

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়ায় আপেল বরই কিংবা কুল চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন শহীদ বেপারী। প্রথমবারই সফলতার মুখ দেখেছেন তিনি। প্রতিদিন বিক্রি করছেন বাগানের বরই। কোনো ধরনের কীটনাশক ছাড়া উৎপাদিত এ বরইয়ের বেশ চাহিদা আছে। চলতি বছর বড়ই বিক্রি শুরু করেছেন, তবে পর্যায়ক্রমে বাগানের বাকী বড়ই গুলো বিক্রি করবেন তিনি। এতে লাভবান হবে বলেও জানান শহীদ বেপারী।
সরেজমিনে জানা গেছে, পালাখাল গ্রামের নয়াবাড়ির অধিবাসী মৃত. আব্দুল গফুরের ছেলে কৃষক শহীদ বেপারী ৭২ শতক জায়গায় গড়ে তোলা বরই বাগান পুরোটা নেট দিয়ে ঘেরা। ভেতরে প্রবেশ করে গাছে ঝুলতে দেখা যায় সবুজ-হলুদ ও লালচে থাই-বলসুন্দরী বরই। বিক্রির জন্য শহীদ বেপারীসহ কয়েকজন গাছ থেকে বরই তুলে ব্যাগে রাখছেন। আকারে বড় ও স্বাদে সুমিষ্ট হওয়ায় বাগানেই বিক্রি হয়ে যায় সব বরই। শুধু বড়ই নয়, তার বাগানে রয়েছে সমন্বিত চাষ। পাশাপাশি আম,জাম,লেবু,কাঠাল গাছ রোপন করেছেন তিনি। এছাড়া একই জমির পাশে মৎস্য চাষাবাদ করেছেন। তার দেখাদেখি অনেকেই বড়ই ও অন্যান্য চাষে উদ্যোগ গ্রহন করেছেন।
বড়ই চাষী শহীদ বেপারী বলেন, অনেক বছর ধরে কৃষিকাজ করছি। বাড়ির পাশে প্রথমে ৭২ শতক জায়গায় বলসুন্দরী ও থাই জাতের বরই গাছ লাগাই। সাতক্ষীরা থেকে চারা সংগ্রহ করেছি। এ পর্যন্ত ভালো টাকার বরই বিক্রি করেছি। গাছে যে পরিমাণ বরই আছে, আশা করছি লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো।
কচুয়াা উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অমল চন্দ্র সরকার বলেন, কম খরচ ও পরিচর্যায় বেশি ফলন পাওয়ায় বরই চাষে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় চাষিদের। বলসুন্দরী ও থাই জাতের বরই অনেক সুস্বাদু। শহীদ বেপারী এ জাতের বরই চাষ করে প্রথম বছরই সফল হয়েছেন। বরই চাষে কোনো কৃষক আগ্রহ হলে কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন


ঝালকাঠিতে
প্রেমিকার রান্না করা নুডুলস খাওয়ার পর সজল দেবনাথ (১৯) নামে এক কলেজছাত্রের রহস্যজনক
মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার
(১১ নভেম্বর) সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজলের মৃত্যু হয়। সজল
দেবনাথ ঝালকাঠি সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ও ঝালকাঠি সদরের জেলেপাড়া এলাকার
বাসিন্দা সনাতন দেবনাথের ছোট ছেলে।
সজলের
পরিবার জানায়, রবিবার রাতে জগদ্ধাত্রী পূজার উৎসবে অংশ নিয়ে সজল বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন।
রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হঠাৎ অস্বাভাবিক আওয়াজ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তার কক্ষে গিয়ে
দেখেন, সজলের পা বাঁধা অবস্থায় এবং তার কথিত প্রেমিকা তিথি খাটের নিচে লুকিয়ে আছেন।
দ্রুত তাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও
তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
সজলের
বড় বোন অভিযোগ করেন, তিথি তার বাসা থেকে সজলের জন্য নুডুলস নিয়ে আসেন, যা খাওয়ার পরই
সজলের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবারের ধারণা, নুডুলসে কোনো বিষাক্ত পদার্থ থাকতে
পারে, যা সজলের মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
এ
বিষয়ে প্রেমিকা তিথি জানান, তাদের দু’বছরের সম্পর্ক রয়েছে এবং জগদ্ধাত্রী পূজার দিন
তারা কিছুক্ষণ সময় কাটান। তবে সজলের আচরণ নিয়ে মতবিরোধের কারণে তাদের মধ্যে তর্ক হয়
এবং তিথি অভিযোগ করেন, সজল তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। ঘটনার দিন রাতে সজলের সঙ্গে
কাটালেও তিনি ঘটনাটি আড়াল করেন।
ঝালকাঠি
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এটিএম মেহেদী হাসান সামি বলেন, গভীর রাতে হাসপাতালে
আনার পর দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসা করা হলেও সজলকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর
সঠিক কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
ঝালকাঠি
সদর থানার পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করেছেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, বাস্তবায়িত কার্যক্রম এবং গত তিন মাসে কুমিল্লায় সম্পাদিত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে জেলা তথ্য অফিস, কুমিল্লার আয়োজনে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কুমিল্লা জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ নুরুল হক সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের চলমান কার্যক্রম এবং গত তিন মাসে বাস্তবায়িত কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলী রাজি মাহমুদ মিথুন। তিনি সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রেস ব্রিফিংয়ে কুমিল্লায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। এসময় সাংবাদিকরা সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়িত কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন, মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনসাধারণের মাঝে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


মো:
মাসুদ রানা,কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
মুড়ি ভাজার কারখানা চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কাদলা গ্রাম। মাহে রমজানকে সামনে রেখে দেশীয় মুড়ি ভাজার কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন ওই গ্রামের পালবাড়ির বাসিন্দারা। এ যেন কারিগরদের ধম নেয়ারও সময় নেই।
সরেজমিনে কাদলা গ্রামের পাল বাড়িতে গিয়ে কয়েকজন মুড়ি ভাজার কারিগরদের সাথে কথা হয়। ওই গ্রামের বিমল পাল,শ্যামল পাল, যুবরাজ,অমর পাল ও অজয় পাল জানান,মুড়ি ভাজা আমাদের বাপ-দাদার ঐতিহ্যগত পেশা হিসেবে মুড়ি ভাজার কাজে আছি। সংসারের হাল ধরার একমাত্র উপার্জনক্ষন ব্যক্তি হিসেবে তারা বংশগত এ পেশার উপরেই নির্ভরশীল রয়েছেন বলেও তারা জানান।
তারা আরো জানান, মুড়ি ভাজতে অনেক পরিশ্রম হয়। বর্তমান যুগে মুড়ির চাহিদা কমে যাওয়ায় তাদের এখানে আগের মতো এখন আর কেউ মুড়ি ভাজতে আসে না। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ কেজি মুড়ি ২০ টাকা প্রতি কেজি ধরে ভাজা হয় প্রতিটি পরিবারে। প্রতি কেজি মুড়ি তারা ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি করেন। এক সময় এ গ্রামে ২৫টি পরিবার মুড়ি ভাজার কাজে থাকলেও বর্তমানে ৩/৪টি পরিবার মুড়ি ভাজার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ধানের দাম বেশি হওয়ায় এবং আধুনিক মেশিনে মুড়ি ভাজায় হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা অনেকটাই কমে গেছে। তবে রমজান আসলে একটু চাহিদা থাকলেও বছরের অন্যান্য সময় অনেকটা অলস সময় কাটাতে হয় তাদের। মুড়ি ভাজতে লবন, বালু লাগলেও এতে সহায়ক হিসেবে মাটির চুলা, লাকরি ও মাটির কড়াইয়ে মুড়ি ভাজা হয়। এতে এক একটি পরিবারের ৪ থেকে ৫ জন সদস্য সার্বক্ষনিক মুড়ি ভাজার কাজে সহায়তা করে থাকেন।
এমনি ভাবে কাদলা পাল বাড়ির অজয় পাল, যুবরাজ পাল, বিমল পাল, দিলিপ পাল, বিষ্ণু পদ পাল, বিমল পালের পরিবারও এ মুড়ি ভাজার কাজ করে তাদের সংসার চালিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। তবে তারা জানান, এ পেশায় আগের মতো চাহিদা না থাকায় এবং লোকজন আগের মতো মুড়ি না ভাজায় বাধ্য হয়ে বংশগত পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে অনেকে।
তাদের দাবি বাপ-দাদার ঐতিহ্যগত এ পেশা বদল করতে চাইলেও পারছে না এবং কাছা-কাছি এলাকায় বৃহৎ বাজার না থাকায় ইচ্ছা করলেও ব্যবসা করতে পারছে না তারা।
বিমল পাল,শ্যামল পাল ও অমর পাল জানান, চলতি বছর এক মন ধান ১৭-১৮শ টাকায় ক্রয় করতে হয়। মুড়ির দাম কম হওয়ায় এবং আগের মতো মানুষের হাতে ভাজা মুড়ি ক্রয়ে আগ্রহ না থাকায় এ পেশায় আমাদের এখন আর পোষে না। আমরা বাপ দাদার ঐতিহ্য পেশায় ধরে রাখলে ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের ছেলেরা এ পেশায় থাকবে না। তারা আরো জানান, ইচ্ছা করলেই এ পেশা বদল করা যায় না। তাই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা এনজিও সংস্থার ঋণ সহায়তা নিয়ে এ পেশাকে এগিয়ে নিতে চান কাদলা গ্রামের মুড়ি ভাজার কারিগড়রা ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
গতকাল (৩ এপ্রিল) সকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোঃ মশিউর আলম ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাস্থ উপ-কর কমিশনারের কার্যালয় এর সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে কমলপুর রাস্তা থেকে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো: ১।
হায়দার আহম্মেদ উৎসব প্রকাশ উৎসব শিকদার (৩০), পিতা- মৃত মাসুদ পারভেজ, সাং- নতুন বাজার, গাবতলী (মাজদাইর গোরস্থান সংলগ্ন
তুহিন মিয়ার ভাড়াটিয়া) থানা- ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ।
২। মোঃ রাকিব হাসান প্রকাশ রকি(৩৫), পিতা- মৃত হায়দার আলী প্রকাশ হাসান আলী, স্থায়ী ঠিকানা:- সাং- বাহার পাড়া, রহিম মিয়ার বাড়ি, থানা- টঙ্গীবাড়ী, জেলা- মুন্সিগঞ্জ, বর্তমান সাং—ইসদাইর (কাপুড়িয়া পট্টি গাবতলী, উকিল টিটন মিয়ার ভাড়াটিয়া) থানা- ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ।
৩।
মাহফুজুর রহমান প্রকাশ মুন্না (৩০), পিতা- আলমাছ ঢালী, সাং- পশ্চিম ইসদাইর, গাবতলী (দোহার ভিলা), থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়নগঞ্জ।
৪। সুফিয়ান হোসেন সজল(২৪), পিতা- আবুল খায়ের, সাং- করপাড়া (হাজী বাড়ী), থানা- রামগঞ্জ, জেলা- লক্ষীপুর, বর্তমান সাং- ই ব্লক, ০৫নং লাইন, ৪৪নং বিসমিল্লা হাউজ, মিরপুর, থানা- শাহআলী, ডিএমপি, ঢাকা।
৫। মোঃ ইব্রাহিম(২৬), পিতা- আব্দুল বাসেত মন্ডল, সাং- নোয়াপাড়া, থানা- ইসলামপুর, জেলা- জামালপুর, বর্তমান সাং- উত্তর মাসদাহর (গাবতলী), থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়নগঞ্জ।
৬।
রবিউল আলম পিয়াস(২৬), পিতা- মৃত শিহাবুল আলম মিলন, সাং- কমলপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা।
গ্রেফতারকৃত
আসামীদের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায়
এজাহার দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য,
গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী মোঃ রাকিব হাসান প্রকাশ রকি (৩৫) এর বিরুদ্ধে পূর্বের
৫ টি মাদক মামলা
ও ০১ টি অন্যান্য
ধারায় মামলা।
২নং
আসামী হায়দার আহম্মেদ উৎসব প্রকাশ উৎসব শিকদার এর বিরুদ্ধে পূর্বের
৪ টি মাদক মামলা
ও ১ টি অন্যান্য
ধারায় মামলা।
৩নং আসামী মাহফুজুর রহমান প্রকাশ মুন্না (৩০) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১ টি মাদক মামলা ও ১ টি গনধর্ষন মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিপ্লব চক্রবর্ত্তী:
প্রতিনিয়তই কেউ না কেউ চলার পথে কিংবা হঠাৎ করেই সবচেয়ে প্রিয় ও মূল্যবান মোবাইলটি হারিয়ে যাচ্ছে। আর সেই মূল্যবান মোবাইলটি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে দুঃচিন্তায় ভুগতে হচ্ছে দিনের পর দিন। দুঃচিন্তা থেকে মুক্তি দিতেই কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) এর কঠোর দিক নির্দেশনায় ও কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ সন্জুর মোর্শেদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার এ এস আই মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সকল হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের নিকট বুঝিয়ে দিচ্ছেন।
উল্লেখ্য যে, গতকাল (২ ডিসেম্বর ) শনিবার কোতয়ালী মডেল থানার এ এস আই মনিরুল ইসলাম গত দুইবছর আগে অশোকতলার বাসিন্দা নারায়ণ চক্রবর্ত্তীর ছোট ছেলে গোবিন্দ চক্রবর্ত্তীর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি জিডি মূলে উদ্ধার করে হস্তান্তর করেন।
দুই বছর পর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি হাতে পেয়ে গোবিন্দ চক্রবর্ত্তীর দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল।
সদ্য স্নাতক পাশকৃত ছাত্র গোবিন্দ চক্রবর্ত্তী বলেন, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি ফেরত পেয়ে আমি প্রথমে সৃষ্টিকর্তার কাছে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় ও কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। শিক্ষাবস্থায় টিউশনির টাকা জমিয়ে এই মোবাইলটি ক্রয় করেছিলাম। টিউশনি করিয়ে কান্দিরপাড় হয়ে বাসায় এসে দেখি আমার শখের ও কষ্টের জমানো টাকা দিয়ে কিনা মোবাইল ফোনটি হারিয়ে গেছে। এমতাবস্থায় আমি সাথে সাথে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হারানো জিডি করে আসি।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনটি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করে এ এস আই মনিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে প্রতিদিনেই অনেক মোবাইল হারানোর জিডি আসে। কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান স্যার এর কঠোর দিক নির্দেশনায় ও কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ সন্জুর মোর্শেদ স্যারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আমার কাছে আসা প্রতিটা জিডিই গুরুত্ব সহকারে দেখছি এবং প্রতিনিয়ত প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করছি।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে একটি মাদ্রাসার ছয় শিক্ষার্থীসহ
৮ জন আহত হয়েছেন। বজ্রপাতে দুইটি গরু মারা গেছে।
জানা গেছে, সোমবার দুপুর চারটা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন
স্থানে কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে বজ্রপাত হয়।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে হওয়া বজ্রপাতে অন্তত ৮ জন আহত হয়ে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। আহতরা হলেন- উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের তামারহাজি গ্রামের
আনছার শেখের স্ত্রী শেফালী (৩৫), পৌরসভার সোতাশী গ্রামের রহমানিয়া আরাবিয়া মারকাস মাদ্রাসার
শিক্ষার্থী জাকারিয়া (১১), অহিদ (১২), সোহেব (১১), সজিব (১২), হোসাইন (১০), আ. মমিন
(১২) এবং পাশের লোহাগড়া উপজেলার চরশালনগর গ্রামের মুনজিলা (২১)।
হাসপাতালে ভর্তি শেফালী বেগমের স্বামী তামারহাজি গ্রামের আনছার শেখ বলেন, সোমবার
বিকেলে গোয়ালঘরের সামনের নারকেল গাছে বজ্র পড়ে। এতে দেড় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের দুটি
গরু মারা যায়। আর গোয়ালঘরের বারান্দায় ছিল আমার স্ত্রী শেফালী। সে মারাত্মক আহত হয়ে
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। অপর বজ্রপাতের ঘটনায় রহমানিয়া আরাবিয়া মারকাস মাদ্রাসার
ছয় শিশু শিক্ষার্থী আহত হয়।আহতদের দেখতে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান
উপজেলা চেয়ারম্যান এম এম মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া।
এ ব্যাপারে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক
ডা. শরীফুল ইসলাম বলেন, আহত রোগীদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থার
অবনতি হলে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের করা একাধিক ফৌজদারি মামলার আসামিরা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরেই অধরা রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এসব আসামি ও তাদের সহযোগী একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গড়ে তুলে ভুক্তভোগীকে ধারাবাহিকভাবে হুমকি, চাঁদাবাজি, অপহরণের চেষ্টা এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার মতো নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে।
মামলার বাদী পেশাজীবী ও জাতীয় অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানান, তার দায়ের করা জি আর মামলা নং ৪১(৮৫০)/২৪ (তারিখ: ১৪ নভেম্বর ২০২৪)–এ আদালত নামীয় ও অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়া বিঘ্নিত না করা এবং সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১।
তবে অভিযোগ রয়েছে, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীর দাবি, আসামিরা একটি সংগঠিত সিন্ডিকেট তৈরি করে বিভিন্নভাবে তাকে ও তার পরিবারকে টার্গেট করে আসছে। তারা কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে, কখনো আবার সরাসরি হুমকি দিচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এই চক্রটি ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত করে মানহানিকর তথ্য ছড়াচ্ছে এবং সাইবার মাধ্যমে হয়রানি চালাচ্ছে। এ বিষয়ে থানার মাধ্যমে তদন্তের জন্য বিষয়টি সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান। এছাড়া ফেসবুকে আপত্তিকর ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং মব তৈরি করার চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, আসামিরা একটি ভুয়া প্রশাসনিক পরিচয় ব্যবহারকারী “স্যার চক্র” নামে একটি প্রতারক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এমনকি মিথ্যা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কথা বলে তাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
এছাড়া, একাধিকবার অপহরণের চেষ্টা, হত্যার উদেশ্য আহত করা,অপহরণ, মুক্তিপন করে চাঁদা দাবি, এবং পেশাগত কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সকল কিছুর প্রমানিক প্রমাণিত নথি পাত্রাদি অপরাধ করা মুহুর্তে কালীন অপরাধী ছবি সি সি ক্যামেরার আওতায় স্থির চিত্র রয়েছে। ভুক্তভোগী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানায়, তার পিছনে প্রায় সময় এবং আশে পাশে সিনয় সন্দেহজনক লোকজন অবস্থান নিয়ে রহস্যময় ভাবে চলাফেরা করা সহ পেশাদার এই অপরাধী বে- আইনি ভাবে বিরোধিতা করে প্রায় সময় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ষরজন্ত্র লাগামহীন ভাবে করেই চলছে এবং প্রতিটি সময়ে তারা বিভিন্ন বে আইনি ভাবে ও আইন বিরোধী কাজ করে ও পরিকল্পিত পরিকল্পনা মাফিক অপরাধ করার লক্ষে আমার গতিবিধি প্রতিনিয়ত নজরদারি করেই সব ঘটে জাওয়া অপরাধ গুলো অতীতে সংগথিত করে, চলমান করছে এবং আগামীতে কোন আইন আদালত পুলিশ প্রশাসন পরোয়া না করে বেপরোয়া ভাবে চলমান অপরাধ এইটাই স্পষ্ট ভাবে ইংগিত করে তারা অপুরনীয় ক্ষতি বা প্রান নাশ বিভিন্ন ষরজন্ত্র করতেই থাকবে। একপর্যায়ে তার বাসায় গোপনে ক্যামেরা স্থাপন করে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করা হয়, তার মোবাইল, ফেসবুক আই ডি,whats app,imo,massenger আই ডি হ্যাকিং করে তথ্য পাচার ও তথ্য বিভ্রান্তি সামাজিক পরিসরে বিভিন্ন মহলে বেপরোয়া ভাবে করেই চলছে।একাধিক বার এই বিড়াট চক্রটি পুলিশ হাতে গ্রেফতার হয়। তারপর তাদের অপরাধ না থামিয়ে আরো আধুনিক ভাবে চক্রটি নগরীর বুকে পেশাগত ভাবে একটির পর একটি ধরাছোঁয়ার বাহিরে লোকজন দিয়ে করে চলছে ও চালাবে।তাদের সকল অপরাধ আলামত মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রর দায়ের করা মামলার সুত্র ধরে সকল কিছুর আমলজোগ্য ও অধতব্য সাইবার অপরাধ সব কিছুর আলামত পুলিশ জব্দ তালিকা জব্দ করে বিশেষ অপরাধ তদন্ত বিভাগ ( সি আই ডি পুলিশ) নিকট প্রেরন করেন ইতিমধ্যে। পুলিশের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে।
আরও উদ্বেগ প্রকাশ করার বিষয় হলো, ভুক্তভোগীর বাসার সামনে কাফনের কাপড় রেখে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, যদি তিনি সংবাদ প্রকাশ বন্ধ না করেন, তাহলে তাকে কাফন পরতে হবে। এ ঘটনায় তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আসামিরা বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে তাদের আত্মীয়স্বজন বা পরিচিতজন থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের নিরাপদ রাখার চেষ্টা করছে। ফলে আইন প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে—কিভাবে এত অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরও তারা গ্রেপ্তার এড়িয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, দস্যুতা সংক্রান্ত আরেকটি মামলা (এফআইআর-৫১, জি আর-৮১২; তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫)–তেও আসামিরা পলাতক রয়েছে। ওই মামলার কোনো মালামাল এখনো উদ্ধার হয়নি। দুটি মামলাই আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য হওয়ায় দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্নের দাবি জানিয়েছেন বাদী।
এছাড়া, সম্প্রতি আরও একটি সিআর মামলা (নং-৬১৫/২৬; তারিখ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। এতে দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ১৪৩, ৩২৩, ৩০৭, ৩৮৫, ৩৬৫, ৪২০, ৫১১, ৫০০, ৫১১,৩৭৯, ৫০৬(২) ও ৩৪ ধারায় সংলিস্ট সাইবার সংক্রান্ত অপরাধ অভিযোগ আনা হয়েছে। আমলী আদালত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট -১ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আমলজোগ্য মামলাটি সরাসরি নথি পাত্রাদি সহ সকল অপরাধ আলামত উপর ভিত্তি করে আমলে নিয়ে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদী জানান, এসব ধারাবাহিক অপরাধের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে তার সামাজিক সম্মানহানি করা হয়েছে এবং তাকে মানসিকভাবে চাপে রাখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় তিনি বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টারে লিখিত অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে আইজিপির অভিযোগ সেল থেকে ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে একটি স্মারক জারি করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে পুলিশ সুপার বিষয়টি গ্রহণ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এর মাধ্যমে কোতোয়ালি থানাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদ আনোয়ার বলেন, “পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশে আমরা বাদীর বাসায় গিয়েছি এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলাগুলোর বিষয়েও তদন্ত চলছে আসামি সহ আসামিদের অপরাধ সহজোগিতাকারী অজ্ঞাত আসামীদের কে গ্রেপ্তার অভিজান অব্যাহত আছে।”
তবে ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি বরং আসামিরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং বিভিন্ন ছদ্মবেশে ধারণ করে পুনরায় অপরাধ সংঘটনের সক্রিয় প্র চেষ্টা চালিয়ে একেক সময় একেক অপ করছে।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমার এবং আমার পরিবারের সদস্যদের জীবন হুমকির মুখে রয়েছে।”
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় অভিন্ন মানদণ্ডে হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাসুক আলী।
মঙ্গলবার (১১জুন ) সকালে জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার মো: আক্তার হোসেন কর্মক্ষেত্রের কৃতিত্ব স্বরূপ তাঁহাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
নবীগঞ্জ থানায় যোগদানের পর থেকে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাসুক আলী পেশাদার অপরাধী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি, চোর, ডাকাত ও মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার, জুয়াড়ি, দেশীয় অস্ত্র, বিভিন্ন প্রকারের মাদকদ্রব্য উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতার, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমসহ নানা ধরণের কাজের মাধ্যমে পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে সার্বিক বিষয়ে অবদান রাখায় ১১ জুন মাসে হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন। স্বীকৃতি স্বরূপ পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে তাঁকে পুরস্কৃত করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বানিয়াচং সার্কেল) পলাশ রঞ্জন দে,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর (সার্কেল) মো: খলিলুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (নবীগঞ্জ -বাহুবল সার্কেল) আবুল খায়ের,সহকারি পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল)নির্মেলেন্দু চক্রবতী। এছাড়াও হবিগঞ্জ জেলার অফিসার ইনচার্জগণ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও অন্যান্য অফিসার ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।
নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাসুক আলী, পুলিশ সুপার মো: আক্তার হোসেন প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, স্যারের কাছ থেকে সম্মাননা স্মারক পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত ও গর্বিত। এ পুরস্কার আমাদেরকে কাজের স্পিহা ও দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে তুলেছে। থানার সংশ্লিষ্ট সকলের দায়িত্বশীলতায় ও ভালোবাসায় আমি পুরস্কৃত হয়েছি। আমরা চেষ্টা করবো অর্পিত দায়িত্ব এবং কর্তব্য যেন সততার সহিত পালন করতে পারি।
মন্তব্য করুন


হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় ট্রাকের
চাপায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ প্রাইভেটকারের পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। চারজন একই পরিবারের
সদস্য।
তারা হলেন, পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার
মোজ আলীর ছেলে জামাল মিয়া (৪০), তার স্ত্রী কামরুন্নাহার (৩৩), ছেলে মো. অনন্ত (১১)
ও নিহত জামালের ভাই এনামুল মিয়া (৩৫)।
নিহত প্রাইভেটকারের চালক হলেন, বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা গ্রামের
ইউনুছ বেপারীর ছেলে হারুন ব্যাপারী (৩৪)।
বৃহস্পতিবার (২ মে) ভোর রাতে উপজেলার
শাহপুর হরিতলা এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মো: বদরুল কবীর জানান, প্রাইভেটকারের যাত্রীরা সিলেটে হযরত শাহজালাল
(র.) এর মাজার জিয়ারতে গিয়েছিলেন। রাতে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে ঘটনাস্থলেই
মারা যান তারা।
মন্তব্য করুন


অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে শেকড় সন্ধানী লেখক, সাংবাদিক ও সংগঠক শরীফ প্রধান-এর বই ‘শিক্ষানবিশ সাংবাদিকতা’। বইটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান 'প্রতিভা প্রকাশ। গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ক বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শাহাদাত শিবলী। মুদ্রিত মূল্য রাখা হয়েছে ৪৫০ টাকা। বই মেলার- ৩২৭,৩২৮ ও ৩২৯ নং স্টলে পাওয়া যাচ্ছে বইটি।
গণমাধ্যম পেশায় আগত নবীন ও শিক্ষানবিশদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহায়ক হবে। বইটির মাধ্যমে সাংবাদিকতার প্রাথমিক বিষয় সম্পর্কে নবীনরা চমৎকার ধারণা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন লেখক।
বই মেলার প্রথম দিন থেকেই প্রতিভা প্রকাশনার - ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯ নং স্টলে বইটি পাওয়া যাবে। এছাড়াও অর্ডার করতে পারবেন রকমারি, বইফেরী, বাতিঘর, প্রথমা, বই বাজার, বিডি বুকস, ই-বইঘর, পাঠক পয়েন্ট, বইয়ের দুনিয়া, বইসদাই, বই প্রহরসহ যে কোনো অনলাইন বুকশপে।
শরীফ প্রধান বর্তমানে দৈনিক ইত্তেফাক-পত্রিকায় কাজ করছেন। এই বইটি লেখকের ৩য় প্রকাশিত গ্রন্থ। এর আগে, আঞ্চলিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত উন্নয়নমূলক প্রতিবেদন নিয়ে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয় "পজিটিভ দাউদকান্দি" নামে বই এবং তথ্য গবেষণা ও আঞ্চলিক বংশ ভিত্তিক ইতিহাসের বই "কাদিয়ারভাঙ্গা প্রধান বংশের ইতিকথা" নামের বইটি লেখকের প্রথম প্রতাশিত গ্রন্থ।
মন্তব্য করুন