনদ হাতে পাওয়ার পরে ৩০ তারিখেই কিছু সংশোধনসহ জবাব দিয়েছে বিএনপি।
সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে বলেও জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন
আহমদ আরও বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক মূল্য আছে। ঘোষণাপত্রের যে প্রস্তাব
দেওয়া হয়েছিল তা ফেব্রুয়ারিতেই জবাব দিয়েছে বিএনপি। প্রস্তাবে ২৬ মার্চকে উপস্থাপন
করতে চাননি আর এরসঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে বিএনপি। এছাড়া রাষ্ট্রীয় এবং সাংবিধানিক স্বীকৃতি
চতুর্থ তফসিলের মাধ্যমে দেওয়া হবে। জুলাই ঘোষণাপত্রের ক্ষেত্রে বিএনপি যে সংশোধনী দিয়েছে
তা মেনে না নেওয়া হলে ঘোষণাপত্র পাঠের পর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া জানাবে বিএনপি।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে মাতৃভূমিতে ফেরার এই ঐতিহাসিক
যাত্রায় তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান
এবং পরিবারের পোষা বিড়াল জেবু।
তারেক
রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়ক যেন পরিণত হয়েছে
মিলনমেলায়। প্রিয় নেতাকে সংবর্ধনা দিতে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ।
দলীয়
নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সংবর্ধিত হবেন তিনি—এমন
প্রত্যাশায় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
৩০০
ফিট সড়ক ও এর আশপাশের এলাকায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ইতিমধ্যেই জড়ো হয়েছেন বিপুলসংখ্যক
নেতাকর্মী ও সমর্থক। বহু বছর পর প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে গত কয়েক দিন ধরেই দেশের নানা
প্রান্ত থেকে ঢাকামুখী হচ্ছেন তারা। ভিড় ও দুর্ভোগ এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই রাজধানীতে
এসে অবস্থান নিয়েছেন।
যাদের
ঢাকায় আত্মীয়-স্বজন বা থাকার ব্যবস্থা রয়েছে, তারা আগেই এসে পৌঁছান। তবে গত সোমবার
থেকেই দলবদ্ধভাবে নেতাকর্মীদের ঢাকায় আসা শুরু হয়। বুধবার রাতেও দেশের বিভিন্ন জেলা
থেকে ট্রেন, লঞ্চ ও বাসে করে নেতাকর্মীরা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। ঢাকায় পৌঁছে অনেকেই
সংবর্ধনাস্থল পরিদর্শন করে ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন—কেউ
সেলফি তুলেছেন, কেউ লাইভে যুক্ত হয়েছেন।
সরেজমিনে
গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকা ছাড়াও বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা বাস, ট্রাক, মিনি
ট্রাক ও মাইক্রোবাসে করে দলে দলে ৩০০ ফিট এলাকায় এসে জড়ো হচ্ছেন। কুমিল্লা, সিলেট,
রাজশাহী, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষের ঢল নেমেছে।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কিছু গণমাধ্যমের
বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব
শফিকুল আলম বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের কাছ থেকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে
সরকার।
আজ
শনিবার ( ০৭ ফেব্রুয়ারি ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুল
আলম বলেন, গত ১৮ মাস গণমাধ্যম অভূতপূর্ব স্বাধীনতা ভোগ করেছে। তারপরও বারবার মৌলিক
সাংবাদিকতায় যাচাই-বাছাইয়ে ব্যর্থতার উদাহরণ দেখা যাচ্ছে।
প্রেস
সচিব জানান, শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে হওয়া কর্মসূচির সময় ইনকিলাব
মঞ্চের নেতা ও হাদির দীর্ঘদিনের সহচর আবদুল্লাহ আল জাবের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত
হন। এ সময় আরও বহু সমর্থক ও কর্মী আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
শফিকুল
আলমের ভাষ্য, জাবেরকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট
দেওয়া হয়, যেখানে দাবি করা হয় তিনি ‘গুলিবিদ্ধ’ হয়েছেন। প্রেস সচিব বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ’
শব্দটি গভীর অর্থবোধক—সাধারণভাবে এটি সরাসরি গুলিতে আহত হওয়ার
ধারণা দেয়। ওই পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলে। প্রেস সচিব
অভিযোগ করেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রসহ বড় বড় গণমাধ্যম ওই ফেসবুক
পোস্টকেই সত্য ধরে নিয়ে ফটোকার্ড ও শিরোনামে জাবের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর প্রচার করে।
এতে ভুয়া তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি
বলেন, সরকার তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)
স্পষ্ট জানায়, ঘটনাস্থলে কোনো গুলি ছোড়া হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনায় পুলিশ
এখন আর প্রাণঘাতী অস্ত্র বহন করে না। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকও নিশ্চিত
করেন, জাবেরসহ কোনো আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ হননি।
সংবাদ
সংগ্রহ একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, একটি ভুল সংবাদও সহিংসতা উসকে
দিতে পারে, দাঙ্গা সৃষ্টি করতে পারে এবং জনজীবনে অরাজকতা ডেকে আনতে পারে। তাঁর অভিযোগ,
আগের দিনের সংঘর্ষের ঘটনায় অনেক সংবাদমাধ্যম মারাত্মকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারা শুধু
ক্লিকবেইটের ফাঁদে পড়েনি, সেটিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী
সরকার, ডিএমপি ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বক্তব্য পরিস্থিতি শান্ত করতে সহায়তা
করে।
এর
আগে মাইলস্টোন স্কুলে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনার পর সহিংস পরিস্থিতির
উদাহরণ টেনে শফিকুল আলম বলেন, তখনও ভুল এবং অতিরঞ্জিত সংবাদ পরিবেশনের কারণে পরিস্থিতি
জটিল হয়ে উঠেছিল। সে সময় একটি উচ্ছৃঙ্খল জনতা স্কুলের ভেতরে কয়েকজন উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাকে
নয় ঘণ্টার বেশি আটকে রাখে এবং আরেকটি গ্রুপ সচিবালয়ে ভাঙচুর চালায়। তাঁর মতে, ‘গতকালের
বেপরোয়া ক্লিকবেইট সাংবাদিকতা প্রায় একই ধরনের পরিস্থিতির জন্ম দিতে যাচ্ছিল।’
সাংবাদিকদের
দায়িত্ববোধের প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, সরকার, রাজনীতিক ও প্রভাবশালীদের দায়িত্বশীলতার
কথা বলতে সাংবাদিকরা প্রায়ই সোচ্চার হন। কিন্তু নিজেদের ক্ষেত্রে আয়নায় তাকানোর সময়
এলে অনেকেই চোখ ফিরিয়ে নেন।
মন্তব্য করুন


শরিফ
ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড
দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে রায় কার্যকরের জন্য পলাতক ফয়সাল করিমকে গ্রেফতারের নির্দেশ
দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার
(৯ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল মোহসীন এ রায়
ঘোষণা করেন।
মামলা
সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর রাজধানীর আদাবর থানার
বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি বাসায় অভিযান চালায় র্যাব-২। এসময় ফয়সাল করিম মাসুদকে
আটক করা হয়। পরে তার ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাট থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি
উদ্ধার করা হয়।
২০২৪
সালের ৮ নভেম্বর র্যাব সদস্য মো. মশিউর রহমান আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে
অস্ত্র আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রও দেওয়া হয়।
আদালত
সূত্রে জানা যায়, ফয়সাল করিম অস্ত্র মামলায় ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট থেকে
জামিন পান। এছাড়া শরিফ ওসমান হাদি হত্যার পর থেকে তিনি পলাতক।
র্যাব
জানায়, ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন। ওই সময় তার কাছ থেকে জব্দ করা
অস্ত্রের বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি।
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ এবং
আলমগীর হোসেনকে গত ৭ মার্চ বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার
বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ)।
৩৭
বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি পটুয়াখালীতে এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি
ঢাকায়।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা অনুদান পাবেন। তবে এ অনুদান পেতে আবেদন করতে হবে অনলাইনে ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের এ টাকা দেওয়া হবে। বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন স্কুল–কলেজ, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা এ টাকা পাবেন। অনুদানের টাকা বিতরণে নীতিমালা (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান প্রদানের জন্য অনুসরণীয় নীতিমালা সংশোধিত-২০২০) অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের অনুদানের টাকা পেতে আবেদন করতে হবে।
আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বিশেষ অনুদানের টাকা বিতরণে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে । ওই দিন থেকে অনলাইনে অনুদান পাওয়ার আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ মঞ্জুরির অনুদানের এ টাকা পেতে আবেদন করা যাবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ–এর অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ টাকা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ আরো জানিয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি, এমপিওভুক্ত ও নন–এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা, দৈব দুর্ঘটনা এবং শিক্ষা গ্রহণের কাজে ব্যয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে দুস্থ, প্রতিবন্ধী, অসহায়, রোগগ্রস্ত, অস্বচ্ছল ও মেধাবী, অনগ্রসর এলাকার শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।
দেশের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বা এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র সংগ্রহ, খেলাধুলার সরঞ্জাম ক্রয়, পাঠাগার স্থাপন ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বান্ধব করার জন্য অনুদানের আবেদন করা যাবে। তবে বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনগ্রসর এলাকার লেখাপড়ার মান ভালো থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে। আর বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক–কর্মচারীরা দুরারোগ্য ব্যাধি বা দৈব দুর্ঘটনার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


গত মঙ্গলবার
রাতে চাঁদপুর শহরের পালবাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জানা
গেছে, নৌ পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান হাঁস কিনতে গেলে ৬টি হাঁসের ওজন ৯ কেজি একশো
গ্রাম হিসেবে দেখানো হয়। এতে সন্দেহ হওয়ায় তিনি ওজন মাপার স্কেলে নজর দেন। সেখানে দেখা
যায়, ভারি লোহার পাত ব্যবহার করে ওজন নির্ধারণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে
তিনি জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারকে অবহিত করেন। পরে ঘটনাস্থল পালবাজারে উপস্থিত
হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পী দত্ত।
এ সময়
হাঁস বিক্রেতা আফজাল সরকার (৩০) ও জিল্লুর রহমান (২৫) ওজনে কারচুপি করার কথা স্বীকার
করেন। এতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৬০ ধারায় তাদের দুই জনকে নগদ ৮ হাজার টাকা জরিমানা
ও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
চাঁদপুর
পালবাজারের ব্যবসায়ী নেতা মনির হোসেন জানান, প্রতারণার সঙ্গে জড়িত হাঁস-মুরগির দোকানটি
বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এদিকে,
খোদ পুলিশ সুপার বাজারে প্রতারণার শিকার হওয়ায় বিষয়টি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা
রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে। অকারণে
হর্ন বাজানোটা আমাদের বদভ্যাস। এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি
বলেন, শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব আমাদের সবার। শুধু সরকারের ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দিলে হবে
না।
আজ
রবিবার ( ২৫ জানুয়ারি ) বিমান বন্দর এলাকায় ‘ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ
কর্মসূচি’ বাস্তবায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ, ডিএনসিসি
ও সিভিল এভিয়েশনের-এর সমন্বিত অভিযানে হর্নের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে
আয়োজিত সমাবেশে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের
সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা শুধু হর্ন এর উপরে জোর দিচ্ছি। কোন অজুহাতেই হর্ন বাজানো যাবেনা।
তিনি বলেন, অন্যান্য আইন ভাঙ্গলে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পুলিশ যেভাবে গাড়ির ব্যাপারে
দণ্ড আরোপ করে, একইভাবে হর্নের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন এবিষয়ে ‘শব্দ দূষণ
(নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫’-হয়েছে। পুলিশকেও একাজে সম্পৃক্ত করা
হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষ বেশকিছু তরুণকে একাজে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তারা এখন অফিসিয়ালি
ট্রাফিক পুলিশের অংশ। সিভিল এভিয়েশন বিমানবন্দরের ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বন্ধে ভলেন্টিয়ারদের
সহায়তায় কার্যক্রম শুরু করতে পারে। বিমানবন্দর এলাকা হর্নমুক্ত করে আমরা উদাহরণ একটা
উদাহরণ তৈরি করতে পারি।
উপদেষ্টা
জানান, উচ্চশব্দের কারণে শতকরা ৬৫ ভাগ ড্রাইভার ঢাকা শহরে কানে কম শুনেন। একটা বাচ্চা
যখন স্কুলে যায় হর্নের আওয়াজ তার জন্য খুবই অস্বস্তিকর। জাতিগতভাবে আমাদের সকলকে দায়িত্ব
নিতে হবে। উপদেষ্টা জনগণকে সচেতন করায় এগিয়ে আসতে গণমাধ্যমকর্মীদের আহ্বান জানান। তাদেরকে
স্বপ্রণোদিত হয়ে, নিজেদের দায়িত্বের জায়গা থেকে কাজ করার অনুরোধ জানান তিনি।
সচিব
ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে যে বিধিমালাটি করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে
সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এব্যাপারে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সমাবেশে
আরো বক্তব্য রাখেন ডিএনসিসি-র প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত
পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস
মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের
প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এছাড়া, পরিবেশ
অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ, ডিএনসিসি ও সিভিল এভিয়েশনের ঊর্ধতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন