

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় কমিউনিটি পুলিশিং এর রাত্রীকালীন গ্রাম পাহারা দলের সদস্যদের সহায়তা ২টি অটোরিকশাসহ মহসিন হোসেন নামের এক ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রবিবার ভোরে কচুয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নিন্দপুর গ্রামের চৌরাস্তা এলাকায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ডাকাত মহসিন দাউদকান্দি উপজেলার পিপিয়াকান্দি গ্রামের মৃত ছামিল হোসেনের ছেলে।
জানা যায়, রবিবার ভোররাতে নিন্দপুর গ্রামের চৌরাস্তায় চেক পেয়েন্টে মহসিন ডাকাত ও তার সহযোগীরা অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কমিউনিটি পুলিশং এর রাত্রীকালীন পাহারা দলের সার্বিক সহায়তায় ডাকাত মহসিনকে আটক করা হয় এবং দুটি অটোরিকশা জব্দ করা হয়। এদিকে তার বিরুদ্ধে দাউদকান্দি, মতলব উত্তর ও কচুয়া থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।
কচুয়া থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, কচুয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিং এর ব্যবস্থাপনায় গ্রাম পুলিশ ও গ্রামবাসী যৌথভাবে চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধে গ্রামে গ্রামে নৈশকালীন পাহারা দেয়। এতে চুরি-ডাকাতি সহ নানা সংঘবদ্ধ অপরাধ বহুলাংশে নিয়ন্ত্রনে আসে। তবে এ প্রক্রিয়া পুরো শীতকাল জুড়ে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


পাওনা
৩৬ হাজার টাকা না দেওয়ায় পরকীয়া প্রেমিকের হাতে খুন হয় কুমিল্লা হোমনা উপজেলার বড় ঘাগুটিয়া
ইউনিয়নের ঘাগুটিয়া গ্রামের শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে
সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
হত্যাকাণ্ডের
পরই রহস্য উদঘাটনে এবং খুনিকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ।
এর একদিন পর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হোমনার শ্রীমদ্দি চরেরগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূলহোতা আক্তার হোসেনকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আক্তার হোসেন (২৭) হোমনা শ্রীমদ্দি চরের গাঁও এলাকার হক মিয়ার ছেলে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর হত্যাকারী আক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, নিহত মাহমুদার সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর মাহমুদা তার পরকীয়া প্রেমিক আক্তার হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা ধার নিতো। সর্বশেষ আক্তার হোসেনের নিহত মাহমুদার কাছে ৩৬ হাজার টাকা পাওনা ছিল। আক্তার সেই টাকা মাহমুদার কাছে ফেরত চাইলে টাকা ফেরত দেব-দিচ্ছি করে আক্তারকে ঘোরাতে থাকেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কয়েক দফা বাগবিতণ্ডা হয়।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আক্তারকে তার পাওনা টাকা ফেরত দেবেন বলে বাড়িতে ডাকেন মাহমুদা। পরে রাতে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন মাহমুদা, হত্যাকারী আক্তার, মাহমুদার ছেলে সাহাত এবং মাহমুদার ভাতিজি তিশা।
খাওয়া শেষে তিশা ও সাহাত ঘুমিয়ে পড়ে। তখন আক্তার তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে মাহমুদা রাগারাগি করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ফের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে মাহমুদাকে মাথায় আঘাত করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন আক্তার। আর ভাবতে থাকেন তিশা ও সাহাত তো সন্ধ্যায় তাকে দেখেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা যদি আক্তারের কথা বলে দেয় সেই আশঙ্কা থেকে তাদের দুজনকেও গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে মরদেহ তিনটি এক খাটের ওপর রেখে পালিয়ে যান তিনি।
হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন বলেন, তিনজনকে হত্যার ঘটনায় নিহত মাহমুদার বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করার পর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে নামে পুলিশ। তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ হত্যাকারী আক্তারকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার রাতে আক্তারকে তার নিজবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার বিকেলে আদালতে তোলা হলে ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এর আগে, বুধবার রাতের কোনো একসময় তিনজনকে হত্যা করে মরদেহ একটি খাটের ওপর ফেলে রাখা হয়।
নিহতরা হলেন বড় ঘাগুটিয়া এলাকার মো. শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
এ
ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতেই নিহত মাহমুদার বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে হোমনা থানায় একটি
হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে শনিবার বিকেলে তাকে আদালতে তোলা হয়।
মন্তব্য করুন


মুকুল বসু বোয়ালমারী প্রতিনিধি:
সম্প্রতি দেশকে অস্থিতিশীল ও নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তি করার প্রতিবাদে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী দোসরদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি। সোমবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় ওয়াপদা মোড়স্থ বিএনপি কার্যালয় হতে ফরিদপুর ১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক ভিপি সামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু’র নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল পৌর সদর বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু বলেন, জামায়াত-শিবির, এনসিপি ও আওয়ামী দোসররা এদেশে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের আশায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। আর ব্যক্তি নৈরাজ্যের দায় চাপাচ্ছে বিএনপির ঘাড়ে। একটি ব্যবসায়িক মহলের আন্তঃকোন্দলকে পুঁজি করে নৃশংস হত্যাকান্ডের ঘটনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জড়িয়ে যে সমস্ত কটুক্তিমূলক মন্তব্য করা হচ্ছে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
জামায়াত ও এনসিপির উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, এদেশের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে গণতন্ত্রকামী জনগণ কখনোই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় মেনে নিবে না। সুতরাং আপনারা আগের নিজেদের চরিত্র ঠিক করেন। আপনাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পুনরাজ্জীবিত করার বাসনা কখনোই বিএনপি এদেশে বাস্তবায়ন হতে দিবে না।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান বাবু, উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব, নাজিম উদ্দিন মিয়া মিলু, পৌর বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম, সাবেক জিএস ও বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, পৌর বিএনপির সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম কালামিয়া, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর মিনাজুর রহমান লিপন, সাবেক কাউন্সিলর শেখ আজিজুল হক, সাবেক কাউন্সিলর মো. ফরিদ আহমেদ, ফরিদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য গোলাম রসূল বিশ্বাস, মো. আলম শেখ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মাহাবুব হাসান সজিব, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাদমান পাপ্পু, জুয়েল, সাব্বির প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকমন্ডলীর পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে শতবর্ষী বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে দুই দিন ব্যাপি ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ-২০২৫ আজ শনিবার শেষ হয়। শুক্রবার সকাল ৯টায় বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়।
প্রশিক্ষণের ১ম দিনে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এর উপ-পরিচালক ড. মো: আয়েত আলী, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ- বিদ্যালয় পরিদর্শক মো: আক্তার হোসেন, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের প্রাক্তন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) ও বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। উল্লেখ্য তিন প্রশিক্ষকই বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। এছাড়া প্রশিক্ষণের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯২ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিশিষ্ট শিল্প উদ্যেক্তা মো: সুমন আহমেদ হানিফ।
২য় দিনে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন বিষয়ে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (BEDU) এর কোর ট্রেইনার গোলাম কিবরিয়া খোন্দকার এবং আইসিটি বিষয়ে জেলা মাস্টার ট্রেইনার রুবাইয়া সুলতানা। প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী মূল্যায়ন ও সম্পর্ক, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা ও এ সংক্রান্ত বিধিবিধান, প্রাতিষ্ঠানিক শিষ্টাচার, পাবলিক পরীক্ষা আইন, শিক্ষকতা পেশার উতকর্ষ সাধনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, এবং সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র মূল্যায়ন ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন অধিবেশনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন মজুমদার,বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের প্রোগ্রামার মো: আবদুর রউফ, বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো: গোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি কাজী আবুল হাছান।
এই প্রশিক্ষণে বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মনির আহমদ,বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: ফারুক হোসেন, বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক লিটন চন্দ্র রায়সহ দুই বিদ্যালয়ের সকল পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণ পঠন পাঠনে বৈচিত্র্য আনে। প্রশিক্ষণ নিলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। এটা বাড়াতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিবন্ধন না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা সদর এলাকায় মুরাদনগর মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সার্ভিসেস নামে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন সুলতানা নিপা অভিযানের নেতৃত্ব দেন।
এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. জয়ন্ত, মুরাদনগর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শাহাদাত হোসেন ও মুরাদনগর থানা পুলিশের একটি টিম।
এ নিয়ে জানা গেছে, মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সার্ভিসেস নামের প্রতিষ্ঠানটি নিবন্ধন (লাইসেন্স) বিহীন। এখানে চিকিৎসা সেবা ও রোগ নির্ণয়ের মতো বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার মতো কোনো পরিবেশ নেই। বিভিন্ন রোগের পরীক্ষার নামে নেওয়া হতো অতিরিক্ত টাকা। কেবল তাই নয়, দক্ষ টেকনিশিয়ানও নেই প্রতিষ্ঠানটিতে।এছাড়া ব্যবহার করা হতো মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট।
সোমবার বিকেলে ভ্রাম্যমান আদালতের টিম ওই ডায়গনস্টিক সেন্টারে অভিযানে গিয়ে ওইসব অনিয়ম দেখতে পায়। নিবন্ধন না নিয়ে অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করা হচ্ছিল। পরে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও গেলে করে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন সুলতানা নিপা বলেন, উপজেলায় লাইসেন্স বিহীন প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ (কুমিল্লা সদর, সদর দক্ষিণ, এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন) সংসদীয় আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়তে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসানের নিকট হতে মনিরুল হক সাক্কুর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন এডভোকেট গোলাম মোস্তফা,সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি,।
এসময় উপস্থিত ছিলেন , মোস্তফা মাষ্টার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির,ওমর ফারুক মিঠু, সাবেক জিএস, কুমিল্লা অজিত গুহ কলেজ, আজাহার উদ্দিন বাপ্পি, সাবেক সহসভাপতি, জেলা ছাত্র দল,মোঃ কবির হোসেন মজুমদার, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র দল, ইকরাম হোসেন ইকু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর যুবদল, আব্দুল হালিম, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর যুবদল, জুয়েল রানাসহ
মনিরুল হক সাক্কু সমর্থিত নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ফসলি জমি ও সরকারী জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে একটি সংঘবদ্ধ মাটি চোর চক্র।
এতে মাটিবাহী ট্রলি, ট্রাক ও ডাম্পারের দাপটে ভাঙছে রাস্তাঘাট।
এ মাটি চুরির হিড়িক চলছে দক্ষিন কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের কুমলির চক মৌজায়। এতে করে বিনিস্ট হচ্ছে আশপাশের ফসলি জমি নস্ট হচ্ছে পরিবেশ।
প্রতিদিন মাটি চোর চক্রের সদস্যরা প্রায় অর্ধাশতাধিক সন্ত্রাসী পাহারায় একদল শ্রমীক দিয়ে ভেকরু সাহায্যে মাটি কেটে ট্রাকে ভরে নিয়ে যায়। এই ট্রাকের মাটি যাচ্ছে আশপাশের যত ইট ভাটায়। প্রতি ট্রাকের মাটি সাড়ে তিন থেকে চার হাজার টাকায় বিক্রি করছেন বলে জানা গেছে। প্রতিদিন মাটি চোরেরা কমপক্ষে তিন শতাধিক মাহেন্দ্রা ট্রাক দিয়ে মাটি চুরি করে বিক্রি করে। কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু হয় এ মাটি কাটার লুট পাট চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। কেউ বাধা প্রদান করলে তার উপর চলে নির্যাতন, হতে হয় বাড়িঘর ছাড়া। আর এসব মাটি চোর চক্রকে সাহায্য করেন স্থানীয় দলীয় নেতারা।
দক্ষিন কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের কুমলিরচক মৌজার সরকারী জমিসহ আশেপাশের ফসলি জমির মাটি অবৈধভাবে চুরিকরে কেটে নিয়ে যাওয়ার খবরে ঢাকা জেলা প্রশাসক নির্দেশে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে ওই এলাকায় সোমবার সকাল ১১টায় অভিযান পরিচালনা করা হয় । অভিযানে কুমলিরচক মৌজার সরকারী জমিসহ আশেপাশের ফসলি জমির মাটি অবৈধভাবে চুরিকরে কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি মাহেন্দ্রা ট্রাক ও একটি সেলো মেশিন জব্দ করেন।
এ সময় ভ্রম্যমাণ আদালত মাটি চুরি করার সহযোগিতা করার কারনে মোঃ মোতাহার (৫৫) ,মোঃ শামীম (১৯) ও আতিক (২৭) নামের তিনজনকে হাতেনাথে আটক করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ০৪ ধারা অপরাধ লঙ্গন করায় প্রত্যেককে ১৫ ধারায় ৩০ দিনের বিনা শ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রম্যমান আদালত।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আবু রিয়াদ । এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ সার্কেল দক্ষিন সহকারী কমিশনার ভূমি নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মনিজা খাতুন, উপজেলা কর্মকর্তা মোঃ শেরিফ হোসেন খান, মোঃ খোরশেদ আলম ও দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। ভ্রম্যমান আদালত শেষে পুলিশের সহযোগিতায় জব্দ করা মাহেন্দ্রা ট্রাক ও সেলো মেশিন থানা হেফাজতে নিয়েছেন এবং সাজা প্রাপ্ত তিনজনকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে হস্তান্তর করেছেন।
ভ্রম্যমান আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আবু রিয়াদ বলেন, বেশ কিছুদিন যাবৎ গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে জানতে পারি যে তেঘরিয়া ইউনিয়নের কুমলিরচক মৌজায় একদল মাটি চোর চক্র দিনে ও রাতে মাটি চুরি করে বিক্রি করে আসছে। এ সংবাদের ভিত্তিত্বে আমি ঢাকা জেলা প্রশাসক স্যারের সাথে এ বিষয় নিয়ে আলাপ করে আজ সকালে উক্ত কুমলিরচক মৌজায় অভিযান পরিচালনা করি। অভিযান পরিচালনা করার সময় মাটি চুরি করে কাটার সহযোগিতা করার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার অপরাধে তিনজনকে হাতে নাতে আটক করি। পরে সেখানে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে প্রত্যেককে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করি। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
আজ (১১ জুন) সকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটা চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে
কোতয়ালী মডেল থানাধীন টিক্কারচর ব্রীজ -টু-পালপাড়া গামী রোডের উত্তর পাশ হতে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ইকবাল
হোসেন ওরফে শুক্কুর আলীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপু এলাকার আবুল মিয়ার
ছেলে মোঃ ইকবাল হোসেন ওরফে শুক্কুর আলী (৪০)।
উক্ত ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল
থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বুধবার (২৬ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় পাবনা সদর উপজেলায় ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ভাই-বোন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের ধোপাঘাটা এলাকায়।
এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও ৫ জন আহত হয়েছে। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতরা হলো: বেড়া পৌর এলাকার শালকিপাড়ার রাজকুমার হালদারের ছেলে প্রদীপ হালদার এবং নাটোরের দিনেশের স্ত্রী শম্পা রানী। তারা সম্পর্কে ভাই-বোন। পরিচয় পাওয়া যায়নি আহতদের।
আহত অনুরাধা ধর (১২) নামের এক শিশু জানায়, নিহত দুইজন তার মাসি ও মামা। পাবনার বেড়ায় তার নানাবাড়ি। তাদের বাড়ি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার শিলিমপুর গ্রামে। তারা নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে মামার জন্য পাত্রী দেখতে শহরে যাচ্ছিল।
পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী গণমাধ্যমকে জানায়, অটোরিকশাটি বেড়া থেকে পাবনার দিকে যাচ্ছিলো। পথে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের ধোপাঘাটা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ৭ জন সিএনজি যাত্রী গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানায় তিনি।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলে জুয়া খেলা ও মাদক সেবনকালে যৌথবাহিনীর অভিযানে সদর বিএনপির সভাপতি আজগর আলীসহ ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শহরের কিছু এলাকায় জুয়া খেলা ও মাদক সেবনের অভিযোগ ছিল। যৌথবাহিনীর অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৩৫ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন:
১. আজগর আলী (৫০), পিতা: মৃত আব্দুল মজিদ, গ্রাম: পাতুলিয়া, টাঙ্গাইল।
২. রক্ষিত (৫৫) বিশ্বজিৎ, পিতা: বিধুন ভূষণ লক্ষ্মী, গ্রাম: কালিবাড়ি, টাঙ্গাইল।
৩. মো: শাহ আলম খান মিঠু (৫৫), পিতা: আব্দুর সবুর খান (বীর বিক্রম), গ্রাম: পূর্ব আদালত পাড়া, টাঙ্গাইল।
৪. জসিম উদ্দিন (৫৭), পিতা: মৃত কোবাদা আলি, গ্রাম: পাট দিঘলিয়া, টাঙ্গাইল।
৫. গোলাম মাওলা (৪৮), পিতা: আব্দুল কাদের, গ্রাম: খুদর জুগলি, ডাক: বাখিল, টাঙ্গাইল।
৬. শাহিন আহমেদ (৫০), পিতা: মৃত বদিল আহমেদ, গ্রাম: থানা পাড়া, টাঙ্গাইল।
৭. আবু জাফর খান (৪৪), পিতা: আমজাদ হোসেন, গ্রাম: থানা পাড়া, টাঙ্গাইল।
৮. মো: আব্দুর রশিদ (৫৫), পিতা: হাজি মোহাম্মদ ওমর আলী, গ্রাম: বিশ্বাস বেতকা, টাঙ্গাইল সদর।
৯. মঈন খান (৬০), পিতা: মৃত খাদেম আলী, গ্রাম: আকুর টাকুরপাড়া, টাঙ্গাইল।
১০. মোস্তফা কামাল (৫৮), পিতা: মৃত ইসমাইল, গ্রাম: করোটিয়া, টাঙ্গাইল।
১১. বিশ্বনাথ ঘোষ (৫৪), পিতা: মৃত মন্টু চন্দ্র ঘোষ, গ্রাম: সাকলিয়া, টাঙ্গাইল।
১২. একে এম মাসুদ (৫৫), পিতা: মিনহাজ, গ্রাম: সাকলিয়া, টাঙ্গাইল।
১৩. শিপন (৫৮), পিতা: মৃত শামসুল হক, গ্রাম: বিশ্বাস বেতকা, টাঙ্গাইল।
১৪. শফিকুল ইসলাম (৬০), পিতা: মৃত শহীদুল্লাহ, গ্রাম: আকুর টাকুরপাড়া, টাঙ্গাইল।
১৫. এস এম ফরিদ আমিন (৫৫), পিতা: মৃত নুরুল আমিন, গ্রাম: বেপারী পাড়া, টাঙ্গাইল।
১৬. কবির হোসেন (৫০), পিতা: মৃত জসীমউদ্দীন, গ্রাম: আকুর টাকুরপাড়া, টাঙ্গাইল।
১৭. মোশারফ উদ্দিন (৫০), পিতা: মৃত রফিক উদ্দিন, গ্রাম: আদালত পাড়া, টাঙ্গাইল।
১৮. হাবিল উদ্দিন (৪০), পিতা: মৃত আব্দুল হানিফ, গ্রাম: বরাট, ডাক: ঘারিন্দা, টাঙ্গাইল।
১৯. মহব্বত আলী (৫৫), পিতা: মৃত শওকত, গ্রাম: বিশ্বাস বেতকা, টাঙ্গাইল।
২০. জাহিদ (৪৪), পিতা: মৃত মজিদ মসজিদ, গ্রাম: আকুর টাকুরপাড়া, টাঙ্গাইল।
২১. প্রিন্স খান (৬৫), পিতা: মনিরুজ্জামান, গ্রাম: থানাপাড়া, টাঙ্গাইল।
২২. সৈয়দ শামসুদ্দোহা (৪৫), পিতা: মৃত কামরুল, গ্রাম: থানাপাড়া, টাঙ্গাইল।
২৩. রফিকুল (৫৫), পিতা: আলিম, গ্রাম: আদালত পাড়া, টাঙ্গাইল।
২৪. বিশ্বজিৎ (৪৫), পিতা: বিজু, গ্রাম: বানিয়াবাড়ি, টাঙ্গাইল।
২৫. সাদেকুর (৫০), পিতা: গোলাম রব্বানী, গ্রাম: পাড় দিঘলী, টাঙ্গাইল।
২৬. সেলিম (৪৫), পিতা: আব্দুর রশিদ, গ্রাম: কাজিপুর, টাঙ্গাইল।
২৭. হাসান আলী (৫০), পিতা: ফেরদৌস, গ্রাম: পূর্ব আদালত পাড়া, টাঙ্গাইল।
২৮. রফিক (৪০), পিতা: মৃত জসিম, গ্রাম: বিশ্বাস বেতকা, টাঙ্গাইল।
২৯. শাহ আলম (৫৫), পিতা: সবুর খান, গ্রাম: পূর্ব আদালত পাড়া, টাঙ্গাইল।
৩০. সিরাজুল (৪৫), পিতা: মৃত রফিক, গ্রাম: পূর্ব আদালত পাড়া, টাঙ্গাইল।
৩১. আশিকুর রহমান (৪৬), পিতা: রউফ, গ্রাম: বিশ্বাস বেতুকা, টাঙ্গাইল।
৩২. শফিক (৫২), পিতা: মৃত সেফাত আলী, গ্রাম: আদি টাঙ্গাইল, টাঙ্গাইল।
৩৩. আখতারুজ্জামান (৪৩), পিতা: মৃত গফুর, গ্রাম: বিশ্বাস বেতকা, টাঙ্গাইল।
৩৪. আরমান (৪৩), পিতা: মৃত শওকত, গ্রাম: আশেকপুর, টাঙ্গাইল।
৩৫. শামসুল (৫৬), পিতা: মিরাজুল, গ্রাম: ছয়আনি পুকুরপাড়, টাঙ্গাইল।
মন্তব্য করুন


বস্ত্র ও পাট এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সপ্তাহখানেক আগেও
কুমিল্লায় ত্রাণ দিয়েছি। আজ জরুরি ওষুধ যা বন্যা পরবর্তী সময় দরকার হয় ও একদল বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক নিয়ে এসেছি। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। দ্রুত বন্যায় ক্ষয়-ক্ষতির নিরূপণ
ও বন্যা দুর্গতদের পুনর্বাসনে কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকার। ক্ষতির পরিমাণ দেখে বন্যায়
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা হবে
শনিবার (৩১ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
উপজেলা ও বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের জরুরি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণের পর এসব কথা
বলেন তিনি। এসময় শিশু ও গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও এইচ অ্যান্ড এইচ ফাউন্ডেশনের হেলথ কেয়ার
প্রজেক্ট কনসালটেন্ট ডা. রেহানা খানমের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রতিনিধি দল বন্যায়
অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে
আহত হয়ে কুমিল্লার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ৬ জনের চিকিৎসার
খোঁজ-খবর নিলেন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। পরে বন্যার কারণে অসুস্থদের পরিদর্শন ও
চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।
বস্ত্র ও পাট এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের নিজ উদ্যোগ ও এইচ অ্যান্ড এইচ ফাউন্ডেশন, পিএসও, এস এস
গ্রুপের ও অন্যান্য সংগঠনের সহায়তায় প্রায় ৭০ হাজার ওষুধ এবং ১০০০ প্যাকেট শিশুখাদ্য
বিতরণ করা হয়েছে, এর মধ্যে পাউডার দুধ, চকোলেট, ম্যাংগো বার,বিস্কুট, চিপস, চানাচুর
ইত্যাদি প্রদান করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম সেনা
ক্যাম্পের লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রহমতুল্লাহ, সার্কেল
এএসপি জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহেদা বেগমসহ সেনাবাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তা
ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন