

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার গোমতী নদীর দুই তীরে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা ছয় (৬) মাসের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ রবিবার (৩ আগষ্ট) দুপুরে বিচারপতি মজিবুর রহমান ও বিচারপতি বশির উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালত আদেশে বলেছেন, গোমতী নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় যেকোনো ধরনের দখলদারিত্ব কঠোরভাবে দমন করতে হবে। আদালত আরও বলেন, এই নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং জনস্বার্থের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে।
এই রিটের আবেদনকারী ছিলেন নদী রক্ষা ও পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া। রিটকারীর পক্ষে শুনানী করেন, সিনিয়র আইনজীবী
মনজিল মোর্শেদ।
তিনি বলেন, “গোমতী নদী এখন দখলদারদের দখলে চলে গেছে। নদী চিহ্নিত করে সীমানা নির্ধারণ সত্ত্বেও সেখানে গড়ে ওঠেছে অবৈধ দোকানপাট, স্থাপনা ও বাড়িঘর।”
তিনি আরও বলেন, “আদালতের এই রায় শুধু গোমতী নয়, দেশের সব নদী রক্ষায় একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা আশা করছি প্রশাসন এখন আর দখলদারদের সঙ্গে আপস না করে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করবে।”
আদালতের নির্দেশে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, অন্যান্য সরকারি দপ্তরগুলোকে এই ছয় মাসের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যোগে ২৮ অক্টোবরের পল্টন ট্র্যাজেডি উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় নগর জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মু. মোছলেহ উদ্দিন এবং পরিচালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান।
সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেল, অফিস সম্পাদক জাকির হোসেন, অর্থ সম্পাদক আমীর হোসাইন ফরায়েজী, কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে মু. মোছলেহ উদ্দিন বলেন, “২৮ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে আওয়ামী বাকশালীরা দেশে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। যারা এ নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়েছে, তাদের অবিলম্বে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।”
তিনি ২৮ অক্টোবরের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে ২৮ অক্টোবরের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত নয়টি কলেজের কোন পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। নয় কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৩ জন। নয় কলেজের মধ্যে আটটিই স্কুল ও কলেজ। অর্থাৎ স্কুল থেকে কলেজ হয়েছে। দক্ষ শিক্ষক না থাকার কারণে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার শূন্য নয় কলেজের।
কলেজ গুলো হল- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়ন স্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ হাইস্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর সদর উপজেলার কেমব্রীজ সিটি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার নিদারাবাদ ইউনিয়ন হাইস্কুল ও কলেজ, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাইটশালা আদর্শ হাইস্কুল ও কলেজ, লালমাই উপজেলা সূর্য মেমোরিয়াল হাইস্কুল ও কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার চাঁনপুর আদর্শ হাইস্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার সেবাগরাম ফজলুর রহমান স্কুল ও কলেজ, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার জীবগাঁও জেনারেল হক হাইস্কুল ও কলেজ।এর মধ্যে জিনোদপুরে ৩ জন, তোরাবগঞ্জে ৪ জন, কেমব্রীজে ৪ জন, নিদারাবাদে ৬ জন, ষাইটশালাতে ৬ জন, সূর্যতে ৬ জন, চাঁনপুরে ১১ জন, সেবাগরামে ১২ জন ও জীবগাঁওয়ে ১৯ জন করে পরীক্ষার্থী ছিল।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন বলেন, এই নয়টি কলেজের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১ এর বিশেষ অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন চকবাজার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মোঃ আলম মিয়া (৫৬) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৩০ কেজি গাঁজা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আলম মিয়া কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মতিনগর গ্রামের মৃত কালা মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা দামে বিক্রি করে আসছিলেন।
র্যাব-১১ জানায়, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক
মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের সময় ৪০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে।
আজ বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ বৌয়ারা বাজার বিওপি এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ২০৮৫/২-এস
হতে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সূর্যনগর নামক স্থান হতে ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) পিস
ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের সর্বমোট মূল্য ১,২০,০০,০০০/- (এক কোটি
বিশ লক্ষ) টাকা।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ উপজেলা ও সেনানিবাস এলাকা) আসনের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বুধবার (২৯ অক্টোবর) দিনব্যাপী ব্যাপক গণসংযোগ ও একাধিক উঠান বৈঠকে অংশ নেন।
বিকাল ৩টা থেকে তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২০নং ওয়ার্ডের দিশাবন্দ লক্ষিনগর চৌমুহনী এলাকায় গণসংযোগ করেন। পরে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে দিশাবন্দ এলাকায় আয়োজিত উঠান বৈঠকে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা বিশ্বরোড অঞ্চলের পরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগরীর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান।
ওয়ার্ড সভাপতি ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি ও দিশাবন্দের কৃতি সন্তান ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমান, দিশাবন্দ কেন্দ্র পরিচালক আরিফুর রহমান, জামায়াত নেতা মাওলানা হারিস, ওমর ফারুক, মাস্টার এনায়েত উল্লাহ, সগির আহমদ, আব্দুর রহিম, জামাল হোসেন, রবিউলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন— “দেশের রাজনীতি থেকে অন্যায়, দুর্নীতি ও অবিচার দূর করতে হলে ইসলামী মূল্যবোধের রাজনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই, যেখানে ন্যায়, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা দুর্নীতি করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না। বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অঙ্গীকারবদ্ধ।”
এরপর তিনি কুমিল্লা নগরীর ১২নং ওয়ার্ডে আয়োজিত আরেক উঠান বৈঠকে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১২নং ওয়ার্ড আমীর জাফর আহমেদ এবং সঞ্চালনা করেন কাউন্সিলর প্রার্থী ও ওয়ার্ড সেক্রেটারি হাফেজ হুমায়ুন কবির।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অঞ্চল সহকারী পরিচালক মো. নুরে আলম বাবু, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল নোমান, মনিরুজ্জামান, আকবর হোসেন, কাইয়ুম খন্দকার, মাহবুবুর রশিদ, এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এছাড়া একই দিন সন্ধ্যায় সদর দক্ষিণ উপজেলার ৩নং গলিয়ারা ইউনিয়নের বাটেরা গ্রামে অনুষ্ঠিত এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা আমীর মো. মিজানুর রহমান এবং ইউনিয়ন আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান।
বৈঠকে ১নং ওয়ার্ড সভাপতি আবু তাহের, ২নং ওয়ার্ড সভাপতি মনিরুল ইসলাম, ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুল হালিম, ১নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি আবুল কালাম, শ্রমিক কল্যাণ ওয়ার্ড সভাপতি জিয়াউর রহমান, সমাজসেবক সফিকুল ইসলাম, আব্দুল মুমিন মাস্টার, মগবুল মিয়া, ফিরোজ মিয়া, মাওলানা আব্দুল মুমিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্রা প্রেসক্লাবের
বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৫ আজ শনিবার (৯ আগষ্ট) কুমিল্লা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত
হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক।
আগত সদস্যগণের
আসন গ্রহন ও ফুল ও উপহার বিতরণ শুরু হয় সকাল ১০টা থেকে। সকাল ১১টায় সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সাংবাদিক
মনির হোসেন, পবিত্র গীতা পাঠ করেন নেহাল কুমার দাস রিপন,পবিত্র ত্রিপিটক পাঠ করেন অশোক
কুমার বড়ুয়া।
উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে
বক্তব্য রাখেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত
বাবুল।
সভাপতির শুভেচ্ছা
বক্তব্য রাখেন কাজী এনামুল হক ফারুক।
শোক প্রস্তাব
উপস্থাপন করেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু। শোক প্রস্তাবের পর প্রয়াত সাংবাদিকদের
প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট দাড়িয়ে নীরবতা পালন ও দোয়া করা করা হয়। বিগত সাধারণ
সভার রেজুলেশন পাঠ ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন
উপস্থাপন করেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান।
অর্থ সম্পাদকের
আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন অর্থ সম্পাদক তাওহিদ হোসেন মিঠু। সাংগঠনিক
বিষয়ে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন প্রবীণ সাংবাদিক মোঃ সহিদ উল্লাহ, সাংবাদিক মোঃ রফিকুল
ইসলাম, সাংবাদিক নীতিশ সাহা, সাংবাদিক সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ, সাংবাদিক ওমর ফারুকী তাপস,
সাংবাদিক অধ্যাপক মীর শাহালম, সাংবাদিক সাদিক মামুন, সাংবাদিক শহীদুল্লাহ মিয়াজী,সাংবাদিক
মোবারক হোসেন, সাংবাদিক কাজী মীর আহমেদ মীরু, সাংবাদিক জসিম উদ্দিন চাষী, সাংবাদিক
নজরুল ইসলাম দুলাল।
সভা পরিচালনা
করেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু।
মন্তব্য করুন


ইতিহাস ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির বাতিঘর বলা হয় কুমিল্লাকে। কুমিল্লা পুরনো নাট্য কয়েকটি নাট্য সংগঠনের মধ্যে যাত্রিক অন্যতম। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভিন্নধর্মী পরিবেশনা নিয়ে কুমিল্লা মাতিয়ে এসেছে দলটি। জানা যায়, সত্তর দশকে প্রতিষ্ঠিত হয় যাত্রিক নাট্যগোষ্ঠীর। বর্তমানে প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর চলছে সংগঠনটির। এই অর্ধশত বছর উদযাপনকে কেন্দ্র বিভিন্ন আয়োজন করে যাচ্ছে যাত্রিক। এবার বিশ্বকবি রবী ঠাকুরের হৈমন্তী মঞ্চায়নের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে দলটি। আয়োজকদের সূত্রে জানা যায়, হৈমন্তী কুমিল্লায় প্রথম মঞ্চায়ন হতে যাচ্ছে। এর আগে কখনো হৈমন্তী মঞ্চায়ন হয়েছে বলে জানা নেই তাদের।
যাত্রীকের আহবানে নাটকটি নির্মাণের জন্য এগিয়ে এসেছেন আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত চলচিত্র নির্মাতা, ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনোয়ার হোসেন আলম। আগামী তিন মাস ব্যাপি চলবে "হৈমন্তী"র নির্মাণ কাজ।
নাটকটির মঞ্চায়ন নিয়ে শুক্রবার ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়। এতে যাত্রিক নাট্যগোষ্ঠীর সভাপতি রোটারিয়ান অধ্যক্ষ হাসান ইমাম মজুমদার ফটিক, সাধারণ সম্পাদক প্রনব কুমার সাহা নান্টু, সহসভাপতি নাছের মিয়াজি বাবু, ট্রেজারার তপন সেন গুপ্ত প্রমুখ।
নির্মাতা আনোয়ার হোসেন আলম জানান, কুমিল্লা আমার প্রাণের শহর। এই শহরের কাছে আমি অনেক ঋণী। যাত্রিক নাট্যগোষ্ঠী অনেক পুরনো এবং ঐতিহ্যবাহী একটি দল। অতীতে তারা দারুণ দারুণ কাজ করে কুমিল্লাবাসীর আস্থা ও প্রশংসা কুড়িয়েছে। আশা করছি হৈমন্তী অনেক ভালো মঞ্চ নাটক হবে এবং চমৎকার সাড়া ফেলবে সংস্কৃতিকর্মীদের মাঝে।
যাত্রিক নাট্যগোষ্ঠীর সভাপতি রোটারিয়ান অধ্যক্ষ হাসান ইমাম মজুমদার ফটিক জানান, আমাদের সংগঠনের ৫০ বছর চলছে। ইতিমধ্যে আমরা অনেক পরিবেশনা ও কাজ করেছে। হৈমন্তী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের মধ্যে অন্যতম ও আলোচিত। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাটকটি মঞ্চায়ন করবো। আগামি তিন মাসের মধ্যে নাটকটি মঞ্চে আসবে বলে বিশ্বাস।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর
ইউনিয়নের পাঁচোড়া গ্রামে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন পাঁচোড়া গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শাহাজাহান।
নিহত দুই বোন হলো: হাফেজ ঘটক মিয়ার
মেয়ে উম্মে কুলছুম তামান্না (৯) ও খাদিজা আক্তার (৭)। নিহত উম্মে কুলছুম তামান্না পাঁচোড়া
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ও নিহত খাদিজা আক্তার একই বিদ্যালয়ের
৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার
(২২ মে) বিকেলে উপজেলার পাঁচোড়া দক্ষিণ কালেম পাড়া মসজিদ সংলগ্ন পুকুরে গোসল করতে নামে
ওই দুই বোন। এক সময় তারা পানিতে ডুবে যায়। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর
পুকুরে নেমে তাদের দুই বোনকে উদ্ধার করে। পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে
কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। তাদের মৃত্যুতে মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন,
বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) আবুল হাসানাত খন্দকার জানান, পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি। পরিবারের
পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


আজ রবিবার (৬ জুলাই) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল
থানাধীন জীবন্তপুর (মিস্ত্রী পুকুরপাড়) এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে নাজমুল
হাসান (৩৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।
এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী নাজমুল হাসান (৩৮) কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দিশাবন্দ পশ্চিমপাড়া গ্রামের খোরশেদ আলম এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ইজিবাইক
ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে
কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে
উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর
অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


"রুখে
দিয়ে ড্রেজার,
নিশ্চিত করি
বাঁচার অধিকার"
এই শ্লোগানকে সামনে রেখে তিন
ফসলী কৃষি
জমির ক্ষার্থে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছেন মুরাদনগর উপজেলা
সহকারী কমিশনার
(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান।
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় তিন
ফসলী কৃষি
জমি থেকে
অবৈধ ভেকু,
ড্রেজার মেশিন
দিয়ে মাটি
উত্তোলনের দায়ে
একই দিনে
৫টি স্থান
থেকে ৪ টি অবৈধ
ড্রেজার মেশিনসহ
৩ হাজার
ফুট পাইপ
বিনষ্ট ও অপসারণ করেছে
ভ্রাম্যমান আদালত।
ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে আক্তার হোসেন নামের এক ব্যাক্তিকে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৩ মাস কারাদন্ড প্রদান ও ২ টি ব্যাটারি জব্দ করা হয়।
দুপুরে
উপজেলার পূর্বধইর পূর্ব ও পশ্চিম
ইউনিয়নের কুরবানপুর, জানঘর, খোঁশঘর, হাটাশ,
মালিপাড়া এলাকায়
ভ্রাম্যমাণ আদালত
পরিচালনা করেন
উপজেলা সহকারী
কমিশনার (ভূমি)
ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান
খাঁন। এ অভিযানে বাঙ্গরা
বাজার থানা
পুলিশ উপস্থিত
ছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা
সহকারী কমিশনার
(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন
বলেন, তিন
ফসলী কৃষি
জমি থেকে
অবৈধভাবে মাটি
কাটা, বালু
উত্তোলনের দায়ে
ভেকু ও ড্রেজারের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালতের
মাধ্যমে ড্রেজার
মেশিন, পাইপ,
ব্যাটারি অপসারণ
জব্দসহ জেল
ও জরিমানা
করে এসেছি।
উপজেলার কৃষি
জমি রক্ষায়
অসাধু ড্রেজার
ব্যবসায়ী চক্রকে
নির্মূল করার
লক্ষ্যে আমাদের
এই অভিযান
অব্যাহত থাকবে।
সহকারী
কমিশনার (ভূমি)
ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান
খান যোগদানের পর থেকে প্রায়
৭ মাসে
১৭০ টি
ড্রেজার ও ১ লক্ষ
২০ হাজার
ফুট পাইপ
অপসারণ করা
হয়েছে।
মন্তব্য করুন