

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গায় বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলে মো. রেজাউল করিম লাবুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (৩) আদালতের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল করিম লাবু সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার কৈমাঝুরিয়া গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন, রেজাউল করিম লাবুর সৎমা ও মৃত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী মোছা. রেনুকা বেগম এবং লাবুর স্ত্রী মোছা. ইসমত আরা বেগম।
আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোটেক আব্দুল লতিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৩ মার্চ ভোর রাতে নিজের শোয়ার ঘর থেকে নিখোঁজ হন ইদ্রিস আলী। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান না পেয়ে নিহতের ছেলে রেজাউল করিম লাবু অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এরপর ৪ মার্চ দুপুরে অলিদহ গ্রামের ভিকটিম ইদ্রিস আলীর মরদেহ গুম করার জন্য নিহতের গলা ও পা রশি দিয়ে পেচিয়ে ওই পুকুরে ফেলে দিয়েছিল।
এ ঘটনায় রেজাউল করিম লাবু বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করে। মামলার তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বাদী রেজাউল করিম লাবু, তার সৎমা রেনুকা বেগম ও স্ত্রী ইসমত আরা বেগমকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক আজ এ রায় ঘোষণা করেন।
সলঙ্গা থানার ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, ইদ্রিস হত্যা মামলাটি তদন্তকালে বাদী রেজাউল করিম লাবু, তার সৎমা রেনুকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
জমি লিখে না দেওয়ায় সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বাবাকে হত্যার অভিযোগে ছেলেকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছেলের স্ত্রীকে ৩ মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (৩) আদালতের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— সলঙ্গা থানার কৈমাঝুরিয়া গ্রামের ভিকটিম ইদ্রিস আলীর ছেলে রেজাউল করিম লাবু, দ্বিতীয় স্ত্রী রেনুকা বেগম ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছেলের স্ত্রী ইসমত আরা।
মামলার বরাত দিয়ে আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোটেক আব্দুল লতিফ বলেন, ২০২০ সালের ৪ মার্চ দুপুরে সলঙ্গা থানার অলিদহ গ্রামের একটি পুকুর থেকে ভিকটিম ইদ্রিস আলীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রেজাউল করিম লাবু অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত চলাকালে পুলিশ জানতে পারে জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে স্বজনরাই ইদ্রিস আলীকে হত্যা করেছে। এ অবস্থায় ছেলে (মামলার বাদী) রেজাউল করিম লাবুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এরপর সে আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে স্বীকার করে জমি লিখে না দেওয়ায় ২০২০ সালের ৩ মার্চ রাতে সে নিজে তার বাবাকে হত্যা করেছে এবং তার মা রেনুকা বেগম ও স্ত্রী ইসমত আরা তাতে সহযোগিতা করেছে। হত্যার পর তারা মরদেহ গুম করার জন্য নিহতের গলা ও পা রশি দিয়ে পেচিয়ে ওই পুকুরে ফেলে দিয়েছিল। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে ৩জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
আব্দুল লতিফ আরো বলেন, সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিচারক ভিকটিমের ছেলে রেজাউল করিম লাবুকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন।
এছাড়াও নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী রেনুকা বেগম ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছেলের স্ত্রী ইসমত আরাকে ৩ মাস করে কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


প্রায় দেড় যুগ ধরে কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রামের নারীদের হাতে তৈরি টুপি মধ্য প্রাচ্যে বেশ সুনাম কুড়িয়েছে। বাহারি রঙের সুতা আর রেশমার উপরে আঁকা বিভিন্ন নকশাকৃত বানানো টুপির চাহিদা বেড়েই চলছে। এই টুপি তৈরি করে এখানকার হাজারো নারীদের হয়েছে কর্মসংস্থান, সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতা। তবে এমন আয় আর সুনামের গল্পের পিছনে মুল নারী উদ্যোক্তা মোর্শেদা বেগমকে পাড়ি দিতে হয়েছে অনেকটা পথ। বেকার নারীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করায় নারীদের আইকন হিসেবে পরিচিত তিনি। মোর্শেদা বেগম কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার পাতিলাপুর গ্রামের বাসিন্দা। নিপুণ হস্ত শিল্প সম্ভার নামে টুপি তৈরির প্রতিষ্ঠানের পরিচালক তিনি।
জানা গেছে মোর্শেদা বেগম যখন দশম শ্রেণির ছাত্রী, তখন তার বিয়ে হয়। সংসারে অভাব থাকায় ১৯৯৫ সালে বিয়ের পর স্বামী জাবেদ আলীর সঙ্গে চলে যান টাঙ্গাইলে।সেখানে একটি টাওয়াল ফ্যাক্টরিতে কাজ নেন। ভাড়া বাসার পাশে পরিচয় হয় প্রতিবেশি কমলা বেগমের সাথে। কমলা বেগমের টুপি তৈরির কাজ দেখে দেখে রপ্ত করেন কলা-কৌশল। দিনে ফ্যাক্টরির কাজ আর রাতে টুপি বানানো শুরু করে প্রথম টুপি তৈরি করে মজুরি পান ৩৫০ টাকা। পরে তার নিখুঁত কাজ দেখে মুগ্ধ হন এক বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা। প্রথম অর্ডারে ৫০টি টুপি তৈরি করে পেয়েছিলেন ১৭ হাজার টাকা। এরপর ২০০৪সালে মোর্শেদা বেগম নিজ গ্রামে ফিরে আসেন।প্রথমে এলাকার ৭ জন নারীকে নিয়ে শুরু করেন দারিদ্র্য জয়ের সংগ্রাম।তার হাতে বানানো টুপি ২০০৮সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি হচ্ছে। হাতে বানানো টুপি তৈরি করে এখন স্বাবলম্বী মোর্শেদা। তার সফলতার গল্প শুনে দলে দলে অনান্য নারীরা টুপি বানানো কাজে ছুটে আসেন। বর্তমানে তার সাথে প্রায় ৫ হাজার নারী কাজ করছেন।মোর্শেদা বেগম নিজ গ্রাম পাতিলাপুরের নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন নাই আশপাশে প্রায় ৪০-৫০ টি গ্রামের নারীদের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।বিভিন্ন বয়সী নারী পাশাপাশি পুরুষরাও এ কাজ করে সংসারের আয় যোগাচ্ছেন ।
মোর্শেদা জানান, ফেনীর দুজন ব্যবসায়ীর কাছে তিনি তৈরি করা টুপি বিক্রি করেন। আর এই টুপি মধ্যপ্রাচ্যের বাহারাইন, সৌদি আরব,দুবাইয়ে বিক্রি হয়। ওই ব্যবসায়ীরা তার কাছে রেশমা সরবরাহ করেন। এরপর তিনি নারীদের সঙ্গে নিয়ে স্রেফ সুঁই সুতা দিয়ে তৈরি করেন নানা ধরনের নকশাখচিত টুপি।টুপি তৈরির দেখভাল করতে বিভিন্ন গ্রামে বেতনভুক্ত প্রায় ১৫ জন সুপার ভাইজার রেখেছেন। হাতে বানানো প্রকার ভেদে প্রতিটি টুপি তৈরির জন্য নারীরা পারিশ্রমিক পান ৮০০/১৬০০ টাকা। এতে সুই সুতার খরচ দেড়শ টাকা। প্রতি টুপিতে তিনি কমিশন পান ৭০/৯০ টাকা। প্রতি মাসে ৮/১০ হাজার টুপি বিক্রি করেন তিনি। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে নিপুণ হস্ত সম্ভারের টুপি তৈরির পরিধি আরো বাড়াতে পারবেন বলে জানান তিনি।পাতিলাপুর গ্রামের হাওয়া বেগম জানান,চার বছর আগে মোর্শেদা বেগমের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে টুপি তৈরির কাজ শুরু করেন।এখন তার আর অভাব নেই। সংসারের স্বাভাবিক কাজের পাশাপাশি টুপি তৈরি করে ভালো আয় করছেন তিনি।অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুক্তা খাতুন বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি আমি মোর্শেদা আন্টির টুপি তৈরির কাজ করি।এখান থেকে যা উপার্জন করি।লেখাপড়ার খরচ মিটিয়ে বাবাকে সহযোগিতা করতে পারি। শুধু আমি না আমার মত বিভিন্ন বয়সের নারীরা এখানে কাজ করে ভালো টাকা পাচ্ছেন।
সাত দরগাহ গ্রামের মৌসুমি বলেন, সারা বছর আমরা টুপি তৈরির কাজ করি।বিশেষ করে রমজান মাস ও কোরবানি ঈদের সময় টুপির চাহিদা বেশি থাকে।এসময় টুপি বানিয়ে জন প্রতি ৮/১০হাজার টাকা পাই। কয়েক বছর ধরে পরিবার নিয়ে খুব সুন্দর ঈদ কাটাতে পারছি।
কুড়িগ্রাম বিসিক এর উপ ব্যবস্থাপক শাহ মোহাম্মদ জোনায়েদ বলেন,পাতিলাপুর গ্রামের নারী উদ্যোক্তা মোর্শেদা বেগমের টুপি মধ্য প্রাচ যাচ্ছে এটি কুড়িগ্রাম জেলার জন্য ভালো খবর।হাজার হাজার নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন তিনি। সরকারি কোন প্রশিক্ষণ, আর্থিক ঋন অথবা তৈরি টুপির বাজারজাত করণে কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হলে কুড়িগ্রাম বিসিক শিল্প মোর্শেদা বেগমকে সহযোগিতা করবে বলে জানান তিনি ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার
দাউদকান্দির গৌরীপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারী ডিগ্রী কলেজের একটি ভবনের দেয়াল ধ্বসে
পড়েছে।
গতকাল
বুধবার রাতে বজ্রপাতের কম্পনে এ দেয়াল ধ্বসে পড়েছে। তবে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যাযনি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজের চত্বরের পশ্চিম পাশে রাবেয়া কবির স্মৃতি হলের উত্তর সাইটের দেয়াল ধ্বসে পড়েছে। কলেজের সামনে পুকুরে মাছ চাষে ভবনের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় ধ্বসে পড়েছে বলে জানান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শহিদুজ্জামান মিয়া।
তিনি
বলেন, কলেজের সামনের পুকুরে মাছ চাষের ফলে ভবনের নিচের অংশের মাটি ধীরে ধীরে সরে গেছে।
আর কয়েকদিন আগে পুকুরের পানি সেচের কারনে ফাটল দেখা দেয়। একারনে ভবনটিকে তালাবদ্ধ করে
রেখেছি। আর গত রাতে বজ্রপাতের প্রচন্ড কম্পনে ভবনের দেয়ালটি ধ্বসে পড়েছে। পুরো ভবনের
উত্তরাংশে গাইড ওয়াল করার বিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগকে জানানো হয়েছে। অতি দ্রুত প্রোটেকশান
দেয়াল করা না হলে পুরো ভবনটি রক্ষা করা যাবে না।
এ
বিষয়ে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা ইসলাম বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের
সাথে আলোচনা করে কলেজের পুরো ভবনটি রক্ষা করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


পাহাড়ে অস্থিরতা ও মব জাস্টিসের বিরদ্ধে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ ব্যানারে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে আইন বিভাগের ১৫তম আবর্তনের সুইচিং মারমা বলেন, 'বর্তমানে পাহাড়ে যে অস্থিতিশীলতা চলছে তা ব্যক্তিগত ইস্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি। এখন তা সামগ্রিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সামগ্রিক পর্যায় থেকে শুরু হয় বাঙালি বনাম পাহাড়িদের সংঘাত। এ ইস্যুতে সাধারণ ছাত্র ও সরকারের মাধ্যমে সমাধানে যাওয়া দরকার। আমরা যে যার জাতিসত্ত্বা নিয়ে বাংলাদেশে সুশৃঙ্খলভাবে বসবাস করতে চাই। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে যেতে চাই। আমরা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে একসাথে মিলে বসবাস করতে চাই।'
মোজ্জাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, 'স্বৈরাচারী দোসররা সারাদেশে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ছাত্র জনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে। তারা পাহাড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। মব জাস্টিসের নামে যেসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে তাদের মধ্যে ছাত্রলীগের প্রেতাত্না রয়েছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেও ছাত্রলীগের অনেক প্রেতাত্নারা সুশীলরূপে চলাফেরা করছেন। আপনারা যদি ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন, তাহলে কঠিনভাবে প্রতিহত করা হবে। এ ক্যাম্পাসে স্বৈরাচারের দোসর, ছাত্রলীগের কোনো স্থান নাই।'
মানববন্ধনে কুবির অন্যতম সমন্বয়ক আবু রায়হান সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে ইনকিলাব জিন্দাবাদ বলে মানববন্ধনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা- সিলেট মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবিতে কুমিল্লার ময়নামতি থেকে কংশনগর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা।
বুধবার সকাল ১০ টা থেকে ঘন্টা ব্যাপী কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কের ময়নামতি থেকে কংশনগর পর্যন্ত নয়টি পয়েন্টে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভ চলাকালীন সময় সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট তৈরি হলেও, বিক্ষোভ শেষে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। সড়ক ও জনপদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলা পুলিশের কর্মকর্তাদের আশ্বাসে পরবর্তীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি উঠিয়ে নেওয়া হয়।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করনের জন্য প্রস্তাবিত হয়ে। এছাড়া দীর্ঘদিব সড়কটিতে খানাখন্দ হলেও সেটি মেরামত করা হচ্ছে না। চরম ভোগান্তিতে যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাই আমরা চাই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হোক।
এছাড়াও বক্তারা আরো বলেন, সড়কটি সংকীর্ণ হওয়ায় প্রতিনিয়ত হলো দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রাণহানি সহ মানুষের অঙ্গ হানি হচ্ছে। তাই সড়কের নিরাপদ করতে দ্রুত মেরামত করা দরকার। আমাদের দাবি মেনে নেয়া হলে আবারও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।
দেবপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ময়নামতি ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, যুবদল নেতা মোস্তফা কামাল, সমাজকর্মী আনোয়ারুল আজিম, হারুনুর রশিদ মেম্বারসহ অন্যান্যরা।
এদিকে মহাসড়কের দেবপুর এলাকায় এসে বিক্ষোভকারীদের সাথে কথা বলেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা ও বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুল হক। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করার আশ্বাসে দেবপুর এলাকা সহ অন্যান্য এলাকা থেকে বিক্ষোভ উঠিয়ে নেয়া হয়।
এ সময়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কটি চার লাইনে উন্নীত করনের কাজ সরকারের ঊর্ধ্বতনও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে সড়কটি মেরামতের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শুরু করা হবে বলে আমরা আশা করছি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
কুমিল্লা -৯ (লাকসাম মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম বলেছেন, আমি নির্বাচিত হলে লাকসাম-মনোহরগঞ্জে একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট করা হবে। একটি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ করা হবে, যাতে করে আমাদের ছেলে-মেয়েরা আর লেবার ভিসায় বিদেশ যেতে না হয়। উপযুক্ত ট্রেনিং নিয়ে উচ্চ বেতনে যেন তারা বিদেশে যেতে পারে। আমরা সেই সুযোগ ইনশাল্লাহ করে দেবো।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বান্দুয়াইন মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে লাকসাম এবং মনোহরগঞ্জের চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ এবং দখলবাজদের নির্মূল করা হবে। এসব যারা করে তাদের প্রতিহত করা হবে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজদের নির্মূল করতে হবে।
আবুল কালাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারেক রহমানের সহধর্মিনী ডা. জোবাইদা রহমান দেশের প্রতিটি গ্রামে পল্লী ক্লিনিক করবেন। এসব ক্লিনিক সরকারি অভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা পরিচালিত হবে। এখানে আপনারা বিনামূল্যে চিকিৎসা নেবেন।
তিনি আরও বলেন, লাকসাম-মনোহরগঞ্জ দিয়ে প্রবাহিত ডাকাতিয়া খাল দখল হয়ে আছে। দখল হওয়া এসব খাল পুনরুদ্ধার করে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি করা হবে। ডাকাতিয়া নদীকে পরিবেশবান্ধব করা হবে।
খিলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনজুর আলম মজনুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস পাটোয়ারী। এসময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরোয়ার জাহান দোলনসহ অন্যন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
পিআর পদ্ধতিতে আগামী জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই সনদ ঘোষণাসহ পাঁচ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরী। সমাবেশ শেষে মিছিলটি টাউন মাঠ থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে টমচমব্রীজ মোড়ে গিয়ে শেষ করে।
আজ শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এতে সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য আব্দুস সাত্তার,কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান এডভোকেট, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন, মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর একেএম এমদাদুল হক মামুন। মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারী মু. মাহবুবর রহমান এর পরিচালনা গণমিছিল পূর্বসমাবেশে বক্তারা বলেন, পিআর পদ্ধতি নিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। ভুল বুঝানো হচ্ছে। অথচ পিআর পদ্ধতি হলে বেশী ভোট কাস্ট হবে। মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ হবে। জনগণের ভোটের সঠিত মূল্যায়ন থাকবে। তাই আগামী নির্বাচন পিআর পদ্ধতিতে হতে হবে। স্বৈরশাসকের সাথে থাকা জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করতে হবে। নির্বাচন সকল দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জন আকাঙ্খা পূরণ হবেনা। এবং অবিলম্বে কুমিল্লা বিভাগ ঘোষণা দাবি জানান বক্তারা।
গণমিছিল ও সমাবেশ এসময় অংশ গ্রহন করেন, মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মু. কামারুজ্জামান সোহেল,কাউন্সিল মোশাররফ হোসাইন, নাছির আহম্মেদ মোল্লা, কুমিল্লা মহানগরী ছাত্রশিবির সভাপতি হাসান আহম্মেদ,কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি হাফেজ মাজারুল ইসলাম,মহানগর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী নাজমুল হাসান পঞ্চায়েত।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য কাজী নজির আহম্মেদ, অধ্যাপক জাকির হোসেন, দেলোয়ার হোসাইন সবুজ সহ অনেকে।কর্মসূচিতে দলের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন। এসময় এই মুহূর্তে দরকার পিআর আর সংস্কার, পিআর পদ্ধতির নির্বাচন, দিতে হবে দিয়ে দাও, জামায়াত-শিবির জনতা, গড়ে তোলো একতা স্লোগান দিতে দেখা যায়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ আরো বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করতে হবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) নিশ্চিত করতে হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা দাবি জানান। তিনি আগামী নির্বাচনে কুমিল্লা ৬ আসনে সদর -সদর দক্ষিণ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে ন্যায়ের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে নগরবাসীকে আহবান জানান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি দল।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের লাজৈর গ্রামের ভূইয়া বাড়ি ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, অভিযানে হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া একটি চাইনিজ রাইফেল ও একটি দেশীয় রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সংক্রান্ত বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিবন্ধন না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা সদর এলাকায় মুরাদনগর মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সার্ভিসেস নামে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন সুলতানা নিপা অভিযানের নেতৃত্ব দেন।
এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. জয়ন্ত, মুরাদনগর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শাহাদাত হোসেন ও মুরাদনগর থানা পুলিশের একটি টিম।
এ নিয়ে জানা গেছে, মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সার্ভিসেস নামের প্রতিষ্ঠানটি নিবন্ধন (লাইসেন্স) বিহীন। এখানে চিকিৎসা সেবা ও রোগ নির্ণয়ের মতো বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার মতো কোনো পরিবেশ নেই। বিভিন্ন রোগের পরীক্ষার নামে নেওয়া হতো অতিরিক্ত টাকা। কেবল তাই নয়, দক্ষ টেকনিশিয়ানও নেই প্রতিষ্ঠানটিতে।এছাড়া ব্যবহার করা হতো মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট।
সোমবার বিকেলে ভ্রাম্যমান আদালতের টিম ওই ডায়গনস্টিক সেন্টারে অভিযানে গিয়ে ওইসব অনিয়ম দেখতে পায়। নিবন্ধন না নিয়ে অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করা হচ্ছিল। পরে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও গেলে করে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন সুলতানা নিপা বলেন, উপজেলায় লাইসেন্স বিহীন প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ,কুড়িগ্রাম:
সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজীবপুর উপজেলায় জাসাসের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।। সাথে জাসাসের নতুন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে রাজিব পুর উপজেলা জাসাসের উদ্যোগে শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টার বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাজীবপুর উপজেলা জাসাসের আহবায়ক আকবর হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই সরকার, সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাহবুবুর রশিদ মন্ডল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, উপজেলা কৃষক দল সভাপতি সূরমান আলী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তফা কামাল বিএসসি, যুবদল আহবায়ক প্রভাষক রোস্তম মাহমুদ লিখন ,জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক রনজু হাসান ও ছাত্র দল সভাপতি মোখলেছুর রহমান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


ঈদে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আপন দুই ভাই নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৭ জুন) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে
উপজেলার সোহাগপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর
উপজেলার মেরাসানি গ্রামের ওবায়দুর রহমান খানের ছেলে রবিউল খান (৫০) ও হুমায়ুন খান
(৪৫)।
এ ঘটনায় মনিরুল ইসলাম নামে আরও একজন
আহত হয়েছেন। তিনি ঢাকার একটি টেলিভিশনের গাড়ি চালক বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি জেলা
সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার বাড়ি নোয়াখালী জেলা।
পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানায়,
রবিউল খান ও হুমায়ুন খান ঢাকায় জুতার ব্যবসা করেন। ঈদ উপলক্ষে সকালে তারা তিনজন মিলে
মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আশুগঞ্জের সোহাগপুর এলাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে
পাঠালে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা আশীষ কুমার বলেন, নিহতদের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া
শেষ হলে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন