

হামে
আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ
দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রোববার
(১০ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবীর পল্লব জনস্বার্থে এ রিট দায়ের
করেন। রিটে স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
দুই মাসের কম সময়ে হাম ও উপসর্গে দেশে মৃত্যু ছাড়িয়েছে ৩৫০। একই সময়ে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে
৪৭ হাজার। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৯ হাজারের বেশি শিশু। গত ১৫ মার্চ থেকে
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় এ তথ্য।
স্বাস্থ্য
অধিদফতর জানিয়েছে, এরমধ্যেই চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত সারা দেশে ১
কোটি ৭২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৮ শিশু হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ শতাংশ।
সারা দেশের প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এই কার্যক্রমের আওতায় টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ করেছিল সরকার।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
চকরিয়ার ডুলাহাজারায় অভিযান চলাকালে ডাকাত দলের ছুরিকাঘাতে নিহত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা
লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে
পাঁচজনকে যাবজ্জীবন, চারজনকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচজনকে খালাস দেওয়া
হয়েছে।
বুধবার
(২০ মে) দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবুল মনসুর
সিদ্দিকী এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশেদ আলম চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি
বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের ৫২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন
হয়। সাক্ষীরা নির্ভয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে
আদালত আজ রায় ঘোষণা করেন।
বিগত
২০২৪ সালে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামে
ডাকাতির খবর পেয়ে যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ডাকাত দলের সদস্যরা লেফটেন্যান্ট
তানজিম সারোয়ারকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।
এ
ঘটনায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, ২৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১২টার
দিকে চকরিয়ার ডুলাহাজারা এলাকায় একটি সন্দেহভাজন বাড়ি ঘিরে ফেলে যৌথ বাহিনী। এ সময়
লেফটেন্যান্ট তানজিম দুই সন্ত্রাসীকে চ্যালেঞ্জ করলে তারা তাকে ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর
আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে চকরিয়া খ্রিস্টান হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে
রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে
কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
লেফটেন্যান্ট
তানজিম সারোয়ার হত্যা ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় মোট ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে ইতোপূর্বে
আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকার যে ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে-বিচার ও সংস্কার দৃশ্যমান করার মধ্য দিয়ে তাদের
নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন। এজন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন অন্তর্বর্তী সরকার
ততটুকু সময় পেতে পারে।
আজ
শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের বিরতিতে এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমন কথা বলেন।
আখতার
হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে বিচার ও সংস্কারের দৃশ্যমান রোডম্যাপ সরকারকে উপস্থাপন
করতে হবে। আমরা নির্বাচন প্রলম্বিত করার পক্ষে নয়, তবে তার আগে বিচার এবং সংস্কারকে
যেন অবশ্যই দৃশ্যমান করা হয়। সে ব্যাপারে আমরা জোরালো বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। আমরা
এখন পর্যন্ত সংবিধানের বিষয়ে আলোচনা করেছি। এখন পর্যন্ত বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন,
জনপ্রশাসন, দুদক এবং পুলিশ সংস্কার কমিশনের মতো বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে পারিনি। তবে
পুলিশ সংস্কার কমিশিনের রিপোর্ট কেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি সে বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন
করেছি। আমাদের মতামতগুলো জানাতে চেয়েছি।
বর্তমান সংবিধানের অধীনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত সম্ভব
নয় উল্লেখ সম্ভব নয় উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে একচ্ছত্র
ক্ষমতায়ন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সাংবিধানিকভাবেই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ
তৈরি হয়েছে। আমরা ক্ষমতার ভারসাম্যের কথা বলেছি এবং সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের কথা
আমরা বলেছি। কীভাবে নতুন একটি সংবিধান পুনর্লিখন করা যায়। গণপরিষদ নির্বাচনের বাস্তবতা
নিয়ে আমরা কথা বলেছি।
এনসিপি’র
দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬টি বিষয়ের মধ্যে
১২৯টি বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। যেসব বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি সেসব বিষয়ে আমাদের অবজারভেশন
রয়েছে। এসব বিষয়ে সংযোজন, বিয়োজনের নোট আমরা ঐকমত্য কমিশনে দিয়েছি। আমরা মূলত এখন পর্যন্ত
তিনটি বিষয়ে কথা বলেছি। প্রথমত, প্রটেকশন অব সিটিজেন (নাগরিকদের নিরাপত্তা)। আমরা দেখেছি,
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রে নাগরিকদের নিরঙ্কুশ অধিকার কখনো স্বীকৃত হয়নি। সেসব
বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কথা বলেছি।
দ্বিতীয়ত,
আমরা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে কথা বলেছি। আমরা প্রতিনিয়ত দেখেছি, যখনই ক্ষমতা
হস্তান্তরের একটি সময় এসেছে তখনই দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। একটা সরকার
থেকে অন্য সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর কীভাবে হবে এই বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা
হচ্ছে।
তৃতীয়ত,
সংসদের স্থিতিশীলতার নামে আর্টিকেল ১৭ দিয়ে আমাদের কন্ঠ রোধ করে রাখা হয়েছে- এ বিষয়ে
কথা হয়েছে। আমাদের সংসদকে আরো বেশি কীভাবে কার্যকর করা যায় ওই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কথা
হয়েছে।
উক্ত বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
এনসিপি’র
পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক
সরোয়ার তুষার, জ্যেষ্ট যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী,
মুখ্য সংগঠক (দাক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ৩য় ধাপের পরীক্ষা আগামী ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
শেষ ধাপের পরীক্ষায় অংশ নিবেন ঢাকা ও চট্টগ্রাম (তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত) বিভাগের প্রার্থীরা । এ ধাপের মোট পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৩ জন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তৃতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষাকে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করার জন্য ২৫টি যন্ত্র সহ ৫টি টিম পরীক্ষার কেন্দ্র পাইলটিং করবে।
এ বছর প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। রংপুর, বরিশাল, সিলেট বিভাগের প্রথম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা গত বছরের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬২৭ জন। মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয় গত ২৭ ফেব্রুয়ারী।
রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ২ ফেব্রুয়ারী। পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিলো ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ জন। এই ধাপের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি।
৩০ মের মধ্যে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ হতে পারে।
মন্তব্য করুন


প্রখ্যাত নজরুল গবেষক, কবি, সাংবাদিক, বাচিক শিল্পী, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর ডিন এবং পাঠাগার আন্দোলনের জাতীয় কমিটির সম্মানিত ট্রাস্টি অধ্যাপক ড. আলী হোসেন চৌধুরী স্যার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট কর্তৃক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান মহোদয় হতে 'নজরুল পদক' পাওয়ায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপু মহোদয় ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
মন্তব্য করুন


মাদারীপুরের
রাজৈরে দুধে পানি মিশ্রণের অপবাদ দিয়ে গরুর খামারিদের মাথায় জনসম্মুখে দুধ ঢেলে হেনস্তা
ও নির্যাতনের অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর এনামুল বাঘাকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার
(২৬ জুন) দুপুরে রাজৈর উপজেলার টেকেরহাটের পূর্ব স্বরমঙ্গল গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার
করা হয়।
সূত্র
জানায়, গত ২২ জুন দুপুরে রাজৈরের খালিয়া থেকে টেকেরহাট বাজারে দুধ বিক্রি করতে আসেন
বেশ কয়েকজন গরু খামারি। এ সময় ছোট একটি যন্ত্র নিয়ে বাজারে হাজির হন এনামুল। নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট-এর ভাব নিয়ে শুরু করেন ভেজাল দুধের অভিযান। এক নারীসহ তিনজন বিক্রেতার
দুধে পানি মেশানো আছে অভিযোগ তুলে দুইজনের মাথায় দুধ ঢেলে দেয় এনামুল। এসময় তাদের অকথ্য
ভাষায় গালাগালিও করেন। সেই ভিডিও এনামুল বাঘা তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করলে
শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এনামুল বাঘার বিচার দাবি
করা হয়। বিষয়টি নজরে আসলে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ভাইরাল
ভিডিওতে দেখা যায়, টেকেরহাট বাজারে উৎসুক জনতার মাঝে দাড়িয়ে পর পর দুটি দুধের বোতল
হাতে নেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর এনামুল বাঘা। এ সময় দুধের বোতলের মধ্যে ছোট একটি কাঠি সাদৃশ্য
যন্ত্র দিলে কিছু অংশ ভেসে ওঠে। এসময় এনামুল বাঘাকে বলতে শোনা যায় দুধে ৬০০ গ্রাম পানি
মেশানো আছে, দুধের মালিক কে? এসময় দুইজন দুধের মালিক পরিচয় দিয়ে সামনে আসলে তাদেরকে
অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বোতলে থাকা দুধ তাদের মাথায় ঢেলে দেয় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত
করে এনামুল বাঘা। এ সময় উৎসুক জনগণকে হাসিঠাট্টা করতে দেখা যায়।
রাজৈর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এনামুল বাঘাকে শুক্রবার
জুম্মার নামাজের পর তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) তাকে মাদারীপুর
আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।’
তিনি
আরও বলেন, ‘এনামুল শুধু কনটেন্ট ক্রিয়েটর নয়, সে আওয়ামী লীগেরও বড় নেতা। তার বিরুদ্ধে
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতাসহ একাধিক মামলাও রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


বগুড়ার
শিবগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় এক পরীক্ষার্থীর নিরাপত্তা ও পরীক্ষা গ্রহণের দায়িত্বে নিয়োজিত
শিক্ষক, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ ৮ জন।
বুধবার
(১৩ মে) উপজেলার গুজিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষার দিনে এ
ঘটনা ঘটে।
জানা
গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় গুজিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে
নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র একজন। তবে পরীক্ষার্থী সংখ্যায় কম হলেও শিক্ষা বোর্ডের
নিয়ম অনুযায়ী কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। ফলে নিয়ম মেনেই ওই কেন্দ্রের বড় একটি কক্ষে
একজন পরীক্ষার্থীর জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়েছে।
গুজিয়া
উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব শাহিনুর আলম বলেন, ‘পরীক্ষার্থী একজন
হোক বা একশ বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
নিয়মের কোনো ব্যত্যয় না ঘটিয়ে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। ফলে একজন পরীক্ষার্থীর
জন্যও আমাদের পূর্ণাঙ্গভাবে কেন্দ্র পরিচালনা করতে হচ্ছে।’
ওই
কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান, একজন
ট্যাগ অফিসার, কেন্দ্র সচিব, কক্ষ পরিদর্শক, সহকারী শিক্ষক, একজন পুলিশ সদস্য এবং দুইজন
অফিস সহায়ক। বোর্ড নির্ধারিত নিয়ম মেনে একজন পরীক্ষার্থীর পেছনে প্রশাসনের এই বিপুল
আয়োজন এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


অক্সিজেন
না দেওয়ায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে
চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষ, বিক্ষোভ এবং মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে জটিলতার
অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মৃত নারীর ছেলেকে মায়ের মরদেহ ফেরত পেতে চিকিৎসকদের সামনে
কান ধরে উঠবস করতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে কান ধরে উঠবসের ভিডিও সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার
(১৩ জুন) ভোরে নগরীর জুম্মাপাড়া এলাকার নূর নাহার বেগমকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের
হৃদরোগ বিভাগে ভর্তি করা হয়।
স্বজনদের
দাবি, ভর্তির মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় তিনি মারা যান। এসময় অক্সিজেনের অভাব ও চিকিৎসায়
অবহেলার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পরিবারের সদস্যরা।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে রোগীর
স্বজনদের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে মেডিক্যাল অফিসার ডা. রাকিব
হাসান ও ইন্টার্ন চিকিৎসক নাইম বকশী মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এদিকে,
চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।
তারা ঘটনার বিচার দাবি করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ রাখেন।
শনিবার
বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত
হয়। একইসঙ্গে মরদেহ মর্গে নিয়ে রাখা হয়।
অন্যদিকে,মরদেহ
দ্রুত হস্তান্তরের দাবিতে রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে রংপুর-দিনাজপুর
মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল বিঘ্নিত হয় এবং উত্তেজনা ছড়িয়ে
পড়ে।
মৃতের
বড় ছেলে নুরুজ্জামান রিন্টু অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মা শনিবার ভোরে মারা গেছেন।
প্রায়
১০ ঘণ্টা হয়ে গেছে, আমরা মায়ের মুখ দেখতে পারিনি। মায়ের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে
মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বারবার ক্ষমা চেয়েছি, কিন্তু মরদেহ ফেরত পাইনি।’
স্বজনদের
দাবি, চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনার জেরে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মরদেহ হস্তান্তরে বিলম্ব
করেন এবং নানা শর্ত জুড়ে দেন।একপর্যায়ে মৃতের ছোট ছেলে রিফাত হোসেনকে হাসপাতালের পরিচালকের
কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে চিকিৎসকদের কাছে কানধরে উঠবস করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়।
এ
বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রংপুর
মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, হাসপাতালের
সিসিটিভি ফুটেজে চিকিৎসকদের মারধরের ঘটনা দেখা গেছে। চিকিৎসকের ওপর হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়
ও অমানবিক।ঘটনার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় নিরাপত্তার স্বার্থে মরদেহটি মর্গে
সরিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা
হয়।
মন্তব্য করুন


ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক ৪ দিনের সফরে আগামীকাল সোমবার ঢাকায় আসছেন।
সোমবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টায় একটি বিশেষ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রাজার পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এ সময় রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও ফার্স্ট লেডি গান স্যালুট ও গার্ড অব অনার দিয়ে রাজাকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে যাবেন রাজা ওয়াংচুক।
এসময় সোমবার বিকেলে ভুটানের রাজা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করবেন এবং তাদের দুজনের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
বৈঠকের পর দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই দিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ রাজার সঙ্গে তার অবস্থানকালীন আবাসস্থলে সাক্ষাৎ করবেন।
মঙ্গলবার রাজা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করবেন। সেসময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাজা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
পরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করবেন ভুটানের রাজা। এরপর তিনি বঙ্গভবন পরিদর্শন করবেন, সেখানে রাষ্ট্রপতি ও ফার্স্ট লেডি তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করবেন রাজা। রাষ্ট্রপতি সফররত রাজপরিবারের সম্মানে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করবেন।
বুধবার (২৭ মার্চ) সকালে ভুটানের রানী জেটসুন পেমা ওয়াংচুক ও ভুটানের নির্বাচিত প্রতিনিধি দলের সদস্যরা একটি বিশেষ ফ্লাইটে ভুটানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বিমানবন্দরে তাদের বিদায় জানাবেন।
ভুটানের রাজা পদ্মা সেতু ও বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ পরিদর্শন করবেন। বৃহস্পতিবার রাজা কুড়িগ্রামের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন।
বৃহস্পতিবার বিকালে সোনাহাট স্থলবন্দর হয়ে আসামের গোলকগঞ্জের উদ্দেশে বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তাকে বিদায় জানাবেন।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
টঙ্গী তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। লাখো মুসল্লি এ জুমার নামাজে অংশ নেন।
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদ'র বড়
ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।
বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বের
আনুষ্ঠানিকতা।
আজ
লাখো মুসল্লির সঙ্গে শরিক হয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায় করতে সকাল থেকেই চারদিক
থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে আসতে শুরু করেন। ময়দানে, সড়ক-মহাসড়ক, খালি জায়গাসহ
বিভিন্ন স্থানে পলিথিন, খবরের কাগজ ও চট বিছিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
যানজট
নিয়ন্ত্রণে ও মুসল্লিদের নিরাপত্তায় রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক
হাজার সদস্য।
আজ
বয়ান করেন যারা:
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পরে বয়ান করেন মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ। তার বয়ান বাংলায়
তর্জমা করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। জুমার আগে জুমার ফাজায়েল বয়ান করেন মাওলানা
মনির বিন ইউসুফ।
জুমার
পরে বয়ান করবেন- শেখ মোফলে (আরবি) এবং বাংলা তর্জমা করবেন মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ
মনসুর। আসরের পরে বয়ান করবেন মাওলানা মোশাররফ। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন মাওলানা ইউসুফ
বিন সাদ। পরে তা বাংলায় তর্জমা করবেন মাওলানা জিয়া বিন কাশেম।
মুসল্লির
মৃত্যু-
বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৪ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা
হলেন, শেরপুর সদর থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোনার কেন্দুয়া
থানার কুতুবপুর এলাকার হেলিম মিয়া (৬৫), দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালের
চর এলাকার নবীর উদ্দিন (৬৫)।
রোববার
(১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন ও তাদের
দায়িত্ব বণ্টন করে শুক্রবার (৯ আগস্ট) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট ১৭ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত
হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাতে শপথ নিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের
প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং অন্য ১৩ জন উপদেষ্টা। তবে ঢাকার বাইরে থাকায় সেদিন
তিনজন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে পারেননি।
এক নজরে কে কোন মন্ত্রণালয় এর দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেন -
১. প্রধান উপদেষ্টা ড.
মুহাম্মদ ইউনূস
১. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ২. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ৩. সশস্ত্র
বাহিনী বিভাগ, ৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ৫. সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, ৬. খাদ্য
মন্ত্রণালয়, ৭. গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ৮. ভূমি মন্ত্রণালয়, ৯. বস্ত্র ও পাট
মন্ত্রণালয়, ১০. কৃষি মন্ত্রণালয়, ১১. বিজ্ঞান ও প্রযুুক্তি মন্ত্রণালয়, ১২. রেলপথ
মন্ত্রণালয়, ১৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ১৪. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
মন্ত্রণালয়, ১৫. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, ১৬. পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, ১৭. মহিলা ও
শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ১৮. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ১৯. তথ্য ও
সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, ২০. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ২১.
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ২২. শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ২৩. সংস্কৃতি বিষয়ক
মন্ত্রণালয়, ২৪. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ২৫. মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ২৬. পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ২৭. প্রাথমিক ও
গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
অন্য উপদেষ্টারা
২. ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ- অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা
মন্ত্রণালয়।
৩. ড. আসিফ নজরুল- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৪. আদিলুর রহমান খান- শিল্প মন্ত্রণালয়।
৫. এ এফ হাসান আরিফ- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
মন্ত্রণালয়।
৬. মো. তৌহিদ হোসেন- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৭. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন
মন্ত্রণালয়।
৮. শারমিন এস মুরশিদ- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
৯. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন- স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়।
১০. আ ফ ম খালিদ হোসেন- ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১১. ফরিদা আখতার- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
১২. নুরজাহান বেগম- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
১৩. মো. নাহিদ ইসলাম- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি
মন্ত্রণালয়।
১৪. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
তবে ঢাকার বাইরে থাকায় ফারুক-ই-আযম, সুপ্রদীপ চাকমা ও বিধান
রঞ্জন রায় উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে পারেননি।
মন্তব্য করুন