

ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের ঘুষ নেওয়া
নিয়ে সর্তকবার্তা দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের হুশিয়ারী দিয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ভূমি অফিসে
ঘুষ দেওয়ার মাত্রা কমে যাওয়ায় সেখানে কর্মীদের কাজে অনীহা দেখা যাচ্ছে এবং কাজ স্লো
করে দেওয়া হয়েছে। ভূমি অফিসের কর্মীরা যদি ঘুষের অভ্যাসের অভাবে কাজে অনীহা দেখান এবং
কাজ স্লো করে দেন, তাহলে এটি তাদের পেশাগত দায়বদ্ধতার অভাবকেই প্রকাশ করে। যাদের পেশাগত
দায়বদ্ধতার অভাব রয়েছে, তাদের বিকল্প চিন্তা করা সরকারের দায়িত্ব। আপনারা যারা কাজ
স্লো করে দিয়েছেন, এখনো সময় আছে, সাবধান হয়ে যান। না-হয় আপনাদের রিপ্লেসমেন্টও চলে
আসবে।
মন্তব্য করুন


আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হলে নির্বাহী
বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ
রেফাত আহমেদ।
আজ শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে সুপ্রিম
কোর্ট বার আয়োজিত নবীন আইনজীবীদের কর্মশালায় এ কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
বলেন, বিচারপতি অপসারণে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন হয়েছে; যা আগে পার্লামেন্টের
কাছে ছিল। বিচার বিভাগ আলাদা করার জন্য সরকারকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক
স্বশাসন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। নবীন আইনজীবীরা বিচারবিভাগের মর্যাদা
সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট হতে হবে। সাম্প্রতিক আদালত অঙ্গনে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আইনজীবীদের
আরও দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে। সার্বিকভাবে বিচারবিভাগ বার ও বেঞ্চের সমন্বয়ে এগিয়ে
যাবে।
এ সময় চট্টগ্রামে আইনজীবী আলিফ হত্যার
ঘটনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে ৫ আগস্ট ঘিরে আন্দোলনে নিহত আহতদের নিয়ে বিশেষ
দোয়া হয়। উল্লেখ্য, আজকের কর্মশালায় চট্টগ্রামের আইনজীবী আলিফেরও থাকার কথা ছিলো।
এসময় আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি
জুবায়ের রহমান চৌধুরী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। অ্যাটর্নি জেনারেল
মো. আসাদুজ্জামান , সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী
ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সারা দেশ থেকে প্রায়
এক হাজার ৫০০ নবীন আইনজীবী যারা বারে নতুন সদস্য হয়েছেন তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
তিনি আসামিদের দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, আজ দুপুর ১টায় শিশুটি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
সরকার গঠন করতে পারলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের উন্নত চিকিৎসা এবং আহতদের ও শহীদদের
স্বজনদের পুনর্বাসনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি আলাদা বিভাগ গঠন করা
হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ফার্মগেট-খামারবাড়ি এলাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্বজন ও আহতদের সঙ্গে বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি
এ কথা জানান।
অনুষ্ঠানে
বক্তব্য দিতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, শহীদ ও আহত পরিবারের অনেকেই তাদের কষ্ট ও অভিজ্ঞতার
কথা তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে সবাইকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া
সম্ভব হয়নি। এজন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
তিনি
আরও বলেন, আপনারা যখন আপনাদের কষ্ট ও ব্যথার কথা জানাতে সবার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা
করেছিলেন, তখন আমরা একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাই। ১৯৭১ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান
ও মর্যাদা রক্ষার জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
গঠন করেছিল। ইনশাআল্লাহ, জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে সেই মন্ত্রণালয়ের
আওতায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্বজন ও আহতদের জন্য একটি আলাদা ডিপার্টমেন্ট করা
হবে, যাদের দায়িত্ব হবে এ মানুষগুলোর দেখভাল করা।
তারেক
রহমান বলেন, ওই বিভাগ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি
সহায়তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে পরিবারগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ যত্ন
ও সম্মান পায়।
বিএনপির
চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আগামী দিনে সরকার
গঠন করতে সক্ষম হলে এ শহীদ পরিবারে যারা আছেন, জুলাই যোদ্ধা যারা আছেন, তাদের যে কষ্টের
কথাগুলো যে কজন মানুষ তুলে ধরেছেন, এ কষ্টগুলো যাতে আমরা কিছুটা হলেও সমাধান করতে পারি,
যাকে আমরা হারিয়ে ফেলেছি, তাকে তো ফিরিয়ে আনতে পারবো না, কিন্তু যারা পেছনে রয়ে গিয়েছেন
সেই পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা যেন দেখভাল করতে পারি, তারাও মুক্তিযোদ্ধা,
তারাও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য।
‘একাত্তর সালে এ দেশের মানুষ এ দেশের
স্বাধীনতা অর্জনের জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যোদ্ধারা ত্যাগ
স্বীকার করেছিলেন। ঠিক একইভাবে ২৪ এর যে যোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন, তারা স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব
রক্ষায় যুদ্ধ করেছেন।
স্বাধীনতা
স্বার্বভৌমত্ব অর্জিত হয়েছিল ৭১ সালে, তাকেই আবার রক্ষা করা হয়েছে ২০২৪ সালে। মুক্তিযুদ্ধ
মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আমরা আরেকটি ডিপার্টমেন্ট করব, যাদের কাজই হবে এ মানুষগুলোর দেখভাল
করা’, যোগ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


নিজেকে
কোনো নির্দিষ্ট ইমেজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমি। তাই
অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই তিনি বারবার ভিন্নধর্মী চরিত্রে নিজেকে ভেঙে গড়েছেন। বাস্তব
ঘটনার প্রেরণায় নির্মিত সাম্প্রতিক ছবি ‘হক’-এ তাঁর অভিনয় আবারও সেই ধারারই প্রমাণ।
এই ছবি, ফিটনেস, চরিত্র নির্বাচন এবং দীর্ঘ অভিনয়জীবন—সবকিছু
নিয়েই সম্প্রতি এক খোলামেলা সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন ইমরান।
মুম্বাইয়ের
একটি পাঁচতারা হোটেলে আয়োজিত এই সাক্ষাৎকারে আরও কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন
প্রথম আলোর মুম্বাই প্রতিনিধি। বয়স ৪৬ হলেও ইমরানের ফিটনেস এখনো চোখে পড়ার মতো। ফিট
থাকার রহস্য জানতে চাইলে মুচকি হেসে তিনি বলেন, ‘কোনো রহস্য নেই। আমার স্ত্রী আমাকে
ঠিকমতো খেতে দেয় না।’ এরপর গম্ভীর হয়ে যোগ করেন, শৃঙ্খলাপূর্ণ
জীবনযাপন, নিয়মিত শরীরচর্চা ও নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসই আসল চাবিকাঠি। করোনা সময়ের কথাও
টেনে এনে তিনি বলেন, ‘অনেকে তখন যা খুশি খেয়েছে, আমি বরং ফিটনেসে মন দিয়েছিলাম। এখন
তার সুফল পাচ্ছি।’
ইয়ামি
গৌতমের সঙ্গে অভিনীত ‘হক’ ছবিটি ১৯৮০ সালের আলোচিত শাজিয়া বানো
মামলা থেকে অনুপ্রাণিত। বাস্তব ঘটনার ছায়া থাকায় দায়িত্ববোধ ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—এমনটাই
মনে করেন ইমরান। তাঁর ভাষায়, ‘সংবেদনশীল বিষয় হলে আরও বেশি সতর্ক হতে হয়। যাঁদের জীবনের
ঘটনা থেকে গল্প এসেছে, তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সম্মান রাখতে হয়।’
তিনি জানান, ছবিটির জন্য বিস্তর গবেষণা করা হয়েছে, যাতে বাস্তব কাহিনি বিকৃত না হয়।
ইদানীং ইমরানকে ধূসর চরিত্রে বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে তিনি নিজে কোনো চরিত্রকে নেতিবাচক
বা ধূসর হিসেবে দেখতে চান না। বলেন, ‘চরিত্রকে বিচার করতে শুরু করলে অভিনয়েও পক্ষপাত
চলে আসে।’ ‘হক’ ছবিতে তাঁর চরিত্র আব্বাস খান—শাজিয়া
বানোর স্বামী। ইমরানের মতে, আব্বাস নিজের বিশ্বাস ও যুক্তির জায়গা থেকেই লড়াই করেছে।
দর্শকের চোখে সে ভুল হতে পারে, কিন্তু চরিত্রটির নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে। এখানেই গল্পের
আসল শক্তি। চরিত্র প্রস্তুতির প্রসঙ্গে ইমরান জানান, প্রথমে তিনি পরিচালক ও লেখকের
দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করেন। একজন আইনজীবীর চরিত্র হওয়ায় আদালতের নিয়মকানুন, সংলাপের
ভাষা—সবকিছু নিয়েই গবেষণা করেছেন। পরিচালক সুপর্ণ ভার্মার নির্দেশনায়
অতিনাটকীয়তা এড়িয়ে আদালতের মর্যাদা বজায় রাখাই ছিল মূল লক্ষ্য।
একজন
মুসলিম অভিনেতা হিসেবে এমন সংবেদনশীল বিষয়ে কাজ করা কঠিন ছিল কি না—এই
প্রশ্নে ইমরান স্বীকার করেন, শুরুতে কিছুটা দ্বিধা ছিল। তবে তিনি নিশ্চিত ছিলেন, ছবিটি
কোনো সম্প্রদায়কে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে না। ‘আমরা বিচার করিনি, শুধু ঘটনার প্রেক্ষাপট
দেখিয়েছি,’ বলেন তিনি। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে টিকে থাকার বিষয়ে ইমরানের স্পষ্ট মত—বিভিন্ন
ধরনের চরিত্রে কাজ করাই একমাত্র উপায়। তাই এখন তিনি আগের তুলনায় অনেক বেছে কাজ করেন।
বছরে এক বা দুইটির বেশি ছবি করেন না। তাঁর কথায়, ‘৫০টির বেশি ছবির পর নতুন কিছু খুঁজে
পাওয়া কঠিন, কিন্তু একই জায়গায় ঘুরপাক খেতে চাই না।’
আরিয়ান
খান পরিচালিত ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ব্যাডস অব বলিউড’-এ তাঁর অভিনীত দৃশ্যগুলো দর্শকদের
মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এ প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, ‘আমিও অবাক হয়েছিলাম। এতটা ভাইরাল
হবে ভাবিনি।’ সিরিজটির প্রশংসা করে তিনি আরিয়ান খানকে একজন পরিশ্রমী
ও মেধাবী নির্মাতা হিসেবেই দেখেন। সব মিলিয়ে, ইমরান হাশমির কাছে গল্পই আসল। ইমেজ ভাঙা,
নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়া আর নিজেকে বারবার নতুনভাবে আবিষ্কার করাই তাঁর অভিনয়জীবনের মূল
দর্শন।
মন্তব্য করুন


পর্দায়
একাধিকবার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এবার একেবারে নতুন রূপে ধরা দিতে চলেছেন ওপার
বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। না, বাস্তবে নয়—
পর্দাতেই দাদি হচ্ছেন শ্রাবন্তী। আসন্ন এক ওয়েব সিরিজে তিনি অভিনয় করছেন ঠাকুর মা—
অর্থাৎ দাদির চরিত্রে।
জনপ্রিয়
ওটিটি প্ল্যাটফরম হৈচৈ সম্প্রতি জানিয়েছে, চলতি মাসেই শুরু হতে যাচ্ছে তাদের নতুন ওয়েব
সিরিজের শুটিং। সিরিজটি পরিচালনা করবেন অয়ন চক্রবর্তী।
জানা
গেছে, গল্পের পটভূমি বাংলার এক জেলার বনেদি পরিবার। একটি বিয়েকে ঘিরে সেখানে ধীরে ধীরে
জমে ওঠে রহস্য। সেই রহস্যের জট খুলতে উদ্যোগী হন পরিবারের ঠাকুর মা। অর্থাৎ দাদির ভূমিকায়
দেখা যাবে শ্রাবন্তীকে।
ঘোষণা
পর্বেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ঠাকুমা ও নাতনির দুরন্ত জুটি দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ
হতে চলেছে। তবে নাতনির চরিত্রে কে অভিনয় করছেন, সে বিষয়ে প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
যদিও
ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে শোনা যাচ্ছে, সেই চরিত্রে থাকতে পারেন দিব্যাণী মণ্ডল। দিব্যানী
ছোট পর্দার পরিচিত মুখ। ‘ফুলকি’ ধারাবাহিক শেষ করার পর তিনি পরিচালক
সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের একটি ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন, যার শুটিং
ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এবার তাকে দেখা যাবে ওয়েব সিরিজে। টলিপাড়ায় আলোচনায় রয়েছে শ্রাবন্তী
ও দিব্যাণীর মুখের মিল নিয়েও।
অনেকেই
মনে করছেন, পর্দায় দাদি-নাতনির রসায়ন আরো বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে এই সাদৃশ্য। এই নতুন
চরিত্র নিয়ে শ্রাবন্তী বলেন, ‘নতুন বছরে নতুন ধরনের গল্পের অংশ হচ্ছি। এবার ঠাকুমার
চরিত্রে। গ্র্যান্ডচাইল্ডের সঙ্গে রহস্য সমাধান করব।’
মন্তব্য করুন


মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ভারত বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেবে—এমন দাবি করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ভিন্ন কিছু বললেও তিনি আলোচনা ও তথ্য জেনেই এই বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁর মতে, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেশে এনে বিচার কার্য সম্পন্ন করা সম্ভব এবং এ বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থান রয়েছে। একজন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞও মনে করেন—আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিষয়টি বাস্তবায়ন করা কঠিন নয়।বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশ চাইলে একে অপরের পলাতক আসামিকে হস্তান্তর করতে পারে। তবে চুক্তিতে থাকা কয়েকটি ধারা প্রক্রিয়াটিকে জটিল করে তুলেছে, যার ব্যাখ্যার ওপরই প্রত্যর্পণের সম্ভাবনা নির্ভর করছে।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে প্রেস সচিব শফিকুল আলম দাবি করেন—মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত কামালকে ভারত ফেরত পাঠাবে। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নথি বা সরকারি যোগাযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি জানান, প্রেস সচিবের উল্লেখ করা তথ্য সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশ বা বার্তা পায়নি।তবুও শফিকুল আলম তার বক্তব্যে অনড়। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছরে দেশে ঘটে যাওয়া গুম-খুনসহ ভয়াবহ অপরাধের নেপথ্যে কামালের সম্পৃক্ততা ছিল, এবং তিনি এই তথ্য পুরোপুরি জেনে তবেই স্ট্যাটাস দিয়েছেন—এটি কেবল “ফেসবুক পোস্ট” নয়, বরং নির্দিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রদত্ত মন্তব্য।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
চীন সফরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক
ডক্টরেট ডিগ্রি দেবে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বের শীর্ষ ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের
মধ্যে এটি একটি।
আজ
রোববার (১৬ মার্চ) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
প্রেস
সচিব আরও বলেন, আগামী ২৯ মার্চ পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য
রাখবেন ড. ইউনূস। বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে প্রধান উপদেষ্টাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি
দেওয়া হবে। চীনের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। চীনের
সঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সম্পর্ক উন্নয়নেও কাজ করা হচ্ছে। চীন এরইমধ্যে জানিয়েছে,
তারা বাংলাদেশে একটি জেনারেল হাসপাতাল স্থাপন করবে। প্রধান উপদেষ্টা চাইছেন, চীনের
চেইন হাসপাতালগুলো বাংলাদেশে এসে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করুক এবং জয়েন্ট ভেঞ্চারে
হাসপাতাল পরিচালনা করুক।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার
সেলানগর রাজ্যের সেলায়াং বারু এলাকায় বাংলাদেশিসহ ৮৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার
(৬ ডিসেম্বর) রাত ৮টা থেকে সেলায়াং বাজার ও তানি মার্কেটে এ অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী।
মোট
১ হাজার ১১৬ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। বৈধ নথি না থাকায় ৮৪৩ জনকে আটক করা হয়। তাদের
মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তানের নাগরিকও আছেন। তবে কতজন বাংলাদেশি—
তা এখনো জানায়নি কর্তৃপক্ষ।
অভিযানে
নেতৃত্ব দেন সেলানগরের মুখ্যমন্ত্রী আমিরুদিন শারি। তিনি বলেন, রাজধানীর কাছে হওয়ায়
এলাকায় অনেক বিদেশি শ্রমিক অবৈধভাবে থাকছিলেন এবং অনেকে রাস্তার পাশে অনুমতি ছাড়া ব্যবসা
করছিলেন। জননিরাপত্তার জন্য ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করেই অভিযান চালানো হয়েছে।
আটকদের
মধ্যে ৩৫ জন নারী রয়েছেন। সবার বয়স ২১ থেকে ৫৩ বছরের মধ্যে। তাদের বিরুদ্ধে ওভারস্টে,
বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা ও জাল কাগজ ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। ৩৫৮ সদস্যের সমন্বয়ে
পরিচালিত এ অভিযানে ইমিগ্রেশন, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের সদস্যরা
অংশ নেন। এছাড়া মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দু’জন মালয়েশীয়ও আটক হয়েছেন।
সব
আটক অভিবাসীকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সেমেনিহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, অবৈধ কর্মী নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং
ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদির বিদেশে চিকিৎসায় যত অর্থ প্রয়োজন, তা অর্থ মন্ত্রণালয়
থেকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। ঢাকায় ইতোমধ্যে এয়ার
অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে এবং তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ইনকিলাব
মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদির বিদেশে
চিকিৎসার সব ব্যয় অর্থ মন্ত্রণালয় বহন করবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন
আহমেদ। সোমবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের
প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ
উপদেষ্টা বলেন, “কালকে হাদির ব্যাপারে বলা হয়েছে, তো আমরা রেডি। এই যে হাদির ব্যাপারে,
বাইরে পাঠাবে; কালকে যখন আমাদেরকে মেসেজ দিল; আমরা বলেছিলাম, টাকা-পয়সা কোনো ব্যাপার
না। উই উইল গিভ অ্যালোকেশন। যা হোক ওটা ম্যানেজ হয়ে গেছে।”তিনি
আরও বলেন, “হাদির জন্য যখন বলেছে যে—বাইরে পাঠানো হবে; সো অবভিয়েসলি টাকার
ইনভলভমেন্ট আছে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আমরা বলেছি, যাই লাগে—হয়তো
হেলিকপ্টার নিতে হবে বা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স নিতে হবে। কিন্তু লাকিলি অর্থ মন্ত্রণালয়
তাদের নিজস্ব বাজেট থেকে দিচ্ছে।”
সালেহউদ্দিন
আহমেদ বলেন, “এই ব্যাপারে কোনো দ্বিধা ছিল না। যখন ডিসিশন নিয়েছে, বোর্ড যখন বলেছে,
তখন ইমিডিয়েটলি গভর্নমেন্ট টুক ইট আপ। এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে, আমরা বলে
দিয়েছি—যেকোনো সময় আমরা ইসে করব।”
শরীফ
ওসমান বিন হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিতে গালফস্ট্রিম জি-১০০ সিরিজের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
সোমবার বেলা ১১টা ২২ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছেছে। ওই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করেই তাকে সিঙ্গাপুর
জেনারেল হাসপাতালের অ্যাক্সিডেন্ট ইমার্জেন্সি বিভাগে নেওয়া হবে।
প্রধান
উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, হাদির উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকার দুদিন ধরে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড
ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালে যোগাযোগ করেছে। রোববার এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক দলের পরামর্শ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার পর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য,
গত শুক্রবার রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগের সময় চলন্ত রিকশায় থাকা শরীফ ওসমান বিন
হাদিকে একটি মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায়
প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং অস্ত্রোপচারের পর এভারকেয়ার
হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থা ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক’
বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলন শুরু করেছেন
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের গ্র্যান্ড
বলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সদ্য
সমাপ্ত নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি ও ফলাফল নিয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরতেই এই আয়োজন।
এ
সময় উপস্থিত রয়েছেন- দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য
ড. মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ
চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর হাফিজ উদ্দীন আহমদ বীর বিক্রম,
সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদ।
এ
ছাড়া দলের ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন,
দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ নবনির্বাচিত
সংসদ সদস্যরা। এর পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন।
দলের
পক্ষ থেকে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত
বক্তব্য তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন