

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ারবাজারে ঝুঁকিপূর্ণ ইউটার্নের পরিবর্তে নিরাপদ ও প্রশস্ত একটি নতুন ইউটার্ন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয়ের সামনে থাকা ইউটার্নটি থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ মিটার দূরে নতুন ইউটার্ন তৈরি করা হবে।
দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়সার।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান, কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ২৩ বীরের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা, বিআরটিএ কুমিল্লা সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. ফারুক আলম, আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, চান্দিনা ও দাউদকান্দি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা।
জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়সার বলেন, “নতুন ইউটার্নগুলো আরও প্রশস্ত করে নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি নতুন ইউটার্ন এলাকায় একটি করে লেন বৃদ্ধি করা হবে, যাতে যানবাহন নির্বিঘ্নে ঘুরতে পারে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
সভায় আরও জানানো হয়, মহাসড়কের পাশে থাকা হোটেল-রেস্টুরেন্ট বা ফুয়েল স্টেশনের সামনে থেকে বাস কাউন্টার সরাতে হবে।পদুয়ারবাজারের দক্ষিণ পাশে ফুটওভার ব্রিজের নিচ থেকে সব ধরনের বাস কাউন্টার ও স্টপেজ অপসারণ করা হবে।
আলেখার চর এলাকায় শহরমুখী লেনে প্রবেশ করা বাসগুলোর জন্য যুদ্ধজয় ভাস্কর্যের দক্ষিণ পাশে আরেকটি নিরাপদ ইউটার্ন নির্মাণ করা হবে।এছাড়া সভায় জানানো হয়, পদুয়ারবাজারে চলমান ইউলুপ প্রকল্পের ২৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মোট ৫৭টি আপত্তির মধ্যে একটি শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে বাকি সব আপত্তির শুনানি শেষ করে ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার পদুয়ারবাজারে ইউটার্নে প্রাইভেটকারের ওপর কাভার্ডভ্যান উল্টে গিয়ে একই পরিবারের চারজন নিহত হন। ঘটনার পরপরই ইউটার্নটি বন্ধ করে দয়াপুর ইউটার্ন দিয়ে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়। নতুন ইউটার্ন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থাই বহাল থাকবে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে কাভার্ডভ্যান-সিএনজি সংঘর্ষে ৫ যাত্রী নিহত হয়েছে।
রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লা চাঁদপুর সড়কের মহানন্দ নামক স্থানে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মরদেহ গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার সীমান্ত এলাকা হতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক সর্বমোট ৮৫,৬৬,৮৮০/-
(পঁচাশি লক্ষ ছেষট্টি হাজার আটশত আশি) টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার বাজি
জব্দ করা হয়েছে।
কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত
অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ২১ মে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আওতাধীন শিবের বাজার বিওপি এবং কটক বাজার পোস্টের
বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক পৃথক অভিযান
পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে সীমান্তের শূন্য লাইন হতে আনুমানিক ৪ কিঃ মিঃ এর মধ্যে
বিজিবি টহল দল কর্তৃক মালিক বিহীন অবস্থায় ৪,২৮,৩৪৪ পিস অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার
বাজি আটক করা হয়। যার সর্বমোট মূল্য- ৮৫,৬৬,৮৮০/- (পঁচাশি লক্ষ ছেষট্টি হাজার আটশত
আশি) টাকা।
উল্লেখ্য,
জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং কুমিল্লার উন্নয়ন-অভিমুখী ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জনগণের হাতে পৌঁছে দিতে বর্ণাঢ্য মিছিল ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন হয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে কান্দিরপাড়স্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয় থেকে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এক বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরীর চর্থা চৌমুহনীতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
এই গণসংযোগ-মুখী উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল নগরবাসী, নতুন ভোটার, ব্যবসায়ী-শ্রেণি, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী নাগরিক—সকলের মাঝে রাষ্ট্র মেরামত সংক্রান্ত ৩১ দফা এবং বিশেষভাবে কুমিল্লার উন্নয়নে হাজী ইয়াছিনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরা। নেতৃবৃন্দের মতে—এটি ছিল জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির একটি ক্ষেত্রভিত্তিক প্রয়াস।
মিছিলে অংশ নেন কুমিল্লা মহানগর, সদর দক্ষিণ ও আদর্শ সদর উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবর রহমান দুলাল, আতাউর রহমান ছুটি, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ জহির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
মিছিল চলাকালে নেতারা জনতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বার্তা লিফলেটের মাধ্যমে তুলে ধরেন। লিফলেটগুলোতে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার প্রতিটি পয়েন্টের বাস্তবিক প্রভাব তুলে ধরা হয়। এলিট রাজনীতি থেকে জনগণের রাজনীতিতে ফেরার যে স্লোগান বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে উচ্চারিত হয়েছে—এই কর্মসূচিও ছিল তারই ধারাবাহিকতা।
সমাবেশে বক্তারা কুমিল্লার অতীত-বর্তমান সামাজিক–অর্থনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন—কুমিল্লা মহানগর একটি ঐতিহ্যবাহী শহর হলেও এখনো নাগরিক সেবা, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, তরুণদের কর্মসংস্থান, ব্যবসায়িক সুযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষা সুবিধা উন্নয়নে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে সুশাসন, জবাবদিহিতা, এবং স্থানীয় জনসম্পৃক্ত অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন মডেল দরকার। সমাবেশে হাজী ইয়াছিনের কুমিল্লার জন্য প্রস্তাবিত পরিকল্পনার তুলে ধরা হয়েছে। মিছিলে কুমিল্লা–০৬ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরা হাতেহাতে লিফলেট নিয়ে অংশ নেন এবং নাগরিকদের মাঝে সরাসরি বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার বলেছেন, সাম্প্রতিককালে দেশে সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ড আমাদের হৃদয়কে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে। বিশেষ করে ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সারা দেশের মানুষকে অনেকটা আতংকে ফেলেছে। একটি জলজ্যান্ত মানুষকে পিটিয়ে পাথর মেরে হত্যা করা হচ্ছে,অথচ এ ঘটনাস্থলের আশপাশে স্বাভাবিকভাবে মানুষ চলাচল করছে। কেউ কিছু বলছে না। এমনটা হতে পারে না। আমাদের মানবিক হওয়া প্রয়োজন। বিবেককে শাণিত করা প্রয়োজন। মানুষের দুঃখে সহানুভূতিশীল হওয়া প্রয়োজন।
কুমিল্লায় গুরুতর অপরাধের মধ্যে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে, এর পাশাপাশি চাঁদাবাজির ঘটনাও বেড়েছে। মাদকের অপব্যবহার ও চোরাচালান বেড়েছে। কুমিল্লায় চাঁদাবাজি বন্ধ ও মাদক সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সকল কিছুর নিয়ন্ত্রণ করা একা রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আজ রবিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার আরও বলেন, কুমিল্লায় জলাবদ্ধতা দূরীকরণে রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকা রাখতে হবে। স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে নদী ও পুকুর ভরাট রোধ করতে হবে। গ্রাম আদালতকে অধিক কার্যকর করতে হবে। ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ছাড়পত্র দেয়ার ক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিকতা যাচাই বাছাইয়ে কড়াকড়ি করতে হবে।
পুলিশ সুপার মোঃ নাজির আহমেদ খান বলেন, পুলিশ চাঁদাবাজদের বিপক্ষে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে গতমাসে পুলিশ ১৬৮ টি মামলা করেছে।
কুমিল্লায় মাদক মূলত প্রতিবেশী দপয় থেকে আসে।এটি একটি ষড়যন্ত্র। আমাদের যুব সমাজকে বিপদগ্রস্ত করতে এ কাজটি করা হচ্ছে। দেশে বর্তমানে যে সামাজিক অস্থিরতা বিরাজ করছে এ অবস্থায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে আটক না হয় সে ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।
সভায় কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন ভাংচুর রাস্তাসমূহ সংস্কার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও যানযট নিরসনের লক্ষে ব্যাপক আলোচনা করা হয়।
সভার শুরুতে বিগত সভার কার্যবিবরণী পাঠ করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজা মতিন।
বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা.মোঃ আলী নূর মোহাম্মদ বশির আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সচিব মোহাম্মদ মামুন, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী, কুমিল্লা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর কাজী দীন মোহাম্মদ, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মাহাবুবুর রহমান, অধ্যাপক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক, সিনিয়র সাংবাদিক মোতাহার হোসেন মাহবুব, আদর্শ সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হিজবুল বাহার ভূঞা, সচেতন নাগরিক কমিটি কুমিল্লার সভাপতি রোকেয়া বেগম শেফালী, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শাহাজাদা এমরানসহ বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় কোনো ঘুষ, তদবির বা হয়রানি ছাড়াই ট্রেইনি পুলিশ কনস্টেবল পদে ৪৭ জনের নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (৩১ আগস্ট ) কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খাঁন এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ৪৭ জন সবাই এ পুরুষ । এদের মধ্যে ৪৫ জন সাধারণ কোটায় ও ১ জন মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টী কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন। বিকেলে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সের শহীদ আরআই এবিএম আবদুল হালিম মিনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উত্তীর্ণদের বরণ করে নেয় জেলা পুলিশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খাঁন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাইদ মো.গাউছাল আজম এবং চাঁদপুর হাজীগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সার্কেল) মুকুল চাকমা সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘প্রত্যেক মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সৎভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। ঘুষ ছাড়া নিয়োগ দেওয়া সম্ভব, আমরা সেটিই প্রমাণ করেছি। এখানে যারা নিয়োগ পেয়েছেন, তারা সবাই মেধাবী। আমি বিশ্বাস করি, তারা সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।
চলতি বছরের জুন মাসে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স মাঠে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। মোট আবেদন পড়ে ১ হাজার ৮৯১টি। শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৬৩৭ জন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৪৭ জন। এর মধ্যে মৌখিক পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন ৭৫ জন।
এ বিষয়ে চাকরি পাওয়া কুমিল্লা সদর দক্ষিণের এমরান হোসেন নামে এক তরুণ বলেন, ‘কোনো টাকা লাগে নাই, কেউ চায়ও নাই।দালালের খপ্পরে ও পড়ি নাই।আমার বাবা একজন সিএনজি চালক।বাবা-মায়ের দোয়ায় আমার স্বপ্ন ছিলো দেশের সেবা করার জন্য আল্লাহ আমার ডাক কবুল করেছে।
মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশ বদলাচ্ছে।’
নিয়োগপ্রাপ্ত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সজিব বলেন, ‘এখন বিশ্বাস হচ্ছে, যোগ্যতা থাকলে সরকারি চাকরি পাওয়া যায়। আমাদের গ্রামে সবাই অবাক!’
চাকুরি পাওয়া এমরান হোসেনের পিতা সদর দক্ষিণ রামপুর গ্রামের সিএনজিচালক মো.এরশাদ মিয়া বলেন, ‘ছেলের চাকরির জন্য বাড়ি বিক্রি করার কথা ভাবছিলাম। আল্লাহর রহমতে কিছুই লাগেনি, শুধু পরিশ্রম আর প্রার্থনা।
মন্তব্য করুন


পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যাসোসিয়েশন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় -এর উদ্যোগে এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগিতায় ‘বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ও বাংলাদেশের বাস্তবতা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসাইন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুর রহমান জীবল এবং ড. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। সেমিনারটির সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল।
এছাড়া লোকপ্রশাসন এবং আইন বিভাগের শিক্ষকগণও উক্ত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণ এবং পৃথকীকরণ পরবর্তীতে বাংলাদেশের ওপর কী প্রভাব পড়বে- এ বিষয় নিয়ে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, 'বাংলাদেশের চালিকাশক্তির তিনটা স্তম্ভ হলো-আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগ। এ তিনটা বিভাগের মধ্যে একধরনের প্রতিযোগিতা হওয়া দরকার ছিল, কোন বিভাগ কত ভালো করবে। স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনা করতে হলে বিচার বিভাগকে স্বাধীন হতে হবে। যারা নির্বাহী বিভাগে কাজ করেন তাদেরও স্বাধীন হতে হবে। অন্যথায় আবার সেই ফ্যাসিজম আরও ভয়ানকভাবে ফিরে আসবে।'
অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসেন বলেন, 'কীভাবে রাষ্ট্র কাঠামো হবে এর ওপর অনেকে তাদের বিজ্ঞ মতামত দিয়েছেন। আপনি একটা রাষ্ট্রের সংবিধান করবেন, আইন করবেন কিন্তু সেটা জনবান্ধব অথবা সেটা জনগণের জন্য কল্যাণকর কি-না, সংবিধান সেটা দেখার দায়িত্ব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট কে। কোনো আইন যদি জনকল্যাণকর না হয় তাহলে সুপ্রিমকোর্ট সেই আইন ডিক্লাইন করে দেয়।
তিনি আরও বলেন, '১৭৩১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ১৮৬ বছরে ১৮২ বার বিচার বিভাগকে আলাদা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে। কারণ রাজা যে শাসন চালাবে, কেউ যদি তাকে হস্তক্ষেপ করে তাহলে সে তো এটা স্বাভাবিকভাবে নিবে না। ২০০৭ সালে আমার মামলায় (মাসদার হোসেন মামলায়) বিচার বিভাগকে কাগজ-কলমে আংশিক স্বাধীন করা হলেও আসলে এটি স্বাধীন হয়নি। তবে এখন সংস্কার কমিটির কাজ চলমান আছে।'
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, 'আমরা আশা করি বাংলাদেশ একটি উন্নত বিচার ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে। যেখানে মানুষ মনে করবে এটা তার শেষ আশ্রয়স্থল। সেখানে গিয়ে সে ন্যায় বিচার পাবে, সে যেই রাজনৈতিক দলের হোক, যে ধর্মের হোক, দুর্বল কিংবা শক্তিশালি হোক।'
সেমিনারটির সভাপতি মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, 'রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ণের কারণে প্রশাসক ও বিচারকদের স্বাধীনতা আমাদের দেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। মাসদার হোসেন মামলা ২০০৭ সালে ফয়সালা হয়েছে। উনি একজন জীবন্ত কিংবদন্তি, নিজেই একজন প্রতিষ্ঠান। দেশে-বিদেশে মাসদার হোসেন মামলা এখন পঠিত বিষয়। তিনি একজন বিচারক এবং আইন সংস্কার কমিশনেরও একজন সদস্য।'
মন্তব্য করুন


দেশ ও জাতি গঠনে সুস্থ রাজনৈতিক বিকাশ অপরিহার্য— এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা নামে বিভাগ ঘোষণার দাবীতে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হলো সুধীজনের মতবিনিময় সভা।
শুক্রবার বিকেল ৫টায় কুমিল্লা নজরুল ইনস্টিটিউটে এ সভার আয়োজন করে সচেতন রাজনৈতিক ফোরাম, কুমিল্লা। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক ড. শাহ মোঃ সেলিম।
সভায় বক্তারা বলেন— ঐতিহাসিক, ভৌগলিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে কুমিল্লা একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। অথচ দীর্ঘদিন ধরেই কুমিল্লাকে প্রশাসনিক কাঠামোয় বঞ্চিত রাখা হয়েছে। তাই অবিলম্বে কুমিল্লা নামেই কুমিল্লা বিভাগ ঘোষণার দাবি জানান তাঁরা।
এসময় কুমিল্লার উন্নয়ন ও নাগরিক স্বার্থে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা।
বক্তাদের মধ্যে ছিলেন: ২৪’ গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক এবং এনসিপি’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ্, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সমবায়ী ও সমবায় ব্যাংকের সভাপতি সিরাজুল হক, ড. আলী হোসেন চৌধুরী— নজরুল গবেষক ও সাহিত্যিক, সাহিত্যিক ও ছড়াকার জহিরুল হক দুলাল, সাবেক সভাপতি কুমিল্লা প্রেসক্লাব, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবুল হাসনাত বাবুল।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন— বদরুল হুদা জেনুয়া, সাইদুল রহমান তামান্না, লায়ন শেখ ফরিদ উদ্দিন, লায়ন মাহবুব আলম ইকবাল, এনামুল হক বাবলু, সাজ্জাদুর কবীর, নিখিল রায়, আবুল কাশেম, কাজী শারমিন আক্তার— শহীদ সাদমানের মাতা, মিয়া মোঃ তৌফিক, জুনায়েদ রায়হান, রাসেল খান, খায়রুল আনাম রায়হান এবং শাহেদুল ইসলাম চৌধুরী।
এছাড়াও মতবিনিময় সভায় কুমিল্লার সামাজিক-রাজনৈতিক উন্নয়নে একাত্মতা ঘোষণা করেন— ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং ফেনী জেলার প্রতিনিধিবৃন্দ।
বক্তারা জোর দিয়ে বলেন— “বঞ্চিত কুমিল্লার অধিকার আদায়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কুমিল্লার ঐতিহাসিক মর্যাদা রক্ষায় কুমিল্লা নামেই বিভাগ ঘোষণা করতে হবে।”
সভায় মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক সচেতনতার সমন্বয়ে কুমিল্লাকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় নকল চিপস কারখানায় অভিযান,লাখ টাকা জরিমানা
কুমিল্লায় নকল চিপস কারখানায় অভিযান চালিয়ে নকল চিপসের পাঁচটি রিল জব্দের পর পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এসময় ওই প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার আড়াইওড়া এলাকায় মেসার্স রবি ফুড প্রোডাক্টস নামের প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এতে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম।
তিনি জানান, মেসার্স রবি ফুড প্রোডাক্টস নামের একটি প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই থেকে মাত্র তিনটি পণ্যের লাইসেন্স নিয়ে ১১টি পণ্য মোড়কজাত করে বিক্রি করছে। মোড়কজাতকৃত পণ্যের মধ্যে হুবহু বম্বের সুইটস কোম্পানির আদলে রিং চিপস, পটেটো চিপস ও লেইজার চিপস মোড়কাবদ্ধ করে বিক্রয় করছে। একই সাথে প্রাণের জিরোস চিপসের আদলে জোরস চিপস নাম দিয়ে ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা করছে। ফলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৪ ধারায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
উক্ত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, বিএসটিআই এর পরিদর্শক (মেট্রোলজি) হাফিজুর রহমান, জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন এবং জেলা পুলিশের একটি টিম ।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
বিরোধ হলে শুধু মামলা নয়, লিগ্যাল এইড অফিসে আপোষও হয়" এবং "গরিব দুঃখির মামলার ব্যয়, বাংলাদেশ সরকার দেয়"- এই শ্লোগান সামনে রেখে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে যানবাহনে ষ্টিকার লাগাচ্ছেন কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ মাহাবুবুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইয়াছির আরাফাত, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ সহিদ উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমানসহ কুমিল্লা জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির কর্মরত সকল বিচারকগণ ও জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। স্টিকার লাগানো শেষে ২৮ এপ্রিল সোমবার সকালে কুমিল্লা জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি কুমিল্লার আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনাসভার মঞ্চের কাজের অগ্রগতি ঘুরে ঘুরে দেখেন কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ মাহাবুবুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার এফ এম শেফায়েত ছালাম ও ম্যাজিস্ট্রেট ইনচার্জ মোঃ কামাল হোসেন সহ কুমিল্লা জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির কর্মরত সকল বিচারকগণ ও জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
ওই অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে জেলা জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির সকল বিজ্ঞ বিচারকগন ও জেলা আইনজীবী সমিতির সকল বিজ্ঞ আইনজীবীগণ, অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিচারপ্রার্থী জনসাধারণকে যথাসময়ে উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেছেন কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং কুমিল্লা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ মাহাবুবুর রহমান।
মন্তব্য করুন