

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্তকরণ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন মহানগরীর বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
মঙ্গলবার সকালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয় রাজশাহী নগর ভবনের গ্রেটার রোড থেকে। এরপর বর্ণালির মোড়, রাজীব চত্বর, ঐতিহ্য চত্বর, বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার, মেডিকেল জরুরি গেট, লক্ষ্মীপুর মোড়, সিএন্ডবি মোড়, ফায়ার সার্ভিস মোড়, সোনাদিঘী মোড়, গণকপাড়া মোড় পর্যন্ত রাস্তা-ফুটপাতে গড়ে ওঠা সব প্রকার অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীদের প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হয়। অভিযানকালে গণগ্রন্থাগার ও মেডিকেল জরুরি গেটের সামনে প্রায় ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে জব্দকৃত একটি জেনারেটর নগর ভবনে নিয়ে রাখা হয়।
উচ্ছেদ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও রাসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজ মিশু।
মন্তব্য করুন


আজ
৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার ২২ শ্রাবণ, বিশ্বকবি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে কলকাতার
জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
রবীন্দ্রনাথের
৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ
ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর পরে
প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান
গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনে
অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
রবীন্দ্রনাথের
প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত
রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র
রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি।
দেবেন্দ্রনাথ
ঠাকুর ও সারদা সুন্দরী
দেবীর ১৫ সন্তানের মধ্যে
রবীন্দ্রনাথ ছিলেন ১৪তম। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখে কলকাতার
জোড়াসাঁকোর ঐতিহ্যবাহী ঠাকুর পরিবারে তার জন্ম। বাংলার প্রকৃতি, নদী ও সাধারণ মানুষের
জীবনযাত্রা তাঁর সাহিত্যকর্মে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
তার
রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। সব মিলিয়েই রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বাঙালির
হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছেন।
প্রয়াণবার্ষিকী
উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে গীতিনাট্য ‘শ্যামা’ মঞ্চস্থ করবে জাতীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটি।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে ডে-কেয়ার সেন্টারের শিশুদের সঙ্গে আজ প্রাণোচ্ছ্বল
সময় কাটিয়েছেন।
আজ
মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সোয়া ১১টায় ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ করে
তিনি মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ডে-কেয়ার সেন্টার পরিদর্শনে
যান।
ডে-কেয়ার
সেন্টারজুড়ে তখন শিশুদের খেলনার টুংটাং শব্দ, কোথাও কচি কণ্ঠের হাসি আর আনন্দময় চিৎকার।
ছোট ছোট পায়ে দৌড়ঝাঁপে মুখর চার দেয়াল। এমন প্রাণচঞ্চল মুহূর্তেই সেখানে উপস্থিত হন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিরাপত্তার কড়া দেয়াল ভেঙে প্রধানমন্ত্রী ১৮ মিনিট সময়
কাটান শিশুদের সঙ্গে। এ সময় তিনি যেন ফিরে গেলেন সেই নির্ভার শৈশবে। প্রধানমন্ত্রীকে
কাছে পেয়ে ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা আনন্দে বিভোর হয়ে ওঠে।
প্রবেশের
পরপরই শিশুদের সঙ্গে মিশে যান সরকার প্রধান তারেক রহমান। মুহূর্তেই তাকে ঘিরে ধরেন
ছোট্ট শিশুরা। কেউ হাত বাড়িয়ে করমর্দন করে, কেউ টেনে নিয়ে যায় খেলনার কাছে। কয়েকজন
নিজেদের হাতে আঁকা ছবি দেখাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রীও মন দিয়ে সেসব দেখেন,
মুগ্ধ হাসিতে প্রশংসা করেন। কখনও আলতো করে হাত বুলিয়ে দেন শিশুদের মাথায়, কখনও তাদের
কথায় হেসে ওঠেন প্রাণ খুলে।
এ
সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে ঘিরে থাকা ছোট্ট শিশুদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন। শিশুদের বিভিন্ন
রকমের চকলেট, টফি ও ললিপপ নিজ হাতে দিয়েছেন। দিয়েছেন গিফট ব্যাগও। চকলেট-টফি দিতে দিতে
শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর কেউ কি বাকি আছে? পেয়েছো তোমরা সবাই?
প্রধানমন্ত্রী
আরও বলেন, ‘আজকে কার জন্মদিন বলো তো? একেক জনকে বলতে শোনা যায়, আংকেল আমার, আংকেল আমার।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। আসো আমরা এক সঙ্গে কেক কাটি।’
শিশুদের নিয়ে হাতে হাতে রেখে কেক কাটেন সরকার প্রধান। এ সময়ে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে
পুরো কক্ষ। ‘শিশুরা আনন্দে বলছিলো হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি বার্থ ডে।’
এর মধ্যে একজন শিশু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মুখে তুলে কেক খাইয়ে দেয়।
প্রধানমন্ত্রীকে
কাছে পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন ছোট্ট শিশু আরিবা। সে বলে, ‘প্রধানমন্ত্রী আংকেলকে
দেখে আমি যে কী খুশি বলতে পারছি না। আংকেলের সঙ্গে মজা করে কেক খেয়েছি। আংকেলও কেক
খেয়েছেন। কি মজা কি মজা। আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট।’
টেবিলে
রাখা পুতুল আর চকলেট, ললিপপ দেখিয়ে দিয়ে আরিবা বলে, এই যে আংকেল আমাদের গিফটও দিয়েছেন।
ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না এখানে শিশুদের কিভাবে যত্ন নেওয়া
হয় তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী
ওই সময়ে জানতে চান, শিশুদের কি কি খাবার দেওয়া হয়। ওদের মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে
কি না তা খেয়াল রাখতে বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর
সঙ্গে থাকা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, মহিলা
ও শিশু মন্ত্রণালয় এইসব শিশু দিবাযন্ত্র কেন্দ্র পরিচালনা করে। ঢাকাসহ সারাদেশে এ ধরনের
ডে-কেয়ার সেন্টার রয়েছে ২০টি। তিনি আরও জানান, চার থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুরা এই কেন্দ্রে
সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। এই কেন্দ্রে শিশুরা সংখ্যায় ৬০ জন। আজ উপস্থিত ৫৫ জন।
প্রধানমন্ত্রী
ডে কেয়ার সেন্টারটিতে আনন্দঘন অবস্থান শেষে
হাত নেড়ে ‘টা-টা’ দিয়ে শিশুদের কাছ থেকে বিদায় নেন।
প্রধানমন্ত্রী
যখন বের হয়ে আসছিলেন তখন শিশুরা হাত নেড়ে, সালাম দিয়ে বিদায় জানান। শিশুদের নিষ্পাপ
হাসি আর ভালোবাসার ভেতর প্রধানমন্ত্রী যেন কিছুক্ষণের জন্য ভুলে গিয়েছিলেন দায়িত্বের
কঠিন বাস্তবতা। সেন্টারটি পরিদর্শনের সময়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ছাড়াও ভূমি প্রতিমন্ত্রী
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সোমবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর কাটাসুর এলাকার একটি বাসার বাথরুমে পানিভর্তি বালতিতে পড়ে ১ বছরের শিশুর মুত্যু হয়েছে।
শিশুটির নাম হুমাইশা।
শিশুটির মা ঘটনার সময় রান্নাঘরে ছিলেন।
সোমবার (২১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় এ ঘটনা ঘটে কাটাসুরের ৫/১ নম্বর ৬ তলা নিজেদের বাড়ির ৩ তলার বাসায়।
শিশুটির নানি ইয়াসমিন বেগম জানায়, শিশুটির মা আসমা ইসলাম শিমু ও শিশুটির ৯ বছর বয়সী ভাই বিকেলে বাসায় ছিল। ঘটনার আগ মুহূর্তে মা রান্না করছিলেন আর ভাই রুমে ছিল। কিছুক্ষণ পর হুমাইশাকে রুমের কোথাও দেখতে না পেয়ে বাথরুমে গিয়ে দেখেন, পানি ভরা বালতিতে উপুর হয়ে পড়ে আছে।
স্বজনরা জানান, সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে তুলে স্থানীয় আল-মানারাত হাসপাতালে নেওয়া হয় শিশু হুমাইশাকে। তবে অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে চিকিৎসক ইসিজি করে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিশুটির বাবার রতন মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে রতন মোটরস নামে একটি দোকান রয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শিশুটির মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার একতারপুর গ্রাম থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে গ্রেফতার করা হয় তাকে।
গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসী একতারপুর গ্রামের মৃত রেজাউল ইসলামের ছেলে রাজন বিশ্বাস (২৮)।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু আজিফ বলেন, কালীগঞ্জ উপজেলার একতারপুর গ্রামের এক নারী রাজনের নামে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে পুলিশ ওই গ্রামে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করে।
এসময় তার দেহ তল্লাশি করে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন ও ২ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়। তার নামে থানায় নাশকতা, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু আজিফ বলেন, গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় জিসান (১৭) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদী পৌরসভার দাইরাদী এলাকায়।
নিহত জিসান সদাসদী গ্রামের বাসিন্দা ও গোপালদী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হক সাবেরের ছেলে।
জানা যায়, জিসান এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল গোপালদী পৌরসভার সদাসদী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। ঘটনার দিন স্কুলের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান ছিল। স্কুলের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান শেষে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে দাইরাদী এলাকায় একটি অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয় জিসান। তাৎক্ষণিকভাবে জিসানকে উদ্ধার করে আড়াইহাজার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে অবস্থা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা পাঠানো হয়। ঢাকা নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন, আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান উল্লাহ।
মন্তব্য করুন


জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার ১৫০ জন গ্রাহকের অভিযোগ নিষ্পত্তি করে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি ১৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছে।
রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে এ টাকা ফেরত দেওয়া হয়, রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এ সফিকুজ্জামান, পরিচালক (কার্যক্রম ও গবেষণাগার) ফকির মুহাম্মদ মুনাওয়ার হোসেন, কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ও ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী পরিচালক (সিইও) মো. রাসেল।
মন্তব্য করুন


প্রতি বছরের ন্যায় এবারো মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষার টান দুই বাংলার ভাষাপ্রেমীদের মিলনমেলা বসে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকায়।
বুধবার সকালে এ মেলার আয়োজন করা হয়। এসময় দু'দেশের শতশত ভাষাপ্রেমী মানুষ বিজিবি ও বিএসএফের বাধার মুখে প্রবেশ করতে পারেনি।
বেনাপোল চেকপাস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ডে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে সকাল সাড়ে ১১টায় ভারত ও বাংলাদশ ভাষাপ্রমী শতশত মানুষ ফুল দিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
দু'দেশের পক্ষ নেতৃত্ব দেন পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলের এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী ও যশোর-১ আসনর সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন।
ভারতের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলর এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী, শ্রী বীনা মন্ডল সভপতি উত্তর ২৪ পরগঁনা জেলা পরিষদ, সাবেক এমপি মমতা ঠাকুর, শ্রীমতি ইলাবাচী সভাপতি গাইঘাটা পঞ্চায়ত সমিতি, শ্রী সুরজীত বিশ্বাস সাবেক বিধায়ক, শ্রী বিশ্বজিত দাস সাবেক সাংসদ, হাবড়া পৌর মেয়র শ্রী নারায়ন সাহা।
বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান, যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযাদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশী, শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ফারজানা ইসলাম, বেনাপোল পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন, অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, বেনাপাল পোর্ট থানার ওসি শ্রী সুমন ভক্ত, ইমিগ্রেশন ওসি কামরুজ্জামান বিশ্বাস, শার্শা থানার ওসি মনিরুজ্জামান, শার্শা উপজেলা বীর মুক্তিযাদ্ধা কামান্ডার মাজাফ্ফর হোসেন, বিজিবির আইসিপি ক্যাম্পর কামান্ডার মিজানুর রহমান, যুবলীগের সভাপতি অহেদুজ্জামান অহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাহরাব হোসেন।
এছাড়াও সর্বস্তরের জনগণ এতে অংশ নেন।
এরপর দুই দেশের জনগণের জন্য উভয় দেশ থেকে মিষ্টি পাঠানা হয়।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে
ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ঢাকায় নিযুক্ত চীনের
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ
বুধবার জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল
মঙ্গলবার ঢাকায় চায়না দূতাবাসে এ সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত আন্তরিকতা
ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
এ
সময় রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ দেশের সার্বিক বিষয় নিয়ে তারা আলোচনা করেন।
মতবিনিময়কালে
তারা আশা প্রকাশ করেন, সামনের দিনগুলোতে দুই দেশের জনগণ ও সরকারের সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে
কাজ করার সুযোগ রয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতে এ ধরনের পারস্পরিক সংলাপ দুই দেশের স্বার্থে
অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
ভবিষ্যতে
বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা আরও জোরদার
হবে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান বলেছেন, শহীদ জেহাদের আত্মত্যাগের প্রেরণাকে বুকে ধারণ করেই দেশী-বিদেশী অপশক্তির চক্রান্ত প্রতিহত, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র পূণরুদ্ধার করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) শহীদ জেহাদ দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের ধারা বহমান রাখতে হলে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অপরিহার্য শর্ত হলো নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার। গণতন্ত্র মানে শুধুমাত্র নির্বাচন নয়, গণতন্ত্র মানে মানুষের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।’
নাজির উদ্দিন জেহাদ ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর স্বৈরাচার
বিরোধী গণআন্দোলনে ঢাকার পল্টনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। তার রক্ত স্রোতের ধারা বেয়েই সে বছর সংঘটিত
হয় গণঅভ্যুত্থান, পতন হয় স্বৈরশাসক এরশাদের।
বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, শহীদ জেহাদ দিবস উপলক্ষে আমি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদ ৯০’র স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে একটি অবিস্মরণীয় নাম। রক্তমাখা ওই আন্দোলন ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্র, মত প্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পূণঃপ্রতিষ্ঠার। নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে গিয়ে শহীদ জেহাদ পুলিশের গুলি নিজের বুকে বরণ করে নেন। শাহাদাত বরণ করেন এই অকুতোভয় ছাত্রনেতা। তার রক্ত স্রোতের ধারা বেয়েই সে বছর সংঘটিত হয় গণঅভ্যুত্থান, পতন হয় স্বৈরশাসক এরশাদের। গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল স্বৈরশাসক এরশাদ। গণতন্ত্রকে পূনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড় করানোর দৃঢ়-প্রত্যয় নিয়েই জেহাদ নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আমরা তার সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে না পারলে তার আত্মা কষ্ট পাবে।
মন্তব্য করুন


আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের
কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯
মে) টোকিওতে বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’
শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন,
জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।
এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু
কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন।
প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি)
ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ;
দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট
কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ
(জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক।
তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ,
যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।
তিনি বলেন, ‘সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।
শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার
প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, ‘অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে
এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা
লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন যে প্রায়
১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের
সহায়তার গল্প বলেছিলেন।
তিনি বলেন, আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি
সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আমরা এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত
জানাতে প্রস্তুত।
ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান,
বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০
শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির
বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার
কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে
বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।
জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী
নিকি হিরোবুমি বলেন, জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা
প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।’
স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী
বলেন,
২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ
পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে।
মন্তব্য করুন