

ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের
কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন। আগামী ১৩
মে তাঁর বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।বাংলাদেশ সংবাদ
বিশেষ
সূত্রে জানা যায়, ডাকসু নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে আকদের
অনুষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে রাজধানীর
একটি কনভেনশন সেন্টারে বিয়ের মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
ডাকসু
ভিপির হবু স্ত্রীর নাম আনিকা ফরায়েজি। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক (এমবিবিএস)। তাঁর গ্রামের
বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। আনিকা ফরায়েজির বাবা রিলায়েন্স গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান
এবং প্রবাসীবাংলা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও
তিনি আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
সাদিক
কায়েমের বিয়ের খবরটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
বিশেষ করে ডাকসুর বিভিন্ন নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফেসবুকে এই খবর
শেয়ার করছেন। ডাকসু নেতা মাজহারুল ইসলামের তৈরি করা একটি ডিজিটাল বিয়ের কার্ড ফেসবুকে
ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়।
সংশ্লিষ্ট
সূত্রে আরও জানা গেছে, বিয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের
দাওয়াত দেওয়া শুরু হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ডাকসুর সাবেক প্রতিনিধিদের
বড় একটি অংশ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে সাদিক কায়েমের পক্ষ থেকে
সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিয়ের কার্ড
ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তাঁর অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় অটোরিকশা উল্টে ঘটনাস্থলে সেনোয়ারা বেগম (৬২) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রামচন্দ্রপুর দক্ষিন ইউনিয়নের পাঁচকিত্তা-রামচন্দ্রপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বৃদ্ধা উপজেলার পূর্বহাটি গ্রামের আঃ রশিদ মিয়ার স্ত্রী।
এ ঘটনায় অটোরিকশা চালক আলাউদ্দিন (৩৫) গুরুতর আহত হন। আহত আলাউদ্দিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশাটি পাঁচকিত্তা থেকে রামচন্দ্রপুর যাওয়ার পথে দিঘলদী গ্রামের শ্মশানের পাশে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পুকুরে পরে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা অটোরিকশা চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় বৃদ্ধার লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আইন
উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, শিগগিরই সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হবে।
বৃহস্পতিবার
(৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর বিচার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ
কথা বলেন।
উপদেষ্টা
আসিফ নজরুল বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব কালাকানুন বাতিল করা হবে। ডিজিটাল সার্ভিসেস
অ্যাক্টে (ডিএসএ) হওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর
আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর আইন মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সাইবার আইনে হওয়া ‘স্পিচ
অফেন্স’ (মুক্তমত প্রকাশ) সম্পর্কিত মামলাগুলো প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মন্তব্য করুন


সাভারে
ছাত্রদল নেতার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে তার স্ত্রী রিয়া মনির (১৯) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তবে ঘটনার পর থেকে ওই ছাত্রদল নেতা আত্মগোপনে রয়েছেন।
সোমবার
( ০৯জুন ) বিকেলে পৌরসভার ছায়াবিথি মহল্লার ডা. তৌহিদুজ্জামানের বাড়ির দ্বিতীয় তলার
তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার
করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
পরিবারের
দাবি, রিয়ার স্বামী সদ্যঘোষিত পৌর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রনি ইসলাম স্ত্রীকে
হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছেন। নিহত রিয়া মনি (১৯) নোয়াখালী জেলার মাইজদী
থানা এলাকার রৌফ চৌধুরীর মেয়ে। তার বাবা-মা দুজনই প্রবাসী।
থানা
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভার পৌরসভার ছায়াবিথি মহল্লার ডা. তৌহিদুজ্জামানের
ভাড়া বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে রনি ও রিয়া দম্পতি ভাড়া থাকতেন। কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর
জেরেই রিয়াকে হত্যা করে ফ্ল্যাটে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায় রনি।
নিহতের
মামা সাদ্দাম হোসেন বলেন, রনি ইসলাম সম্প্রতি পৌর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার
পর থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে রিয়ার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।
পারিবারিক
বিরোধের জেরেই রনি রিয়াকে হত্যা করে বাইরে থেকে তালা মেরে পালিয়ে গেছে বলে দাবি করেন
তিনি। এ ছাড়া রিয়াকে হত্যার বিষয়টি মুঠোফোনে রনি তার মাকে জানালে হত্যার কথা প্রকাশ
পায়। পরে বিকেলে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে
লাশটি উদ্ধার করেন। ঘটনার পর থেকেই রনি ইসলামের মুঠোফোনটি বন্ধ রয়েছে এবং তিনি আত্মগোপনে
আছেন। নিহতের নানি জাহানারা বেগম বলেন, ‘রিয়ার বাবা-মা দুজনই প্রবাসী।
আমাদের
মেয়েকে ওই রনি পরিকল্পিতভাবে খুন করে পালিয়ে গেছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার ও রনির দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি চাই।
সাভার
মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী বলেন, ‘খবর পেয়ে বিকেলে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাটের
তালা ভেঙে রিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশটি ময়নাতদন্তের
জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের
অনুমতিক্রমে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।’
এদিকে,
রাজনৈতিক পদধারী নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের
মাঝেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পলাতক পৌর ছাত্রদল নেতা রনি ইসলামের বিষয়ে জানতে ঢাকা
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালের মুঠোফোনে
একাধিকবার ফোন করলেও তারা রিসিভ করেননি।
মন্তব্য করুন


দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ৩৪ জন। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন ৯৮০ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত এই সংখ্যা ৮১ হাজার ৮৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামরোগ নিশ্চিতের সংখ্যা ৫৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৮৩৩ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত হাম রোগে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৬ হাজার ১৭০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬২ হাজার ২৯২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত সন্দেহে থাকা ৫৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এখন পর্যন্ত মোট ৩৭ হাজার ৭৯৮ জন হাম আক্রান্ত সন্দেহভাজন রয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৮২২ জন।
মন্তব্য করুন


কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য দ্রুত মিশরের সঙ্গে
পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে
বাংলাদেশে নিযুক্ত মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদিন আহমেদ ফাহমি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কূটনৈতিক
ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তির খসড়া অনুমোদনের জন্য
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মিশরে পাঠানো হয়েছে। মিশরের পক্ষ
থেকে এটি অনুমোদিত হলে চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হবে। তাছাড়া সাধারণ পাসপোর্টধারীদের
জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে মিশরের
পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা
ইস্যু, পুলিশের প্রশিক্ষণ, অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধ, আন্তঃদেশীয় সন্ত্রাস
দমন, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, পারস্পরিক আইনি সহায়তা, সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়ে অভিজ্ঞতা
বিনিময়সহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূতকে
স্বাগত জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মিশর বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধুপ্রতিম দেশ।
দেশটি প্রাচীন সভ্যতা ও ইসলামি ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, আন্তঃদেশীয় অপরাধ নেটওয়ার্ক দমনের
বিষয়টি পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হতে হবে। নিরাপত্তা ক্ষেত্রে
সহযোগিতা ছাড়াও দুই দেশের মধ্যে অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধ এবং পারস্পরিক আইনি
সহায়তা বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। বাংলাদেশের বর্তমানে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা
হুমকি সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বড় ধরনের
কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই। তবে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা বাংলাদেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে
একটি অন্যতম প্রতিবন্ধকতা ও নিরাপত্তা উদ্বেগ। কিছু রোহিঙ্গা সীমান্তে নিরাপত্তা সমস্যা
সৃষ্টি করছে।
উপদেষ্টা এ সময় মিশরকে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তা ও রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে নৈতিক সহায়তার আহ্বান জানান।
সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা বিষয়ে মিশর বাংলাদেশকে সহযোগিতা
করতে পারে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, মিশরের সঙ্গে
ইসরায়েলের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম বিরোধপূর্ণ সীমান্ত। তথাপি মিশরের
সীমান্তরক্ষী বাহিনী এটি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ব্যবস্থাপনা করে আসছে।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে কর্মশালা
ও প্রশিক্ষণ আয়োজনের মাধ্যমে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
এটি করা গেলে বিজিবি মিয়ানমার সীমান্তে আরও দক্ষতা ও নিপুণতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে
সক্ষম হবে মর্মে আমি মনে করি।
এ সময় উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, গত ৫০ বছর
ধরে বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক পারস্পরিক
শ্রদ্ধা ও আস্থার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে সেরা পুলিশ প্রশিক্ষণ
একাডেমি মিশরে অবস্থিত। মিশর বাংলাদেশকে পুলিশের প্রশিক্ষণ ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে সহযোগিতা
করতে পারে। তাছাড়া মিশর বাংলাদেশের নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা করতে আগ্রহী।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল
গনি, জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্মসচিব (রাজনৈতিক-১) মু. জসীম উদ্দিন খান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
আফ্রিকা অনুবিভাগের মহাপরিচালক বি এম জামাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে শেকড় সন্ধানী লেখক, সাংবাদিক ও সংগঠক শরীফ প্রধান-এর বই ‘শিক্ষানবিশ সাংবাদিকতা’। বইটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান 'প্রতিভা প্রকাশ। গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ক বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শাহাদাত শিবলী। মুদ্রিত মূল্য রাখা হয়েছে ৪৫০ টাকা। বই মেলার- ৩২৭,৩২৮ ও ৩২৯ নং স্টলে পাওয়া যাচ্ছে বইটি।
গণমাধ্যম পেশায় আগত নবীন ও শিক্ষানবিশদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহায়ক হবে। বইটির মাধ্যমে সাংবাদিকতার প্রাথমিক বিষয় সম্পর্কে নবীনরা চমৎকার ধারণা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন লেখক।
বই মেলার প্রথম দিন থেকেই প্রতিভা প্রকাশনার - ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯ নং স্টলে বইটি পাওয়া যাবে। এছাড়াও অর্ডার করতে পারবেন রকমারি, বইফেরী, বাতিঘর, প্রথমা, বই বাজার, বিডি বুকস, ই-বইঘর, পাঠক পয়েন্ট, বইয়ের দুনিয়া, বইসদাই, বই প্রহরসহ যে কোনো অনলাইন বুকশপে।
শরীফ প্রধান বর্তমানে দৈনিক ইত্তেফাক-পত্রিকায় কাজ করছেন। এই বইটি লেখকের ৩য় প্রকাশিত গ্রন্থ। এর আগে, আঞ্চলিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত উন্নয়নমূলক প্রতিবেদন নিয়ে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয় "পজিটিভ দাউদকান্দি" নামে বই এবং তথ্য গবেষণা ও আঞ্চলিক বংশ ভিত্তিক ইতিহাসের বই "কাদিয়ারভাঙ্গা প্রধান বংশের ইতিকথা" নামের বইটি লেখকের প্রথম প্রতাশিত গ্রন্থ।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহের
মুক্তাগাছায় ১৫ বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে লজিং শিক্ষক ও স্থানীয়
একটি মসজিদের ইমাম মো. আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই ঘটনার পর কিশোরী
বর্তমানে প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
পুলিশ
জানায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খেরুয়াজানী
ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী একটি গ্রাম থেকে অভিযুক্তকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার ভিটিবাড়ী
গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় ধর্ষণের
অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলার
এজাহার সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহ ভুক্তভোগী কিশোরীর ফুফাতো ভাইয়ের সহপাঠী হওয়ায়
তাদের বাড়িতে লজিং থাকতেন। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব
পালন করতেন। কিশোরীর বাবা-মা ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করায় তিনি গ্রামের বাড়িতে
দাদির সঙ্গে বসবাস করতেন।
অভিযোগে
বলা হয়েছে, গত বছরের ২২ নভেম্বর রাতে পড়াশোনার সময় কিশোরীর কক্ষে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণ
করেন আব্দুল্লাহ। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ভয় ও সামাজিক
লজ্জার কারণে দীর্ঘদিন ঘটনাটি গোপন রাখে কিশোরী।
কয়েক
মাস পর কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে তার দাদির সন্দেহ হলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া
হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায়, সে ২৭ সপ্তাহের, অর্থাৎ প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এরপর পরিবারের সদস্যদের কাছে পুরো ঘটনার কথা জানায় কিশোরী এবং অভিযুক্তের নাম প্রকাশ
করে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে তার বাবা থানায় মামলা করেন।
ভুক্তভোগী
কিশোরী বলেন, লোকলজ্জার ভয়ে এতদিন কাউকে কিছু বলিনি। এখন আমি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
আমার সন্তানের সামাজিক স্বীকৃতি চাই এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
মুক্তাগাছা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের
অবস্থান শনাক্ত করে এর আগে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হলেও তিনি আত্মগোপনে
ছিলেন। পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো
হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার
আবেদনও আদালতে করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের
মধ্যে নির্বিঘ্ন নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের
নির্বাহী কমিটি (একনেক) আজ (৭ অক্টোবর) কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর উপর বিদ্যমান পুরাতন
সেতুর পাশে ১১,৫৬০.৭৭ কোটি টাকার নতুন রেল-কাম-সড়ক সেতু প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত
চলতি অর্থবছরের (অর্থবছর ২৫) তৃতীয় ও অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বিতীয় একনেক বৈঠকে এ অনুমোদন
দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, দিনের বৈঠকে
মোট আনুমানিক ২৪ হাজার ৪১২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট চারটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া
হয়েছে। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অংশ থেকে ৭,৭৪৬.৬৬ কোটি টাকা, প্রকল্প
সহায়তা থেকে ১৬,০১২.৩৩ কোটি টাকা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৬৫৩.৯৫ কোটি
টাকা আসবে।
অনুমোদিত চারটি
প্রকল্পের মধ্যে দু’টি নতুন ও দু’টি সংশোধিত প্রকল্প। এছাড়া বৈঠকে ব্যয় না বাড়িয়ে সাতটি
প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়।
রেলপথ মন্ত্রণালয়
২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রেল-কাম-সড়ক সেতু প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে ।
মোট ১১,৫৬০.৭৭
কোটি টাকার প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৪,৪৩৫.৬২ কোটি টাকা আসবে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে
এবং বাকি ৭,১২৫.১৫ কোটি টাকা আসবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিল (ইডিসিএফ) এবং ইকোনমিক
ডেভেলপমেন্ট প্রমোশন ফ্যাসিলিটিজ (ইডিপিএফ), কোরিয়া থেকে। পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানান,
কালুরঘাটে বিদ্যমান সেতুটি পুরনো ও জরাজীর্ণ হওয়ায় এ ব্যাপারে নতুন প্রকল্পের কথা বিবেচনা
করা হয়েছে।তিনি বলেন, সরকার কক্সবাজারকে আরও উন্নত পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর
করতে চায়। এছাড়াও মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সংলগ্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলের
জন্যও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রয়োজন। এ জন্য সরকার মনে করেছে, এ ক্ষেত্রে একটি নতুন
প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত।
পরিকল্পনা কমিশনের
একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে নির্বিঘ্ন
ও নিরবচ্ছিন্ন রেল যোগাযোগ নিশ্চিত করা এবং ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ
তৈরি করা। রেলপথ মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে পুরানো ও জরাজীর্ণ কালুরঘাট
সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারে না। এছাড়া মাতারবাড়ী
গভীর সমুদ্র বন্দর চালু হলে, এ অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য যেমন চাঙ্গা হবে, তেমনি এ রুটের
গুরুত্বও বাড়বে। ইতোমধ্যেই দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন চালুর মাধ্যমে ঢাকা ও কক্সবাজারের
মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। ফলে পর্যটন নগরীর সঙ্গে নির্বিঘ্নে যোগাযোগ
নিশ্চিত করতে বিদ্যমান পুরাতন সেতুর পাশে কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর নতুন রেল-কাম-সড়ক
সেতু নির্মাণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এমন একটি পরিস্থিতিতে প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছে
এবং এইভাবে কোরিয়ান সরকারের অর্থায়নে অনুমোদিত হয়েছে।
বর্তমানে দেশের
আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমের ৭০ শতাংশ হয়ে থাকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। প্রস্তাবিত
প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে নির্বিঘ্ন
রেল যোগাযোগ এবং পণ্য পরিবহন নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
নতুন সেতুটি নির্মিত হলে, এই অঞ্চলের বিভিন্ন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল ও বিশেষ অর্থনৈতিক
অঞ্চলে অবস্থিত কল-কারখানার পাশাপাশি শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য পরিবহন করতে সক্ষম
হবে। মূল প্রকল্পের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ৭০০ মিটার রেল-কাম-রোড ব্রিজ নির্মাণ,
৬.২০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট নির্মাণ, ২.৪০ কিলোমিটার সড়ক ভায়াডাক্ট, ৪.৫৪ কিলোমিটার বাঁধ,
১১.৪৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক কাজ।
অতিরিক্ত ৬,৫৭৩.৯৬
কোটি টাকা ব্যয়ে দ্বিতীয় সংশোধিত মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়নের অনুমোদন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা
বলেন, এটি একটি বড় প্রকল্প। প্রকল্পটির ভূ-রাজনৈতিক দিকও রয়েছে। তিনি বলেন, এই বন্দরের
অর্থায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চীন ও ভারতের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন,
মাতারবাড়ী বন্দরে প্রয়োজনীয় কাজ এখনো শুরু হয়নি এবং বন্দরের উন্নয়নে রাস্তা নির্মাণ
করা হবে।
সভায় অনুমোদিত
অন্য দুটি প্রকল্প হল- সাজেক রোড কানেক্টিভিটি, প্রকল্প-২: এলেঙ্গা-হাটিকামরুল-রংপুর
মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, ৩৭৬.৯৯ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ে দ্বিতীয় সংশোধিত ও ৫,৯০১.২২২
টাকা দিয়ে রেসিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (আরইইউটিডিপি)।
মন্তব্য করুন


রাজবাড়ীতে
ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে যন্ত্রণায় কাতর একটি হনুমান বারবার ছুটে আসছে
মানুষের হাসপাতালে। অবাক করা এই ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হামিদা মেডিকেল
সেন্টারে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে আহত হনুমানটি চিকিৎসা পাওয়ার আশায় ওই ক্লিনিকে
এসে হাজির হয়।
ক্লিনিক
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, হাবাসপুর এলাকার এক ব্যক্তি হনুমানটিকে ধারালো অস্ত্র
দিয়ে আঘাত করে। আঘাতের পর যন্ত্রণা সইতে না পেরে গত দুদিন আগেও হনুমানটি এই ক্লিনিকে
এসেছিল। সে সময় মানুষের মতো ইশারা করে নিজের হাত দিয়ে কাঁধের ক্ষতস্থানটি দেখাচ্ছিল
অবোলা এই প্রাণিটি। মঙ্গলবার দুপুরে এটি আবারও ক্লিনিকে ফিরে আসে। তবে সেখানে কোনো
প্রাণিচিকিৎসক না থাকায় ক্লিনিক থেকে হনুমানটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেওয়া
সম্ভব হয়নি।
এ
বিষয়ে পাংশা উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক জানান, প্রায় এক সপ্তাহ আগে বাহাদুরপুর
এলাকা থেকে হনুমানটিকে আঘাত করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে হনুমানটিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ
দপ্তরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে এবং এটি এখন তাদের নিবিড়
পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘সব দুর্যোগে-বিপদে মানুষের পাশে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিস
সদস্যরা। তাই তাদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, জনবল বৃদ্ধি ও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে
কাজ করছে সরকার।
আজ
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে
এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরো বলেন, ‘ভূমিকম্পের আশঙ্কা আছে, এমন বাস্তবতায় ফায়ার সার্ভিসের সার্বিক উন্নয়ন ও
অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় জরুরি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ‘সারা দেশে ৫৩৮টি ফায়ার স্টেশনের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সেবা
প্রদান করে যাচ্ছে যা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। সেজন্য জনগুরুত্ব বিবেচনায় ২০টি ফায়ার
স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে।
অ্যাম্বুলেন্স
সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১০০টি অ্যাম্বুলেন্স সংগ্রহের কাজও চলমান।
ফায়ার
সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গতি,
সেবা ও ত্যাগের মন্ত্রে উজ্জীবিত এ বাহিনীর প্রতিটি সদস্য যেকোনো দুর্যোগ-দুর্ঘটনা
ও সংকটময় মুহূর্তে সাধারণ জনগণের জান-মাল রক্ষায় নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন।
এদিন
পাসিংআউট করে বাহিনীতে যুক্ত হয়েছেন আড়াই শতাধিক সদস্য। তাদের মধ্যে বুনিয়াদী ৯ জনকে
পদক পরিয়ে দেন মন্ত্রী।
এ
ছাড়া রাষ্ট্রীয় বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ২০ জনকে পদক পরিয়ে দেন তিনি। গত তিন বছরের
জন্য পদক পাবেন আরো ১৩৮ জন।
মন্তব্য করুন