

বর্তমান
পরিস্থিতিতে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ অনড় বলে
জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। এই অবস্থান
আইসিসিকে বোঝাতে বাংলাদেশ সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আজ
বুধবার ( ০৭ জানুয়ারি ) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৈঠক শেষে উপদেষ্টা এ
কথা জানান। বৈঠকে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলসহ বোর্ডের পরিচালকরা এবং যুব ও
ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
বলেন, আমাদের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, বাংলাদেশের নিরাপত্তা, বাংলাদেশের মর্যাদা- এটার
প্রশ্নে আমরা কোনো আপস করব না। আমরা ক্রিকেট খেলতে চাই, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই। আরেকটা
যে আয়োজক দেশ আছে শ্রীলঙ্কা, আমরা সেখানে খেলতে চাই।
তিনি
বলেন, এই পজিশনে (ভারতে খেলতে না যাওয়া) আমরা অনড় আছি। আমরা কেন অনড় আছি, আমরা আশা
করি সেটা আইসিসিকে বোঝাতে সক্ষম হবো। আইসিসি আমাদের যুক্তিগুলো সহৃদ্যতার সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে
বিবেচনা করে আমরা কষ্ট করে যেটা অর্জন করেছি সেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমাদের খেলার
সুযোগ করে দেবে।
আইপিএল
থেকে মোস্তাফিজুর রহমানের নাম কলকাতা নাইট রাইডার্স বাদ দেওয়ার পর ভারতে টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের জন্য আইসিসিকে জানায় বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ. বিন আবিয়াহ।
বৃহস্পতিবার
(১৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দফতরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে
সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাদের (বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক) বাংলাদেশি পাসপোর্ট
প্রদানের অগ্রগতি, জনশক্তি রফতানি ও পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি, বাংলাদেশের জাতীয়
নির্বাচনের প্রস্তুতি, সৌদি আরবে অনুষ্ঠিতব্য 'বিশ্ব প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী'-তে বাংলাদেশের
অংশগ্রহণের আমন্ত্রণপত্র বিনিময়সহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা
করা হয়।
রাষ্ট্রদূতকে
স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব ঘনিষ্ঠ বন্ধুপ্রতিম দেশ। তিনি বলেন,
সৌদি আরব বাংলাদেশি জনগণের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শুধু ইসলাম ধর্মের
পবিত্র ভূমি হিসেবে নয় বরং আমাদের ৩২ লক্ষেরও বেশি প্রবাসী কর্মীর দ্বিতীয় আবাসস্থল
হিসেবেও এটি বাংলাদেশিদের হৃদয়ের গভীরে আসীন রয়েছে। সৌদি প্রবাসীদের অবদান বাংলাদেশের
অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
উপদেষ্টা
এসময় বাংলাদেশ থেকে আরও অধিক হারে জনশক্তি আমদানির জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন।
এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে
বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত
উপদেষ্টাকে সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাদের (বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক)
বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদানের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। এর জবাবে উপদেষ্টা বলেন,
এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন এবং বাংলাদেশের বহিরাগমন
ও পাসপোর্ট অধিদফতর এ বিষয়ে পুরোদমে কাজ করে যাচ্ছে। এটি ত্বরান্বিত করার জন্য স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় থেকে কয়েকটি বিশেষ টিমও পাঠানো হয়েছে। তবে মিশনে আসা আবেদনের তুলনায় পাসপোর্টের
এনরোলমেন্টে উপস্থিতির হার অনেক কম রয়েছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সৌদি আরবের
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত
জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন পরিচালনার
মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হাতে। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মূল দায়িত্ব হচ্ছে
জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। আর আমরা এ বিষয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত
রয়েছি। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন
সংক্রান্ত একটি পরিপত্রও জারি করা হয়েছে। অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার অভিযান বেগবান
করা হয়েছে। 'ডেভিল হান্ট ফেইজ-২' সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান চলছে।
রাষ্ট্রদূত
উপদেষ্টাকে আগামী ০৮-১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মেয়াদে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব
প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী-তে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান এবং এ সংক্রান্ত সৌদি স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের একটি আমন্ত্রণপত্র উপদেষ্টার হাতে তুলে দেন। উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১২
ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কারণে তিনি
এ ইভেন্টে অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং উপযুক্ত প্রতিনিধি প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত
করেন।
বৈঠকে
আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফয়সল
আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব মু. জসীম উদ্দিন খান।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
যে কোনো সময়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির
সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ
সোমবার (৪ আগস্ট) গুলশানে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, জুলাই সনদ হাতে পাওয়ার পরে ৩০ তারিখেই কিছু সংশোধনসহ জবাব দিয়েছে বিএনপি।
সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে বলেও জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন
আহমদ আরও বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক মূল্য আছে। ঘোষণাপত্রের যে প্রস্তাব
দেওয়া হয়েছিল তা ফেব্রুয়ারিতেই জবাব দিয়েছে বিএনপি। প্রস্তাবে ২৬ মার্চকে উপস্থাপন
করতে চাননি আর এরসঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে বিএনপি। এছাড়া রাষ্ট্রীয় এবং সাংবিধানিক স্বীকৃতি
চতুর্থ তফসিলের মাধ্যমে দেওয়া হবে। জুলাই ঘোষণাপত্রের ক্ষেত্রে বিএনপি যে সংশোধনী দিয়েছে
তা মেনে না নেওয়া হলে ঘোষণাপত্র পাঠের পর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া জানাবে বিএনপি।
মন্তব্য করুন


পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এ কুমিল্লা জেলা পুলিশ সারাদেশে সেরা হবার গৌরব উজ্জ্বল কৃতিত্ব অর্জন করেছে ।
চলমান পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর দ্বিতীয় দিনে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স এ ২০২৩ সালে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অভিযান ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়নে কৃতিত্ব অর্জনকারী কুমিল্লা জেলা পুলিশকে পুরস্কার প্রদান করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম ।
বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল কামরান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) পুরস্কার গ্রহণ করেন ।
সারা দেশে পুলিশের সকল ইউনিটের মধ্যে মাদকদ্রব্য উদ্ধারে ১ম স্থান, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়নে ১ম স্থান ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে ২য় স্থান অর্জন করেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের জন্যে এটি এক গৌরবময় অর্জন।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) জেলা পুলিশের অপরাধ শাখাসহ সকল ইউনিটের সদস্যদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি-জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের প্রথম দিনে রাজধানী ও আশপাশের জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৩২ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ২৮ প্লাটুনসহ সারা দেশে ২৩২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে হামলা ও সংঘর্ষের পরদিন দলটি সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করে।
এক দিন বিরতি দিয়ে ৩১ অক্টোবর থেকে টানা তিন দিন অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হয়। পরে শুক্র ও শনিবার বিরতি দিয়ে ৫ ও ৬ নভেম্বর অবরোধ পালন করে বিএনপি।
এরপর একদিনের বিরতি দিয়ে ৮ ও ৯ নভেম্বর তৃতীয় দফায় অবরোধ দেওয়া হয়। আবারও শুক্র ও শনিবার বিরতি দিয়ে চতুর্থ দফায় ১২ ও ১৩ নভেম্বর দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি পালন করে দলটি।
একদিন বিরতি দিয়ে ১৫ ও ১৬ নভেম্বর আবারও বিএনপি অবরোধ কর্মসূচি দেয়। পরে ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। এর প্রতিবাদে ১৯ ও ২০ নভেম্বর হরতাল ডাকে বিএনপি। একদিন বিরতি দিয়ে বুধ ও বৃহস্পতিবার অবরোধ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
গুলশানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসভবনের সামনে থেকে দুইজন সন্দেহভাজন
ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ ও চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ)।
আজ
রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনের সামনে থেকে মো.
রুহুল আমিন (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি নিজেকে চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ
উপজেলার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন।
পুলিশ
সূত্র জানায়, ওই ব্যক্তি বাসভবন ও আশপাশের এলাকায় বাড়ি ও গাড়ির বিভিন্ন দিক থেকে ছবি
তুলছিলেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশ ও সিএসএফ সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে
আটক করে।
এর
কিছুক্ষণ পর বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে একই বাসভবনের সামনে থেকে মো. ওমর ফারুক নামে আরেক
ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।
পুলিশের
দাবি, দেহ তল্লাশি চালিয়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে দুই পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
গুলশান
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, এলিট ফোর্সের সদস্যরা আটক দুইজনকে থানায় হস্তান্তর
করেন। একজন সন্দেহজনকভাবে মোবাইল ফোন দিয়ে ছবি তুলছিলেন এবং অপরজনের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য
উদ্ধার করা হয়।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় ওটিটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ট্যাপম্যাড দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের সম্প্রসারণ যাত্রা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশের শীর্ষ টেলিকম অপারেটরগুলোর একটি রবি আজিয়াটা লিমিটেড – এর সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে।
পাকিস্তানে অসাধারণ সাফল্যের পর, ট্যাপম্যাড এখন বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য নিয়ে আসছে প্রিমিয়াম মানের লাইভ স্পোর্টস এবং বিনোদন অভিজ্ঞতা, যা দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নির্দেশ করে।
এই অংশীদারিত্বের ফলে রবি গ্রাহকরা ট্যাপম্যাডের বিশাল লাইভ ও অন-ডিমান্ড কনটেন্ট লাইব্রেরিতে অবিচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার উপভোগ করতে পারবেন। মোবাইল ব্যালেন্স বা সরাসরি বিলিংয়ের মাধ্যমে সহজেই সাবস্ক্রিপশন সক্রিয় করা যাবে, যা রবির শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও ট্যাপম্যাডের উন্নত স্ট্রিমিং প্রযুক্তিকে একত্রিত করে যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে নির্বিঘ্ন এইচডি-মানের স্ট্রিমিং নিশ্চিত করবে।
ট্যাপম্যাডের সিইও ইয়াসির পাশা এ প্রসঙ্গে বলেন, “রবির সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব ট্যাপম্যাডের আঞ্চলিক সম্প্রসারণে আরেকটি মাইলফলক। বাংলাদেশের দর্শকগোষ্ঠী প্রাণবন্ত ও উৎসাহী, এবং আমরা আনন্দিত যে আমরা তাদের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম আনতে পারছি যা সুবিধা, সাশ্রয়ী এবং উন্নত মানের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।”
এই সহযোগিতার মাধ্যমে ট্যাপম্যাড সীমান্ত অতিক্রম করে ডিজিটাল বিনোদনের মান আরও উন্নত করছে।প্ল্যাটফর্মটির বিশাল ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক কনটেন্ট সংগ্রহ স্থানীয় রুচি অনুযায়ী সাজানো, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেছে যা পাকিস্তানসহ পুরো অঞ্চলে তাদের সাফল্যের পরিচায়ক।
রবি আজিয়াটার মার্কেটিং প্রধান শওকত কাদের চৌধুরী বলেন, “আমরা ট্যাপম্যাডের সঙ্গে অংশীদারিত্বে আনন্দিত। এর ফলে আমাদের ব্যবহারকারীদের জন্য প্রিমিয়াম মানের স্পোর্টস ও বিনোদন অভিজ্ঞতাকে আরও সহজলভ্য করবে। এই অংশীদারিত্ব আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবনের প্রতিশ্রুতি এবং গ্রাহকদের বিনোদন অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করার প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করে।”
ট্যাপম্যাডের সিওও আলী রানা বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের জন্য এক উচ্ছ্বাসপূর্ণ সুযোগ।এখানে আমরা ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দর্শকদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারব। আমাদের লক্ষ্য হলো ট্যাপম্যাডের সাফল্য নির্ধারণকারী আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং মান বজায় রাখা, পাশাপাশি স্থানীয় দর্শকদের প্রত্যাশা ও পছন্দ অনুযায়ী অভিজ্ঞতা সাজানো।”
ট্যাপম্যাড বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আরিফ আদিত্য বলেন, “এই অংশীদারিত্ব আমাদেরকে বাংলাদেশের নতুন দর্শকদের সঙ্গে যুক্ত হতে এবং তাদের জন্য এমন এক উচ্চমানের, ব্যবহারবান্ধব স্ট্রিমিং অভিজ্ঞতা দিতে সহায়তা করছে যা বৈশ্বিক উদ্ভাবন ও স্থানীয় প্রাসঙ্গিকতাকে একত্রে প্রতিফলিত করে।”
দক্ষিণ এশিয়ার ডিজিটাল বিনোদন শিল্পে প্রায় এক দশকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ট্যাপম্যাড ইতোমধ্যে নিজেকে অঞ্চলের অন্যতম বিশ্বস্ত ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। প্রযুক্তি, অংশীদারিত্ব ও স্থানীয় কনটেন্টে ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণ এশিয়ার দর্শকদের লাইভ স্পোর্টস ও অন-ডিমান্ড বিনোদনের অভিজ্ঞতাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে।
রবির শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো এবং ট্যাপম্যাডের পরীক্ষিত দক্ষতাকে একত্রিত করে, এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য সহজলভ্য ও উচ্চমানের ডিজিটাল বিনোদনের এক নতুন অধ্যায় সূচনা করছে।
ট্যাপম্যাড সম্পর্কে :
ট্যাপম্যাড হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেড সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি আঞ্চলিক ওটিটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, যা লাইভ স্পোর্টস এবং অন-ডিমান্ড কনটেন্ট সরবরাহ করে। সহজ ব্যবহারযোগ্য ইন্টারফেস, নির্ভরযোগ্য স্ট্রিমিং এবং সাশ্রয়ী সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানের মাধ্যমে ট্যাপম্যাড দক্ষিণ এশিয়ার লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারীর জন্য একটি বিশ্বস্ত বিনোদন সঙ্গী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে ‘ঐতিহাসিক দায়িত্ব’ পালনে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আসন্ন নির্বাচনকে দেশের জন্য ‘শত বছরের ভিত্তি নির্মাণের’ সুযোগ উল্লেখ করে তিনি এ দায়িত্বকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্প হলে আমরা বিল্ডিং কোড মানা হয়েছে কি না তার কথা বলি। এই নির্বাচন আমাদের সমাজের জন্য সেই বিল্ডিং কোড তৈরি করার সুযোগ। এমন একটি কোড তৈরি করতে হবে, যা যত বড় ঝাঁকুনিই আসুক, নড়বে না।’
পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনাদের ওপর যে ঐতিহাসিক দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তার জন্য আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ হোন। জীবনের শেষে যখন আমরা ভাবব, কী করেছি—তখন এটিই প্রথমে আসা উচিত যে, আমরা এই বিল্ডিং কোড তৈরিতে অংশ নিতে পেরেছি।’
আজ সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে দেশের ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন শুধু পাঁচ বছরের একটি প্রচলিত নির্বাচন নয়, জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি এবার একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।’
তিনি বলেন, ‘গণভোট আরও বড় বিষয়—এটা সেই ‘বিল্ডিং কোড’। আমরা যে বিল্ডিং কোড স্থাপন করব, সেটাই আগামী একশ বছর জাতিকে পথ দেখাবে।’
তিনি বলেন, নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এসপিদের পদায়নে দৈবচয়ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এটি সহজভাবে নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব:) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি বক্তব্য রাখেন।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম।
আসন্ন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ‘একটি নতুন বাংলাদেশ’ জন্ম নেবে উল্লেখ করে প্রফেসর ইউনূস বলেছেন, ‘আমাদের কাজ হবে ধাত্রীদের মতো—একটি নতুন জাতির জন্ম দিতে সহায়তা করা।’
তিনি বলেন, এই নির্বাচন বিশ্বে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। ‘পর্যবেক্ষকরা বাইরে থেকে এসে আমাদের মধ্যে ত্রুটি খুঁজতে চাইবে... কিন্তু আমরা এমন একটি (স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর) নির্বাচন উপহার দেব, যা তারা উদাহরণ হিসেবে বহন করে বহু দেশে আলোচনা করবে।’
এই নির্বাচন তাদের জন্য একটি স্মরণীয় পরিদর্শন ও অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে,’ যোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘এটি গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নির্বাচন। জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে যারা অংশ নিয়েছিল এবং আমরা যারা সেই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত—এই নির্বাচন তাদের আদর্শ ও স্বপ্ন পূরণের মাধ্যম।’
‘যে স্বপ্নের জন্য তারা জীবন দিয়েছে, সে স্বপ্ন আমরা এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করব,’ বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়ে প্রফেসর ইউনূস বলেন, ‘একটি সুন্দর, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিদিন ভাবতে হবে—আজ আমার করণীয় কী—এবং সেটি সম্পন্ন করতে হবে।’
সেবার মান বাড়াতে ও কর্মসম্পাদনে সৃজনশীলতা দেখাতে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেরা কর্মসম্পাদনকারী কর্মকর্তাকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হবে।
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া দশম শ্রেণির ছাত্র শাহরিয়ার খান আনাস (১৭)-কে স্মরণ করতে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। আনাস মিছিলে যোগ দেওয়ার আগে তার মায়ের কাছে যে চিঠি লিখেছিল, তার একটি অংশ উদ্ধৃত করার সময় প্রফেসর ইউনূসের চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে।
তিনি আনাসের চিঠি উদ্ধৃত করে বলেন, ‘আমি স্বার্থপরের মতো বসে থাকতে পারি না। আমি যদি ফিরতে না পারি, তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিও।’
কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর তিনি বলেন, ‘তার (আনাসের) কথাই আমাদের দায়িত্ব নির্ধারণ করে। আমরা নিষ্ক্রিয় থাকতে পারি না।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আনাস যেভাবে বলেছিল কাপুরুষের মতো বসে থাকতে চায় না—আমরাও বসে থাকতে চাই না। তার স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। সেটিই আমাদের দায়িত্ব।’
তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের আগামী তিন মাস নিরলসভাবে কাজ করে আনাসের স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান, মিছিলে যোগ দেওয়ার আগে আনাস তার মায়ের কাছে যে চিঠি লিখেছিল, সেটি সঙ্গে রাখার জন্য।
সভায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ইয়াসমিন খাতুন এবং জামালপুরের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোহাম্মদ জাবের সাদেক বক্তব্য দেন।
এ সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বন্যার্তদের সেবায় নিঃস্বার্থ পেশাগত দায়িত্ব এবং অনন্য মানবিকতার দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করায় রোববার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪), সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, লেফটেন্যান্ট মো: বায়েজিদ বোস্তামী ও ল্যান্স কর্পোরাল (গানার) কাজী সুজনের সাথে সেনাসদরে সাক্ষাৎ পূর্বক ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান তাদের সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রাণিত করেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর নবীন অফিসার লেফটেন্যান্ট মোঃ বায়েজিদ বোস্তামী এক উদাহরণস্বরূপ অবদান রেখেছেন। গত ২২ আগস্ট ২০২৪ তারিখে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত হয়ে নিজ হাতে তিনি প্রায় ৩৫০ জন এর অধিক বন্যার্তদের উদ্ধার করেন। এদের মধ্যে ছিলেন শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা,বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি সহ অনেকেই।
এছাড়া ল্যান্স কর্পোরাল (গানার) কাজী সুজন ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের ভুজপুর এলাকায় বন্যার্তদের উদ্ধারে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গত ২৩ আগস্ট ২০২৪ তারিখে ফটিকছড়ি উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত হয়ে নিজ হাটুকে সিঁড়ি বানিয়ে অসুস্থ,গর্ভবতী মহিলাদের ট্রাকে উঠতে সহায়তা এবং বন্যা কবলিত এলাকায় অসহায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চীফ অব জেনারেল স্টাফ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী; জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া, জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া এবং উক্ত সেনা সদস্যদের অধিনায়কগণ।
তরুণ সেনা সদস্যগণের মতোই দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ সেনাবাহিনীর প্রত্যেক সদস্য কাজ করে যাচ্ছে দেশবাসীর সেবায়। তারুণ্যের এই সহমর্মিতা ও মানবতাবোধ হোক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে নিহত শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩)
এর পিতা-মাতা আজ বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪) সেনাসদরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল
ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি এর সাথে সাক্ষাৎ করেন।
এ
সময় শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর পিতা-মাতা সন্তান হারানোর বেদনায় আবেগ
আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির
দাবি জানান।
সেনাবাহিনী
প্রধান শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের
আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিতে সর্বপ্রকার সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গিকার করেন।
উল্লেখ্য,
এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ৭ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করে চকরিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর
করে এবং সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চকরিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার
তেরেঙ্গানু রাজ্যে ২২২ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে তেরেঙ্গানু ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় শুরু হওয়া অভিযানটি চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
অভিযানে
ইমিগ্রেশন জেএইএমসহ, জাতীয় নিবন্ধন (জেপিএন), জনশক্তি বিভাগ (জেটিকে), নির্মাণ শিল্প
উন্নয়ন বোর্ড (সিআইডিবি) এর ৬৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশগ্রহণ করে।
তেরেঙ্গানু
ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ ইউসরি মোহাম্মদ নর সাংবাদিকদের জানান, মোট ৩১৬
জন বিদেশিকে তল্লাশি করে ২২৬ জনকে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর অধীনে অপরাধ করার জন্য
গ্রেপ্তার করা হয়। আটকদের মধ্যে বাংলাদেশি ২২২ জন, ইন্দোনেশিয়ার তিন জন ও একজন ভারতীয়
নাগরিক।
প্রথমিকভাবে
চিহ্নিত করা অপরাধগুলো হলো- ব্যাক্তিগত নাথিপত্র না থাকা, অতিরিক্ত সময় ধরে বসবাস করা,
ভিসার অপব্যবহার করা। ইমিগ্রেশন আইন ১৯৬৩ রেগুলেশনের ৩৯(বি) প্রবিধান এর মধ্যে পড়ে।
মোহাম্মদ
ইউসরি আরও বলেন, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পযর্ন্ত ৪১৫ জন অনিবন্ধিত
অভিবাসী কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে তেরেঙ্গানু ইমিগ্রেশন। যার মধ্যে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া,
মিয়ানমার, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভারত এবং নেপালের নাগরিক রয়েছে।
গ্রেপ্তারদের
পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য কুয়ালা বেরংয়ের আজিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন