

মাদারীপুরে
ঘরে ঢুকে আইভী আক্তার (১৮) নামে এক তরুণীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার
পর তাঁর ব্যবহৃত আইফোন নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
মঙ্গলবার
(৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার কালিকাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
আইভী আক্তার ওই এলাকার আসলাম শরীফের মেয়ে। প্রায় এক বছর আগে শরিয়তপুর শহরের বাসিন্দা
ও কাতারপ্রবাসী মো. ফেরদৌসের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর পরিবারের আর্থিক
স্বচ্ছলতার জন্য ফেরদৌস কাতারে চলে যান।
পুলিশ
ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে ছোটবেলা থেকেই চাচা
কালাম শরীফের বাড়িতে থাকতেন আইভী। স্বামী বিদেশে থাকায় সম্প্রতি তিনি চাচার বাড়িতে
বেড়াতে আসেন।
মঙ্গলবার
সন্ধ্যায় আইভীর চাচা কালাম শরীফ নামাজ পড়তে স্থানীয় একটি মসজিদে যান। একই সময়ে পরিবারের
অন্য সদস্যরা চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য মাদারীপুর শহরে ছিলেন। নামাজ শেষে বাড়িতে
ফিরে কালাম শরীফ ঘরের ভেতর আইভীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
পরে
তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে
গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের
মর্গে পাঠানো হয়।সংবাদ সাবস্ক্রিপশন
পুলিশের
প্রাথমিক ধারণা, আইভীর ব্যবহৃত আইফোন চুরির উদ্দেশ্যে চোরচক্র ঘরে ঢুকেছিল। এ সময় আইভী
তাদের চিনে ফেলায় তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে ফোনটি নিয়ে পালিয়ে যেতে পারে তারা। তবে হত্যাকাণ্ডটি
চুরি নাকি পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটেছে, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতের
চাচা কালাম শরীফ বলেন, নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে আইভীকে রক্তাক্ত অবস্থায় মৃত দেখতে পান।
পরে পুলিশকে খবর দেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
মাদারীপুর
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিহতের শরীরের বিভিন্ন
স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। চুরির উদ্দেশ্যে নাকি পারিবারিক বিরোধের
কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ওসি
আরও বলেন, এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য
অভিযান ও তদন্ত চলছে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, এখন প্রধান
চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) সচিবালয় নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এ কথা জানান।
এর
আগে তিনি জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে
আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো আইনশৃঙ্খলা, যত দ্রুত সম্ভব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি
করা যায়। আমি কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব রয়েছি, সেখানে আমার লক্ষ্য কীভাবে উৎপাদন
বাড়িয়ে লোকজনকে খাওয়াতে পারি বেশি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা আরও বলেন, জাতিসংঘ থেকে যে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন আসার কথা, সেটা তারা পাঠাবে।
সেক্ষেত্রে তারা আমাদেরকে কোন ধরনের সহযোগিতা করবে, আমরা কোন ধরনের সহযোগিতা চাই-
এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মেশিন আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে
আসতে পারে।
মন্তব্য করুন


নিম্নচাপের
প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে আবারও পাহাড়ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা
এড়াতে নগরের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি ও সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে
সরে যেতে মাইকিং করছে জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি পাহাড়সংলগ্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও
মসজিদকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সোমবার
সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে বাসিন্দাদের ঝুঁকিপূর্ণ
এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এর আগে রোববার রাতেও নগরের বিভিন্ন
পাহাড়ি এলাকায় সতর্কতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।
এদিকে
রোববার রাতে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও কক্সবাজার শহরে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায়
নারী ও শিশুসহ অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর চট্টগ্রামেও পাহাড়ধসের ঝুঁকি
নিয়ে সতর্কতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
জেলা
প্রশাসন জানিয়েছে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারির পর পাহাড়ধসের
ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
প্রশাসনের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।
চট্টগ্রামের
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘শনিবার রাত থেকে বৃষ্টিপাত অব্যাহত
রয়েছে। পাহাড়ধসের আশঙ্কা বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে
সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। জেলা প্রশাসনের ছয়জন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিজ নিজ এলাকায়
তদারকি করছেন। মাইকিংয়ের পাশাপাশি স্থানীয়দের সরিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া
হয়েছে।’
তিনি
আরও বলেন, ‘নগরের আকবরশাহ এলাকার ঝিল-১, ঝিল-২ ও ঝিল-৩, বিজয়নগর পাহাড়, শান্তিনগর পাহাড়
এবং বেলতলীঘোনা পাহাড়ে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।’
চান্দগাঁও
সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্লাবন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘টাংকির পাহাড়, আমিন জুট
মিল এলাকা, পাহাড়িকা, সমবায় আবাসিক, সমসাময়িক গৃহ নির্মাণ এলাকা, মিয়ার পাহাড় এবং মুরাদপুর
রেলস্টেশনসংলগ্ন রেলওয়ের পাহাড়ে বসবাসকারীদের সতর্ক করা হচ্ছে। এসব এলাকার নিকটবর্তী
কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’
আগ্রাবাদ
সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর হাসান তুরান জানান, লালখান বাজারের পোড়া কলোনি,
ঢেবারপাড়, আমবাগানসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকা এবং উত্তর হালিশহর সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় মাইকিং
করে বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই পাহাড় কেটে গড়ে
ওঠা বসতি কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ ঢালের নিচে বসবাসকারীদের কোনো অবস্থাতেই সেখানে অবস্থান
না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্বামী
ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন সাবেক
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসনে দীপু মনির মেয়ে
তানি দিপাবলি প্যারোলে মুক্তির আবেদন করলে, ১২ঘন্টার জন্য আবেদন মঞ্জুর করা হয়।
দিপু
মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল জানান, আমরা চার দিনের জন্য আবেদন করি, জেলা প্রশাসনের ক্ষমতা
বলে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি মঞ্জুর করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল
৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোট ১২ ঘণ্টা তিনি মুক্তি পাচ্ছেন।
তিনি
আরো জানান, মুক্তির পর রাজধানী ঢাকার কলাবাগানে দীপু মনি যাবেন, সেখানে মরহুমের মরদেহ
থাকবে। সে বাড়িতেই দীপু মনির সাথে মরহুম তৌফিক নেওয়াজের প্রথম দেখা হয়েছিল। পরবর্তীতে
মরদেহ বননিষ্ঠ কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি রয়েছে ।
এর
আগে, দুপুর ১২টার দিকে তার মেয়ে তানী দীপাবলি কারাগারে তার মায়ের সাথে দেখে করতে ভিতরে
প্রবেশ করেন। পরে জেলা প্রশাসনে আবেদন করেন।
মন্তব্য করুন


মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার চরজোকা এলাকার ভয়ংকর মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতা মিলন ফকিরসহ মানব পাচার চক্রের সদস্য রিজাউল ফকির ও তাসলিমা বেগম কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ এর আভিযানিক দল।
র্যাব জানান, চক্রের মূলহোতা মিলন ফকির দীর্ঘদিন ধরে লিবিয়া থেকে মানব পাচারের কাজ করে আসছে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বেকারত্ব ও দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে তার চক্রের অন্যান্য সদস্যদের মাধ্যমে বিদেশে ভালো চাকরী দেওয়ার লোভ দেখিয়ে মানব পাচার করে আসছিল। এই চক্রটি ফরিদপুরের ভাংগা থানার গোয়ালদী গ্রামের সহিদুল শেখ (৪৮) এর ছেলে জুবায়েদকে ১২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইতালিতে মোটা টাকার বেতনের চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে আসে। বেকারত্বের অভিশাপ থেকে বাঁচার জন্য জুবায়েদের হত দরিদ্র বাবা-মা জায়গা-জমি বন্ধক রেখে অনেক কষ্ট করে টাকা জোগার করে উপরোক্ত মানব পাচার চক্রের সদস্য রিজাউল ফকির ও তাসলিমা বেগমকে দেয়। গত ২০২২ সালের আগস্ট মাসের ২৯ তারিখে আসামীরা পরস্পর যোগসাজসে জুবায়েদকে পাচারের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে নিয়ে লিবিয়া পাঠিয়ে দেয় । এরপর থেকে জুবায়েদের আর খোঁজ না পেয়ে তার বাবা-মা মূলহোতা মিলনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সে আরো দশ লক্ষ টাকা দাবী করে তার ছেলেকে ফিরিয়ে দেবার কথা বলে। এরই মধ্যে হঠাৎ করে জুবায়েদ একদিন ফোন করে বলে তাকে প্রচুর অত্যাচার করেছে এবং ট্রলারে করে তাকে সাগরে নিয়ে যাচ্ছে। তার বাবা-মা এতে আতঙ্কিত হয়ে মূলহোতা মিলনকে আরো ছয় লক্ষ টাকা দিলেও তার ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৬/৭/৮ ও ১০ ধারায় মামলা দায়ের করেন। এই মানব পাচারের সাথে জড়িত চক্রটির মূলহোতা মিলন ফকিরসহ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার লক্ষ্যে র্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ, সিপিএসসি কোম্পানি এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে তাদের অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করেন। আজ (৫ মে) নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানা এলাকা থেকে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা এজাহারনামীয় ১নং আসামী মিলন ফকির (৪২), মানব পাচার চক্রের সদস্য ২নং আসামী রিজাউল ফকির (৬৫), ৩নং আসামী তাসলিমা বেগম (৫৫) কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানাধীন চরজোকা এলাকার মোঃ রিজাউল ফকির এর ছেলে মিলন ফকির, মৃত আলিম উদ্দিন ফকির এর ছেলে রিজাউল ফকির, রিজাউল ফকির এর স্ত্রী তাসলিমা বেগম।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য ফরিদপুর জেলার ভাংগা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঢালিউডের
কিংবদন্তি নায়ক আসলাম তালুকদার মান্না এবং কলিউড সুপারস্টার এবং তামিলনাড়ুর মূখ্যমন্ত্রী
থালাপতি বিজয়ের একটি ছবি হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এক ফ্রেমে দুই
প্রজন্মের দুই জনপ্রিয় মুখকে দেখার পর থেকেই নেটিজেনদের আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে
ছবিটি।
ভাইরাল
ছবিটিতে দেখা যায়, মান্নার কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন বিজয়। দাবি করা হচ্ছে, প্রায়
২০ বছর আগে তোলা এই ছবি। তবে এটি আসল নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে
তা নিয়ে নেটপাড়ায় চলছে ধোঁয়াশা।
ভাইরাল
হওয়া এ ছবি অনেকের মনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি করছে, আবার অনেকে ছবিটিকে এআই দিয়ে তৈরি
বলে দাবি করছেন। কিন্তু ছবির আসল রহস্য কী জানেন?
তথ্য
বলছে, ২০০০ সালে চিত্রনায়ক মান্না ভারতীয় অভিনেত্রী রানী মুখার্জিকে নিয়ে কৃতাঞ্জলি
চলচ্চিত্র থেকে একটি সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দেন। পরবর্তী সময়ে ভারতে বিজয় থালাপতিসহ
অনেক তারকাদের সঙ্গে প্রয়াত মান্নার দেখা হয়। তবে যে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ভাইরাল হয়েছে সেটি তখনকার সময়ে তোলা কি না তার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
অনেকে
মনে করছেন, এটি বাস্তবও হতে পারে। কারণ, মান্নার একাধিক সিনেমার পোস্ট-প্রোডাকশন কাজ
হয়েছে ভারতের চেন্নাইয়ের প্রসাদ ল্যাব ও এভিএম স্টুডিওতে। ২০০৩ থেকে ২০০৪ সালের দিকে
মান্না যখন ‘বাস্তব’, ‘মিনিস্টার’
বা ‘বীর সৈনিক’- সিনেমার কাজে চেন্নাইয়ে ছিলেন, তখন একই সময় বিজয়ের সিনেমার
কাজও চলছিল বলে জানা যায়। সেই সূত্রেই মান্না-বিজয়ের দেখা হয়ে থাকতে পারে এমন ধারণা
করছেন অনেকে।
এ
প্রসঙ্গে সঠিক তথ্য জানতে প্রয়াত নায়ক মান্নার স্ত্রী শেলি মান্নার কাছে জানতে চাইলে
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, অনেক আগের কথা, ঠিক মনে পড়ছে না। তবে বিজয়ের সঙ্গে তার দেখা
হতেও পারে। প্রায় তো ইন্ডিয়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও কাজে যেত। নায়ক মান্নার ছেলে
সিয়াম ইলতেমাশ অবশ্য দাবি করেছেন, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি।
এদিকে
ছবি শনাক্তকারী ওয়েবসাইট সাইটইঞ্জিন বলছে, মান্না ও থালাপতি বিজয়ে ছবিটি ৩ শতাংশ এআই
দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ ছবিটি বাস্তব ক্যামেরায় তোলা। জিরোজেপিটি বলছে, ছবিটির ৫১ শতাংশ
মৌলিক। পুরোনো ছবি হওয়ায় এতে আলো ও অন্য কিছু কাজ হয়েছে।
নেটিজেনদের
একাংশের দাবি, ছবিটি বাস্তব ক্যামেরায় তোলা। ছবিতে ছিলেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ অথবা
কাজী মারুফ। আধুনিক এআই প্রযুক্তির সাহায্যে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ অথবা কাজী মারুফের
ছবির মধ্যে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থালাপতি বিজয়ের মুখ বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভাইরাল
ছবিটি আসল হোক কিংবা এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি হোক এটি ভক্তদের আবেগি করে তুলেছে মান্নার
পুরোনো স্মৃতিতে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা বলছেন, মান্না ও থালাপতি বিজয় দুজনেই গণমানুষের
নায়ক যারা নিজ নিজ ইন্ডাস্ট্রিতে সাধারণ মানুষের হৃদয়ের গভীরে জায়গা করে নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ইউরোপ-এশিয়াকে
ছাপিয়ে এবার আফ্রিকান দেশ আলজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ দাবানলে
অন্তত ১২ জন নিহত এবং আরও ৫৪ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় সবচেয়ে
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে কয়েক ডজন পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বুধবার
(২৬ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ সায়ুদ জানান,
জিজেল, বেজাইয়া ও তিজি উজু প্রদেশে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
তিনি
বলেন, জিজেল প্রদেশে পাঁচজন, বেজাইয়ায় চারজন এবং তিজি উজুতে তিনজন নিহত হয়েছেন।
দাবানলে
আহতদের চিকিৎসার পরিস্থিতি দেখতে বেজাইয়া প্রদেশের সুক এল থেনিন শহরের একটি হাসপাতাল
পরিদর্শনের সময় এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সরকারি সংবাদ সংস্থা আলজেরিয়া প্রেস
সার্ভিসের (এপিএস) তথ্য অনুযায়ী, ওই হাসপাতালে ৫৪ জনকে পোড়া ও ধোঁয়াজনিত সমস্যার চিকিৎসা
দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।
সায়ুদ
জানান, বুধবার দেশজুড়ে মোট ১৫৪টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা রেকর্ড করেছে সিভিল প্রোটেকশন কর্তৃপক্ষ।
এর মধ্যে ৩৬টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বেজাইয়া প্রদেশে। ইতোমধ্যে ১৮টি আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা
সম্ভব হয়েছে।
আলজেরিয়া
ও প্রতিবেশী তিউনিসিয়ায় যখন তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে, তখনই এসব দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জানান, স্কিকদা, এল তারফ, বুইরা, তিজি উজু ও তেবেসা প্রদেশে অগ্নিনির্বাপণ দল আগুন
নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। তবে বেজাইয়ায় এখনও ১৮টি এলাকায় আগুন সক্রিয় রয়েছে। জিজেল
প্রদেশের ১২টি পৌরসভাতেও আগুন জ্বলছে। এসব এলাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দাবানলে
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে কয়েক ডজন পরিবারকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম জিজেল নিউজের প্রচারিত ছবিতে দেখা গেছে, ঘন ধোঁয়ার কারণে স্থানীয়
বাসিন্দারা একটি ডাকঘরে আশ্রয় নিয়েছেন।
গ্রীষ্মের
তীব্র দাবদাহের সময় আলজেরিয়ায় প্রায়ই ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী দাবানলের ঘটনা ঘটে। শুধু গত
মাসেই দেশটিতে দাবানলে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছিল।
সাম্প্রতিক
বছরগুলোতে দেশটির বনাঞ্চলসমৃদ্ধ ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে তীব্র তাপপ্রবাহ ও শক্তিশালী বাতাস
দাবানলের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী খরা ও জলবায়ু পরিবর্তনও এসব দুর্যোগের
তীব্রতা বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী
রফিকুল আবরার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক
ড. মোঃ হায়দার আলী। আজ ১৬ মার্চ সকাল ১০.৩০টায় শিক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার
সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক
ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের
পরিচালক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এবং প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস. এম. শহিদুল
হাসান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ২৪ ইঞ্জিনিয়ার
কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রধান প্রকল্প সমন্বয়ক এএফডব্লিউসি, পিএসসি কর্ণেল আরিফুল ইসলাম
খান এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পিএসসি
লেফটেন্যান্ট কর্ণেল জাহিদুল ইসলাম।
সৌজন্য সাক্ষাতে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের
সার্বিক বিষয় ও অগ্রগতি নিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার সাথে কথা বলেন। শিক্ষা উপদেষ্টা উপাচার্যকে
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নসহ পরামর্শ প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


ইয়াংওয়ান করপোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাংয়ের নেতৃত্বে কোরিয়ার বিনিয়োগকারীদের একটি প্রতিনিধিদল আজ মঙ্গলবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তারা
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগের সূচনা হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত রয়েছে
বলে ঘোষণা দেন।
প্রতিনিধিদলে এলজির কর্মকর্তাসহ কোরিয়ার টেক্সটাইল, ফ্যাশন, স্পিনিং, লজিস্টিকস, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বৃহৎ বেশ কয়েকটি কোম্পানির প্রতিনিধিরা ছিলেন।
বৈঠকে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধিদলটি গতকাল সোমবার চট্টগ্রামে কোরিয়ান ইপিজেড পরিদর্শন করেন। ইয়াংওয়ান করপোরেশন পরিচালিত এই শিল্পপার্কে অনেক বিনিয়োগকারী তাৎক্ষণিকভাবে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. ইউনূস বাংলাদেশে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নের জন্য শ্রম, শিল্প, জ্বালানি ও বিনিয়োগ নীতিতে গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এমন সময়ে আপনারা বাংলাদেশে এসেছেন যখন আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করছি। এই নতুন বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ এখন সহজ ও ঝামেলামুক্ত। আপনাদের জন্য বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করা আমাদের দায়িত্ব। আমি জানি গত ১৬ বছরে আপনাদের অনেক চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হয়েছে, আমরা সেই সময়ের ক্ষতিপূরণ দিতে চাই। ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশে আসা কিহাক সাং প্রধান উপদেষ্টার কথার সঙ্গে একমত পোষণ করেন এবং দেশের ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও সরকারের ইতিবাচক নীতির প্রশংসা করেন।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ দেন যাতে তারা বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে আপনাদের ব্যবসার গন্তব্য এবং অনুপ্রেরণার উৎস বানান। আপনারা কোটি কোটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা রাখেন।’
কিহাক সাং ঘোষণা দেন, ইয়াংওয়ান করপোরেশন চট্টগ্রামে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে একটি টেক্সটাইল ও ফ্যাশন কলেজ স্থাপন করবে, যা বাংলাদেশকে বিশ্বের শীর্ষ টেক্সটাইল হাবে পরিণত করতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করবে।
তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেরিত সাম্প্রতিক চিঠিরও প্রশংসা করেন, যা নতুন মার্কিন প্রশাসনের নীতির কারণে উদ্ভূত উদ্বেগ নিরসনে সহায়ক হয়েছে। তিনি বলেন, ‘চিঠিটি অত্যন্ত সুচিন্তিত ছিল’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের পরামর্শও দেন।
বাংলাদেশের সাপ্লাই চেইন কাঠামো অনন্য উল্লেখ করে কোরিয়ান ফ্যাশন ও রিটেইল খাতের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ থেকে পোশাক কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাতও দ্রুত বিকাশমান এবং বিশ্ব বাণিজ্য কাঠামোতে দেশটি শীর্ষ ওষুধ রপ্তানিকারক হতে পারে। একজন বিনিয়োগকারী দেশে একটি এপিআই (অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট) কারখানা স্থাপনের আগ্রহ জানান।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস প্রতিনিধিদলের একজন শীর্ষ কোরীয় সার্জনকে চট্টগ্রামে একটি হাসপাতাল স্থাপনের প্রস্তাব দেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণে ১ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।
তাদের মধ্যে ১ হাজার ৬০৮ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে; যার মধ্যে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০৭ জন। এছাড়া ফেল থেকে পাস করেছেন ৩৩৬ জন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পাপিয়া আক্তার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ বলেন, “পুনর্নিরীক্ষণের নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন করা উত্তরপত্রগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই শেষে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।”
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার বিভিন্ন বিষয়ের ৩৫ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী ৯১ হাজার ৪৯৪টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলেন।
ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর কলেজে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান।
মন্তব্য করুন


ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচির তৃতীয় ধাপের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৭
জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
করা হয়।
দুপুর
১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িবহর শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে
পৌঁছায়। এরপর নির্ধারিত মঞ্চে উঠলে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা
হয়।
এ
কর্মসূচির আওতায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫টি পরিবারের
মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
এর
আগে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বুধবার সকালে ঢাকা থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। আকাশপথে সিলেট
পৌঁছানোর পর তিনি বাসে করে শ্রীমঙ্গলে পৌঁছান বেলা ১টার পর। তিনি ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
মাঠের মঞ্চে পৌঁছানোর পর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
শ্রীমঙ্গলের
অনুষ্ঠান শেষে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে
অংশ নেবেন সরকারপ্রধান। সেখানে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫২টি
পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
সেখান
থেকে বিকেলে দুসাই রিসোর্টের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পৌঁছে কিছুক্ষণ
বিশ্রাম নিয়ে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে এক সভায় যোগ দেবেন। সভা শেষে সন্ধ্যায় সিলেট ওসমানী
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর
আগে সকাল সাড়ে ১০টায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত বাসে চড়ে শ্রীমঙ্গলের
উদ্দেশে রওয়ানা হন তারেক রহমান। বিমানবন্দর সড়ক থেকে শহরের ভেতরে এবং জেলার বিভিন্ন
স্থানে উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে স্বাগত জানান।
এমন
সময় বিমানবন্দর সড়কের পাশের চা বাগান এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। চৌকিদেখি এলাকায়
সবুজ চা বাগানের পাশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাওয়ার সময় গাড়িতে ফুলের মালা ও পাপড়ি
ছিটিয়ে দেন লাক্কাতুড়া ও মালনীছড়া চা বাগানের শ্রমিকরা। চা শ্রমিকদের পরেই সেখানে দাঁড়িয়ে
সরকার প্রধানকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
চৌকিদেখি
পয়েন্টে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবকদল-কৃষকদলসহ
অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এতে নেতৃত্ব দেন সিলেট মহানগর বিএনপি’র
সহ সভাপতি জিয়াউল গনি আরিফিন জিল্লুর, সাদিকুর রহমান সাদিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম
মজুমদার ও মাহবুবুল হক চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব।
এছাড়াও
সিলেট নগরোর আরও তিনটি পয়েন্টে সরকার প্রধানকে স্বাগত জানান বিএনপি’র
নেতা-কর্মীরা। বিএনপি’র নেতা-কর্মী ছাড়াও সিলেটের সাধারণ
মানুষ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে হাত নেড়ে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও
হাত নেড়ে সবার অভিবাদন গ্রহণ করেন। সিলেট থেকে সেখান থেকে সড়ক পথে যাত্রা করে বেলা
একটায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে
যোগদান করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
মন্তব্য করুন