

রংপুরের
কাউনিয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার
পলাতক আসামি আজমাইন আব্দুল্লাহ উৎসকে (২৬) প্রায় দুই মাস পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত সোমবার রাতে ঢাকার বিমানবন্দর থানাধীন এলাকা থেকে র্যাব-১-এর সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার
করা হয়।
পরে
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রংপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে
পাঠানো হয়েছে।
মামলার
তদন্তকারী কর্মকর্তা রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল
আমীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার হওয়া আজমাইন আব্দুল্লাহ উৎস কাউনিয়া
উপজেলার হারাগাছ পৌর এলাকার সারাই জাগরণ পাগড়া গ্রামের তারিকুল ইসলামের ছেলে।
মামলার
নথি ও তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আজমাইন বিবাহিত হলেও বিষয়টি গোপন রেখে
প্রায় ১৮ বছর বয়সী এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় গড়ে তোলেন। কলেজে যাওয়া-আসার পথে প্রথমে
প্রেমের প্রস্তাব দিলেও তরুণী তা প্রত্যাখ্যান করেন। পরে ফেসবুক মেসেঞ্জার ও হোয়াটস
অ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়।
অভিযোগে
বলা হয়, গত বছরের ২ ডিসেম্বর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আজমাইন তরুণীকে রংপুর আদালত সংলগ্ন
লেকের পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে একটি স্ট্যাম্প পেপারে স্বাক্ষর করিয়ে তাকে বিশ্বাস করানো
হয় যে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এরপর একই দিন হারাগাছের ধুমগড়া এলাকার একটি বাড়িতে
নিয়ে স্ত্রী পরিচয়ে রাতভর ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তী সময় বিভিন্ন স্থানে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে
একাধিকবার তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা
হয়েছে।
তদন্তকারী
কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমীন বলেন, ‘ভুক্তভোগী পরে বৈধ কাবিননামা দেখতে চাইলে অভিযুক্ত
বিভিন্ন অজুহাত দেখাতে থাকেন। এতে তার সন্দেহের সৃষ্টি হয়।’
মামলার
বিবরণ অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল ভুক্তভোগী কয়েকজন সাক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে আজমাইনের
বাড়িতে গেলে তিনি জানান, তিনি আগেই বিবাহিত এবং ওই তরুণীকে বিয়ে করা তার পক্ষে সম্ভব
নয়। অভিযোগ রয়েছে, এসময় তিনি স্বীকার করেন যে বিয়ের নাটক সাজিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন।
পাশাপাশি ঘটনাটি প্রকাশ না করতে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব এবং আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার
হুমকিও দেন।
হারাগাছ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান বলেন, ‘ভুক্তভোগী গত ৬ মে রংপুর আদালতে
মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে ১২ মে হারাগাছ থানায় ধর্ষণ মামলা রুজু হয়। মামলা
হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত আত্মগোপনে চলে যায়।’ তিনি আরো বলেন, ‘অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে
পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘ প্রায় দুই মাসের চেষ্টার পর র্যাব-১-এর
সহযোগিতায় ঢাকার বিমানবন্দর থানাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। পরে
মঙ্গলবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’
পুলিশ
জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দিকও খতিয়ে
দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহের
ঈশ্বরগঞ্জে জুলাই শহীদ ছেলের অনুদানের টাকা দিয়ে সোয়া ৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার কিনে
দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ শেখ শাহরিয়ার বিন মতিনের
বাবা মোহাম্মদ আব্দুল মতিনের (৫০) বিরুদ্ধে।
মোহাম্মদ
আব্দুল মতিন রাজধানীর মতিঝিলে একটি প্রতিষ্ঠানে সেলস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। তার
প্রথম স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৫)। উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের কুমড়াশসন গ্রামের এই দম্পতির
একমাত্র ছেলে ছিলেন শেখ শাহরিয়ার বিন মতিন। এছাড়া তাদের ১০ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।
অভিযোগ
উঠেছে, প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই আব্দুল মতিন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে এ অভিযোগ
অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। জানা
গেছে, ২০০৪ সালের ৭ নভেম্বর আব্দুল মতিন ও মমতাজ বেগমের বিয়ে হয়। দীর্ঘ ২২ বছরের দাম্পত্য
জীবনের পর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে তাদের সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয়।
উল্লেখ্য,
ছাত্রজনতার আন্দোলনে অংশ নিয়ে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর
এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শেখ শাহরিয়ার বিন মতিন। গুলি তার ডান চোখের পাশ দিয়ে ঢুকে মাথা
ভেদ করে বেরিয়ে যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ জুলাই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় সূত্রে
জানা গেছে, জুলাই শহীদ ছেলের ভাতার অনুদানের টাকা থেকে ৭ লাখ টাকার কাবিন ও সোয়া ৫
লাখ টাকার স্বর্ণালংকার দিয়ে গত ২৯ মে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আব্দুল মতিন।
এ
ঘটনার খবর পেয়ে অভিমানে গত ২ জুন একমাত্র মেয়ে শেখ মুমতাহিনা বিনতে মতিনকে নিয়ে আত্মহত্যার
সিদ্ধান্ত নেন মমতাজ বেগম। তবে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আত্মহত্যা হাত
থেকে থামান।
এরপর
বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। এছাড়া আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে জুলাই
শহীদ ছেলে শাহরিয়ারের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়দের
দাবি, অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বেশ অর্থবিত্তের মালিক হয়ে যান।
শহীদ
শাহরিয়ারের মা মমতাজ বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, সন্তান হারানোর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই আমার
অনুমতি ছাড়াই আব্দুল মতিন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। আমার জানামতে বিয়েতে সোয়া ৫ লাখ টাকার
স্বর্ণালংকার কেনার সামর্থ্য তার নেই। আমার শহীদ ছেলের রক্তের দাগ শুকানোর আগেই সরকারের
দেওয়া অনুদানের টাকায় তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করছেন।
তিনি
বলেন, আমার ছেলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর পর থেকেই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য আমাকে
বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন। তিনি বারবার বলেছিলেন, আমার বংশ রক্ষার জন্য দ্বিতীয়
বিয়ে করতে হবে।
মমতাজ
বেগম অভিযোগ করেন, আবদুল মতিন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ একমাত্র ছেলে শাহরিয়ারের মৃত্যুকে
পুঁজি করে নানা ধান্ধাবাজি ও প্রতারণা শুরু করেন। বারবার নিষেধ করার পরেও তিনি কোনো
কথাই শুনতে চাননি। দুই বউয়ের ভরণপোষণের সামর্থ্য তার নেই। মমতাজ বেগম বলেন, আমি ২২
বছর তার সঙ্গে কাটিয়েছি। তার আর্থিক অবস্থা ভালো না।
তিনি
অভিযোগ করে আরও বলেন, শহীদ পরিবারকে দেওয়া সরকারি বরাদ্দের এককালীন ৩০ লাখ টাকা তিনি
আমার সই জালিয়াতি করে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু আমি সচেতন থাকায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ
হয়। শুধু তাই নয়, আমার শহীদ ছেলের নাম ভাঙিয়ে আব্দুল মতিন বিভিন্ন সময় মানুষের কাছ
থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। আমার এখন একটাই চাওয়া, মেয়েটাকে বড় করার আগে যেন আল্লাহ
আমাকে নিয়ে না যায়। এ ঘটনার আমি সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
অভিযোগ
অস্বীকার করে শহীদ শাহরিয়ারের বাবা মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বলেন, আমার বংশ রক্ষার জন্য
আমি দ্বিতীয় বিয়ে করেছি। বিশেষ করে আমার মায়ের অনুরোধে আমি বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছি।
এছাড়া বিয়ে করার আগে প্রথম স্ত্রী আমাকে দ্বিতীয় বিয়ে করার অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু
তিনি এখন তা অস্বীকার করছেন।
তিনি
আরও বলেন, আমি আলফা গ্রুপের মতিঝিল শাখায় সেলস ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছি। বিয়ে করার
মতো সামর্থ্য আমার আছে। ছেলের অনুদানের টাকা দিয়ে বিয়ে করতে হবে, বিষয়টি এমনও নয়। বিয়ে
করার পর আমি প্রথম স্ত্রীকে আনতে পাঁচবার বাসায় গিয়েছি। মেয়ের সঙ্গেও দেখা করতে পারিনি।
সবশেষ অন্য একজনের মাধ্যমে তাদের বাসায় প্রবেশ করি। কিন্তু আমাকে অসম্মান করে বাসা
থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এখন সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছি।
এ
বিষয়ে জুলাই যোদ্ধা রুহুল আমিন রিপন গণমাধ্যমকে বলেন, একজন জুলাই শহীদের বাবা হয়ে মতিন
সাহেব যে কাজটি করেছেন তা মোটেও উচিত হয়নি। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী আল নূর আয়াস বলেন, জুলাই শহীদ শাহরিয়ার বিন মতিনের
বাবার দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি শুনেছি। তবে, বিষয়টি মেনে নেওয়ার মতো না। ছেলেকে যদি সত্যিই
তিনি ভালোবাসতেন, তাহলে তিনি এমন একটি কাজ করতেন না। তাদের একটি মেয়েও রয়েছে। তিনি
চাইলেই মেয়েটাকে নিয়েই সংসার করে যেতে পারতেন।
মন্তব্য করুন


ঈদুল
আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবং কোরবানির পশুর হাটকেন্দ্রিক
যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
এ লক্ষ্যে ২৫-২৭ মে ও ২৯-৩১ মে, মোট ছয় দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল
বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার
(২৪ মে) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো
হয়।
এতে
বলা হয়, ঈদ উপলক্ষে আনুমানিক এক কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়েন এবং প্রায় ৩০ লাখ মানুষ
রাজধানীতে প্রবেশ করেন।
ফলে
ঈদযাত্রা ও পশুর হাটসংলগ্ন এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া
হয়েছে।
ডিএমপির
নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত ছয় দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ
থাকবে।
পশুবাহী
যানবাহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য, পচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, সার
ও জ্বালানি বহনকারী যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। এ ছাড়া রুট পারমিটবিহীন
বাস চলাচল করতে পারবে না।
আন্তঃজেলা
বাস টার্মিনাল থেকে যাত্রী নিয়ে বাসগুলোকে সরাসরি গন্তব্যে যেতে হবে। সড়কে দাঁড়িয়ে
যাত্রী ওঠানামা করানো যাবে না। অনুমোদিত কাউন্টার ছাড়া রাস্তা থেকে যাত্রী তোলা-নামানোও
নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ঈদযাত্রার
চাপ সামাল দিতে আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ মে উত্তরার আব্দুল্লাহপুর থেকে কামারপাড়া হয়ে ধউর
ব্রিজ পর্যন্ত সড়ক একমুখী করা হবে। এ সময়ে এই পথে শুধু ঢাকা থেকে বের হওয়া যানবাহন
চলাচল করতে পারবে। ঢাকায় প্রবেশকারী যানবাহনকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
এদিকে
যানজট কমাতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিহারের অনুরোধ জানিয়েছে
ডিএমপি। এর মধ্যে রয়েছে বনানী থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, যাত্রাবাড়ী
থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, শ্যামলী থেকে গাবতলী পর্যন্ত মিরপুর
রোড, ফুলবাড়িয়া থেকে বাবুবাজার ব্রিজ পর্যন্ত ঢাকা-কেরানীগঞ্জ সড়ক এবং আব্দুল্লাহপুর
থেকে ধউর ব্রিজ সড়ক।
কোরবানির
পশুর হাটকেন্দ্রিক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাটের নির্ধারিত সীমানার বাইরে সড়কের ওপর
পশু কেনা-বেচা, লোড-আনলোড করা যাবে না। পশুবাহী ট্রাক বা ক্রেতাদের গাড়ি হাটসংলগ্ন
সড়কে পার্কিং করলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পশুর হাট সঠিকভাবে পরিচালিত
না হলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনারও সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি
নগরবাসী, যানবাহনের মালিক-চালক এবং পশুর হাট সংশ্লিষ্ট সবাইকে এসব নির্দেশনা মেনে চলার
আহ্বান জানিয়েছে, যাতে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হয়।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের
ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে বিপুল অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কারের পাশাপাশি পাওয়া
গেছে বিভিন্ন মনোবাসনার চিরকুট। এর মধ্যে একটি নাম-পরিচয়হীন চিঠিতে লেখা ছিল- হাদি
হত্যার বিচার চাই।
শনিবার
(২৭ জুন) সকাল ৭টায় ছয় মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩ দানবাক্স খোলা হয়। এতে রেকর্ড ৪৩ বস্তা
টাকা পাওয়া গেছে। পরে মসজিদের দুই তলায় এনে গণনার কাজ শুরু হয়।
এর
আগে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন
ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান
আলীসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো
খোলা হয়।
গত
বছরের ২৭ ডিসেম্বর, তিন মাস ২৭ দিন পর দানবাক্স খোলা হলে সেখান থেকে ১১ কোটি ৭৮ লাখ
৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার
পাওয়া গিয়েছিল।
জেলা
প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা
প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসনা খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল
আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাদের উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাটারিচালিত রিকশাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ রোববার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, উচ্চ আদালত থেকে একটি ভালো নির্দেশনা আসবে বলে আশা করছি। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করব।
মন্তব্য করুন


ফেনী জেলার পরশুরামে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) পরিদর্শনকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর বিবিধ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন সেনাপ্রধান। এরপর তিনি হেলিকপ্টার যোগে ফেনী জেলার পরশুরাম এবং সংলগ্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় তিনি উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত সেনা সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পরিদর্শনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়াসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭, ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যগণ যথাক্রমে সিলেট, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা এলাকায় বন্যা দুর্গতদের উদ্ধারে মোতায়েন রয়েছে। মোতায়েনরত সেনাসদস্যগণ নিরলসভাবে পানিবন্দী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেই সাথে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধান বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
মন্তব্য করুন


গোপালগঞ্জ
সদর উপজেলার পাইককান্দি এলাকায় শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে বি এম মাহমুদুল ইসলাম
(৩৮) নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য
তার স্ত্রী ও শ্বশুরকে আটক করা হয়েছে।
নিহত
মাহমুদুল ইসলাম ৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার
মলছড়ি ক্যাম্পে উপপরিদর্শক (সশস্ত্র) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার
বিজয়পাশা গ্রামের হায়দার আলী ভূঁইয়ার ছেলে।
সোমবার
সকালে স্থানীয়রা শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর
দেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
গোপালগঞ্জ
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন
পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি
আরও জানান, ঘটনাটি তদন্তের অংশ হিসেবে নিহতের স্ত্রী ও শ্বশুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য
আটক করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর মুরাদপুর এলাকায় র্যাব-১১ এর মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে তার হেফাজত থেকে ৬৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। র্যাবের দাবি, গ্রেপ্তারকৃত নারী দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করে আসছিলেন।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন দিবাগত রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ২য় মুরাদপুর এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কবরী আক্তার (৩২) নামের এক নারীকে আটক করা হয়। পরে তার দখলে থাকা মাদকদ্রব্য তল্লাশি করে ৬৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কবরী আক্তার কুমিল্লা সদর উপজেলার ২য় মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা এবং রুবেল মিয়ার স্ত্রী বলে জানিয়েছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে স্থানীয় ও আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারি এবং খুচরা মূল্যে বিক্রি করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
র্যাব কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোকে ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন ধরনের মাদক দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত কবরী আক্তারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


রোববার (২১ জানুয়ারি) স্পেকট্রাম বিভাগের পরিচালক ড. মো. সোহেল রানার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে ,দেশে ব্যবহৃত অবৈধ মোবাইল ফোন শিগগির নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে ।
এতে বলা হয়, বিটিআরসি জাতীয় পরিচিতি ও নিবন্ধিত সিম কার্ডের সঙ্গে ট্যাগিং করে প্রতিটি মোবাইল নিবন্ধনের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণ বা প্রদান নিশ্চিত করা, অবৈধভাবে উৎপাদিত বা আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ করার উদ্দেশ্যে এনইআইআরের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপে শুরু হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব আহরণ নিশ্চিত সম্ভব হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের চুরি ও অবৈধ ব্যবহার রোধ হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এনইআইআরের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপে চালু করে শিগগির অবৈধ মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে। এ পরিস্থিতিতে সবাইকে মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে বৈধতা যাচাই করে নিতে হবে।
বিটিআরসি জানিয়েছে ,মোবাইল কেনার আগে মেসেজ অপশন থেকে KYD ও ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর লিখে (উদাহরণ স্বরূপ: KYD 123456789012345) ১৬০০২ নম্বরে প্রেরণের মাধ্যমে হ্যান্ডসেটের বৈধতা যাচাই করা যাবে ।
১৬ জানুয়ারি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক দেশে অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন ।
ওইদিন তিনি বলেন, দেশে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিবন্ধনবিহীন মোবাইল ফোনগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। মোবাইল ফোনের ডেটাবেজ এবং অটোমেটিক রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা বিটিআরসির রয়েছে।
মন্তব্য করুন


রোজার মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে বুড়িচং থানার ওসি মহোদয় এবং থানা পুলিশ সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে নিমসার বাজারে বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার হওয়া এ অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহিদা আক্তার লেবু, শসা, কাঁচা মরিচ,ধনে পাতা, আলু, পেঁয়াজ প্রভৃতি পণ্যের দাম যাচাই করেন। কাঁচাবাজার এর
পাশাপাশি দোকানগুলোতেও রশিদ এর মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, লেবু ২০-৬০ টাকা হালি, কাচা মরিচ ২৬ টাকা, শশা ৩০ টাকা, খিরা ১২-১৫ টাকা , টমেটো ৫-৮ টাকা , আলু ১৬-১৮ টাকা, লাউ ১৮-২০ প্রতি পিস, পেঁয়াজ দেশি (মেহেরপুর) ১৮-২০ টাকা, পেয়াজ দেশি (পাবনা,নওগা) ২৫-৩০ টাকা, ডিম হালি ৩৩-৩৪ টাকা, চিচিংগা ১৫ টাকা, গাজর ১৫-২০ টাকা, বেগুন ৬০-৬৫/- (উন্নতমানের বড় সাইজ), চিকন বেগুন ৩০-৩৫ টাকা এবং সিম ২০-২৫ টাকা প্রতি কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।
তবে অভিযান পরিচালনাকালীন সময়ে এটাও বলে দেওয়া হয় যে ভবিষ্যতে কোনো প্রকার অনিয়ম বা মূল্য কারসাজি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর
জেলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ফরিদা
ইলিয়াসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি দীর্ঘদিন গোপনে থাকলেও সম্প্রতি নিজ বাসায় অবস্থান
করছিলেন।
বুধবার
(৮ জুলাই) দুপুরে গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ
আহমেদ।
ফরিদা
ইলিয়াস চাঁদপুর শহরের রেলওয়ে বড় স্টেশন রেল শ্রমিক কলোনির মৃত আব্দুল গফুর শেখের মেয়ে।
তার স্বামীর নাম ইলিয়াস হোসেন। তিনি ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে সক্রিয়
ভূমিকা পালন করেন। তিনি সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনির অনুসারী।
জানা
যায়, ফরিদা ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গত কয়েক মাস চাঁদপুরে প্রকাশ্যে
আসেন তিনি। সেই সঙ্গে দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের নতুন-পুরনো ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট
করেন।
পুলিশ
জানায়, ফরিদা ইলিয়াসকে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি হিসেবে বুধবার সকাল ৮টায় বড় স্টেশন
উত্তর শ্রীরামদী নিজ বাসা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নূরের নেতৃত্বে থানা পুলিশ
গ্রেফতার করে। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খায়রুল কবির উপস্থিত ছিলেন।
সন্ত্রাসবিরোধী
আইনে থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল আমিন।
চাঁদপুর
সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ বলেন, আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরে বিচারক
তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মন্তব্য করুন