

মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতায়
বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন কুমিল্লার মোফাজ্জল মাহিন চৌধুরী। জানা
যায়, আগামী ১ ও ২ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের রিচমন্ডে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বের
১৬টি দেশের সাত শতাধিক খেলোয়াড় এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন।
সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তথ্য জানান ‘দ্য রয়েল কারাতে-দো অ্যাসোসিয়েশন’-এর সভাপতি ও বাংলাদেশের একমাত্র নির্বাচিত খেলোয়াড় মোফাজ্জল মাহিন চৌধুরী।
মোফাজ্জল মাহিন চৌধুরী বলেন, লন্ডনের আন্তর্জাতিক
কারাতে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের একমাত্র অংশগ্রহণকারী হিসেবে সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত
গর্বিত। দেশের পতাকা বিদেশের মাটিতে উড্ডয়ন রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
মাহিন চৌধুরী আরও জানান, এর আগে তিনি ভারতের এশিয়ান
চ্যাম্পিয়নশিপসহ একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ১২টি আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদকসহ
জাতীয় ও আন্তঃজেলা পর্যায়ে অসংখ্য পদক অর্জন করেছেন। ভবিষ্যতে তিনি আন্তর্জাতিক মানের
মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।
দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনতে দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন এই তরুণ খেলোয়াড়।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি
কামাল উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মো. একরামুল হক, সহকারী যুগ্ম সম্পাদক কাউসার আকাশসহ
সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলায় বিদ্যুৎস্পর্শে
পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় জহিরুল ইসলাম (২৮) ও মো: মনির হোসেন (২৩) নামে দুই শ্রমিককের মৃত্যু
হয়েছে। এ সময় আরও দুই শ্রমিক আহত হয়। আহতরা দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
চিকিৎসাধীন।
নিহত জহিরুল ইসলাম উপজেলার ইউসুফপুর
ইউনিয়নের এগারগ্রামের মো: সহিদ মিয়ার ছেলে ও মনির হোসেন মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার
থানার টনকি ইউনিয়নের সোনারামপুর গ্রামের মো: আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
জানা গেছে, গত শনিবার বিকেল ৫টার দিকে
উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের মোগসাইর গ্রামের রঞ্জিত দাসের পুকুরে ত্রুটিযুক্ত সেচ পাম্পের
ইলেকট্রিক মোটর মেরামত করতে গিয়ে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে পুকুরের পানিতে বিদ্যুৎতায়িত
হয়ে ঘটনাস্থলেই জহিরুল ইসলামের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে দেবিদ্বার থানা পুলিশ জহিরুলের
লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার (১০
জুন) বিকাল ৩টার দিকে পৌরসভার চান্দিনা রোডে হিলফুল ফুজুল স্কুলের পাশে সৌদী প্রবাসী
জসিম উদ্দিনের নির্মাণাধীন ভবণের চারতলা ভবনে রশিতে লোহার রড বেঁধে উপরে তোলার সময়
পাশে থাকা ফোর ফোরটি বৈদ্যুতিক লাইনের তারে লেগে মনির হোসেনসহ আরও তিন শ্রমিক আহত হয়।
পরে তাদের উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
মনির হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আহত শ্রমিক শাকিল ও সাগর বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
নিহত মনিরের স্ত্রী রোজিনা আক্তার জানান,
গত ২ বছর ধরে চান্দিনা রোডের একটি ভাড়া বাসায় থেকে নির্মাণ শ্রমিককের কাজ করত আমার
স্বামী। রোববার বিকেলে কাজের ফাঁকে বাসায় এসে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আবার কাজে যায়। আমার
দুই বছর ও ১০ মাসের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। আমি এ সন্তানদের নিয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছি।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো: নয়ন মিয়া বলেন,
বিদ্যুৎস্পর্শে পৃথক দুই ঘটনায় দুইজন মারা গেছেন। তাদের লাশ সুরতহাল শেষে থানায় নিয়ে
আসা হয়েছে। এ ঘটনায় দেবিদ্বার থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৪০ কেজি গাঁজা এবং ৩৯৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম মডেল থানাধীন আব্দুল্লাপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী মোঃ সাকিবুল ইসলাম (২২) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজিসহ ৪০ কেজি গাঁজা ও ৩৯৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সাকিবুল ইসলাম (২২) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার কাঠালিয়া গ্রামের আব্দুল মোমেন এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে সিএনজি যোগে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
নানা হুমকির কারনে ২০১৭ সালে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। সেই জিডিতে তিনি সাবেক ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু চিহ্নিত ব্যক্তিসহ কয়েকজন স্থানীয় দুর্বৃত্তের নাম উল্লেখ করেছিলেন কিন্তু নিরাপত্তার আশায় করা সেই জিডি তার জন্য আশীর্বাদ নয়, পরিণত হয় দীর্ঘমেয়াদি এক দুঃস্বপ্নে।
পরের বছর ২০১৮ সালের ২৮ জুন ফের একটি জিডি করা পর থেকেই শুরু হয় অপরাধীদের নাসকতামুলক অত্যাচার ও নির্যাতনের। গ্রামের বাড়ী বরুড়া কেমতলীতে জাওয়ার পথে নিমশার এলাকায় পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার উপর আক্রমন চালিয়ে আহত করে এবং সি এন জেতে সহ হামলা করে। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে মামলাটি জোরপূর্বক প্রত্যাহার করায় এবং সেই থেকে সকল অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য তারা নারী পুরুষ সম্মিলিত 'স্যার গ্রুপ' গঠন করে একটি চক্র তার বাসার সামনে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি ১৫ইং তারিখে ককটেল বিস্ফোরণ চালায়। একপর্যায়ে তিনি প্রশাসন সহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ মহলেলিখিত আবেদন করেন। এ সকল আবেদন গুলো গুরত্ব সহকারে তদন্ত করা হয়। মামলার হাজিরার ধার্য তারিখে সে উপস্থিত হতে গেলে মোটরসাইকেল মহরা দিয়ে তাকে আদালতে যেতে দেয় নাই, এরফলে বাদী উপস্থিত না থাকার ধরুন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত মামলাটি খারিজ করে দেয়। এছাড়া শুভ্রর বিরুদ্ধে ভুয়া ওয়ারেন্ট দিয়ে আল আমিন ও মতিন নামের দুইজন ৫ হাজার টাকা দাবী করে জারিকারক ও পুলিশের সদস্য পরিচয়ে।শুভ্র মামলার সঠিক তথ্য চেয়ে তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। পরে তিনি কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যলয়ে মিথ্যা মামলার বিষয়ে সহযোগীতা কামনা করেন। যার স্মারক নাম্বার-৯৪৬১/২য়। এ প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার এর নির্দেশে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে ওয়ারেন্টটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এছাড়া গত বছরের ৪ আগস্ট তারা কুমিল্লার টিক্কাচর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাতের বেলায় শুভ্রকে উপর্যপুরী ছুরিকাঘাত করে মারধর করে। এ ঘটনায় কুমিল্লা সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাঁবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩জন পুরুষ ও একজন মহিলাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। যার নাম্বার দ্রুত সিআর ৩৬/২৪ যাহা পিবিআই এর তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট গত দাখিল করেন।তারা আবারো গত বছরের ১৬ ইং অক্টোবর দিনের বেলায় সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা তার উপর হামলা করে। এ ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করে যাচ্ছে আইনশৃংখলা বাহিনী। মামলার আসামিরা হলেন- আমড়াতলী এলাকার মৃত বাবুল সর্দারের ছেলে মহিউদ্দিন (৩৮), আদালত পাড়ার টাউট মতিন (৩৮), পাঁচথুবী এলাকার তারেক (৪২), ঢাকার ধানমন্ডির মৃত ওয়াকিলুর রহমানের ছেলে ফয়সল রহমান (৩৮), সদর দক্ষিণ গলিয়ারা ইউনিয়নের হাবিবের ছেলে মো. মতিন (৪০), ডুমুরিয়া চানপুরের আরাফাত (৩৬), ফৌজদারি এলাকার আল আমিন (৩৫), আদালতের পশ্চিম গেটের সোনিয়া (৩২) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জন।
সর্বশেষ স্যার গ্রুপ অনলাইনে ফেসবুক বিভিন্ন হ্যাকিং, ভুয়া ফেসবুক আই ডি খুলে অশ্লীল ছবি তৈরি করে শুভ্র কে পাঠিয়ে চাদা দাবী করে আসছে ০১৯৭১০৭৩৫৮৪ ও ০১৭০৪২৭২৯৬১ এ নম্বরে। এ বিষয়ে একটি জিডি হয় যার নাম্বার ২২২। জিডির তদন্তে ঘটনার সত্যতা খুজে পেয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০১ কুমিল্লা স্মারক নাম্বার ২৩৮৯ তাং-১৭-০৩-২৫জিডিতে বর্ণিত সকল আসামীদের সকল অপরাধ তদন্তের অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত ডিআর ৫২৬/২৫, তাং-১৯-০৩-২৫ ইং মূলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেন। অতপর তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় স্মারক নাম্বার ২৮২৬ তাং-০৬-০৪-২৫ইং অনুমতি নিয়ে আদালতে একটি নন এফআইআর মামলা করার জন্য প্রসিকিউশন দাখিল করলে মামলা রুজু হয়। যার নাম্বার ২৪/২৫ নন জিআর মামলা নাম্বার ২০/২৫ তারিখ ০৭-০৪-২৫ রজু হয়। যাহা আসামীদের প্রতি সমন সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে কোতয়ালী মডেল থানা দুটি সাধারণ জিডি করা হয়। জিডি নাম্বার ১৪৮৪,১৯/৯/২০২৫,জিডি নাম্বার ২১৩৬, ২৭/৯/২০২৫। ভূক্তভোগী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র বলেন, এইসব কারনে আসামীরা সকল মামলা প্রত্যাহারের জন্য নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে আসছে। আমার বিরুদ্ধে সামাজিক পরিসরে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক তথ্য বিভ্রান্তি ছড়িয়ে চক্রান্ত করছে ,মামলা প্রত্যাহার না করলে আমাকে নানাভাবে ক্ষতির মুখে পরতে হবে বলে হুমকি দিয়ে আসছে।এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিনুল ইসলাম বলেন, মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র একাধিক অভিযোগ আমরা পেয়েছি, আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ আন্তরিকতার সহিত কাজ করছে। ইতিমধ্যে একজন আসামী আটক করা হয়েছে। বাকীদের ও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় ঘর থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক ধারণায় পুলিশ বলছে, তারা আত্মহত্যা করেছে। ময়না তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানাবে তারা।
আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের জালালাপুর গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানাধীন দেবপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ শহীদুল্লাহ প্রধান।
উদ্ধার হওয়া লাশ দুটির পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তারা হলেন ওই গ্রামের মৃত জীবন চন্দ্রের স্ত্রী নমিতা পাল (৪২) ও তার মেয়ে তন্নী রাণী পাল (১৮)।
পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে ঋণগ্রস্ত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের ধারণা, ঋণের কারণে বিষপানে মা ও মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
ফাঁড়ি ইনচার্জ শহীদুল্লাহ প্রধান জানান, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। লাশ দুটি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ২১নং ওয়ার্ড শাকতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ উৎসব উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় শাকতলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদল এর আহ্বায়ক কে.এম শাহীনুর হোসাইন শাহীন। তিনি বই বিতরণ উৎসবটি উদ্বোধন করেন।
এ সময় শাকতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল আমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ২১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী মাহবুবুর রহমান এবং ২১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ শোয়েব আহমেদ জুয়েল, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আক্তার হোসেন ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মন্ডলী। এ সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ এলাকার স্বনামধন্য আরও ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা/নীতিমালার বিষয়ে লার্নিং সেশন এর আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার কুমিল্লা জেলার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আয়োজনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে লার্নিং সেশন এর আয়োজন করা হয়।
উক্ত লার্নিং সেশনে উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লার বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিজেএ সাউদ হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক।
লার্নিং সেশনের শুরুতে সভাপতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার বর্তমান ও অতীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিকে অবহিত করেন। সিজিএম মাদক মামলার জব্দ তালিকা প্রস্তুত, সাক্ষী গ্রহণ ও স্বাক্ষ্য প্রদান এবং বিধিমালা/নীতিমালার বিষয়ে উপস্থিত সবাইকে অবহিত করেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথিকে সম্মাননা স্মারক ও মাদকের ক্ষতিকর দিক লেখা সম্বলিত বিভিন্ন উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৮৫ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন মিরপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
আসামী ১। মোঃ মিনারুল ইসলাম (৩১) এবং ২। মোঃ সাফিরুল ইসলাম (৩৪) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৮৫ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত
একটি প্রাইভেটকার গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ মিনারুল
ইসলাম (৩১) জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার রামচন্দ্রপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন এর
ছেলে এবং ২। মোঃ সাফিরুল ইসলাম (৩৪) জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাট থানার হিচমী দক্ষিণপাড়া
গ্রামের মৃত মোয়াজ্জেম হোসেন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ অন্যান্য জেলায় মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর
মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো
সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের
বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৭২০ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ডভ্যানসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
গতকাল (২ জুলাই) রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহার নেতৃত্বে এসআই নাজিম উদ্দিন ভূইয়া ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রাম মুখী লেনে আলকরা ইউনিয়নের পদুয়া বাজারের পাকা রাস্তায় একটি কাভার্ডভ্যান আসতে দেখে থামানোর সংকেত দেয়। এমতাবস্থায় কাভার্ডভ্যান এর চালক এবং হেলপার পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি বন্ধ করে পালানোর সময় জনগন ও সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় আসামী ১। বাবুল সিকদার ড্রাইভার, ২। মোঃ সাদেক হেলপারকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগনের উপস্থিতিতে কাভার্ডভ্যানটি তল্লাশি করে কাভার্ডভ্যানের ভেতর থেকে ৭২০ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়।
আসামীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন যে, তারা গাড়িযোগে ফেন্সিডিল আমানগন্ডা কবরস্থানের সামনে থেকে চট্টগ্রাম নিয়ে যাচ্ছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। বাবুল সিকদার (ড্রাইভার) (৪০), পিতা-আব্দুর রহমান সিকদার, মাতা-মৃত জাহানারা বেগম, সাং-বড় বয়রা, থানা-সোনাডাঙ্গা, কেএমপি, খুলনা।
২। মোঃ সাদেক হেলপার (৩৪), পিতা-মোঃ কাশেম, মাতা-রোকসানা বেগম, সাং-চরপাড়া, থানা-পতেঙ্গা, সিএমপি, চট্টগ্রাম।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনার অংশে মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজের সামনে ১৭ আগস্ট শনিবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এলাকায় একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
এ দুর্ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে মাইক্রোবাসের চালকসহ ৩ জন নিহত হয়েছে। আরও ১ জন মহিলা গুরুতর আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুজন বীমা কোম্পানীর কর্মকর্তা।
নিহতরা
হলেন, চালক তারেক, ট্রাস্ট লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানীর কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন ও মোজাম্মেল
হক।
দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন মাইক্রোবাসে থাকা আরও তিন যাত্রী।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চান্দিনা ফায়ার স্টেশন মাস্টার অনয় কুমার ঘোষ জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি মাইক্রোবাস মাধাইয়ার নাওতলা এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে থাকা একটি গাছের সাথে ধাক্কা খেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন মারা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, মাইক্রোবাসটি চালকসহ ৪ জন যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাচ্ছিল। মাধাইয়া
মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজের সামনের সড়কে ঢাকা-চট্টগ্রাম লেন দ্রুত গতিতে আসা মাইক্রোবাসটি
নিয়ন্ত্রণ হারায়। এতে সড়কের পাশের একটি গাছের সাথে ধাক্কা লাগলে মাইক্রোবাসের সামনের
অংশসহ একপাশ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের চালকসহ ৩ জন নিহত হয়।
মাইক্রোবাসের
ভিতরে থাকা গুরুতর আহত এক নারীকে চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের লোকজন উদ্ধার করে চান্দিনা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডার (এজিপি) এডভোকেট মোঃ আবু
মুছা ভূঁঞা ১৯৭৯ সালের ২৫ নভেম্বর কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার বাগমারা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত
মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি
বাগমারা দাখিল মাদ্রাসায় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে মুরাদনগর
বাঁশ কাইট পীতাম্বর জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে ১ম বিভাগে মাধ্যমিক পাশ করেন।
তৎপর চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ১৯৯৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
হয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে অর্নাস করেন।
পরে উক্ত বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়াকালীন সময়ে
বিএনসিসি ও স্কাউট এর সাথে জড়িত ছিলেন।
অ্যাড.
আবু মুছা ভূঁঞার দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তবে
দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার এর অনুপ্রেরণায় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত হন তিনি। সেই
সুবাদে এডভোকেট মোঃ আবু মুছা ভূঁঞা ১৯৯৬-৯৭ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র দলের
রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে "ওয়াসিম-ছানাউল্লাহ পরিষদ" এর পাশের ক্ষেত্রে ভূমিকা
রাখেন এবং ১৯৯৯ সালে কুমিল্লা আইন কলেজে অধ্যয়নরতকালে ছাত্র সংসদ "নাজমূল-মহান
পরিষদ" এর নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালের ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ
বার কাউন্সিল থেকে সনদ প্রাপ্ত হয়ে একই সালে ৩১ অক্টোবর কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে
যোগদান করে পেশাগত জীবনে আত্ম প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তরুণ আইনজীবী হিসেবে জাতীয়তাবাদী
আইনজীবী ফোরামের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য
হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লাস্থ দেবীদ্বার সমিতির নির্বাচন
কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দেবীদ্বার সমিতির "ক্রীড়া সম্পাদক"
হিসেবে মনোনীত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এড. আবু মুছা ভূঁঞা ২০১০ সালে সর্ব সম্মতিক্রমে
দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়ন বিএনপির "সভাপতি" নির্বাচিত হয়ে বর্তমানেও
পুনরায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপি'র "মানবাধিকার বিষয়ক
সম্পাদক" হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। পরে ২০২২ সালের ২৯ মে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি)'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম এর স্বাক্ষরিত কুমিল্লা উত্তর জেলার আহবায়ক
কমিটির "সদস্য" মনোনীত হন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, কুমিল্লা
ইউনিটের "যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক" হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও জেলা
আইনজীবী সমিতির "লাইব্রেরী সেক্রেটারি" হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।
তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার
আইনজীবী ও কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু'র নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের
মামলা পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। অ্যাড. মুছা ভূঁঞা বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের
সকল প্রকার দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সরকারের পতনের পর যখন দেশের ক্রান্তিলগ্নে
অতিক্রম করে তখন ১৫নং বরকামতা ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়াও
তিনি জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী
হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সর্বশেষ গেলো ৩রা জুন দেবীদ্বার উপজেলাধীন বাগমারা ইসলামিয়া
আলীম মাদ্রাসা'র গভর্ণিং বডির "সভাপতি" মনোনীত হয়েছেন। তিনি দীর্ঘ দেড় যুগেরও
বেশি সময় ধরে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে আইন পেশা পরিচালনা করে আসছেন।
মন্তব্য করুন