

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি ॥
চট্টগ্রামের ভান্ডার শরীফে হারিয়ে যাওয়ার পর ফেইসবুকের কল্যাণে ১৮ বছর পর চাঁদপুরের কচুয়ায় নিজ বাড়িতে ফিরেছে খানু মিয়া নামের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক যুবক। ওই যুবক তার নিজ বাড়িতে ফিরে আসায় আনন্দিত তার পরিবার ও এলাকাবাসী।
সরেজমিনে জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার চাংপুর গ্রামের মৃত. খলিলুর রহমানের শারীরিক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছেলে খানু মিয়া ২০০৬ সালের দিকে একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলম পাঠানের সাথে চট্টগ্রাম ভান্ডার শরীফে গিয়ে হারিয়ে যায়। পরবর্তীতে তিনি ফেনী জেলার সোনাগাজী চন্দ্রনাথ এলাকায় ছিলেন। সম্প্রতি আলোকিত সোনাগাজী নামে একটি ফেসবুক পেইজ থেকে তাকে নিয়ে একটি ভিডিও ভাইরাল হলে খানু মিয়ার পরিবার ও এলাকাবাসী তার সন্ধান পেয়ে সোনাগাজীতে গিয়ে বৃহস্পতিবার তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন।
খানুর বড় বোন মানছুরা আক্তার জানান, আমরা ৩ ভাই ও ২ বোন। ১৮ বছর আগে আমার ভাই খানু মিয়া চট্টগ্রামে ঘুড়তে গিয়ে হারিয়ে যায়। সে থেকে আমরা তাকে বহু জায়গায় খোজাঁখুজি করে অবশেষে তাকে পেয়েছি।
খানু মিয়ার চাচাতো ভাই সাজলু মিয়া বলেন, আমার বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম পাঠানের সাথে তৎকালীন ভান্ডার শরীফে যায় সরল প্রকৃতির খানু মিয়া। পরে সেখানে হারিয়ে যায় তিনি। তাকে পেয়ে আমরা আনন্দিত।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় ইমু ও ফেসবুক ব্যবহার করে এক পরিবারকে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আদায়ের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মোঃ সোহানুর রহমান ওরফে ইয়াকুব ইসলাম (২০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ২৫ নভেম্বর ভিক্টিমের ইমু অ্যাকাউন্টে ‘Accounts Found’ নামের একটি ভুয়া ইমু আইডি থেকে বার্তা পাঠিয়ে জানানো হয় যে, তার স্বামীর ফেসবুক ও মেসেঞ্জার চেক করতে; অন্যথায় সমস্যা হবে। পরে ভিক্টিমের মেসেঞ্জার চেক করে দেখা যায়, একটি অজ্ঞাত ফেসবুক আইডি থেকে সংবেদনশীল ছবি ও ভিডিও পাঠানো হয়েছে। একই ধরনের ছবি-ভিডিও ভিকটিমের ইমুতেও পাঠানো হয়।
অজ্ঞাতনামা প্রতারকরা এ সব ছবি–ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ৬,০০,০০০ টাকা চাঁদা দাবি করে। এমনকি স্থানীয় বিভিন্ন মানুষকে একটি গ্রুপে যুক্ত করে ছবি-ভিডিও পাঠিয়ে বাদীপক্ষকে মানহানির হুমকি প্রদান অব্যাহত রাখে। পরবর্তীতে ‘Wahidul Siam’ নামের আরেকটি ইমু আইডি থেকেও একই ধরনের হুমকি ও ছবি-ভিডিও পাঠানো হয়। টাকা পাঠানোর জন্য প্রতারকরা 1Xbet অনলাইন অ্যাপের একটি অ্যাকাউন্ট আইডি ও পাসওয়ার্ডও সরবরাহ করে।
তদন্তে মেটা এবং সাইবার তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারণায় ব্যবহৃত ফেসবুক ও ইমু অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশ আসামি সোহানুর রহমানকে শনাক্ত করে। ১০ ডিসেম্বর সকালে তিতাস থানার দক্ষিণ বলরামপুর এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় ঘটনায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজা’সহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন দূর্গাপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে শান্ত ইসলাম ও খোকন মিয়া নামের ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন শরিয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার গোলমাইজ গ্রামের মৃত নাছির মল্লিক এর ছেলে শান্ত ইসলাম এবং কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শরিফপুর গামের মৃত আশরাফ মিয়া এর ছেলে খোকন মিয়া।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২৫ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি
কাভার্ডভ্যান গাড়ীসহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানার পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাত ২ টা ৪৫ মিনিটে
চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আলমগীর সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
চৌদ্দগ্রাম থানাধীর সুজাতাপুর লাকি হোটেলের পশ্চিম পাশে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী মহাসড়কে
একটি কাভার্ডভ্যান তল্লাশী করে ১২৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ মোরশেদ আলম
সোহেল, মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ সাদ্দাম হোসেন ও মোঃ ওমর ফারুককে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো-১। খাগড়াছড়ি
জেলার মানিকছড়ি থানাধীন যোগ্যছোলা ৬নং ওয়ার্ড এলাকার খোরশেদ আলম এর ছেলে মোঃ মোরশেদ
আলম সোহেল (২৫), ২। নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানাধীন সাং—মাছিমপুর, ০৪নং ওয়ার্ড, ১৬নং
নেওয়াজপুর ইউপি এলাকার হাজী তোফায়েল আহমেদ এর ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন (৩৮), ৩।খাগড়াছড়ি
জেলার মানিকছড়ি থানাধীন সাং—যোগ্যছোলা, (চেয়ারম্যানপাড়া) ৬নং ওয়ার্ড, ৩নং যোগ্যছোলা
ইউপি এলাকার মোঃ সাজু মিয়ার ছেলে মোঃ সাদ্দাম হোসেন (২৫), ৪। চট্টগ্রাম জেলার ভুজপুর
থানাধীন পশ্চিম সাপমারা এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ ওমর ফারুক (১৯)।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
চুরি,ছিনতাই,ডাকাতি ও মাদক নির্মূলে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিরর লক্ষে মতবিনিময় করেছেন কচুয়া থানার ওসি এম আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের দোয়াটি মবিন মার্কেট এলাকায় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে এ মতবনিমিয় সভা করা হয়। এসময় কচুয়া-সাচার-গৌরিপুর সড়কে চুরি,ছিনতাই ও ডাকাতি রোধে রাস্তার দু’পাশের আগাছা পরিস্কার,মাদক প্রতিরোধে নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন প্রধানের পরিচালনায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কচুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ এম আব্দুল হালিম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন স্বপন,ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস,ইউপি সদস্য মামুনুর রশিদ,বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল মবিন,মাহবুব আলম প্রমুখ। এসময় কচুয়া থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন,মোশাররফ হোসেন,বিএনপি নেতা মোজাফফর হোসেন সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাগেরহাটের রামপালে ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল নিয়ে কিশোরী প্রেমিকাকে জিম্মায় রেখে পালানোর ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ জুন) দুপুরে প্রেমিকার বাবা বাদী হয়ে রামপাল থানা একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা গেছে, ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই কিশোরী
প্রেমিকা বুধবার (২৬ জুন) স্কুলে যায়। ওই দিন দুপুর ১২টার সময় বিদ্যালয়ের সামনে পেন্সিল
কেনার জন্য দোকানে যায়। এ সময় বাছাড়েরহুলা গ্রামের নাজমুল ইসলাম সজিব বিদ্যালয়ের সামনে
থেকে প্রেমিকাকে তার সঙ্গে বেড়াতে যেতে বলে।
কিশোরী সজীবের সঙ্গে তার মোটরসাইকেল
উঠে বেড়াতে যায়। ভাগা বাজার এলাকায় গিয়ে মোটরসাইকেলের তেল শেষ হয়ে গেলে সজীব স্থানীয়
একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে মোটরসাইকেলে পেট্রোল নেয়। পেট্রোল নিয়ে টাকা দিতে না পারায়
টাকার বদলে কিশোরীকে জিম্মা রেখে টাকা আনার কথা বলে চলে আসে।
দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও ওই কিশোরী বাড়িতে
না ফেরায় তার বাবা স্কুলে খোঁজ নেন। পরে খুঁজতে গিয়ে ফিলিং স্টেশনে কিশোরীকে পাওয়া
যায়।
এ ঘটনায় উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি
হলে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে ওই কিশোরীর বাবাকে মারধর
করা হয়। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে গাববুনিয়া গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম, হাবিবুর
রহমান, নাজমুল ইসলাম সজীব, মল্লিক মনিরুল ইসলাম, ফয়সাল মল্লিকদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ
করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রামপাল থানার ওসি
সোমেন দাশ জানান, তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কবর থেকে তোলা হলো লাশ। মৃত যুবকের নামে থাকা সম্পত্তির মালিকানা নির্ধারণ করতে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত হতে এ আদেশ দেন আদালত।
মৃত্যুর সাত বছর পর বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার পূর্বমালসাদহ গ্রামের কবরস্থান থেকে মরদেহের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
আদালতের এ আদেশ পালনে গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাদির হোসেন শামীম, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও আব্দুল আল মারুফ ও গাংনী থানার এসআই জহির রায়হান মামলার বাদী ও বিবাদীদের উপস্থিতিতে মরদেহের নমুনা সংগ্রহ করেন।
এ নিয়ে জানা গেছে, পূর্বমালসাদহ গ্রামের মিজানুর রহমান খোকনের ছেলে আল কবিরকে নিঃসন্তান দম্পতি জুগিরগোফা গ্রামের আব্দুল লতিফ-হাজেরা খাতুন নিজের সন্তানের মতই লালন-পালন করেছেন। তাদের নামীয় ১৩ বিঘা জমি আল কবিরের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আল কবিরের মৃত্যু হয়। পরের বছর তার পালিত পিতা আব্দুল লতিফ মারা যান। তখন আল কবিরের নামীয় সম্পত্তি দখল করে নেয় আব্দুল লতিফের ভাইসহ অন্যান্য শরিকরা। এ নিয়ে আল কবিরের পিতা মিজানুর রহমান খোকন আদালতে মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর রাতে পূর্বমালসাদহ গ্রামে নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আল কবিরের (২৫) মৃত্যু হয়। সে মেহেরপুর সরকারি কলেজ থেকে অনার্স পাস করে মাস্টার্সে ভর্তির অপেক্ষায় ছিল।
মামলায় মিজানুর রহমান খোকন দাবি করে আল কবির তার ঔরষজাত সন্তান। অন্যদিকে আব্দুল লতিফ পক্ষ দাবি করে আল কবির আব্দুল লতিফের ঔরষজাত সন্তান। ফলে আল কবিরের সম্পত্তির মালিক কে হবেন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এর প্রেক্ষিতে মেহেরপুর যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আল কবিরের মরদেহের নমুনা সংগ্রহ করে ডিএনএ পরীক্ষার আদেশ দেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অংশহিসাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যােগে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে।
মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ৩০ কুমিল্লা টাউনহলের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করে।এসময় নগরীর টাউন হল থেকে শুরু করে মনোহরপুর,রাজগঞ্জ,বাদুরতলা, লাকসাম রোডে বিভিন্ন পোষ্টার ব্যানার নিয়ে মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করে।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে নগর জামায়াতের সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমানের পরিচালনা বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশ শুরা সদস্য ও কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য আব্দুস সাত্তার,কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, সহকারী সেক্রেটারী যথাক্রমে মু.কামারুজ্জামান সোহেল,কাউন্সিল মোশাররফ হোসাইন, নাছির আহম্মেদ মোল্লা।মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য এড এয়াকুব আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসাইন, আমীর হোসাইন ফরায়েজী।
সভাপতির বক্তব্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি’, ‘পিআর পদ্ধতিতে সংসদের উভয় কক্ষের নির্বাচন’, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ’, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার নিশ্চিত করা’ এবং ‘স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও বিচারের মুখোমুখি করা’—গণমানুষের দাবি। সরকার যদি গণমানুষের দাবি উপেক্ষা করে গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচন একদিনে করতে চায়, তাহলে বুঝতে হবে সরকার একটি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। নভেম্বরে গণভোট এবং ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে সরকার গড়িমসি করলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাও করতে জনগণ বাধ্য হতে পারে। তাই সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে ৫ দফা দাবি মেনে নিতে তিনি আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থিত ময়নামতি গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবে ' প্রথম রানার কাপ গলফ টুর্নামেন্ট - ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (
২ নভেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত উক্ত টুর্নামেন্টে বিভিন্ন সেনানিবাস থেকে শতাধিক গলফার অংশগ্রহণ করেন। ময়নামতি গলফ কান্ট্রি ক্লাবের মাঠে রঙিন বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন, ময়নামতি গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবের সভাপতি এবং ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান। টুর্নামেন্ট শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন, জিওসি মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক।
মন্তব্য করুন


আব্দুল মোতালেব নিখিল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় আন্তঃজেলা কুখ্যাত ডাকাত শাহ আলম দুলাল
(৪৮) ও তার দলের ১৩ জন সদস্যকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৪টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলাবাড়ী এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও দেবিদ্বার থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন- মুরাদনগরের উড়িরচর এলাকার
মৃত আবুল হাশেমের ছেলে মো. মনির হোসেন (৪০)। দেবিদ্বারের নবীয়াবাদ গ্রামের মৃত সোনা
মিয়ার ছেলে শাহ আলম দুলাল (৪৮)। ব্রাহ্মণপাড়ার সিধলাই গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে মো.
মামুন মিয়া (২৪)। একই উপজেলার মোখলেছুর রহমানের ছেলে মাহবুব আলম (৩৮)। সদর দক্ষিণ উপজেলার
বিজয়পুর গ্রামের ইলিয়াছের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩০)। বুড়িচং উপজেলার জুরাইন মাইকপাড়া
গ্রামের মৃত নসু মিয়ার ছেলে মো. আল আমিন (৩২)। বরুড়ার মহেশপুর কাজী বাড়ির মৃত আব্দুর
রবের ছেলে মো. কামাল হোসেন (৩২)। চান্দিনার কংগাই গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে মোশারফ
শরীফ (৩২)। একই উপজেলার চিলোড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মো. সুমন (৩৩)। বরুড়ার
বাশতলী নোয়াবাড়ী গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে মো. খোকন (৪০)। বরুড়ার দক্ষিণ হোসেনপুর
গ্রামের মুবিনের ছেলে আল আমিন (২৫)। চান্দিনার চিলোড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের আরেক
ছেলে মো. সোহেল (২৬)। বাঙ্গরাবাজারের হিরাকাশী গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে মো. আব্দুল
আউয়াল (৫০)। এবং চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সন্তোপুর গ্রামের নির্মল বিশ্বাসের ছেলে
নিহার বিশ্বাস (৪৮)।
আজ বুধবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশ
সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া ও জেলা গোয়েন্দা
পুলিশের ইনচার্জ মু. আবদুল্লাহসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর
লালমাই থানায় দুটি ডাকাতির ঘটনায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে গোপন সূত্রে খবর
আসে, বাঙ্গরাবাজার এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্র ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। টহল জোরদার
থাকায় তারা ডাকাতি করতে না পেরে দেবিদ্বারের দিকে রওনা হয়। রাতের অভিযানে পুলিশের চেকপোস্টে
পৌঁছালে হাইচ গাড়িতে থাকা ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া দিয়ে ১৩ জনকে আটক
করা হয়।
অভিযানে ডাকাতদের ব্যবহৃত একটি কালো রঙের হাইচ মাইক্রোবাস,
কুড়াল, রামদা, চাপাতি, কাটার প্লাস, চেইন, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
করা হয়। এছাড়া ডাকাতি হওয়া চার জোড়া স্বর্ণের দুল, একটি স্বর্ণের আংটি, একটি রুপার
নুপুর, একটি ছোট লাল রঙের স্বর্ণ রাখার বক্স এবং নগদ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার জানান, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃজেলা
ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত। তারা সম্প্রতি লালমাই এলাকায় তিনটি, বরুড়ায়
একটি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে একটি ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
তাদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর জেলায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডাকাত
সর্দার দুলালের পূর্বে ২৬ টি মামলা রয়েছে ও আরেক ডাকাত মনিরের নামে রয়েছে ২১ টি মামলা।
পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ আরও বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা
রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ কাজ করছে। কিছুদিনের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো উন্নতির
দিকে দেখবেন আপনারা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
উত্তর জেলা যুব মহিলা লীগের সদস্য তানিয়া আক্তার বিথিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ
শনিবার (৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় দেবীদ্বার পৌরসভার ছোটআলমপুরের নিজ বাড়ি থেকে তাকে
গ্রেপ্তার করা হয়।
বিথি
দেবীদ্বার পৌরসভার ছোটআলমপুরের মোখলেছুর রহমানের মেয়ে।
পুলিশ
জানান, গত ৪ আগস্ট আন্দোলনে নিহত আব্দুর রাজ্জাক রুবেল ও ৫ আগস্ট আমিনুল ইসলাম
সাব্বির হত্যাসহ মোট ৬টি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
৪
আগস্ট ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতার ওপর হামলায় বিথির সরাসরি যুক্ত থাকার
একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামসুদ্দীন
মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, শনিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলাসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর
হামলা ও মারধরের ঘটনায় মোট ৬টি মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন