

কুমিল্লার দেবিদ্বারে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭১ পিস গুলি উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী।
গত বুধবার বিকালে উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বখরিকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। যৌথবাহিনী সূত্র জানা যায়, বুধবার সকালে দেবিদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বখরিকান্দি গ্রামের পূর্ব পাড়ার মোঃ রশীদুল ইসলামের বসত ঘরের সামনে রান্না ঘরের পাশে মাটির চুলা তৈরী করার জন্য ২ ফিট মাটি খুড়লে একটি সাদা পলিথিন এর ভিতরে পরিত্যাক্ত অবস্থায় গুলি দেখতে পায়। স্থানীয়রা বিষয়টি দেবিদ্বার সেনা ক্যাম্পে জানায়। খবর পেয়ে দেবিদ্বার সেনা ক্যাম্প ও দেবিদ্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিকাল ৩ ঘটিকায় ৭১ পিস গুলি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
যৌথবাহিনী প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছে উদ্ধারকৃত গুলি গুলো নষ্ট এবং এগুলো মেশিন গানের হতে পারে। এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার ওসি (তদন্ত) “মোঃ মাইনউদ্দিন” বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় মাটির নিচে পলিথিনে ব্যাগে ৭১ পিস গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মোহাম্মদ শফিকুর রহমান পবিত্র রমজান মাসের পবিত্রতা বজায়
রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি )এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানিয়েছেন।
ডা.
শফিকুর রহমান বিবৃতিতে বলেন, ‘মাহে রমাদান রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আমাদের
মাঝে সমাগত। এ মাসের শেষ ১০ দিনের মধ্যে রয়েছে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর নামে একটি বরকতময়
মহিমান্বিত রাত, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। রমাদান মাস তাক্বওয়া, সহনশীলতা চর্চা
ও পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শনের মাস।’
তিনি আরো বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ফ্যাসিবাদমুক্ত
পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের জগদ্দল পাথরের
ন্যায় চেপে বসা জুলুম-নির্যাতনের অবসান ঘটিয়ে জাতি গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে।
এমতাবস্থায় দেশের নাগরিকগণ মৌলিক মানবাধিকারসহ সকল ন্যায়সঙ্গত অধিকার পুনরুদ্ধারের
প্রত্যাশা করছে।’
তিনি বলেন, ‘অপরদিকে পতিত স্বৈরাচারের দোসররা এখনো
দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে এসব চক্রান্ত
ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। শান্তি, স্বস্তি ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বাংলাদেশ
প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ন্যায়সংগত আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।’
ডা.
শফিকুর রহমান বলেন, ‘পবিত্র রমাদান উপলক্ষে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্যের
ঊর্ধ্বগতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়ে নতুন সরকারকে বিশেষ নজর দিতে
হবে।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের দোসর অসাধু ব্যবসায়ীরা এখনো
সমাজের বিভিন্ন স্তরে সক্রিয় রয়েছে। তারা যেন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও ইফতার সামগ্রীর
মূল্য বৃদ্ধি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকারকে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ
করতে হবে। অসাধু ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও পরিকল্পিত
বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ যেন স্বস্তির সঙ্গে মাহে রমাদানের
সিয়াম পালন করতে পারে, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।
প্রয়োজনে
ভর্তুকির মাধ্যমে চাল, ডাল, তেল, মাছ, গোশত, শাকসবজি, চিনি, খেজুর, ছোলা, মুড়িসহ নিত্যপ্রয়োজনীয়
সকল পণ্যের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে।’
দিনের
বেলায় হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ এবং সকল প্রকার অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা
গ্রহণের জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
একই
সঙ্গে পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের শিক্ষার আলোকে সমাজ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে পবিত্র রমজানকে
আত্মশুদ্ধি ও প্রশিক্ষণের মাস হিসেবে গ্রহণ করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান
তিনি।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ. বিন আবিয়াহ।
বৃহস্পতিবার
(১৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দফতরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে
সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাদের (বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক) বাংলাদেশি পাসপোর্ট
প্রদানের অগ্রগতি, জনশক্তি রফতানি ও পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি, বাংলাদেশের জাতীয়
নির্বাচনের প্রস্তুতি, সৌদি আরবে অনুষ্ঠিতব্য 'বিশ্ব প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী'-তে বাংলাদেশের
অংশগ্রহণের আমন্ত্রণপত্র বিনিময়সহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা
করা হয়।
রাষ্ট্রদূতকে
স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব ঘনিষ্ঠ বন্ধুপ্রতিম দেশ। তিনি বলেন,
সৌদি আরব বাংলাদেশি জনগণের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শুধু ইসলাম ধর্মের
পবিত্র ভূমি হিসেবে নয় বরং আমাদের ৩২ লক্ষেরও বেশি প্রবাসী কর্মীর দ্বিতীয় আবাসস্থল
হিসেবেও এটি বাংলাদেশিদের হৃদয়ের গভীরে আসীন রয়েছে। সৌদি প্রবাসীদের অবদান বাংলাদেশের
অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
উপদেষ্টা
এসময় বাংলাদেশ থেকে আরও অধিক হারে জনশক্তি আমদানির জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন।
এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে
বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত
উপদেষ্টাকে সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাদের (বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক)
বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদানের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। এর জবাবে উপদেষ্টা বলেন,
এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন এবং বাংলাদেশের বহিরাগমন
ও পাসপোর্ট অধিদফতর এ বিষয়ে পুরোদমে কাজ করে যাচ্ছে। এটি ত্বরান্বিত করার জন্য স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় থেকে কয়েকটি বিশেষ টিমও পাঠানো হয়েছে। তবে মিশনে আসা আবেদনের তুলনায় পাসপোর্টের
এনরোলমেন্টে উপস্থিতির হার অনেক কম রয়েছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সৌদি আরবের
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত
জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন পরিচালনার
মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হাতে। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মূল দায়িত্ব হচ্ছে
জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। আর আমরা এ বিষয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত
রয়েছি। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন
সংক্রান্ত একটি পরিপত্রও জারি করা হয়েছে। অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার অভিযান বেগবান
করা হয়েছে। 'ডেভিল হান্ট ফেইজ-২' সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান চলছে।
রাষ্ট্রদূত
উপদেষ্টাকে আগামী ০৮-১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মেয়াদে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব
প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী-তে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান এবং এ সংক্রান্ত সৌদি স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের একটি আমন্ত্রণপত্র উপদেষ্টার হাতে তুলে দেন। উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১২
ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কারণে তিনি
এ ইভেন্টে অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং উপযুক্ত প্রতিনিধি প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত
করেন।
বৈঠকে
আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফয়সল
আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব মু. জসীম উদ্দিন খান।
মন্তব্য করুন


শেরপুর-৩
(শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর বৈধ প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যাওয়ায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী উক্ত আসনের
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট স্থগিত করা হয়েছে।
আজ
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য
জানিয়েছেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব
আদেশে বলা হয়েছে, কোনো বৈধ প্রার্থী মারা গেলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন বাতিল করবেন
রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ ক্ষেত্রে নতুন করে তফসিল দিতে হবে।
তবে
আগের বৈধ প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিলের প্রয়োজন হবে না।
বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর বৈধ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মারা যাওয়ায় এ আসনে নতুন তফসিল দেবে
নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গণপ্রতিনিধিত্ব
আদেশের অনুচ্ছেদ ১৭-এর দফা (১)-এ বলা হয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি-এমন কোনো
বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করলে রিটার্নিং অফিসার গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট
নির্বাচনসংক্রান্ত সকল কার্যক্রম বাতিল করবেন।
দফা
(২)-এ বলা হয়েছে, যে ক্ষেত্রে দফা (১)-এর অধীন কোনো নির্বাচনসংক্রান্ত কার্যক্রম বাতিল
করা হয়, সে ক্ষেত্রে এই আদেশের অধীন নতুন কার্যক্রম এমনভাবে শুরু করতে হবে, যেন এটি
একটি নতুন নির্বাচন।
তবে
শর্ত থাকে যে, অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করা
বা অনুচ্ছেদ ১৩-এর অধীন পুনরায় অর্থ জমা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন হবে না।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ এবং ২০২১ সালের মার্চ মাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি দমনে পরিচালিত হত্যাকাণ্ডে
শাহাদাতবরণকারী শহিদ পরিবারের সদস্যদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠান ২০২৫ গতকাল শুক্রবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে শহিদ ৫৮ টি পরিবার এবং ২০২১ সালের মার্চ মাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি দমনে পরিচালিত হত্যাকাণ্ডে শহিদ ১৯টি পরিবারের সদস্যদের মাঝে পরিবার প্রতি ১০ লক্ষ টাকা করে, মোট ৭ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, "শহীদদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না। ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর এবং মোদি বিরোধী আন্দোলনে শহীদদের আজকের এই স্বীকৃতি তারই প্রমাণ।"
শহীদ পরিবারদেরকে স্বীকৃতি দিতে পেরে সরকার গর্বিত উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ইতিহাস থেকে যেন কেউ ঐতিহাসিক শাপলা চত্বরের শহীদদের নাম মুছতে না পারে, এজন্য শাপলা চত্বরেই খোদাই করে লেখা হবে শহীদদের নাম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, "শাপলা চত্বর এবং মোদি বিরোধী আন্দোলনে শহিদদের আর্থিক সহায়তা প্রদান স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ।"
এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়ার সূচনা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের হত্যাযজ্ঞ এবং ২০২১ সালের মোদি বিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে
শাহাদতবরণকারী শহিদ পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদকে আন্তরিক সাধুবাদ জানিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, "স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার এই মহতী উদ্যোগে সারা বাংলার আলেম সমাজ সম্মানিত হয়েছে। "
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা সাজিদুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শাহজাহান মিয়া।
মন্তব্য করুন


দেড়
যুগের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন যেমন বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় স্থান
নিয়েছে, তেমনি রয়টার্স, আল জাজিরাসহ বিভিন্ন বিদেশি গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ২৫ ডিসেম্বর ) দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে রয়টার্সের একটি খবরের শিরোনাম
ছিল- ভোটের আগে নির্বাসন থেকে ফিরলেন শীর্ষ প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত
বাংলাদেশ নেতা।
খবরটিতে
বলা হয়, প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ঢাকায় ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান। তার দল আশা করছে এতে সমর্থকরা উদ্দীপ্ত হবেন। আরও বলা হয়, ফেব্রুয়ারি
১২ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে তাকে।
তারেক
রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে সড়ক জুড়ে লাখো সমর্থকদের উপস্থিতি এবং কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার
কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।
ভারতীয়
গণমাধ্যমে এনডিটিভির সংবার শিরোনাম ছিল- খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান বাংলাদেশে
ফিরলেন: নির্বাসনের সময়টি যেমন ছিল।
তারেক
রহমান দেশে ফিরেছেন এবং এ উপলক্ষ্যে সারা দেশ থেকে নজিরবিহীন মানুষের ঢল নেমেছে, এমন
বর্ণনা উঠে আসে এনডিটিভির প্রতিবেদনে। এর পাশাপাশি ২০০৮ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত
তারেক রহমানের বিষয়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এতে আলোচনা করা হয়।
এএফপির
প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল- খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরলেন
১৭ বছর পর।
বাংলাদেশে
দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা পরিবারের উত্তরসূরি এবং সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের নেতা
তারিক রহমান দেশে ফিরছেন, এমন বর্ণনা উঠে এসেছে প্রতিবেদনটিতে। তার মা খালেদা জিয়ার
শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, তারেক জিয়া তার মায়ের থেকে বিএনপির দায়িত্ব
বুঝে নেবেন এমন ধারণা করা হচ্ছে।
কাতারভিত্তিক
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার সংবাদের শিরোনাম ছিল- ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ফিরলেন বাংলাদেশের
বিরোধীদলীয় নেতা তারেক রহমান।
তারেক
রহমানের পরিচিতি এবং দেশে ফেরার পটভূমির পাশাপাশি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির
চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে আল জাজিরার এই প্রতিবেদনে।
বিবিসি
বাংলার ওয়েবসাইটে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবর লাইভ প্রকাশ করা হয়। এর
শিরোনাম ছিল- ১৭ বছর পর ঢাকায় তারেক রহমান। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান
দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর আজ এসেছেন
দেশের
মাটিতে।
তাকে ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ
বিএনপির সিনিয়র নেতারা।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে
জাতিসংঘ (ইউএন)। একই সঙ্গে তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের
প্রতি সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।
জাতিসংঘের
এক শোকবার্তায় বলা হয়, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী, মহামান্য বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে
জাতিসংঘ গভীর শোক প্রকাশ করছে।’
বার্তায়
আরো বলা হয়, ‘এই শোকের সময়ে জাতিসংঘ সম্মানিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পরিবার ও স্বজনদের
প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে এবং বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি তার সংহতি পুনর্ব্যক্ত
করছে।’
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেছেন, আমার আব্বু হলেন আমার দেখা সবচেয়ে
পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ। আমার জীবনে তিনিই হলেন সেই একজন ব্যাক্তি যার ওপর আমি
নিশ্চিন্তে যেকোনো পরিস্থিতিতে ভরসা করতে পারি।
শুক্রবার
(২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া
এক পোস্টে তিনি এ কথা লিখেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বাবার সম্পর্কে
এটিই জাইমা রহমানের প্রথম কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া।
ফেসবুক
পোস্টে জাইমা রহমান লেখেন, ছোটবেলায় আমাদের সকলের মনেই বিশ্বাস জন্মে যে, আমাদের বাবারা
সবকিছুতেই পারদর্শী। অনেক সময় তারাই হয়ে ওঠেন আমাদের জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে বড় আদর্শ।’
তিনি
আরও লেখেন, ‘বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেমই তাকে আজকের
এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
আমি
খুবই আনন্দিত যে, সমগ্র বাংলাদেশ অবশেষে তার এই অনন্য গুণাবলিগুলো প্রত্যক্ষ করবে।
তার মধ্যে থাকা অসাধারণ গুণাবলিগুলোই তাকে এই দেশ ও জনগণের একজন সত্যিকারের প্রধানমন্ত্রী
হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে ইনশাআল্লাহ।’
ওই
পোস্টে বাবা তারেক রহমানে সঙ্গে নিজের শৈশবের একটি ছবিও পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা
যায়, বাবার কাঁধে বসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ছোট্ট জাইমা। নেটিজেনরা সেখানে মন্তব্য করেছেন-
এই ছবিটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাবা ও কন্যার আবেগ ভালোবাসা।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বাস ও মোটরসাইকেলের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন মোটরসাইকেল আরোহীর। নিহতদের একজন বন্ধু এবং বাকি দু’জন আপন ভাই। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাতের দিকে উপজেলার মাধবপুর কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তিনজন হলেন—সুমন মণ্ডল, ইমন মণ্ডল এবং তাদের সঙ্গী আসিফ মোল্লা। সুমন ও ইমন ভাই, আর আসিফ ছিলেন তাঁদের সহযাত্রী।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাতে তিনজন মোটরসাইকেলে করে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া যাচ্ছিলেন। পথে মাধবপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বরিশালগামী একটি বাস সরাসরি মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় দু’জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অপরজনকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকদের চেষ্টায় তাকে আর বাঁচানো যায়নি।
দুর্ঘটনার পর বাসটি থামেনি বলে স্থানীয়রা জানান। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে।
মন্তব্য করুন


আজ বুধবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহেরের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎ করেছেন। জামায়াতের এ প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিং-এ বলেন, আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যেই জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছি। জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করায় মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা জামায়াতে ইসলামীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আমরা বলেছি- এখন প্রয়োজন এটাকে আইনি ভিত্তি দিয়ে বাস্তবায়ন করা। এই সনদে নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে আগেই পাশ করিয়ে তার ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেছেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন না হলে- তাহলে তো আমাদের সব পরিশ্রম বৃথা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ উনি বলেছেন, ‘আমি এটা বাস্তবায়নের যথাযথ উদ্যোগ নেব।’
আমরা আরও বলেছি, একটা আদেশের মাধ্যমে এটাকে সাংবিধানিক মর্যাদা দিতে হবে। ‘এটা কনস্টিটিউশন (সংবিধান) নয়। এটা হচ্ছে এক্সট্রা কনস্টিটিউশনাল অ্যারেঞ্জমেন্ট; যেটা কোনো সরকার এরকম একটা পরিস্থিতিতে পড়লে দেয়ার এখতিয়ার রাখে। উনি আমাদের সাথে একমত হয়েছেন যে, একটা আদেশের মাধ্যমেই এটা হবে। সকলেই এ পরামর্শ দিয়েছেন যে, একটি আদেশের মাধ্যমে এটাকে বৈধতা দিতে হবে। আর সেই আদেশের উপরই গণভোট হবে। আমরা এটা ক্লিয়ারলি বলেছি।
জুলাই সনদের বিষয়ে অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ তাহের বলেন, অধ্যাদেশ খুব দুর্বল। এগুলোর সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়ার মতো স্ট্রেংথ (ক্ষমতা) অধ্যাদেশে নেই। কিন্তু আদেশ ইজ ইকুইভেলেন্ট (সমান) টু সাংবিধানিক পরিবর্তন পাওয়ার (ক্ষমতা) এবং অথরিটির দিক থেকে। আমরা আমাদের এক্সপার্ট কমিটির সঙ্গে বসেছি। আমাদের এক্সপার্ট কমিটি আবার ঐকমত্য কমিশনের এক্সপার্ট কমিটির সঙ্গে বসেছে। সবাই এই পরামর্শ দিয়েছেন যে একটি আদেশের মাধ্যম এটাকে বৈধতা দিতে হবে। আর সেই আদেশের ওপরেই গণভোট হবে। আমরা এটা ক্লিয়ারলি (পরিষ্কার) বলে আসছি। উনি আমাদের কথায় রাজি হয়েছেন বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। আমরা আশা করি, তিনি সেদিকেই যাবেন।
দ্বিতীয় কথা হলো- গণভোটের ব্যাপারে বিএনপি কোনভাবেই প্রথমত রাজী হচ্ছিল না। আমরা এটার উপর জোর দিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত বিএনপি গণভোটে রাজী হয়েছে। আমরা বিএনপিকে ধন্যবাদ জানাই। তারপরে বিএনপি একটা জটিলতা তৈরী করার চেষ্টা করছে। সেটা হলো গণভোট আর জাতীয় নির্বাচন একদিনে হতে হবে। দু’টো একেবারে আলাদা জিনিস। একটা হচ্ছে জাতীয় নির্বাচনে জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়ে দেশে কিভাবে সরকার চালাবে সেটার সিদ্ধান্ত। আর গণভোট হচ্ছে, আমাদের কতগুলো রিফর্মস; তাহলো কিভাবে সরকার পরিচালিত হবে, কিভাবে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, কিভাবে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা থাকবে এসব মৌলিক বিষয়। এর সাথে জাতীয় নির্বাচনের কোন রিলেশন নেই। সেজন্য আমরা বলেছি গণভোটের মাধ্যমে রিফর্মস গুলো পাশ করাতে হবে। জনগণ যদি হ্যাঁ বলে পাশ হয়ে গেলো। জনগণ যদি না বলে পাশ হবে না। আর যদি হ্যাঁ হয় এর ভিত্তিতে নির্বাচন দিতে হবে। এটা যদি না হয় এটাকে মাইনাস করে নির্বাচন হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে দু’টি গণভোট হয়েছে, একটি হয়েছে ১৭ দিনের ব্যবধানে, আরেকটি হয়েছে ২১ দিনের ব্যবধানে। আমরা বলেছি, নভেম্বরের শেষে দিকে গণভোট করার জন্য। তারপরে আরও আড়াই মাস থাকবে জাতীয় নির্বাচনের জন্য। সুতরাং এখানে সময়ের কোন সমস্যা নেই।
তিনি আরও বলেন, তৃতীয় জটিলতা হলো নোট অব ডিসেন্ট বা পয়েন্ট অব ডিসেন্ট। আমরা ৩১টি দলের সঙ্গে আলোচনা করেছি, যার মধ্যে ২৯টি দল প্রায় একমত হয়েছে- সেটাই মূল সিদ্ধান্ত। এখন যদি দুইটি দল বলে যে তারা মানছে না, তাহলে সেটি সিদ্ধান্ত বাতিল নয়; বরং এটি সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত বা নোট অব ডিসেন্ট। এক-দুটি দলের অমতকে কেন্দ্র করে রেফারেন্ডাম ডাকা বা নতুন সিদ্ধান্তের দাবি করা ঠিক নয়। এসবই অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরির প্রক্রিয়া, যেটি এড়িয়ে আমরা সঠিক পথে এগিয়ে যেতে চাই।
তিনি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য এবং জনগণের অংশাগ্রহণমূলক নির্বাচন আমাদের জন্য জরুরি। দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য নানা জটিলতা তৈরি করছে। এজন্য কোন ধরনের জটিলতা তৈরী না করে আমরা সবাই মিলে যেন ফেব্রুয়ারিত একটি আনন্দমুখর পরিবেশে নির্বাচনে যেতে পারি, সেইভাবে আচরণ করার জন্য আমি সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন