

জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সাবেক ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার হাবিবপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ব্রি হাইব্রিড ধান ৮ এর ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফুলবাড়ীর সহযোগিতায় ও ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় রংপুরের বাস্তবায়নে কৃষক আমজাদ হোসেনের উঠানে এ ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপজেলা কৃষি অফিসার নিলুফা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন, ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় রংপুরের প্রধান ড. মো: রকিবুল হাসান, এসএসও সেলিনা জাহান, হাইব্রিড রাইস বিভাগ গাজীপুরের এসএসও ড. আনোয়ারা আক্তার ও কৃষক আমজাদ হোসেন সহ আরো অনেকে।
এ সময় বক্তারা, ব্রি হাইব্রিড ধান ৮ এর ফলন বিঘায় ২৭ মন হওয়ায় বিদেশি ধানের পরিবর্তে দেশি জাতের ব্রি হাইব্রিড ধান ৮ লাগানোর পরামর্শ প্রদান করেন ।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারে পাহাড় ধসে একদিনে পৃথক ঘটনায়
চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই নারী
ও দুই শিশু রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে
শহরের কলাতলী সৈকতপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে একই পরিবারের ৮ জন মাঠি চাপা পড়ে। এ ঘটনায়
বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মিম নামের এক শিশুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার
করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাঈদ আনোয়ার বলেন,
গাছ এবং পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৮ জন মাটির নিচে চাপা পড়ে। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস
এবং স্থানীয়রা মিলে ওই পরিবারের ৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মিম নামের এক শিশুকে
বাঁচানো যায়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে সদরের ঝিলংজায়
লায়লা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ পাহাড় ধসে নিহত হন। তিনি দক্ষিণ মহুরিপাড়া এলাকার বজল
আহমদের স্ত্রী। এ ঘটনায় তাদের ২ বছরের শিশু মোহাম্মদ জুনায়েদ গুরুতর আহত হয়ে কক্সবাজার
সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টার দিকে
পাহাড় ধসের পৃথক ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়। শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের পূর্ব পল্যান কাটা এলাকায়
বসতঘরে পাহাড় ধসে স্থানীয় মোহাম্মদ করিমের স্ত্রী জমিলা বেগম (৩০) নিহত হয়েছেন। এছাড়া
শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের সিকদার বাজার এলাকায় মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয় সাইফুলের
ছেলে মো: হাসানের (১০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রকিবুজ্জামান বলেন, কক্সবাজারে পৃথক পাহাড় ধসের
ঘটনায় দুই নারী ও দুই শিশু নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী
আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই)
সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ৩৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আগামী দুদিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে অস্থায়ীভাবে
দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানান
তিনি।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) মধ্যরাত থেকে
কক্সবাজারে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাকখালী ও মাতামুহুরি নদীসহ বিভিন্ন ছোট বড় নদ-নদীর
পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার সদর, রামু, চকরিয়া, উখিয়া, টেকনাফ
এবং কক্সবাজার পৌরসভার অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে পর্যটন
শহরের কলাতলী সড়কসহ অসংখ্য ছোট-বড় সড়ক, বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৪ থেকে ৫ ফুট
উচ্চতায় পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা, হোটেল-মোটেল জোনে
বৃষ্টির পানির কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কলাতলী সড়ক, বাজারঘাটা, বাস টার্মিনাল,
উপজেলা বাজার ও লিংকরোড় এলাকায় সড়কে বন্যার পানি জমে যায়।
মন্তব্য করুন


নাটোরের সিংড়ায় শিক্ষকের দেওয়া মিথ্যা চুরির অপবাদ সহ্য করতে না পেরে আশিক হোসেন (৩০) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার (১ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা রানী বেগম রাতে সিংড়া থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আগমুরশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুহুল আমিনকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।
নিহত আশিক হোসেন উপজেলার আগমুরশন গ্রামের সেলিম হোসেনের ছেলে। তিনি আগমুরশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী কাম-দপ্তরি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মামলার এজাহার ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুহুল আমিন তার সুদের কিস্তির টাকা পরিশোধের জন্য মেয়ের কানের দুল বিদ্যালয়ে এনে শ্রেণিকক্ষে নিজের ড্রয়ারে রাখেন। পরে বিদ্যালয় ছুটি শেষে বাড়ি ফিরে গিয়ে বুঝতে পারেন দুলটি তিনি ফেলে এসেছেন। পুনরায় বিদ্যালয়ে গিয়ে দুল খুঁজে না পেয়ে বিষয়টি অন্য শিক্ষকদের জানান।
পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে ডেকে নিয়ে নৈশপ্রহরী আশিকের ওপর চুরির অভিযোগ তোলা হয়। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে শনিবার আশিক কলিয়া বাজারে গিয়ে লোকজনের মুখে চুরির কথা শুনে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে সেখানেই তিনি বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিকেল ৪টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক রুহুল আমিন বলেন, “আমি মেয়ের দুল ড্রয়ারে রেখে ভুলে গিয়েছিলাম। পরে গিয়ে পাইনি, তাই শিক্ষকদের জানিয়েছিলাম। আশিককে শোকজ করা হয়েছিল আগে থেকেই।”
অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, “এক শিক্ষকের কিছু স্বর্ণালঙ্কার চুরি হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে আশিককে বাসায় ডেকে শুধু জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, কোনো অপবাদ দেওয়া হয়নি।”
সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমিনুজ্জামান বলেন, “আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর:
চাঁদপুরে নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের নির্দেশে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুর মতলব উত্তর থানাধীন নাসিরাকান্দি এলাকায় মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ১০টি ড্রেজার ১টি বাল্কহেড, ২টি স্পিডবোটসহ ৪৩ জন আটক করেছে নৌ পুলিশ।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অবৈধ বালু বিক্রয়লব্দ ১১ লক্ষ ৪১ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মতলব উত্তর উপজেলার হিল্লোল চাকমা সহকারী কমিশনার ভুমি, মতলব উত্তর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান, মোঃ শফিকুল ইসলাম, কোস্ট গার্ডের চীফ পেটি অফিসার।
চাঁদপুর নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রীয়াধীন আছে।
মন্তব্য করুন


সংঘবদ্ধ
চোর চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি।
গত
১৬ ডিসেম্বর এবং ১৮ ডিসেম্বর আবুল খায়ের মোঃ মাহবুব পারভেজ (৫৬) এবং হাসনা বেগম (৪১)
অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় দুইটি পৃথক মামলা দায়ের করে।
পরবর্তী
পুলিশ সুপার কুমিল্লার নির্দেশে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা কুমিল্লার
একটি চৌকষ টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন চাঙ্গীনি কোটবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন মনিরের বাড়ী থেকে মনিরকে
গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে চোরাইকৃত ১টি এলইডি সনি টিভি এবং একটি এন্ড্রোয়েড মোবাইল
ফোন উদ্ধার করে। মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার সহযোগী সোহেল, সুমনকে একই থানা এলাকার
কচুয়া চৌমুহনী নুরুল ইসলামের বাড়ীর ২য় তলা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে। তাদের বাসা তল্লাশি
করে চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টা পাইপ রেঞ্জ, ১টি হাতুড়ি, ১টি প্লাস এবং ১টি এন্ড্রোয়েড
মোবাইল উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের তথ্যের ভিত্তিতে তাদের অপর সহযোগী বিল্লাল
(২৫)’কে চান্দিনা থানাধীন বাতাগাছি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে চোরাইকৃত
আরো ১টি এলইডি সনি টিভি উদ্ধার করা হয়।
জেলা
গোয়েন্দা শাখা ডিবি জানান, তারা ১০/১৫ জনের একটি গ্রুপ কুমিল্লা চাঁদপুর, ফেনী জেলার
বিভিন্ন জায়গায় খালি বাসা গুলোতে তালা কেটে চুরি করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো:
১।
মনির (৩৭), পিতা- মৃত আব্দুর রশিদ, মাতা-জোহরা খাতুন, সাং- পইয়াবাড়ি (মিয়া হাজী বাড়ী),
থানা- দেবিদ্বার, জেলা- কুমিল্লা এ/পি- চাঙ্গীনি, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
২।
সোহেল (২৮), পিতা- আব্দুল হক, মাতা- পারুল বেগম, সাং- পাইপেরগোড়া, থানা- কর্ণফুলী,
জেলা- চট্টগ্রাম, এ/পি- কইচ্চা চৌমুহনী, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা।
৩।
সুমন (২৮), পিতা- জশিম, মাতা- ফুল মাসা, সাং- লাজুর, থানা- মুরাদনগর, জেলা- কুমিল্লা,
এ/পি- মুনসুরাবাদ (বোয়ালখোলা মাঠ), থানা- ডবলমুরিং, জেলা- চট্টগ্রাম।
৪।
বিল্লাল (২৫), পিতা- মৃত মজিবুর রহমান, মাতা- সাজিয়া বেগম, সাং- বাতাঘাসি, থানা- চান্দিনা,
জেলা- কুমিল্লা।
উল্লেখ্য
যে, আসামী মনির, সোহেল এবং বিল্লাল এর বিরুদ্ধে পূর্বে ০১টি করে চুরি মামলা এবং সুমন
এর বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই-এর
অভিযানকালে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ
বুধবার দুপুর থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আক্তার শিফা, সালমান ফার্সি
এবং মো. আনিসুল হক।
এ
সময় বিএসটিআই কুমিল্লার মাঠ কর্মকর্তা ইকবাল আহাম্মদ, পরিদর্শক (মেট) আরিফ উদ্দিন প্রিয়,
পরীক্ষক (রসায়ন) মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায়
বিএসটিআই-এর উপ-পরিচালক কে এম হানিফ জানান, মানসনদ গ্রহণ ব্যতীত পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড
মার্ক (মান চিহ্ন) ব্যবহার, বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক পণ্য উৎপাদন এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর
তথ্য প্রদানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে নগরীর দেশয়ালিপট্টির মেসার্স বিক্রমপুর শশী ভান্ডারকে
২৫ হাজার টাকা, বিক্রমপুর ঘি স্টোরকে দুই হাজার টাকা এবং রাজগঞ্জ বাজার এলাকার মেসার্স
নিউ প্রিমিয়াম সুইটসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজারে পৃথক স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে জেলা সদরের ঝিলংজায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড় ধসে দুই শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে পাহাড় ধসের পৃথক দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
দিবাগত রাত ২টার দিকে ঝিলংজার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ডিককুলে এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা হলেন, দক্ষিণ ডিককুলের মিজানুর রহমানের স্ত্রী আঁখি আকতার (২৫) এবং তার দুই শিশু কন্যা ময়না আকতার (৭) ও মায়া আকতার (২)।
নিহতের স্বজনরা জানান, ভারী বর্ষণের কারণে গভীর রাতে মিজানুরের বাড়ির ওপর পাহাড়ের একটি অংশ ধসে পড়ে। মিজানকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও তার স্ত্রী ও দুই সন্তান মাটি চাপা পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় তাদের মরদেহ বের করে আনা হয়।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার দোলন আচার্য বলেন, তিনজনের মরদেহ বের করে আনা হয়েছে।
রাতে উখিয়ার হাকিমপাড়া ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের ব্লক ই-২ তে পাহাড় ধসে দুই শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- আব্দুর রহিম (৩০) আব্দুল হাফেজ (১০) ও আব্দুল ওয়াছেদ (৮)।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসে তিনজন নিহত হয়েছেন। এখানে দুইজন শিশু রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কক্সবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে এক দিনে সর্বোচ্চ।
মন্তব্য করুন


ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের লিডারসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, গাঁজা, মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তারদের প্রিজন ভ্যানে করে অন্যান্য আসামির সঙ্গে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর পাঁচটি পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আশুলিয়ার ইয়ার হোসেন (২০), জামগড়ার সোনা মিয়া (৪৫), একই এলাকার আশরাফুল (১৮), বড় বাবু (১৯), আকাশ (১৮) ও ১৭ বছরের এক কিশোর।
যৌথ বাহিনী জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাং লিডার ইয়ার হোসেন, মাদক ব্যবসায়ী সোনা মিয়াসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইয়ার হোসেন ও সোনা মিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, অনলাইন বেটিং, মাদক ব্যবসা এবং কিশোর গ্যাং কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। অভিযানে ১৬টি দেশীয় অস্ত্র, ৫টি ধারালো অস্ত্র ও কাঁচি, ৪৮টি মোবাইল সিম এবং ৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, দেশীয় অস্ত্র, গাঁজা, মোবাইল ফোন ও অপরাধে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামসহ ৬ জনকে থানায় হস্তান্তর করেছে যৌথ বাহিনী। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের জানাজা জেলা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় শতাধিক আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
আজ শুক্রবার (১৬ আগস্ট) জুমার নামাজের পর এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় উপস্থিত আইনজীবীরা আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এরপর তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার কাজিরগাঁও এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলি এলাকায় গত ৫ আগস্ট গুলিবিদ্ধ হন আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ। এরপর ১০ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় মারা যান তিনি।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়া তার বক্তব্যে বলেন, আবুল কালাম আজাদ একজন বিচক্ষণ আইনজীবী ছিলেন। তাঁর এমন মৃত্যুতে তিনি শোক প্রকাশ করে যারা তাঁকে হত্যা করেছে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আ হ ম তাইফুর আলম বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের নিমর্মতার বলি হয়েছেন আমাদের সহকর্মী আবুল কালাম আজাদ। তাকে নগরীর মোগলটুলি এলাকায় নিমর্মভাবে পিটিয়ে ও গুলি করে আহত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্য হয়। তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। আমরা এই ঘটনায় জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিকেলে নগরীর প্রতিটি সড়কে বিজয় মিছিলের পাশাপাশি বেশ সহিংসতা চলে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আদালতে হামলার খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যাই আমি, আমার ছেলে শাফিউল হক আলভী, আরফানুল হক অবরিন এবং অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। এরপর তারা মাগরিবের নামাজ পড়তে নগরীর মোগলটুলী এলাকায় পৌঁছালে তাদের ওপর হামলা ও গুলি করা হয়। এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ আহত হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি করছি।
এ সময় বক্তব্য দেন পিপি জহিরুল ইসলাম সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, কেন্দ্রীয় বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুর রশীদ ইয়াছিন।
জানাযার নামাজ শেষে আইনজীবী আবুল কালাম আজাদের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার কাজিরগাও এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়ায় সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ ও নিরাপদ সমাজ গড়তে বিট পুলিশিং মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (২ ডিসেম্বর) বিকালে কচুয়া থানার আয়োজনে পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ মতবিনিময় সভা করা হয়।
পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও মাষ্টার মো. কামরুল হাসান চৌধুরীর পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কচুয়া থানার ওসি এম আব্দুর হালিম।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মঞ্জুর আহমেদ সেলিম,আহ্বায়ক সদস্য ইয়ার আহমেদ মজুমদার,ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা,সাধারন সম্পাদক কবির হোসেন পাটোয়ারী,জেলা যুবদলের সদস্য সেলিম মাসুদ প্রধান প্রমুখ।
এসময় বিএনপি নেতা সেলিম পাটোয়ারী,তাজুল ইসলাম,জিন্নত আলী মাষ্টার,কামাল হোসেন মুন্সী,ইমান হোসেন বেপারী,শ্রমিক দল নেতা আব্দুর রহমান ফরাজী,ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন,সদস্য সচিব মহসিন মিয়া,সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক আমির হোসেন আপন,সদস্য মেহেদী হাসান,যুবদল নেতা গোলাম সারওয়ার,বিতারা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক ফয়েজ মিয়া,পালাখাল মডেল ইউনিয়ন ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রিয়াদ হাসান সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা প্রায় ১০০ ফুট দূরে গিয়ে পড়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে আরও দুজন।
আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুপুর ১টা দিকে পৌরসভার মৌলভীপাড়া এলাকায় রেললাইনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত মসুদা আক্তার (৫০) ও সানজিদা আক্তার চুমকি (২৮) সম্পর্কে মা-মেয়ে। আহত বদিউল আলম ও তার নাতি সাফওয়ান চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা পৌর সদরের মৌলভীপাড়ার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বদিউল আলম তার পরিবার নিয়ে মেয়ের নানা শ্বশুর মারা যাওয়ার সংবাদে মুরাদপুর ইউনিয়নের গুপ্তাখালীতে জানাজায় অংশগ্রহণ করতে যায়। তার সঙ্গে ছিল স্ত্রী, মেয়ে, ছেলে ও নাতি। জানাজা শেষে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার পথে নিহতের বাড়ির সামনেই রেললাইন পার হতে গিয়ে রেললাইনের উপরে হঠাৎ সিএনজিচালিত অটোরিকশার ইঞ্জিন বিকল হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। অনেক ধাক্কাধাক্কি করার পরও সিএনজিটি ওঠাতে পারেনি।
এ সময় রেললাইন দিয়ে ঢাকামুখী মহানগর এক্সপ্রেস আসছিল। এই বুঝে সিএনজির চালক গাড়ি থেকে নেমে যায়। ওই সময় ট্রেন কাছাকাছি চলে আসাতে বদিউল আলম ও তার ছেলে হাসান অটোরিকশা থেকে তড়িঘড়ি করে নেমে গিয়ে গাড়িটিকে ধাক্কা দিয়ে রেললাইন থেকে তোলার চেষ্টা করেন। তখন অটোরিকশার মধ্যে বসা ছিল বদিউল আলমের স্ত্রী মসুদা আক্তার, মেয়ে সানজিদা আক্তার চুমকি (২৮) ও এক বছরের নাতি সাফোয়ান। এক পর্যায়ে মহানগরে এক্সপ্রেস ট্রেনটি সিএনজিটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিটি প্রায় ১০০ ফুট দূরে রেললাইনের বাইরে গিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনাস্থলে মাসুদা আক্তারের রক্তাক্ত বোরকা পরে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় একজন যুবক বলেন, দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে এসে দেখি দুর্ঘটনার স্থান থেকে প্রায় ১০০ ফুট দূরে রেললাইনের পশ্চিম পাশে একজন নারী ও পূর্ব পাশে আরেকজন পড়ে আছে। আর দুই রেললাইনের মাঝখানে পড়ে ছিল বাকি দুজন। তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে দুজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বাকি বদি আলম ও তার নাতি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
এ বিষয়ে রেলওয়ে পুলিশ আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, দুর্ঘটনা খবর পেয়ে রেল পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু ওই সময় ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের তথ্য বরাতে দুপুর ১টার দিকে দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় মহানগর এক্সপ্রেস যাওয়ার সময়। ধারণা করা হচ্ছে, মহানগর এক্সপ্রেসের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে কিন্তু মারা যাওয়ার বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হয়নি।
মন্তব্য করুন