

সোমবার
বিকেলে কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে আম রূপালী ও নারিকেল গাছসহ
বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ রোপন করেন সদ্য যোগদানকৃত কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও
দায়রা জজ মোসতাক আহমেদ।
বৃক্ষ
রোপনকালে কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোসতাক আহমেদ বলেন- এ বিশ্বকে
সুশীতল ও বাসযোগ্য করে রাখাসহ মানুষের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য যেসব মৌলিক
চাহিদা রয়েছে তার অধিকাংশই পূরণ করে বৃক্ষ। তাই মানব জীবনে বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা
অপরিসীম।
তিনি
আরও বলেন- গাছ আমাদের পরম বন্ধু। গাছপালা ব্যতীত পৃথিবীতে আমাদের অস্তিত্ব কল্পনা
করা কঠিন। দেশের অর্থনীতিও জনজীবনে স্বাচ্ছন্দ আনার জন্য আমাদের প্রত্যেকের অন্তত
দুটি করে বৃক্ষরোপণ করা দরকার।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান সহ জেলা
জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির অন্যান্য বিচারকগণ।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীর (১১) বিয়ে পড়ানো হয়েছে। কাজি ডাকারও তোড়জোড় চলছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ইউএনও। বিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বর ও কনের পরিবার। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। সড়কে আটকে রেখে বসানো হয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারাদণ্ড দেওয়া হর বর, বরের খালা ও কনের মাকে।
সোমবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে জয়পুরহাট শহরের সাহেবপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটেছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশেদুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: শহরের সাহেবপাড়া এলাকায় ফয়জুল হকের ছেলে নাহিদ হাসান (২০), তার খালা রুমা ও কনের মা মাজেদা। এদের মধ্যে নাহিদকে এক মাস, তার খালা ও কনের মাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মেয়ে ও ছেলের পরিবার একই মহল্লার বাসিন্দা। ১১ বছর বয়সী ওই মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। তার বিয়ে দেওয়ার জন্য ছেলেকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। স্থানীয় মৌলভি ডেকে বিয়ে পড়ানো হয়। কাজী ডাকার তোড়জোড় চলছিল। কিন্তু গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে হাজির হন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশেদুল ইসলাম।
আর এই খবরে পালিয়ে যান বর ও কনের পরিবার। তাদের পিছু নিয়ে সড়কেই আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বাল্যবিবাহের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে কনের মাকে ১৫ দিন। বরকে এক মাস ও অভিভাবক হিসেবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা বরের খালাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ইউএনও মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে শোনা যায়, স্থানীয় মৌলভি ডেকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে রেজিস্ট্রি করা হয়নি বা কোনো ডকুমেন্ট নাই। মেয়ের বয়স কম, সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। এ কারণে বাল্যবিবাহ আইনে মেয়ের মা, বর ও বরের খালাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কারাদণ্ডের পর তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি- কুমিল্লার উদ্যোগে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ধর্মপুরে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে একাধিক মামলার আসামী শাফিয়াকে ১০০ পুরিয়া গাঁজাসহ আটক করে নিয়মিত মামলা দায়ের এবং ইয়াবা সেবনের অপরাধে দুই জনকে মোবাইলকোর্টে কারাদণ্ড প্রদান।
ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্বাবধানে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাৎ হোসেন এঁর নেতৃত্বে উক্ত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসারসহ ১৩ জন সেনা সদস্য, কুমিল্লা এনএসআই এর ফিল্ড অফিসার মিনহাস আহমেদ, কুমিল্লা কাস্টমস এর সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো: শামসুল আলম, আট জন পুলিশ সদস্য, বিভাগীয় পরিদর্শক মো: শরিফুল ইসলাম, পরিদর্শক মো: শফিকুল ইসলামসহ ডিএনসির সকল সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর ৫ টায় কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানাধীন ধর্মপুরের বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িতে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী শাফিয়া আক্তার (৫৭) নামের একজন আসামিকে আটক করে। আটককৃত আসামি কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ধর্মপুর গ্রামের (শাহ আলম মেম্বার বাড়ী) মৃত মনজিল মিয়ার স্ত্রী।
ইয়াবা সেবনের জন্য ইয়াবা সংরক্ষণের অপরাধে জাকির হোসেনকে ৩ মাসের কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয় এবং ইয়াবা সেবনের অপরাধে আমান হোসেনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
তারা হলেন- কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন
ধর্মপুর এলাকার আমির হোসেন
এর ছেলে জাকির হোসেন (৪২) এবং হারুন মিয়ার
ছেলে আমান হোসেন (৪০)।
গ্রেফতারকৃত আসামী শাফিয়ার আক্তারের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


জেসিআই ঢাকা আপটাউন এর ২০২৬ সালের জেনারেল অ্যাসেম্বলি ও চেইন হ্যান্ডওভার সেরেমনি রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ১০ মার্চ প্রাণবন্ত পরিবেশে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক যা বিশ্বের ১২৭ টি দেশে বিস্তৃত।
এটি তরুণ উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের নেতৃত্ব বিকাশের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন সৃষ্টিতে কাজ করে। জেসিআই বাংলাদেশ জাতীয় সংগঠন হিসেবে পরিচালিত হয় এবং জেসিআই ঢাকা আপটাউন দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ও গতিশীল লোকাল চ্যাপ্টার হিসেবে স্বীকৃত।
জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে নাভিদ নওরোজ শাহ্ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। নবগঠিত ২০২৬ লোকাল বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা হলেন ইমেডিয়েট পাস্ট লোকাল প্রেসিডেন্ট এবং ২০২৬ ন্যাশনাল ট্রেনিং কমিটি চেয়ার সুমাইয়া ইসলাম; সহসভাপতি ফারহান মাহি; সেক্রেটারি জেনারেল জিয়া উদ্দিন রিয়াদ; জেনারেল লিগ্যাল কাউন্সেল অ্যাডভোকেট সাজিদ হোসেন; ট্রেজারার তাইবা রহমান মাইশা; ট্রেনিং কমিশনার ফারহাতুল জান্নাত, জেআইবি চেয়ার শফিকুল আলম শাওন; ডিরেক্টর নাসির সরকার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ২০২৫ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট সুমাইয়া ইসলাম এবং নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ২০২৪ লোকাল প্রেসিডেন্ট ফয়জুন্নুর আখন।
অনুষ্ঠানে জেসিআই বাংলাদেশের জাতীয় নেতৃবৃন্দ আতিথেয়তা গ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশের ২০২৬ ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন রাফি আহমেদ, ২০২৫ ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট কাজী ফাহাদ, ২০২৪ ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ও ক্লাব জেসিআই লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট ইমরান কাদির, ২০২৬ ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট খন্দকার নায়েমুল হাসান, ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জাফির শাফি, ন্যাশনাল সেক্রেটারি জেনারেল সিনান আরেফিন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল চেয়ারপারসন রাফায়েলুর রহমান মেহেদী; ফাউন্ডেশন অ্যাফেয়ার্স চেয়ারপারসন রেজওয়ানুর রহমান, জেসিআই ঢাকা আপটাউন এর পাস্ট লোকাল প্রেসিডেন্ট সালেহীন এফ নাহিয়ান ও নাজিয়া বরকত এবং অন্যান্যরা। এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন দূতাবাস এর কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
২০২৬ লোকাল প্রেসিডেন্ট নাভিদ নওরোজ শাহ্ পূর্ববর্তী নেতৃত্ব, বিশেষ করে বিদায়ী লোকাল প্রেসিডেন্টের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ২০২৬ সালে অর্থপূর্ণ প্রজেক্ট, নেতৃত্ব উন্নয়ন কার্যক্রম এবং সদস্যদের সক্রিয় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে চ্যাপ্টারকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক চেইন হ্যান্ডওভার সম্পন্ন হয়, যা নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা ও আগামী বছরের জন্য নবায়িত অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
নানা হুমকির কারনে ২০১৭ সালে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। সেই জিডিতে তিনি সাবেক ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু চিহ্নিত ব্যক্তিসহ কয়েকজন স্থানীয় দুর্বৃত্তের নাম উল্লেখ করেছিলেন কিন্তু নিরাপত্তার আশায় করা সেই জিডি তার জন্য আশীর্বাদ নয়, পরিণত হয় দীর্ঘমেয়াদি এক দুঃস্বপ্নে।
পরের বছর ২০১৮ সালের ২৮ জুন ফের একটি জিডি করা পর থেকেই শুরু হয় অপরাধীদের নাসকতামুলক অত্যাচার ও নির্যাতনের। গ্রামের বাড়ী বরুড়া কেমতলীতে জাওয়ার পথে নিমশার এলাকায় পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার উপর আক্রমন চালিয়ে আহত করে এবং সি এন জেতে সহ হামলা করে। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে মামলাটি জোরপূর্বক প্রত্যাহার করায় এবং সেই থেকে সকল অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য তারা নারী পুরুষ সম্মিলিত 'স্যার গ্রুপ' গঠন করে একটি চক্র তার বাসার সামনে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি ১৫ইং তারিখে ককটেল বিস্ফোরণ চালায়। একপর্যায়ে তিনি প্রশাসন সহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ মহলেলিখিত আবেদন করেন। এ সকল আবেদন গুলো গুরত্ব সহকারে তদন্ত করা হয়। মামলার হাজিরার ধার্য তারিখে সে উপস্থিত হতে গেলে মোটরসাইকেল মহরা দিয়ে তাকে আদালতে যেতে দেয় নাই, এরফলে বাদী উপস্থিত না থাকার ধরুন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত মামলাটি খারিজ করে দেয়। এছাড়া শুভ্রর বিরুদ্ধে ভুয়া ওয়ারেন্ট দিয়ে আল আমিন ও মতিন নামের দুইজন ৫ হাজার টাকা দাবী করে জারিকারক ও পুলিশের সদস্য পরিচয়ে।শুভ্র মামলার সঠিক তথ্য চেয়ে তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। পরে তিনি কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যলয়ে মিথ্যা মামলার বিষয়ে সহযোগীতা কামনা করেন। যার স্মারক নাম্বার-৯৪৬১/২য়। এ প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার এর নির্দেশে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে ওয়ারেন্টটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এছাড়া গত বছরের ৪ আগস্ট তারা কুমিল্লার টিক্কাচর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাতের বেলায় শুভ্রকে উপর্যপুরী ছুরিকাঘাত করে মারধর করে। এ ঘটনায় কুমিল্লা সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাঁবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩জন পুরুষ ও একজন মহিলাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। যার নাম্বার দ্রুত সিআর ৩৬/২৪ যাহা পিবিআই এর তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট গত দাখিল করেন।তারা আবারো গত বছরের ১৬ ইং অক্টোবর দিনের বেলায় সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা তার উপর হামলা করে। এ ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করে যাচ্ছে আইনশৃংখলা বাহিনী। মামলার আসামিরা হলেন- আমড়াতলী এলাকার মৃত বাবুল সর্দারের ছেলে মহিউদ্দিন (৩৮), আদালত পাড়ার টাউট মতিন (৩৮), পাঁচথুবী এলাকার তারেক (৪২), ঢাকার ধানমন্ডির মৃত ওয়াকিলুর রহমানের ছেলে ফয়সল রহমান (৩৮), সদর দক্ষিণ গলিয়ারা ইউনিয়নের হাবিবের ছেলে মো. মতিন (৪০), ডুমুরিয়া চানপুরের আরাফাত (৩৬), ফৌজদারি এলাকার আল আমিন (৩৫), আদালতের পশ্চিম গেটের সোনিয়া (৩২) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জন।
সর্বশেষ স্যার গ্রুপ অনলাইনে ফেসবুক বিভিন্ন হ্যাকিং, ভুয়া ফেসবুক আই ডি খুলে অশ্লীল ছবি তৈরি করে শুভ্র কে পাঠিয়ে চাদা দাবী করে আসছে ০১৯৭১০৭৩৫৮৪ ও ০১৭০৪২৭২৯৬১ এ নম্বরে। এ বিষয়ে একটি জিডি হয় যার নাম্বার ২২২। জিডির তদন্তে ঘটনার সত্যতা খুজে পেয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০১ কুমিল্লা স্মারক নাম্বার ২৩৮৯ তাং-১৭-০৩-২৫জিডিতে বর্ণিত সকল আসামীদের সকল অপরাধ তদন্তের অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত ডিআর ৫২৬/২৫, তাং-১৯-০৩-২৫ ইং মূলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেন। অতপর তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় স্মারক নাম্বার ২৮২৬ তাং-০৬-০৪-২৫ইং অনুমতি নিয়ে আদালতে একটি নন এফআইআর মামলা করার জন্য প্রসিকিউশন দাখিল করলে মামলা রুজু হয়। যার নাম্বার ২৪/২৫ নন জিআর মামলা নাম্বার ২০/২৫ তারিখ ০৭-০৪-২৫ রজু হয়। যাহা আসামীদের প্রতি সমন সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে কোতয়ালী মডেল থানা দুটি সাধারণ জিডি করা হয়। জিডি নাম্বার ১৪৮৪,১৯/৯/২০২৫,জিডি নাম্বার ২১৩৬, ২৭/৯/২০২৫। ভূক্তভোগী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র বলেন, এইসব কারনে আসামীরা সকল মামলা প্রত্যাহারের জন্য নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে আসছে। আমার বিরুদ্ধে সামাজিক পরিসরে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক তথ্য বিভ্রান্তি ছড়িয়ে চক্রান্ত করছে ,মামলা প্রত্যাহার না করলে আমাকে নানাভাবে ক্ষতির মুখে পরতে হবে বলে হুমকি দিয়ে আসছে।এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিনুল ইসলাম বলেন, মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র একাধিক অভিযোগ আমরা পেয়েছি, আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ আন্তরিকতার সহিত কাজ করছে। ইতিমধ্যে একজন আসামী আটক করা হয়েছে। বাকীদের ও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর জেলার কচুয়ায় জান্নাত আক্তার (৯) নামের এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার রাত ৮টার দিকে পৌরসভার কড়ইয়া গাইন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে সোমবার ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুরের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। জান্নাত আক্তার উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের জাফর খন্দকারের মেয়ে।
জান্নাতের বাবা জাফর খন্দকার জানান, তার স্ত্রী খালেদা আক্তারের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য থাকায় প্রায় দু’ বছর যাবৎ তার স্ত্রী খালেদা আক্তার মেয়ে জান্নাতকে নিয়ে কড়ইয়া গ্রামে তার বাপের বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। এ ঘটনায় তদন্তপূর্বক মূল রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।
কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে চাঁদপুরের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে কীভাবে বা কখন তাদের মৃত্যু হয়েছে—সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রোববার (২ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড্ডা থানার ওসি হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ওসি জানান, উত্তর বাড্ডার পূর্বাঞ্চল এলাকার ৩ নম্বর রোডের ২ নম্বর গলির একটি বাসা থেকে দম্পতির লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃতরা হলেন সাইফুল ইসলাম (৩০) ও তার স্ত্রী শাকিলা। সাইফুল ওই ভবনের দারোয়ান হিসেবে কাজ করতেন এবং শাকিলা একই বাসায় রান্নার কাজ করতেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ২৫ অক্টোবরের পর কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হতে পারে।
স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে আশপাশের লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বাড্ডা থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
ছাত্র সমাজে দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব সৃষ্টি ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে দুর্নীতি দমন কর্তৃক চাঁদপুরের কচুয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার উপজেলার কোমরকাশা জামালিয়া কমপ্লেক্স দাখিল মাদ্রাসায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মাদ্রাসার সুপার মো. আবু ছালেহ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক মানিক সরকার।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মাদ্রাসার সহ-সুপার মো. বোরহান উদ্দিন,শিক্ষক গৌতম সরকার,শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাছান সহ আরো অনেকে। এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও এলাকার গন্যমান্র ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগরে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বিকেল ৪টায় মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় তিনি প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন।
বাংলাদেশ পুলিশের মুরাদনগর থানার একটি চৌকস ইউনিট উপদেষ্টাকে নিজ উপজেলায় প্রবেশের পর গার্ড অফ অনারে বরণ করে নেয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাবিদরা।
আয়োজকরা জানান, কোরআন হিফজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং মেধাবীদের সম্মাননা জানানোর উদ্দেশ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, "কুরআন হিফজকারীরা সমাজের গর্ব। তাদের মাধ্যমে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ সমুন্নত থাকবে। সরকারের পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগকে সবসময় উৎসাহিত করা হবে।"অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আয়োজক কমিটির হাফেজ মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান জানায়, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবনের একটি অংশ আজ মঙ্গলবার ধসে পড়েছে আর এ ঘটনায় উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।
মূলত নিচে কেউ চাপা পড়ে আছেন কি না, তা দেখতেই এই উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে।
উদ্ধার এ কাজে যুক্ত আছে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট। তবে এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আজ সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। সভায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রকৌশল দপ্তর, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর, ভবন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মজিদ সন্স কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখশ হলের সামনে নির্মাণাধীন এ এইচ এম কামারুজ্জামান হলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ১০ তলা ভবনের কাজ শেষের দিকে। এই হলের সামনে দুই পাশে শেড হচ্ছে। এর পূর্বপাশের একতলা শেডের সাটারিংসহ ঢালাই ধসে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে সাতজনের আহত হওয়ার কথা জানানো হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আহত ব্যক্তিদের তিনজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। দুজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা নিয়েছেন।
বিকেল চারটার দিকেও ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট উদ্ধারকাজ করছিল। রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মো. ওহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর শোনার পরই তাঁরা সেখানে উপস্থিত হন। উদ্ধারকাজ শেষ হতে আরও কিছু কাজ করতে সময় লাগবে। সাটারিংসহ ঢালাই পড়ে গেছে। এগুলো সরাতে সময় লাগছে।
জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনসংশ্লিষ্ট লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । সহ–উপাচার্য মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, এখনো উদ্ধারকাজ চলছে। তবে তাঁর জানামতে সেখানে কেউ চাপা পড়েননি। আজ সন্ধ্যা ছয়টার দিকে একটি জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে ভবন নির্মাণের সঙ্গে জড়িত সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হবে। পরে একটি তদন্ত কমিটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। জানতে হবে, নির্মাণাধীন ভবন কেন ধসে পড়ল।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি তিন শ্রমিক হলেন গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার আজাদুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জের অনুপনগর এলাকার সিফাত ও রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পাহাড়পুর এলাকার সিহাব। এ ছাড়া সুরেজ ও রাসেল নামে দুই শ্রমিক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শ্রমিক জানিয়েছেন, তাঁরা ১১ জন নির্মাণাধীন ভবনটিতে কাজ করছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকা থেকে অস্ত্রসহ অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ এর সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০৬ ডিসেম্বর বুধবার রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ১টি পাইপগানসহ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হলো: কুমিল্লার জেলার কোতয়ালী মডেল থানার, বিষ্ণপুর (পশ্চিমপাড়া) এলাকার মৃত তবদল হোসেন এর ছেলে মোঃ জাহের (৩৮)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন