

৪৬তম
বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ৯ মার্চ (শনিবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত
অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার
(১৮ জানুয়ারি) পিএসসি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পরীক্ষা
নিয়ন্ত্রক আনন্দ কুমার বিশ্বাসের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৩
এর প্রিলিমিনারি যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক আগামী ৯ মার্চ (শনিবার) সকাল ১০টা
থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও
ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাসমূহ যথাসময়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে
এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
৪৬তম
বিসিএসে মোট পদ ৩ হাজার ১৪০টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে।
এর পরপরই সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে।
২৩
সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে ৪৬তম বিসিএসের আবেদন শুরু হয়। এ বিসিএসে ৩ লাখ ৩৮ হাজার আবেদন
জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


ডিসেম্বরের
রাত আবারও আলোকিত হতে চলেছে। নাসার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জেমিনিডস উল্কাপাত ১৩
ও ১৪ ডিসেম্বর রাতের আকাশে সর্বোচ্চ তীব্রতায় দেখা যাবে। অন্ধকার স্থানে প্রতি ঘণ্টায়
প্রায় ১২০টি উল্কা ছুটে যেতে পারে। এই উল্কাগুলির উৎস হলো গ্রহাণু ৩২০০ ফেইথন।
এ
সময় আকাশে বৃহস্পতি এবং চাঁদ পাশাপাশি অবস্থান করবে, যা রাতের আকাশকে আরও মনোমুগ্ধকর
করে তুলবে। উল্কাবৃষ্টি দেখতে শহরের আলো দূষণ থেকে দূরে গ্রামাঞ্চল, উঁচু স্থান বা
খোলা মাঠে যাওয়া সবচেয়ে ভালো।
শীতে
উল্কাপাত বেশি দেখা যাওয়ার কারণ শীতের রাত সাধারণত দীর্ঘ, স্বচ্ছ ও নির্মল হয়। এই
সময় পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে এমন কয়েকটি ধূলিকণা এবং বরফকণার মধ্য দিয়ে
যায়, যা মূলত ধূমকেতু বা গ্রহাণুর ভেঙে যাওয়া অংশ। যখন এই কণা বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ
করে, তখন দ্রুতগতিতে জ্বলে উঠতে থাকে এবং তৈরি হয় উল্কাপাত। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
পর্যন্ত পৃথিবী বিভিন্ন ধূলিকণার পথে প্রবেশ করে, তাই শীতকালকে উল্কাবৃষ্টি দেখার সেরা
সময় বলা হয়।
শহরের
আলো দূষণ থেকে দূরে খোলা স্থান নির্বাচন করুন, কোনো দূরবীন বা যন্ত্রের প্রয়োজন নেই,
খালি চোখেই উল্কা দেখা যাবে, চোখকে অন্ধকারে অভ্যস্ত করতে ১৫–২০
মিনিট সময় দিন, রাতের শীত বিবেচনা করে চাদর বা গরম কাপড় সঙ্গে রাখুন
শীতের
নির্মল আকাশে জেমিনিডস উল্কাবৃষ্টি প্রতিবছরই এক জাদুকরী অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে। তাই ১৩
ও ১৪ ডিসেম্বর রাতের আকাশে তাকাতে ভুলবেন না—হয়তো আপনার চোখের সামনে দিয়ে ছুটে
যাবে শত শত উল্কা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর রাজনৈতিক আবহ এখন যেন কেবলই এক অনুভূতিতে সিক্ত—সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা। গত কয়েকদিন ধরে কান্দিরপাড় থেকে বিভিন্ন মাদ্রাসা, দলীয় কার্যালয় থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষের ঘর—সব জায়গায় প্রতিফলিত হচ্ছে এক স্বতঃস্ফূর্ত প্রার্থনার ধ্বনি। আর এই নিরন্তর দোয়ার আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কুমিল্লা–৬ আসনের প্রভাবশালী নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, বরং ধর্মপ্রাণ এক মানুষ হিসেবে তার এই দোয়ার ধারাবাহিক প্রয়াস যেন কুমিল্লার বহু মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ছিল এই কর্মসূচির টানা ৬ষ্ঠ দিন। দুপুরের পর এতিম ও দুস্থ শিশুদের জন্য খাবার বিতরণ করা হয়। এরপর বিকেলে কান্দিরপাড়স্থ বিএনপি কার্যালয়ের ভেতর জমকালো কোনো আয়োজন নয়—সরল কিন্তু গভীর এক ধর্মীয় পরিবেশ। ছোট্ট জায়গার ভেতরে মানুষের কণ্ঠে কোরআন তিলাওয়াত এবং পরে সম্মিলিত দোয়া—“হে আল্লাহ… আমাদের নেত্রীকে সুস্থতা দান করো…”
এই দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এসএ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, জেলা যুবদলের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রুমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য–সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, যুগ্ম-আহবায়ক সালমান সাইদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য–সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক সাজ্জাদ হোসেন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমানসহ অঙ্গ–সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
দোয়ার অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাজী ইয়াছিনের এই ধারাবাহিক দোয়ার আয়োজন কেবল রাজনৈতিক আনুগত্য প্রকাশ নয়—এটি একজন মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। হাজী ইয়াছিনের এই ব্যাকুলতা নিছক আনুষ্ঠানিক আহবান নয়—এটি হৃদয়ের তাগিদ থেকে উৎসারিত। তিনি নিজের ব্যক্তিগত সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করে যেভাবে এতিম শিশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করছেন এবং প্রতিদিন দোয়া–কোরআনখানি আয়োজন করছেন—তা আমাদের সকলের কাছে অনুপ্রেরণামূলক।
এদিকে বিকালে নগরীর কান্দিরপাড় কেন্দ্রিয় জামে মসজিদে কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদল, ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ মসজিদে জেলা ছাত্রদল এবং দলীয় কার্যালয়ে জেলা ও মহানগর যুবদল দেশনেত্রী বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়ার আয়োজন করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাংবাদিকদের সেকেন্ড হোম হিসেবে খ্যাত জাতীয় প্রেস ক্লাবের আজ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ বিশেষ দিনে ক্লাবের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দেশের সকল সাংবাদিকদের প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর ‘পূর্ব পাকিস্তান প্রেস ক্লাব’ হিসেবে যাত্রা শুরু হয় দেশের শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠনটির। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রেস ক্লাব সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের সহায়তা, সুস্থ সাংবাদিকতা, পারস্পরিক সম্পর্কের বিকাশ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
প্রথমে ১৮ তোপখানা রোডে মাসিক ১০০ টাকায় ভাড়া নেয়া ভবনে ক্লাবের কার্যক্রম শুরু হয়। ভবনটি একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবন ছিল, যেখানে বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু বসবাস করতেন। ক্লাবের প্রথম সভাপতি ছিলেন মুজিবুর রহমান খাঁ এবং প্রথম আজীবন সদস্য ছিলেন এন. এম. খান।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর সময় ক্লাব ভবনটি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত সভায় ক্লাবের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘জাতীয় প্রেস ক্লাব’। ১৯৫৫ সালে গৃহীত হয় প্রেস ক্লাবের লোগো।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত হয় ১৯৭৭ সালে, যখন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ক্লাবের জন্য বর্তমান স্থানের জমি বরাদ্দ দেন এবং সরকারের অর্থায়নে নতুন ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করেন।
১৯৭৬ সালে সাংবাদিকদের দাবিতে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রেস ক্লাবকে সরকারি তহবিল থেকে ভবন নির্মাণে সহায়তা করার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “প্রেস ক্লাব একটি জাতীয় ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, এর উন্নয়ন মানে গণতন্ত্রের উন্নয়ন ও সাংবাদিকতার প্রসার।” তার নির্দেশনায় সরকার ক্লাবের বর্তমান ভবন নির্মাণ করে, যা আজও সাংবাদিক সমাজের ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
পরবর্তীতে ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রেস ক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ক্লাবের জমি ৯৯ বছরের জন্য স্থায়ী লিজ হিসেবে ঘোষণা দেন। বর্তমানে ক্লাবের মোট জমির পরিমাণ প্রায় দুই একর।
প্রেস ক্লাব শুধু সাংবাদিকদের সংগঠন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনেরও সাক্ষী। বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে এই ক্লাব পরিণত হয়েছিল ‘গণতন্ত্র স্কয়ারে’।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ শুভক্ষণে সাংবাদিকরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশের গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রায় যাদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি ক্লাবের হারানো ঐতিহ্য ও গৌরব পুনরুদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে— যেন জাতীয় প্রেস ক্লাব সবসময় সাংবাদিকতার পেশাদারিত্ব, স্বাধীনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতীক হয়ে থাকে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে কৃষিঋণ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিতে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। এতে অর্থ, বাণিজ্য, স্থানীয় সরকার, আইনসহ সব মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা অংশ নেন। সংক্ষিপ্ত এই বৈঠকে কৃষিঋণ সংক্রান্ত একটিমাত্র এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। তিনি জানান, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতের কৃষকেরা এ সুবিধা পাবেন। এ সিদ্ধান্তের ফলে মওকুফ হবে মোট ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। এতে প্রায় ১২ লাখ কৃষক সুফল পাবেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ নেওয়ার পর যত সুদই হোক, সুদ-আসলসহ পুরোটা মওকুফ হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এই হারে কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করা। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা ঋণের দায় থেকে মুক্ত হতে পারবেন, যা তাঁদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
নাসিমুল গনি আরও বলেন, ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের ব্যয় হতো, সেই অর্থ তাঁরা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচপ্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। মাথার ওপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে সক্ষম হবেন। এ ছাড়া এই মওকুফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড বা ঋণমান ভালো হবে। ফলে তাঁরা ব্যাংক থেকে আবার স্বল্প সুদে কৃষিঋণ গ্রহণ করতে পারবেন, যা তাঁদের স্থানীয় মহাজনি ঋণের উচ্চ সুদের হাত থেকে রক্ষা করবে।
মন্তব্য করুন


রোজার মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে বুড়িচং থানার ওসি মহোদয় এবং থানা পুলিশ সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে নিমসার বাজারে বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার হওয়া এ অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহিদা আক্তার লেবু, শসা, কাঁচা মরিচ,ধনে পাতা, আলু, পেঁয়াজ প্রভৃতি পণ্যের দাম যাচাই করেন। কাঁচাবাজার এর
পাশাপাশি দোকানগুলোতেও রশিদ এর মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, লেবু ২০-৬০ টাকা হালি, কাচা মরিচ ২৬ টাকা, শশা ৩০ টাকা, খিরা ১২-১৫ টাকা , টমেটো ৫-৮ টাকা , আলু ১৬-১৮ টাকা, লাউ ১৮-২০ প্রতি পিস, পেঁয়াজ দেশি (মেহেরপুর) ১৮-২০ টাকা, পেয়াজ দেশি (পাবনা,নওগা) ২৫-৩০ টাকা, ডিম হালি ৩৩-৩৪ টাকা, চিচিংগা ১৫ টাকা, গাজর ১৫-২০ টাকা, বেগুন ৬০-৬৫/- (উন্নতমানের বড় সাইজ), চিকন বেগুন ৩০-৩৫ টাকা এবং সিম ২০-২৫ টাকা প্রতি কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।
তবে অভিযান পরিচালনাকালীন সময়ে এটাও বলে দেওয়া হয় যে ভবিষ্যতে কোনো প্রকার অনিয়ম বা মূল্য কারসাজি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
দুপুরে কুমিল্লা নগরের ধর্মসাগরপাড়ের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন কুমিল্লা-৬( আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লাা সেনানিবাস এলাকা) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। আজ সোমবার বিকেল পাঁচটার আগেই তাঁর প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসানের দপ্তরে গিয়ে সেটি অনুমোদন করিয়ে নেন। এর ফলে ইয়াছিন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের (ইয়াছিন) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।প্রত্যাহারপত্রে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন উল্লেখ করেন, আমি মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে একজন বৈধ সংসদ সদস্য প্রার্থী। আমি বর্তমানে অনিবার্য ও ব্যক্তিগত কারণে আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে চাই। এমতাবস্থায় নির্বাচন কমিশনের বিধি ও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে স্বেচ্ছায় আসন ২৫৪ কুমিল্লা-৬ নির্বাচনী এলাকা থেকে আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। উপরোক্ত বিষয় বিবেচনা কওে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদনটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সহযোগিতা কামনা করছি।
এর আগে আজ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিনসহ কেন্দ্রীয় , জেলা ও মহানগরের নেতাকর্মীদের সামনে নির্বাচন থেকে সওে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। তখন বলেছিলেন তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
মন্তব্য করুন


৫ আগস্টের পর গিরগিটির মতো ভুয়া সমন্বয়ক
তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক
মো: সারজিস আলম।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার
দিকে মাদারীপুর পৌরসভার হলরুমে মাদারীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের
সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক মো: সারজিস আলম বলেছেন, এসব
ভুয়া সমন্বয়কদের আলাদা করতে হবে। তাদের মধ্যে সুবিধাবাদী চরিত্রটা পূর্বেও ছিল এখনও
আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এদেরকে আলাদা করা না হলে সমন্বয়কের নাম ভাঙিয়ে আমাদের ইমেজকে
খেয়ে ফেলবে। দেশের অনেকে জেলায় এমনটা হচ্ছে।
ভুয়া সমন্বয়কদের হুঁশিয়ারি দিয়ে মো:
সারজিস আলম বলেন, ছাত্রদের মধ্যে কেউ যদি ভবিষ্যতে ফ্যাস্টিস হওয়ার চিন্তা করেন কিংবা
ক্ষমতার অপব্যবহার করার চেষ্টা করেন, তাদেরকে বহিষ্কার করে আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হবে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্ররা কেউ আলাদা হবেন না। সবাই একত্রে থাকবেন।
তা না হলে পরিণতি খারাপের দিকে যাবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, দেশে কোনো পাতানো নির্বাচন
হবে না এবং রাজপথে নামারও দরকার হবে না।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৮ জানুয়ারি ) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন
(ইসি) ভবনে আপিল দায়ের কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ
কথা বলেন।
মনোনয়নপত্র
বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে সর্বোচ্চ
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে নির্বাচন কমিশন। রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনো মনোনয়নপত্র গ্রহণ
বা বাতিল করলে, উভয় ক্ষেত্রেই সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন,
‘আমরা ইনসাফে বিশ্বাসী। আমরা ইনসাফ করব। শুনানি শেষে আপনারা দেখবেন, আইন ও বিধিবিধান
অনুযায়ী ন্যায়বিচার করা হয়েছে। আইন সবার জন্য সমান এবং সবাই তা মানতে বাধ্য।’
এক
প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, অতীতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন সহিংসতা ও বোমাবাজির ঘটনা
ঘটত। কিন্তু এবার অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো সহিংসতার
খবর পাওয়া যায়নি। এটি একটি ভালো দিক। তিনি আরও জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের
বিরুদ্ধে আপিলে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
নির্বাচন
কমিশন এখন মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘দূর-দূরান্ত
থেকে মানুষ আপিল করতে আসছেন। এতে প্রমাণ হয়, নির্বাচনের প্রতি মানুষের আগ্রহ রয়েছে।
আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছি।’এদিকে, মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের
আদেশের বিরুদ্ধে আজ চতুর্থ দিনের মতো নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের শুরু হয়েছে। ইসির
কর্মকর্তারা জানান, গত বুধবার নির্বাচন কমিশনে ১৩১টি আপিল দায়ের করা হয়। এতে গত তিন
দিনে মোট আপিলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯৫টি।
ইসির
কর্মকর্তারা আরও জানান, বুধবার দায়ের করা আপিলগুলোর মধ্যে খুলনা অঞ্চলে ১১টি, রাজশাহী
অঞ্চলে ১৫টি, রংপুর অঞ্চলে ৯টি, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১০টি, কুমিল্লা অঞ্চলে ১৯টি, ঢাকা
অঞ্চলে ৩১টি, ময়মনসিংহ অঞ্চলে ১৬টি, বরিশাল অঞ্চলে ৯টি এবং ফরিদপুর অঞ্চলের জেলাগুলো
থেকে ৭টি আপিল দায়ের করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনে ১২২টি আপিল দায়ের করা হয়।
সোমবার প্রথম দিনে মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে ৪১টি এবং মনোনয়নপত্র গ্রহণের
বিরুদ্ধে একটি আপিল দায়ের করা হয়।
ইসি
সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে জমা পড়া
মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা
১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। ইসির
নোটিশ অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার আদেশে সংক্ষুব্ধ কোনো প্রার্থী বা ব্যাংক বা আর্থিক
প্রতিষ্ঠান কিংবা সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি বিকেল
৫টার মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবর আপিল করতে পারবেন। আপিলের ক্ষেত্রে মূল কাগজের ১ সেট
ও ৬ সেট ফটোকপি মেমোরেন্ডাম আকারে জমা দিতে হবে।
নির্বাচন
কমিশনে দায়ের করা আপিলগুলোর শুনানি আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিদিন সকাল
১০টা থেকে নির্বাচন ভবনের বেইজমেন্ট-২ এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে পারে। ফুল কমিশন
এ শুনানি গ্রহণ করবেন।
ইসির
তথ্য অনুযায়ী, ১০ জানুয়ারি ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিলের শুনানি শুরু হবে। ১১ জানুয়ারি ৭১
থেকে ১৪০, ১২ জানুয়ারি ১৪১ থেকে ২১০, ১৩ জানুয়ারি ২১১ থেকে ২৮০, ১৪ জানুয়ারি ২৮১ থেকে
৩৫০, ১৫ জানুয়ারি ৩৫১ থেকে ৪২০, ১৬ জানুয়ারি ৪২১ থেকে ৪৯০, ১৭ জানুয়ারি ৪৯১ থেকে ৫৬০
এবং ১৮ জানুয়ারি ৫৬১ নম্বর থেকে অবশিষ্ট আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
শুনানি
শেষে আপিলের ফলাফল মনিটরে দেখানো হবে। একই সঙ্গে রায়ের পিডিএফ কপি ও আপিলের সিদ্ধান্ত
রিটার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের ই-মেইল ঠিকানায় পাঠানো হবে এবং নির্বাচন কমিশনের
ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এছাড়া নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচন ভবনের অভ্যর্থনা
ডেস্ক থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে রায়ের অনুলিপি বিতরণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে বড় চমক হয়ে এসেছেন কুমিল্লার জনপ্রিয় গায়ক আসিফ আকবর। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে প্রার্থী ছিলেন দুইজন-আসিফ আকবর এবং মীর হেলাল উদ্দিন। আজ বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন, দুপুর ১২টার আগে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন মীর হেলাল। ফলে একক প্রার্থী হয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হচ্ছেন আসিফ আকবর।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন ৬ অক্টোবর। তার আগে আজ বুধবার (০১ অক্টোবর) ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এই সময়ের মধ্যে তামিম ইকবালসহ ১৬ পরিচালক প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
এদিকে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে বড় চমক ছিলেন তামিম ইকবাল। শুধু তামিমই নয়, আরও একাধিক প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন বিসিবি নির্বাচন থেকে। ক্যাটাগরি-২ থেকে তামিম ইকবাল ছাড়াও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন সাইদ ইবরাহিম, ইসরাফিল খসরু, রফিকুল ইসলাম বাবু, বোরহানুল পাপ্পু, মাসুদুজ্জামান, আসিফ রব্বানি, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ও সাব্বির আহমেদ রুবেল। ক্যাটাগরি-১ থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন মির হেলাল। আর ক্যাটাগরি-৩ থেকে সিরাজ উদ্দিন আলমগীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
প্রত্যাহার লিস্ট : তামিম ইকবাল (ওল্ডডিওএইচএস); রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা ক্রীড়াচক্র); মাসুদুজ্জামান (মোহামেডান); সাঈদ ইব্রাহীম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স); মির হেলাল (চট্টগাম জেলা); সৈয়দ বুরহান হোসেন পাপ্পু (তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমি); ইসরাফিল খশরু (এক্সিউম ক্রিকেটার্স); সাব্বির আহমেদ রুবেল (প্রগতি সেবা সংঘ); তৌহিদ তারেক (পাবনা); অসিফ রাব্বানী (শাইনপুকুর); সিরাজ উদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর (ক্যাটাগরি-৩); ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং); ফাহিম সিনহা (সুর্যতরিণ); সাইফুল ইসলাম সপু (গুপিবাগ ফ্রেন্ডস); ওমর শরীফ মোহাম্মদ ইমরান (বাংলাদেশ বয়েজ)
মন্তব্য করুন


লালমনিরহাটের
পাটগ্রাম উপজেলায় সীমান্তের শূন্য লাইন অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করায়
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক সদস্যকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
(বিজিবি)।
আজ
রোববার (২১ ডিসেম্বর) ভোরে ৫১ বিজিবি রংপুর ব্যাটালিয়নের আওতাধীন পাটগ্রাম উপজেলার
আঙ্গরপোতা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
বিজিবি
জানায়, সীমান্ত পিলার ডিএএমপি ১/৭ এস-এর নিকটবর্তী ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় ভারতীয় গরু ধাওয়া
করার সময় ১৭৪/অর্জুন বিএসএফ ক্যাম্পের কনস্টেবল বেদ প্রকাশ শূন্য লাইন অতিক্রম করে
প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় আঙ্গরপোতা বিওপির দায়িত্বে থাকা
বিজিবির একটি টহল দল তাকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসে। পরে তল্লাশি চালিয়ে আটককৃত বিএসএফ
সদস্যের কাছ থেকে একটি শর্টগান, দুই রাউন্ড গুলি, একটি ওয়্যারলেস সেট এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড
মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি
আরও জানায়, ঘটনাটি নিয়ে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ চলছে। আটক বিএসএফ
সদস্যকে কেন্দ্র করে পরবর্তী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন