

কুমিল্লা রিপোর্টার্স ক্লাবের ২০২৫-২৬ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র রিপোর্টার রাসেল সোহেলকে সভাপতি ও এশিয়ান টিভির কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি মাহফুজ আনোয়ার সৌরভকে সাধারণ সম্পাদক এবং বার্তা ২৪ এর জেলা প্রতিনিধি মইন নাসের খাঁন রাফিকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
আজ
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল ) রাতে সকলের সম্মতিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।এ কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন মাই টিভির জসিম উদ্দিন,রূপসী বাংলার স্টাফ রিপোর্টার ফারুক আজম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস ও দৈনিক আজকের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার মো.হাবিবুর রহমান মুন্না,কোষাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন জিটিভির কুমিল্লা উওর প্রতিনিধি মো.মাঈন উদ্দিন,দপ্তর সম্পাদক পদে রয়েছেন চ্যানেল এস এর জেলা প্রতিনিধি রাজিব সাহা,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন দৈনিক কুমিল্লা ডাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে রয়েছেন লাখোকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক ভোরের কলামের স্টাফ রিপোর্টার জবিউল্লাহ মাহিন।
নির্বাহী সদস্য পদে রয়েছেন ডেইলি স্টারের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি খালিদ বিন নজরুল, দৈনিক ভোরের কলামের সম্পাদক মো.তৌহিদ মাহমুদ অপু,আলোকিত কুমিল্লার সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুমন,ঢাকা মেইলের জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক ভোরের সূর্যোদয়ের স্টাফ রিপোর্টার সাকলাইন যোবায়ের,দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র রিপোর্টার ও ম্যাক নিউজের সম্পাদক রকিবুল ইসলাম (ম্যাক রানা), দেশ রূপান্তরের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি দুলাল মিয়া, সময়ের আলো ও রাইজিং বিডির কুমিল্লা প্রতিনিধি রুবেল মজুমদার, বাংলাদেশ কন্ঠের প্রতিনিধি মো.ইয়াছিন মিয়া।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ (৭ অক্টোবর) সকালে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন দয়াপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ
তানজিল উরফে লাল মিয়া নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে
৪ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ তানজিল উরফে লাল মিয়া (৫২) কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী থানার ষাইটধার গ্রামের মৃত ইয়াসিন
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মিনি কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
অপহরণ করে চাঁদা আদায়ের চক্রকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ।
গতকাল (২৮
মার্চ) বিকেলে সুমন (৩৪) নামক ব্যক্তি কোতোয়ালি থানায় উপস্থিত হয়ে
জানান, তার
ভাই আলাউদ্দিন রং মিস্ত্রির কাজ করে। কাতার যাওয়ার জন্য (২৮
মার্চ) সকাল ১১ টায় তার নিজ বাসা থেকে রেইসকোর্সে
এলাকায় প্রবাসী জনশক্তি অফিসে ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার জন্য বাহির হলে
কে বা কারা তাকে অপহরণ পূর্বক আটকে রেখে আটক ব্যক্তির নম্বর থেকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন
প্রকার হুমকি ধমকী দিয়ে ১,০০,০০০ (এক
লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবী করে এবং চাঁদা না দিলে ভিকটিমের নামে
মিথ্যা মামলা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরাইয়া দিবে বলে হুমকী দিচ্ছে।
সংবাদ
পেয়ে সম্মানিত পুলিশ সুপার,
কুমিল্লার নির্দেশনায় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ উক্ত ব্যক্তিকে উদ্ধারে কাজ
শুরু করে।
কোতয়ালী
মডেল থানার এস.আই জীবন রায় চৌধুরী তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আটক রাখার স্থান
সনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা
করে ভিকটিম আলাউদ্দিনকে রাতে উত্তর রেইসকোর্স,
ধানমন্ডি রোড(বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মজুমদার এর মাজেদা কুটির নামীয়
৬ষ্ঠ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ৪র্থ তলায় ২ নং আসামীর ভাড়া বাসা থেকে ঘটনায় জড়িত
চক্রের দুই নারী এবং একজন পুরুষ সদস্যকে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো-
১।
পারভীন আক্তার @ হুমায়রা(২৮), পিতা-মৃত
শানু মিয়া, মাতা-মৃত
হাসেনা বেগম, সাং-চারিপাড়া(উত্তর পাড়া, হারুন মেম্বারের বাড়ী), থানা-ব্রাহ্মনপাড়া,
জেলা-কুমিল্লা, এ/পিসাং-নানুয়া
দিঘীর দক্ষিন পাড়(মনির হোসেন এর ৬ তলা ভবনের ৩য় তলার ভাড়াটিয়া), থানা-কোতয়ালী
মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
২।
শাহেনা বেগম(৩৮), স্বামী-কবির
আহমদ, সাং-ধান্যদৌল(কাজী
বাড়ী), ৫নং
ওয়ার্ড, থানা-ব্রাহ্মনপাড়া, জেলা-কুমিল্লা, এ/পি সাং-উত্তর
রেইসকোর্স, ধানমন্ডি
রোড(বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মজুমদার এর মাজেদা কুটির নামীয় ৬ষ্ঠ তলা
বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ৪র্থ তলার ভাড়াটিয়া),
থানা-কোতয়ালী মডেল,
জেলা-কুমিল্লা।
৩।
মোঃ মশিউর রহমান টিপু(৪৫),
পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ,
মাতা-ফাতেমা বেগম,
সাং-কাপ্তান বাজার(বেপারী পুকুর পাড়,
বড় বাড়ী), থানা-কোতয়ালী
মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
পুলিশ
জানান, উক্ত চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে
প্রলোভনের মাধ্যমে নিজেদের নির্ধারিত স্থানে নিয়ে ভয় ভীতি দেখিয়ে চাদা আদায় করে
আসছিলো।
উক্ত
ঘটনায় কুমিল্লা এর কোতয়ালী মডেল থানায় প্রতারণামূলক চাদাবাজির মামলা দায়ের
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার
চাঞ্চল্যকর ৩য় শ্রেণীর পড়ুয়া ৮ বছরের শিশু ধর্ষণ এর ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামী মাওলানা
নাছির পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গত ৪ জুলাই
কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন খালিশা এলাকায় ৮ বছরের এক মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশুকে
ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ভিকটিমের মা বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দিাদ থানায় নারী ও
শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণের ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে গুরুত্ব সহকারে প্রচারিত হলে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। উক্ত
ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ ও র্যাব-১০
এর যৌথ অভিযানে গত ১১ জুলাই রাতে ঢাকা জেলার হাজারীবাগ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা
করে ধর্ষক মাওলানা নাছির পাটোয়ারী কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন খালিশা এলাকার মৃত আব্দুস সামাদ পাটোয়ারীর
ছেলে মাওলানা নাছির পাটোয়ারী (৪২)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে
গ্রেফতারকৃত আসামী ধর্ষণের ঘটনার সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে
জানা যায়, ভিকটিমের পিতা মালেশিয়া প্রবাসী এবং তার মা একজন গৃহিনী। ভিকটিম এবং তার
ভাই স্থানীয় খালিশা মোহাম্মাদিয়া মিসবাউল উলুম মাদ্রাসায় তৃতীয় শ্রেণীতে অধ্যায়নরত
রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী মাওলানা নাছির পাটোয়ারী উক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালক।
প্রতিদিনের মতো ঘটনার দিন গত ৪ জুলাই ২০২৪ইং তারিখে ভিকটিম ও তার ভাই মাদ্রাসায় যায়।
ঘটনার দিন প্রবল বর্ষণের কারণে মাদ্রাসার অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী অনুপস্থিত ছিল। গ্রেফতারকৃত
আসামী নাছির পরিবারসহ মাদ্রাসার পিছনের একটি বাড়িতে বসবাস করতো এবং ঘটনার দিন আসামীর
পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে অনুপস্থিত ছিল। মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রীদের কম উপস্থিতি এবং
গ্রেফতারকৃত আসামীর পরিবারের অনুপস্থিতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে আসামী নাছির মাদ্রাসার
পিছনে অবস্থিত তার বাসা ঝাড়ু দেয়ার জন্য ভিকটিমকে ডেকে নিয়ে যায়। ভিকটিম বাসায় প্রবেশ
করলে গ্রেফতারকৃত আসামী তার বাসার দরজা লাগিয়ে দেয় এবং ভিকটিমকে তার খাটের উপর নিয়ে
ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের একপর্যায়ে ভিকটিম চিৎকার করলে
গ্রেফতারকৃত আসামী ভিকটিমকে উক্ত ঘটনা গোপন রাখতে বলে এবং প্রকাশ করলে তাকে মেরে ফেলার
হুমকি দেয়। বাড়িতে আসার পর ভিকটিমের কান্নাকাটির কারণ ভিকটিমের পরিবার জানতে চাইলে
একপর্যায়ে ভিকটিম মাদ্রাসায় ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা বর্ণনা করে। ঘটনার পর গ্রেফতারকৃত
আসামী নিজ এলাকা ছেড়ে ঢাকায় পালিয়ে যায় এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে সেখানে
আত্মগোপন করে।
উক্ত বিষয়ে
গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪) ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও কুমিল্লা এরিয়া পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নেন এবং তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পরে তিনি সকল পদবির সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন।
এসময় তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যের শুরুতেই শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
তিনি বলেন, দেশমাতৃকার সেবায় তরুণ সাহসী এই সেনা কর্মকর্তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাঁর জন্য গর্বিত। এরপর সকলের উদ্দেশ্যে দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি তিনি আর্মি মেডিকেল কলেজ কুমিল্লা এবং ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এসময় জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া, সেনাসদরের চিফ কনসালটেন্ট জেনারেল, অ্যাডহক সিএসসি'সহ সেনাসদর ও কুমিল্লা এরিয়ার উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার ও অন্যান্য পদবির সৈনিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২৫-২৬ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে জিটিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি সেলিম রেজা মুন্সী কে সভাপতি এবং দৈনিক কুমিল্লার ডাকের সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সর্ব সম্মতিক্রমে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নতুন কমিটিতে বিভিন্ন পদে নিম্নলিখিত সাংবাদিকরা দায়িত্ব পেয়েছেন : সহ-সভাপতি: আনোয়ার হোসেন (বৈশাখী টিভি), জাকারিয়া মানিক (দৈনিক পূর্বাশা), নেকবর হোসেন (দৈনিক আজকের জীবন)।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আসিফ মান্না (সাপ্তাহিক মেগোতি), রাসেল সোহেল (ডেইলি বাংলাদেশ মিরর)
সাংগঠনিক সম্পাদক : রেজাউল করিম রাসেল (দৈনিক সংগ্রাম)। কোষাধ্যক্ষ : মাসুদ আলম (এখন টিভি)। দপ্তর সম্পাদক : মহসিন কবির (ঢাকা ট্রিবিউন)। পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক : জসিম উদ্দিন চৌধুরী। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক : ম্যাক রানা (দৈনিক পূর্বাশা)। প্রশিক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক : মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ (এশিয়ান টিভি)। সমাজকল্যাণ সম্পাদক : আব্দুল মোতালেব নিখিল (মোহনা টিভি)। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক : হাবিবুর রহমান মুন্না (ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস)। আইটি বিষয়ক সম্পাদক : উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল (দৈনিক আজকের কুমিল্লা)। নির্বাহী সদস্য পদে রয়েছেন : জহিরুল হক বাবু (কুমিল্লা নিউজ), আশিকুর রহমান আশিক (জাগরণ টিভি), আরিফ মজুমদার (বাংলা টিভি), আবু সুফিয়ান (এনটিভি), রবিউল বাশার খান (দৈনিক আজকের দর্পণ), তৌহিদ হোসেন সরকার (ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস), আব্দুল্লাহ আল মারুফ (বাংলা ট্রিবিউন), মহিউদ্দিন আকাশ (আকাশ টিভি)
এই কমিটির প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি : মাসুক আলতাফ চৌধুরী। উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য হিসেবে রয়েছেন : হুমায়ুন কবির রনি (একুশে টিভি), মোঃ মোবারক হোসেন (গোমেতি সংবাদ), ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু (দৈনিক আজকের কুমিল্লা), দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ (নাগরিক টিভি, আজকের পত্রিকা ও বাসস)
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন ।
শুক্রবার (২৩ আগষ্ট) রাতে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা জগন্নাথপুর ইউনিয়নে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান ও আবু রায়হানের নেতৃত্বে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের শুকনা খাবার বিতরণ করেন।
বন্যার্তদের মাঝে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ নিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বয়ক রাশেদুল হাসান বলেন, আমরা শিক্ষার্থীরা মিলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এগিয়ে এসেছি। আমরা এখানে ২০০ পরিবারকে সাহায্য করেছি।
আরেকজন সমন্বয়ক আবু রায়হান বলেন, দেশের এই ক্রান্তিকালে আমাদের
শিক্ষার্থীদেরকেই মানুষদের পাশে দাঁড়াতে হবে। আমরা মানুষদেরকে সাহায্য করতে এগিয়ে
এসেছি। আমাদের মত সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে আমরা বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে
পারবো। বিপদে আমরা সবাই একসাথে মানুষদের পাশে দাঁড়াবো।
মন্তব্য করুন


যৌথ বাহিনীর নেতৃত্বে গত ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ হতে ৪/৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে কুমিল্লা জেলার নিরীহ ছাত্র জনতার উপর আক্রমনকারী সন্ত্রাসীসহ সকল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক, অবৈধ মাদক কারবারী এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৮ নভেম্বর ২০২৪ মাদক ব্যবসায়ী ব্যক্তির অবস্থান সম্পর্কে প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী কর্তৃক মোল্লা কান্দি, দাউদকান্দি নামক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে মাদক সরবরাহকারী মোঃ বাদলকে গ্রেফতার করতে গেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তার স্ত্রী মোছাঃ তাসলিমা বেগম এবং মোছাঃ মুক্তা বেগম নামক ০২ জন ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে ৭,৬০০/- পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১ রোল ইয়াবা সেবন ফয়েল পেপার, ০৭ টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, ১ টি সীম কার্ড ও নগদ ২,২৯,৩০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত দ্রব্যসামগ্রী দাউদকান্দি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদেরকে আটক করার এরূপ অভিযান যৌথ বাহিনী কর্তৃক অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার গোলাবাড়ি এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাস দমনে প্রশাসনের কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে লং মার্চের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, প্রশাসন যদি দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিনি নিজেই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামবেন। এমনকি প্রয়োজন হলে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার কথাও তিনি বলেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) বেলা ১২টায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, “জঙ্গল সলিমপুর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলে গোলাবাড়ি কেন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না? সেখানে যদি এখনো কোনো অভিযান বা গ্রেপ্তার না হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন থেকে যায়।”
তিনি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের উদ্দেশে আরও বলেন, গোলাবাড়ির মূল অপরাধীদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত করতে হবে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, প্রয়োজনে গোলাবাড়ি এলাকায় ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে।
মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় তিনি জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকুকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন রাখেন, “মার্ডার ও মাদকসহ ৩৫টি মামলার আসামিরা কীভাবে জামিন পায়? এ বিষয়ে আরও কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।”
জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বজলুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজিবি কুমিল্লার সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম, জেলা পিপি অ্যাডভোকেট কাইউমুল হক রিংকু, অধ্যক্ষ শরীফুল ইসলাম, লাকসাম সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার সনদ বড়ুয়া, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়, আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
বিসিক শিল্প নগরীতে ‘মর্ডান ড্রাগ’ নামক একটি কারখানায় মাঝরাতে ঝটিকা
অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে সরকারি লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়া সম্পূর্ণ অবৈধ
ও মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ২১ পদের ভেজাল ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় কোনো
বৈধ টেকনিশিয়ান ছাড়া নিজেই এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরির অপরাধে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলামকে
হাতেনাতে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার
(২০ জুন) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের একটি চৌকস দল বিসিক এলাকার
ওই কারখানায় এই বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান।
জেলা
প্রশাসন ও ঔষধ প্রশাসন সূত্র জানায়, মর্ডান ড্রাগ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটির সরকারিভাবে
মাত্র দুটি সাধারণ ওষুধ তৈরির বৈধ অনুমোদন ছিল। কিন্তু কারখানার ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে
দেখা যায়, সেখানে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে শিশুখাদ্য ও শিশুদের সিরাপসহ ২১ ধরনের জটিল রোগের
ভেজাল ওষুধ তৈরি ও বোতলজাত করা হচ্ছিল। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, কারখানায় ওষুধ তৈরির
জন্য স্বীকৃত কোনো ফার্মাসিস্ট বা ল্যাব টেকনিশিয়ান ছিল না। মালিক জুবায়ের ইসলাম নিজেই
ইচ্ছেমতো উপাদান মিশিয়ে এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরি করতেন। অভিযানে সেখানে কেবল একজন নামমাত্র
শিক্ষানবিশ কেমিস্টের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তৈরি করা এসব ভেজাল ওষুধ ডিলারের মাধ্যমে
দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের ফার্মেসিতে সরবরাহ করা হতো।
অভিযানে
অংশ নেওয়া কুমিল্লা ঔষধ প্রশাসনের অফিস সহকারী শাহ আলম সরকার বলেন, "জব্দ করা
ওষুধের তালিকায় বেশ কয়েকটি নামী বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধও রয়েছে। ল্যাবে পরীক্ষা
ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এই ওষুধগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং মানবদেহের জন্য
রীতিমতো বিষসদৃশ। এ ঘটনায় ওষুধ আইন অনুযায়ী কঠোর নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।"
আটকের
পর অপরাধের কথা স্বীকার করে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম বলেন, "২১টির মধ্যে
১৫টিরও বেশি ওষুধ তৈরির কোনো বৈধ কাগজপত্র বা অনুমতি আমাদের ছিল না। আমরা মূলত বিভিন্ন
সাধারণ হারবাল কাঁচামাল এবং কেমিক্যাল ব্যবহার করে নিজেদের মতো করে এসব ওষুধ তৈরি করে
আসছিলাম।"
ভেজাল
ও নকল ওষুধের এই বড় আস্তানায় অভিযান পরিচালনার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক
কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা হাসান মাহমুদ এবং কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারসহ পুলিশের একটি দল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায়
বিসিকসহ কুমিল্লার সর্বত্র এই ধরনের ভেজালবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে
জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় ভোক্তা অধিদপ্তরের একটি অভিযানে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
অনিয়ম ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আজ বুধবার (২৮ মে) দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার ও প্রযুক্তিবিদ (টেকনোলজিস্ট) না থাকায় “কুমিল্লা তিতাস মেডিকেল” প্যাথলজিকে ৫০,০০০ টাকা এবং আল নুর হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগে রেডিওলজিস্ট না থাকায় ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা তিতাস মেডিকেলে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া রিএজেন্ট ব্যবহার
করা হচ্ছিল এবং সেখানে কোনো রেজিস্টার্ড মেডিকেল টেকনোলজিস্ট কর্মরত ছিলেন না। অন্যদিকে,
আল নুর হাসপাতালে এক্স-রে পরীক্ষার সময় কোনো রেডিওলজিস্ট উপস্থিত না থাকায় রোগীদের
সেবা বিঘ্নিত হচ্ছিল। এছাড়া, প্রতিষ্ঠান দুটি রোগীদেরকে প্রতিশ্রুতিসম্মত সেবা প্রদান
করতে ব্যর্থ হয়।
ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর অধীন এ অনিয়মের জন্য মোট ৭০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পাশাপাশি, ভবিষ্যতে সঠিকভাবে সেবা প্রদান ও নিয়ম মেনে চলার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া
হয়।
জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়ার নেতৃত্বে
এই অভিযান পরিচালিত হয়। তাকে সহযোগিতা করেন অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা
জেলা পুলিশের একটি টিম।
ভোক্তা
অধিদপ্তর জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো প্রতিষ্ঠানই
ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে রেয়াত পাবে না।
মন্তব্য করুন