

বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০.২০ টায় বিজয় র্যালি, সকাল ১০.৪০ টায় বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিকাল ৪.০০ টায় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। এ দিনটি উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসে দেশাত্ববোধক গান পরিবেশনের পাশাপাশি প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের বাংলোর গেইট, বিশ্ববিদ্যালয় গেইট সংলগ্ন দেয়াল সমূহ, প্রধান গেইট থেকে গোল চত্বর পর্যন্ত এবং হল সমূহের সম্মুখভাগে আলোক সজ্জিত করা হয়েছে।
বিজয় র্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল হাকিম। এরপর পুষ্পস্তবক অর্পন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও বিভাগ সমূহ।
পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে কেক কেটে মার্কেটিং বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত‘মার্কেটিং প্রিমিয়ার লীগ’শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার একটি ভবন থেকে
(৫২) নামে এক নারী চীনা নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম শান হুয়ানমেই
। বয়স হয়েছিলো ৫২ বছর ।
২৯ জুন শনিবার সকাল ৯টার
দিকে নগরীর আশ্রাফপুরের নোয়াগাঁও চৌমুহনী এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা
হয়।
তিনি কুমিল্লা ইপিজেডে পি.ওয়াই
গার্মেন্টসে চাকরি করতেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লায়
ইপিজেডের ফাঁড়ি ইনচার্জ কবির হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্ট্রোক
করে ওই চীনা নারী মৃত্যুবরণ করেছেন। বিস্তারিত জেনে পরে জানানো হবে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে
জানা যায়, নগরীর নোয়াগাঁও চৌমুহনী বিসমিল্লাহ হাউজ নামের একটি ভবনের ৩য় তলায় থাকতেন
চীনা নাগরিকদের সাথে তিনি। সকাল সাড়ে ৮টায় সহকর্মীরা অফিসে যাওয়ার জন্য ডাক দিলে দরজা
বন্ধ দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের মরদেহ কোথায় পাঠানো
হবে এ নিয়ে কুমিল্লায় ইপিজেডের ফাঁড়ি ইনচার্জ বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল
কলেজে মরদেহ পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এদিকে নিহতের স্বামী চীন থেকে রওনা দিয়েছেন,
স্বামী আসার পর সিদ্ধান্ত হবে লাশ কোথায় পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
প্রতি বছর কার্ত্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাসা-বাড়ীতে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হয় বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
তারই ধারাবাহিকতায় ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর কালিয়াজুরীতে বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা ইউনিটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের একমাত্র মেয়ে অর্পিতা সরকার তাঁর ছোটভাই অরন্য সরকার প্রিন্স এর কপালে চন্দন দিয়ে ফোঁটা এঁকে ছড়া কেটে বলেন "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।" এভাবেই ভ্রাতৃদ্বিতীয়া যমের দুয়ারে কাঁটা দিয়ে বোন ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন। এরপরে ভাইবোনেরা একে অপরের সাথে মিষ্টি বিনিময় করে এবং উপহার আদান-প্রদান করে থাকে।
জানা যায়- শুভ দিনের পরম পবিত্র লগ্নে ভাই-বোনের মধুর সম্পর্কের পুনঃ নবীকরণ করে নেওয়া হয় প্রতি বছর। শৈশবের হারিয়ে যাওয়া মধুর এই দিনটিতে বড় বেশি করে মনে পড়ে যায়। ভাই-বোনের স্নেহ ভালোবাসার সম্পর্কের প্রকাশ ভাইফোঁটা আচার অনুষ্ঠানটি মন কেড়ে নেয়। একটি অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে চিরন্তন আবেগ অনুভূতিই জীবন্ত হয়ে ওঠে। কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষে দ্বিতীয় তিথিতে বোন তাঁর ভাইকে পরম যত্ন সহকারে একটি সুন্দর আসনে বসিয়ে হেমন্তের শিশির ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে হাতের তিন আঙ্গুলের সাহায্যে বোন তাঁর ভাইয়ের কপাল ধুয়ে দেয়। এরপর বোন তার কনিষ্ঠা আঙ্গুল দিয়ে একইভাবে চন্দন তিলক এঁকে দিয়ে ছড়া কেটে বলে "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।"
অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বলেন- দীপাবলির একদিন পরেই ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা। হেমন্তের পবিত্র শিশির দিয়ে বোন তাঁর ভাইয়ের সব অশুভ, অমঙ্গল ও অকল্যাণকর শক্তিকে ধুয়ে দেয়। সুগন্ধি চন্দন তিলক ললাটে এঁকে দিয়ে এনে দেয় সৌভাগ্যের পরশমনি। তারই সঙ্গে অমরত্বের প্রতীক দুর্বা আর ধনের প্রতীক ধান দিয়ে প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বা তার মঙ্গল কামনা করেন। তিনি আরো বলেন- যমী (যমুনা) তার ভাই যমকে কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে নিজ গৃহে এনে পূজা করে ভোজনে আপ্যায়িত করেছিলেন। তিনি বলেন জনশ্রুতি আছে, সেই থেকে অদ্যাবধি বিপুুুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হয়ে আসছে বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
অন্যদিকে, ১৩৩৬ খ্রিস্টাব্দে আচার্য সবানন্দ সুবীর পুঁথির শেষ শ্লোকে বলা হয় মহাবীরের জীবনবাসন হলে রাজা নন্দী বর্ধন বোনের শোক নিবারণের জন্য বোনকে বুঝিয়ে আদর যত্ন করে আপ্যায়ন করেছিলেন। ভ্রাতৃদ্বিতীয়া যমের দুয়ারে কাঁটা দিয়ে ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করা হয়। ভাইফোঁটার দিনে বোনেরা তাদের দাদা বা ভাইকে নিজের বাড়ীতে নিমন্ত্রণ করে আপ্যায়ন করে এবং ভাইয়েরাও বোনদের প্রাণ ভরে আর্শীবাদ করে। ভাগ্নিরা ভাইয়ের কপালে চন্দন ও কুমকুমের তিলক বা ফোঁটা এঁকে দিলে কেউ তার ক্ষতি করতে পারবেনা। সেজন্যই বোনেরা ভাইয়ের হাতে রাখি বেঁধে দেয়। এভাবে বোনেরা ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করে। এরপর ভাইকে ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি খাওয়ায়। ভাইও তার সাধ্যমত বোনকে কিছু উপহার বা টাকা দেয়। পশ্চিমবঙ্গের ন্যায় বাংলাদেশেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে পালিত হয় বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে বিনম্র শ্রদ্ধায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০.২০ টায় কালো ব্যাজ ধারণ ও শোক র্যালি, সকাল ১০.৪০ টায় বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা এবং বাদ যোহর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
শহীদ মিনারে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মাসুদা কামাল বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সাধারণভাবে জানি, সমাজের দু’টি শ্রেণি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি হচ্ছে ধনী শ্রেণি, আরেকটি হচ্ছে জ্ঞানী বা বুদ্ধিজীবী শ্রেণি যাদেরকে সাধারণ মানুষ অনুসরণ করে। বুদ্ধিজীবীরাই একটি সমাজ ও জাতির বিবেককে জাগ্রত করে রাখেন। আমাদের শত্রুরা পরিকল্পনা করেছিলেন, এই দুই শ্রেনিকে ধ্বংস করে দিতে পারলেই একটি জাতি ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়া যাবে।আমরা সেই সকল বুদ্ধিজীবী যাদেরকে ৭১-এ হত্যা করা হয়েছে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
এই দুই শ্রেণি ছাড়াও আরও একটি শ্রেণি আছে, সেটি হলো যুব সমাজ যেটি আমরা জুলাই বিপ্লবে দেখলাম। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে আমাদের সমাজের পরিবর্তন এনেছে। সেই সকল শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
শোক র্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন সাবিকুন নাহার তামান্না। তিনি ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। আজ বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
ডাকসু নির্বাচনে তিনি সদস্য পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ১০ হাজার ৮৪টি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে গতকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ভোটে দিনভর ছিল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, উচ্ছ্বাস ও উত্তেজনা।
সাবিকুন নাহার তামান্না কুমিল্লা জেলা দেবিদ্বার উপজেলা ইউছুফপুর গ্রামে ছফর উদ্দিন সরকার বাড়ীর মোঃ বেলাল হোসেনের দ্বিতীয় মেয়ে তিনি বর্তমান গাজীপুর জেলা কালিয়াকৈর উপজেলা বসবাস করেন, তিনি ২০১৫ সনে থেকে সপরিবারে গাজীপুরে বসবাস করছেন,তার বাবা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কালিয়াকৈর উপজেলার আমীর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। ডাকসু নির্বাচন ২০২৫-এ প্যানেলটি ২৮টি কেন্পদের মধ্যে ২৩টিতেই জয়লাভ করেছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন
সাবিকুন নাহার তামান্নার বাবাকে মেয়ের জয়ের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ক্যাম্পাস শহীদ আব্দুল মালেক, শহীদ নিজামী, শহীদ অধ্যাপক গোলাম আজম এর বিজরিত পদধূলি, এবং ২৪শে জুলাইয়ে বিল্পবের গণআন্দোলন সিপাহিদের আত্ম ত্যাগের ক্যাম্পাস, আমি সকল শহীদে আত্মা মাগফিরাত কামনা করছি, সকল শিক্ষার্থীদের কাছে আমি ও আমার পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী কুমিল্লা (০৪) এর মনোনীত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহিদকে সাবিকুন নাহার তামান্না বিজয়ী বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাবিকুন নাহার তামান্না আমাদের দেবিদ্বারের গর্ব পাশ্চাচ্য খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাহী সদস্য পদে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটে নির্বাচিত হয়ে সে আমাদের দেবিদ্বারকে সম্মানিত করেছে আমরা এই প্রিয় মেধাবী নেত্রীর প্রতি শুভ কামনা রহিল, আগামী দিনে বৃহত্তর অঙ্গনে সে তার মেধা প্রতিভা দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করবে এবং নারী জাগরণের ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে। আমি তার পরিবারের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।
এইদিকে’ সাবিকুন নাহার তামান্নার এ অর্জনে দেবিদ্বারসহ কুমিল্লা জেলায় আনন্দের বন্যা বইছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে র্যাবের পৃথক অভিযানে ১৬ হাজার ইয়াবা বড়ি ৬ লক্ষ টাকাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ভোর রাতে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার তালতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোঃ সোহাগ মোল্লা (২৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১৬ হাজার ইয়াবা বড়ি ও নগদ পাঁচ লাখ ৯৮ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে দাউদকান্দি উপজেলার জুরানপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযানে মোঃ শাহাদাত হোসেন শান্ত (২৬), হৃদয় মিয়া (২৩) এবং মোঃ শাহিন মিয়া শাকিল (২৩) নামে তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০৪টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর অভিযানে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
২৯ জুন রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন মনোহরপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১ টি বিদেশী পিস্তল, ১ টি ম্যাগাজিন ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এসময় অজ্ঞাতনামা একজন আসামী পালিয়ে যায়।
র্যাব জানান, অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামী কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


ইন্ডিয়া
বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ ফোরাম এর উদ্যোগে রবিবার (১০ মার্চ) আগরতলা
এনএসআরসিসি বক্সিং হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে কুমিল্লা-ত্রিপুরা ফ্রেন্ডশিপ কাপ কারাতে
চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪। ইন্ডিয়া বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ ফোরামের আমন্ত্রনে
খেলোয়াড় কর্মকর্ত সহ ১৫ সদস্যের কুমিল্লা কারাতে দল রবিবার আগারতলা সফরে যায়।
রবিবার বিকেলে আগরতলা এনএসআরসিসি বক্সিং হলে দুই দেশের বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলা
কারাতে দল ও ভারতের ত্রিপুরা কারাতে দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায়
৮ বছর ১৩ বছর, ১৫ বছর ও ২১ বছর বয়সি খেলোয়ারড় দের মধ্যে ৩০ কেজি, ৪৫ কেজি, ৫০ কেজি
ও ৭২ কেজি ওয়েটের কাতা এবং কারাতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা
জেলা কারাতে দল চ্যাম্পিয়ন হয়।
বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলা কারাতে দল ও ভারতের
ত্রিপুরা জেলা কারাতে দলের মধ্যে কারাতে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন এবং খেলোয়াড়দের
হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইন্ডিয়া বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ ফোরাম এর সহ-সভাপতি
শ্রী রতন সাহা। পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ত্রিপুরা স্পোর্টস
কাউন্সিলের যুগ্মসচিব শ্রী স্বপন সাহা, ইন্ডিয়া বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ
ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুজিত রায় ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ
সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন, ত্রিপুরা ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অধিকর্তা শ্রী
দেবাশিস নন্দী, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কোচ এমদাদুল হক এমদু, ক্রীড়া সংগঠক
জুবায়দুল হক জুয়েল ও সারোয়ার জাহান, ত্রিপুরা ক্রীড়া আধিকারিক ধীমান বিশ্বাস
প্রমুখ।
ত্রিপুরা-কুমিল্লা জেলার মধ্যে কারাতে
প্রতিযোগিতার মুখ্য আয়োজক ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ ফোরাম।
প্রতিযোগিতা আয়োজনে সহযোগিতা করে ক্রীড়া সংগঠন ইউনাইটেড অল স্টাইল কাারাতে
ত্রিপুরা অ্যাসোসিয়েশন। অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা সকল পর্যায়ের ক্রীড়ামোদি ও ক্রীড়া
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের উপস্থিতি প্রতিযোগিতাকে সাফল করে তুলে।
রবিবার ত্রিপুরা-কুমিল্লা ফ্রেন্ডশিপ কাপ ক্যারাটে
চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪ এ অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের কুমিল্লা থেকে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট
প্রতিযোগী ও প্রতিনিধি দল রবিবার ১০ই মার্চ সকালে সোনামুড়ার শ্রীমন্তপুর সীমান্ত
এলাকা দিয়ে ত্রিপুরায় যায়। সোনামুরায় কুমিল্রা জেলা কারাতে দলকে স্বাগত জানান
সোনামোরা স্পোর্টিং অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ঝুটন রায় ও সোনামুড়া স্পোটিং এসোসিয়েশনের
অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলা
কারাতে দলের সফরে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ
সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।
তিনি
জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে একটি কারাতে দল নিয়ে আমরা ত্রিপুরা খেলে এসেছি। মূলত আমরা
গিয়েছি ইন্ডিয়া বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ ফোরামের সাধারন সম্পাদক শ্রী সুজিত
রায়ের আমন্ত্রনে। সেখানে সুজিত রায় সহ ত্রিপুরার বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিগণ ও
ত্রিপুরা স্পোটর্স মিনিষ্ট্রির কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাত হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে
খেলাধুলা কিভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় এবিষয়ে আলোচনা হয়েছে। শিঘ্রই ত্রিপুরা ফুটবল দল
কুমিল্লা সফরে আসবে। পরবর্তিতে আমরা কুমিল্লা জেলা ফুটবল ও ক্রিকেট দল নিয়ে
ত্রিপুরা সফর করবো।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দি বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোসাঃ শাহানাজকে গ্রেফতার করেছে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ মনিরুল ইসলাম। সোমবার দিবাগত রাতে তাকে বারপাড়া ইউনিয়নের তার গ্রামের বাড়ি চারপাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে তাকে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫ আগস্ট কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারে সুলতান মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়। ঘটনার দীর্ঘ ১১ মাস পর এ বছর ২৬জুন নিহতের স্ত্রী রেহেনা বেগম বাদী হয়ে ৩৩জনের নামে দাউদকান্দি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলার ২৮নাম্বার আসামি হিসাবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোসাঃ শাহানাজ কে পুলিশ আটক করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের( ইনচার্জ )ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ৫ আগস্ট গৌরীপুর বাজারে সুলতান মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়। এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসাবে তাকে রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ জুনায়েদ চৌধুরী বলেন, একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসাবে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক অজ্ঞাতপরিচয় পথচারীর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে সাতটার দিকে কুমিল্লা রেলস্টেশনের উত্তর পাশে শাসনগাছা রেলগেইট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী পর্যটন এক্সপ্রেস ট্রেনটি কুমিল্লা স্টেশন অতিক্রম করে শাসনগাছা এলাকায় প্রবেশ করলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় এক ব্যক্তি অসতর্কভাবে রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করেন। ট্রেনের ধাক্কায় তিনি ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
নিহতের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে প্রচুর ভিড় জমে যায়। অনেকে মরদেহটি দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে কুমিল্লা রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসতর্কতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জিআরপি ফাঁড়ির ইনচার্জকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় পালিত হয়েছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস।
আজ বুধবার সকালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে “মানসম্মত হেলমেট নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ’র যৌথ উদ্যোগে দিবসটি উদযাপিত হয়।
র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক ফারুক আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছার। বিশেষ অতিথি ছিলেন হাইওয়ে পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম খান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আদনান ইবনে হাসান, মোটরযান পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম, পরিবহন মালিক সমিতি ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া চালক সংগঠনের প্রতিনিধি, রোভার স্কাউট ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন অনুষ্ঠানে।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন অসংখ্য প্রাণ ঝরছে অসচেতনতা, অতিরিক্ত গতি, অবৈধ পার্কিং ও নিয়ম না মানার কারণে। তারা বলেন, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ নয়, চালক, যাত্রী ও পথচারী সবার মধ্যেই ট্রাফিক সচেতনতা বাড়াতে হবে।
বক্তারা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, মানসম্মত হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা, ওভারটেকিং নিয়ন্ত্রণ এবং যানবাহনের নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা জোরদারের আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছার বলেন, “সরকার বিভিন্ন আইন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিচ্ছে, কিন্তু তবুও মৃত্যুর মিছিল থামছে না। সবাইকে নিজের অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, চালকদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ, রাস্তার মানোন্নয়ন ও ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলা সম্ভব। “জনসচেতনতা ও সহযোগিতা ছাড়া কোনো উদ্যোগই সফল হবে না,” যোগ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন