

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্তকরণ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন মহানগরীর বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
মঙ্গলবার সকালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয় রাজশাহী নগর ভবনের গ্রেটার রোড থেকে। এরপর বর্ণালির মোড়, রাজীব চত্বর, ঐতিহ্য চত্বর, বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার, মেডিকেল জরুরি গেট, লক্ষ্মীপুর মোড়, সিএন্ডবি মোড়, ফায়ার সার্ভিস মোড়, সোনাদিঘী মোড়, গণকপাড়া মোড় পর্যন্ত রাস্তা-ফুটপাতে গড়ে ওঠা সব প্রকার অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীদের প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হয়। অভিযানকালে গণগ্রন্থাগার ও মেডিকেল জরুরি গেটের সামনে প্রায় ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে জব্দকৃত একটি জেনারেটর নগর ভবনে নিয়ে রাখা হয়।
উচ্ছেদ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও রাসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজ মিশু।
মন্তব্য করুন


দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের জান- মাল ও
সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার
লক্ষ্যে দেশব্যাপী নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ অক্টোবর ২০২৪ (শনিবার)
রাত আনুমানিক সাড়ে ৯ টার দিকে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ডিএমপির মোহাম্মদপুর
থানাধীন বছিলা হাউজিং এর মিনি সুপারশপে চাঞ্চল্যকর দুর্ধষ ডাকাতি ঘটনার প্রধান
আসামি মোঃ আসলাম ওরফে রুবেল আলমকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় তার তথ্য অনুযায়ী তার আরেকজন সহযোগী
পরিকল্পনাকারি মজিদকে যৌথবাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের ডাকাতির কথা স্বীকার করে। ডাকাতি হওয়া সুপারশপের সিসি ক্যামেরায় দেখা যায়, ডাকাতদলের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। এ সময় তারা দোকানের কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা নিয়ে যায়। গ্রেফতারের পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
সংসদের স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এবং ডেপুটি স্পিকার
হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শপথ গ্রহণ করেছেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ) দুপুর ১২টার পর জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে আয়োজিত
শপথ অনুষ্ঠানে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
এ
সময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ
মওলা শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।
এর
আগে সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম
অধিবেশনে স্পিকার নির্বাচিত হন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
(বীর বিক্রম) এবং ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার
কায়সার কামাল। পরে সংসদের অধিবেশন ৩০ মিনিটের জন্য মুলতবি করে তাদের শপথ পড়ানো হয়।
জাতীয়
সংসদের প্রথম অধিবেশনে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। হাফিজ উদ্দিন আহমদ এতদিন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক
মন্ত্রী এবং কায়সার কামাল ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লায় নানা আয়োজনে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
এরপর কুমিল্লা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক মু.রেজা হাসান।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন করে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন।
গতকাল বুধবার (সেপ্টেম্বর ২৫) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ কথা জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আহ্বানে সাড়া দিয়ে চীনা সোলার প্যানেল প্রস্তুতকারকরা বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনে আগ্রহী। চীনা সরকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে।’
এরআগে গত মাসে ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় চীনের সোলার প্যানেল প্রস্তুতকারকদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা।
সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘চীনের জনগণের পুরনো বন্ধু’ উল্লেখ করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।
ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ থাকবে উল্লেখ করে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা পূর্ণ আস্থা রাখি যে, আপনি (ড. মুহাম্মদ ইউনূস) দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, ‘চীনের সোলার কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বড় আকারে বিনিয়োগ করতে পারে, যা অনেক ধনী দেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারমূলক বাজার প্রবেশাধিকারের সুবিধা পাবে। তিনি আরও বলেন, ‘সোলার কোম্পানি ছাড়াও অন্যান্য চীনা প্রস্তুতকারকরা তাদের কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তর করতে পারে।’
চীনের সাথে আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ‘নতুন অধ্যায়’সূচনার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। দুই দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধিরও আহ্বানও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না; তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর অবদান, তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তাঁর প্রতি জনগণের আবেগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার চলতি মাসে তাঁকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর আপোষহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে, মুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও জাতির কল্যাণে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং দৃঢ় মনোবল সব সময় পথ দেখিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত রাজনীতিককে হারাল।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি’র চেয়ারপারসন, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের দুঃশাসনের পতন ঘটাতে প্রধান ভূমিকা রাখে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বহু কর্ম ও সিদ্ধান্ত দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। তিনি মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন, যা বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া ভীষণভাবে সফল ছিলেন। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে তিনি পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানেই তিনি জয়লাভ করেছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর অর্থনৈতিক উদারীকরণের মাধ্যমে তিনি দেশের অর্থনীতির একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর আপোষহীন ভূমিকা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে জাতিকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক সাফল্যের কারণেই বেগম খালেদা জিয়া চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাঁকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন কারাবাস করতে হয়েছিল।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে তিনি দেশবাসীকে শান্ত থাকার ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং যার যার অবস্থান থেকে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের ৪ কোটি পরিবারে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি
কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি
আরো বলেন, দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী এবং তাদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত
না করে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী
করতেই সরকার এই কর্মসূচি চালু করেছে।
আজ
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে কড়াইল বস্তি সংলগ্ন
এলাকায় আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী
এসব কথা বলেন। এ সময় পাশে ছিলেন তার সহধর্মিণী ড. জুবাইদা রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব
করেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তারেক
রহমান বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে ১৪টি জায়গায় বা ১৪টি উপজেলায় এই কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে
এই মুহূর্তে প্রায় ৩৭ হাজার নারী অংশগ্রহণ করছে। আমাদের এই কড়াইল এলাকা, ভাসানটেক এলাকা
এবং সাততলা— এই তিন এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার নারীকে এই কার্ডের সুবিধার
আওতায় আজকে নিয়ে আসা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমার সরকার পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে যে ৪ কোটি পরিবার
রয়েছে, সেই ৪ কোটি পরিবারে যারা নারী প্রধান, তাদের কাছে আগামী ৫ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে
সকলের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যেতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ।
সরকার
জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায় উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনে আমরা
ফ্যামিলি কার্ডের ওয়াদা দিয়েছিলাম। এক মাস পূরণের আগেই আমরা তা পূরণ করতে পেরেছি। সেই
জন্য শুকরিয়া আদায় করছি। আজকের দিনটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ, স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক
দিন। কারণ, আপনাদের প্রত্যক্ষ ভোটে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই আমরা জবাবদিহি
করতে বাধ্য।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের
কিছু লেনদেন সাময়িকভাবে সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ
সময় বিকাশ, রকেট, নগদসহ এমএফএসে একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করতে
পারবেন, প্রতিটি লেনদেনের সীমা হবে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর থাকবে।
একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা
স্থানান্তর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র
জানায়, নির্বাচনে ভোটারদের প্রভাবিত করতে অর্থের অপব্যবহার ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের
চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) প্রস্তাবনা
দিয়েছে। প্রস্তাব বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী
সীমার অঙ্ক সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।
বর্তমানে
এমএফএস গ্রাহকেরা দিনে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা এবং মাসে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন
করতে পারেন। নির্বাচনকালীন সময়ে প্রস্তাব অনুযায়ী একজন গ্রাহক দিনে অন্য গ্রাহকের কাছে
সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পাঠাতে পারবেন এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেন করা যাবে—
যার সর্বোচ্চ সীমা ১ হাজার টাকা।
এদিকে
ব্যাংকের অ্যাপস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবায় ব্যক্তি গ্রাহকেরা প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০
লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারেন। নির্বাচনকালীন সময়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা
স্থানান্তর বন্ধ রাখার প্রস্তাবটি বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে বলে সংশ্লিষ্ট
সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের চাহিদার
পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ লেনদেন সীমিত করার বিষয়ে কাজ চলছে। এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহে প্রজ্ঞাপন
জারি করা হবে।’
এ
ছাড়া নগদ টাকা জমা ও উত্তোলনের ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো
হিসাবে এক দিনে এক বা একাধিক লেনদেনের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ জমা বা
উত্তোলন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে বিএফআইইউতে নগদ লেনদেনের প্রতিবেদন (সিটিআর) দাখিল
করতে হবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সাপ্তাহিক ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন জমা
দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, সিটিআরে কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে
তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যত্যয় হলে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের বিধান অনুযায়ী
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন
কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে দাখিল করা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৩১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। একই সঙ্গে ৭৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি ) মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে কুমিল্লা-৭ থেকে কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই করা হয়। এদিন এসব আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়। এর আগে শুক্রবার কুমিল্লা-১ থেকে কুমিল্লা-৬ আসনের মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ১১টি আসনে মোট ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মধ্যে ৭৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৩১ জনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে কুমিল্লার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম–মনোহরগঞ্জ) আসনে। এ আসনে দাখিল করা ১৩টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৮টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়, যা জেলার মধ্যে সর্বাধিক।
কুমিল্লার রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান বলেন, “কুমিল্লায় ১১টি আসনে মোট ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। শুক্রবার ও শনিবার দুই দিন ধরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৭৬টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৩১টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তারা নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


আগামী
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং একই দিন বিকেলে
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আইন উপদেষ্টা সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয়
সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হবে।
আসিফ
নজরুল বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এই শপথ পরিচালনা
করবেন বলে তিনি ধারণা করেন।’ তবে বিষয়টি নিশ্চিত করে পরে জানানো
হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইন
উপদেষ্টা বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পরপরই সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুুর ১২টার
মধ্যে বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে।’
আইন
উপদেষ্টা জানান, ঐতিহ্যগতভাবে বঙ্গভবনে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হলেও এবার তা জাতীয়
সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় (সাউথ প্লাজা) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি এই অভিপ্রায়
ব্যক্ত করেছে।’
আইন
উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি, রাষ্ট্রপতি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ
বাক্য পাঠ করাবেন।
মন্ত্রিসভার
শপথের জন্য দক্ষিণ প্লাজাকে বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে আসিফ নজরুল বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান এবং জুলাই ঘোষণা ও জুলাই সনদের মতো ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর সাথে
সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ও দক্ষিণ প্লাজা বিভিন্ন কারণে স্মরণীয়।’
এ
ছাড়া প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ ওসমান হাদির জানাজাসহ নানা কারণে স্মৃতিবিজড়িত
এই স্থানটি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এসব বিষয় বিবেচনা
করেই সেখানে হয়তো শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
শপথ
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের বিষয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘কনভেনশন অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগ আমন্ত্রণের বিষয়টি দেখছে।
তবে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ
জানানো হয়েছে। কিন্তু বিদেশি কোনো প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রিত কি না, সে বিষয়ে আমার জানা
নেই।’
মন্তব্য করুন


জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের উপর গণভোট আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে ৮ দলের উদ্যোগে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুর ২:০০ টা থেকে ৪:০০ টা পর্যন্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ৮ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, আগামীর সংসদ হবে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত সংসদ। চাঁদাবাজদের প্রতিহত করবো ইনশাআল্লাহ। অতীতে যারা চাঁদাবাজি করেছে, তাদের আর খাওয়া নাই। আগামীর সংসদ হবে কুরআনের সংসদ। আগামীতে সচিবালয়, সংসদ ও বিচারালয় চলবে কুরআন দিয়ে- সবই চলবে কুরআনের বিধান অনুযায়ী।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ৮ দলের জোট নতুন জাগরণ তৈরি হয়েছে। অবশ্যই জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট দিতে হবে। সরকার একইদিনে গণভোটের সিদ্ধান্ত কারো কুপরামর্শে করেছে।
তিনি বলেন, মানুষের মনে আশা সঞ্চার হয়েছে নতুন বাংলাদেশ ইসলামের বাংলাদেশ হবে। এবারের সংগ্রাম চাঁদাবাজ, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম। আমাদের ৮ দলের বার্তা জাগরণের বার্তা নিয়ে এসেছি। পরিবর্তনের বার্তা গ্রামে গঞ্জে পৌঁছে দিতে হবে। আমাদের এই ৮ দল আর ৮ দল থাকছে না, আমাদের সাথে আরও অনেক দল আসার আবেদন করছে। সবার প্রত্যাশা একটা নতুন বাংলাদেশ চাই।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট দিতে হবে। এখনো সুযোগ আছে, গেজেট পরিবর্তন করুন। জনগণ আগেই গণভোট চায়। এখনো সুযোগ আছে, তারিখ পরিবর্তন করুন। সরকারকে সংকটে ফেলতে চাই না। তা-না হলে বিভ্রান্তি তৈরি হবে। জনগণ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে গিয়ে ‘না’ তে ভোট দিয়ে ফেলতে পারে।
তিনি বলেন, একটি দল এখনো ষড়যন্ত্র করছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট হবে। ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে হলো ফ্যাসিবাদ বিরোধী নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, সুশাসনের পক্ষে। জনগণের ম্যান্ডেট নষ্ট করা যাবে না। কোনো ষড়যন্ত্র বাংলার মানুষ মেনে নেবে না।
এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। নারীকর্মীদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান গোলাম পরওয়ার।
এ সময় সমাবেশের সভাপতি সহকারী সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম খান বলেন, জুলাই বিপ্লব কোনো একক দলের নেতৃত্বে হয়নি। কিন্তু এই সরকার একটি দলের পকেটে ঢুকে যাচ্ছে। আমরা বলব, নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করুন। গণভোট আগে হতে হবে। ষড়যন্ত্র চলছে। যথাসময়ে নির্বাচন হতে হবে। গণভোট আগে দিতে হবে। গণহত্যার বিচার করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হবে। এই দেশ কারও বাবার দেশ নয়, কোনো পরিবারের দেশ নয়। এই দেশ ১৮ কোটি জনগণের দেশ। আমরা ৮ দল অনেকে বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছি। নির্বাচনে ৮ দলের একজন প্রার্থী থাকবে। তাকেই আমরা ভোট দেব।
একটি দলকে ‘চান্দা পার্টি’ উল্লেখ করে আগামী নির্বাচনে জনগণ বুলেটের জবাব ব্যালটে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান। তিনি বলেন, আল্লাহ ছাড় দেয়, ছেড়ে দেয় না, রাকসু নির্বাচন তার প্রমাণ। তিনবার গণভোট হয়েছে, একবারও নির্বাচনের দিন হয়নি। নির্বাচনের দিন গণভোটের নজির ইতিহাসে নেই। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, একইদিনে গণভোট ও নির্বাচন চ্যালেঞ্জের বিষয়। যারা আয়োজন করবেন তারা বুঝে গেছেন, কিন্তু বিএনপি বুঝে নি। জনগণ বুঝে গেছে কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার বুঝে নাই।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগকে চিনেছে, গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু তার গণহত্যার বৈধতা দেওয়া জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করা হয়নি। অবিলম্বে ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করুন।
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, ‘চান্দা পার্টি’ পোস্টার ছিঁড়ছে। তারা ৮ দলের নেতাদের পোস্টার ছিড়তে পারে, কিন্তু মানুষের মন থেকে মুছতে পারবে না। নির্বাচনী প্রচারণায় বুলেট ছুড়ে মারা হচ্ছে। জনগণ বুলেটের জবাব ব্যালটে দেবে। গণভোটে হ্যা ভোটের পক্ষ নিন, ৮ দলের প্রতীকে সিল মারুন।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট দিতে হবে। একইদিনে নির্বাচন ও গণভোট হতে পারে না। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ হয়ে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। খুনিদের বিচার করতে হবে। উভয়কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে।
সমাবেশে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি এডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, গণভোটে একটি দল ‘না’ এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। জনগণ ‘হ্যাঁ’ পক্ষে ভোট দিয়ে তাদেরকে না করে দেবে। সিদ্ধান্ত নিন জুলাই সনদের পক্ষ নিয়ে ‘হ্যাঁ’ কে জয়যুক্ত করুন। ইসলামের ব্যালট বাক্সে সকল ভোট পড়বে ইনশাআল্লাহ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম মেম্বার আশরাফ আলী আকন্দ বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চায়। মানুষ জেগে উঠেছে। চাঁদাবাজদের দেখতে চায় না। কার্যকর পার্লামেন্টে পরিণত করব। ঐক্য টিকিয়ে রাখতে হবে। এতে কেউ যাতে ফাটল ধরাতে না পারে। ইসলামী দলকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দেখতে চায়। সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়ব। দেশের পরিস্থিতি নাজুক। এখনো মিছিলে আন্দোলনে গুলি করে আহত করে, এটা আমরা বরদাস্ত করব না। জনগণের কাছে আমাদের যেতে হবে। কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল মাজেদ আতহারি বলেন, রক্ত দিয়েছি, রক্ত আরও দেব তবু আগে গণভোট ও জুলাই সনদ কার্যকর করবো। তাছাড়া দেশে নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। নির্বাচনের আগেই গণভোট দিতে হবে, জুলাই সনদ কার্যকর করে তারপর নির্বাচন দিতে হবে। লড়াই করেছি একদিনের জন্য নয়, ৪৭ সাল থেকে। আবারও লড়াই করে আল্লাহর আইন কুরআনের শাসন অবশ্যই অবশ্যই কায়েম করবো ইনশাআল্লাহ।
রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহব্বায়ক ইমাজ উদ্দিন মন্ডল ও মুফতি ইমরানের যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি শেখ মো. নুরুন্নবী, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি শেখ মো. সালাউদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন, জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী মহানগরীর আমির ড. মাওলানা কেরামত আলী, নায়েবে আমির ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, রাকসুর ভিপি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন