

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রাজশাহীগামী বাসে ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের
‘শ্লীলতাহানি’র ঘটনার আন্তঃজেলার তিন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকার
সাভার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত হওয়া তিনটি মোবাইল
ফোন, একটি ছুরি ও ২৯ হাজার ৩৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মানিকগঞ্জের দৌলতপুর সদর উপজেলার লাউতারা গ্রামের মো. বদর উদ্দিন শেখের ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম ওরফে মুহিত (৩০), শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মো. ইসমাইল মোল্লার ছেলে মো. সবুজ (৩০) এবং ঢাকার সাভার উপজেলার টানগেন্ডা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মো. শরীফুজ্জামান (২৮)।
এ বিষয়ে শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো.
মিজানুর রহমান তার কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংএর মাধ্যমে তিনি জানান, এ ঘটনায় দায়িত্ব
অবহেলার কারণে মির্জাপুর থানার এএসআই আতিকুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে বাসে ডাকাতির ঘটনায় বাসের যাত্রী ওমর আলী বাদী হয়ে শুক্রবার ভোর রাতে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইউনিক রোড রয়েলস্
পরিবহনের ঢাকা কোচটি (ময়মনসিংহ-ব-১১-০০৬১) ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে
রাজশাহীর নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এসময় বাসটিতে ৩০ থেকে
৩৫ জন যাত্রী ছিল। পরে রাত ১২টার দিকে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছার সেখানে
থেকে আরও ১০ থেকে ১২জন যাত্রী নিয়ে বাসটি পুনরায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা করে। পরে
বাসটি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দ্রা বাইপাসে পৌঁছালে চা-বিরতির জন্য
থামে। সেখান ১০ থেকে ১৫ মিনিট চা বিরতির সময় চন্দ্রা বাইপাস থেকে আরও তিন থেকে চার
জন নতুন যাত্রী নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা করে বাসটি। বাসটি ওইদিন রাত দেড়টার
দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন হাইটেক সিটি পার্ক সংলগ্ন খাড়াজোড়া
ফ্লাইওভার ব্রিজ অতিক্রম করার ৫ থেকে ৬ মিনিট পর হঠাৎ যাত্রীবেশে থাকা বাসে ৮ থেকে
৯ জন ডাকাত এক সঙ্গে দাঁড়িয়ে যায় এবং ধারালো চাকু ও চাপাতি দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার
ভয় দেখিয়ে সবাইকে চুপ থাকতে বলে। এসময় তাদের মধ্যে তিনজন অজ্ঞাতনামা ডাকাত
গাড়িচালকের গলায় ধারালো চাকু ধরে টানা হেঁচড়া করে কিলঘুষি মেরে তাকে উঠিয়ে নিয়ে
পেছনে উল্টা করে রাখে। ডাকাতদের মধ্যে থেকে একজন চালকের আসনে বসে বাসটি নিয়ন্ত্রণ
নেয় এবং বাসটি চালিয়ে টাঙ্গাইলের দিকে রওনা হয়। পরে মির্জাপুর উপজেলার সোহাগপাড়া
সাকিনস্থ ফুটওভার ব্রিজের প্রায় ১০০ গজ পশ্চিম পার্শ্বে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের
ওপর পৌঁছালে ডাকাতদলের ৬ থেকে ৭ জন সদস্য গাড়িতে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের ধারালো
চাকু ও চাপাতি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এসময় যাত্রীদের বলে, ‘তোদের সঙ্গের টাকা
পয়সাসহ যার যা কিছু আছে সব দিয়ে দে’। এসময় যাত্রীদের কাছে থাকা টাকা, মোবাইল ফোন,
স্বর্ণালংকার ও রূপাসহ সব মালামাল ছিনিয়ে নেয়। পরে ডাকাতদলের সদস্যরা মির্জাপুরের
নাটিয়াপাড়া নাছির গ্লাসের সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা করে। তারা দুই
থেকে আড়াই ঘণ্টা গাজীপুরের কালিয়াকৈর, কোনাবাড়ীসহ গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরায়
এবং এই সময়ের মধ্যে যাত্রীদের ধারালো চাকু ও চাপাতি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
একপর্যায়ে দুই নারীর ‘শ্লীলতাহানি’ করা হয়।
এজহারে আরও বলা হয়েছে- সব যাত্রীদের টাকাসহ অন্যান্য মালামাল লুট
করে রাত ৪টার দিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাড়ইপাড়া এলাকার নন্দন পার্কের
সামনে গাড়িটি টাঙ্গাইল অভিমুখে থামিয়ে চালককে ভয় দেখিয়ে বলে, ‘১০ কিলোমিটারের
মধ্যে গাড়িটি কোথাও থামালে তোকে জানে মেরে ফেলবো, আমরা তোদের গাড়ির পেছনে পেছনে
আছি’ এই বলে ডাকাতদলের সদস্যরা মালামাল ও টাকা পয়সাসহ গাড়ি থেকে নেমে চলে যায়।
পরে চালক গাড়ি নিয়ে চন্দ্রা মোড়ে গেলে গাড়িতে থাকা যাত্রীরা জাতীয়
জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে ঘটনার বিষয়ে পুলিশকে জানালে কিছুক্ষণের মধ্যে টহল পুলিশ
সেখানে উপস্থিত হয়। তখন গাড়িতে থাকা যাত্রীরা ডাকাতির বিষয়ে বিস্তারিত জানালে
কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দ্রা এলাকার টহলরত পুলিশ মির্জাপুর থানায় যাওয়ার পরামর্শ
দিলে চালক গাড়ি নিয়ে মির্জাপুর বাসস্ট্যান্ডে যায়। তখন কয়েকজন যাত্রী ও গাড়ির
সুপারভাইজার মির্জাপুর থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসারকে বিষয়টি মৌখিকভাবে অবগত করলে
মামলা না নেওয়ায় তারা পুনরায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে নাটোর জেলার
বড়াইগ্রাম থানা মোড়ে গেলে গাড়ি থেকে তিন থেকে চার যাত্রী নেমে স্থানীয় লোকজনের
সহায়তায় গাড়ির চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছে সন্দেহে
গাড়িটি আটক করে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, ডাকাতির ঘটনায় মামলা হওয়ার
১৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা ডাকাতদলের তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার
করেছে। বাকিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালতে হাজির করে
পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে। এছাড়া দায়িত্ব অবহেলায় মির্জাপুর থানার ডিউটি
অফিসার উপ পরিদর্শক (এএসআই) আতিকুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হয়ে কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যাওয়া শরিফ ওসমান হাদির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিপিএলের উদ্বোধনী আয়োজনে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে।আজ রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও সিলেট টাইটান্সের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ম্যাচ শুরুর আগে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা। সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়।এরপর প্রয়াত শরিফ ওসমান হাদির স্মরণে উপস্থিত সবাই এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এ সময় জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমকে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করতে দেখা যায়।শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। মুহূর্তের মধ্যেই মাঠজুড়ে একসঙ্গে উড়ে যায় প্রায় ২৫ হাজার বেলুন। একই সময়ে স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয় ডে-লাইট ফায়ারওয়ার্ক, যা দর্শকদের বাড়তি আনন্দ দেয়।ফায়ারওয়ার্ক পর্ব শেষে অনুষ্ঠিত হয় উদ্বোধনী ম্যাচের টস। টসে জিতে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সকে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়।প্রথম ম্যাচ শেষে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্ব। এতে দেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা নাচ ও গানের পরিবেশনা উপস্থাপন করবেন। ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি পরিধান করে শিল্পীরা নৃত্যে অংশ নেবেন। সংগীতানুষ্ঠানের কোরিওগ্রাফির দায়িত্বে রয়েছেন ফুয়াদ মুকতাদির। প্রায় ৪৫ মিনিটব্যাপী এ আয়োজন শেষ হলে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচ মাঠে গড়াবে।এবারের বিপিএলে ধারাভাষ্য কক্ষে থাকছেন দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পরিচিত ধারাভাষ্যকাররা। কমেন্ট্রি প্যানেলে রয়েছেন ওয়াকার ইউনুস, ড্যানি মরিসন, ড্যারেন গফ, পারভেজ মাহরুফ, আতহার আলী খান ও রমিজ রাজা।
মন্তব্য করুন


এতদিন
ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত নিয়ে বিতর্ক শুনেছি কিন্তু এবার সেটি পেরিয়ে বিনোদন অঙ্গনেও
শুরু হলো নতুন বিতর্কের ঝড়। বলিউড আইকন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে বিয়ের ইচ্ছা প্রকাশ
করলেন পাকিস্তানের বিতর্কিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুফতি আবদুল কাভি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে
অংশ নিয়ে তিনি দাবি করেন, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে স্বামী অভিষেক বচ্চনের বিবাহবিচ্ছেদ হলেই
নাকি এই প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী নিজেই তাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবেন। মাত্র কয়েকটি
বাক্যেই আরও একবার বিতর্কের কেন্দ্রে মুফতি কাভি।
ভারতীয়
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, প্রকাশিত সেই পডকাস্টে মুফতি কাভি বলেন, ‘অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার
দাম্পত্য জীবনে নানা সমস্যা চলছে বলে তিনি অবগত। তার দাবি, ‘তাদের বিচ্ছেদ হয়ে গেলেই
ঐশ্বরিয়া আমার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবে। তবে আমি কখনোই চাই না যে তাদের বিচ্ছেদ
হোক। কিন্তু যদি সত্যিই তাদের মধ্যে এরকম কিছু হয়, তাহলে নিশ্চয়ই ঐশ্বরিয়া আমার
সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।’
সে
সময় পডকাস্টের সঞ্চালক প্রশ্ন করেন, একজন অমুসলিমকে কীভাবে তিনি বিয়ে করবেন? এর উত্তরে
কাভি জানান, ঐশ্বরিয়াকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করে তার নাম রাখা হবে ‘আয়েশা’।
তিনি বলেন, ‘ঐশ্বরিয়া রাইয়ের মতো একজন সুন্দরী নিজের নাম হিসেবে লিখবেন আয়েশা রাই।
পাকিস্তানের
ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুফতি আবদুল কাভি এর আগেও বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায়
এসেছেন। ঐশ্বরিয়া রাইকে নিয়ে এমন মন্তব্য করার আগে তিনি ভারতীয় অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্তকে
নিয়েও মন্তব্য করেছিলেন। কাভি দাবি করেন, তার উপদেশ মেনেই রাখি ধর্ম পরিবর্তন করে
নাম রেখেছেন ‘ফাতিমা’। এর আগে রাখিকেও বিয়ে করার ইচ্ছা
প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


কবে থেকে শ্রেণীকক্ষে
পাঠদান কার্যক্রম শুরু হবে সে বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে
জারি করা হয়েছে একটি প্রজ্ঞাপন ।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৮
আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক
ও অপরিবর্তিত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
আজ
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে একটি সিটি স্ক্যান করার পর এক ব্রিফিংয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালের নিউরোসার্জন ড. মো. আব্দুল আহাদ জানান, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গুলির অনেক
অংশ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে স্প্লিন্টারের কিছু অংশ মস্তিষ্কে থেকে গেছে। মস্তিষ্কে
অক্সিজেনের স্বল্পতা ছিল এবং সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে আছে।
তিনি
আরও বলেন, হাদির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। সকালে তার পুনরায় সিটি স্ক্যান করা হয়েছে।
এতে দেখা গেছে, মস্তিষ্কে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। মস্তিষ্কের পাশাপাশি কিডনির কার্যক্ষমতাও
কাজ করছিল না, যদিও পরে কিডনির কার্যক্ষমতা ফিরে এসেছে। এ ছাড়া গুলি মস্তিষ্কের টেম্পোরাল
ব্যারিয়ার ভেদ হয়ে গেছে।
হাদিকে
এক্সপার্ট হাতে গুলি করা হয়েছে জানিয়ে আব্দুল আহাদ বলেন, খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করা
হয়েছে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে রক্তনালিগুলো রয়েছে, সেগুলোর পাশ দিয়েই গুলি
ভেদ করে গেছে। গুলির অনেকটাই সরিয়ে ফেলা গেছে। তবে অপারেশনের পরেও স্প্লিন্টারের কিছু
অংশ মস্তিষ্কে থেকে গেছে। মস্তিষ্কে অক্সিজেনের স্বল্পতা ছিল এবং সেখানে রক্ত জমাট
বেঁধে আছে। লাইফ সাপোর্টে ফুসফুস অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে।
তিনি
আরও বলেন, হাদি বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। এ অবস্থায় পরিবার তাকে বিভিন্ন
জায়গায় নেওয়ার চেষ্টা করছে। মেডিকেল বোর্ড যদি কোনো সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে বিদেশে
নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে পরিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ইতোমধ্যে বিদেশে তার
চিকিৎসা সংক্রান্ত কেস সামারি পাঠানো হয়েছে।
এদিকে
বিভিন্ন গ্রুপে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে আসছেন। তাদের
মুঠোফোন নম্বর, বাসার ঠিকানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
এ কারণে তাদের মধ্যে এই অনিরাপত্তা কাজ করছে।
গত
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকের সামনে
শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। ঘটনার পর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা
হয়। পরে রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল
বোর্ড বর্তমানে তাকে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রেখেছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনগামী ৪৫ যাত্রী বহনকারী একটি ট্রলার নাফনদীর মোহনায় শাহপরীর দ্বীপের কাছে চরসংলগ্ন এলাকায় আটকা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ঘটে এই ঘটনা। ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হওয়ার কারণে নৌযানটি চলাচল করতে পারেনি। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে কোস্ট গার্ডকে অবহিত করা হয়, তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম জানিয়েছেন, ট্রলারে থাকা ৪৫ যাত্রীর সকলেই নিরাপদ আছেন। টেকনাফ–সেন্টমার্টিন নৌরুটের সার্ভিস বোট মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রশিদ বলেন, শাহপরীর দ্বীপের কাছে ট্রলারটি আটকা পড়ায় কোস্ট গার্ড সেখানে পৌঁছে সহায়তা করছে। স্থানীয় ইজারাদার মোহাম্মদ হোসেন জানান, সাম্প্রতিক সময়ে নাফনদীর মোহনায় চর উঠে আসায় এ রুটে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) নতুন মহাপরিচালক হলেন মেজর জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান।
সোমবার
(১২ আগস্ট) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্ততে
এ তথ্যসহ আরো জানানো হয়েছে যে, মেজর জেনারেল মো. ফয়জুর রহমানকে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক,
মেজর জেনারেল মো. নাসিম পারভেজকে কমান্ড্যান্ট এমআইএসটি এবং মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব
সাজ্জাদ মাহমুদকে আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হয়েছেন ৩৩ কর্মকর্তা। এর মধ্যে
দুজনকে সুপারনিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
আজ
বুধবার (২৬ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ পদোন্নতি প্রদান
করা হয়।
উপসচিব
মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসনের স্মারক মূলে উপ-পুলিশ
মহাপরিদর্শক (ডিআইজি, গ্রেড–৩) পদে পদোন্নতি প্রদান করা হলো। জারিকৃত
এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এদিকে,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য ৬৪ জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি)
লটারির মাধ্যমে রদবদল করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চার দিনব্যাপী সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত চারদিনের সম্মেলনে দুই দেশ সীমান্ত হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনাসহ বেশ কিছু বিষয়ে একমত হয়।
বিজিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। অপর দিকে বিএসএফের মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিহতের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশসহ হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএসএফ মহাপরিচালকের প্রতি জোর আহ্বান জানান। এ ছাড়া আঙ্গরপোতা-দহগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরে সীমান্তে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করার বিষয়ে বিএসএফ মহাপরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
সম্মেলনে যেসব বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ একমত হয়েছে, সেগুলো হলো—
১. সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো, হত্যা, আহত বা মারধরের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যৌথ টহল বৃদ্ধি, উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে, এমন তাৎক্ষণিক এবং আগাম গোয়েন্দা তথ্য একে অপরের মধ্যে আদান-প্রদান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণের মধ্যে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ, বিভিন্ন ধরনের আর্থসামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ এবং সীমান্তে যেকোনো হত্যা সংঘটিত হলে তার যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২. আলোচনায় সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো স্থাপনা, কাঁটাতারের বেড়া, প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত হয়, এমন কোনো স্থাপনা বা বাংকার নির্মাণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ পরিদর্শক দলের পরিদর্শন এবং যৌথ আলোচনার দলিলের ভিত্তিতে নির্মাণের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বন্ধ থাকা অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজের ব্যাপারে যথোপযুক্ত পর্যায়ে জয়েন্ট ভেরিফিকেশনের (যৌথ যাচাই) মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা হবে।
৩. বিভিন্ন ধরনের আন্তসীমান্ত অপরাধ দমন, বিশেষ করে ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও গবাদিপশু পাচার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানব পাচার, স্বর্ণ, অস্ত্র, জাল মুদ্রার নোট প্রভৃতি চোরাচালান রোধ এবং এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।
৪. আন্তর্জাতিক সীমানা আইন লঙ্ঘন করে উভয় দেশের নাগরিক ও বাহিনীর সদস্যদের অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের ফলে সৃষ্ট ভুল–বোঝাবুঝি ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্তে উভয় বাহিনীর নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করা থেকে বিরত রাখতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
৫. মানব পাচার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, বিশেষ করে মানব পাচারের মতো অমানবিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত উভয় দেশের অপরাধী বা দালালচক্রের কার্যক্রম প্রতিরোধে পরস্পরকে সহায়তা এবং মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট দেশের প্রচলিত দেশের আইন অনুযায়ী উদ্ধার ও পুনর্বাসন করা হবে।
৬. উভয় পক্ষ ‘সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার’ আওতায় পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে উভয় বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষ আগামী দিনে যৌথ খেলাধুলা, জয়েন্ট রিট্রিট সেরিমনিসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে।
৭. এ ছাড়া আগরতলা থেকে আখাউড়ার দিকে প্রবাহিত সীমান্তবর্তী চারটি খালের বর্জ্য পানি অপসারণে উপযুক্ত পানি শোধনাগার স্থাপন, জকিগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর সঙ্গে রহিমপুর খালের মুখ উন্মুক্তকরণ, আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অবস্থান এবং তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ১৭ ডিসেম্বর র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর (মিস্ত্রী পুকুরপাড়) এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
এ সময় গ্রেফতার করা হয়—১. আরিফ হোসেন (২৯)২. মোঃ সোহাগ মিয়া (২৭)৩. মোঃ শাফি (১৯)প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়—গ্রেফতারকৃত আসামী আরিফ হোসেন (২৯) কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার ঝলম গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি হাবিবুল্লাহর ছেলে। মোঃ সোহাগ মিয়া (২৭) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার রাচিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও মোঃ কামাল হোসেনের ছেলে। মোঃ শাফি (১৯) একই থানার রাচিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং জাকির হোসেনের ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রি করে আসছিল।
র্যাব-১১ এর মাদকবিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ইকুয়েডরের সাবেক জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক এবং ডিফেন্ডার মারিও পিনেইদা সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ইকুয়েডরের বন্দরনগরী গুইয়াকিলের উত্তরে একটি দোকানের বাইরে হামলা চালানো হয় ৩৩ বছর বয়সী খেলোয়াড়ের ওপর।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মোটরসাইকেলে আগত দুই সন্ত্রাসী পিনেইদা, তার মা এবং আরেক নারীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলেই পিনেইদার মৃত্যু হয়। ইকুয়েডরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিশেষ পুলিশ ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।
পিনেইদা ২০১৪ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ইকুয়েডর জাতীয় দলের হয়ে ৯টি ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ। ২০১৬ সালে তিনি ইকুয়েডরের বড় ক্লাব বার্সেলোনা এসসি-তে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে খেলেছেন ব্রাজিলের ফ্লুমিনেন্স ও ইকুয়েডরের এল নাসিওনালে।
পিনেইদার মৃত্যুতে ফ্লুমিনেন্স সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছে। বার্সেলোনা এসসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “এই দুঃখজনক খবর আমাদের সবাইকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্প্রতি গুইয়াকিল সংঘবদ্ধ সন্ত্রাস, সহিংসতা ও মাদক পাচারের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শহরে ১,৯০০টি হত্যাকাণ্ড নথিভুক্ত হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দ্বিতীয় স্তরের লিগের তিন ফুটবলার নিহত হন, আর অক্টোবর মাসে আরেক স্থানীয় খেলোয়াড় গুলিবিদ্ধ হন।
মন্তব্য করুন