

আজ পবিত্র আশুরা। বিশ্বের মুসলমানদের
জন্য অত্যন্ত শোকাবহ, তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ একটি দিন।
হিজরি ৬১ সালের ১০ মহররম ফোরাত নদীর
তীরে কারবালার প্রান্তরে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন
(রা.) সপরিবারে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শাহাদাতবরণ করেন। ইসলামের ইতিহাসে এই মর্মন্তুদ
বিয়োগাত্মক ঘটনা ছাড়াও মহররম মাসের ১০ তারিখ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর কাছে শোকাবহ, তাৎপর্যপূর্ণ
ও মহিমান্বিত একটি দিন। এজন্যই দিনটি গুরুত্বসহকারে পালন করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
‘আশুরা’ নামটি আরবি শব্দ ‘আশারা’ থেকে
এসেছে। যার অর্থ দশ। আর আশুরা মানে দশম। আর মহররম অর্থ সম্মানিত বা পবিত্র। ইসলামী
পরিভাষায়, হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে ‘আশুরা’ বলে। সৃষ্টির শুরু
থেকে মহররমের ১০ তারিখে অর্থাৎ পবিত্র আশুরার দিনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
হিজরি ৬১ সনের এই দিনে ফোরাত নদীর তীরে
কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রা.) ও তার
পরিবারের সদস্যরা শহীদ হয়েছিলেন। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁদের আত্মত্যাগ মানবতার
ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছে। বিশ্বের মুসলমানদের কাছে এই দিনটি একদিকে যেমন শোকের, তেমনি
অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলতে প্রেরণা জোগায়।
তবে কারবালার বিয়োগান্ত ঘটনা ছাড়াও ইসলামের ইতিহাসে এই দিনে অনেক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা
ঘটেছে।
মুসলমানদের বিশ্বাস, হজরত মুসা (আ.)
ফেরাউনের জুলুম থেকে এই দিনে পরিত্রাণ লাভ করেছিলেন তার অনুসারীদের নিয়ে। ইব্রাহিম
(আ.) নমরুদের অগ্নিকুণ্ড থেকে এই দিনে মুক্তি পান। এমন অনেক তাৎপর্যময় ঘটনা ঘটেছিল
এই দিনে। মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা পাওয়ার আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নফল রোজা, নামাজ,
দানখয়রাত ও জিকির-আসকারের মধ্য দিয়ে এই দিনটি পালন করেন।
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে বলেন, ইসলাম শান্তি
ও সম্প্রীতির ধর্ম। পবিত্র আশুরার এ দিনে সাম্য, ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার
পাশাপাশি মুসলিম উম্মার ঐক্য, সংহতি ও অগ্রগতি কামনা করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
তার বাণীতে বলেন, আশুরার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে জাতীয় জীবনে সত্য প্রতিষ্ঠায় জনকল্যাণমুখী
কাজে অংশ নিতে হবে।
মন্তব্য করুন


ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারীরা পবিত্র
কাবার গিলাফ পরিবর্তনের কাজে অংশ নিয়েছেন। পবিত্র কাবাঘর দৃষ্টিনন্দন কালো গিলাফে আবৃত
থাকে। প্রতি বছর এ ঘরের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। প্রতিবারের ন্যায় এ বছরও পবিত্র কাবাঘরে
নতুন গিলাফ (কিসওয়া) পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে ইতিহাসে প্রথম গিলাফ পরিবর্তন কার্যক্রমে
মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদ তত্ত্বাবধানকারী কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল নারীরা অংশগ্রহণ
করেছেন।
জেনারেল অথরিটির ভাষ্যমতে, এবারই প্রথম
নারীরা এ কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।
গত ৬ জুলাই হিজরি নববর্ষের প্রথম রাতে
মক্কায় পবিত্র মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে গিলাফ পরিবর্তনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। মূলত
গত কয়েক বছর ধরেই কাবার রীতিতে পরিবর্তন এসেছে। হারামাইন পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী হিজরি বর্ষের শুরুতে গিলাফ পরিবর্তনের নিয়ম করা হয়।
চার ঘণ্টাব্যাপী চলমান এ কার্যক্রম
তত্ত্বাবধান করে মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদের সাধারণ কর্তৃপক্ষ। ইসলামের প্রথম
যুগ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর ধরে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফাত দিবসে কাবাঘরের গিলাফ
পরিবর্তনের রীতি ছিল। তবে ২০২২ সাল মোতাবেক ১৪৪৪ হিজরি থেকে কাবার গিলাফ পরিবর্তনের
সময়ে পরিবর্তন আনে সৌদি সরকার। তখন থেকে হিজরি নববর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে মহররমের
প্রথম রাতে গিলাফ পরিবর্তন করা হয়।
সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে,
মক্কার কিং আবদুল আজিজ কমপ্লেক্সে পবিত্র কাবাঘরের কালো গিলাফ প্রস্তুত করা হয়। সেখানকার
বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদের তত্ত্বাবধানে ১৫৯ জন দক্ষ কারিগর নতুন গিলাফ পরিবর্তনের
কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এ ক্ষেত্রে তাঁরা প্রথমে কাবাঘর থেকে পুরনো গিলাফ সরিয়ে নেন।
এরপর নতুন গিলাফ স্থাপন করেন।
বার্তা সংস্থা আরো জানায়, গিলাফ তৈরিতে
১২০ কেজি সোনা, ১০০ কেজি রুপা ও এক হাজার কেজি রেশমের সুতা ব্যবহার করা হয়। ওই কাপড়ে
পবিত্র কোরআনের আয়াত ও আল্লাহর গুণবাচক নামের ক্যালিগ্রাফি থাকে। গিলাফের সব কাজ শেষ
করতে ৬ থেকে ৮ মাস সময় লাগে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৩৫০ কেজি ওজন ও ১৪ মিটার উচ্চতার এই
গিলাফ তৈরিতে ব্যয় হয় ২৫ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল বা সাড়ে ছয় মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই গিলাফকে
বিশ্বের ব্যয়বহুল কাপড় বলে মনে করা হয়।
উল্লেখ্য, পবিত্র কাবাঘরের গিলাফে থাকা
কোরআনের আয়াতের ক্যালিগ্রাফি করেন মুখতার আলম নামের এক বাংলাদেশি। তিনি গিলাফ প্রস্তুতকারক
প্রতিষ্ঠান কিং আবদুল আজিজ কমপ্লেক্সে প্রধান ক্যালিগ্রাফার হিসেবে কাজ করছেন। ২০২১
সালে তিনি সৌদি আরবের নাগরিকত্ব লাভ করেন।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ (৫ অক্টোবর ২০২৪) দুর্গাপূজা উদযাপনে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা অবলোকনে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকলকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
এ সময় তিনি উপস্থিত মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এর সভাপতি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে মতবিনিময় করেন।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে সারা দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে।
সেই সাথে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রত্যেক বাংলাদেশী অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করবেন।
পাশাপাশি, তিনি অন্য সকল ধর্মাবলম্বীদের সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে এগিয়ে আসার আহব্বান জানান।
মন্তব্য করুন


শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে যৌতুকবিহীন ৭২টি বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
বিয়ে পরিচালনা করেন ভারতের মাওলানা জুহাইরুল হাসান।
বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্ব ইজতেমায় যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বায়নের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শুরায়ে নিজাম অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমা।আজ বাদ আসর ৭২টি বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
প্রতিবছর বিশ্ব ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতের আগের দিন যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করা হয়। এ বছরও বিয়ের আয়োজন করা হয়।
এবার ১৪২ জন নারী-পুরুষের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
আগামী রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শুরায়ে নিজাম অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও পূজা পরিদর্শন করতে আজ শনিবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে যাবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আজ বিকেল ৩টায় প্রধান উপদেষ্টা ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দুর্গাপূজা পরিদর্শন করতে যাবেন। তখন তিনি সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিনিময় সভায় অংশ নেবেন।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ গণমাধ্যমকে জানান, প্রধান উপদেষ্টা আজ শনিবার বিকেল ৩টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে যাবেন।
এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে এসএসএফসহ
বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে কাজ করছে। সাধারণ মানুষের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার
আইয়ুব আলী (৬৫) টাকা জোগাড় করতে না পারায় সাইকেল চালিয়ে হজ করতে যাচ্ছেন। আইয়ুব আলী
ফারাজিপাড়া গ্রামের মৃত কদের আকন্দের ছেলে। আইয়ুব আলীর পরিবারে স্ত্রী ও ৪ ছেলে ও ১
মেয়ে রয়েছে। হজে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
বুধবার
(১০ জানুয়ারি) সকালে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের ফারাজিপাড়া
থেকে পবিত্র মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন আইয়ুব আলী।
আইয়ুব
আলীর ছেলে আসাদুল বলেন, বাবার হজ করার ইচ্ছে অনেক দিনের। গত ৬ মাস ধরে তিনি ঢাকা, ময়মনসিংহ
ও রংপুর ঘুরে সাইকেলে হজে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করেছেন। সব কাগজপত্র
সংগ্রহের পরে বাড়িতে থাকা সাইকেল মেরামত করে বুধবার মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।
এতক্ষণে হিলি পোর্ট দিয়ে ভারতে পৌঁছানোর কথা। ভারত সীমান্ত হয়ে পাকিস্তান, আফগানিস্তান
পৌঁছবেন। এরপর ইরান হয়ে মক্কায় পৌঁছবেন। এতে সময় লাগবে প্রায় ৬ মাস। প্রতিদিন অন্তত
৭০-৮০ কিলোমিটার পথ সাইকেল চালাতে হবে। পথে রাত হলে নিকটবর্তী মসজিদে রাত্রিযাপন করবেন।
সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মমেদুল
ইসলাম বলেন, তার এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। মক্কায় পৌঁছাতে তাকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে
হবে। আমাদের সবার দোয়া তার সঙ্গে আছে।
মন্তব্য করুন


দেশের বিভিন্ন জেলায় ঈদ উদযাপন করছেন মুসল্লিরা। বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন তাঁরা। মুসল্লিরা বলছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ঈদুল ফিতর পালন করছেন তাঁরা।
চাঁদপুর
চাঁদপুরের পাঁচ উপজেলার অর্ধশত গ্রামে বুধবার সকাল থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ও পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে এই ঈদ উদযাপন করে আসছেন বলে জানান মুসল্লিরা।হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফ জামে মসজিদে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই ঈদ জামাতে ইমামতি করেন পীর মুফতি আল্লামা যাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, শমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, জাকনী, প্রতাপপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, শাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুরের মুসল্লিরা একদিন আগে ঈদ পালন করেন। এ ছাড়া মতলব উত্তর উপজেলার সাড়ে পাঁচানী, দেওয়ানকান্দি পাঁচানী, সাতানী, লতুরদী, মোহাম্মদপুর, মোহনপুর, এখলাশপুর, দশানী, নায়েরগাঁও, বেলতলীসহ শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রামে একদিন আগে ঈদ উদযাপন করে মুসল্লিরা।
লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুরের ১১টি গ্রামে আজ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। বুধবার সকালে জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা, বারো ঘরিয়া, হোটাটিয়া, শরশোই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপাসহ ১০টি গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মুসল্লি ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন।
ফেনী
ফেনী জেলার বিভিন্নস্থানে বিচ্ছিন্নভাবে ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন কাদেরীয়া তরিকার অনুসারীরা। ফেনীর তিনটি স্থানে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানগুলো হলো– ফেনী সদর উপজেলার পূর্ব সুলতানপুর শাহ আমানিয়া জাহাগিরিয়া দরবার শরীফ, পূর্ব সুলতানপুর রশিদিয়া দরবার শরীফ এবং পরশুরাম পৌরসভার কোলাপাড়া ছয়ঘরিয়া এলাকা।
ঝিনাইদহ
প্রতিবারের মতো ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে ঈদুল ফিরতের নামাজ আদায় করেছে কয়েকটি গ্রামে মুসল্লিরা। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় হরিণাকুন্ডু উপজেলা শহরে ফুটবল মাঠ এলাকায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জামালপুর
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ১৩ গ্রামে ঈদ উদযাপিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় সরিষাবাড়ী পৌরসভার বলারদিয়ার মধ্যপাড়া মাস্টারবাড়ি জামে মসজিদ মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার বলারদিয়ার, মূলবাড়ী, সাতপোয়া, সাঞ্চারপাড়, পঞ্চপীর, পাখাডুবি, বনগ্রাম, বালিয়া, বাউসী, হোসনাবাদ, পাটাবুগা, পুঠিয়ারপাড় ও বগারপাড় গ্রামের প্রায় তিন শতাধিক মানুষ এ নামাজে অংশ নেন।
দিনাজপুর
দিনাজপুর ছয়টি উপজেলায় আজ ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিদের একটি অংশ। দিনাজপুর সদর, চিরিরবন্দর, কাহারোল, বোচাগঞ্জ, বিরল ও বিরামপুর উপজেলার কিছু মুসল্লি ঈদে নামাজ আদায় করেছেন। আগাম ঈদের নামাজ আদায়কারী মুসল্লীরা জানান, তাঁরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দীর্ঘদিন থেকে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করে আসছেন।
সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার কয়েকটি স্থানে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। এসব স্থানে সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভাড়ুখালি পাঞ্জাখানা মসজিদে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাওলানা মাহবুবুর রহমান ইমামতি করেন। এ ছাড়া সাতক্ষীরা সদরের বাউকোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। ইমাম ছিলেন মাওলানা মহব্বত আলী।
টাঙ্গাইল
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ঈদ উদযাপন করেছে একটি গ্রামের মানুষ। উপজেলার শশীনাড়া গ্রামের অন্তত ৪০টি পরিবার এ ঈদ উৎসব পালন করছে। আজ বুধবার সকাল ৮টায় স্থানীয় মসজিদ মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
শরীয়তপুর
শরীয়তপুরের ছয় উপজেলার অন্তত ৩০ গ্রামের মানুষ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় জেলার প্রধান ও বড় জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় নড়িয়ার উপজেলার সুরেশ্বর দরবার শরীফ মাঠে। নামাজ শেষে শাহ্ সুরেশ্বরীর (রা.) অনুসারীরাদের নিয়ে বিরানি, সেমাইসহ মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে ঈদ উদযাপন করেন।
মুন্সিগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জের অন্তত ৯ গ্রামে আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। বুধবার এসব এলাকা গুলোতে ঈদের নামাজের মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপন শুরু হয়। গ্রামগুলো হলো– মুন্সিগঞ্জ সদরের মোল্লা কান্দি ইউনিয়নের আনন্দপুর, শিলই, নায়েবকান্দি, আধারা, মিজিকান্দি, কালিরচর, বাংলাবাজার, বাঘাইকান্দি ও কংসপুরার একাংশ। এসব গ্রামে পাঁচ থেকে ছয় হাজার মানুষ শত বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে।
পটুয়াখালী
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৭ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। বুধবার সকাল থেকে শিশু-কিশোরসহ এসব গ্রামের মানুষের মাঝে ঈদের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।
বরিশাল
বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করলেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ এলাহবাদ জাহাগীরিয়া শাহছুফি দরবার শরীফের অনুসারীরা। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁজকাঠী হাজীবাড়ি শাহছুফি জাহাগীরিয়া জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বরিশাল নগরীর তাজকাঠি, জিয়া সড়ক, টিয়াখালী, হরিনাফুলিয়া এবং সদর উপজেলার সাহেবের হাট এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব হরিনাফুলিয়ার চৌধুরী বাড়ি শাহ মমতাজিয়া জামে মসজিদে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ান হাফেজ মাওলানা মো. আবু জাফর।
নোয়াখালী
নোয়াখালীর চারটি গ্রামের কয়েকশ মানুষ আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় দুই উপজেলার ৮টি মসজিদে একযোগে ঈদের জামাতে অংশ নেন এই চার গ্রামের মুসল্লিরা। স্থানগুলো হলো– বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্ত বাগ গ্রামের সিনিয়র মাদ্রাসা জামে মসজিদ, বসন্তবাগ পোদ্দার বাড়ি জামে মসজিদ, বসন্তবাগ নগর বাড়ির দরজা জামে মসজিদ, বসন্তবাগ ভূঁইয়া বাড়ির দরজা জামে মসজিদ, পশ্চিম বসন্তবাগ গ্রামের মুন্সি বাড়ির দরজা জামে মসজিদ, ফাজিলপুর গ্রামের দায়রা বাড়ির জামে মসজিদ, জিরতলী ইউনিয়নের ফাজিলপুর গ্রামের জামে মসজিদ ও নোয়াখালী পৌরসভার হরিণারায়নপুর রশিদিয়া রহিমিয়া দরবার শরিফ মসজিদ।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির তৃতীয় সভায় তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। তবে তারিখ এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। বিশ্ব ইজতেমা কীভাবে ভালোভাবে হতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, বিশ্ব ইজতেমায় এখন দুটি গ্রুপ হয়ে গেছে। তাদের মধ্যে মতেরও পার্থক্য আছে। আমরা তাদের সঙ্গে বসব, যাতে তারা সবাই ঐকমত্যে এসে ভালোভাবে (ইজতেমা) করতে পারে। এটি খুবই ভালো একটা আয়োজন, আমাদের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য বিরাট অনুষ্ঠান। এখানে বহু হুজুর যান এবং বহু দিকনির্দেশনা আসে। আমরা তাদের অনুরোধ করব। আমরা তাদের বলব, আপনাদের নিজেদের মধ্যে যে সমস্যাটা রয়েছে, তা নিজেরা সমাধান করতে পারলে আমাদের জন্য ভালো। আর যদি নিজেরা সমাধান করতে না পারেন, তাহলে আমরা বসতে পারি, কীভাবে সমাধান করে আয়োজনটি ভালোভাবে করা যায়, সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সভায় সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে করণীয়; বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সার্বিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়; সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ; অস্ত্র জমা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সচেষ্ট হওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারী ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার কার্যক্রম জোরদার করা, বিভিন্ন অপরাধী ও আন্দোলন-সমাবেশে উসকানিদাতাদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত হয়।
এ ছাড়াও রাস্তায় সমাবেশ না করে দাবি-দাওয়া সংশ্লিষ্ট সরকারি কমিটি বা কমিশনে পেশ করা, জনভোগান্তি দূর করতে শাহবাগের পরিবর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা ও সমাবেশ আয়োজন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের এ বিষয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জনসাধারণকে জানানো, জামিনে মুক্তি পাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা অপরাধে লিপ্ত হলে দ্রুত গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া ইত্যাদি সিদ্ধান্ত হয়।
স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা এবং কমিটির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন । আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা এতে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর দুষ্কৃতকারীদের হামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী।
একই সঙ্গে শক্তিশালী কমিশন গঠনের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে হামলার বিচারও দাবি করেছে সংগঠনটি।
সোমবার (১২ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কার্যালয়ে আয়োজিত হিন্দু-বৌদ্ধসহ ভিন্ন ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জামায়াতের পক্ষ থেকে এসব দাবি উপস্থাপন করেন দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, হিন্দুদের সুরক্ষায় জামায়াত দুটি দাবি নিয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রথম দাবি হলো: রাষ্ট্রীয়ভাবে হিন্দু সম্প্রদায়কে সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো একটা দল বা কোনো একটা লোক দাড়ি-টুপি পরে লাঠি হাতে মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকাটা খুবই বেমানান দেখায়। আমরা মনে করি এখন যেহেতু সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজে ফিরেছে, এখন সরকারের উদ্যোগে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। আমাদের দ্বিতীয় দাবি হলো: স্বাধীন কমিশন করে হিন্দুদের ওপর হামলা-নির্যাতনের বিচার দাবি জামায়াতের। জামায়াতে ইসলামীকে হিন্দুবিদ্বেষী দল বলে ধারণা করা হয়। এটা এক ধরনের অপপ্রচার ছাড়া কিছুই না। পাশাপাশি হিন্দুদের ব্যবহারেও একটি অপপ্রচার দেশে আছে, সেটি হলো হিন্দু মানেই মনে করা হয় আওয়ামী লীগ। জামায়াতকে যেমন হিন্দুবিরোধী অপপ্রচার দেওয়া হয়েছে, তেমনি হিন্দুদেরও আওয়ামী লীগের একটা ট্যাগ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এজন্য হিন্দুদেরও যেমন জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধে কাজ করতে হবে, তেমনি জামায়াতকেও হিন্দু মানেই আওয়ামী লীগ ‘তকমা’ দূরীকরণে কাজ করতে হবে। জামায়াত হিন্দুদের ওপর আঘাতে বিশ্বাস করে না। আঘাত হিন্দু হোক, মুসলমান হোক দুই ধর্মেই নিষিদ্ধ। আমি নিজে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকার এমপি ছিলাম। আমাকে হিন্দুরাও অনেক ভোট দিয়েছিল, তারা আমাদের বিশ্বাস করে। আমাদের ওপর তাদের পুরোপুরি আস্থা আছে। এটা আমার আদর্শিক দায়িত্ব।
হিন্দু-বৌদ্ধসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বাইরেও যদি আপনারা আপনাদের নিরাপত্তায় জামায়াতকে প্রয়োজন মনে করেন, রাত ৩টা বা ৪টা যেকোনো সময়েই আমাদেরকে ফোন করবেন, আমরা আপনাদের পাশে দাঁড়াব।
মন্তব্য করুন


এবারের পূজা খুব ভালোভাবে হবে। কোনো ধরনের কোনো অসুবিধা হবে না। এ জন্য আপনাদেরও সহযোগিতা চাই। প্রতিবার তো পুলিশ ও আনসার সদস্য থাকে, এবারে বাড়তি র্যার, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকালে গাজীপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে। শিগগিরই বাজার একটি সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে মনে করেন তিনি। যদি কোনো সিন্ডিকেট থাকে, সেটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভেঙে দেবে।
কৃষিক্ষেত্রে উন্নতিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রশংসা করেন তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় আমাদের জনসংখ্যা ছিল সাত কোটি। এখন জনসংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু আবাদযোগ্য ভূমি কিন্তু বাড়েনি। মনে রাখতে হবে, দেশের উন্নতির জন্য সবচেয়ে বেশি ভূমিকা এই কৃষিক্ষেত্রের। কৃষির উন্নতির জন্য কাজ করছে এই ইনস্টিটিউট।’
এ সময় উপস্থিত
ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক আবদুল্লাহ ইউছুব আখন্দ, কৃষি সচিব মো. এমদাদ উল্লাহ মিয়া, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফীন, পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আযাদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক
ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, সম্প্রীতির বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন
যাবৎ শান্তি ও সৌহার্দ্যের মধ্যে বসবাস করে আসছে।
আজ শুক্রবার (১১ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীস্থ
বেইলি রোডে সিদ্ধেশ্বরী শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সমবেত ভক্ত
ও পূজারীদের উদ্দেশ্য এ কথা বলেন।
গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়
পোদ্দার বলেন, সকল ধর্মের মানুষ তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান উৎসবের সঙ্গে পালন করে
আসছে। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্রের কাছে সকলেই সমান। অনেকে আশঙ্কা করেছিল দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে
পালন করা যাবে কিনা । এখন পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক আছে, কোন অসুবিধা হচ্ছে না। দুর্গাপূজা
সুন্দরভাবে পালন করা হচ্ছে। যদি আমরা সম্প্রীতি ও সংহতি ধরে রাখতে পারি, তাহলে দুষ্কৃতিকারীরা
তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারবে না।
অনুষ্ঠানে পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি
নিবাস চন্দ্র মাঝি, সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র, উদযাপন পরিষদের স্টিয়ারিং কমিটির
চেয়ারম্যান তপন মজুমদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক
প্রমিতা সরকার উপস্থিত ছিলেন।
পরে উপদেষ্টা দু:স্থদের মধ্যে বস্ত্র
বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন