

জরুরি মেরামত কাজের জন্য শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ডেমরা-সিদ্ধিরগঞ্জ-গোদনাইল ভালভ স্টেশনগামী ১০ ইঞ্চি, ১২ ইঞ্চি ও ১৪ ইঞ্চি প্রধান বিতরণ পাইপলাইনের কিছু অংশে জরুরি মেরামতের কাজ করা হবে।
এ কারণে শুক্রবার রাত ১০টা থেকে পরদিন ভোর ৬টা পর্যন্ত, মোট ৮ ঘণ্টা নারায়ণগঞ্জ শহর, সিদ্ধিরগঞ্জ, মৌচাক, দেলপাড়া, পাগলা, ফতুল্লা, পঞ্চবটি, মুক্তারপুর ও মুন্সিগঞ্জ এলাকায় সব ধরনের গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এছাড়াও, এসব এলাকার আশপাশে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী আজ বৃহস্পতিবার। সারাদেশের ন্যায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার কুমিল্লা মহেশাঙ্গণসহ জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সকাল ৬টা ১০মিনিট থেকে সপ্তমীপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
চণ্ডী ও মন্ত্রপাঠের মধ্যদিয়ে পূজা, দেবীদর্শন, দেবীর পায়ে ভক্তদের অঞ্জলি প্রদান শেষে প্রসাদ গ্রহণের মতো আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। মণ্ডপে মণ্ডপে সকাল থেকেই ছিল পুণ্যার্থীদের ভিড়।
এ বছর কুমিল্লা মহানগরী সহ জেলায় ৭৯৪ টি পূজা মন্ডপে শারতীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।
এদিকে পূজাকে কেন্দ্র করে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে যাতে না পারে সেক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষ প্রতিটি পূজা মন্ডপে ব্যাপক নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


পিআর পদ্ধতিতে আগামী জাতীয়
নির্বাচন ও জুলাই সনদ ঘোষণাসহ পাঁচ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে বিক্ষোভ
মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরী।
আজ শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে মিছিল পূর্ব সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন, মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর একেএম এমদাদুল হক মামুন, মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারী মু. মাহবুবর রহমান।
মহানগরী জামায়াতের সহকারী
সেক্রেটারি মু. কামারুজ্জামান সোহেল এর পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা মহানগরী
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী,কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি হাফেজ মাজারুল
ইসলাম, মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী কাউন্সিলর মোশাররফ হোসাইন, এডভোকেট নাছির
আহম্মেদ মোল্লা,কুমিল্লা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী নাজমুল হাসান পঞ্চায়েত,সদর
দক্ষিণ উপজেলা জামায়াতে আমীর মু মিজানুর রহমান।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন,
মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য কাজী নজির আহম্মেদ, অধ্যাপক জাকির হোসেন, দেলোয়ার
হোসাইন সবুজ সহ অনেকে।
সমাবেশ শেষে বিশাল মিছিলটি কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়, লিবার্টি মোড়, মনোহরপুর,
রাজগঞ্জ, মোগলটুলি হয়ে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে
গিয়ে শেষ হয়।
কর্মসূচিতে দলের হাজারো
নেতাকর্মী অংশ নেন। এসময় এই মুহূর্তে দরকার পিআর আর সংস্কার, পিআর পদ্ধতির নির্বাচন,
দিতে হবে দিয়ে দাও, জামায়াত-শিবির জনতা, গড়ে তোলো একতা স্লোগান দিতে দেখা যায়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে
কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু
করতে হবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড
(সবার জন্য সমান সুযোগ) নিশ্চিত করতে হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা
ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম
নিষিদ্ধ করা দাবি জানান।
তিনি আগামী নির্বাচনে কুমিল্লা ৬ আসনে সদর -সদর দক্ষিণ উপজেলার সর্বস্তরের
জনগণকে ন্যায়ের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে নগরবাসীকে আহবান জানান।
মন্তব্য করুন


শরীফ প্রধান, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে, জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি ও চক্ষু হাসপাতাল কুমিল্লার পরিচালনায়, ফ্রেড হোলস ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বিনামূল্যে চক্ষুচিকিৎসা সেবা, লেন্স ছানি অপারেশন, চশমা প্রদান সচেতনাতা লিফলেট বিতরণ ও স্কুল আঙ্গিনায় গাছের চারা রোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুল মাঠে শুক্রুবার দিন ব্যাপী চলে এসব কার্যক্রম। চক্ষু সেবার এই মানবিক কার্যক্রমটির ১৪তম বছরের আসর বসলো এবার।
সেবাকার্যক্রমে বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট মাজেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও নির্বাহী পরিচালক এস এম মিজানের সঞ্চালনায়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কৃষি মন্ত্রনালয়ের সাবেক সচিব ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আনোয়ার ফারুক, উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতির সভাপতি এডভোকেট আ হ ম তাইফুর আলম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক আহমেদ। সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর সহনির্বাহী পরিচালক উজ্জল হোসেন রানা, প্রোগ্রাম সমন্বয়ক সাংবাদিক শরীফ প্রধান ও নাসির আহমেদ শিশু। এসময় সদস্য ময়নাল, বিল্লালসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলো।
উল্লেখ্য, দিনব্যাপী সেবা কার্যক্রমে দাউদকান্দি, চান্দিনা, মুরাদনগর, দেবিদ্বার, তিতাস ও কচুয়া উপজেলা থেকে আগত প্রায় ৬শতাধিক রুগীকে বিনামূল্য চক্ষু পরীক্ষা ও বিনামূল্যে ঔষধ প্রদান করা হয়। এছাড়াও প্রায় দেড় শতাধিক রুগীকে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন করানোর জন্য মনোনীত করা হয়।
মন্তব্য করুন


গেলো বছরের ন্যায় এবারও শত ব্যস্ততার মাঝেও একটু বিনোদনের উদ্দেশ্যে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে CDBA T-10 ক্রিকেট টূর্ণামেন্ট-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লা টিক্কাচরস্থ শেখ কামাল ক্রীড়া পল্লীতে অনুষ্ঠিত হয়।
ওই খেলায় ময়নামতি-১৬ কে হারিয়ে সিবিএ এডভোকেটস্ জিতলেন।
ওই খেলায় সিবিএ এডভোকেটস্ এর খেলোয়াড় এডভোকেট রানা মজুমদারকে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ ঘোষণা করেন কুমিল্লার সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন।
এ-সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ, সাবেক রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি কাজী আবদুল কাইয়ুম মিন্টু, ট্রেজারার এডভোকেট মোঃ নবেন্দু বিকাশ সর্বাধিকারী দোলন ও সাবেক আইটি সম্পাদক এডভোকেট এমএম মঈন এবং এডভোকেট বদিউল আলম সুজন প্রমুখ।
সিবিএ এডভোকেটস্ এর টিম ম্যানেজার হলেন- এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, প্রধান বির্বাচক এডভোকেট মোঃ ইলিয়াস মজুমদার, নির্বাচক এডভোকেট মোঃ মনিরুল ইসলাম ও এডভোকেট মোঃ আমজাদ হোসেন লিটন, হেড কোচ এডভোকেট মোঃ মহসিন ভূইয়া, সহ- হেড কোচ এডভোকেট মোঃ হারুনুর রশিদ সবুজ, ব্যাটিং কোচ এডভোকেট মোঃ নুরুদ্দীন মিয়াজি বুলবুল, বোলিং কোচ এডভোকেট মোঃ আতিকুর রহমান সুমন, ফিল্ডিং কোচ এডভোকেট মোঃ জুয়েল হোসেন, মিডিয়া ম্যানেজার এডভোকেট মোঃ তাপস চন্দ্র সরকার, মাইন্ড ট্রেইনার এডভোকেট শাহ্ আলম, সহঃ ব্যাটিং কোচ এডভোকেট আল নোমান সরকার ও সহঃ মিডিয়া কোচ এডভোকেট আবুল কাশেম এবং খেলোয়াড়েরা হলেন- এডভোকেট মোঃ মঈনুল আলম মনি, এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, এডভোকেট শওকত হাসান দিদার, এডভোকেট শাহাবুদ্দিন নাসেফ, এডভোকেট মোঃ মোবারক হোসেন, এডভোকেট মোঃ আবু হাসনাত মুন্সি পলাশ, এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, এডভোকেট মোঃ শেখ সাদী ভূইয়া, এডভোকেট মোঃ তাহের আলম নিপু, এডভোকেট মোঃ সোহেল আহাম্মদ, এডভোকেট মোঃ আলমগীর হোসাইন, এডভোকেট মোঃ মজিবুর রহমান (মুজিব), এডভোকেট মোঃ আরিফ হোসেন সৈকত, এডভোকেট রানা মজুমদার ও অধিনায়ক এডভোকেট মোঃ সালাহউদ্দিন মোমেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার
অভিযানে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ রোববার (২২ জুন) দুপুরে আদর্শ সদর
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উক্ত অভিযানে সালাউদ্দিন সুইটস এন্ড
হোটেল-এ পচা-বাসি (ফাংগাসযুক্ত) মিষ্টি বিক্রির অভিযোগে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা
হয়। কান্দিরপাড়ের ফারক ফল বিতানকে বেশি দামে পণ্য বিক্রি ও ভাউচার সংরক্ষণ না করায়
৩,০০০ টাকা জরিমানা এবং ধর্মসাগরের পিৎজা জোন (ভুতের বাড়ি) রেস্টুরেন্টকে অস্বাস্থ্যকর
পরিবেশে খাবার সংরক্ষণের জন্য ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: কাউছার মিয়া। অভিযানে সহযোগিতা
করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো: আবুল কালাম আজাদ, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং
কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টি'র (এনসিপি'র) কেন্দ্রীয় সদস্য সালাউদ্দিন জামিল সৌরভ বলেছেন, বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিভাগ সংখ্যা বৃদ্ধি একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এই প্রেক্ষাপটে কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই চলমান। দেশের পূর্বাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর হিসেবে কুমিল্লা একটি পূর্ণাঙ্গ বিভাগের মর্যাদা পাওয়ার উপযুক্ততা বহু আগে থেকেই অর্জন করেছে।
১. ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রশাসনিক গুরুত্ব:
কুমিল্লা দেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর আশপাশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও লাকসাম-নাঙ্গলকোট অঞ্চলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। এই অঞ্চলগুলো মিলে একটি স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক বলয় তৈরি করে, যা একটি আলাদা বিভাগের প্রাকৃতিক কাঠামো উপস্থাপন করে।
২. জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয়তা:
কুমিল্লা জেলা নিজেই বাংলাদেশের অন্যতম জনবহুল জেলা। কুমিল্লা অঞ্চল ও আশেপাশের জেলা মিলে জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটির কাছাকাছি। একটি বিভাগের মূল লক্ষ্য হলো প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো বড় বিভাগগুলোর তুলনায় এই অঞ্চলকে একটি আলাদা বিভাগে উন্নীত করলে জনগণের ওপর প্রশাসনিক চাপ কমবে এবং সেবা পৌঁছাবে আরও দ্রুত।
৩. অর্থনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
কুমিল্লা প্রাচীন কালে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছিল। ময়নামতি, শালবন বিহার, এবং অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এই জেলার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরে। কুমিল্লা শিল্প, কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়েও এগিয়ে রয়েছে। এখানকার ইপিজেড, রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্প এবং কৃষিপণ্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্য। একটি বিভাগীয় শহর হিসেবে কুমিল্লার অর্থনৈতিক সক্ষমতা আরও বাড়বে।
৪. শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এখানে। একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা হলে এই অঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি পাবে, উন্নয়ন প্রকল্প আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে।
৫. দূরত্ব ও প্রশাসনিক জটিলতা কমবে:
চট্টগ্রাম বিভাগের অংশ হিসেবে বর্তমানে কুমিল্লা অনেক প্রশাসনিক কাজে চট্টগ্রাম নির্ভরশীল। কিন্তু কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। ফলে সাধারণ মানুষকে বিভাগীয় কাজের জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিভাগ স্থাপন হলে এই জটিলতা দূর হবে।
৬. জনআকাঙ্ক্ষা ও দীর্ঘদিনের দাবি:
কুমিল্লাকে বিভাগ করার দাবি অনেক পুরনো এবং জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। এই দাবি শুধু রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক নয়, বরং এটি স্থানীয় মানুষের আত্মপরিচয়, মর্যাদা ও উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের এমন যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা করা অনুচিত।
মন্তব্য করুন


মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের দেশি-বিদেশি জাল নোট ও নকল অস্ত্র উদ্ধার করেছে র্যাব-৯। সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সম্মান এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এ ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া অফিসার) কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়- সম্মান এলাকার মোক্তাদির আলীর (৩৪) বাড়িতে বিপুল পরিমাণ জাল নোট ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুদ রয়েছে। খবরের ভিত্তিতে র্যাব-৯ এর সিপিসি-২ মৌলভীবাজার ও সদর কোম্পানি সিলেটের যৌথ দল রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিযান চালায়। অভিযানে মোক্তাদিরের ঘরের ওয়ারড্রব থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা মূল্যের দেশি ও ৬০ লাখ টাকা মূল্যের বিদেশি জাল নোট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া আসল সদৃশ ৫টি নকল বিদেশি পিস্তল ও ৮ রাউন্ড নকল গুলিও উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মোক্তাদির আলীকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
র্যাবের ভাষ্যমতে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোক্তাদির জানায়- গত ০৩ মাস ধরে বিভিন্ন সরবরাহকারীর কাছ থেকে অনলাইনের মাধ্যমে জাল টাকা ও নকল অস্ত্র কিনে আগ্রহী ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতো। ভিডিও কলের মাধ্যমে নকল অস্ত্র ও টাকা দেখিয়ে আসল বলে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতো। অনেক সময় নকল কুরিয়ার স্লিপ দেখিয়ে আগাম টাকা নিয়ে প্রতারণা করতেও সে জড়িত ছিলো। গ্রেপ্তারকৃত মোক্তাদিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে কুলাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাবের এই কর্মকর্তা। কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) ওমর ফারুক জানান, র্যাব উদ্ধারকৃত মালামাল জব্দ তালিকা তৈরি করে এজাহার দিচ্ছে। থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা:
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় সেনাবাহিনীর এর বিশেষ অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ কামাল হোসেন (৫৭) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ১৯ আগস্ট মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় তার কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৮টি ছুরি, ৫টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং ৩টি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে আদর্শ সদর উপজেলার সদর হাসপাতাল রোড এলাকায় রবিবার (১ জুন) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত একটি অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে “পদ্মা মেডিকেল সার্ভিসেস” নামক একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মূল্য তালিকার চেয়ে অধিকমূল্যে রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন টেস্টের ফি আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরদিকে “তাইফ মেডিকেল সার্ভিসেস”-এ সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রিএজেন্ট সংরক্ষণ না করা এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মানসম্মত সেবা প্রদান না করার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
সবমিলিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ২৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে সেবার মান বজায় রাখতে ও ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া।
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি সহযোগী দল।
মন্তব্য করুন


ইকবাল আনোয়ার মোস্তফা, প্রতিবেদক:
রাজনীতি ক্ষমতার প্রতিযোগিতা হলেও, কিছু মানুষ আছেন যাদের কাছে রাজনীতি মানে দায়িত্ব, সেবা ও মানবিকতা। কুমিল্লা বিএনপির পরিচিত মুখ হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এমনই একজন নেতা—যিনি দায়িত্বকে ক্ষমতা নয়, বরং ‘আমানত’ হিসেবে দেখেন। তাঁর কর্মীদের চোখে তিনি শুধু রাজনীতিক নন, একজন নীতিবান, মানবিক ও নিষ্ঠাবান পথপ্রদর্শক।
একজন দীর্ঘদিনের কর্মীর ভাষায়—
“আমি প্রায় ২২ বছর ধরে হাজী সাহেবকে কাছ থেকে দেখেছি। অনেক নেতা রাজনীতি করেন ব্যক্তিস্বার্থে, কিন্তু তিনি করেন মানুষের জন্য, দলের জন্য। তাঁর ভদ্রতা, সততা ও মানবিকতা আজও অনন্য।”
মানুষের পাশে, আন্দোলনের প্রথম সারিতে
১/১১-এর দুঃসময় থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত—প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে হাজী ইয়াছিন ছিলেন সামনে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও কুমিল্লা শহর বিএনপি (সিটি করপোরেশন হওয়ার আগে)–র প্রতিটি কর্মসূচিতে তাঁর সরাসরি নেতৃত্ব ছিল।
দলের কঠিন সময়ে মামলা, হামলা ও গ্রেফতারের ঝড়ে যখন অনেকেই পিছু হটেছিলেন, তখন হাজী ইয়াছিন দায়িত্ব নেন শতাধিক মামলার আইনি সহায়তার। কারাগারে থাকা নেতাকর্মীদের খরচ, চিকিৎসা ও পরিবারের দেখভাল—সবই করেছেন নিজের ব্যক্তিগত অর্থে, নীরবে ও অকৃত্রিমভাবে।
একজন কর্মীর ভাষায়,
“আমি দেখেছি, গভীর রাত পর্যন্ত তিনি মামলার কাগজে কাজ করছেন। কখনো কৃতিত্ব চাননি, বরং কৃতজ্ঞতা ভাগ করেছেন সবার সঙ্গে।”
ত্যাগী নেতৃত্বের প্রতীক
২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিএনপি'র হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচির প্রতিটি মাঠের দায়িত্ব পালন করেছেন হাজী ইয়াছিন। ৯২ দিনব্যাপী টানা অবরোধে তিনি ছিলেন রাজপথের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নাম।
নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখা, আইনি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া—এসব কাজ তিনি করলেও কখনো নেতৃত্বের কৃতিত্ব দাবি করেননি। তাঁর ত্যাগ ও সততা দলের ভেতরে অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে উঠেছে।
সততা ও ক্লিন ইমেজের ধারক
রাজনীতির অঙ্গনে নানা বিতর্ক, সুযোগসন্ধান ও বিভাজনের সময়েও হাজী ইয়াছিন নিজের অবস্থান অটুট রেখেছেন। দলের ভেতরে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম বা অনাচারের অভিযোগ কখনো শোনা যায়নি। তাঁর ক্লিন ইমেজই আজ তাঁকে কর্মীদের আস্থার প্রতীক করেছে।
কুমিল্লার উন্নয়নে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পরিকল্পনা
রাজনীতি ছাড়াও হাজী ইয়াছিনের রয়েছে উন্নয়ন ও মানবিক সমাজ গড়ার স্বপ্ন।
তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে রয়েছে—
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সম্প্রসারণ,
বিমানবন্দর চালু করা,
জলাবদ্ধতা নিরসন,
সরাসরি রেল সংযোগ ও
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
এগুলো তাঁর কাছে শুধু উন্নয়ন পরিকল্পনা নয়—মানুষের জীবনমান উন্নত করার অঙ্গীকার।
একজন সত্যিকারের অভিভাবক
দলের ভেতরে অনেক তরুণ কর্মী তাঁকে শুধু নেতা নয়, অভিভাবক হিসেবে দেখেন।
ঈদ-পূজা বা বিপদের সময় কর্মীদের গোপনে সহায়তা করা, অসুস্থ নেতাদের পাশে দাঁড়ানো, বা হতাশ কর্মীদের সাহস দেওয়া—এসবই তাঁকে মানুষের হৃদয়ে জায়গা দিয়েছে।
একজন কর্মীর কণ্ঠে স্পষ্ট অনুভূতি—
“তিনি শুধু নেতা নন, একজন পথপ্রদর্শক। তাঁর চশমার আড়ালে থাকা সেই শান্ত চোখ আমাদের প্রেরণা।”
শেষ কথা
কুমিল্লা-০৬ আসনে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে কর্মীরা দেখেন যোগ্য, সৎ ও মানবিক প্রার্থী হিসেবে। তাদের বিশ্বাস—যিনি দুঃসময়ে দলের পাশে ছিলেন, সেই নেতাই সক্ষম হবেন কুমিল্লাকে সুশাসন, মানবিকতা ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে।
“সবার আগে বাংলাদেশ—এই মন্ত্রে বিশ্বাসী হাজী ইয়াছিন আমাদের হৃদয়ের নেতা,” — এমনই দাবি কুমিল্লা-০৬ আসনের কর্মীদের।
মন্তব্য করুন