

১২ সিটি কর্পোরেশন ও নরসিংদী পৌর এলাকা
ব্যতীত সব প্রাথমিক বিদ্যালয় আগামী ৪ আগস্ট থেকে খুলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ওইসব
এলাকার স্কুলও খুলে দেওয়া হবে।
বুধবার (৩১ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ১২টি সিটি কর্পোরেশন এবং
নরসিংদী জেলার পৌর এলাকাসমূহ ছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়, উপানুষ্ঠানিক
শিক্ষা ব্যুরোর আওতায় লার্নিং সেন্টারসমূহে আগামী ৪ আগস্ট রবিবার থেকে শ্রেণি কার্যক্রম
অনুমোদিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে। আদেশের আওতাভুক্ত সব জেলায় চলমান কারফিউয়ের সময়সীমা
বিবেচনায় রেখে শিখন-সময় সমন্বয়ের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা
স্থানীয় বাস্তবতার আলোকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ শনিবার (১২ অক্টোবর) পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন এবং সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে রংমিস্ত্রি আবরাহাম খান ওরফে আলিম খান (২৭) হত্যাকাণ্ডে জড়িত মো. রুহুল আমিন ওরফে রাব্বিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর মধ্য বাড্ডা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রুহুল আমিন ওরফে রাব্বি রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার কাচারীপাড়া এলাকার মো. মনজু শেখের ছেলে। নিহত আবরাহাম খান একই উপজেলার ওয়াজেদ আলি খানের ছেলে।
পুলিশ সুপার জানান, গত ১৬ ডিসেম্বর সকালে আড়াইহাজার উপজেলার শ্রীনিবাসদী এলাকায় বালুর মাঠসংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে একটি মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে।
তদন্তে জানা যায়, ১৫ ডিসেম্বর সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন আবরাহাম খান। ওইদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বোনের সঙ্গে তার সর্বশেষ ফোনে কথা হয়। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ওয়াজেদ আলি খান বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল আমিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, নিহত আবরাহাম খানের সঙ্গে তার খালার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে আবরাহাম তার খালাকে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে খালাকে সঙ্গে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৫ ডিসেম্বর আবরাহামকে রাজবাড়ী থেকে আড়াইহাজারে ডেকে এনে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে পরিচয় গোপন করতে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করে দা ও মস্তক একটি ব্যাগে ভরে পাশের একটি খালে ফেলে দেওয়া হয়। নিহতের পরিহিত জামাকাপড়ও খুলে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে ১৮ ডিসেম্বর একটি খাল থেকে নিহতের মস্তক, হত্যায় ব্যবহৃত দা এবং একটি জ্যাকেটের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়।
পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জানান, হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত রুহুল আমিনের খালা ও অন্যদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার রাব্বিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশি-বিদেশি
চিকিৎসকদের যুক্ত রেখেই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ
সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ড. রেজা কিবরিয়ার যোগদান
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
মির্জা
ফখরুল বলেন, আপনারা জানেন, ম্যাডাম অসুস্থ এবং আমাদের চিকিৎসকরা কাজ করছেন, আপ্রাণ
চেষ্টা করছেন। দেশি-বিদেশি সব চিকিৎসকদের যুক্ত রেখেই তারা চিকিৎসাটা করছেন। আল্লাহ
তাআলার কাছে আমরা সবসময় গোটা দেশবাসী এই দোয়া করছি যে, আল্লাহ তাআলা তাকে যেন সুস্থ
করে দেন এবং তিনি যেন সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে আসেন।
গত
রোববার থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ভর্তি আছেন। সেখানে
পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার ফুসফুসে ইনফেকশন ধরা পড়ায় তার অবস্থা সংকটময় বলে বিএনপির
তরফ থেকে জানানো হয়। এরপর বৃহস্পতিবার থেকে খালেদা জিয়াকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট
(সিসিইউ) নিয়ে চিকিৎসকরা নিবিড়ভাবে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতত্বে দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি
মেডিকেল বোর্ডের অধীনে খালেদা জিয়া চিকিৎসা কাজ চলছে।
এই
বোর্ডে তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের জনহোপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়
এবং যুক্তরাজ্যে লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরাও রয়েছেন। লন্ডন থেকে তার জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক
রহমান সর্বক্ষণ মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সঙ্গেও
তিনি যোগাযোগে সমন্বয় করছেন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, হেলমেট ও ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য জানান।
ডিএমপি জানায়, গত রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম আগারগাঁওয়ের বনলতা আবাসিক এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোটরসাইকেল, হেলমেট ও ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার করা হয়।
সিটিটিসি সূত্র জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির নম্বর প্লেট পরিবর্তনের বিষয়টি শনাক্ত করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বাড়ির নিচতলার পার্কিং থেকে মোটরসাইকেল ও হেলমেট উদ্ধার করা হয়। পরে ভুয়া নম্বর প্লেটটি একটি ম্যানহোলের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলটির মালিকানা শনাক্তে তদন্ত চালিয়ে সিটিটিসি জানতে পারে, মোটরসাইকেলটির প্রথম মালিক ছিলেন আব্দুর রহমান। পরবর্তীতে এটি শহিদুল, রাসেল, মার্কেটপ্লেস, ওবায়দুল ইসলাম, আনারুলসহ একাধিক ব্যক্তির হাতবদল হয়ে শুভ নামে একজনের কাছে যায়।
তদন্তে আরও জানা যায়, হামলার ঘটনায় জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সালের সহযোগী মো. কবিরের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে মাইনুদ্দিন ইসলামের নামে মোটরসাইকেলটি কেনা হয়। মোটরসাইকেলটি মোট আটবার হাতবদল হয়।
উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল, হেলমেট ও ভুয়া নম্বর প্লেট পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চলতি
জানুয়ারিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ল। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম
৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন
(বিইআরসি)।
আজ
রোববার (০৪ জানুয়ারি) নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি। যা আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর
হবে।
বিইআরসি
চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, ভোক্তা পর্যায়ে জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির
দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা থেকে ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ
ছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ
করা হয়েছে। এর আগে ডিসেম্বর মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২৫৩ টাকা
নির্ধারণ করা হয়েছিল। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম তখন ১ টাকা ৭৪ পয়সা বাড়িয়ে ৫৭ টাকা ৩২
পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
বিইআরসির
নতুন দাম নির্ধারণ অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ প্রতি কেজির দাম নির্ধারিত
হয়েছে ১০৮ টাকা ৮৩ পয়সা। গত মাসে এ দাম ছিল ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা। ফলে চলতি মাসে প্রতি
কেজিতে দাম বেড়েছে ৪ টাকা ৪২ পয়সা। এই দরের ভিত্তিতে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের
মূল্য নির্ধারণ করা হবে। বাজারে বর্তমানে বিভিন্ন ওজনের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে
সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রেখে
৮২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি (অটো গ্যাস) প্রতি লিটার
দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা। গত মাসে যা ছিল ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা।
প্রসঙ্গত,
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে বিইআরসি নিয়মিতভাবে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে। এলপিজি
উৎপাদনের প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে
এই দুই উপাদানের দাম প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো, যা সৌদি কার্গো মূল্য
(সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য হিসেবে ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয়
করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানিগুলোর চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের
জন্য ডলারের বিনিময় হার হিসাব করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রায় ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা শুরু হয়েছে। চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জেরে এ দীর্ঘসময় সেবা বন্ধ ছিলো ।
চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় তাই হাসপাতালে সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়।
চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে ২ প্লাটুন বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। হাসপাতালে আসা রোগীদের সঙ্গে দুইজন প্রবেশ করতে পারবেন। নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন ও দর্শনার্থীদের তল্লাশি করে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। লাঠি, ধারালো অস্ত্র বা জীবনহানি হয় এমন কোনো জিনিস নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
রাতে ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে গিয়ে দেখা যায়, চিকিৎসকরা হাসপাতালে আসা রোগীদের সেবা দেওয়া শুরু করেছেন। হাসপাতালে আসা রোগীরা টিকিট কেটে জরুরি বিভাগে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে পারছেন।
জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক জানান, শর্ত সাপেক্ষে আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাসে সেবা দেওয়া শুরু করেছি। আমাদের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হয়েছে এবং মূল দাবি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকদের মারপিট করা দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি আমাদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে সেনাবাহিনী এবং বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। আশা করব, এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে।
প্রসঙ্গত
যে, গতকাল শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি
অব বিজনেস টেকনোলজির (বিইউবিটি) শিক্ষার্থী আহসানুল হক দীপ্তর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে।
পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের তিন চিকিৎসককে মারধরের ঘটনা
ঘটে। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দেন চিকিৎসকরা।
এরই জেরে আজ দিনভর জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন ঢামেকের চিকিৎসকরা।
মন্তব্য করুন


ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় ৫০০ টাকা বাজি ধরে ঠান্ডা পানিতে একটানা ১১২ বার ডুব দেওয়ার পর বাবুল মোল্লা (৪০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের পালট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে কাচারিবাড়ি বাজারে কয়েকজনের সঙ্গে ৫০০ টাকা বাজি ধরে বাবুল মোল্লা ঠান্ডা পানিতে বারবার ডুব দেন। ডুব দেওয়া শেষে হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে রাজাপুর মেডিকেলে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেল বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ঠান্ডা পানিতে অতিরিক্তবার ডুব দেওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানা গেছে এবং ঘটনার বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত নয়টি কলেজের কোন পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। নয় কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৩ জন। নয় কলেজের মধ্যে আটটিই স্কুল ও কলেজ। অর্থাৎ স্কুল থেকে কলেজ হয়েছে। দক্ষ শিক্ষক না থাকার কারণে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার শূন্য নয় কলেজের।
কলেজ গুলো হল- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়ন স্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ হাইস্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর সদর উপজেলার কেমব্রীজ সিটি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার নিদারাবাদ ইউনিয়ন হাইস্কুল ও কলেজ, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাইটশালা আদর্শ হাইস্কুল ও কলেজ, লালমাই উপজেলা সূর্য মেমোরিয়াল হাইস্কুল ও কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার চাঁনপুর আদর্শ হাইস্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার সেবাগরাম ফজলুর রহমান স্কুল ও কলেজ, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার জীবগাঁও জেনারেল হক হাইস্কুল ও কলেজ।এর মধ্যে জিনোদপুরে ৩ জন, তোরাবগঞ্জে ৪ জন, কেমব্রীজে ৪ জন, নিদারাবাদে ৬ জন, ষাইটশালাতে ৬ জন, সূর্যতে ৬ জন, চাঁনপুরে ১১ জন, সেবাগরামে ১২ জন ও জীবগাঁওয়ে ১৯ জন করে পরীক্ষার্থী ছিল।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন বলেন, এই নয়টি কলেজের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্যের
হাই কোর্ট রায় দিয়েছে—কোনো
পুরুষকে ‘বাল্ড’ (টাক) বলে অপমান
করা আইনগতভাবে যৌন হয়রানি হিসেবে
গণ্য হতে পারে। আদালতের
এই রায় ঘিরে দেশজুড়ে
ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
এই মামলার সূত্রপাত ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে। একজন
ইলেকট্রিশিয়ান টনি ফিন অভিযোগ
করেন, তার বস তাকে
‘stupid bald cunt’ বলে
গালিগালাজ করেছিলেন। বিষয়টি কর্মক্ষেত্রে অপমানজনক ও হয়রানিমূলক আচরণ
হিসেবে ট্রাইব্যুনালে গড়ায়। শুনানি শেষে আদালত রায়
দেন, মন্তব্যটি গ্রহণযোগ্য সীমা অতিক্রম করেছে।
রায়ে
বিচারকেরা বলেন, টাক হওয়া বা
চুল না থাকা বিষয়টি
মূলত পুরুষদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। ফলে কাউকে ‘বাল্ড’
বলে অপমান করা লিঙ্গভিত্তিক মন্তব্য
হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যা
যুক্তরাজ্যের সমতা ও বৈষম্যবিরোধী
আইনের আওতায় পড়ে।
রায়ের
ক্ষেত্রে এক অদ্ভুত ও
আলোচিত বিষয় হলো—মামলাটি
নিষ্পত্তি করা তিন বিচারকই
ছিলেন টাক। এই বিষয়টি
নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রায়ের পর অনলাইনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই একে অতিরঞ্জিত সিদ্ধান্ত বলে সমালোচনা করছেন। অন্যদিকে, কেউ কেউ বলছেন—যেভাবে নারীদের শারীরিক গঠন বা চেহারা নিয়ে কটূক্তিকে হয়রানি হিসেবে দেখা হয়, একই যুক্তিতে পুরুষদের ক্ষেত্রেও এমন মন্তব্যের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেওয়া যুক্তিসংগত।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেছেন, আমরা এখন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত। আমি এরই
মধ্যে নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছি।
আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে
প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
মো. তৌহিদ হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রবাসীদের
উদ্দেশে বলেন, আপনারা অর্থনীতিতে মস্ত বড় অবদান রাখছেন। আপনাদের এই অবদানের স্বীকৃতি
আমাদের দিতে হবে। আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। আমরা
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চেষ্টা করেছি প্রবাসীদের সঙ্গে আলোচনা করতে, তাদের কথাগুলো
শুনতে। আপনাদের অনেক অভিযোগ রয়েছে, যা ন্যায্য। আমরা এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য ধারাবাহিকভাবে
চেষ্টা করে যাচ্ছি। জটিলতা কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি।
পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সরকার খুব
দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সরকারি সব সেবা প্রবাসীদের কাছে পৌঁছে দিতে নাগরিক সেবা
বাংলাদেশ নামে একটি উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, প্রবাসীদের জন্য একটি
বিশেষ অ্যাপ তৈরির কাজ চলছে, যাতে করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সব প্রবাসী বাংলাদেশি
এক প্ল্যাটফর্মে কানেক্টেড থাকতে পারেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতি বিধ্বস্ত অবস্থা থেকে
ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে প্রবাসীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের
পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বস্তির জায়গায় ফিরেছে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে আপনারা
বড় অবদান রেখেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা
এখন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত। আমি এরইমধ্যে নির্বাচনের
সময় ঘোষণা করেছি। এই নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে। আশা
করছি, এবার আপনাদের নতুন অভিজ্ঞতা হবে। আপনারা সবাই ভোটার হবেন, ভোট দেবেন। নির্বাচন
কমিশনারের সঙ্গে আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সভায় মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের কয়েকটি
সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে দূতাবাসে জনবল বাড়ানো, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের
গ্র্যাজুয়েট প্লাস ভিসা, যারা অনিয়মিত হয়ে গেছেন তাদের নিয়মিতকরণ করা, বাণিজ্য-শিল্প
ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা
অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
এ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন বিভিন্ন পেশা, শ্রেণি,
সংস্থা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।
মন্তব্য করুন