

বাহরাইনে
ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর তার ধ্বংসাবশেষ (অংশবিশেষ) পড়ে আহত
হয়েছেন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা
মানিক হীরা।
মঙ্গলবার
(১৪ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের
তথ্য অনুযায়ী, আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর তার একটি অংশ নিচে পড়ে মানিক হীরা
আহত হন।
পরে
তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য,
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বাহরাইনের আকাশে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
সক্রিয়ভাবে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করছে।
মন্তব্য করুন


জাপানের
আমামি ওশিমা দ্বীপে ‘হাবু’ নামের মারাত্মক বিষধর পিট ভাইপার সাপের
উপদ্রব কমাতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে গিয়ে বড় ধরনের পরিবেশগত বিপদে পড়েছিল দেশটির
কর্তৃপক্ষ।
টাইমস
অব ইন্ডিয়া ও ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেসের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৭ থেকে
১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ওই অঞ্চলে ২ হাজার ৬৭৩ জন মানুষ হাবু সাপের কামড়ের শিকার হন। সাপ
থেকে রক্ষা পেতে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে আগে ওকিনাওয়ায় নেওয়া বেজির বংশধর থেকে ৩০টি
বেজি আনা হয়েছিল আমামি ওশিমা দ্বীপে।
তবে
সাপের উৎপাত বন্ধে গৃহীত এই পরিকল্পনাটি হিতে বিপরীত হয়। এর অন্যতম মূল কারণ ছিল- হাবু
মূলত একটি নিশাচর প্রাণী এবং বেজি দিনের বেলা সক্রিয় থাকে। ফলে সাপের সাথে বেজির দেখা
হওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম।
জাপানের
পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানায়, হাবু সাপ শিকারের বদলে দিনের বেলা সক্রিয় থাকা বিপন্ন আমামি
খরগোশ সহ দ্বীপটির বিরল বন্যপ্রাণিদের শিকার করতে শুরু করে বেজিগুলো। প্রাকৃতিক শিকারি
না থাকায় এবং পর্যাপ্ত খাবারের কারণে ২০০০ সালের দিকে ৩০টি বেজি থেকে তা প্রায় ১০ হাজারে
পরিণত হয়।
পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে ২০০০ সাল থেকে শুরু হয় ব্যাপক নিধন অভিযান। ‘আমামি মঙ্গুজ বাস্টার্স’
দল গঠন করে ৩০ হাজারের বেশি ফাঁদ, ৩০০ ক্যামেরা এবং প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পুরো দ্বীপে
বেজি খোঁজার কাজ চালানো হয়।
দীর্ঘ
অভিযানের পর ২০১৮ সালের এপ্রিলে শেষবারের মতো একটি বেজি ফাঁদে ধরা পড়ে। এরপর টানা কয়েক
বছর ব্যাপক নজরদারি চালিয়ে অবশেষে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দ্বীপটিকে পুরোপুরি বেজিমুক্ত
ঘোষণা করে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ
থেকে যাওয়া এই বেজির হাত থেকে বিরল প্রাণী ও পরিবেশ বাঁচাতে জাপানের সময় লাগে দীর্ঘ
৪৫ বছর। অন্যদিকে ২০০০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই নিধন অভিযানে জাপানের ব্যয় হয়েছে ৩.৫৭
বিলিয়ন ইয়েন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৯০ কোটি টাকা।
মন্তব্য করুন


রোববার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইট সুপারভিশন বিভাগ থেকে একটি সার্কুলার জারি করে সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের পাঠানো হয়েছে।
আগামী শুক্র, শনি ও রোববার (৫, ৬ ও ৭ এপ্রিল) ৩দিন ব্যাংক খোলা থাকবে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কারখানার কর্মীদের বেতন-বোনাস দেওয়ার সুবিধার্থে পোশাকশিল্প এলাকায় । তবে পূর্ণ দিবসের বদলে ওই তিনদিন সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোতে নির্ধারিত সময়ে লেনদেন চলবে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারী/কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা ও রপ্তানি বিল ক্রয়ের জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো ঈদের আগের সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ৫, ৬ ও ৭ এপ্রিল সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে।
এলাকাগুলো হলো—ঢাকা মহানগরী, সাভার, ভালুকা, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম। এসব এলাকার তফসিলি ব্যাংকের তৈরি পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ছুটির দিন সংশ্লিষ্ট শাখা খোলা থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থিত শাখার অফিস সময়সূচি হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। এর মধ্যে ৫ এপ্রিল (শুক্রবার) লেনদেন হবে সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এবং অফিস চলবে ৩টা পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


২০২৫ সালে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা পুনর্বিন্যাসকৃত (সংক্ষিপ্ত) সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
সোমবার এই বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এইচএসসি পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ২৮ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুষ্ঠিত সভায় ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সিলেবাস বিষয়ক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


শিক্ষার্থীদের
মূল্যবান সময় সাশ্রয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে
২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট
(এইচএসসি) পরীক্ষার সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
২০২৭
সালের এসএসসি পরীক্ষা আগামী ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি পরীক্ষা ৬ জুন থেকে শুরু হবে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেন।
শিক্ষামন্ত্রী
জানান, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি।
অন্যদিকে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন এবং শেষ হবে ১৩ জুলাই। ইতোমধ্যে
পরীক্ষার রুটিন চূড়ান্ত করা হয়েছে। তা দ্রুতই প্রকাশ করা হবে।
সেশনজট
নিরসন ও সময় সাশ্রয় বিষয়ে ড. মিলন বলেন, বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি
এবং ফল প্রকাশের অপেক্ষায় শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘ সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
তিনি
আরো বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছরে এইচএসসি শেষ করার কথা থাকলেও
সেশনজটের কারণে তা ২০ বছর পর্যন্ত গড়িয়ে যাচ্ছে। আমরা এই গ্যাপটি (ব্যবধান) কমিয়ে আনতে
চাই। আমাদের টার্গেট হলো ডিসেম্বরকে পরীক্ষার মাস হিসেবে গণ্য করা, যাতে জানুয়ারি থেকে
নতুন সেশন শুরু হতে পারে।’
বিদেশে
উচ্চশিক্ষার আবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফল সেমিস্টার ধরার সুবিধার্থে
এইচএসসি পরীক্ষা জুন-জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি
বলেন, এছাড়া ফলাফল প্রকাশের দুই মাসের মধ্যেই উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করার
বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে
প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের তাগিদ দেওয়া হবে।
কোচিং
সেন্টার বন্ধের প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকে আরো কার্যকর করতে
হবে। যখন আমরা পরীক্ষা ও ভর্তির মধ্যবর্তী গ্যাপ কমিয়ে আনব। পাশাপাশি ইন-হাউস টিচিং
শক্তিশালী করব, তখন কোচিং সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা এমনিতেই ফুরিয়ে আসবে।’
তিনি
আরো জানান, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের রিডিং হ্যাবিট বা পড়ার
অভ্যাস বাড়াতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে সরকার। সংবাদ
সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কোনো
বিয়ে সাজের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকে, আবার কোনোটি সংগীতের জন্য। তবে ভারতের কেরালার চাঙ্গানাসেরি
শহরের একটি বিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এক ভিন্ন কারণে।
ফুল,
সাজসজ্জা কিংবা সংগীত নয়, বরং বিয়ের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় যমজদের উপস্থিতির
কারণে এই বিয়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।
বৃহস্পতিবার
চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন চার্চে অনুষ্ঠিত যমজ দুই ভাইয়ের সঙ্গে যমজ দুই বোনের বিয়েতে
আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন যমজ দুই পুরোহিত। শুধু তা-ই নয়, তাদের সহায়তায় ছিলেন আরো
এক জোড়া যমজ সহকারী।
এক
প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, গত বৃহস্পতিবার কেরালার চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন
চার্চে বর্ণাঢ্য এই বিয়ের আয়োজন করা হয়।
এদিন
অখিল কে থমাসের সঙ্গে বিয়ে হয় ম্যাগি মেরি থমাসের এবং অখিলের যমজ ভাই নিখিলকে থমাসের
সঙ্গে বিয়ে হয় ম্যাগির যমজ বোন মারিয়া মেরি থমাসের।
বিয়ের
প্রতিটি আয়োজনে যমজদের অংশগ্রহণ কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না। যমজ বোনেরা নিজেরাই যমজ
পুরোহিতদের সন্ধান করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত কোঠানাল্লুরের একটি গির্জায় তাদের খুঁজে পান।
দুই
পরিবারের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ফসল ছিল এই অনন্য বিবাহ অনুষ্ঠান। পেশাগত জীবনে বর অখিল
ও নিখিল মার্চেন্ট নেভিতে কর্মরত এবং কনেরা কাজ করছেন আইটি খাতে।
ম্যাগি
ও মারিয়া বলেন, ‘শৈশব থেকেই আমাদের স্বপ্ন ছিল, যমজ ভাইদেরই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে
নেওয়ার। আমাদের পরিবারও সেটাই চেয়েছিল। যিশু খ্রিস্ট সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন।
বিয়েটিকে
আরো স্মরণীয় করে তুলতে কনেপক্ষ উদ্যোগ নিয়ে খুঁজে বের করেন যমজ দুই যাজক। তারা হলেন
ফাদার আন্তো পেজুমকাটিল ও ফাদার আজো পেজুমকাটিল। আনন্দের সঙ্গে এই বিয়ে পড়াতে রাজি
হন তারা। এ সময় বেদীতে তাদের সহযোগিতায় ছিলেন জেরন জেমস ও জোহন জেমস নামের আরও দুই
যমজ ভাই।
যমজ
পুরোহিতরা জানান, এমন বিশেষ কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা তাদের জীবনে
এই প্রথম। এটি সারা জীবন তাদের মনে থাকবে। একই সঙ্গে পুরো আয়োজনে যমজদের এমন মেলবন্ধন
উপস্থিত অতিথিদের মধ্যেও বেশ কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে।
মন্তব্য করুন


সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের ফলে ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমোর মতো প্ল্যাটফর্মে
বিয়ের প্রস্তাব ও সম্মতি আদান-প্রদান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—এভাবে
ইজাব-কবুল করলে কি বিয়ে সম্পন্ন হয়?
ইসলামি
শরিয়াহ ও ফিকাহ শাস্ত্র অনুযায়ী এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। শরিয়াহ বিশারদদের
মতে, ডিজিটাল মাধ্যমে লিখিত বার্তা পাঠিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া এবং অপর পক্ষের ‘কবুল’
লিখে সম্মতি জানানোকে বৈধ বিয়ের আকদ হিসেবে গণ্য করা হয় না।
তাদের
মতে, বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য অন্যতম শর্ত হলো একই মজলিসে পাত্র-পাত্রী বা তাদের অভিভাবক/প্রতিনিধির
উপস্থিতিতে ইজাব ও কবুল সম্পন্ন হওয়া। যেহেতু অনলাইন বার্তায় এই সরাসরি উপস্থিতির শর্ত
পূরণ হয় না, তাই কেবল চ্যাট বা মেসেজের মাধ্যমে বিয়ে কার্যকর হয় না।
এছাড়া
বিয়ের বৈধতার জন্য সাক্ষীর উপস্থিতিও অপরিহার্য। শরিয়াহ অনুযায়ী, বিয়ের সময় অন্তত দুইজন
প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষীর উপস্থিতি থাকা আবশ্যক।
এ
প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, অভিভাবক ও দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর
উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে সম্পন্ন হয় না (সহিহ ইবনে হিব্বান)।
তবে
আলেমদের মতে, নির্দিষ্টভাবে কাউকে আগে থেকে সাক্ষী হিসেবে মনোনীত করা জরুরি নয়। যদি
জনসমক্ষে বা একাধিক ব্যক্তির উপস্থিতিতে বিয়ের আকদ সম্পন্ন হয় এবং তারা ইজাব-কবুল প্রত্যক্ষ
করেন, তবে তারাই সাক্ষী হিসেবে গণ্য হন।
বিশেষ
করে মসজিদ বা জনসমাগমে বিয়ের আয়োজন হলে উপস্থিত ব্যক্তিরাই সেই বিয়ের সাক্ষী হিসেবে
বিবেচিত হন।
ফিকাহবিদদের
মতে, অনলাইন মাধ্যমে ইজাব-কবুল কেবল প্রাথমিক সম্মতি বা আলোচনার অংশ হতে পারে, কিন্তু
এটি পূর্ণাঙ্গ ও বৈধ বিয়ের প্রক্রিয়া নয়। বিয়ে সম্পন্ন করতে হলে শরিয়াহ নির্ধারিত শর্ত—সাক্ষী
ও একই মজলিসে উপস্থিতি—অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


ভূমিকম্পে
কেঁপে উঠেছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা।
বুধবার (২৯ মে) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
রাজধানী ঢাকার অনেক বাসিন্দা ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার কথা জানিয়ে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন।
জানা গেছে,
ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট,
যশোর ও চট্টগ্রাম অঞ্চলেও ভূমিকম্প হয়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, সরকার গণমাধ্যমের নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করে।
আজ বৃহস্পতিবার (২০
মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর তথ্য ভবনে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিল
ও মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময়
সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের
মালিক, সম্পাদক এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গুজব ও অপপ্রচারের ব্যাপকতা
তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, সত্য প্রচারের পাশাপাশি গণমাধ্যমকে গুজব
ও অপপ্রচার মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। গণমাধ্যমের সমালোচনাকে স্বাগত
জানিয়ে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা সরকারের সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা
করে।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
মাহফুজ আলম আরও বলেন, সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি গণমাধ্যমে সরকারের ইতিবাচক
পদক্ষেপসমূহও প্রচার হওয়া উচিত।
তিনি গণমাধ্যম সংস্কারের
ক্ষেত্রে গণমাধ্যম মালিক, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মন্তব্য করুন




কিশোরগঞ্জের
ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খুলে এবার রেকর্ডসংখ্যক ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া
গেছে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টার দিকে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। বর্তমানে চলছে টাকার
গণনার কাজ। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এবার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে দানের পরিমাণ
দীর্ঘ
ছয় মাস পর আজ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ এরশাদুল আহমেদ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
নাজমুস সাকিব। দানবাক্স থেকে বের করা টাকাগুলো প্রথমে বস্তায় ভরে মসজিদের দ্বিতীয়
তলায় নেওয়া হয়। পরে মেঝেতে ঢেলে শুরু হয় দীর্ঘ সময়ের গণনা কার্যক্রম।
জেলা
প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, এবার দানবাক্সগুলো থেকে ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। রূপালী
ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মাদ্রাসার ছাত্র ও মসজিদ কমিটির লোকজন মিলে টাকা গণনার
কাজ করছেন। গণনা শেষ হলে মোট টাকার পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে
নিরাপত্তা
ব্যবস্থার বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব বলেন, দানবাক্স খোলা থেকে শুরু
করে টাকা গণনা এবং তা ব্যাংকে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় কঠোর ও নিচ্ছিদ্র
নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
টাকা
গণনার এই বিশাল কর্মযজ্ঞে অংশ নিয়েছেন পাগলা মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসার ১১০ জন ছাত্র,
আল- জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ৩০০ জন শিক্ষার্থী, মসজিদের ৩৩ জন কর্মচারী, রূপালী
ব্যাংকের ১৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য।
এর
আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্স খুলে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। তখন ৩ মাস
২৭ দিনে দানবাক্সে জমা হয়েছিল নগদ ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়া বিপুল
পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা এবং সোনা-রুপার গহনাও পাওয়া গিয়েছিল।
দানবাক্স
খোলার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবারের মতো এবারও মসজিদ প্রাঙ্গণে উৎসুক মানুষের ভিড়
জমে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত মুসল্লিরা এখানে নিয়মিত নগদ অর্থ ছাড়াও হাঁস-মুরগি,
গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন সামগ্ৰী মানত হিসেবে দান করে থাকেন।
কিশোরগঞ্জের
হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় ১০ শতাংশ জমির ওপর অবস্থিত এই ঐতিহাসিক
পাগলা মসজিদ। মসজিদ ও ইসলামী কমপ্লেক্স পরিচালনার জন্য ৩১ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি
রয়েছে। পদাধিকারবলে জেলা প্রশাসক এই কমিটির সভাপতি এবং কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সাধারণ
সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি, আইনজীবী, সাংবাদিক
ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
মন্তব্য করুন