

ঢাকার আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে কারখানার
স্টাফ, শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং
সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে আশুলিয়ার
শিমুলতলা এলাকার ইউফোরিয়া গার্মেন্টসে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এসময় র্যাবের গাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের
চেষ্টা করা হয়েছে। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে একটি তৈরি পোশাক কারখানায়।
পুলিশ ও র্যাব জানায়, রবিবার বিকেলে
বকেয়া বেতনসহ ১৬ দফা দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছিলো ইউফোরিয়া গার্মেন্টসের শ্রমিকরা।
বিকেলের দিকে স্টাফদের সাথে শ্রমিকদের কথা কাটাকাটি হয়। তার জেরে একপর্যায়ে রাতে
বেধে যায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। এ সময় কারখানাটিতে ভাঙচুর শুরু করে বিক্ষুব্ধ
শ্রমিকরা। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কারখানার এলাকায় গেলে তাদের সাথেও
সংঘর্ষ হয়। এতে শ্রমিক ছাড়াও আহত হয় বেশ কয়েকজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য। এসময়
শ্রমিকরা র্যাবের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে তাতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে ।
পরে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রবল
বৃষ্টিপাতের জেরে মিয়ানমারের একটি পরিত্যক্ত জেড পাথরের খনিতে বর্জ্যের বিশাল স্তূপ
ধসে পড়ে। এ সময় সেখানে মূল্যবান পাথর বা পাথরের অংশবিশেষের খোঁজ করছিলেন কয়েকজন মানুষ।
তাদের মধ্যে পাঁচ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
এখনো
১৫ জন নিখোঁজ আছেন। ধারণা করা হচ্ছে তারা ধসে পড়া আবর্জনার নিচে চাপা পড়ে আছেন। আজ
মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ব গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা
এএফপি। মিয়ানমারের খনিজ আহরণ খাতে বিধিনিষেধ মেনে না চলার প্রবণতা আছে। বিশেষত, উত্তর
কাচিন রাজ্যে। ওই এলাকাটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় জেড পাথরের উৎস হিসেবে বিবেচিত। প্রতিবেশী
চীনসহ এশিয়ার অনেক দেশে ধর্মকর্ম ও অন্যান্য কাজে মূল্যবান এই পাথরের বিশেষ কদর আছে।
২০২১
সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সুচির গণতান্ত্রিক সরকারের পতনের পর থেকেই
মিয়ানমারে একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সংগ্রামে জড়িয়ে আছে।
বর্তমানে
মিয়ানমারের বেশ কয়েকটি মূল্যবান পাথরের খনি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর কবলে আছে। তারা এসব
খনি থেকে আহরিত সম্পদ থেকে অর্জিত মুনাফা দিয়ে নিজেদের যুদ্ধের অর্থায়ন করে।
রোববার
কাচিন-এর হাকান্ত টাউনশিপে ফ্লাডলাইটের আলোতে প্রায় ২০জন অনিবন্ধিত জেড আহরণকারী কাজ
করছিলেন। আকস্মিক ভূমিধসে তারা চাপা পড়েন বলে রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের খবরে জানানো
হয়।
গ্লোবাল
নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানায়, ‘বেশ কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পুরনো খনিটির
ভেতর থাকা আবর্জনার স্তূপগুলো অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।‘অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।
প্রায় ১৫ জন নিখোঁজ আছেন। নিখোঁজদের খুঁজে বের করার জন্য খনন কার্যক্রম চলছে’,
জানায় পত্রিকাটি। বর্ষাকালে মিয়ানমারের খনিগুলোতে
এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই হয়।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহের
ঈশ্বরগঞ্জে জুলাই শহীদ ছেলের অনুদানের টাকা দিয়ে সোয়া ৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার কিনে
দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ শেখ শাহরিয়ার বিন মতিনের
বাবা মোহাম্মদ আব্দুল মতিনের (৫০) বিরুদ্ধে।
মোহাম্মদ
আব্দুল মতিন রাজধানীর মতিঝিলে একটি প্রতিষ্ঠানে সেলস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। তার
প্রথম স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৫)। উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের কুমড়াশসন গ্রামের এই দম্পতির
একমাত্র ছেলে ছিলেন শেখ শাহরিয়ার বিন মতিন। এছাড়া তাদের ১০ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।
অভিযোগ
উঠেছে, প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই আব্দুল মতিন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে এ অভিযোগ
অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। জানা
গেছে, ২০০৪ সালের ৭ নভেম্বর আব্দুল মতিন ও মমতাজ বেগমের বিয়ে হয়। দীর্ঘ ২২ বছরের দাম্পত্য
জীবনের পর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে তাদের সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয়।
উল্লেখ্য,
ছাত্রজনতার আন্দোলনে অংশ নিয়ে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর
এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শেখ শাহরিয়ার বিন মতিন। গুলি তার ডান চোখের পাশ দিয়ে ঢুকে মাথা
ভেদ করে বেরিয়ে যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ জুলাই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় সূত্রে
জানা গেছে, জুলাই শহীদ ছেলের ভাতার অনুদানের টাকা থেকে ৭ লাখ টাকার কাবিন ও সোয়া ৫
লাখ টাকার স্বর্ণালংকার দিয়ে গত ২৯ মে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আব্দুল মতিন।
এ
ঘটনার খবর পেয়ে অভিমানে গত ২ জুন একমাত্র মেয়ে শেখ মুমতাহিনা বিনতে মতিনকে নিয়ে আত্মহত্যার
সিদ্ধান্ত নেন মমতাজ বেগম। তবে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আত্মহত্যা হাত
থেকে থামান।
এরপর
বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। এছাড়া আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে জুলাই
শহীদ ছেলে শাহরিয়ারের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়দের
দাবি, অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বেশ অর্থবিত্তের মালিক হয়ে যান।
শহীদ
শাহরিয়ারের মা মমতাজ বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, সন্তান হারানোর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই আমার
অনুমতি ছাড়াই আব্দুল মতিন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। আমার জানামতে বিয়েতে সোয়া ৫ লাখ টাকার
স্বর্ণালংকার কেনার সামর্থ্য তার নেই। আমার শহীদ ছেলের রক্তের দাগ শুকানোর আগেই সরকারের
দেওয়া অনুদানের টাকায় তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করছেন।
তিনি
বলেন, আমার ছেলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর পর থেকেই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য আমাকে
বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন। তিনি বারবার বলেছিলেন, আমার বংশ রক্ষার জন্য দ্বিতীয়
বিয়ে করতে হবে।
মমতাজ
বেগম অভিযোগ করেন, আবদুল মতিন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ একমাত্র ছেলে শাহরিয়ারের মৃত্যুকে
পুঁজি করে নানা ধান্ধাবাজি ও প্রতারণা শুরু করেন। বারবার নিষেধ করার পরেও তিনি কোনো
কথাই শুনতে চাননি। দুই বউয়ের ভরণপোষণের সামর্থ্য তার নেই। মমতাজ বেগম বলেন, আমি ২২
বছর তার সঙ্গে কাটিয়েছি। তার আর্থিক অবস্থা ভালো না।
তিনি
অভিযোগ করে আরও বলেন, শহীদ পরিবারকে দেওয়া সরকারি বরাদ্দের এককালীন ৩০ লাখ টাকা তিনি
আমার সই জালিয়াতি করে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু আমি সচেতন থাকায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ
হয়। শুধু তাই নয়, আমার শহীদ ছেলের নাম ভাঙিয়ে আব্দুল মতিন বিভিন্ন সময় মানুষের কাছ
থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। আমার এখন একটাই চাওয়া, মেয়েটাকে বড় করার আগে যেন আল্লাহ
আমাকে নিয়ে না যায়। এ ঘটনার আমি সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
অভিযোগ
অস্বীকার করে শহীদ শাহরিয়ারের বাবা মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বলেন, আমার বংশ রক্ষার জন্য
আমি দ্বিতীয় বিয়ে করেছি। বিশেষ করে আমার মায়ের অনুরোধে আমি বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছি।
এছাড়া বিয়ে করার আগে প্রথম স্ত্রী আমাকে দ্বিতীয় বিয়ে করার অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু
তিনি এখন তা অস্বীকার করছেন।
তিনি
আরও বলেন, আমি আলফা গ্রুপের মতিঝিল শাখায় সেলস ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছি। বিয়ে করার
মতো সামর্থ্য আমার আছে। ছেলের অনুদানের টাকা দিয়ে বিয়ে করতে হবে, বিষয়টি এমনও নয়। বিয়ে
করার পর আমি প্রথম স্ত্রীকে আনতে পাঁচবার বাসায় গিয়েছি। মেয়ের সঙ্গেও দেখা করতে পারিনি।
সবশেষ অন্য একজনের মাধ্যমে তাদের বাসায় প্রবেশ করি। কিন্তু আমাকে অসম্মান করে বাসা
থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এখন সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছি।
এ
বিষয়ে জুলাই যোদ্ধা রুহুল আমিন রিপন গণমাধ্যমকে বলেন, একজন জুলাই শহীদের বাবা হয়ে মতিন
সাহেব যে কাজটি করেছেন তা মোটেও উচিত হয়নি। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী আল নূর আয়াস বলেন, জুলাই শহীদ শাহরিয়ার বিন মতিনের
বাবার দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি শুনেছি। তবে, বিষয়টি মেনে নেওয়ার মতো না। ছেলেকে যদি সত্যিই
তিনি ভালোবাসতেন, তাহলে তিনি এমন একটি কাজ করতেন না। তাদের একটি মেয়েও রয়েছে। তিনি
চাইলেই মেয়েটাকে নিয়েই সংসার করে যেতে পারতেন।
মন্তব্য করুন


হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা রক্ষায় দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী
মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে। হিন্দু
ধর্মাবলম্বী প্রত্যেক বাংলাদেশী অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে
শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করবেন এবং অন্যান্য সকল ধর্মাবলম্বীগণ সহযোগিতা ও
সম্প্রীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের
শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন সার্থক ও সুন্দর করে তুলবেন- এই প্রত্যাশা বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সংরক্ষিত নারী আসনের
সাবেক সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী
লীগের সহ-সভাপতি এবং লক্ষীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি
কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলামকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর
গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার রাতে গুলশানের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা
হয়।
আজ শনিবার (১০
মে) সকালে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ
রবিউল হোসেন ভূঁইয়া।
তিনি জানান, কুমিল্লা সংরক্ষিত নারী আসনের
সাবেক সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জানা গেছে, সেলিনা ইসলাম আলোচিত অর্থ ও
মানবপাচার মামলায় কুয়েতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি লক্ষীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি কাজী শহীদ
ইসলাম পাপুলের স্ত্রী। সেলিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ সম্পদ অর্জন ও
মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছিল।
তিনি একাদশ জাতীয় সংসদের
সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪৯ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ
সদস্য ছিলেন।
মন্তব্য করুন


স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি
অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএফ) জানিয়েছে, গত ৩৮ দিনে দেশে বজ্রপাতে
৩৫ জন কৃষকসহ অন্তত ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সংগঠনটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল
মাসে বজ্রপাতে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে নারী ১১ জন এবং পুরুষ ২০ জন। চলতি
মাসের ১ থেকে ৮ মে পর্যন্ত বজ্রপাতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন নারী
এবং ৩৪ জন পুরুষ।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) প্রকাশিত এসএসটিএফের
গবেষণা সেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসে একদিনে বজ্রপাতে ১১ জন নিহত ও ৯ জন
আহত হয়েছে। বজ্রপাতের ক্ষেত্রে কৃষকরা কীভাবে নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারেন- সে বিষয়েও
আলোকপাত করা হয়েছে।
সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান,
মানিকগঞ্জের সিংগাইর, ঢাকার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিদর্শন করেছেন সংগঠনটির
সদস্যরা। এ সময় ৫০০ জন করে কৃষক নিয়ে দল তৈরি করে বজ্রপাত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা
করেছেন।
এসএসটিএফের সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা
বজ্রপাতের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে মাঠে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি
অনুরোধ জানান।
এ ছাড়াও মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ৪ মাস
বজ্রপাত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠনটি কিছু পরামর্শও দিয়েছে কৃষকদের
জন্য। সেগুলো হলো:
*মাঠে কাজ করার সময় আকাশে কালো মেঘ
দেখে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া।
*বৃষ্টির সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া
থেকে বিরত থাকা।
*খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় জুতা
পরতে হবে।
*বজ্রপাতের সময় মাঠে কাজ করার সময়
শুয়ে পড়ুন।
ফোরামের সভাপতি ড. কবিরুল বাশার জানান,
বজ্রপাত বাড়ার পেছনে দুটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্রমবর্ধমান
প্রভাব এবং বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে গাছ কাটা, বিশেষ করে মাঠের উঁচু গাছ কাটা। গাছপালা
না থাকলে খোলা স্থানে বা মাঠে মানুষের ওপর আঘাত হানে বজ্রপাত। অধিকাংশ মানুষ মনে করেন
ঝড়ের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়াই ভালো। কিন্তু এটা ঠিক না। ঘরবাড়ি বা স্থাপনায়
আশ্রয় নিতে হবে মানুষকে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে রমজান মাস শুরু।
সোমবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এ কথা জানান ধর্মমন্ত্রী
ফরিদুল হক খান।
আজ
রাতেই এশার নামাজের পর ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা তারাবির নামাজ আদায় শুরু করবেন এবং শেষরাতে
সাহরি খাবেন।
তার
আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৈঠক
করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ও কমিটির সভাপতি
মো. ফরিদুল হক খান। সভায় ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র
রমজান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়,
বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন
প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে চাঁদ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে ভুয়া কর পরিদর্শক পরিচয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন করতে এসে দুই প্রতারক ধরা পড়েছেন। পরে তাদেরকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
আজ সোমবার (২৭ জুলাই) ১২টার দিকে কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে এ ঘটনা হয়।
আটককৃতরা হলেন– চান্দিনা উপজেলার বামতিয়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদ এবং দেবিদ্বার উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের শামছুল হক।
কুমিল্লার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান জানায়, আবুল কালাম আজাদ নিজেকে কর পরিদর্শক পরিচয় দিয়ে অন্য এক ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য নির্বাচন অফিসে আসেন। অন্যদিকে শামছুল হক জাল সনদ ব্যবহার করে তার এক স্বজনের জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের চেষ্টা করেন। তাদের আচরণ ও কথাবার্তায় সন্দেহ হলে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তারা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেন।
পরে তাদেরকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
কুমিল্লা কোতয়ালী থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার জানান, নির্বাচন কমিশন অফিস আমাদের কাছে অফিশিয়ালি যে অভিযোগ করবে আমরা তার প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেব। তাদের অভিযোগ প্রস্তত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
পুলিশ বিভিন্ন জেলায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে । ইতোমধ্যে বন্যার্তদের
উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য জেলাভিত্তিক পুলিশের জরুরি নম্বরও চালু করা
হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর
জানান, বন্যার্তদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার জন্য অনুরোধ জানানো
হয়েছে। এছাড়া জেলাভিত্তিক উদ্ধারে পুলিশ কর্মকর্তাদের মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে। সেগুলো
হলো-
জেলা
পুলিশ, নোয়াখালী
+8801320111898
জেলা পুলিশ, লক্ষ্মীপুর
+8801320112898
জেলা
পুলিশ, ফেনী
+8801320113898
জেলা
পুলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
+880
1320-115898
জেলা
পুলিশ, কুমিল্লা
+880
1320-114898
জেলা
পুলিশ, চাঁদপুর
+880
13 2011 6898
জেলা
পুলিশ, রাঙ্গামাটি
+8801320109898
জেলা
পুলিশ, বান্দরবান
+8801320110898
জেলা
পুলিশ, খাগড়াছড়ি
+8801320110398
জেলা
পুলিশ, চট্টগ্রাম
+8801320108398
জেলা
পুলিশ, কক্সবাজার
+8801320109398
জেলা
পুলিশ, মৌলভীবাজার
+880
1320-120698
জেলা
পুলিশ, হবিগঞ্জ
+880
1320-119698
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার সদর দক্ষিণে জাইতুন রেস্টুরেন্টে নাস্তা খাওয়ার পর ভুলবশত ফেলে যাওয়া বিদেশি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায় শিশুটিকে হস্তান্তর করেন। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিশুটির নাম নাফিসা বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তারা সপরিবারে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ঘুরতে এসেছেন।
পুলিশ জানায়, পাকিস্তানের কাশ্মীরের নাগরিক সালমান পরিবার নিয়ে শনিবার কক্সবাজার ঘুরতে যাচ্ছিলেন। সপরিবারে সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড মোস্তফাপুর এলাকার জাইতুন রেস্তোরাঁয় নাশতা করেন। নাশতা শেষে ভুলে শিশু নাফিসাকে হোটেল জাইতুনে রেখে চলে যায় তারা।
রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বিদেশি পরিবারটি প্রায় ১৫ জন সদস্য নিয়ে দুটি গাড়িতে করে এসে জাইতুন রেস্তোরাঁয় বসে নাশতা করছেন। এ সময় তারা গল্প-আড্ডায় মেতে ছিলেন।
জাইতুন রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন বলেন, পাকিস্তানের কাশ্মীরের একটি পরিবার শনিবার সকালে দুটি গাড়িতে করে এসে প্রায় ১৫ জন সদস্য রেস্টুরেন্টে নাস্তা করেন। তারা চলে যাওয়ার সময় ভুলবশত শিশুটিকে রেখে চলে যান। বাচ্চাকে হেফাজতে নিয়ে সদর দক্ষিণ থানায় জানালে পুলিশ উদ্ধার করে। পরে প্রশাসন শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। সদর দক্ষিণ থানার ওসি রকিকুল ইসলাম বলেন, রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে সমাজসেবা অফিসারের মাধ্যমে পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা আসেন। আইন অনুযায়ী শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় বলেন, আমরা প্রথমে শুনেছিলাম শিশুটির পরিবার কাশ্মিরের। কিন্তু পরিবারের লোকজন শিশুটিকে নিতে এলে জানতে পারলাম তারা পাকিস্তানি। পাকিস্তান থেকে পরিবারের সদস্যরা এসেছেন বাংলাদেশে ঘুরতে। শনিবার দুটি গাড়িতে করে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন সবাই। সকালে তারা কুমিল্লার জাইতুন রেস্টুরেন্টে নাস্তা করেন। নাস্তা শেষ করে পাকিস্তানি পরিবারটি দুটি গাড়িযোগে যাচ্ছিলেন। একটিতে শিশুর বাবা-মা এবং অপরটিতে শিশুর দাদা-দাদি ছিলেন। বাবা-মায়ের ধারণা ছিল দাদা-দাদির গাড়িতে শিশু নাফিসা এবং দাদা-দাদির ধারণা ছিল শিশু নাফিসা তার বাবা-মায়ের গাড়িতে উঠেছে। উভয়ের ভুলে পাকিস্তানি শিশু নাফিসা হোটেল জাইতুনে রয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল এলাকায় গিয়ে শিশু নাফিসাকে দেখতে না পেয়ে কুমিল্লার দিকে রওয়ানা দেয় পাকিস্তানি পরিবারটি। পরে উপজেলা সমাজসেবা অফিস সেই পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির অবস্থান নিশ্চিত করলে তারা জাইতুন রেস্টুরেন্টে এসে শিশুটিকে নিয়ে পুনরায় কক্সবাজারের দিকে রওনা দেন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসলাখো রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করলেন ।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) রোহিঙ্গা
ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার
সঙ্গে ইফতার করেন তারা।
এর আগে দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে কক্সবাজার পৌঁছান তারা। এরপর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কক্সবাজারের উখিয়ায় যান জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস। পরে সেখানে রোহিঙ্গা শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং পাটজাত পণ্যের উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
অন্যদিকে
কক্সবাজারে পৌঁছে সেখানে নির্মাণাধীন কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও খুরুশকূল জলবায়ু উদ্বাস্তু কেন্দ্র পরিদর্শন করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরবর্তীতে বিকেলে উখিয়ায় প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে ইফতারে যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিব।
উল্লেখ্য, ৪ দিনের সফরে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) ঢাকায় পৌঁছান জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
মন্তব্য করুন