

ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না চাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, তারা এ সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে। আইসিসিকে পাঠানো চিঠির জবাব প্রস্তুতের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন আইন ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
গত পরশু মধ্যরাতে একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানালে পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকির কথা আইসিসি জানিয়েছে। তবে ইএসপিএনক্রিকইনফোর সেই প্রতিবেদন নাকচ করে দেয় বিসিবি।
এরপর বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও বোর্ড পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠকের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে দেখা করতে মন্ত্রণালয়ে যান বিসিবির শীর্ষ কর্মকর্তারা। বৈঠক শেষে জানানো হয়, আইসিসির পাঠানো ই-মেইলের জবাব খুব শিগগিরই দেওয়া হবে।
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘আইসিসি থেকে পাওয়া চিঠি পড়ে মনে হয়েছে, ভারতে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য যে গুরুতর নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছে, সেটি তারা পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারেনি। বিষয়টি শুধু নিরাপত্তার নয়, এটি জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নও।’
ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড নিজেরাই বলছে, কলকাতা নাইট রাইডার্সে থাকা মুস্তাফিজুর রহমানের নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয় এবং তাকে দল থেকে বাদ দেওয়ার কথা উঠেছে, তখন বোঝাই যায় পরিস্থিতি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।’
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে আগ্রহী, তবে ভারতে নয়—যৌথ আয়োজক শ্রীলঙ্কায় গিয়ে খেলতে চায়। ‘আমরা ভারতের বড় পরিসরের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতির কথা তুলতে চাই না। কিন্তু ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, দেশের নিরাপত্তা ও জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নে কোনো আপস করব না,’ বলেন তিনি।
আইসিসি যদি বাংলাদেশের প্রস্তাব গ্রহণ না করে, সে ক্ষেত্রে পরবর্তী করণীয় তখন বিবেচনা করা হবে বলেও জানান ক্রীড়া উপদেষ্টা।
এ বিষয়ে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘আমরা আইসিসিকে আমাদের অবস্থান পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করব। অতীতেও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে নিরাপত্তা ইস্যুতে হাইব্রিড মডেল গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করি, আমাদের যুক্তিগুলো সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারব।’
মন্তব্য করুন


রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় বসবাসরত সকল নাগরিককে শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। আইন কেউ নিজের হাতে তুলে নিবেন না।
মন্তব্য করুন


দেশবাসীর
উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমাদের তরুণদের রক্ষা করুন। তাহলে
আমরা সবাই এবং আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি রক্ষা পাবে। যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তারা
বুঝে গেছে, তরুণ যোদ্ধারা তাদের পুনরুত্থানের পক্ষে ভীষণ রকম বাধা। এই অস্ত্রহীন, ভীতিহীন,
ব্যক্তিগত স্বার্থ সম্বন্ধে সম্পূর্ণ উদাসীন— দৈনন্দিন এই চেহারার ছেলেমেয়েদের
নিয়ে তাদের সাংঘাতিক ভীতি। 'তাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচন আসার আগেই পথের এই বাধাগুলি
সরিয়ে ফেলা, নিজেদের রাজত্ব আবার কায়েম করা। তাদের বন্ধুরা যতদিন তাদের সঙ্গে আছে
ততদিন তারা এই স্বপ্ন দেখবে। নির্বাচন হয়ে গেলে তাদের বন্ধুরা সমর্থন জোগাতে বেকায়দায়
পড়বে। সেজন্যই এত তাড়াহুড়া। তারা চায় নির্বাচনের আগেই তাদের ফিরে আসা নিশ্চিত করতে।
নানা ভঙ্গিতে এটা তারা করবে। এই চোরাগোপ্তা খুন করার উদ্যোগ তার একটা রূপ। আরও কঠিনতর
পরিকল্পনা নিয়ে তাদের প্রস্তুতি আছে'— যোগ করেন তিনি।
মহান
বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে
এসব কথা বলেন মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি
আরও বললেন, দেশের সবাইকে জোর গলায় বলতে হবে, আমরা তরুণদের রক্ষা করবো। এখানে পুরনো
আমলের দাসত্ব মেনে যারা আছে, তাদেরকে দাসত্ব থেকে বের হয়ে আসতে হবে। উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ
নির্বাচন করে আমরা সবাই মিলে দেশের ওপর আমাদের পরিপূর্ণ দখল প্রতিষ্ঠিত করবো। সব রকমের
হিংসা, কোন্দল থেকে দেশকে বাঁচানোর কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা। মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন,
নির্বাচন অবধি আর বাকি মাত্র দু’মাস। আমরা তাদের (দেশ ছেড়ে পালানো শিক্ত)
ওপর নজর রাখবো এবং বাকি দিনের প্রতিটি দিন উৎসবমুখর করে রাখবো। যেহেতু আমাদের কিশোর-কিশোরী
তরুণ-তরুণীদের মনে কোনো ভয়ডর নেই, তাই তারা নির্বাচনের আগের দু’মাসের
প্রতিটি মুহূর্তকে উৎসবমুখর করে রাখবে।
মন্তব্য করুন


প্রেম
করতে গিয়ে প্রায়ই বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করে বেড়ান প্রেমিক-প্রেমিকা। এবার ভয়ংকর ঝুকিপূর্ণ
কাজ করেছেন এক যুগল। নিরিবিলি স্থান না পেয়ে সরাসরি পণ্যবাহী ট্রেনের নিচে ঘনিষ্ঠ হওয়ার
চরম ঝুঁকি নিলেন ভারতের বিহারের এক যুগল। তাদের সেই বেপরোয়া কাণ্ড চলার সময় হঠাৎ ট্রেন
চলতে শুরু করলে চরম বিপদের সৃষ্টি হয়। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার ভিডিওটি ইতোমধ্যে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।
বিহারে
ঘটা এই দৃশ্যে দেখা যায়—রেললাইনে বসে গভীরভাবে একে অপরকে জড়িয়ে
আছেন প্রেমিক-প্রেমিকা। তারা এতটাই প্রেমে মগ্ন ছিলেন যে মাথার ওপর একটি পণ্যবাহী ওয়াগন
দাঁড়িয়ে আছে—সেই কথা যেন ভুলেই গিয়েছিলেন। এমন সময় হঠাৎ ট্রেনের তীক্ষ্ণ
বাঁশি বেজে ওঠে এবং ট্রেনটি ধীরে ধীরে চলতে শুরু করে। দৃশ্যটির পাশেই থাকা কয়েকজন
প্রত্যক্ষদর্শী আতঙ্কে চিৎকার দিতে থাকেন এবং দ্রুত মোবাইলে সেই দৃশ্য ধারণ করতে শুরু
করেন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা টের পেয়ে অনেকটা সিনেমার দৃশ্যের মতোই কোনোমতে ট্র্যাক থেকে
লাফিয়ে পড়ে হামাগুড়ি দিয়ে রেললাইন থেকে সরে আসেন ওই প্রেমিক যুগল।
মন্তব্য করুন


পরিবারের
মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন নিয়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন সায়েদ আহমেদ বিল্লাল (৩০)।
তার চোখে ছিল স্বচ্ছল জীবনের আশা। বুক ভরা ছিল পরিবারকে ভালো রাখার দৃঢ় প্রত্যয়। কিন্তু
সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।
প্রবাস
জীবনের মাত্র চার বছরের মাথায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় থেমে গেল তার জীবনযাত্রা। থেমে
গেছে পরিবারের আশার আলো।
নিহত
সায়েদ আহমেদ বিল্লাল ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়িয়া ইউনিয়নের পাকাটি গ্রামের
বাসিন্দা পান ব্যবসায়ী মো: রুহুল আমিনের ছেলে। জীবিকার তাগিদে প্রায় চার বছর আগে তিনি
সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
পারিবারিক
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার বিকেলে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ শহরে কর্মস্থল
থেকে ফেরার পথে রাস্তা পার হচ্ছিলেন সায়েদ আহমেদ বিল্লাল। এসময় একটি অনাকাঙ্ক্ষিত সড়ক
দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
সোমবার
(১২ জানুয়ারি) সকালে বিল্লালের সাথে থাকা প্রবাসীদের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা মৃত্যুর
খবর জানতে পারেন। এদিকে খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তার পরিবারসহ এলাকায় নেমে আসে শোকের
ছায়া।
নিহতের
স্বজনরা জানান, বিল্লাল ছিলেন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও দায়িত্ববান একজন যুবক। পরিবারের কথা
ভেবেই তিনি বিদেশে গিয়েছিলেন। কয়েক দিনের মধ্যে বিল্লালের দেশে ফেরার কথা ছিল। তার
এই অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে
পরিবারের পক্ষ থেকে তার লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


যৌথবাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গত সাত দিনে ৪২৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ (শনিবার) পর্যন্ত অভিযানে এসব লোককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি হতে ৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশন, ১০ পদাতিক ডিভিশন, ১১ পদাতিক ডিভিশন, ৬ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড, ৭ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড, ৮৬ স্বতন্ত্র সিগন্যাল ব্রিগেড ও ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের অধীনস্থ ইউনিটসমূহ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীর মিরপুর-১, ভাষানটেক, ইসিবি চত্বর, কাঁঠালবাগান, হাজারীবাগ এবং দেশের অন্যান্য এলাকা টঙ্গী, নরসিংদী, রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব যৌথ অভিযানে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ, ডাকাত দলের সদস্য ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য এবং মাদক ব্যবসায়ীসহ ৪২৭ জন অপরাধীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের নিকট হতে অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র, পাসপোর্ট, এনআইডি, মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
পাশাপাশি অভিযানে বিভিন্ন স্থানে নকল ভোজ্য তেল ও নকল ফলের জুস এর কারখানা সহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা সিলগালা সহ দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আটককৃতদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সাধারণ জনগণকে যেকোন সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে তথ্য প্রদান করার জন্য যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশের
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়ার অন্যতম ধাপ ডিজিটাল লটারি আজ
অনুষ্ঠিত হবে। সরকারি ও বেসরকারি দুই পর্যায়ের স্কুলেই প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির
জন্য আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে এ লটারিতে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
ইনস্টিটিউটে লটারি শুরু হলেও ফল জানতে শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের সেখানে যেতে হবে না।
ঘরে
বসেই অনলাইনে নির্ধারিত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে দ্রুত ফল জানা যাবে বলে জানিয়েছে
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
মাউশি
জানায়, গত ২১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে স্কুলে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। যা শেষ হয় ৫
ডিসেম্বর বিকেল ৫টায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সফলভাবে আবেদন করেছে মোট ১০ লাখ ৫৬ হাজার
৫৪ জন শিক্ষার্থী। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে চার হাজার ৪৮টি সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে সরকারি স্কুল ৬৮৮টি এবং বেসরকারি
স্কুল তিন হাজার ৩৬০টি।
অন্যদিকে,
সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে শূন্য আসন রয়েছে মোট ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি।
সরকারি স্কুলে শূন্য আসন ১ লাখ ২১ হাজার ৩০টি হলেও আবেদন জমা পড়েছে ৭ লাখ ১৯ হাজার
৮৫৪টি। প্রতি আসনে গড়ে প্রায় ছয়জন করে আবেদনকারী। অন্যদিকে বেসরকারি স্কুলে শূন্য আসন
১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি। এর বিপরীতে আবেদন করেছে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ১৯৬ জন শিক্ষার্থী।
ফলে সব শিক্ষার্থী সুযোগ পেলেও ৭ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি আসন শূন্যই থেকে যাবে।
শিক্ষার্থী
ও অভিভাবকদের লটারির ফল জানতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে যাওয়ার প্রয়োজন নেই
বলে জানিয়েছে মাউশি। লটারির প্রক্রিয়া শেষ হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, অভিভাবক
ও শিক্ষার্থীরা অনলাইনে নির্ধারিত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করতে
পারবেন। ওয়েবসাইট থেকে ফল ডাউনলোড করার পর প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা তা জেলা ও উপজেলা ভর্তি
কমিটির সভাপতি বরাবর ই-মেইলে পাঠিয়ে মাউশিকে অবহিত করবেন। এরপর ভর্তি কমিটির বৈঠক ডেকে
নিয়ম মেনে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি সম্পন্ন করা হবে।
মন্তব্য করুন


সোমবার (৪ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে ৪৭ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বদলির অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এদিকে বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা সময় সংবাদকে জানান, চল্লিশের বেশি পঞ্চাশের কম সংখ্যক ইউএনওকে আজ বদলি করা হতে পারে।যারা এক বছরের বেশি ইউএনও হিসেবে কর্মস্থলে ছিলেন তাদেরই বদল করা হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
এর আগে সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও সব ইউএনওকে বদলির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।সে নির্দেশনার আলোকেই ৪৭ ইউএনওর বদলির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের কাছে সুপারিশ করে। এরপর নির্বাচন কমিশন বদলির অনুমোদন দেয়।
জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পেয়েছেন কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,এ ব্যাপারে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা পাইনি। নির্বাচন কমিশন আমাদের যা করতে বলবেন, আমরা তা-ই করব বলে জানিয়েছেন তিনি। ২০০ জনের মতো ইউএনও বদলি হতে পারেন। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বদলির বিষয়ে প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে।
গত ৩০ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠায়। এতে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পর্যায়ক্রমে বদলি করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে যে সব ইউএনওর বর্তমান কর্মস্থল এক বছরের বেশি চাকরিস্থল সম্পন্ন হয়েছে তাদের অন্য জেলায় বদলির প্রস্তাব আগামী মঙ্গলবারের (৫ নভেম্বরের) মধ্যে নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে হবে।
গত ১৫ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। ১ ডিসেম্বর থেকে বাছাই শুরু হয়েছে, বাছাই চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ৬-১৫ ডিসেম্বর এবং ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর। এবং আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে সচিবালয় অবরুদ্ধ করে ভাঙচুর ও হামলার মামলায় রাজধানীর পৃথক চার থানার মামলায় গ্রেপ্তার ৩৯০ জন আনসারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৬ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
৩৯০ জন এর মধ্যে রমনা, শাহবাগ, পল্টন ও বিমানবন্দর থানার পৃথক চার মামলায় তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।
আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে জানা গেছে, শাহবাগ থানার মামলায় গ্রেপ্তার ১৯১ জন, রমনা থানায় ৯৮ জন, পল্টন থানায় ৯৫ জন ও বিমানবন্দর থানার মামলায় ৬ আনসার সদস্যকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে আনা হয়। এ চার থানার মামলায় অন্তত ৪২৬ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়। এছাড়াও অন্তত দশ হাজার অজ্ঞাতপরিচয় আনসার সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।
এসব মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২৫ আগস্ট রাত ৯টার দিকে সচিবালয়ের সামনে সাধারণ আনসার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এসময় কিছু আনসার সদস্যরা পল্টন মডেল থানাধীন জিরো পয়েন্ট এলাকায় চাকরি জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজপথ অবরোধ করে রাখে। এসময় পুলিশ তাদের ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করে। তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুরোধ অমান্য করে রাস্তা অবরোধের মাধ্যমে যান চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
এদিকে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ অন্যান্য উপদেষ্টারা তাদের দাবি-দাওয়ার
প্রতি পূর্ণ সমর্থন দিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাধারণ আনসারদের পক্ষে কয়েকজন প্রতিনিধির
সঙ্গে তাৎক্ষণিক বৈঠক করেন এবং আংশিক দাবি পূরণ করেন। এছাড়াও অন্যান্য যৌক্তিক দাবিগুলো
একটি কমিটি গঠন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নে আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষার্থীদের নতুন
এক বিশ্ব গড়ার স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বুধবার (১৪ মে) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫ম সমাবর্তন
অনুষ্ঠানে ভাষণদানকালে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত নতুন কিছু গড়ার সক্ষমতা রাখি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়।
সমাবর্তন ভাষণে অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, আমরা চাইলে আমাদের মতো
করে এক নতুন বিশ্ব গড়ে তুলতে পারি। তবে, তিনি বলেন, প্রত্যেকেরই স্বপ্ন থাকা দরকার-
কেমন পরিবেশ ও সমাজ তারা প্রতিষ্ঠা করতে চায় সেই সম্পর্কে।
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পটভূমি স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, বর্তমানে যে সভ্যতা চলছে তা একটি ধ্বংসাত্মক অর্থনীতির সভ্যতা।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে অর্থনীতি তৈরি করেছি তা মানুষের জন্য নয়,
বরং ব্যবসার জন্য।’ তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসাকেন্দ্রিক
এই সভ্যতা আত্মঘাতী এবং তা টিকবে না।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
এসে আনন্দিত। তিনি স্মরণ করেন, ১৯৭২ সালে চবিতে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
তিনি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ এবং কীভাবে গ্রামীণ ব্যাংক চট্টগ্রামে
দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষদের সহায়তা করতে গঠিত হয়েছিল তা তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের জন্ম হয়েছিল চবির অর্থনীতি
বিভাগে।
অনুষ্ঠানে, চবি কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক ইউনূসকে ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে
দারিদ্র্য বিমোচন এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্য সম্মানসূচক
ডক্টরেট অব লিটারেচার (ডি লিট) উপাধিতে ভূষিত করে।
চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার অধ্যাপক ইউনূসের
হাতে ডি লিট সনদ তুলে দেন।
সমাবর্তনে শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং বিশ্ববিদ্যালয়
মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফয়েজসহ অন্যান্যরাও বক্তব্য রাখেন।
চবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন
খান এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) মো. কামাল উদ্দিনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
চবি আজ দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ সমাবর্তনের আয়োজন করে, যেখানে
২২,৫৮৬ জন শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


আজ সোমবার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চার সদস্যদের প্রতিনিধি দল।
সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এতে অংশ নেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা।
এসময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন উদ্বেগ জানান এনসিপি নেতৃবৃন্দ। তাঁরা বলেন, গণভোটে “হ্যাঁ” এর পক্ষে এনসিপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা প্রচারণা করছেন।
এনসিপির নেতৃবৃন্দ নির্বাচন সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং নির্বাচনে যেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয় সে ব্যাপারে সরকারকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের জন্যই লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে রদবদল করা হয়েছে। এ নির্বাচনে কোনো পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই। এই নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। এ নির্বাচন দেশ পাল্টে দেওয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচন সুষ্ঠু হতেই হবে।’
অধিকাংশ কেন্দ্র জানুয়ারির মধ্যেই সিসি ক্যামেরার আওতাধীন আনা হবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। এছাড়া ঝুঁকির আশঙ্কা আছে এমন কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা থাকবে। কন্ট্রোল রুম থেকে এগুলো সব মনিটর করা হবে বলেও জানান তিনি।
গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে সরকার আইনসম্মতভাবেই প্রচারণা করছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট কেন দেওয়া প্রয়োজন, “হ্যাঁ” ভোট দিলে কী হবে আমরা তা জনগণকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলকেও আহ্বান জানিয়েছি। এবারের নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে হয় এই দায়িত্ব সকলের- সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল- আমাদের সবার। এ ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করছি,’ বলেন তিনি।
মন্তব্য করুন