

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রুমা-থানচি-রোয়াংছড়ি মালিক সমিতির অফিস সহকারী মিলন দাশ বলেছেন বান্দরবান থেকে রুমা-থানচিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে মালিক সমিতি ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কিছুদিন আগে বান্দরবান-থানচি সড়কে চলাচলকারী বাসগুলো থেকে বাৎসরিক চাঁদা দাবি করে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। সে সময় প্রায় তিন-চার দিন বাস চলাচল বন্ধ ছিল। চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৫টায় রুমার রিঝুকপাড়ায় স্থানীয় যুবক উহ্লা চিং মার্মাকে (৩৫) গুলি করে আহত করে সন্ত্রাসীরা আর এ ঘটনায় উত্তেজিত হন স্থানীয়রা আর বর্তমানে এসব সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন স্থানে মহড়া দিতে দেখা যাচ্ছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
রুমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ২ নম্বর রুমা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শৈমং মারমা (শৈবং) বলেন, রুমায় এখন রাস্তায় রাস্তায় কুকিচিন আর্মির সদস্যরা টহল দিচ্ছে। মানুষজনকে হুমকি ও মারধর করছে। এ কারণে রুমা থেকে বান্দরবান সড়কে কোনও বাস ও যানবাহন চলছে না।
বান্দরবান-রোয়াংছড়ি-রুমা-থানচি মোটরযান পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আলম বলেন, সকাল থেকে বান্দরবান, বাঘমারা ও রোয়াংছড়ি সড়কে বাস চলাচল স্বাভাবিক আছে। তবে রুমা ও থানচি স্টেশন থেকে সকাল থেকে কোনও বাস ছেড়ে আসেনি। লাইনম্যানের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, কুকিচিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) বাস না চালানোর জন্য নিষেধ করেছে তাই বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান এ বিষয়ে বলেন, রুমা থেকে বান্দরবানে সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে শুনেছি। সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহলও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখনও এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন জানান, থানচি সড়কে সন্ত্রাসীদের অস্ত্রসহ মহড়া দেওয়ার খবর শোনা যায়নি। তবে সম্প্রতি রুমায় এক বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে নিরাপত্তার জন্য বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ফেলে যাওয়া সেই কন্যা সন্তানের বাবা-মায়ের সন্ধান মিলেছে। তারা নিজেরাই সন্তানের কাছে ফিরে এসেছেন। প্রশাসনের মাধ্যমে শুক্রবার রাতে কন্যা সন্তানকে ফিরে পান প্রকৃত বাবা-মা। বর্তমানে ওই নবজাতক ও মা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল পৌঁনে ৮টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় পাপিয়া খাতুন। সেখান থেকে তাকে গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ওয়ার্ডে থাকা অবস্থায় বাচ্চাকে পাশের আরেক রোগীর স্বজন বিলকিস বানুর কাছে রেখে পালিয়ে যান মা ও স্বজনরা।
সেসময় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাপিয়া-আলমগীর দম্পতির ঘরে আরও তিনটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এ নিয়ে চতুর্থবার কন্যা সন্তান হওয়া নাবজাতককে পরিত্যাগ করেন তারা। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ, প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তর নবজাতককে হাসপাতালের তত্বাবধায়নে রাখে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে মুহূর্তেই।
এর পরদিন গতকাল শুক্রবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফামেত তুজ জোহরার সাথে যোগাযোগ করেন নাবজাতকের বাবা। পরে সকল প্রক্রিয়া ও যাচাই-বাছাই শেষে নবজাতককে প্রকৃত বাবা-মায়ের কাছে হস্তান্তর করে প্রশাসন। বর্তমানে নবজাতক ও মা হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন আছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের রেজিস্ট্রারে নিজেদেরকে আলমডাঙ্গা উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের পাপিয়া-আলমগীর দম্পতি হিসেবে পরিচয় দেন। সে পরিচয় অনুসন্ধান করে কাউকে খুঁজে পায়নি পুলিশ। পরে দেখা যায় তাদের নাম ঠিক থাকলেও ঠিকানার তথ্য ভুল দেয়া হয়েছে। তাদের প্রকৃত ঠিকানা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিহি কেষ্টপুর গ্রামে। আর এটি তাদের চতুর্থ কন্যা সন্তান নয়, তৃতীয় কন্যা সন্তান।
নবজাতকের বাবা আলমগীর হোসেন বলেন, গর্ভবতী অবস্থায় আমার স্ত্রী পাপিয়া খাতুন তার মায়ের বাড়ি আলমডাঙ্গার পুটিমারী গ্রামে ছিল। হাসপাতালের আসার সময় তারা আমাকে জানিয়েছে যে, আমার বাচ্চাটি আর বেঁচে নেই। আমি ধরেই নিয়েছি আমার বাচ্চা মরে গেছে।
নবজাতকের মা পাপিয়া খাতুন বলেন, আমার স্বামীকে বোঝানোর জন্য বাচ্চার মৃতের কথা বলেছিলাম। আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি।
এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা জানান, প্রকৃত অভিভাবকের কাছে নবজাতককে হস্তান্তর করা হয়েছে। এজন্য তাদের কাছ থেকে লিখিত নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে ওই নবজাতকের খোঁজখবর রাখবে প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে লালমনিরহাট রেলস্টেশনে বুড়িমারী থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী ৪৬১ নং ট্রেনে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে ।
লালমনিরহাট স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ইঞ্জিনের জোরে ধাক্কায় প্রায় অর্ধশত যাত্রী আহত হয়েছেন।
যাত্রীরা জানান, বুড়িমারী থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী ৪৬১ নং কমিউটার ট্রেনটি লালমনিরহাট রেলস্টেশনের প্লাটর্ফমে দাঁড়ায়। এ সময় ট্রেনের ইঞ্জিন পরিবর্তন করতে পূর্বের ইঞ্জিন নিয়ে লোকোশেডে চলে যান চালক। পরে লোকো শেড থেকে অপর ইঞ্জিন নিয়ে বগিতে সংযোগ দেওয়ার সময় সজোরে ধাক্কা দিলে কমিউটার ট্রেনটির প্রায় অর্ধশত যাত্রী বগিতেই ছিটকে পড়ে আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের সহায়তায় রেলকর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে লালমনিরহাট রেল হাসপাতালে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে চিকিৎসকরা। পরে আহতদের পুনরায় ওই ট্রেনেই গন্তব্যে পৌঁছে দেয়া হয়। তবে দুইজন নারী যাত্রী মাথা ও হাতে প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের রংপুরে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় লালমনিরহাট স্টেশনমাস্টার লোকো শেড বিভাগের চালক গৌর গবিন্দের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহফুজ বলেন, আমাদের এখানে জরুরি বিভাগে গুরুতর চারজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকিরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে শুনেছি।
এ ব্যাপারে লোকো মাস্টার রাজ গোবিন্দ দাস বলেন, ইঞ্জিনের ব্রেক লাগাতে দেরি হওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইঞ্জিনের গতি ঘণ্টায় দশ কিলোমিটার ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার নূরনবী বলেন, একটা ইঞ্জিন বদল হয়ে আরেকটা ইঞ্জিন সংযোগ নেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জোরে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ওই ইঞ্জিনের লোকো মাস্টার রাজ গোবিন্দ সেই ট্রেন নিয়ে ইতোমধ্যে রওনা করেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জেনেছেন, তারা এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
জানতে চাইলে রেলওয়ের লালমনিরহাট ডিভিশনাল ম্যাকানিক্যাল ইন্জিনিয়ার (লোকো) শাহিনুল হক অপু বলেন, আমরা অভিযুক্ত লোকো মাস্টারকে আপাতত আর কোনো ট্রেনের দায়িত্ব দেব না। ঘটনা তদন্তে ইতিমধ্যে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা প্রতিবেদন জমা দিলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বায়নে আরেক ধাপ এগিয়েছে কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকায় নিজস্ব ও নান্দনিক ক্যাম্পাসে অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। নতুন করে বিশ্বের নামকরা ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
গত ২১ ও ২২ মে ফিলিপাইনের ম্যানিলায় Association of Universities in Asia and the Pacific (AUAP) এর ৩৭তম নেটওয়ার্কিং ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়। AUAP এর সদস্য হিসেবে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী উক্ত ফোরামে অংশগ্রহণ করেন।
ওই ফোরামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে University of Northern Philippines, INTI University, Malaysia, Davao del Sur State College (University), Philippines, Bulachan State University, Philippines, SEGi University, Malaysia, Southern Philippines Agri Business and Marine and aquatic school of Technology, Philippine, Vikrant University, Goalior, India, Cebu Institute of Technology University, Philippines, Adamson University, Philippines (10) World Citi College, Philippines, Aeronautical and Technological College, Philippines, Davao Oriental State University, Philippines, SIAS University, China, University of Saint Joseph, Macao, Jagran Lakecity University,Bhupal, India এর সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সমঝোতা চুক্তির আলোকে উভয় বিশ্ববিদ্যালয় যৌথ গবেষণা প্রকল্প, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের অভিজ্ঞতা বিনিময়, আন্তঃবিভাগীয় সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও সম্মেলন, যৌথভাবে গবেষণার জন্য অনুদান আবেদন, একাধিক শাখা সংযুক্ত করে শিক্ষা কার্যক্রম তৈরি, শিক্ষাগত সেরা অনুশীলন ভাগাভাগি, যৌথভাবে পিএইচডি থিসিস তদারকি, দ্বৈত ডিগ্রি ও করিডোর প্রোগ্রাম, গ্রীষ্মকালীন/শীতকালীন প্রশিক্ষণ, সম্মেলন ও উৎসবে সরাসরি/অনলাইনে অংশগ্রহণ, ফ্যাকাল্টি উন্নয়ন কর্মসূচি ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ঘটেছে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মহাসড়কে বাসের চাপায় নারী-শিশুসহ চার পথচারী নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২২ এপ্রিল) রাত ৮ টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর মালিখিল এলাকায়
মহাসড়ক পার হওয়ার সময় একুশে পরিবহন নামে একটি বাস তাদের চাপা দিলে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন, কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের কদমতুলী এলাকার দিলবাল নেছা (৫০), শাহিনুর আক্তার (২৪), রাইসা (১.৫), সায়মা (৩)।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল আলম জানিয়েছেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানতে পারি, সোমবার রাত ৮ টার দিকে মহাসড়কের পার হচ্ছিলেন যাচ্ছিলেন শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন সদস্য। এ সময় নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী একুশে পরিবহনের বেপরোয়া বাস তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিন জন। পরে, শিশুটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হলে পথেই তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও বলেন, বাসটি পালিয়ে গেলেও একই কোম্পানির অন্য একটি বাস আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার সুয়াগাজী ও জগোপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে।
আজ দুপুরে উক্ত অভিযানে মোট ৩৯ বোতল কিং ফিশার বিয়ার ও ৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয় এবং আসামি পলাতক।
সেনাবাহিনীর এই তাৎক্ষণিক ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি এনে দিয়েছে এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে আরো উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দুপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের সুবিদপুর উত্তর পাড়া গ্রামের প্রধানীয়া বাড়িতে ঘটেছে একটি অন্যরকম ঘটনা।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ফিরতে শ্বশুরবাড়িতে আসেন যুবক মিলন মুন্সী (২৩)। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে স্ত্রী যেতে রাজি না হওয়ায় অভিমানে শ্বশুরবাড়িতেই বিষপানে আত্মহত্যা করলেন ওই যুবক।
আত্মহননকারী মিলন মুন্সী উপজেলার ৪নং কালোচোঁ ইউনিয়নের উড়পুর মুন্সীর বাড়ির বাদল মুন্সীর ছেলে।
মিলন মুন্সীর বাবা বলেন, গত ৫ মার্চ পারিবারিকভাবে ছেলেকে বিয়ে করাই। বিয়ের আড়াই দিন পর বাবার বাড়িতে গিয়ে ফিরে আসতে আর রাজি হয়নি আমার ছেলের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার আমার ছেলে তার স্ত্রীকে নিতে শ্বশুরবাড়ি যায়। সেখানে তার শাশুড়ি মেয়েকে দেবে না বলে ছেলের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। জানতে পারি এক পর্যায়ে অভিমানে আমার ছেলে পকেট থেকে বিষের বোতল নিয়ে খেয়ে ফেলে। স্থানীয় চিকিৎসা শেষে কুমিল্লায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
তিনি আরও বলেন, আমার ছেলে রাগী স্বভাবের ছিল এবং মানসিক সমস্যাও ছিল তার। সে নেশাগ্রস্ত হয়ে আমাদের মারধর করতো। যার কারণে তাকে জেলেও দিয়েছিলাম একবার।
গৃহবধূর বড় বোন আয়শা আক্তার ও তার বাবা আব্দুর রহিম জানান, মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর বুঝতে পারি ছেলের কয়েকটি সমস্যা রয়েছে। যে কারণে এর আগেও দুইবার তারা আমাদের মেয়েকে নিতে এলে ফেরত দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ বলেন, মূলত এই ছেলে আগেও একবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তিনি তার বাবাকেও মারধর করতেন। নেশাগ্রস্ত ও উত্তেজিত অবস্থায় থাকতেন। এই ঘটনায় মৃতের বাবা বাদল মুন্সী থানায় মামলা করেছেন। বাকিটা ময়নাতদন্ত শেষে বলা যাবে।
মন্তব্য করুন


নাজিম উদ্দিন মিলন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ
ঈদের আনন্দ ভাগা ভাগি
করে নিতে নোয়াখালীতে এতিমদের পাশে দাড়িয়েছেন মেসার্স আলী আজ্জম ট্রেডার্সের
স্বত্ত্বাধিকারী আমিনুল হক মান্না।
আজ দুপুরে প্রতি বছরের
ন্যায় এবারও চৌমুহনী ডেল্টা জুট মিলে রাব্বানিয়া এতিম খানায় অর্ধ শতাধিক এতিমদের হাতে
নতুন ঈদের পোশাক উপহার তুলে দেন ব্যবসায়ী নেতা মান্না। এসময় মাদ্রাসার
শিক্ষকবৃন্দ ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী আমিনুল
হক মান্না জানান, আগামীতেও এমন সেবা অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
আজ (৫/১২/২০২৩) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে কুমিল্লার বালুতুপা ও চৌয়ারা বাজারে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এ সময় নানা অনিয়মের অভিযোগে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয় এবং অন্যদের সতর্ক করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের
সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ কার্যক্রমে জেলা স্যানিটারি
ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


"খেলবে
কুমিল্লা বার, দেখবে সকল বার ও সারা বিশ্ব"- এই শ্লোগান সামনে রেখে গেলো বছরের
ন্যায় এবারও শত ব্যস্ততার মাঝেও একটু বিনোদনের উদ্দেশ্যে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির
আয়োজনে CDBA T-10 ক্রিকেট টূর্ণামেন্ট-২০২৩ এর খেলা চলছে।
এ
খেলাটি ২১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লা টিক্কারচরস্থ শেখ কামাল ক্রীড়া পল্লীতে
অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় গোমতীকে হারিয়ে সিবিএ এডভোকেটস্ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ান হয়ে কোয়ার্টার
ফাইনালে উত্তীর্ণ।
ওই
খেলায় সিবিএ এডভোকেটস্ এর খেলোয়াড় এডভোকেট রানা মজুমদারকে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ ঘোষণা
করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী।
তার ব্যক্তিগত রান ৮২ এবং অপরাজিত ব্যাটস্ ম্যান।
সিবিএ
এডভোকেটস্ এ রয়েছেন- প্রধান উপদেষ্টা লাকসাম উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট মোঃ ইউনুস ভূইয়া
এবং টিম ম্যানেজার এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, প্রধান নির্বাচক এডভোকেট মোঃ
ইলিয়াস মজুমদার, নির্বাচক এডভোকেট মোঃ মনিরুল ইসলাম ও এডভোকেট মোঃ আমজাদ হোসেন লিটন,
হেড কোচ এডভোকেট মোঃ মহসিন ভূইয়া, সহ- হেড কোচ এডভোকেট মোঃ হারুনুর রশিদ সবুজ, ব্যাটিং
কোচ এডভোকেট মোঃ নুরুদ্দীন মিয়াজি বুলবুল, বোলিং কোচ এডভোকেট মোঃ আতিকুর রহমান সুমন,
ফিল্ডিং কোচ এডভোকেট মোঃ জুয়েল হোসেন, মিডিয়া ম্যানেজার এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার,
মাইন্ড ট্রেইনার এডভোকেট শাহ্ আলম, সহঃ ব্যাটিং কোচ এডভোকেট আল নোমান সরকার ও সহঃ মিডিয়া
কোচ এডভোকেট আবুল কাশেম।
সিবিএ
এডভোকেটস্ এর খেলোয়াড়েরা হলেন- এডভোকেট মোঃ মঈনুল আলম মনি, এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,
এডভোকেট শওকত হাসান দিদার, এডভোকেট শাহাবুদ্দিন নাসেফ, এডভোকেট মোঃ মোবারক হোসেন, এডভোকেট
মোঃ আবু হাসনাত মুন্সি পলাশ, এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, এডভোকেট মোঃ শেখ সাদী ভূইয়া,
এডভোকেট মোঃ তাহের আলম নিপু, এডভোকেট মোঃ সোহেল আহাম্মদ, এডভোকেট মোঃ আলমগীর হোসাইন,
এডভোকেট মোঃ মজিবুর রহমান (মুজিব), এডভোকেট মোঃ আরিফ হোসেন সৈকত, এডভোকেট রানা মজুমদার
ও অধিনায়ক এডভোকেট মোঃ সালাহউদ্দিন মোমেন।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জে চাল, কাঠ ও ইটের গুঁড়া দিয়ে মশলা তৈরির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, রায় মশলা নামে ১টি কারখানাকে সিলগালা করেছে।
এছাড়াও ওই রায় মশলা নামের কারখানার মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে এ অভিযান চালানো হয় সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার কাঠেরপুল শহীদগঞ্জ মহল্লায়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হাসান আল মারুফ বলেন, সোমবার সকাল থেকে কাঠেরপুল ও বাহিরগোলা বাজারে অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে শহীদগঞ্জ এলাকায় রায় মশলা কারখানায় কাঠের গুঁড়া, চালের কুড়া ও ইটের গুঁড়া মিশ্রিত বিভিন্ন গুঁড়া মশলা তৈরি করতে দেখা যায়।
এ সময় তাৎক্ষণিক সিলগালা করা হয় ওই কারখানাটি এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় কারখানার মালিককে।
মন্তব্য করুন