

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার সদর দক্ষিণে জাইতুন রেস্টুরেন্টে নাস্তা খাওয়ার পর ভুলবশত ফেলে যাওয়া বিদেশি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায় শিশুটিকে হস্তান্তর করেন। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিশুটির নাম নাফিসা বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তারা সপরিবারে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ঘুরতে এসেছেন।
পুলিশ জানায়, পাকিস্তানের কাশ্মীরের নাগরিক সালমান পরিবার নিয়ে শনিবার কক্সবাজার ঘুরতে যাচ্ছিলেন। সপরিবারে সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড মোস্তফাপুর এলাকার জাইতুন রেস্তোরাঁয় নাশতা করেন। নাশতা শেষে ভুলে শিশু নাফিসাকে হোটেল জাইতুনে রেখে চলে যায় তারা।
রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বিদেশি পরিবারটি প্রায় ১৫ জন সদস্য নিয়ে দুটি গাড়িতে করে এসে জাইতুন রেস্তোরাঁয় বসে নাশতা করছেন। এ সময় তারা গল্প-আড্ডায় মেতে ছিলেন।
জাইতুন রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন বলেন, পাকিস্তানের কাশ্মীরের একটি পরিবার শনিবার সকালে দুটি গাড়িতে করে এসে প্রায় ১৫ জন সদস্য রেস্টুরেন্টে নাস্তা করেন। তারা চলে যাওয়ার সময় ভুলবশত শিশুটিকে রেখে চলে যান। বাচ্চাকে হেফাজতে নিয়ে সদর দক্ষিণ থানায় জানালে পুলিশ উদ্ধার করে। পরে প্রশাসন শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। সদর দক্ষিণ থানার ওসি রকিকুল ইসলাম বলেন, রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে সমাজসেবা অফিসারের মাধ্যমে পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা আসেন। আইন অনুযায়ী শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় বলেন, আমরা প্রথমে শুনেছিলাম শিশুটির পরিবার কাশ্মিরের। কিন্তু পরিবারের লোকজন শিশুটিকে নিতে এলে জানতে পারলাম তারা পাকিস্তানি। পাকিস্তান থেকে পরিবারের সদস্যরা এসেছেন বাংলাদেশে ঘুরতে। শনিবার দুটি গাড়িতে করে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন সবাই। সকালে তারা কুমিল্লার জাইতুন রেস্টুরেন্টে নাস্তা করেন। নাস্তা শেষ করে পাকিস্তানি পরিবারটি দুটি গাড়িযোগে যাচ্ছিলেন। একটিতে শিশুর বাবা-মা এবং অপরটিতে শিশুর দাদা-দাদি ছিলেন। বাবা-মায়ের ধারণা ছিল দাদা-দাদির গাড়িতে শিশু নাফিসা এবং দাদা-দাদির ধারণা ছিল শিশু নাফিসা তার বাবা-মায়ের গাড়িতে উঠেছে। উভয়ের ভুলে পাকিস্তানি শিশু নাফিসা হোটেল জাইতুনে রয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল এলাকায় গিয়ে শিশু নাফিসাকে দেখতে না পেয়ে কুমিল্লার দিকে রওয়ানা দেয় পাকিস্তানি পরিবারটি। পরে উপজেলা সমাজসেবা অফিস সেই পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির অবস্থান নিশ্চিত করলে তারা জাইতুন রেস্টুরেন্টে এসে শিশুটিকে নিয়ে পুনরায় কক্সবাজারের দিকে রওনা দেন।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রোজায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন ।
আজ মঙ্গলবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি শুরু করেন আইনজীবীরা।
আজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এ এম) আমিন উদ্দিন। অন্যদিকে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ।
গত ১০ মার্চ পবিত্র রমজানে বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ পরের দিন সোমবার (১১ মার্চ) স্থগিত হয়নি। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এই আদেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সেটি শুনানি শুরু হয়।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, থানাকে জনগণের আস্থার জায়গায় পরিণত করতে হবে।
জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে যেকোনো সমস্যায় থানায় যেতে পারে ও উপযুক্ত সেবা পায়
থানার পরিবেশ ও কার্যক্রম সেভাবে রূপান্তর করতে হবে। থানায় সাধারণ জনগণের সঙ্গে ভালো
ব্যবহার করতে হবে। জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে থানার কার্যক্রম আরো সক্রিয় ও যুগোপযোগী
করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) চট্টগ্রাম
মহানগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ, চট্টগ্রাম
মেট্রোপলিটন পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি,
বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর
এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, যানজট
নিরসনসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিংকে জোরদার করতে হবে। ইতোমধ্যে ডিএমপি এলাকায়
৭০০ জন শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী,
পুলিশ ও বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত সদস্য যারা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োকিজত ছিলেন তাদের
মধ্যে আগ্রহী সদস্যদের বয়সসীমা বেঁধে দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে লাগানোর চিন্তাভাবনা
চলছে। প্রতিটি মহানগরীর যানজট নিরসনে সভা-সমাবেশের জন্য মুক্তাঙ্গন নির্দিষ্ট করে দিতে
হবে। ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগরীতে সভা-সমাবেশের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে নির্দিষ্ট করে
দেয়া হয়েছে। একইভাবে চট্টগ্রামসহ অন্যান্য মহানগরীর জন্য মুক্তাঙ্গন ঠিক করে দিতে হবে
যাতে যানজট হ্রাস পায়। তিনি এ সময় মেট্রোপলিটন এলাকায় অনুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশ করা যাবে
না মর্মে নির্দেশনা প্রদান করেন। আদালত থেকে রায় পেয়ে অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিন পেয়েছে।
এসব অপরাধী পুনরায় অপরাধে লিপ্ত হলে সাথে সাথে তাদের গ্রেফতার করতে হবে এবং কঠোর নজরদারিতে
রাখতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার অপপ্রচারসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধও বেড়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারেও
সজাগ থাকতে হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। ৫ আগস্টের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। তবে হয়তো সেটা জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী খুব সন্তোষজনক
পর্যায়ে পৌঁছেনি। তিনি এ সময় পুলিশকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন ও প্রোটকল
ডিউটি কমিয়ে আনার নির্দেশ দেন।
মতবিনিময় সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা বলেন, মিডিয়াকে সত্য ঘটনা প্রচার করতে হবে। আমাদের দেশের মিডিয়ার
যে একটা সুনাম আছে, পার্শ্ববর্তী দেশের মিডিয়ার তা নেই। তারা মিথ্যাই কিন্তু প্রচার
করে সবচেয়ে বেশি। আর এই মিথ্যাটাকে কাউন্টার করতে পারেন শুধু আপনারা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার
হাসিব আজিজের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক
মো. ময়নুল ইসলাম, র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের
ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল্লাহ
নূরী ও জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
সভায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এর কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন অতিরিক্ত কমিশনার হুমায়ূন কবীর চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন পুলিশ সুপার (অপারেশনস) নেছার উদ্দিন আহমেদ।
মন্তব্য করুন


সরকার
যদি ভালো কাজের উদ্যোগ নেয়, তাহলে আমরা সহযোগিতা করব। কিন্তু দেশের কোনো ক্ষতি হলে
আমরা নীরবে বসে থাকব না বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর
আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার
(৯ মে) সকালে জাপান সফর শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ডা.
শফিকুর রহমান বলেন, সরকারের কোনো ভুল হলে তাদের তা ধরিয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। সরকার
যদি ভালো কাজের উদ্যোগ নেয় তাহলে আমরা সহযোগিতা করব। কিন্তু যদি দেশের ক্ষতি হয়, আমরা
নীরবে বসে থাকব না। আমরা আওয়াজ তুলব, প্রতিবাদ করব, প্রয়োজনে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
এটাই হবে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে আমাদের কাজ।
জাপান
বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক চিন্তা করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সংসদ বিগত সংসদের থেকে
ব্যতিক্রম বলে তাদের কাছে মনে হচ্ছে। বিরোধী দল যেমন সরকারের সমালোচনা করছে তেমনই তাদের
সহযোগিতাও করছে। এভাবে যদি সবাই দেশকে ভালোবাসে তাহলে জাপানও বাংলাদেশের প্রতি সোহার্দ্য
আরও বাড়িয়ে দেবে।
জামায়াত
আমির বলেন, আমাদের দেশে বিপুল সংখ্যক ক্যান্সারের রোগী আছে, বাংলাদেশে তাদের ভালো চিকিৎসার
ব্যবস্থা আমরা করতে পারিনি। আমাদের যে দুই একটি ডেডিকেটেড ক্যান্সার হাসপাতাল রয়েছে,
সেগুলো যথেষ্ঠ স্কিল্ড না হওয়ায় সঠিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে অধিকাংশ
রোগীকে অনেক কষ্ট শিকার করে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে হয়। আর যাদের বিদেশ যাওয়ার সামর্থ
নেই, ধীরে ধীরে তারা মৃত্যুর দিকে ঢলে পড়ে। ফলে জাপানকে আমরা আহ্বান জানিয়েছি তারা
যেন আমাদের দেশে একটি ক্যান্সার ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল গড়ে তোলে।
তিনি
আরও বলেন, শুধু যদি হাসপাতাল হয় তাহলে আমদের দেশের মানুষেরা জানার সুযোগ পাবেনা। তবে
যদি ইন্সটিটিউট হয় তাহলে উচ্চ শিক্ষার দরজা খুলে যাবে এবং স্কিল্ড হয়ে গড়ে উঠবে। জাপান
এই বিষয়টিকে সক্রিয় বিবেচনায় নিয়েছে। আমরা আশা করছি এই বিষয়ে তারা (জাপান) ইতিবাচক
ভাবেই আগাবেন।
জুলাই
যোদ্ধাদের প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, থাইল্যান্ডে এখন জুলাই যোদ্ধাদের ৬৪ জন অবস্থান
করছেন, আগে অনেক বেশি ছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ এক বছর, কেউ দশ মাস, কেউ এগারো মাস সময়ব্যাপী
তারা সেখানে অবস্থান করছেন। আমাদের নৈতিক দ্বায়বদ্ধতা, নাগরিক দায়িত্ব ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার
ও মানবিকতার জায়গা থেকে তাদের দেখতে গিয়েছিলাম।
এ
সময় তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা
নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। বিরোধীদলীয় নেতা আহত জুলাই যোদ্ধাদের সাহস ও আত্মত্যাগের
ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তাদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করে মহান আল্লাহর
দরবারে বিশেষ দোয়া করেন।
মন্তব্য করুন


বগুড়া
শহরে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৭ মে রোববার দিবাগত রাতে শহরের
ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ১৯ বছর বয়সী ভুক্তভোগী তরুণী বগুড়া সদর
থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার
পরিপ্রেক্ষিতে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে বগুড়া সদর থানা-পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন কাওছার
(১৯), বাধন (১৯) ও রকি। তারা সবাই বগুড়া সদরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
ঢাকা
পোস্টের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে অভিযুক্তদের পূর্ব পরিচয়
ছিল। রোববার রাত ৮টার দিকে তিনি শহরের পুলিশ প্লাজার একটি দোকানে যান। পরে অভিযুক্তদের
সঙ্গে তারা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন।
এরপর
রাতের দিকে তারা ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে যান। সেখানে একপর্যায়ে
তরুণীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।
পরে
আরেক অভিযুক্ত তাকে নিয়ে বের হওয়ার সময় তিনি স্থানীয়দের কাছে সাহায্য চান। স্থানীয়রা
এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার
জন্য পাঠায়।
বগুড়া
সদর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনজনকে
গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক।।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর জন্মভূমি কুমিল্লায় ফিরলেন লন্ডনভিত্তিক ক্রিকেট টিম ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স’-এর কর্ণধার ও প্রবাসী ক্রীড়া সংগঠক মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। বুধবার (২০ মে) বিকেলে কুমিল্লা নগরীর নিজ বাসভবনে পৌঁছালে তাকে ঘিরে তৈরি হয় এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ। নগরীর প্রবেশমুখ থেকেই মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে তাকে বরণ করে নেন তার বন্ধুমহল, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় ভাই-ব্রাদার্সরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মানুষকে ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন এলাকাবাসীও।
নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে তাকে বরণ করে নেন। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার মা মোসা. জুহরা বেগম। ছেলেকে জড়িয়ে ধরে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার ছেলে এতদিন আমার কাছে ছিল না, আমার বুক খালি ছিলো। আজ আমার ছেলেকে ফিরে পেয়ে আমি অনেক আনন্দিত।” মায়ের এমন আবেগঘন মুহূর্ত উপস্থিত সবাইকে নাড়া দেয়।
ছেলের দেশে ফেরা নিয়ে আবেগ প্রকাশ করেন তার বাবা মো. হাসানও। কুমিল্লা সিডি হাসপাতালের এই কর্মকর্তা বলেন, “দীর্ঘ ৩৬ বছর চাকরি করেছি মানুষের সেবা দিয়ে। জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট ছিলো ছেলেকে এত বছর দূরে রাখা। আজ ওকে নিজের চোখের সামনে দেখে মনে হচ্ছে জীবনের বড় একটা শূন্যতা পূরণ হয়েছে। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না।”
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি বলেন, “১৫ বছর ধরে দেশের বাইরে থাকলেও মন পড়ে ছিলো আমার প্রিয় জন্মভূমি কুমিল্লায়। এতদিন পর দেশে এসে সবাই যেভাবে আমাকে ভালোবাসা দিয়ে গ্রহণ করেছে, এতে আমি সত্যিই অভিভূত। এই ভালোবাসা আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি।”
কুমিল্লার ক্রিকেটাঙ্গন নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথাও জানান তিনি। সিহান বলেন, “আমি ক্রিকেটকে অনেক ভালোবাসি। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে পরিকল্পনা আছে। আমি চাই কুমিল্লা থেকে আরও ভালো মানের ক্রিকেটার তৈরি হোক এবং দেশের ক্রিকেটে কুমিল্লা আরও শক্ত অবস্থানে যাক।”
কুমিল্লা নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন চৌধুরীপাড়া উত্তর গাংচরের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি মোসা. জুহরা বেগম ও মো. হাসান দম্পতির দ্বিতীয় পুত্র। ২০১১ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডনে পাড়ি জমান তিনি। দীর্ঘ প্রবাসজীবনের পর বর্তমানে তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক। লন্ডনে বসবাস করলেও দেশের প্রতি ভালোবাসা ও কুমিল্লার প্রতি টান তাকে সবসময়ই নাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।
প্রবাসে থেকেও ক্রীড়াঙ্গনে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন সিহান। তিনি ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ক্রিকেট ক্লাব’-এর মালিক এবং সেন্ট্রাল লন্ডন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দেশে ফেরাকে ঘিরে কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গন ও পরিচিত মহলে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনেকেই মনে করছেন, তার এই প্রত্যাবর্তন কুমিল্লার ক্রিকেট উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
মন্তব্য করুন


২০২৩ সাল থেকে চালু হয়েছে নতুন শিক্ষাক্রম। ধাপে ধাপে এই কারিকুলাম বাস্তবায়ন করবে সরকার। মুখস্থ নির্ভরতা কমানো ও হাতে কলমে শিক্ষা প্রণয়নের উদ্দেশ্য নিয়ে চালু হয় নতুন শিক্ষাক্রম। তবে এই নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা অভিভাবক মহলে। এই পদ্ধতি বাতিলেও দাবি তোলেন অনেকে। তবে নতুন কারিকুলাম চালু রেখেই পরীক্ষা পদ্ধতি ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত মিলছে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে।
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন অ্যাপ নৈপুণ্যতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
নতুন শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী দায়িত্ব নেয়ার পর বলেছিলেন প্রয়োজনে শিক্ষা কারিকুলামে পরিবর্তন আনা হবে। সার্বিক বিষয়ে তিনি গত কয়েক দিন ধরে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় করছেন। মতামত নিচ্ছেন। সপ্তাহখানেক আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে একটি মূল্যায়ন পদ্ধতি ও কারিকুলাম সংক্রান্ত একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন চলছে।কমিটিতে জাতীয় এনসিটিবি প্রতিনিধি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি ও দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ।
মূল্যায়ন কমিটির মতামতের উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা আংশিক বা পুরো নম্বরে করা হতে পারে। পরীক্ষা না থাকায় অনেক অভিভাবকই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এখন নতুন করে কারিকুলাম ঠিক রেখে ৩০ থেকে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে গত ১লা ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এনসিটিবি এবং শিক্ষা কারিকুলামের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা ও ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক করেন। থিংক গ্লোবালি, অ্যাক্ট লোকালি অর্থাৎ চিন্তায় বৈশ্বিক কিন্তু দেশের সীমাবদ্ধ সম্পদ, অবকাঠামোর মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে- এমন চিন্তা থেকে এই কারিকুলাম ডিজাইন করা হয়েছে তা জানানো হয়। এরপর শিক্ষামন্ত্রী নতুন কারিকুলামে কীভাবে এসেছে রেফারেন্স দেশগুলো বাস্তবায়ন পদ্ধতি ও পরীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন আকারে তলব করেন। এরই প্রেক্ষিতে এনসিটিবি তা মন্ত্রণালয়কে সরবরাহও করেছে।
শিক্ষার্থীদের শিখনকালীন ও সামষ্টিক মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষণ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুতের জন্য নৈপুণ্য অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপের ওয়েব ভার্সন ব্যবহার সংক্রান্ত গাইডলাইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। এনসিটিবি বলছে, নতুন শিক্ষাক্রমে যদি কোনো পরিবর্তন, সংশোধন বা পরিমার্জন আসে তা বছরের যেকোনো সময় বাস্তবায়ন করা সম্ভব। কারণ কোনো বইই এখনো পূর্ণাঙ্গ নয়। সবই পরীক্ষামূলক সংস্করণ। গত বছরের এপ্রিল মাসে ৬ষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির দুটি বইয়ের ৪ শতাধিক সংশোধনী পাঠায় বোর্ড। সারা দেশে কমপক্ষে ৩ শতাধিক স্কুলে সশরীরে উপস্থিত থেকে উপযোগিতা যাচাইয়ের কাজ করা হবে। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তিকের স্কুলের তথ্য যুক্ত করা হবে।
এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম বলেন, একেবারে বাতিল না করে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা রাখার দাবি উঠেছে সব মহল থেকে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করতেই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের উপর নির্ভর করছে বিষয়টি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষার্থীদের নতুন
এক বিশ্ব গড়ার স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বুধবার (১৪ মে) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫ম সমাবর্তন
অনুষ্ঠানে ভাষণদানকালে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত নতুন কিছু গড়ার সক্ষমতা রাখি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়।
সমাবর্তন ভাষণে অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, আমরা চাইলে আমাদের মতো
করে এক নতুন বিশ্ব গড়ে তুলতে পারি। তবে, তিনি বলেন, প্রত্যেকেরই স্বপ্ন থাকা দরকার-
কেমন পরিবেশ ও সমাজ তারা প্রতিষ্ঠা করতে চায় সেই সম্পর্কে।
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পটভূমি স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, বর্তমানে যে সভ্যতা চলছে তা একটি ধ্বংসাত্মক অর্থনীতির সভ্যতা।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে অর্থনীতি তৈরি করেছি তা মানুষের জন্য নয়,
বরং ব্যবসার জন্য।’ তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসাকেন্দ্রিক
এই সভ্যতা আত্মঘাতী এবং তা টিকবে না।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
এসে আনন্দিত। তিনি স্মরণ করেন, ১৯৭২ সালে চবিতে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
তিনি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ এবং কীভাবে গ্রামীণ ব্যাংক চট্টগ্রামে
দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষদের সহায়তা করতে গঠিত হয়েছিল তা তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের জন্ম হয়েছিল চবির অর্থনীতি
বিভাগে।
অনুষ্ঠানে, চবি কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক ইউনূসকে ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে
দারিদ্র্য বিমোচন এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্য সম্মানসূচক
ডক্টরেট অব লিটারেচার (ডি লিট) উপাধিতে ভূষিত করে।
চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার অধ্যাপক ইউনূসের
হাতে ডি লিট সনদ তুলে দেন।
সমাবর্তনে শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং বিশ্ববিদ্যালয়
মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফয়েজসহ অন্যান্যরাও বক্তব্য রাখেন।
চবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন
খান এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) মো. কামাল উদ্দিনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
চবি আজ দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ সমাবর্তনের আয়োজন করে, যেখানে
২২,৫৮৬ জন শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ বলেছেন, আমরা আশ্বস্ত করতে চাই - এই দেশে আর কখনোই জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের উত্থান হবে না।
সোমবার (১ জুলাই) গুলশানে
দীপ্ত শপথ ভাস্কর্যে ‘হলি আর্টিজান’-এ জঙ্গি হামলায়
নিহতদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন
র্যাব মহাপরিচালক।
র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম থেকে তিনজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিকই জঙ্গিদের বিষয়ে নজরদারি করছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জঙ্গিরা এক সময় নানা প্রচারণা করার চেষ্টা করেছে। জঙ্গিরা ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করেছে এক সময়। আমরা কিন্তু এসব বিষয়ে নজরদারি করছি। ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে আমাদের নজরদারি রয়েছে। আমরা আশ্বস্ত করতে চাই - এই দেশে আর কখনোই জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের উত্থান হবে না। ২০১৬ সালের এই দিনে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। এ ঘটনায় বিদেশি নাগরিকসহ পুলিশের দুই কর্মকর্তা নিহত হয়েছিলেন। এর পরবর্তীতে র্যাব ও পুলিশ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে। অনেক জঙ্গি আস্তানা ধ্বংস করতে র্যাব ও পুলিশ সক্ষম হয়েছে। অনেক জঙ্গিকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে এখন নিরাপদ একটি দেশে।
র্যাবের মহাপরিচালক আরও বলেন, র্যাব সূচনালগ্ন থেকে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছে। জঙ্গিবাদের বিষয়ে র্যাবের নজরদারি রয়েছে। র্যাব এখন একটি আধুনিক এবং পেশাদার বাহিনী। ভবিষ্যতেও এদেশে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ এদেশে আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। র্যাবের সেই সক্ষমতা আছে।
মন্তব্য করুন


আজ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষাবোর্ডের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার পাস করেছে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ জন শিক্ষার্থী। গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটি সব বোর্ডের ফলাফলের যে সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে তাতে দেখা যায়, গত বছর ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। সেই হিসেবে পাসের হারও কিছুটা কমেছে। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন। গত বছর অর্থাৎ, ২০২৩ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯২ হাজার ৩৬৫ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসেবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় দেশের ১১ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ একসাথে অনলাইন, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রকাশ করা হয়। এছাড়া আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ফলাফলের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করে।
এবার ৯ হাজার ১৯৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি
আজ (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪) ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুরে ৪০৩ ব্যাটেল গ্রুপ কর্তৃক
স্থাপিত আর্মি ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি গৌরীপুর আর্মি ক্যাম্পে
কর্তব্যরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং তাদের প্রয়োজনীয়
দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় সেনাবাহিনী প্রধানকে ময়মনসিংহের ভালুকা ত্রিশাল
ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত করা
হয়। পাশাপাশি যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম, আসন্ন দূর্গাপূজা উপলক্ষে
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ৮৪১টি পূজা মন্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, থানাসমূহে পুলিশ
সদস্যদের বর্তমান পরিস্থিতি ও কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বেসামরিক প্রশাসন ও
বাংলাদেশ পুলিশের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।
এ সময় সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ, বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন