

বিষধর সাপ রাসেলস ভাইপারের কামড় খেয়ে
আতঙ্কিত না হয়ে সাপটিকে তেড়ে ধরে পিটিয়ে মারেন এবং একে হাতে ঝুলিয়ে নিয়েই হাসপাতালে
দৌড়ে পৌঁছান এক কৃষক।
রাজশাহীতে বিষধর সাপ রাসেলস ভাইপার
দংশন করে হেফজুল আলী (৪৫) নামের এক কৃষককে। আর
শুক্রবার (৩১ মে) সকাল ১০টার দিকে রাজশাহী
মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এভাবেই সাপসহ উপস্থিত হন ওই কৃষক।
কৃষক হেফজুল আলী রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার
পিরোজপুর গ্রামের জসিম প্রামাণিকের ছেলে।
জানা যায়, আজ (৩১ মে) সকাল ৮টার দিকে
পিরোজপুর গ্রামের একটি কৃষি জমিতে ধান কাটার কাজ করছিলেন হেফজুলসহ কয়েকজন কৃষক। ধান
কাটার এক পর্যায়ে হঠাৎ করে একটি রাসেল ভাইপার সাপ হেফজুলের গালে ছোবল দেয়। এতে হেফজুল
ভয় না পেয়ে সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন। এ সময় হেফজুল ওই সাপসহ দ্রুত চারঘাট উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান।
পরে সেখান থেকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল
কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। বেলা ১১টার দিকে তিনি মৃত রাসেল ভাইপারসহ রামেক
হাসপাতালে যান। তখনও তিনি সাপটির লেজ ধরে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন হাতে। এ সময় তিনি নিজেই
কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে ভর্তি হন হাসপাতালটির ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে। আর তার এই দুঃসাহসিক
কাণ্ড দেখে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অনেকেই এসময় হেফজুলের দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে
ছিলেন।
হাতে করে সাপ ঝুলিয়ে হাসপাতালে আসার
কারণ জানতে চাইলে আহত কৃষক হেফজুল বলেন, দংশনের পর সাপটিকে মেরে সাপসহ উপজেলা স্বাস্থ্য
কেন্দ্রে যাই। কিন্তু সেখান থেকে চিকিৎসকরা আমাকে রাজশাহী মেডিকেলে যাওয়ার পরামর্শ
দেন। পরে রামেক হাসপাতালে এসে ভর্তি হই। ধারণা ছিল, চিকিৎসকরা সাপ দেখলে দ্রুত সঠিক
ওষুধ (অ্যান্টিভেনম) দিতে পারবেন।
দ্রুত সঠিক চিকিৎসা হবে এমন আশায় সাপটিকে
সঙ্গে নিয়ে আসেন বলে জানান কৃষক হেফজুল।
চিকিৎসকরা জানান, হেফজুলের অবস্থা বর্তমানে
ভালো। অনেকেই সাপে দংশনের পর কবিরাজ কিংবা ওঁঝার কাছে যান, তিনি সেটা না করে হাসপাতালে
চলে এসেছেন। এটি তার সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির তাণ্ডবে বিধ্বস্ত হয়ে গেছে একটি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে চলছে পাঠদান। দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি ভবন নির্মাণের দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর।
সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, গত শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি। এতে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি, পাকা ধান, ঘরবাড়ি ও অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সেদিনের ঝড়ে উড়ে যায় সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের পশ্চিম চরজুবলী গ্রামে অবস্থিত আবদুল মালেক উকিল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এরপর থেকে খোলা আকাশের নিচে তাদের ক্লাস চলছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। শিক্ষাবর্ষের শেষ সময়ে পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বার্ষিক পরীক্ষা কার্যক্রমও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
আব্দুল মালেক উকিল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারভিন আক্তার বলেন, শুক্রবার ঝড় হইসে। আমাদের ধানের জমি ও বাড়ি ঘরের ক্ষতি হইসে। সকালে গিয়ে দেখি স্কুলটাও নেই। ঝড়ে আমাদের স্কুল উড়ে গেছে। খোলা মাঠে ক্লাস করতেসি। সামনে আমাদের পরীক্ষা আছে।
ফাতেমা নামের আরেক শিক্ষার্থী জানান, সামনে আমাদের বার্ষিক পরীক্ষা। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আমাদের সামনের দিন গুলো নিয়ে শঙ্কায় আছি। ভবন নির্মাণ না হলে আমাদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে। খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করতে অসুবিধা হচ্ছে। রোদ আর গরমে বসে থাকা যায় না। আমাদের একটা স্থায়ী ভবন চাই।
অভিভাবক ফারুক বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে পুরো স্কুলটি লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। কয়েক দিনের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষা। তাই এখন শিক্ষার্থীদেরকে খোলা আকাশের নিচে লেখাপড়া করতে হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. পারভেজ বলেন, এই চরাঞ্চলের শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য ২০০৯ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। যার নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি প্রয়াত আবদুল মালেক উকিলের নামে। আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। ঝড়ে পুরো বিদ্যালয় উড়ে যাওয়ায় খোলা আকাশের নিচে অনিরাপদ পাঠদান চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে সহযোগিতা চেয়েছি। যেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে পাঠদানে অংশ নিতে পারে।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক ম্পিকার মরহুম মালেক উকিলের পুত্র ও সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাহার উদ্দিন খেলন বলেন, আমি ঊর্ধ্বতনকে অনুরোধ করছি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য এবং শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে ভবন নির্মাণ করার জন্য। সেই সাথে বিদ্যালয়টি জাতীয় করণেরও দাবী জানান তিনি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার বলেন, শিক্ষা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিষয়টি দেখা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বিষ্ণুপুর এলাকা থেকে ৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেফতারকৃতের নাম মো. মনজিল হোসেন (৪৫)। তিনি কেরানীনগর গ্রামের মৃত রওশন আলীর ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করতেন।
র্যাব জানায়, মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
র্যাব-১১ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে চলমান অভিযানে এ পর্যন্ত ১৭১ জন চাঞ্চল্যকর অপরাধী, ১৫ জন আরসা সদস্য, ২ জন জঙ্গি, হত্যা মামলার ১৬৫ আসামি, ধর্ষণ মামলার ৭১ আসামি, অস্ত্র মামলার ২৩ আসামি, মাদক মামলার ৩৭৬ জনসহ মোট প্রায় ৪০৩ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ১০২টি অস্ত্র, ১,৩৪২ রাউন্ড গুলি, বিপুল পরিমাণ মাদক এবং অপহৃত ৭০ ভিকটিম।
র্যাব-১১ জানিয়েছে, মাদক ও অন্যান্য অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৩০ কেজি গাঁজা সহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
বুধবার
দুপুরে কোতয়ালী মডেল থানার ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই (নিরস্ত্র) আব্দুর রাহিম
ও সঙ্গীয় ফোর্স কোতয়ালী থানাধীন ৪ নং আমড়াতলী ইউনিয়নের পালপাড়া সাকিনস্থ ব্রীজের উত্তরপাশে
রাসেল এর ওয়ার্কসপের সামনে পাকা রাস্তার উপর তল্লাশি করে ৩০ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী
মুছা আহম্মেদ মুন্না কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মুছা আহম্মেদ মুন্না,(৪২),
পিতা-আবদুল মান্নান, মাতা-মনোয়ারা বেগম ,স্থায়ী: ইছাপাড়া গ্রাম- ভুবননগর, উপজেলা/থানা-
কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা -কুমিল্লা।
উক্ত
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফেনীর
সোনাগাজীতে জোহরের নামাজের আজান দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাওলানা সায়েদুর রহমান
নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
রোববার
(৯ জুন) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার লন্ডনীপাড়া জামে মসজিদে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহত
ব্যক্তি হলেন- চরচান্দিয়া ইউনিয়নের লন্ডনীপাড়া গ্রামের হাশেম লন্ডনী বাড়ির
মৃত মাওলানা মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে সায়েদুর রহমান (৬০)।
মৃতের
পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়,
দুপুর ১টার দিকে লন্ডনীপাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন ছুটিতে
থাকায় মসজিদে আজান দিচ্ছিলেন মাওলানা সায়েদুর রহমান। এ সময় আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর
সঙ্গে সঙ্গে মাইক্রোফোনে বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। স্থানীয়রা
তাকে উদ্ধার করে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের
ছোট ভাই এম ফখরুল ইসলাম জানান,
তার ভাই দীর্ঘ দিন যাবত সৌদি আরবে ছিলেন। দুই বছর পূর্বে দেশে ফিরে আসেন। তিনি
ওই মসজিদের নিয়মিত একজন মুসল্লি ছিলেন।
মন্তব্য করুন


গতকাল খাগড়াছড়ি
ও আজ রাঙামাটিতে সৃষ্ট সমস্যা নিরসনে আন্তরিকভাবে কাজ করছে সরকার।
শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত বুধবার এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি ও পরবর্তীতে তার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান হামলা, আক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনায় সরকার গভীরভাবে দুঃখিত এবং ব্যথিত।
প্রধান উপদেষ্টার মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো বার্তায় আরো বরা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সকল বাহিনীকে সর্বোচ্চ সংযম দেখাতে এবং পার্বত্য তিন জেলায় বসবাসকারী সকল জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর।
বার্তায় আরো বলা হয়, আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া এবং ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত না হওয়ার জন্য সকলকে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। আইন নিজ হাতে তুলে নেওয়া এবং যে কোনো সম্পত্তি ধ্বংস করা দণ্ডনীয় ও গর্হিত অপরাধ। সহিংসতার সঙ্গে সম্পর্কিত সকল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত আর দায়ী ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি খুব শিগগিরই গঠন করা হবে। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মিডিয়া উইং এ আরো বলা হয়, আগামীকাল শনিবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি পরিদর্শন করবেন। এই প্রতিনিধি দলে থাকছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা এবং প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।
এর আগে খাগড়াছড়িতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তারা হলেন, ধনঞ্জয় চাকমা (৫০), রুবেল ত্রিপুরা (২৫) ও জুনান চাকমা (২০)।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
খাগড়াছড়ির সহিংসতা ও মৃত্যুর
ঘটনার পর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে আরেক পার্বত্য শহর রাঙ্গামাটিতেও। এতে একজনের মৃত্যু
হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


খবর ছড়িয়েছে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন চট্টগ্রামের তরুণ রাজনীতিবিদ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল জনপ্রিয় মানবিক ব্যক্তিত্ব ফারাজ করিম চৌধুরী। এ বিয়ের গুঞ্জন সবদিকে দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ছে।
তবে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠলেও বিশেষ কোনা কারণে মুখ খোলেননি কেউ। এমনকি বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ পেলেও এ বিষয়ে কথা বলতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফারাজ করিম চৌধুরী'র পক্ষ থেকেও কেউই সাড়া দেননি।
জানা যায়, অনলাইন ফ্ল্যাটফর্মে দেশের বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ ফারাজ করিম চৌধুরীর সাপোর্টার ও ফলোয়ার্স। কদিন আগেই একটি বিয়ের কার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যার কারণে তার বিয়ে নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতুহল অনেক বেশি বেড়েছে। গত বছরও একই কাণ্ড ঘটেছিলো।
ছোটবেলা থেকে মানুষের বিপদে আপদে পাশে দাঁড়ানো এই তরুণকে ঘিরে দেশবাসীর কৌতুহলের শেষ নেই। কেননা, দেশজুড়ে বিভিন্ন দূর্যোগকালীন মুহুর্তে সাহসিকতার সাথে মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে কোটি কোটি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি।
১৯৯২ সালে চট্টগ্রামের রাউজানে জন্মগ্রহণ করা ফারাজ করিম চৌধুরীর পিতা এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী টানা ৫ বারের সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র হতে জানা যায়, ইতোপূর্বে বিয়ে প্রসঙ্গে ফারাজ করিম চৌধুরী বিভিন্ন মিডিয়ায় ঘোষণা দিয়েছিলেন সাদামাটাভাবে মসজিদে শরীয়াহ নিয়ম মেনে বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।
সত্যিই কি এমন কিছু ঘটতে থাকে এ জন্য আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে বলে ফারাজ করিম চৌধুরীর ঘনিষ্টদের অনেকেই জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় আম কুড়াতে
গিয়ে পুকুরের পাড় ভেঙে মাটির নিচে চাপা পড়ে জান্নাত বেগম (২৬) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু
হয়েছে।
শনিবার (১৮ মে) সকালে উপজেলার সাঁচড়া
ইউনিয়নের রাম কেশব গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জান্নাত ওই গ্রামের রুবেলের স্ত্রী।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
শাহিন ফকির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্ত
ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারে পাহাড় ধসে একদিনে পৃথক ঘটনায়
চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই নারী
ও দুই শিশু রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে
শহরের কলাতলী সৈকতপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে একই পরিবারের ৮ জন মাঠি চাপা পড়ে। এ ঘটনায়
বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মিম নামের এক শিশুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার
করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাঈদ আনোয়ার বলেন,
গাছ এবং পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৮ জন মাটির নিচে চাপা পড়ে। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস
এবং স্থানীয়রা মিলে ওই পরিবারের ৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মিম নামের এক শিশুকে
বাঁচানো যায়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে সদরের ঝিলংজায়
লায়লা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ পাহাড় ধসে নিহত হন। তিনি দক্ষিণ মহুরিপাড়া এলাকার বজল
আহমদের স্ত্রী। এ ঘটনায় তাদের ২ বছরের শিশু মোহাম্মদ জুনায়েদ গুরুতর আহত হয়ে কক্সবাজার
সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টার দিকে
পাহাড় ধসের পৃথক ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়। শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের পূর্ব পল্যান কাটা এলাকায়
বসতঘরে পাহাড় ধসে স্থানীয় মোহাম্মদ করিমের স্ত্রী জমিলা বেগম (৩০) নিহত হয়েছেন। এছাড়া
শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের সিকদার বাজার এলাকায় মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয় সাইফুলের
ছেলে মো: হাসানের (১০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রকিবুজ্জামান বলেন, কক্সবাজারে পৃথক পাহাড় ধসের
ঘটনায় দুই নারী ও দুই শিশু নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী
আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই)
সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ৩৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আগামী দুদিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে অস্থায়ীভাবে
দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানান
তিনি।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) মধ্যরাত থেকে
কক্সবাজারে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাকখালী ও মাতামুহুরি নদীসহ বিভিন্ন ছোট বড় নদ-নদীর
পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার সদর, রামু, চকরিয়া, উখিয়া, টেকনাফ
এবং কক্সবাজার পৌরসভার অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে পর্যটন
শহরের কলাতলী সড়কসহ অসংখ্য ছোট-বড় সড়ক, বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৪ থেকে ৫ ফুট
উচ্চতায় পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা, হোটেল-মোটেল জোনে
বৃষ্টির পানির কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কলাতলী সড়ক, বাজারঘাটা, বাস টার্মিনাল,
উপজেলা বাজার ও লিংকরোড় এলাকায় সড়কে বন্যার পানি জমে যায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে এক কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনসহ চোরাচালানী পণ্য আটক করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
সোমবার ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও আদর্শ সদর উপজেলার সীমান্ত এলাক থেকে এসব মালামাল আটক করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা সীমান্ত এলাকার নোয়াপুর কাচিগাং মাঠ থেকে মালিক বিহীন অবস্থায় ৫২ লাখ টাকা মূল্যর অবৈধ ১২১টি মোবাইল ফোন আটক করে।
অন্য অভিযানে আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে ৫৬ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রকার বাজি, শাড়ীসহ অন্যান্য চোরাচালানী পণ্য আটক করা হয়।
মন্তব্য করুন


সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় এক নারী চিকিৎসকসহ মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির।
শুক্রবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকেই নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে রয়েছেন।পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিরা হলেন সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার খৈতর গ্রামের বাসিন্দা শিমুল আহমদ (৩৫), তার স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা (৩২) এবং একই উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের জাবেদ মিয়া (৩০)।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৪ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়, এতে নারী চিকিৎসকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।কর্মবিরতির মধ্যে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে হাসপাতাল প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় এক ঘণ্টার আলোচনা শেষে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
বৈঠক শেষে ইন্টার্ন চিকিৎসক মিজানুর রহমান বলেন, কর্মস্থলে নিরাপত্তাসহ কয়েকটি যৌক্তিক দাবি তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেছেন। এসব দাবি পূরণ হলে যেকোনো সময় কাজে ফেরার জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছেন।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির জানান, চিকিৎসক ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হাসপাতাল প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ঘটনার পর হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতালে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় নারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন