

শিশুদের
খাওয়ানোর সময় মনোযোগ ধরে রাখতে অনেক অভিভাবক মোবাইল বা টেলিভিশনে ভিডিও চালিয়ে দেন।
তবে এবার দুধ দোয়ানোর আগে ভারতের একটি মহিষকে টিভি দেখানোর দাবি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল।
সম্প্রতি
ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, টিভি বা মোবাইলে ভিডিও না চালালে ওই মহিষ দুধ
দিতে চায় না। ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি এক গৃহবধূর কাছে জানতে চান, মহিষ দুধ দিচ্ছে
না কেন। উত্তরে ওই নারী জানান, টিভি চালু না করলে মহিষটি দুধ দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে।
এরপর
ঘরের টেলিভিশন চালু করা হলে মহিষটি পর্দার দিকে তাকিয়ে শান্ত হয়ে দাঁড়িয়ে যায় এবং কিছুক্ষণ
পর দুধ দোয়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয় বলে ভিডিওতে দেখা যায়। পুরো ঘটনাটি ধারণ করে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হলে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন।
তবে
ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভিডিওটি কোথায় বা কখন ধারণ
করা হয়েছে, সে সম্পর্কেও নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রাণী
আচরণ বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক প্রাণী নির্দিষ্ট শব্দ, পরিবেশ বা দৈনন্দিন অভ্যাসের সঙ্গে
অভ্যস্ত হয়ে যেতে পারে। তাই কোনো নির্দিষ্ট উদ্দীপনা তাদের আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে শুধু টিভি চালু করলেই মহিষ দুধ দেয়—এমন দাবির পক্ষে এখনো বৈজ্ঞানিকভাবে
নিশ্চিত কোনো প্রমাণ নেই।
মন্তব্য করুন


গোপালগঞ্জে
যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের চালক নিহত
হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন যাত্রী। আজ সোমবার (২৫ মে) দুপুরে
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাশুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
গোপালগঞ্জ
ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শিপলু আহম্মেদ জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কোটালীপাড়া
স্টার এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস ঘটনাস্থলে অপর একটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে
বিপরীতমুখী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ায়।
এ
সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেটকারও সজোরে মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়। ত্রিমুখী
এই সংঘর্ষের ফলে যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়
এবং মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারটি সড়কের ওপর দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে মাইক্রোবাসের চালক
ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং বাস ও প্রাইভেটকারের যাত্রীরা আহত হন।
দুর্ঘটনার
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং স্থানীয়দের সহায়তায়
হতাহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে গুরুতর
অবস্থায় ১৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া
হয়েছে। এই দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রায় দেড় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ
থাকে ।
মন্তব্য করুন


বাগেরহাটের
মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী সংরক্ষণ নিয়ে
গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। হাসপাতালের পরিত্যক্ত ভবন এবং বাথরুমে বিপুল পরিমাণ
সরকারি ওষুধ, স্যালাইন ও চিকিৎসাসামগ্রী পড়ে থাকার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর স্বাস্থ্য
বিভাগ তদন্তে নেমেছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পরিচালিত একটি
বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার
দুপুরে হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ
হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন বিভাগীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা (স্বাস্থ্য) শফিউর রহমান এবং
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন আ স ম মাহবুবুর রহমান।
পরিদর্শনের
সময় স্বাস্থ্য পরিচালক হাসপাতালের নারী ও পুরুষ ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। তিনি ভর্তি রোগীদের
সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ এবং খাবারের গুণগত মান সম্পর্কে সরাসরি
তথ্য নেন। পাশাপাশি হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনাও মূল্যায়ন করা হয়।
পরিদর্শন
শেষে হাসপাতালের পরিত্যক্ত ভবনে সংরক্ষিত প্রায় ৩০ ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ
দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এসব ওষুধের আনুমানিক
মূল্য প্রায় ২৯ লাখ টাকা।
এ
বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জনকে যথাযথ নিয়ম মেনে ওষুধ অপসারণ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে
প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে এসব ওষুধ পরিত্যক্ত
অবস্থায় পড়ে থাকার কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট সময়ে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কারণ
দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতাল
পরিদর্শনের পর বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কামাল হোসেন মুফতির পরিচালিত ‘ফ্যামিলি
হেলথ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ বন্ধ করার নির্দেশ দেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য
পরিচালক। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি
নিচ্ছে।
এর
আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আকস্মিকভাবে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। দীর্ঘ সময় ধরে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখার সময়
তিনি পরিত্যক্ত ভবনের কক্ষে বিপুল সরকারি ওষুধ, স্যালাইন, সিরিঞ্জ এবং চিকিৎসাসামগ্রী
সংরক্ষিত অবস্থায় দেখতে পান। এমনকি হাসপাতালের বাথরুমেও ওষুধ ও স্যালাইনের স্তূপ পাওয়া
যায়।
ঘটনাটি
নজরে আসার পরই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই
নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত
ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
স্বাস্থ্য
বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি ওষুধ সংরক্ষণে অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ
অপসারণে অবহেলা এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বে গাফিলতির বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে
পর্যালোচনা করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয়
প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
মন্তব্য করুন


ফেসবুকে পরিচয়, প্রেম। অতঃপর বছর দুই বছর আগে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ১১ বছরের অনামিকা আক্তার জুঁই ও ২০ বছরের যুবক শাকিল ওরফে শাকিব মিয়া। একসময় কোলজুড়ে আসে এক ছেলে সন্তান। সেই শিশুকে কেড়ে নিয়ে মাকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ স্বামী-শাশুড়ির বিরুদ্ধে। ১৩ বছরের জুঁই ৭ মাসের ছেলেকে ফিরে পেতে দ্বারস্থ হয়েছেন আদালতের।
মঙ্গলবার
(২৮ জুলাই) ঢাকার চিফ লিগ্যাল এইডের বিচারক মো. সায়েম খান বাচ্চাটিকে তার শিশু মায়ের
কাছে থাকার আদেশ দেন। আড়াই মাস পর ছেলেকে কোলে ফিরে পেয়েছেন জুঁই।
আড়াই
মাস আগে শিশুটিকে রেখে মা জুঁইকে বাসা থেকে বের দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ এনে গত ১ জুলাই
লিগ্যাল এইডে এমন অভিযোগ দেওয়া হয় শাকিল এবং তার মা আছমার বিরুদ্ধে। বাচ্চাকে উদ্ধারের
প্রার্থনা জানান জুঁই। তাদের ১৬ জুলাই লিগ্যাল এইডে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
তবে ওইদিন তারা হাজির হননি। এজন্য বিচারক সায়েম খান শিশুটিকে উদ্ধার করতে চকবাজার থানা
পুলিশকে নির্দেশ দেন। নির্দেশমতে গতকাল সোমবার শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। মঙ্গলবার
শাকিল ও তার মা আছমা লিগ্যাল এইডে হাজির হন। শিশুটিকেও নিয়ে আসা হয়। আসেন জুঁইও। পরে
শুনানি শুরু হয়।
প্রথমে
বিচারক সায়েম খান শিশুটির বাবাকে ডেকে নিয়ে পাশে বসান। এরপর জুঁইকেও ডেকে নিয়ে সামনে
বসানো হয়। এসময় জুঁইয়ের কোলে ছিল তার ৭ মাসের বাচ্চাটিও। সেখানে দুপক্ষের আইনজীবীরাও
উপস্থিত ছিলেন। এসময় বিচারক জুঁইয়ের কাছে জানতে চান, ‘তোমার বাবু?’ জুঁই বলেন, ‘হ্যা।
আমার ছেলে।’ ছেলেকে পেয়ে খুশি কি না জানতে চান বিচারক। জুঁই বলেন,
‘অনেক খুশি।’
এরপর
বিচারক সবার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জুঁই প্রথম যেদিন এখানে আসে, বিশ্বাস করিনি ওর বাচ্চা
আছে। বিশ্বাস করার মতোও না বিষয়টা। সে নিজেও একটা বাচ্চা।’
এরপর বিচারক শাকিলের কাছে তার বয়স জানতে চান। শাকিল বলেন, ‘২২ বছর বয়স।’এটুকু
মেয়েটাকে কীভাবে নিয়ে গেলে বিচারক জানতে চাইলে শাকিল দাবি করেন, ‘যখন নিয়ে গেছি প্রাপ্তবয়স্ক।
ওর একটা মামাতো বোন আছে। ওর চেয়ে এক বছরের ছোট। তার থেকে ওকে তিন গুন বড় দেখায়।’
জোর
করে আটকে রাখা হয়েছে কি না বিচারক জানতে চান। শাকিল বলেন, ‘না আটকে রাখিনি।’
এসময় জুঁইয়ের আইনজীবী মৃনাল কান্তি মিত্র বিচারককে বলেন, ‘পারিবারিক কোর্টে গার্ডিয়ানশিপের
মামলাও করে দিয়েছে।’ পরে বিচারক শিশুটি তার মায়ের কাছে
থাকবে মর্মে জানান।
এ
পর্যায়ে শাকিলের আইনজীবী খন্দকার মো. শাহজাহান ইসলাম বিচারককে বলেন, ‘বাচ্চাকে আটকে
রাখা হয়েছে এমন অভিযোগ যদি মনে করি তাহলে বিষয়টা একপক্ষে চলে যায়। আমরা বিশ্বাস করি
বা না করি, ঘটনা কিন্তু ঘটে গেছে। মা তার বাচ্চাকে ফেলে রেখে চলে গেছে। এজন্য তাকে
আর তার মায়ের কাছে দেওয়া যায় না। এজন্য গার্ডিয়ানশিপের মামলা করি। এখন বাচ্চাটা মায়ের
কাছে গেলে বিষয়টা সাংঘর্ষিক হয়ে যায় না?’
তখন
বিচারক বলেন, ‘যেহেতু বাচ্চাটাকে নিয়ে আসা হয়েছে, মায়ের কাছে থাকুক। মানবিক দিক তো
দেখতে হবে।’
বাচ্চাকে
মায়ের কাছে রাখার আদেশ দিয়ে আগামী মঙ্গলবার শুনানির পরবর্তী দিন রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন
লিগ্যাল এইড অফিসে কর্মরত (জেল অর্ডার) মো. লুৎফর রহমান। শুনানি শেষে জুঁই বিচারকের
কাছে জানতে চান, বাচ্চা তার কাছে থাকবে কি না। বিচারক বলেন, ‘হ্যা, তোমার কাছে থাকবে।
জুয়েল খান ও লিমা আক্তারের একমাত্র কন্যা জুঁই। জুয়েল খান অটোরিক্সা চালিয়ে জীবিকা
নির্বাহ করেন। আর লিমা আক্তার দুই বছর আগে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরব যান। মেয়েকে নিয়ে
জুয়েল খান হাজারীবাগ এলাকায় বসবাস করতেন। এদিকে সৌদি আরবে থাকাবস্থায় লিমা মেয়ের বিয়ের
কথা শুনতে পান। ১৪ দিন আগে দেশে ফিরেছেন। আজ তিনিও লিগ্যাল এইড অফিসে উপস্থিত হন। তার
স্বামী জুয়েল খানও ছিলেন।
লিমা
অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়ে পড়াশোনা করতো। এই ছেলে ফুঁসলায়ে আমার মেয়েকে নিয়ে অনেক
দিন রাখে। এরপর নিয়ে আসি। আবার আমার মেয়েকে নিয়ে গেছে। আমি তো শুরু থেকেই এই ছেলের
কাছে মেয়ে দেবো না। আমার যদি ছেলের ফ্যামিলি দেখে পছন্দ হয় নাই। আমি মেয়ে দেব কেন?
আমার মেয়ের তো বিয়ের বয়স হয়নি। ওর কেবল ১৩ বছর বয়স।’
জুয়েল
খান বলেন, ‘তাকে (শাকিলকে) বলি আমার মেয়ে মেট্রিক পরীক্ষা দিবে তারপর বিয়ের কথা বলবো।
ও আমার মেয়েকে ভাগায় নিয়ে যায়। এক সপ্তাহ রাখে। মান-সম্মানের দিকে তাকায়ে কিছু বলিনি।
পরে আবার ভাগায়ে নিয়ে আমার মেয়েকে বিয়ে করছে। কোন জায়গায় গিয়ে বিয়ে করছে তাও আমি জানি
না। আমাকে অনেক হুমকি-ধমকি দিছে।’
শাকিল
বলেন, ‘ফেসবুকে ওর সঙ্গে আমার পরিচয়। পরিচয়ের মাসখানেক পর আমাকে বলে, তাকে নিয়ে আসতে।
না নিয়ে আসলে মরে যাওয়ার হুমকি দেয়। কিছু চিন্তা না করে নিয়ে গেছি। বিয়ে করছি। আমার
মা ওরে মাইন্যা নিছে। আমার মা ওরে নামাজ-কালাম পড়তে কয়। আমার মাকে আজে-বাজে কথা বলতো।
মায়ের সাথে বনতো না। ওর জন্য আমি আমার কাছেও অনেক অত্যাচার করছি।’
তিনি
বলেন, ‘পরে ও চলে যায়। ওর বাপে ওকে বরিশালে নিয়ে আটকে রাখে। বাচ্চা হওয়ার পরে আবার
আমার বাসা সোয়ারীঘাটে নিয়ে আসি। আনার পর ওর বাবা যখন আমাদের বাসায় আসতো, তখন ঝগড়া বাঁধতো।
একা থাকলে ঝগড়া হতো না। আমাকে ঘরজামাই থাকতে বলে। আমি থাকি না। ওর বাপে স্ট্রোক করছে
এ কথা বলে তিন মাস আগে এক ঘণ্টার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়। বাচ্চা রেখে যাই। এরপর
আর কোনো খোঁজ-খবর নেয় নাই তিন মাসের মধ্যে। এখন তারা দরদ দেখাইতেছে।’
জুঁইয়ের
চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শাকিল। জুঁইয়ের আইনজীবী মৃনাল কান্তি মিত্র বলেন, ‘শুটিং
স্পট দেখানোর কথা বলে মেয়েটাকে নিয়ে সেখান থেকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে আটকে রাখে। শারীরিকভাবে
নির্যাতন করে। ব্ল্যাংক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে বলে বিয়ে হয়ে গেছে। স্বামীর অধিকার
দেখিয়ে তাকে বারবার নির্যাতন করে। গত ১ জানুয়ারি বাচ্চা ডেলিভালি হয়। বাচ্চাকে রেখে
গত মে মাসে ভিকটিমকে বিদায় করে দেয়। বাচ্চাটাকে মায়ের কাছ থেকে নিয়ে নিতে গার্ডিয়ানশিপের
মামলা করে। তারা নিরুপায় হয়ে লিগ্যাল এইডে আসে। বাচ্চা উদ্ধারে সার্চ ওয়ারেন্ট দেওয়া
হয়। আজ বাচ্চাকে এখানে নিয়ে আসা হয়। বাচ্চাটা মায়ের কাছে থাকবে এমন আদেশ এসেছে।’
মন্তব্য করুন


সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা
গর্বিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে
ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আজকে আমরা বিশেষভাবে সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত যে, বাংলাদেশের তিনবারের
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া আজ এখানে আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন। এক যুগ ধরে তিনি এই মহাসম্মেলনে
অংশগ্রহণের সুযোগ পান নাই। আজকে সুযোগ পেয়েছেন, আমরা সবাই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমরা
এই সুযোগ দিতে পেরেছি আপনাকে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও এই বিশেষ দিবসে সবার সঙ্গে
শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আমরা তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। এবং এই
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বাগত জানাচ্ছি।
দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন
তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস এবং খালেদা জিয়া পাশাপাশি বসেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়া কুশল
বিনিময় করেন। খালেদা জিয়াকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায় এবং তাদের হাস্যোজ্জ্বল কথাবার্তা
বলতে দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
জানা গেছে, এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকার যে ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে-বিচার ও সংস্কার দৃশ্যমান করার মধ্য দিয়ে তাদের
নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন। এজন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন অন্তর্বর্তী সরকার
ততটুকু সময় পেতে পারে।
আজ
শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের বিরতিতে এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমন কথা বলেন।
আখতার
হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে বিচার ও সংস্কারের দৃশ্যমান রোডম্যাপ সরকারকে উপস্থাপন
করতে হবে। আমরা নির্বাচন প্রলম্বিত করার পক্ষে নয়, তবে তার আগে বিচার এবং সংস্কারকে
যেন অবশ্যই দৃশ্যমান করা হয়। সে ব্যাপারে আমরা জোরালো বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। আমরা
এখন পর্যন্ত সংবিধানের বিষয়ে আলোচনা করেছি। এখন পর্যন্ত বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন,
জনপ্রশাসন, দুদক এবং পুলিশ সংস্কার কমিশনের মতো বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে পারিনি। তবে
পুলিশ সংস্কার কমিশিনের রিপোর্ট কেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি সে বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন
করেছি। আমাদের মতামতগুলো জানাতে চেয়েছি।
বর্তমান সংবিধানের অধীনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত সম্ভব
নয় উল্লেখ সম্ভব নয় উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে একচ্ছত্র
ক্ষমতায়ন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সাংবিধানিকভাবেই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ
তৈরি হয়েছে। আমরা ক্ষমতার ভারসাম্যের কথা বলেছি এবং সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের কথা
আমরা বলেছি। কীভাবে নতুন একটি সংবিধান পুনর্লিখন করা যায়। গণপরিষদ নির্বাচনের বাস্তবতা
নিয়ে আমরা কথা বলেছি।
এনসিপি’র
দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬টি বিষয়ের মধ্যে
১২৯টি বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। যেসব বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি সেসব বিষয়ে আমাদের অবজারভেশন
রয়েছে। এসব বিষয়ে সংযোজন, বিয়োজনের নোট আমরা ঐকমত্য কমিশনে দিয়েছি। আমরা মূলত এখন পর্যন্ত
তিনটি বিষয়ে কথা বলেছি। প্রথমত, প্রটেকশন অব সিটিজেন (নাগরিকদের নিরাপত্তা)। আমরা দেখেছি,
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রে নাগরিকদের নিরঙ্কুশ অধিকার কখনো স্বীকৃত হয়নি। সেসব
বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কথা বলেছি।
দ্বিতীয়ত,
আমরা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে কথা বলেছি। আমরা প্রতিনিয়ত দেখেছি, যখনই ক্ষমতা
হস্তান্তরের একটি সময় এসেছে তখনই দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। একটা সরকার
থেকে অন্য সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর কীভাবে হবে এই বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা
হচ্ছে।
তৃতীয়ত,
সংসদের স্থিতিশীলতার নামে আর্টিকেল ১৭ দিয়ে আমাদের কন্ঠ রোধ করে রাখা হয়েছে- এ বিষয়ে
কথা হয়েছে। আমাদের সংসদকে আরো বেশি কীভাবে কার্যকর করা যায় ওই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কথা
হয়েছে।
উক্ত বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
এনসিপি’র
পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক
সরোয়ার তুষার, জ্যেষ্ট যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী,
মুখ্য সংগঠক (দাক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পাঠ করান।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) বঙ্গবনের দরবার হলে প্রায় ৪০০ অতিথির উপস্থিতিতে শপথ নেন তিনি।
ড. ইউনূসের পর শপথ নেন ১৩ উপদেষ্টা। তারা হলেন- ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, ড. আসিফ নজরুল, আদিলুর রহমান খান, হাসান আরিফ, তৌহিদ হোসেন, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মো. নাহিদ ইসলাম (ছাত্র প্রতিনিধি), আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া (ছাত্র প্রতিনিধি), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, ফরিদা আখতার, ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, নুরজাহান বেগম এবং শারমিন মুরশিদ।
এদিকে ঢাকার বাইরে থাকায় উপদেষ্টার শপথ নেননি তিনজন। তারা হলেন- বিধান রঞ্জন রায় (চিকিৎসক), ফারুক-ই-আজম (বীর প্রতীক) ও সুপ্রদীপ চাকমা (পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রদূত)।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদে যারা রয়েছেন তাদের দায়িত্ব ও পরিচয় প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো:
১.
ড.
মুহাম্মদ
ইউনূস
ছিলেন শিক্ষকতা পেশায়। সেখান থেকে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা। পরে ওই ব্যাংককে সাথে নিয়ে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সেই থেকে বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্বেও সুনাম কুড়িয়েছিলেন অধ্যাপক ইউনূস।
২. সালেহউদ্দিন আহমেদ
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের নবম গভর্নর। ড. ফখরুদ্দীন আহমদ দায়িত্ব ত্যাগের পর তিনি ২০০৫ সালের ১ মে গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন এবং ২০০৯ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই পদে অধিষ্ঠিত থাকেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জেলার নবীনগর উপজেলার শ্রীরামপুর (দরিশ্রীরামপুর) গ্রামে তার জন্ম। তিনি ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ১৯৬৩ সালে এবং ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৬৫ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে যথাক্রমে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন। ১৯৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বিএ অনার্স পাস করেন এবং ১৯৬৯ সালে একই বিষয়ে এমএ পাস করেন। ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির লেকচারার হিসেবে যোগ দেন। তৎকালীন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রশাসনে সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তান (সিএসপি) ক্যাডারে যোগ দেন। ১৯৭৮ সালে কানাডার হ্যামিল্টন শহরে অবস্থিত ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
৩. ড. আসিফ নজরুল
আসিফ নজরুলের জন্ম ১২ জানুয়ারি ১৯৬৬। তিনি একাধারে লেখক, ঔপন্যাসিক, রাজনীতি বিশ্লেষক, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও কলামিস্ট। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ১৯৮৬ সালে স্নাতক ও ১৯৮৭ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ১৯৯৯ সালে সোয়াস (স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ) ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে তাঁর পিএইচডি সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময় জার্মানির বন শহরের এনভায়রনমেন্টাল ল সেন্টার থেকে তিনি পোস্ট ডক্টরেট ফেলোশিপ অর্জন করেন। তিনি স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজে একজন কমনওয়েলথ ফেলো হিসেবে কাজ করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পূর্বে ১৯৯১ সালে আসিফ নজরুল একটি বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক পত্রিকা বিচিত্রায় কাজ করতেন। তিনি কিছু সময় বাংলাদেশ সরকারের একজন সরকারি কর্মকর্তা (ম্যাজিস্ট্রেট) হিসেবে কাজ করেছেন।
৪. আদিলুর রহমান খান
আদিলুর রহমান খানের জন্ম ২৩ ডিসেম্বর ১৯৫২। একজন মানবাধিকার কর্মী এবং মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বাংলাদেশের একজন আইনজীবী এবং সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। আদিলুর রহমান এবং সুশীল সমাজের অন্য সদস্যরা ১০ অক্টোবর, ১৯৯৪ সালে মানবাধিকার সংস্থা অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সরকার কর্তৃক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত হয়েছিলেন।
২০১৩ সালে, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ২০১৩ সালের শাপলা স্কোয়ার বিক্ষোভের সময় নেতাকর্মীদের অপসারণের অভিযানে নিহতের সংখ্যা সম্পর্কে ‘বিভ্রান্তি ছড়ানোর’ জন্য খানের বিরুদ্ধে ঢাকায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
৫. এ এফ হাসান আরিফ
আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ বাংলাদেশের সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি ১৯৪১ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। আরিফ সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ কলকাতা থেকে তার মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং এলএলবি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
হাসান আরিফ অক্টোবর ২০০১ থেকে এপ্রিল ২০০৫ পর্যন্ত বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি জানুয়ারি ২০০৮ থেকে জানুয়ারি ২০০৯ পর্যন্ত বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন উপদেষ্টা ছিলেন।
৬. তৌহিদ হোসেন
মো. তৌহিদ হোসেনের জন্ম ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫ সালে। তিনি একজন সাবেক পররাষ্ট্রসচিব। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তিনি ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিসে যোগদান করেন।
৭. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের জন্ম ১৫ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ‘পরিবেশ পুরস্কার’ এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ‘গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজ’ প্রাপ্ত এবং ২০০৯ সালে টাইম সাময়িকীর ‘হিরোজ অব এনভায়রনমেন্ট’ খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশি আইনজীবী ও পরিবেশকর্মী।
৮. মো. নাহিদ ইসলাম
নাহিদ ইসলাম কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করেন। নাহিদের জন্ম ১৯৯৮ সালে ঢাকায়। তার বাবা শিক্ষক। মা গৃহিণী। ছোট এক ভাই রয়েছে তার। তিনি সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছেন।
৯. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করেন।
১০. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন
এম সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে। তিনি একজন সাবেক নির্বাচন কমিশনার (২০০৭-২০১২)। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত)।
১১. সুপ্রদীপ চাকমা
সুপ্রদীপ চাকমা সাবেক রাষ্ট্রদূত ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান। সুপ্রদীপ চাকমার জন্ম ১৯৬১ সালে খাগড়াছড়ির কমলছড়িতে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তিনি সপ্তম বিসিএসে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। মেক্সিকো ও ভিয়েতনামে রাষ্ট্রদূত ছিলেন সুপ্রদীপ চাকমা। এ ছাড়া রাবাত, ব্রাসেলস, আঙ্কারা ও কলম্বোতে বাংলাদেশ মিশনেও তিনি বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন।
১২. ফরিদা আখতার
ফরিদা আখতার একজন লেখক, গবেষক ও আন্দোলনকর্মী। বেসরকারি সংস্থা উবিনীগের (উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা) নির্বাহী পরিচালক তিনি।
১৩. বিধান রঞ্জন রায়
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ছিলেন তিনি।
১৪. আ ফ ম খালিদ হাসান
আবুল ফয়েজ মুহাম্মদ খালিদ হোসেন (যিনি ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন নামে সর্বাধিক পরিচিত। তিনি বাংলাদেশি সুন্নি দেওবন্দি ইসলামী পণ্ডিত। তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক নায়েবে আমির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শিক্ষা উপদেষ্টা, মাসিক আত তাওহীদের সম্পাদক, বালাগুশ শরকের সহকারী সম্পাদক এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের কুরআনিক সায়েন্সেস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অতিথি শিক্ষক।
১৫. নুরজাহান বেগম
তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
১৬. শারমিন মুরশিদ
ব্রতী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ।
১৭. ফারুক-ই-আজম
তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র সমন্বিত যুদ্ধাভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’। চট্টগ্রাম বন্দরে আক্রমণের জন্য গঠিত ওই অভিযানিক দলের উপ-অধিনায়ক ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে অনেক বাধাবিপত্তি পেরিয়ে তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছান। ৬ মে তিনি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতের হরিণা ইয়ুথ ক্যাম্পে আশ্রয় নেন। এই অবস্থায় তিনি একদিন শুনলেন, নৌবাহিনীর জন্য মুক্তিযোদ্ধা রিক্রুট করা হবে। তিনি লাইনে দাঁড়ালেন। টিকে গেলেন। পলাশীতে দুই মাসের প্রশিক্ষণ শেষে ১ আগস্ট অপারেশনের জন্য তাঁকে মনোনীত করা হয়।
মন্তব্য করুন


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর প্রামাণ্যচিত্র
নির্মাণে সরকার সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ
ইসলাম।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয়
গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে কনটেন্ট ক্রিয়েশন, স্ক্রিন প্লে অ্যান্ড ভিজ্যুয়াল প্রোডাকশন
টেকনিকস্ বিষয়ক প্রশিক্ষণ পাঠ্যধারার সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিডিও সংরক্ষণের
ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণের
দায়িত্ব আামাদের সকলের। এ গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করেই আমাদের সৃষ্টিশীল কাজে মনোনিবেশ
করতে হবে। এই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী শাসকের
যেমন বর্বরতার গল্প রয়েছে, তেমনি ছাত্র-জনতার সাহসিকতার গল্পও রয়েছে। তিনি ছাত্র-জনতার
সাহসিকতার গল্প জনসম্মুখে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তথ্য উপদেষ্টা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের
ওপর ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণের জন্য প্রশিক্ষণার্থী ও কোর্স প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগানোর জন্য প্রশিক্ষণার্থীর প্রতি আহ্বান জানান।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক
সুফী জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সচিব মাহবুবা ফারজানা, কোর্স পরিচালক ড. মো. মারুফ নাওয়াজ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সার্চ কমিটির আহ্বায়ক মো. আল আমিন রাকিব তনয়।
অনুষ্ঠানের শেষে উপদেষ্টা প্রশিক্ষণার্থীদের
মাঝে সনদ বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশন সচিব জাহাংগীর আলম জানিয়েছেন,ভোটে অনিয়মের ছবি প্রকাশ হওয়ায় সদ্য সমাপ্ত লক্ষ্মীপুর-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গত রোববার (৫ নভেম্বর) লক্ষ্মীপুর-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। ভোটে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ ওঠে। ভোটার তালিকা ত্রুটিপূর্ণ বলেও অভিযোগ করেন প্রার্থীরা।
আসনটিতে উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান আলম নৌকা প্রতীক নিয়ে ৬৬ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা কলার ছড়ি প্রতীকে পান ৩৭ হাজার ৫৫৭ ভোট।
অন্যদিকে, লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের উপনির্বাচনেও অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেন জাতীয় পার্টি ও জাকের পার্টির প্রার্থী। ভোটের দিন দুপুরে দুই প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
উপনির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক। ভোটের পরদিন গতকাল সোমবার দুপুরে সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ বাজারে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বর্তমান নির্বাচন কমিশন দিয়ে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
এছাড়া আসনটিতে ভোটগ্রহণ চলাকালে একটি কেন্দ্রে ‘জাল ভোটের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেখানকার একটি ভোটকেন্দ্রে একজনকে একাধিক ব্যালট পেপারে নৌকা প্রতীকে সিল মারতে দেখা যায়। গতকাল সোমবার সেই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সুষ্ঠু ভোট নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ভাইরাল হওয়া ৫৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভোটকক্ষে বসে এক ব্যক্তি ব্যালট পেপারে বিরামহীনভাবে নৌকা প্রতীকে সিল মারছেন। তার গলায় নৌকা প্রতীকের কার্ড ঝুলছে। এসময় ৪৩টি ব্যালটে নৌকা প্রতীকে তাকে সিল মারতে দেখা যায় তাকে।
এরপরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একাধিক সিল মারা ওই ব্যক্তির নাম আজাদ হোসেন। তিনি সদর উপজেলা দিঘলী ইউনিয়নের দক্ষিণ খাগুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নৌকার এজেন্ট হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তবে ওই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাম ফারুক পিংকু প্রকাশ্যে নৌকায় সিল মারা আজাদকে ছাত্রশিবিরের কর্মী বলে দাবি করেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর একই দিনে মারা যান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার ভুঁইয়া ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শাহজাহান কামাল। তাদের মৃত্যুতে গত ৪ অক্টোবর আসন দুটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
আসনটিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে পিংকু ১ লাখ ২০ হাজার ৫৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী মোহাম্মদ রাকিব হোসেন লাঙল প্রতীকে পান ৩ হাজার ৮৪৬ ভোট।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নতুন চার উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নতুন চার উপদেষ্টার শপথ গ্রহণ শেষে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।
নতুন উপদেষ্টাদের দপ্তর বন্টনসহ হলো বর্তমান উপদেষ্টাদের দপ্তর দায়িত্বেও পুন:বন্টন ।
নতুন উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদকে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানকে। এছাড়া স্বরাষ্ট্র এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন লে. জে. জাহাংগীর আলম চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


পবিত্র রমজান উপলক্ষে অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম
উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ।
আজ শনিবার পবিত্র রমজান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা
জানান।
বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস রমজান আজ
আমাদের মাঝে সমাগত। পবিত্র এ মাসে আত্মসংযমের মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে;
সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা লাভের অপূর্ব সুযোগ হয়।
ধনী-গরিব সবার মাঝে
পারস্পরিক সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার আহবান জানিয়ে প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাবতীয় ভোগবিলাস,
হিংসা-বিদ্বেষ, উচ্ছৃঙ্খলতা ও সংঘাত পরিহার এবং জীবনের সর্বস্তরে পরিমিতিবোধ,
ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি। সিয়াম পালনের
পাশাপাশি বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করি এবং ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকি।
তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ আমাদের জাতীয় জীবনে পবিত্র মাহে
রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন। মাহে রমজান আমাদের জীবনে বয়ে আনুক
অনাবিল শান্তি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ক্ষমা ও হেফাজত করুন, আমিন।
মন্তব্য করুন