

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ‘জ্বীনের বাদশা’ পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে আটক এনামুল হককে সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকালে আদালতে হাজির করা হয়েছে।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় বোয়াইলভীর এলাকায় স্থানীয়রা তাকে ধরে পুলিশকে খবর দিলে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।
আটক এনামুল হক ওই এলাকার মৃত আবদার আলীর ছেলে। স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এনামুল ‘জ্বীনের বাদশা’ সেজে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিলেন। বিষয়টি টের পেয়ে এলাকাবাসী রোববার তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে প্রতারণা ও আত্মসাতের অভিযোগে (দণ্ডবিধি ৪০৬/৪২০ ধারা) মামলার পর এনামুলকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ফুলবাড়ী থানার ওসি শওকত আলী সরকার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একট পিতলের মূর্তি সহ এনামুলকে আটক করা হয়। সোমবার তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, পরিস্থিতি জটিল না হলে গ্যাস-বিদ্যুতের
দাম বাড়ানো হবে না। আমরা চাই দাম সহনীয় রাখতে। চেষ্টা করবো জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে।
আপাতত নির্বাহী আদেশে আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। যে সব প্রকল্প
চুক্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে, সেগুলো বন্ধ থাকবে।
রবিবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদ
সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বিদ্যুৎ জ্বালানি
ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর দুপুরে প্রথম সচিবালয়ে
আসেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, নির্বাহী আদেশে
আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। দাম সমন্বয় করতে হলে বাংলাদেশ এনার্জি
রেগুলেটরি কমিশনে পাঠানো হবে। অতিরিক্ত যেকোন ব্যয় বন্ধ করে মিতব্যয়িতা নীতি গ্রহণ
করতে হবে, কিন্তু কাজ কমানো যাবে না। কম অর্থে বেশি কাজ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধানের
সাথে সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লো সেনাসদরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময়
ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও দু'দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা
করেন। বিশেষ করে তাঁরা সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, যৌথভাবে হাসপাতাল নির্মাণ ও
পরিচালনার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগ ও সামরিক
প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রশিক্ষনার্থী বিনিময়ের উপর আলোকপাত করেন।
এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, স্পেশাল ফোর্সেস' অভিযান ইত্যাদি বিষয়ে যৌথ মহড়া পরিচালনার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


পৃথিবী
সফরের অংশ হিসেবে আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি।
তবে এই ঐতিহাসিক ট্রফি সবাই সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না। কেবল কোকা-কোলার ‘আন্ডার
দ্য ক্যাপ’ প্রোমোশনাল ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়া নির্বাচিত কিছু ব্যক্তি
ট্রফিটি দেখার এবং এর সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পাবেন।
কোকা-কোলার
এই বিশেষ ক্যাম্পেইনটি শেষ হয়েছে ৮ জানুয়ারি। নির্দিষ্ট প্রোমোশনাল বোতল কিনে কিউআর
কোড স্ক্যান করা এবং ফিফা-থিমভিত্তিক কুইজে অংশ নিয়ে বিজয়ীরা এই এক্সক্লুসিভ পাস অর্জন
করেন।
ফিফা
বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলার ষষ্ঠ আসরের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় গত শনিবার সৌদি
আরবের রাজধানী রিয়াদে। কিংবদন্তি ইতালিয়ান ফুটবলার ও ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপজয়ী আলেসান্দ্রো
দেল পিয়েরো এই বিশ্বভ্রমণের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের
শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন ভিআইপিরা।
বিশেষ
ট্রফি ট্যুর বিমানে করে রিয়াদ বিমানবন্দরে পৌঁছে দেল পিয়েরো টারমাকে ফিফা বিশ্বকাপের
মূল ট্রফি উন্মোচন করেন। এরপর তিনি অংশ নেন একটি সংগঠিত ফুটবল ক্লিনিকে, যেখানে তরুণ
শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং বিভিন্ন ফুটবল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিশ্বকাপ ট্রফির
উপস্থিতি ও কিংবদন্তি ফুটবলারের সান্নিধ্যে শিশুদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
দিনব্যাপী
উৎসবের শেষ পর্বে রিয়াদের একটি বড় শপিং মলে সাধারণ দর্শকদের জন্য আয়োজন করা হয় পাবলিক
ফ্যান ইভেন্ট। সেখানে শত শত ফুটবলপ্রেমী ও গণমাধ্যমকর্মীর সামনে প্রদর্শন করা হয় ফিফা
বিশ্বকাপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ট্রফি।
ফিফা
বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি ৩০টি ফিফা সদস্য দেশের ৭৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করবে। পুরো সফর
চলবে ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে। এই বৈশ্বিক ট্রফি ট্যুরের মাধ্যমে বিশ্বের হাজারো ফুটবলপ্রেমী
জীবনে একবার কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন ফুটবলের সর্বোচ্চ পুরস্কারটি।
ট্রফি
ট্যুরের সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি।
এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও বিশ্বকাপের আবহে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ
পাবেন।
ফিফা
বিশ্বকাপ ২০২৬ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। এই প্রথম তিনটি দেশ-যুক্তরাষ্ট্র,
কানাডা ও মেক্সিকো-যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। এবারের আসরে অংশ নেবে ৪৮টি
দল এবং অনুষ্ঠিত হবে রেকর্ডসংখ্যক ১০৪টি ম্যাচ।
এই
ট্রফি ট্যুরে ২০২৬ সালের তিন আয়োজক দেশের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ফিফা বিশ্বকাপ ও ফিফা নারী
বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলো-মরক্কো, পর্তুগাল, স্পেন, সৌদি আরব ও ব্রাজিল-সফর করবে ট্রফি।
কোকা-কোলা’র
গ্লোবাল অ্যাসেটস, ইনফ্লুয়েন্সার ও পার্টনারশিপস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মিকায়েল
ভিনে বলেন, ফুটবল এমন একটি খেলা, যা ভাষা বা দেশের সীমারেখা ছাড়াই মানুষকে একত্রিত
করে। দুই দশক ধরে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা ফুটবলপ্রেমীদের খেলাটির
জাদুর সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
ফিফার
চিফ বিজনেস অফিসার রোমি গাই বলেন, ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি খেলাধুলার জগতে সর্বোচ্চ সম্মানের
প্রতীক। কোকা-কোলার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের
বিশ্বকাপের উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
ফুটবল
ম্যাচ দেখার সময় যে আবেগ, উত্তেজনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়-সেই অনুভূতিগুলোকে উদযাপন করতেই
ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি বাংলাদেশে নিয়ে আসা হচ্ছে। ট্রফির এই সংক্ষিপ্ত সফর হলেও
তা দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেন, যারা নির্বাচন বিঘ্নিত করার হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের জন্য দরকারি সব ব্যবস্থা কমিশন গ্রহণ করবে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকার পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘বিজিবির নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ও মহড়া’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশজুড়ে ১,২১০ প্লাটুন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটকেন্দ্রে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও মহড়া পরিচালিত হচ্ছে।
সিইসি নাসির উদ্দীন আরও জানান, এটি তার তৃতীয় মহড়া পরিদর্শন। এর আগে পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির মহড়া তিনি দেখেছেন। তার ভাষায়, সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে যথাযথ প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তার মতে, এসব মহড়া নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখা এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সাংবাদিক, নিরাপত্তা বাহিনী ও ১৩ কোটি ভোটারের সহযোগিতা কামনা করেন সিইসি। তিনি বলেন, জাতির কাছে দেওয়া সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নির্বাচন কমিশন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, সীমান্তবর্তী ১১৫টি উপজেলার মধ্যে ৬০টিতে শুধুমাত্র বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে। সন্দ্বীপ, হাতিয়া ও কুতুবদিয়া ছাড়া বাকি সব উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে।
মহড়া শেষে শহীদ শাকিল আহমেদ হলে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সিইসি। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে বিশ্বের ১০৪টি দেশে ৭ লাখ ২৮ হাজার
২৩ জন প্রবাসী ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
প্রবাসী
ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন’
(ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান বাসসকে এ তথ্য জানান।
তিনি
বলেন, নিবন্ধিত বাকি প্রবাসীদের কাছেও দ্রুততম সময়ে পোস্টাল ব্যালট পৌঁছে দেওয়া হবে।
তবে ব্যালটের গোপনীয়তা রক্ষা করা সংশ্লিষ্ট ভোটারের দায়িত্ব। কেউ যদি গোপনীয়তা ভঙ্গ
করেন, তবে তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক করা হতে পারে।
ইসি
কর্মকর্তারা জানান, সর্বোচ্চ ব্যালট পাঠানো হয়েছে সৌদি আরবে ২ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৩ জন
প্রবাসীর কাছে। এ ছাড়া মালয়েশিয়ায় ৮৩ হাজার ৮২৭ জন এবং কাতারে ৭৪ হাজার প্রবাসীর কাছে
ব্যালট পৌঁছেছে।
নির্বাচন
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’
অ্যাপে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে দেশের ভেতরে (ইন-কান্ট্রি)
৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪১ জন এবং প্রবাস থেকে ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪২ জন নিবন্ধন করেছেন ।
ইসি
সূত্রে আরও জানা যায়, গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৫০ হাজার ৭৯০ জন
প্রবাসীর কাছে ব্যালট পাঠানো হয়। এর মধ্যে সৌদি আরবে ১৭ হাজার, মালয়েশিয়ায় ১১ হাজার
৭৫০, ওমানে ১০ হাজার ২০০ জন প্রবাসী ব্যালট পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জন্য ঋণ সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। এসময় বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বলেন, চলতি অর্থবছরে তার সংস্থা বাংলাদেশের জন্য দুইশ’ কোটি মার্কিন ডলারের নতুন অর্থায়ন করতে পারবে। এই অর্থ অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন, বন্যা মোকাবিলা, দূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বায়ুর মান বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সহায়তা করা হবে।
জরুরিভাবে আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে এমন ক্ষেত্রে সহায়তা করা হবে উল্লেখ করে আবদৌলায়ে সেক বলেন, আমরা যত দ্রুত সম্ভব এবং যতটা সম্ভব আপনাদের সহায়তা করতে চাই।
বৈঠকে নতুন ঋণ সহায়তার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধের প্রেক্ষিতে সংস্থাটি সরকারের চলমান বিদ্যমান প্রকল্পে প্রায় একশ’ কোটি ডলারের অতিরিক্ত একশ’ কোটি ডলারের তহবিল পুনর্বিন্যাসের কথা উল্লেখ করা হয়।
বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান জানান, অতিরিক্ত ঋণ প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক এবারের অর্থবছরে বাংলাদেশকে সহজশর্তে ঋণ এবং মঞ্জুরি মিলিয়ে প্রায় তিনশ’কোটি মার্কিন ডলার প্রদান করবে, যার মাধ্যমে বিদ্যমান প্রকল্পসমূহের তহবিল পুনর্বিন্যাসও করা হবে।
সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন বাংলাদেশের তরুণ সম্প্রদায় এবং দেশটির জন্য ‘মহৎ কাজ’হবে উল্লেখ করে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বলেন, প্রতিবছর যে ২০ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে, তারাও এর সুফল পাবে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরক্টেরকে উদ্দেশে করে বলেন, ১৫ বছরের অপশাসন থেকে ঘুরে দাঁড়াতে আমরা যে নতুন যাত্রার সূচনা করেছি তাকে এগিয়ে নিতে এবং সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাংকের ঋণ তহবিলসমূহের শর্তাবলী নমনীয় হতে হবে। আমাদের ধ্বংসাবশেষ থেকে নতুন কাঠামো তৈরি করতে হচ্ছে। আমাদের এখন বড় ধাক্কা দেওয়ার প্রয়োজন এবং ছাত্রদের যে স্বপ্ন রয়েছে তা পূরণে মনোযোগ দিতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন,
আমি আপনাদের বলবো- আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের টিমের অংশীদার হোন। গত ১৫ বছরে শেখ
হাসিনার শাসন আমলে দুর্নীতিবাজরা অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে কয়েক বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। পাচার হওয়া এসব অর্থ ফিরিয়ে আনতে তিনি বিশ্বব্যাংককে কারিগরি সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান।
বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রধান বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সহায়তা করতে সম্মত হন। তিনি বলেন, আমরা আপনাদের সাহায্য করতে পেরে খুশি হবো। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে পরিসংখ্যানগত তথ্যের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি, কর আহরণে অটোমেশন চালু এবং আর্থিক খাত সংস্কারে সহায়তা করতে চায়। বাংলাদেশ তার প্রতিষ্ঠানগুলো মেরামত এবং মোটা দাগের সংস্কার করার এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না। একবার এ সুযোগ হারালে কখনো তা আর ফিরে আসবে না।
আবদৌলায়ে সেক জুলাই-আগস্টে ছাত্র আন্দোলনের শহিদদের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি ঢাকার দেয়ালে তরুণদের আঁকা বর্ণিল গ্রাফিতি ও ম্যুরাল দেখে মুগ্ধ হয়েছেন উল্লেখ করে বলেছেন, ৩০ বছরের চাকরি জীবনে অন্য কোথাও এমন দেখিনি।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল আনুমানিক ৯:৩০ মিনিটে মাদারীপুরের আড়িয়াল খাঁ ব্রিজের ওপর এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কমপক্ষে ১৭ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। হতাহতদের তাৎক্ষণিক নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা থেকে খুলনা অভিমুখে যাচ্ছিল 'ওয়েলকাম পরিবহন'-এর একটি যাত্রীবাহী বাস। বাসটি আড়িয়াল খাঁ ব্রিজে পৌঁছানোর পর সামনে থাকা একটি ট্রাককে পেছন থেকে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে সজোরে ধাক্কা মারে।
বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়।
আহত অবস্থায় কমপক্ষে ১৭ জন যাত্রীকে স্থানীয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়, ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় তিনজনে।
খবর পেয়ে শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ওসি জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দুর্ঘটনার জেরে মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজ চলছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-শিক্ষক সমাজ আবার তাঁদের চিন্তার স্বাধীনতা ও মুক্তবুদ্ধির চর্চা ফিরে পেয়েছেন। এর সঙ্গে এখন যোগ করতে হবে বিশ্ব-বিজ্ঞানে অবদান রাখার সক্ষমতা। আকাক্সক্ষাকে উচ্চে রেখে দৈনন্দিন পঠন-পাঠন গবেষণার মাধ্যমেই সেটি অর্জিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার
(৭ নভেম্বর) ঢাকায় ‘বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যানের শতবর্ষ উদযাপন : ঢাকার উত্তরাধিকার’ শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন
তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগ এবং সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডি অ্যান্ড রিসার্চ ইন ন্যাচারাল সায়েন্সেস, ঢাবি যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার বিপ্লবের ফসল। তাই আমরা বিশ্ব-বিজ্ঞানে অবদান রাখতে প্রয়োজনীয় সব সংস্কার এবং উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির সকল প্রয়াস নিতে প্রস্তুত রয়েছি। এই কাজে নিবেদিত সবার কাছ থেকে চাহিদা, পরামর্শ আসতে হবে। নিজের ওপর আস্থা থাকলে এটি আমরা পারবো- যেমন আস্থা সত্যেন্দ্রনাথ বসুর ছিল বলে তিনি সম্পূর্ণ অপরিচিত হয়েও আইনস্টাইনকে লিখতে পেরেছিলেন। ১৯২৪ সালে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর আবিষ্কারের পরিবেশ যেভাবে গড়ে ওঠেছিলো, আজও সেভাবেই গড়ে উঠবে। এর কোন বিকল্প নেই। আমাদের তরুণদের মনে বিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে যে আমরাই বিশ্ব। আজ আমরা সেই আকাঙ্খারই শতবার্ষিকী পালন করছি। বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে বাংলাদেশের ইতিহাসের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আজ আমরা আমাদের দেশের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের একজন উজ্জ্বলতম তারকার মহত্তম অবদানের শতবার্ষিকী উদযাপন করতে এসেছি। যিনি ১৯২৪ সালের এমন একটি সময়ে তাঁর আবিষ্কার বোস-আইনস্টাইন কোয়ান্টাম স্ট্যাটিসটিক্সের জন্য বিজ্ঞান ইতিহাসের অংশ হয়ে গিয়েছিলেন। আর তিনি এটি করেছিলেন আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নবীন অধ্যাপক হিসেবে কার্জন হলের একটি কামরায় বসে, আজো যেটি পদার্থবিদ্যার ছাত্র-শিক্ষকদের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখরিত। তাঁর আবিষ্কারের গুরুত্বের কারণে পৃথিবীর নানা দেশের পদার্থবিদগণ এই শতবার্ষিকী উদযাপন করছেন। কিন্তু আমাদের জন্য এই আবিষ্কারের মর্মটাই আলাদা। পদার্থবিদরা বলেন, বিংশ শতাব্দীর ওই পর্যায়ে পদার্থবিদ্যায় যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছিলো কোয়ান্টাম থিওরির মাধ্যমে, এটি ছিল তার মধ্যে একটি বড় সংযোজন। এর মাধ্যমে বসু বিশ্ব-বিজ্ঞানের মানচিত্রে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়, আমাদের ঢাকা নগরীকে উজ্জ্বলভাবে চিহ্নিত করে দিয়েছিলেন। আজ আমরা যখন ছাত্র-জনতার একটি সর্বাত্মক বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে নতুন ভাবে গড়ার প্রয়াস নিয়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়কে তার যথাযথ চর্চার জায়গায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছি, তখন পরিবর্তনের দিগদর্শিকা হিসেবে উদযাপনের জন্য বসুর আবিষ্কারের এই শতবার্ষিকীর থেকে যথাযথ বিষয় আর কী হতে পারে? আমাদের বিপ্লবের নায়ক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রেরণা হিসেবেও বা এর থেকে বড় গৌরবের স্মরণও আর কী হতে পারে? ১৯২৪ সাল অনেক পেছনে রেখে এসেছি। কালের পরিক্রমায় বসুর আবিষ্কারটি কি এতটুকু ম্লান হয়েছে? পদার্থবিদরা বলছেন মোটেই না। যার প্রমাণ এই আবিষ্কারের ভবিষ্যদ্বাণীকে সত্য প্রমাণ করে সৃষ্ট বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে ২০০১ সালে। এ নিয়ে গবেষণা চলছেই।
তিনি উল্লেখ করেন, সারা দুনিয়ার পদার্থবিদ্যার ছাত্ররা জানে যাবতীয় পদার্থ-শক্তি সব কিছুর একেবারে মূলে যে মৌলিক কণিকাগুলো এদের শ্রেণী বিভাজনে একটি বড় ভূমিকা রেখেছে বসুর থিওরির দ্বারা ঠিক করে দেয়া নির্দেশিকা।
প্রধান উপদেষ্টা
আরও বলেন, সত্যেন্দ্রনাথ বসু শিক্ষার সর্বস্তরে, বিশেষ করে উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষায় বাংলা ভাষা প্রচলনের জন্য তর্ক বিতর্ক করছেন, বাংলায় বই লিখছেন, পত্রিকা বের করছেন, নিজের পাঠদানে বাংলা ব্যবহার করছেন। শহরের সাহিত্যানুরাগী সংস্কৃতিসেবীদের কয়েকজনকে নিয়ে নিয়মিত বৈঠকি আড্ডা গড়ে তুলেছেন। পঞ্চাশের দশকের শেষের দিকে আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তখনকার ঢাকার সঙ্গে বসুর ঢাকারই মিল বেশি ছিল। কাজেই পরিবেশটি বেশ কল্পনা করতে পারি, ঢাকার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। সেই শান্ত ছোট শহরকে, সেই সবুজ রমনাকে আর ফেরত আনা যাবে না, কিন্তু সেই গৌরবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা অবশ্যই ফেরত আনতে পারি, আজকের স্বাধীন বাংলাদেশে। বোস- আইনস্টাইন তত্ত্বের শতবার্ষিকীতে একথা আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই।
মন্তব্য করুন


ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানিয়েছেন, ঢাকার মূল সড়কে কোনো রিকশা চলাচল করতে পারবে না।
তিনি বলেন, রিকশা চলাচল করবে অভ্যন্তরের সড়কে। ব্যাটারিচালিত
অবৈধ রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ডেসকোর সহায়তায় এসব রিকশা চার্জিং
পয়েন্ট ও উৎপাদনের ওয়ার্কশপ বন্ধ করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় ব্যাটারিচালিত
অবৈধ রিকশা চলাচল বন্ধে পরিচালিত অভিযানে এসব কথা বলেন তিনি।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন
(ডিএনসিসি) যৌথভাবে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মূল সড়কে চলাচলরত প্রায়
৩০টি ব্যাটারিচালিত রিকশা জব্দ করা হয়।
ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, এক সমীক্ষায় দেখা গেছে
২০ শতাংশ দুর্ঘটনা এই ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
হচ্ছে শহরের নারী ও শিশুরা। এগুলো কোনো নীতিমালা বা যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায়
রেখে তৈরি করা হয়নি। প্রায়ই দেখা যায় পথচারীদের ওপর উঠে যাচ্ছে, অনিয়ন্ত্রিত গতির কারণে
প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ও সড়কে গণপরিবহন চলাচলে শৃঙ্খলা
ফেরাতে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বুয়েটের সহায়তায় এরই মধ্যে ব্যাটারিচালিত নিরাপদ
রিকশার নকশা করে কয়েকটি কোম্পানিকে প্রস্তুতের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই মাসের মধ্যে
ডিএনসিসি রিকশা চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। প্রশিক্ষণ শেষে উত্তীর্ণরাই বৈধ
লাইসেন্স পাবে এবং অনুমোদিত কোম্পানির তৈরি রিকশা শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় চালাতে পারবে।
এক এলাকার বৈধ রিকশা অন্য এলাকায় যেতে পারবে না। যাত্রী ভোগান্তি কমাতে ভাড়াও নির্ধারিত
থাকবে। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হবে। চলমান রিকশা নিয়ে যে বাণিজ্য
রয়েছে তা বন্ধ করা হবে।
উক্ত অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক
নির্বাহী কর্মকর্তা আ ন ম বদরুদ্দোজা, ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক
প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলম, ডিএমপির ও ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে বিপিএলের অনুশীলন চলাকালে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন জাতীয় দলের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ম্যাথিউ ফোর্ডের ব্যাট থেকে আসা একটি বল মাথায় লাগায় তিনি আহত হন। সতর্কতার অংশ হিসেবে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অনুশীলন চলছিল। ওই সময় নেট অনুশীলনে ব্যস্ত ছিলেন মোস্তাফিজ। তার পাশের নেটে ব্যাটিং করছিলেন ক্যারিবীয় ক্রিকেটার ম্যাথিউ ফোর্ড। অনুশীলনের এক পর্যায়ে ফোর্ডের মারা একটি জোরালো শট অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে গিয়ে লাগে মোস্তাফিজের মাথায়। এতে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে পড়ে যান তিনি এবং মাথা থেকে রক্তপাত হতে দেখা যায়।ঘটনার পরপরই দলের ফিজিও মাঠে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তবে আঘাতের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মাঠে থাকা অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে দ্রুত ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে, যার মধ্যে স্ক্যানও রয়েছে। স্ক্যান রিপোর্ট পাওয়ার পরই তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।এ বিষয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানায়নি। তবে জানা গেছে, বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এই বাঁহাতি পেসার।দলের মিডিয়া ম্যানেজার খান নয়ন গণমাধ্যমকে জানান, মাথায় বল লাগার পরও মোস্তাফিজ সচেতন ছিলেন এবং স্বাভাবিকভাবে কথা বলছিলেন। যদিও আঘাতের কারণে রক্তপাত হয়েছিল। নিরাপত্তার কথা ভেবেই তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং দলের সংশ্লিষ্ট সদস্যরাও তার সঙ্গে ছিলেন।চলতি বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে এখন পর্যন্ত ৯টি ম্যাচ খেলেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। এসব ম্যাচে তিনি বল হাতে নিয়েছেন ১১টি উইকেট।
মন্তব্য করুন