

ভারতের
মধ্য প্রদেশে গোবর ও গোমূত্র দিয়ে ক্যানসারের ওষুধ তৈরির একটি সরকারি গবেষণা প্রকল্পে
ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় এক দশক ধরে চলা এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের
কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও গবেষণার বাস্তব ফলাফল এবং অর্থ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর
প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
২০১১
সালে জবলপুরের নানাজি দেশমুখ ভেটেরিনারি সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে গরুর মল-মূত্র ও দুগ্ধজাত
পণ্যের মিশ্রণ ব্যবহার করে ক্যানসারসহ গুরুতর রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে
এই প্রকল্প শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শুরুতে আট কোটি রুপি দাবি করলেও মধ্য
প্রদেশ সরকার প্রকল্পটির জন্য সাড়ে তিন কোটি রুপি অনুমোদন দেয়। তবে প্রকল্পের অর্থের
ব্যাপক অপব্যবহার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।
অভিযোগ
পাওয়ার পর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে প্রকল্পটির ওপর তদন্ত শুরু হয়। অতিরিক্ত কালেক্টরের
নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি ২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ব্যয়ের নথিপত্র পরীক্ষা করে
সম্প্রতি কালেক্টরের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
তদন্তে
দেখা গেছে, শুধু গোবর, গোমূত্র, কাঁচামাল, সংরক্ষণ পাত্র ও যন্ত্রপাতির পেছনেই প্রায়
১ কোটি ৯২ লাখ রুপি ব্যয় দেখানো হয়েছে, যা বাজারদরের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। তদন্তকারীদের
মতে, এসব সামগ্রীর প্রকৃত খরচ ১৫ থেকে ২০ লাখ রুপির বেশি হওয়ার কথা নয়। এছাড়া গবেষণার
নামে দেশের বিভিন্ন শহরে ২৩ থেকে ২৪ বার প্লেনে ভ্রমণের খরচ দেখানো হয়েছে, যার প্রয়োজনীয়তা
নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, অনুমোদিত বাজেটে না থাকা সত্ত্বেও প্রায় সাড়ে সাত লাখ রুপির একটি গাড়ি কেনা
হয়। পাশাপাশি জ্বালানি ও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণে সাড়ে সাত লাখ রুপি, শ্রমিক খাতে সাড়ে তিন
লাখ রুপি এবং আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিতে প্রায় ১৫ লাখ রুপি ব্যয়ের তথ্য পাওয়া
গেছে—যেগুলোকে প্রকল্পের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত বলে উল্লেখ করেছে
তদন্ত কমিটি।
অতিরিক্ত
কালেক্টর রঘুভর মারাভি বলেন, প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা থাকলেও
কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, তার কোনো স্পষ্ট নথি নেই। এমনকি যেসব গাড়ি কেনার কথা
বলা হয়েছে, সেগুলোর অবস্থানও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তবে
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রেজিস্ট্রার ড. এস এস তোমর বলেন,
সব কেনাকাটা সরকারি নিয়ম মেনে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে হয়েছে এবং প্রকল্প নিয়মিত
অডিটের আওতায় ছিল। তার দাবি, ‘এখানে কোনো দুর্নীতি হয়নি। তদন্ত কমিটিকে সব নথি সরবরাহ
করা হয়েছে।’
এখন
এই তদন্ত প্রতিবেদন ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকে পরবর্তী আইনি বা
প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেছেন, পিআর খায় না পিআর গায়ে মাখে এ পদ্ধতি জনগণ আর মানে না, জনগণ চায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবে। পি আর দিয়ে নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে। বিগত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে এদেশে লুটপাটের মহারাজ্য সৃষ্টি হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে নির্বাচিত সরকার ছাড়া এসব টাকা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তাই অচিরেই পি আর পদ্ধতি বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন দেন।
তিনি আরও বলেন, যারা একাত্তর এর মুক্তিযোদ্ধাকে স্বীকার করে না, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া উর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে স্বীকার করে না।,শহীদ প্রেসিডেন্টকে জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকার করে না,তারা ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তদেয়াকে স্বীকার করেনা, তাদের বাংলাদেশে ভোট চাওয়ার অধিকার নেই,তাদের রাজনীতি করার অধিকার নাই। তিনি বলেন কোন হাইব্রীড যেন বিএনপির নেতা না হতে পারে সেজন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে গতকাল রোববার ২৪ আগস্ট বিকেলে ভগবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ জাকারিয়া তাহের সুমন।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মোস্তাক মিয়া।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সদস্য এডভোকেট সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, বুড়িছং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির বাবুল।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী জসিম উদ্দিন জসিম এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাজী আমির হোসেন।আরও যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম, এডভোকেট মনিরুল হক সরকার, কেন্দ্রীয় বিএনপি, জেলা বিএনপি, উপজেলা বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শেষে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন হাজী জসিম উদ্দিন জসিম, সাধারণ সম্পাদক হাজী আমির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুল হক ভূঁইয়া রিপন ও শাহ জাহান সাজু।
মন্তব্য করুন


আসন্ন পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ১০ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চালু থাকবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এই ১০ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রমের জন্য সময়সূচি প্রকাশ করেছে ।
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, ক্লাস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সই করা এক পরিপত্রে এ রুটিনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
পবিত্র রমজান মাসে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিসের সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব দপ্তর চলবে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। আর জোহরের নামাজের জন্য দুপুর সোয়া একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে।
এদিকে, রমজান উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) থেকে সারা দেশের সব মাদ্রসায় ছুটি শুরুর কথা ছিল। তবে স্কুল-কলেজের পর অবশেষে মাদ্রাসার ছুটির তালিকাও সংশোধন করে সরকার। এতে ১৫ দিন ছুটি কমানো হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদ্রাসায় ক্লাস-পরীক্ষা চলবে ২১ মার্চ পর্যন্ত। দেশের তিনটি সরকারি আলিয়া মাদরাসা এবং বেসরকারি ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসাগুলোতেও শ্রেণি কার্যক্রম চলবে।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, পরিস্থিতি জটিল না হলে গ্যাস-বিদ্যুতের
দাম বাড়ানো হবে না। আমরা চাই দাম সহনীয় রাখতে। চেষ্টা করবো জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে।
আপাতত নির্বাহী আদেশে আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। যে সব প্রকল্প
চুক্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে, সেগুলো বন্ধ থাকবে।
রবিবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদ
সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বিদ্যুৎ জ্বালানি
ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর দুপুরে প্রথম সচিবালয়ে
আসেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, নির্বাহী আদেশে
আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। দাম সমন্বয় করতে হলে বাংলাদেশ এনার্জি
রেগুলেটরি কমিশনে পাঠানো হবে। অতিরিক্ত যেকোন ব্যয় বন্ধ করে মিতব্যয়িতা নীতি গ্রহণ
করতে হবে, কিন্তু কাজ কমানো যাবে না। কম অর্থে বেশি কাজ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


ঢালিউডের
আলোচিত ও সমালোচিত অভিনেত্রী পরীমণি বরাবরের মতোই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। ব্যক্তিগত
কিংবা পেশাগত কোনো মুহূর্ত শেয়ার করলেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভক্তদের মাঝে। বয়সভেদে আট
থেকে আশি- সব শ্রেণির দর্শকের নজর কাড়তে তার জুড়ি নেই।
সম্প্রতি
একটি জুয়েলারি শোরুম উদ্বোধনের কাজে মালয়েশিয়ায় যান পরীমণি। কাজের ফাঁকে অবসর সময় কাটাতে
তিনি ছুটে যান দেশটির জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা ল্যাংকাউই দ্বীপে। সেখানে কাটানো কিছু মুহূর্তের
ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী।
শেয়ার
করা ছবিগুলোতে দেখা যায়, সৈকতের সামনে নীল আকাশের নিচে গ্ল্যামার ছড়াচ্ছেন পরীমণি।
ছোট প্যান্ট ও স্লিভলেস টপসে তাকে দেখা গেছে, সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ সানগ্লাস। ছবির ক্যাপশনে
অভিনেত্রী লেখেন, ‘শীত নাই’।
দেশে
যখন তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে, তখন পরীমণির এসব ছবি যেন উষ্ণতার পরশ ছড়িয়েছে নেটিজেনদের
মাঝে। মন্তব্যের ঘরে ভক্ত-অনুরাগীরা তার সৌন্দর্য ও ফিটনেসের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ভারতের
মহারাষ্ট্রে ঘটে গেল ভালোবাসা ও নিষ্ঠুরতার এক মর্মন্তুদ ঘটনা। বর্ণবিভাজনের দেয়াল
ভেঙে উচ্চবর্ণের মেয়ে আঁচলের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন নিম্নবর্ণের তরুণ
সক্ষম তাঁতী (২০)। কিন্তু সেই প্রেম টিকল না সমাজের কঠোর জাত প্রথার কাছে—প্রেমের
অপরাধেই প্রাণ দিতে হলো সক্ষমকে।
স্থানীয়
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিবারের অমতে প্রেম করার ‘দুঃসাহসের’
জেরে আঁচলের স্বজনদের হাতে নির্মম নির্যাতনের পর নিহত হন সক্ষম। তবে প্রেমিকের মৃত্যু
থামাতে পারেনি আঁচলকে সক্ষমের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় তাঁর কপালে সিঁদুর পরে মৃত প্রেমিককেই
স্বামী হিসেবে গ্রহণ করেন তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা দেন, ভবিষ্যতে সক্ষমের পরিবারেই পুত্রবধূ
হিসেবে থাকবেন।
এনডিটিভির
খবর অনুযায়ী, আঁচলের ভাইদের মাধ্যমে সক্ষমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। বাড়িতে নিয়মিত ওঠা–নামার
মধ্য দিয়ে তিন বছরের সম্পর্কে রূপ নেয় তাঁদের বন্ধুত্ব। কিন্তু সম্পর্কের কথা জানতে
পেরে আঁচলের পরিবার তীব্র আপত্তি জানায়। হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করেও দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত
নেন।
গত
বৃহস্পতিবার সেই সিদ্ধান্তের খবর আঁচলের বাবা ও ভাই জানতে পারেন। অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা
পরিকল্পিতভাবে সক্ষমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর নির্মমভাবে নির্যাতন, মাথায় গুলি
এবং পরে ভারী পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে দিয়ে হত্যা করা হয় তাঁকে।
সক্ষমের
মৃত্যুসংবাদ পেয়ে আঁচল ছুটে যান তাঁর বাড়িতে। শেষকৃত্যের সময় প্রেমিকের নিথর দেহে হলুদ
মেখে নিজের কপালে সিঁদুর পরেন—অর্থাৎ মৃত্যুর মধ্য দিয়েই তিনি সম্পন্ন
করেন বিয়ের আচার।
আঁচল
বলেন, সক্ষম আর আমি আমাদের ভালোবাসা শেষ পর্যন্ত জিতেছে। আমার বাবা ও ভাইয়েরা পরাজিত
হয়েছে। সক্ষম নেই, কিন্তু আমাদের সম্পর্ক এখনও জীবিত। তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের
সর্বোচ্চ শাস্তি, অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।
এদিকে
স্থানীয় পুলিশ এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণসহ একাধিক
ধারায় মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর ফুলবাড়িয়ার ঐতিহাসিক হযরত গোলাপ শাহ্ (রহ.) মাজারের দানবাক্স খুলে আবারও মিলল বিপুল পরিমাণ দান। সর্বশেষ গণনায় দান হিসেবে পাওয়া গেছে ৫৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫০ টাকা।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ গণনার এ তথ্য প্রকাশ করে।করপোরেশন জানায়, গত ২ ডিসেম্বর সকাল থেকে রাত পর্যন্ত—পুরো ১২ ঘণ্টা—মাজার ও মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির তত্ত্বাবধানে ৫৬ জন অনুমোদিত গণনাকারী দান গণনার কাজে যুক্ত ছিলেন। এর আগে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি দানগণনা হয়েছিল; প্রায় ১০ মাস পর এবার নতুন করে ওই অর্থের হিসাব করা হলো।মাজার ও মসজিদ ব্যবস্থাপনায় ১৫ সদস্যের একটি কমিটি কাজ করছে, যেখানে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতি এবং প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা সদস্য সচিবের দায়িত্বে আছেন। দানবাক্সের টাকা গণনা ও ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য আরও একটি ১৫ সদস্যের উপকমিটি রয়েছে, যার নেতৃত্বে করপোরেশনের সচিব। গণনাকারীদের নাম ও সংখ্যা আগে থেকেই করপোরেশন অনুমোদন করে থাকে।গণনা শেষে সব টাকা সরাসরি জনতা ব্যাংকের নগর ভবন শাখায় মাজারের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়। দানকৃত অর্থ কেবল মাজার ও মসজিদের উন্নয়ন, সংস্কার ও ব্যবস্থাপনার খাতে ব্যয় হয়।
দানকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটি জানিয়েছে—গোলাপ শাহ্ (রহ.) মাজারের প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই এ বিপুল দানের প্রমাণ।
মন্তব্য করুন


চব্বিশের
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে দেশ গঠনের যে ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাকে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজে লাগানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর। তিনি বলেন, ‘দেশপ্রেমিক সকল শক্তিকে এখন এক হয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, যাতে
এই বিজয়ের জন্য দেওয়া আত্মত্যাগ বৃথা না যায় এবং একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র
প্রতিষ্ঠা করা যায়।’
আজ
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান
জানান। অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এবং তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থ প্রকাশনা উপলক্ষ্যে
এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা
সভায় বিএনপি মহাসচিব অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে
‘এক অসামান্য ব্যক্তিত্ব ও দূরদর্শী চিন্তাবিদ’ হিসেবে উল্লেখ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
করেন। তিনি বলেন, ‘ড. মাহবুব উল্লাহ শুধু একজন শিক্ষাবিদ নন, তিনি ছিলেন নাগরিক অধিকার,
ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতির জন্য সংগ্রাম করা এক আপসহীন যোদ্ধা।’
অধ্যাপক
ড. মাহবুব উল্লাহ এবং তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্যরা
মির্জা
ফখরুল বিশেষত দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ল্যান্ডস্কেপে ড. মাহবুব উল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ
অবদানের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিএনপির ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’
রূপরেখা প্রণয়নের পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের চিন্তাভাবনা এবং তাত্ত্বিক
অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রকাশিত গ্রন্থাবলীতেও জাতির জন্য তার আদর্শ
ও স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।’অনুষ্ঠানে বক্তৃতার শেষ দিকে মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। একইসঙ্গে
তার ছোট মেয়ের জন্মদিনেও শুভকামনা জানান। এ ছাড়াও, আজ উপমহাদেশের নারী জাগরণের অগ্রদূত
বেগম রোকেয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের সাবেক উপদেষ্টা জিল্লুর রহমান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল
কবির খানসহ দেশের বহু বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, বহু বছরের জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশনেত্রী, গণতন্ত্রের নেত্রী ও আমাদের মাতা বেগম খালেদা জিয়া কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি বলেন, “আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি—আমাদের এই সম্পদ, আমাদের দলের শক্তিকে যেন আল্লাহ সুস্থ করে দেন। যার আহ্বানে দেশের কোটি মানুষ সত্যের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত হয়ে যায়। আমাদের মাতা দেশের গণতন্ত্রের আইকন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জীবন্ত প্রতীক। তাঁর সুস্থতা ও আরোগ্য লাভ দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত জরুরি।”
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকালে কুমিল্লা নগরীর ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনায় দিনব্যাপী পবিত্র কোরআন খতম শেষে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কান্নাজড়িত কন্ঠে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে হাজী ইয়াছিন বলেন, “২০০৮ সালে টাউন হলের এক বিশাল জনসভায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমার হাতে ধানের ছড়া দিয়ে বলেছিলেন—‘ইয়াছিন আমার সন্তান সমতুল্য, তার হাতে আমি ধানের ছড়া তুলে দিলাম।’ আজ সেই স্মৃতি আরও গভীর হয়ে আছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সকলের কাছে অনুরোধ করবো—আপনারা সবাই আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করুন ও দোয়া করুন। সৃষ্টিকর্তা যেন আমাদের নেত্রীকে সুস্থ করে তোলেন। ২০০৮ সালের মতোই যেন ২০২৫ সালেও আবার তিনি এই টাউন হলের মঞ্চে আসতে পারেন। এবং সেই একই স্নেহের ভাষায় যেন বলতে পারেন—‘আমার সন্তান হাজী ইয়াছিনের হাতে আবার ধান তুলে দিলাম।”
হাজী ইয়াছিন দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমার আর কোনো ব্যক্তিগত চাহিদা নেই। আমার একমাত্র আকাঙ্ক্ষা—আমার নেত্রী যেন আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে ওঠেন। আমি পুনরায় তার হাত থেকে ধানের ছড়া নিতে চাই। তিনি ফিরে এলে জনগণের হৃদয়ে আবার গণতন্ত্রের শক্তি ফিরিয়ে আনবেন।”
দোয়া মাহফিলের পুরো সময় জুড়েই টাউন হল মাঠে ছিল একটি প্রার্থনামুখর পরিবেশ। কোরআন তেলাওয়াত, দরূদ শরীফ পাঠ এবং বিশেষ মুনাজাতে অংশ নেন দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।
নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, উপজেলা, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সাধারণ নাগরিক এবং নানা পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এ দোয়া অনুষ্ঠানে।
দোয়া মাহফিলে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এডভোকেট আলী আক্কাস, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান নেতা এস এ বারী সেলিম, মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবর রহমান দুলাল, আতাউর রহমান ছুটি, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন—কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, যুবদলের ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ জহির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু এবং যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব।
অন্যদের মধ্যে ছিলেন—জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, কৃষকদলের সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান।
এছাড়া মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ অগণিত নেতাকর্মী ও অংশগ্রহণকারী দোয়া মাহফিলের পরিবেশকে আরও আন্তরিক করে তুলেন।
অনুষ্ঠান শেষে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, “আমরা আজ আমাদের নেত্রী বেগম জিয়ার জন্য দোয়া করেছি। আমরা বিশ্বাস করি—আল্লাহর রহমতে ইনশাআল্লাহ তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং আগামীতেও দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গঠন ও রক্ষায় তাঁর ভূমিকা থাকবে।”
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল আনুমানিক ৯:৩০ মিনিটে মাদারীপুরের আড়িয়াল খাঁ ব্রিজের ওপর এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কমপক্ষে ১৭ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। হতাহতদের তাৎক্ষণিক নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা থেকে খুলনা অভিমুখে যাচ্ছিল 'ওয়েলকাম পরিবহন'-এর একটি যাত্রীবাহী বাস। বাসটি আড়িয়াল খাঁ ব্রিজে পৌঁছানোর পর সামনে থাকা একটি ট্রাককে পেছন থেকে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে সজোরে ধাক্কা মারে।
বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়।
আহত অবস্থায় কমপক্ষে ১৭ জন যাত্রীকে স্থানীয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়, ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় তিনজনে।
খবর পেয়ে শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ওসি জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দুর্ঘটনার জেরে মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজ চলছে।
মন্তব্য করুন


গতকাল মধ্যরাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি অভিযান দল মাগুরা সদর উপজেলার তাঁতীপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে মোঃ রোহানুর রশিদ দরুদ (৪০) নামের একজন ব্যক্তিকে ১টি ৯ মি: মি: বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ৩ রাউন্ড গুলি এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে।
দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প অথবা যে কোন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট প্রদান করুন।
মন্তব্য করুন