

সাধারণত
বাজারে এক জোড়া লাউয়ের দাম ১০০ থেকে ২০০ টাকা হলেও সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে এক জোড়া লাউ
বিক্রি হয়েছে অবিশ্বাস্য ১৮ হাজার ২০ টাকায়। শনিবার (১০ জানুয়ারি) উপজেলার পঞ্চগ্রাম
কাইমা মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসার তহবিলে সহায়তার উদ্দেশ্যে গত শুক্রবার মাহফিল চলাকালীন
কাইমা গ্রামের আব্দুল লতিফ এবং পার্শ্ববর্তী কেজাউড়া গ্রামের এক ব্যক্তি দুটি লাউ দান
করেন। শনিবার সকালে মাহফিল শেষে দানকৃত জিনিসপত্রগুলো প্রকাশ্যে নিলামে তোলা হয়।
নিলাম
শুরু হতেই লাউ দুটিকে কেন্দ্র করে শুরু হয় চরম প্রতিযোগিতা। একাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি
নিলামে অংশ নিয়ে দাম বাড়াতে থাকেন। দীর্ঘ দরকষাকষির পর শেষ পর্যন্ত ১৮ হাজার ২০ টাকায়
লাউ দুটি কিনে নেন এক ব্যক্তি।
মাদ্রাসার
মোতাওয়াল্লি মাওলানা নূর উদ্দিন বলেন, "এটি কোনো সাধারণ কেনাবেচা নয়, বরং মাদ্রাসার
প্রতি মানুষের অগাধ ভালোবাসা ও আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ। এই টাকা মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক
কাজে ব্যয় করা হবে।"
মাদ্রাসা
পরিচালনা কমিটির সদস্য এ কে কুদরত পাশা বলেন, কওমি মাদ্রাসা মানুষের দানেই পরিচালিত
হয়। দুটি লাউয়ের এই দাম কেবল মাদ্রাসাপ্রেমিদের পক্ষেই দেওয়া সম্ভব। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের
প্রতি সাধারণ মানুষের এমন আবেগ ও সম্পৃক্ততার উদাহরণ এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি
করেছে।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরেই প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ফোন করে ধন্যবাদ
জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর ) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর
পর সেখান থেকেই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তিনি।
এসময়
তারেক রহমান তাঁর নিরাপত্তাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা
জানান।
বিএনপি
মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, ফোনালাপে তিনি
প্রধান উপদেষ্টার খোঁজখবর নেন এবং বলেন, আমি আমার পক্ষ থেকে এবং আমার পরিবারের পক্ষ
থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিশেষ করে আমার নিরাপত্তার জন্য যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে,
তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
ভিডিওতে
দেখা যায়, ফোনালাপের শেষে তিনি প্রধান উপদেষ্টার কাছে দোয়া চান এবং সালাম দিয়ে কথা
শেষ করেন।
সব
জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর পর নিজ মাতৃভূমিতে ফিরেছেন তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার
সকালে তাঁকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ প্রথমে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যাত্রাবিরতি শেষে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
পৌঁছায়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লা–০৬ আসনের উন্নয়ন–ভিশন জনগণের সামনে তুলে ধরতে কুমিল্লায় লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এবং কুমিল্লা–০৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের শাসনগাছা ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে গণসংযোগ কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। পরে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন হাজী ইয়াছিন।
গণসংযোগকালে হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেন, গত বছরগুলোতে বিএনপির নেতাকর্মীরা মামলা, হামলা ও জুলুম–নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সেই কঠিন সময়ে আমি সবসময় এই এলাকার মানুষের পাশে ছিলাম। জনগণের সুখে–দুঃখে যেমন ছিলাম, ভবিষ্যতেও যত বাধাই আসুক না কেন আপনাদের পাশেই থাকবো, ইনশাল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি একটি গণমানুষের দল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জনগণের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই এলাকার মানুষ আমাকে চাইলে দলও তাই চাইবে, আমাদের নেতৃত্বও জনগণের সেই চাওয়াকে সম্মান জানাবে। আপনাদের মনের আশা অবশ্যই পূরণ হবে—কেবল একটু ধৈর্য ধরতে হবে।”
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়ে হাজী ইয়াছিন বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতীক। মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থ জীবন কামনা করছি। আমি কুমিল্লাবাসীসহ দেশবাসীর কাছে তাঁর জন্য দোয়া চাচ্ছি, যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও দেশ ও জনগণের পাশে দাঁড়াতে পারেন।
গণসংযোগ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ূম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব চৌধুরী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. আনোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওমর ফারুক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান সাইদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব ও সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক কে. এম. শাহীনুর হোসাইন ও সদস্য সচিব মো. ইকরাম হোসেন তাজ, দুর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম টুটুল, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিনসহ জেলা, মহানগর, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
মন্তব্য করুন


মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সেনাবাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই ধারা অনুযায়ী সরকারকে মেট্রোপলিটনের বাইরে যে কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ক্ষেত্রে সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা না গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে আইনে শর্ত আরোপ করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (সেনা কর্মকর্তা) সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।
গ্রেফতার, তল্লাশি ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের ক্ষমতা: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কাউকে আটক বা গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ, তল্লাশির আদেশ ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য আদেশ দিতে পারবেন।
গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ও ৬৫ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে ও এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোনো অপরাধ করলে তিনি নিজে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারবেন। এছাড়া ৮৩ ও ৮৪ ধারা অনুযায়ী অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। আইনের ৮৬ ধারার বিধান মতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য না হলে তাকে আদালতে পাঠাবেন।
তল্লশি সংক্রান্ত আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৯৫(২) ধারার বিধানমতে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে ডাক বা টেলিগ্রাম বিভাগের দ্বারা তল্লাশি পরিচালনা করবার ও উক্ত দলিল, পার্সেল বা ব্যক্তি আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন। ১০০ ধারার বিধানমতে কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করার বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। ১০৫ ধারার বিধানমতে নিজ উপস্থিতিতেও ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশির আদেশ দিতে পারবেন।
শান্তিরক্ষায় মুচলেকা গ্রহণ: শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি শান্তিরক্ষায় সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন। ১০৯ ধারার বিধানমতে অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিতে পারবেন। ১১০ ও ১২৬ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে জামিনদারসহ বা জামিনদার ছাড়াও শান্তিরক্ষায় মুচলেকা নিতে এবং প্রয়োজনে মুচলেকা বাতিল করতে পারবেন।
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দান: ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে এই ধরনের পাঁচ বা তারবেশি ব্যক্তির সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দিতে পারেন। আদেশ অমান্য করলে ১২৮ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ভঙ্গে বল প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন। ১৩০ ধারার বিধান অনুযায়ী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারবেন।
এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট পথ, নদী, খাল বা প্রকাশ্য স্থানে বেআইনি বাঁধা অপসারণ, ব্যবসা বা সংরক্ষিত এলাকায় মানুষের আরাম আয়েশের বিঘ্ন ঘটানো, গৃহ বা তাবু হতে ক্ষতিকর বস্তু বা বৃক্ষ অপসারণ, জলাশয় ঘেরাও, বিপজ্জনক প্রাণী ধ্বংস বা আটক ইত্যাদি আদেশ দিতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ১৪২ ধারার বিধান মতে ক্ষতি এড়াতে কোনো ব্যক্তির উপর নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের
শাহজাদপুর উপজেলায় বিদেশফেরত এক যুবকের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ
বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে,
উপজেলার গোপালপুর গ্রামে নিজবাড়ির পাশের রাস্তার ওপর থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত
সিরাজুল মন্ডল (২৫) ওই গ্রামের শাহাদৎ
মন্ডলের ছেলে। নিহতের ভাই আজিজুল মন্ডল জানান, সিরাজুল দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে সম্প্রতি বাড়িতে ফিরেছিলেন।
শাহজাদপুর
থানার ওসি আলী আসলাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পর থানা হেফাজতে
রাখা হয়েছে।
শরীরের
বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। এ ঘটনায় মামলার
প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
দেড় যুগ পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাচ্ছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমান।
আজ
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরের পর তিনি সেখানে যাবেন বলে জানা গেছে। এ উপলক্ষে দলীয়
কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
জানা
গেছে, সোমবার দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিট থেকে কার্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ করে রাখা হয়।
সীমিত
পরিসরে বিএনপির সিনিয়র নেতারা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করছেন।
কার্যালয়ের
সামনে র্যাবের একটি ডগ স্কোয়াড টিম অপেক্ষমাণ রয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে সুইপিং কার্যক্রম
শুরু হবে বলে জানা গেছে।
কেন্দ্রীয়
কার্যালয়ের সামনে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী
রয়েছেন।
সিএসএফ
ঘিরে রেখেছে পুরো কার্যালয়। এ ছাড়া পুরো নয়াপল্টন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রয়েছে
কঠোর নজরদারি।
তারেক
রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে দলীয় কার্যালয়। তাকে স্বাগত জানিয়ে
বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের কর্মকর্তারা ফুলেল শুভেচ্ছা জানাবেন।
মন্তব্য করুন


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব-এর ৬টি পদ সংরক্ষণ করেছেন। এই উপলক্ষ্যে সচিবালয়ের সকল শ্রেণীর কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পক্ষে থেকে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব আবদুল খালেক এর নেতৃত্বে উপসচিব-এর ৬টি পদ সংরক্ষণের অফিস আদেশ হাতে পেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী
সমিতির মহাসচিব মাহে আলম, পার্সোনাল অফিসার সমিতির সভাপতি মোহা: সালাহউদ্দীন, নজরুল
ইসলাম, জাহেদা, সেলিনা, নুরুল আলম, রফিক, হান্নান সরদার, নুর নওয়েজ, মনিরুজ্জামান,
আক্তার, কামাল হোসেন, গাজীউর রহমান, ফরিদ, রিয়াদ, সাদ্দাম হোসেন, আলমগীর, মুননাফসহ
এছাড়া বিভিন্ন সংগঠন-এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা অনুদান পাবেন। তবে এ অনুদান পেতে আবেদন করতে হবে অনলাইনে ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের এ টাকা দেওয়া হবে। বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন স্কুল–কলেজ, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা এ টাকা পাবেন। অনুদানের টাকা বিতরণে নীতিমালা (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান প্রদানের জন্য অনুসরণীয় নীতিমালা সংশোধিত-২০২০) অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের অনুদানের টাকা পেতে আবেদন করতে হবে।
আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বিশেষ অনুদানের টাকা বিতরণে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে । ওই দিন থেকে অনলাইনে অনুদান পাওয়ার আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ মঞ্জুরির অনুদানের এ টাকা পেতে আবেদন করা যাবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ–এর অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ টাকা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ আরো জানিয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি, এমপিওভুক্ত ও নন–এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা, দৈব দুর্ঘটনা এবং শিক্ষা গ্রহণের কাজে ব্যয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে দুস্থ, প্রতিবন্ধী, অসহায়, রোগগ্রস্ত, অস্বচ্ছল ও মেধাবী, অনগ্রসর এলাকার শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।
দেশের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বা এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র সংগ্রহ, খেলাধুলার সরঞ্জাম ক্রয়, পাঠাগার স্থাপন ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বান্ধব করার জন্য অনুদানের আবেদন করা যাবে। তবে বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনগ্রসর এলাকার লেখাপড়ার মান ভালো থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে। আর বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক–কর্মচারীরা দুরারোগ্য ব্যাধি বা দৈব দুর্ঘটনার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


পতিত
ফ্যাসিবাদের আমলে অনুষ্ঠিত ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব
পালনকারী ব্যক্তিদের কেউ আসন্ন নির্বাচনে যথাসম্ভব দায়িত্ব প্রদান করা থেকে বিরত রাখার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
আজ
রোববার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা
সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট
জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী৷
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, আজকের সভায় মূলতঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ
ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কেন্দ্রীয় ব্যাংক একীভূতকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করেছিলো ।
আর সে নীতিমালাটি জারি করার পর এবারই সর্বপ্রথম পাঁচটি ব্যাংককে একসাথে করা হচ্ছে।
সোমবার (১৫ এপ্রিল) এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক জানান, কেন্দ্রীয়
ব্যাংক প্রথমত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিডিবিএল, বেসিক, পদ্মা ও ন্যাশনাল ব্যাংকের
বাহিরে নতুন কোনো ব্যাংককে আপাতত একীভূত করবে না আর পরবর্তী সময়ে অন্য কোনো ব্যাংক
একীভূত করা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি।
এ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বেসরকারি খাতের শরিয়াহভিত্তিক এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে নাজুক
পদ্মা ব্যাংক একীভূত হওয়ার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়।
এদিকে ব্যাংক একীভূতকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে,
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার আলোকে দুর্বল (খারাপ অবস্থা) থাকা ব্যাংকগুলো নিজ থেকে
একীভূত না হলে বাধ্যতামূলকভাবে একীভূত করা হবে। তবে তার আগে দুই ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারকে সই করতে হবে।
আর এর পরবর্তী ধাপে আমানতকারী, পাওনাদার ও বিনিয়োগকারীর অর্থ ফেরতের পরিকল্পনা
জমা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তারপর বহিঃনিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকের
সার্বিক আর্থিক চিত্র বের করবে।
এ সবগুলো ধাপ শেষে আদালতের কাছে একীভূতকরণের আবেদন করতে হবে।
একীভূতকরণে কোনো ব্যাংক মূলধন ও তারল্য ঘাটতি, খেলাপি ঋণ, সুশাসনের ঘাটতি এবং
আমানতকারীদের জন্য ক্ষতিকর কার্যকলাপের কারণে পিসিএ ফ্রেমওয়ার্কের আওতাভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট
ব্যাংক পুনরুদ্ধারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিনিষেধ মানতে হবে। পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা
বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে আমানতকারীর স্বার্থে ব্যাংক বাধ্যতামূলক একীভূতকরণ হবে। একীভূতকরণ
প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যে ব্যাংকের অনুসরণের এ নীতিমালা
জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মন্তব্য করুন


জুলাই
বিপ্লবী ও আধিপত্যবাদবিরোধী ‘ইনকিলাব মঞ্চ’র মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যায়
মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন
পুলিশের অতিরিক্ত আইজি খন্দকার রফিকুল ইসলাম। তবে হত্যাকারী দেশের বাইরে চলে গেছে এমন
নির্ভরযোগ্য তথ্যও পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
রোববার
(২১ ডিসেম্বর ) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন
অতিরিক্ত আইজিপি। খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, ফয়সালের শেষ অবস্থানের বিষয়ে আমাদের কাছে
সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।
এটা
পেতে আমাদের বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। তবে সে যে দেশের বাইরে চলে গেছে
এমন নির্ভরযোগ্য তথ্যও পাইনি। অনেক সময় অপরাধীরা তাদের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে
থাকে। এ হত্যাকাণ্ডকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলা হচ্ছে, কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা
পেয়েছেন কি না?’ এমন প্রশ্নের উত্তরে অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, আমরা এখনো স্পেসিফিক কোনো
রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা পাইনি।
তবে
আমরা সঠিক তথ্য পেতে চেষ্টা করছি।সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান
শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ হত্যাকাণ্ড হয়ে
থাকতে পারে। এখানে ব্যক্তিগত কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মনে হয়নি। ঘটনার শুরু থেকে
আমরা মাঠে ছিলাম। সব এজেন্সি সমন্বিতভাবে কাজ করেছি। এটা আমরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে
সম্ভাব্য সব দিকগুলো দেখছি।
মন্তব্য করুন