

অভিনব কায়দার ফার্নিচার (সোফা সেট) এর ভিতর লুকিয়ে ফেনসিডিল পাচারের সময় আল আমিন (৩৬) নামে এক মাদককারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১।
দিনাজপুর থেকে চার সেট ফার্নিচারের মধ্যে ১৯৭ বোতল ফেনসিডিল লুকিয়ে বিমানবন্দর দিয়ে যাওয়ার সময় তল্লাশির মাধ্যমে আল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় গ্রেফতারকৃত মাদককারবরির কাছ থেকে মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও ৪টি সোফা সেট জব্দ করা হয়।
সোমবার (১ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন, র্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক (অপস অ্যান্ড মিডিয়া অফিসার) সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুর রহমান।
র্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুর রহমান জানান, রোববার (৩০ জুন) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এ মাদককারবারিকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার সীমান্ত এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছিলেন। আল আমিন বিভিন্ন সময় সুকৌশলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল পরিবহন করে রাজধানী ঢাকা ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় খুচরা মাদককারবারিদের কাছে সরবরাহ করতেন বলে স্বীকার করেছেন।
র্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুর রহমান আরও জানান, গ্রেফতারকৃত মাদককারবরির নামে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসহ তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীতে চীনা
নাগরিকদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল একটি গোপন আইফোন সংযোজন কারখানা।
কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশ থেকে আনা যন্ত্রাংশ দিয়ে সেখানে অবৈধভাবে আইফোন তৈরি করে স্থানীয়
বাজারে সরবরাহ করা হতো।
ঢাকার উত্তরা
ও নিকুঞ্জ এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দেড় বছর ধরে সক্রিয় থাকা এই প্রতারণা
চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে বিভিন্ন
মডেলের ৩৬৩টি আইফোন, আইফোনের যন্ত্রাংশ এবং মোবাইল ফোন তৈরির নানা ধরনের মেশিনারিজ
জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য
জানান ডিবি মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।
তিনি জানান,
গত ৭ জানুয়ারি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর ও নিকুঞ্জ-১
এলাকায় একযোগে অভিযান চালায়। এ সময় উত্তরা এলাকা থেকে ৫৮টি মোবাইল ফোনসহ একজনকে এবং
নিকুঞ্জ-১ এলাকা থেকে ৩০৫টি মোবাইল ফোনসহ দুই চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে
অবৈধ মোবাইল ফোনের পাশাপাশি আইফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, পার্টস সংযোজনের মেশিন এবং
বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
ডিসি মহিউদ্দিন
মাহমুদ সোহেল আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চক্রটি বিদেশ থেকে আইফোনের বিভিন্ন
পার্টস আলাদাভাবে অবৈধ পথে দেশে এনে ঢাকায় একটি গোপন ল্যাব স্থাপন করে। সেখানে যন্ত্রাংশ
সংযোজন করে আইফোনের আদলে ভুয়া মোবাইল ফোন তৈরি করা হতো এবং সেগুলো আসল আইফোন হিসেবে
বাজারে বিক্রি করা হতো। প্রায় দেড় বছর ধরে এই অবৈধ কার্যক্রম চলছিল এবং এ সময়ে বিপুলসংখ্যক
ভুয়া মোবাইল বাজারে সরবরাহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চক্রটির সঙ্গে
বাংলাদেশি কেউ জড়িত আছে কি না এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্তে কয়েকজনের নাম
পাওয়া গেলেও তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
ডিবির এই কর্মকর্তা
সাধারণ মানুষকে মোবাইল ফোন কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কম দামে
‘অরিজিনাল আইফোন’ বিক্রির প্রলোভনে পড়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। তাই অনুমোদিত
ও অফিসিয়াল শোরুম কিংবা বিশ্বস্ত উৎস ছাড়া মোবাইল ফোন না কেনার অনুরোধ জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন,দেশের তরুণদের ভাগ্য উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে উদ্যোক্তা উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং যুব ঋণ নীতিমালাকে যুগোপযোগী করা হচ্ছে।
আজ শনিবার (৯ আগস্ট) নাটোর সদর উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম সরাসরি ও ১০টি জেলার ১৩টি উপজেলার মিনি স্টেডিয়াম ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের পর জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, তরুণদের নেতৃত্বেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। দেশের তরুণদের বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্বমানের এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তিসহ আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা ও একটি টেকসই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে একটি টাস্কফোর্সও গঠিত হয়েছে। সারা দেশে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড়শটি উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি উপজেলাগুলোতেও মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ সম্পন্ন করা হবে।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে বিকেন্দ্রীকরণ নীতিমালা বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব স্টেডিয়ামের পরিচর্যা করতে হবে। স্টেডিয়ামগুলো যেন বিভিন্ন ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে বছরব্যাপী সচল থাকে। এক্ষেত্রে ক্রীড়া সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও সফলতা বয়ে আনা সম্ভব। মিনি স্টেডিয়ামগুলোতে তিনতলা বিশিষ্ট প্যাভিলিয়ন ভবন এবং পাঁচ ধাপ বিশিষ্ট তিনটি সাধারণ গ্যালারি রয়েছে। পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা আলাদা টয়লেট ব্লকও রয়েছে।
নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম এবং নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতে খায়ের আলম।
উপদেষ্টা দুপুর ১টায় নাটোর সার্কিট হাউসে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী
রফিকুল আবরার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক
ড. মোঃ হায়দার আলী। আজ ১৬ মার্চ সকাল ১০.৩০টায় শিক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার
সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক
ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের
পরিচালক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এবং প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস. এম. শহিদুল
হাসান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ২৪ ইঞ্জিনিয়ার
কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রধান প্রকল্প সমন্বয়ক এএফডব্লিউসি, পিএসসি কর্ণেল আরিফুল ইসলাম
খান এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পিএসসি
লেফটেন্যান্ট কর্ণেল জাহিদুল ইসলাম।
সৌজন্য সাক্ষাতে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের
সার্বিক বিষয় ও অগ্রগতি নিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার সাথে কথা বলেন। শিক্ষা উপদেষ্টা উপাচার্যকে
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নসহ পরামর্শ প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। তার আগমন ঘিরে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয়
সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিএনপি। রাজনৈতিক অঙ্গনে তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে
আলোচনা চললেও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে তারেক রহমানের
আদরের পোষা বিড়াল ‘জেবু’।
নেটিজেনদের
মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—তারেক রহমানের সঙ্গে কি জেবুও দেশে ফিরছে? ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রে জানা
গেছে, সাইবেরিয়ান ব্রিডের সাত বছর বয়সী এই বিড়ালটির জন্য পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিক
অনুমোদন ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে। ফলে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে, তারেক রহমান পরিবারসহ
তার আদরের পোষা বিড়াল জেবুকেও সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
তারেক রহমানের ব্যস্ত সময়ের ফাঁকে পোষা বিড়াল জেবুর সঙ্গে খুনসুটি করার বিভিন্ন ছবি
ও মুহূর্ত আগেও বহুবার ভাইরাল হয়েছে। প্রাণীর প্রতি তার ভালোবাসা নেটিজেনদের মাঝে নানা
সময় প্রশংসাও কুড়িয়েছে।
সম্প্রতি বিবিসি
বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান তার পোষা প্রাণী এবং প্রাণীপ্রেমের বিষয়ে
তিনি বলেন, বিড়ালটি মূলত তার মেয়ের, তবে এখন পরিবারের সবারই আদরের হয়ে উঠেছে। সেই
সাক্ষাৎকারে তিনি বিড়ালের নাম ‘জেবু’ বলেও উল্লেখ করেন।
মানবিক ও ধর্মীয়
দৃষ্টিকোণ থেকে প্রাণীর প্রতি মমতার বিষয়েও তিনি মত প্রকাশ করেন। তারেক রহমান বলেন,
আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন— তাই তার প্রতিটি সৃষ্টির প্রতি
সম্মান ও যত্ন নেয়া মানুষের দায়িত্ব। প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হলে মানুষের জীবন বিপন্ন
হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


স্বাধীনতাবিরোধীদের
হাতে দেশ নিরাপদ নয় মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,
যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।
আজ
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পশ্চিম আকচা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে
এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াতকে
উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আরেকটা দল ভোটের জন্য এসেছে। তাদের মার্কা হলো দাঁড়িপাল্লা।
৭১
সালে তারা স্বাধীনতা যুদ্ধকে সমর্থন করেনি। অনেক লোককে মেরে ফেলেছে। মা-বোনদের ইজ্জত
নষ্ট করেছে। তারা এখনো মাফ চাননি।
তিনি
বলেন, ‘বিকাশ নম্বর কাউকে দেবেন না এসব ভাঁওতাবাজি আর ধান্দাবাজি। ভোট দিলে নাকি জান্নাতে
যাওয়া যাবে। এসব কথা সঠিক নয়। আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবেন।
গত
১৫-১৬ বছর দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ব্যাংকগুলো শূন্য হয়ে গেছে। সব টাকা নিয়ে পালিয়ে
গেছে। সেগুলো ঠিক করতে হবে। ঝগড়াঝাটি না করে সঠিক মানুষটিকে নির্বাচিত করতে হবে।
মহাসচিব
বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের উন্নতির জন্য। শান্তিতে থাকার জন্য। বিগত সময়ে
আমরা শান্তিতে থাকতে পারিনি। ১৫ বছর পর খারাপ সময় পার করেছি। এখন সুসময় এসেছে। দেশে
একটা ভালো নির্বাচন হবে। সবাই ভোট দিতে পারবে। এরকম একটা আশা জেগেছে।’
মির্জা
ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ সময় আপনার সঙ্গে থেকেছি। আমার বাবা এলাকায় ভালো কাজ করেছেন। ওনার
ছেলে হিসেবে আমিও আপনাদের কাছে এসেছি। আমি মন্ত্রীও ছিলাম, কেউ বলতে পারবে না এক কাপ
চা খেয়েছি। নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে আমি প্রার্থী। ভোট চাওয়ার জন্য এসেছি। মার্কা
হলো ধানের শীষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে কাজ করার সুযোগ করে দেবেন।’
বিএনপি
চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১০ হাজার
পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মাফ করে দেওয়া হবে। এনজিও এর যত টাকা ঋণ আছে তার দায় সরকার নেবে।
মায়েদের মওকুফ করে দেয়া হবে। এছাড়া মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া
হবে। শিক্ষিত বেকারের জন্য ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
শান্তি, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। সব ধর্মের মানুষেরা শান্তিতে থাকবেন।’
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) জানান সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে আগুনের ঘটনায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সচিবালয়ের সামনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সচিবালয়ে আগুনের ঘটনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কমিটির সদস্য সংখ্যা ৫ থেকে ১১ জন পর্যন্ত হতে পারে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের ৬ তলায় আগুন লেগে তা উপরে ছড়িয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের ৬ তলায় আনুমানিক রাত ১টা ৫০ মিনিটে আগুন ধরে। ১টা ৫২ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ১টা ৫৪ মিনিট থেকে তারা তাদের কাজ শুরু করে। সকাল ৮টা ৫ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরো বলেন, কি হয়েছে তা আমরা দেখবো। পুরোটা সার্চ করার পরে কিছু পাওয়া যায় কিনা আমরা জানাবো।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য পাইপ নিয়ে সচিবালয়ের সামনের রাস্তা পার হওয়ার সময় একজন ফায়ার ফাইটার ট্রাকচাপায় শাহাদতবরণ করেন। উপদেষ্টা এসময় মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
বলেছেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা শুধু বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারাবিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত
মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উৎস।
‘ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস’ উপলক্ষে
এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা দাবি
থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান
মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন,
৭ জুন ‘ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস’। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে ৬ দফা
একটি অনন্য মাইলফলক। ৬ দফার মাধ্যমেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির
রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তির দাবি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
তিনি এই মহান দিনে জাতির
পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাঙালির
মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন আমি তাদের স্মৃতির প্রতি
জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা
বাঙালির সুদীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষার দাবিতে যে আন্দোলনের সূত্রপাত
হয়, ৫২’র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার সফল পরিসমাপ্তি ঘটে। রচিত হয় বাঙালি জাতীয়তাবাদের
ভিত্তি। এরপর ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠন, ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন ও ১৯৬২
সালে শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে সর্বদলীয় সম্মেলনে ঐতিহাসিক ৬ দফা
প্রস্তাব পেশ করেন। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, মুদ্রানীতি, রাজস্ব
ও করনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য, আঞ্চলিক বাহিনী গঠনসহ এই ৬ দফার মধ্যেই তিনি পূর্ব বাংলার
রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার তুলে ধরেন, যার মধ্যে নিহিত ছিল
বাঙালির স্বাধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের রূপরেখা।
তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা
ঘোষণার পর শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায় এবং তাকে বারবার গ্রেফতার
করে। তা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু ৬ দফার দাবি থেকে পিছপা হননি।
রাষ্ট্রপতি জানান, বঙ্গবন্ধু
রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন।
এজন্য তিনি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নপূরণ তথা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবার প্রতি আহ্বান
জানান।
মন্তব্য করুন


সরকারি
অনুদানে নির্মাণাধীন চলচ্চিত্রের মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, সরকারি অনুদানে নির্মাণাধীন চলচ্চিত্রের মানোন্নয়নে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সার্বিক সহযোগিতা করবে। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে
চলচ্চিত্রের মানোন্নয়ন-বিষয়ক কর্মশালা আয়োজন করা হবে। কর্মশালায় চলচ্চিত্র বিষয়ে বিশেষজ্ঞ
ব্যক্তিবর্গকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।
এই
কর্মশালা চলচ্চিত্রের মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপদেষ্টা।
আজ
বুধবার (২০ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সরকারি অনুদানের
জন্য মনোনীত পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রযোজকগণের কাছে অনুদানের প্রথম
কিস্তির মঞ্জুরিপত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।
সরকারি
অনুদানের জন্য চলচ্চিত্র বাছাই প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে
এবারে চলচ্চিত্র বাছাই করা হয়েছে। এ বছর অনুদানের জন্য মনোনীত চলচ্চিত্রসমূহের গল্পের
মধ্যে অনেক বৈচিত্র্য রয়েছে।
জুলাই
গণঅভ্যুত্থান নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের বিষয়ে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত
ঘটনাপ্রবাহের আলোকে সংবেদনশীলতা বজায় রেখে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে।
অনুদানে
নির্মিত চলচ্চিত্র সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, সরকারি অনুদানে নির্মিত
সকল চলচ্চিত্র বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষণ করা হবে। ফিল্ম আর্কাইভ কর্তৃপক্ষ নিজস্ব
ব্যবস্থাপনায় এসব চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করবে।
নির্ধারিত
সময়ের মধ্যে অনুদানের চলচ্চিত্র নির্মাণ কার্যক্রম সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন,
ইতঃপূর্বে অনেকেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুদানের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে পারেননি।
এটি দুঃখজনক। তিনি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অনুদানের চলচ্চিত্র নির্মাণ কার্যক্রম
সম্পন্ন করার জন্য নির্মাতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে
তথ্য উপদেষ্টা সরকারি অনুদানের জন্য মনোনীত পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের
প্রযোজকগণের নিকট অনুদানের মঞ্জুরিপত্র হস্তান্তর করেন।
অনুষ্ঠানে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রধান তথ্য অফিসার মো. নিজামূল
কবীর, অতিরিক্ত সচিব মো. কাউসার আহাম্মদ, অতিরিক্ত সচিব নূর মো. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ
চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানিসহ অনুদানের জন্য
মনোনীত চলচ্চিত্রের প্রযোজকগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য
অনুষ্ঠানে সরকারি অনুদানের জন্য মনোনীত ১২টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে প্রথম কিস্তিতে
১৫ লাখ টাকা করে মোট ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার মঞ্জুরিপত্র প্রদান করা হয়।
এর
পাশাপাশি সরকারি অনুদানের জন্য মনোনীত ২০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে প্রথম কিস্তিতে
৬ লাখ টাকা করে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকার মঞ্জুরিপত্র প্রদান করা হয়।
চলচ্চিত্র
নির্মাণ সাপেক্ষে প্রতিটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে চার কিস্তিতে মোট ৭৫ লাখ টাকা এবং
প্রতিটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে চার কিস্তিতে মোট ২০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা
হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘পুরোনো ব্যবস্থার রাজনীতি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে”। যেই রাজনীতি হবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে, খুনের বিরুদ্ধে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে, মামলাবাজদের বিরুদ্ধে, দুর্নীতি-অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারুণ্যের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মান না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চলবেই। যত বাঁধা, ভয়ভীতি আসুক আমরা থেমে যাবো না। আমরা জাতির স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আগামীর নির্বাচনে কোনো ধরনের কারিগরি ষড়যন্ত্র জনগণ হতে দেবে না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো আনুকূল্য চাই না কিন্তু কমিশন যদি কারো প্রতি আনুকূল্য দেখায় তবে সেটি বরদাস্ত করা হবে না। কালো টাকায় কেউ মানুষকে কেনার চেষ্টা করলে মানুষ মুখে ছাঁই মেরে দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত জাতিকে কেউ কালো টাকায় কিনতে পারবে না।
আমীরে জামায়াত বলেন, পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের ওপর অবিচার করার কারণে, বৈষম্যের সৃষ্টি করায় মানুষ ফুঁসে উঠেছিল। যারা ৭০ এর নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিল তারা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বৈষম্যহীন শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর তারা ক্ষমতায় বসে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিল। তারা বহুদলীয় গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। রক্ষী বাহিনী গঠন করে যখন যাকে ইচ্ছে তাকে খুন করা হয়েছিল, মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করা হয়েছিল। বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে পরিবারতন্ত্রের শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের ছেলেরা ব্যাংক ডাকাতি করেছিল। বিদেশী দাতা সংস্থাদের দান করা খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ লুট করা হয়েছিল। তাদের সাড়ে চার বছরের দুঃশাসন মানুষকে বিদ্রোহী করে তুলেছিল। কে তাদেরকে হত্যা করেছিল?- একাত্তরের রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় বীরদের হাতেই তারা হত্যার শিকার হয়েছিল। কেন হত্যার শিকার হয়েছে সেই উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে। ৭২ এর ১০ জানুয়ারী, ৯৬ এর ১০ জানুয়ারী, ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারী তারা তিনবার ক্ষমতায় এসেছে। ৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার আগে অতীতে তাদের দল যেই খুন করেছে, জুলুম করেছে তা স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল। জনগণ সরল বিশ্বাসে তাদেরকে ক্ষমতায় বসানোর পর তারা আবার নিজের রূপে ফিরে আসে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চট্রগ্রামে গিয়ে ঘোষণা দিয়েছিল তার দলের একজন মারা গেলে ১০ জনকে হত্যা করা হবে। একজন প্রধানমন্ত্রী কতটা দায়িত্ব জ্ঞানহীন হলে এমনটা বলতে পারে। সেই সময় তারা মানুষকে হত্যা করে খালে-বিলে লাশ ফেলেছে।
পরবর্তীতে তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন মোড়ে মানুষকে সাপের মতো পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু তাই নয় হত্যার পর তারা লাশের উপর নৃত্য করেছিল। যেই দৃশ্য দেখে পুরো বিশ্ব ব্যথিত হয়েছে। ২০০৯ সালে আবার ক্ষমতায় এসে তারা প্রথমেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। একে একে তারা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করেছিল। শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে এদেশের আলেম-ওলামাদের হত্যা করেছিল। তাদের শাসনামলের ১৫ বছরে এমন কোনো জনপদ নেই যেখানে আওয়ামী লীগের জুলুম থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছে। যার কারণে জুলাই আন্দোলনে তাদের বিরুদ্ধে পুরো দেশবাসী ফুঁসে উঠেছিল। তারা জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। এখন তারা পলাতক থেকেই চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। তাদের টার্গেট এখন এদেশের তরুণ ও বিপ্লবীরা। সেই টার্গেটের অংশ হিসেবে তারা জুলাইয়ের অন্যতম শীর্ষ নেতা ওসমান হাদীকে হত্যা চেষ্টা করেছে। ওসমান হাদীর কিছু হলে বিপ্লবীরা বসে থাকবে না। আওয়ামী লীগ ভেবেছে ওসমান হাদীকে শেষ করতে পারলে কিংবা কয়েকজন বিপ্লবীকে শেষ করতে পারলে তারা সফল হবে কিন্তু না! বিপ্লবীর সংখ্যা তারা কমাতে পারবে না। বরং ক্রমেই বিপ্লবী তরুণদের সংখ্যা বাড়বে। তরুণরা আওয়ামী লীগের সকল অপশক্তি রুখে দিতে প্রস্তুত রয়েছে। আমীরে জামায়াত, উপস্থিত যুব সমাজকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘‘রাজপথে বিজয়ে, চলো এক সাথে বাংলাদেশ গড়ি’’- স্লোগানে জামায়াতে ইসলামী সকলকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে প্রস্তুত। আজকের এই যুব ম্যারাথন অতীতের বস্তা পঁচা রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ধারার রাজনীতির বার্তা দেয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা যেই স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম সেই বাংলাদেশে মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। ৭১ এর চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই চব্বিশে নতুন চেতনায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। জুলাই চেতনার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবেই, হবে। বুলেট-বোমাকে ভয় না করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ যুব সমাজকে দৃঢ় শপথ নিতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পরিচালনায় যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনী সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক প্রমুখ। এসময় কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী সভা শেষে, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে যুব ম্যারাথন উদ্বোধন করেন। যুব ম্যারাথনে অর্ধ লাখ তরুণ যুবক অংশগ্রহন করেন। ম্যারাথনটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু করে শাহবাগ-সাইন্সল্যাব হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


ফ্যাসিস্ট
লীগের বিচার হবেই বলে অঙ্গীকার করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) সন্ধ্যা পৌনে ৭ টার দিকে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ অঙ্গীকার করেন।
তথ্য
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, দল হিসাবে লীগের বিচারের প্রভিশন যুক্ত করা হবে। ফ্যাসিস্ট
লীগের বিচার হবেই।
এর
আগে দুপুরে পতিত সরকারের সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের দেশত্যাগ প্রসঙ্গে একটি পোস্ট
করেন।
‘কৈফিয়ত কিংবা বাস্তবতা’ শিরোনামে নিজের ফেসবুকে
তিনি লেখেন- ‘ক্ষমতার ভরকেন্দ্র অনেকগুলো। ফলে কাজের দায় সরকারের, কিন্তু কাজ করে ক্ষমতার
অন্যান্য ভরকেন্দ্র। জোড়াতালি দিয়ে গণতান্ত্রিক রূপান্তর সম্ভব না, সম্ভব নয় নূতন রাজনৈতিক
বন্দোবস্ত।
রাজনৈতিক
দলগুলো ডিসেম্বরের পর সহযোগী ভূমিকায় নেই৷ কিন্তু, ঠিকই প্রশাসন, বিচারবিভাগ, পুলিশে
তারা স্টেইক নিয়ে বসে আছেন। এস্টাবলিশমেন্ট দ্বিদলীয় বৃত্তে ফিরতে এবং ছাত্রদের মাইনাস
করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
প্রায়
তিন ডজন নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র মাত্র দু'জন। ছাত্র প্রতিনিধিদেরকেও এস্টাবলিশমেন্ট
রাষ্ট্রপতি অপসারণের ঘটনার পর থেকে কোণঠাসা করে রেখেছে। আমরা দু'জন সর্বোচ্চ ব্যালেন্সিং
অ্যাক্ট করতে পারছি, কিন্তু প্রভাবক হিসাবে কাজ করতে হলে সরকারে সুষম ছাত্র প্রতিনিধিত্ব
লাগবে।
মন্তব্য করুন