

ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ , বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সেনা সদস্যরা আশুলিয়ার ঘোষবাগ পূর্বপাড়ায় এ অভিযান পরিচালনা করেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি সন্ত্রাসী চক্র চাঁদাবাজি ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হুমকি দিয়ে আসছিল। সেনাবাহিনী গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের সক্রিয় ( তিন ) সদস্যকে আটক করে।
অভিযানকালে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত ( ০১ অত্যাধুনিক শটগান, ১৩টি ধারালো চাপাতি, ৪টি ছোরা এবং চাঁদাবাজির টাকাসহ ) বিভিন্ন অপরাধমূলক আলামত উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. বিশাল (২০), নাজমুল (২০) ও শিপন (২২)।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি ঘোষবাগ এলাকায় সন্ত্রাসীদের আধিপত্য বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ছিল। সেনা অভিযানের পর এলাকায় স্বস্তির বাতাস ফিরে এসেছে। আটক সন্ত্রাসী ও উদ্ধারকৃত অস্ত্রসমূহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে সেনাবাহিনী।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) “ আব্দুল হান্না “ বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর এ সহযোগিতা প্রশংসনীয়।’
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চলুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই, চল যাই যুদ্ধে- মাদকের বিরুদ্ধে এই স্লোগানে চাঁদপুরের কচুয়ায় মাদক বিরোধী র্যালি ও মিছিল করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে উপজেলার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ভূঁইয়ারা ও দহুলিয়া গ্রামের যুব সমাজের উদ্যোগে র্যালি ও মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ওই ওয়ার্ডের পাড়া-মহল্লার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে ভূঁইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় সামনে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দিনদিন মাদকের ছোবলে যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। গ্রামের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীকে আটক করে আইনের আওতায় সোপর্দ করতে হবে। মাদক নির্মূলে যুব সমাজের ভূমিকা অপরিসীম। তাই মাদক প্রতিরোধ করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ কাজ করতে হবে।
ভূঁইয়ারা মানবসেবা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. কবির হোসেনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস,বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. মাসুদুর রহমান বাবুল,আব্দুল্লাহ আল মামুন,আবুল কালাম,শিক্ষক কামাল হোসেন, ফজলুর রহমান,আব্দুল আলীম,ভূঁইয়ারা উত্তর পাড়া দ্বীনের আলো সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলী সহ আরো অনেকে।
এসময় ইমাম সফিকুল ইসলাম,হাজী দুলাল মিয়া,ভূঁইয়ারা পশ্চিম পাড়া মানব কল্যান যুব সংগঠনের সভাপতি আল আমিন,লোকমান হোসেন,গোলাম খাজা ভুলু,আব্দুল্লাহ,ইকবাল হোসেন, বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থী আব্দুর রহিম মোল্লা,শাকিব হোসেন ও মেহেদী সাহান সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী লোকজন মাদক বিরোধী র্যালি ও মিছিলে অংশগ্রহন করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার
ঐতিহ্যবাহী খাদি কাপড়সহ মোট ২৪টি পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে।
গতকাল
বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট,
শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর আয়োজিত বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস ২০২৫-এর আলোচনা সভায়
সংশ্লিষ্টদের এসব সনদ হস্তান্তর করা হয়।
কুমিল্লার
ঐতিহ্যের স্মারক খাদি কাপড় ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় জেলার মানুষ
আনন্দিত। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন, অবশেষে পেয়েছেন সুখবর। খাদি কাপড়ের
বিশেষত্ব হলো এটি হাতে তৈরি, পরিবেশবান্ধব এবং আরামদায়ক। কুমিল্লার কারিগররা তাদের
অনন্য দক্ষতার মাধ্যমে খাদিকে একটি শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন।
কুমিল্লার
কান্দিরপাড় এলাকার রামঘাটলা থেকে শুরু করে রাজগঞ্জ পর্যন্ত অন্তত ৩০০ খাদি পোশাকের
দোকান রয়েছে।
কুমিল্লার
জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার জানান, জেলা প্রশাসনের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় গত বছর কুমিল্লার
রসমালাই জিআই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কুমিল্লার খাদি ও বিজয়পুরের মৃৎশিল্পের জিআই
স্বীকৃতির জন্য তখন থেকেই কাজ শুরু হয়। কুমিল্লার ‘ব্র্যান্ড’ হিসেবে পরিচিত তিনটি
পণ্যের মধ্যে দুটি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে।
নিবন্ধন
সনদপ্রাপ্ত ২৪টি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (ব্রাকেটে সনদ নম্বর) হলো, ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলা (৩৯), কুমিল্লার খাদি (৪০),
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি (৪১), গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনা (৪২), সুন্দরবনের
মধু (৪৩), শেরপুরের ছানার পায়েস (৪৪), সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি (৪৫), গাজীপুরের কাঁঠাল
(৪৬), কিশোরগঞ্জের রাতাবোরো ধান (৪৭), অষ্টগ্রামের পনির (৪৮), বরিশালের আমড়া (৪৯),
কুমারখালীর বেডশিট (৫০), দিনাজপুরের বেদানা লিচু (৫১), মুন্সীগঞ্জের পাতক্ষীর (৫২),
নওগাঁর নাকফজলি আম (৫৩), টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কির সন্দেশ (৫৪) ও ঢাকাই ফুটিকার্পাস
তুলার বীজ ও গাছ (৫৫),নরসিংদীর লটকন (৩২), মধুপুরের আনারস (৩৩), ভোলার মহিষের দুধের
কাঁচাদই (৩৪), মাগুরার হাজরাপুরী লিচু (৩৫), সিরাজগঞ্জের গামছা (৩৬), সিলেটের মনিপুরি
শাড়ি (৩৭), মিরপুরের কাতান শাড়ি (৩৮)।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাজারে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্ত জেলা সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সর্দারসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ গাড়ি, দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। মামলা দায়েরের পর শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে তাদের কুমিল্লা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
দাউদকান্দি মডেল থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জের লক্ষ্মীপুর গ্রামের সড়কের মাথা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পুলিশ উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় নীল-হলুদ রঙের, রেজিস্ট্রেশন নম্বরবিহীন একটি পিকআপসহ ডাকাতদলের ৭ সদস্যকে আটক করা হয়। তবে আরো ৭-৮ জন ডাকাত পালিয়ে যায়।
গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চক্রের সর্দার সাদ্দাম হোসেনের বাসা থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি ও দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. সাদ্দাম হোসেন (৩২) ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের টামটা গ্রামের মৃত ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে, মো. সুমন (৩০) কুমিল্লা কোতোয়ালি উপজেলার আলেখারচর গ্রামের মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে, মো. দুলাল মিয়া (২৮) কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আলতাব আলীর ছেলে, মো. সোলেমান রুবেল (৩৫) ফেনী সদর উপজেলার রামপুর গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে, ফকির আহমেদ আলাউদ্দিন (৫৫) নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলার রামেশ্বরপুর গ্রামের মৃত ইদ্রিস মিয়ার ছেলে, মামুনুর রশিদ সোহাগ (৩৫) লক্ষ্মীপুর রায়পুর উপজেলার চর আবাবিল গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে, মো. শাহীন (২৫) ভোলা চরফ্যাশন উপজেলার বজলু বাজার গ্রামের শাহজাহানের ছেলে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম জানান, গ্রেপ্তারের পর দণ্ডবিধি ৩৯৯/৪০২ ধারা এবং অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক ডাকাতদের গ্রেপ্তারের অভিযান এখনো চলমান।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অটো মিশুক চালক সৈকত হত্যার ঘটনা জড়িত অন্যতম আসামি তুহিন মজুমদারকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২ সদস্যরা।
গ্রেফতার হওয়া তুহিন মজুমদার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের বাবুল মজুমদারের ছেলে। ৭ আগস্ট রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গত ৩ জুলাই রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে সৈকত (১৯) নামে এক অটোমিশুক চালক নৃশংসভাবে খুন হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ভিকটিম তাফরুল ইসলাম সৈকত (১৯) অটো মিশুক চালানোর উদ্দেশ্যে গত ০২ জুলাই বিকাল ৫ টায় বাড়ী থেকে বের হয়। রাত ১১ টা অতিবাহিত হওয়ার পরও সৈকত বাড়ীতে না ফেরায় তার পরিবার তাকে বিভিন্ন স্থানে খোজ করতে থাকে। পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৫ টায় চৌদ্দগ্রামের মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে ভিকটিম সৈকত (১৯) এর লাশ পাওয়া যায়।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-০৭। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা নজরদারী ও ছায়াতদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদার (৩২) এর অবস্থান চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ০৭ আগষ্ট রাতে র্যাবের অভিযানে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বসন্তপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদারকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী সহ অন্যান্য আসামীদের সাথে ভিকটিমের সু-সম্পর্ক ছিল। সে সূত্র ধরে গত ০১ জুলাই রাতে গ্রেফতারকৃত আসামী সহ তার অন্যান্য সহযোগী আসামীরা একত্রে মিলিত হয়ে ভিকটিমকে হত্যা করে তার অটো মিশুকটি ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ০২ জুলাই রাত ১১ টায় আসামীরা অটো মিশুকসহ ভিকটিমকে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল এলাকায় গিয়ে সবাই মিলে বসে গল্প করে। এক পর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রেফতারকৃত আসামীর নির্দেশে ঘটনাস্থলের পাশে লুকিয়ে রাখা চাপাতি দিয়ে অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে কুপিয়ে হত্য করে ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে ভিকটিমের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল এবং অটো মিশুকটি নিয়ে লাশ খালে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।
গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১১, সিপিসি ২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এ কুমিল্লা জেলা পুলিশ সারাদেশে সেরা হবার গৌরব উজ্জ্বল কৃতিত্ব অর্জন করেছে ।
চলমান পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর দ্বিতীয় দিনে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স এ ২০২৩ সালে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অভিযান ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়নে কৃতিত্ব অর্জনকারী কুমিল্লা জেলা পুলিশকে পুরস্কার প্রদান করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম ।
বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল কামরান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) পুরস্কার গ্রহণ করেন ।
সারা দেশে পুলিশের সকল ইউনিটের মধ্যে মাদকদ্রব্য উদ্ধারে ১ম স্থান, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়নে ১ম স্থান ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে ২য় স্থান অর্জন করেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের জন্যে এটি এক গৌরবময় অর্জন।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) জেলা পুলিশের অপরাধ শাখাসহ সকল ইউনিটের সদস্যদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


ভাঙ্গা পৌরসভার নওপাড়া এলাকায় রেললাইনে ট্রেন ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে চালকসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন সিটি ব্যাংক ঢাকার শ্যামল শাখার কর্মকর্তা সঞ্জীব ঘোষ, ঢাকার ব্যবসায়ী মেহেদী আল আমিন, ভাঙ্গার ব্যবসায়ী আলম মিয়া এবং প্রাইভেটকারের চালক রুবেল হোসেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাঙ্গা থেকে খুলনাগামী ‘নকশীকাঁথা’ ট্রেনটি রেললাইন পার হওয়ার সময় একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের ফলে গাড়িটি পাশের পানিভরা খাদে ছিটকে পড়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় গাড়ির ভেতরে থাকা চারজনকে উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এই রেলক্রসিং এলাকায় বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রায় ছয় মাস আগে একই স্থানে একটি নসিমনের চার যাত্রী প্রাণ হারান। নওপাড়া–সদরপুর সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত হওয়ায় প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। তাই এখানে দ্রুত একটি রেলগেট স্থাপনের দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার স্বপন সরকার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে খুলনাগামী নকশীকাঁথা ট্রেনের সঙ্গে একটি প্রাইভেটকারের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে গাড়ির যাত্রীরা আহত হন। বিষয়টি রেল পুলিশ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় রেললাইনের পাশে দুলাল হোসেন নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড় নেয়। এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে র্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। একই সঙ্গে লাশ গুমে ব্যবহৃত একটি নোহা গাড়িও উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।
র্যাব জানায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে মাথায় জখম ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নসহ অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ। পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত হয়—তিনি কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ভল্লবপুর গ্রামের জব্বর মালের ছেলে দুলাল হোসেন (৩৫)।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এরপর র্যাব-১১ এর একটি চৌকস দল ১৫ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার, লাকসাম এবং ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে দুলাল হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িত সাতজনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, মোঃ ফারুক (৪৫), মোঃ মফিজুল ইসলাম (৪৫), তাজুল ইসলাম (৪২), রুবেল আহাম্মেদ (৩৯), আবুল হাসেম (৩৪), মরিয়ম (৩৭) এবং ফাতেমা আক্তার সিনথিয়া (১৯)।
র্যাব জানায়, প্রায় ছয় মাস আগে দুলালের সঙ্গে ফাতেমা আক্তার সিনথিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দুলাল স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত। এ সময় সিনথিয়ার সঙ্গে ইমুতে পরিচয় হয় দুবাইপ্রবাসী আবুল হাসেমের, যা পরবর্তীতে পরকীয়ায় রূপ নেয়।
দুলালের সঙ্গে ডিভোর্সের পর সিনথিয়া হাসেমকে বিয়ে করে। কিন্তু দুলাল তা মেনে নেয়নি; হাসেমের অনুপস্থিতিতে প্রায়ই সিনথিয়ার বাসায় গিয়ে ভীতি প্রদর্শন করত।
এ পরিস্থিতিতে সিনথিয়া, তার বর্তমান স্বামী হাসেম ও পরিবারের অন্য সদস্যরা মিলে দুলালকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
ঘটনার দিন সিনথিয়া স্বামী হাসেমের পরামর্শে দুলালকে ঘুমের ওষুধ মেশানো জুস খাওয়ায়। দুলাল অচেতন হয়ে পড়লে গ্রেফতারকৃত আসামিরা মিলে তাকে আঘাত করে এবং শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশ গুম করার জন্য ড্রাইভার রুবেল নোহা গাড়িতে করে লাশ লালমাই রেললাইনের পাশে ফেলে আসে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তাদের থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের
ভৈরবে ফেসবুকে হা হা রিয়েক্ট দেওয়ায় ২ গ্রুপের সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১০টি
দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে।
সোমবার
(১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার কমলপুর লোকাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ২ পক্ষের মধ্যে
এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা
জানান, সোমবার রাতে কমলপুর মধ্যপাড়া এলাকার আলাল মিয়ার ছেলে আজিবরের সঙ্গে পূর্বপাড়ার
রউফ মিয়ার ছেলে ওমর মিয়ার ফেসবুকে ‘হা হা’ রিয়েক্ট দেওয়ার কারণে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে
স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুজনকে মিলিয়ে দেন দোকান মালিক মানিক মিয়া। ঘটনার আধা ঘণ্টা পর
দুপক্ষ দা, বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এ
সময় ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার এক পর্যায়ে পূর্বপাড়ার ১০টি দোকান কুপিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এ
ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা উজ্জল মিয়াসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।
এ
বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদাররা জানান, আমরা তারাবির নামাজের জন্য মসজিদে গিয়েছিলাম দোকান
বন্ধ করে। এসে দেখি দোকানের শাটারগুলো কুপিয়ে ভেঙে দিয়েছে। এরা সবাই কিশোরগ্যাংয়ের
সদস্য। আমরা এদের বিচার চাই।
ভৈরব
থানার ওসি মো: সফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র
করে লোকাল বাসস্ট্যান্ড এলাকার দুপক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ
ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় থানা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে
২ জনকে আটক করেছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
কুমিল্লা-৬ আসনের মনোনীত কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ মঙ্গলবার
বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিজয়পুর ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ, পথসভা ও নির্বাচনী
মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে।
ইউনিয়ন আমীর মোঃ মমিনুল ইসলাম মজুমদার এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগরীর বিশ্ববিদ্যালয়
অঞ্চল পরিচালক মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন। অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা
সেক্রেটারী মাওলানা ওমর ফারুক, সেক্রেটারী শাহাদাত হোসেন শাহিন, ইউনিয়ন নায়েবে আমীর
কাজী আব্দুল কাদের জিলানী ও ইউনিয়ন পেশাজীবি বিভাগের সভাপতি ডাঃ নিজাম উদ্দিন রাজু।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন অর্থ সম্পাদক মাজেদুল
ইসলাম, মহানগরীর পেশাজীবি বিভাগের অফিস সম্পাদক
সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রহমান, জামায়াত নেতা ফরিদুল ইসলাম, ৩ নং ওয়ার্ড সভাপতি খায়রুল
হক মাসুম, মিডিয়া সম্পাদক এবং ৮ নং ওয়ার্ড
সভাপতি মোঃ মোবারক হোসেন নিপু, ১ নং ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ সোহেল রানা, ২ নং ওয়ার্ড সভাপতি
মাওলানা ইয়াসিন, ৪ নং ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ মোসলে উদ্দিন, ৫ নং ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা
মোস্তফা, ৭ নং ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুর রব, ৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি আবু জাফর, ডাঃ জহিরুল ইসলাম
নজির, মোঃ রিপন হোসেন এবং বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোকসদ আলী প্রমুখ।
পথসভায় প্রধান অতিথি কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, ‘‘লগি-বইঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যাকারীরা বিদেশে পালিয়ে বাঁচতে পারবে না; তাদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। তারা শুধু একজন মানুষকে হত্যা করেনি — নৃশংস ও জঘন্য অপরাধ করেছে; তাদের বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘ক্ষমতায় এলে লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ করা হবে; দুর্নীতিকে আমরা কখনোই সহ্য করব না। গুণে-ধরা শিক্ষাব্যবস্থা পরিবর্তন করে, যুগোপযোগী শিক্ষাব্যাবস্থা জাতি কে উপহার দেব ইনশাআল্লাহ।’’
পরে বাদ মাগরিব
বারপারা ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ডে বড় ধর্মপুর
গণসংযোগে ও পথসভায় প্রধান অতিথি হিবেবে
উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা আমীর মোঃ মিজানুর
রহমান, সেক্রেটারী মাওলানা ওমর ফারুক, শ্রমিক কল্যাণ ইউনিয়ন সেক্রেটারী মাওলানা মোজাম্মেল
হক এর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বারপারা ইউনিয়ন আমীর অধ্যাপক মোঃ সহিদুল ইসলাম,
সেক্রেটারী মোঃ রাসেল মাহমুদ, ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুক, সেক্রেটারী আলেক হোসেন,
৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা বজলুর রহমান, রতনপুর কেন্দ্র পরিচালক মাস্টার মাহবুবুর
রহমান, ইউনিয়ন যুব বিভাগের সেক্রেটারী মোঃ ইয়াকুব, প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই-এর
অভিযানকালে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ
বুধবার দুপুর থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আক্তার শিফা, সালমান ফার্সি
এবং মো. আনিসুল হক।
এ
সময় বিএসটিআই কুমিল্লার মাঠ কর্মকর্তা ইকবাল আহাম্মদ, পরিদর্শক (মেট) আরিফ উদ্দিন প্রিয়,
পরীক্ষক (রসায়ন) মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায়
বিএসটিআই-এর উপ-পরিচালক কে এম হানিফ জানান, মানসনদ গ্রহণ ব্যতীত পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড
মার্ক (মান চিহ্ন) ব্যবহার, বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক পণ্য উৎপাদন এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর
তথ্য প্রদানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে নগরীর দেশয়ালিপট্টির মেসার্স বিক্রমপুর শশী ভান্ডারকে
২৫ হাজার টাকা, বিক্রমপুর ঘি স্টোরকে দুই হাজার টাকা এবং রাজগঞ্জ বাজার এলাকার মেসার্স
নিউ প্রিমিয়াম সুইটসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন