১০ স্বর্ণের বারসহ দুই যুবক আটক

১০ স্বর্ণের বারসহ দুই যুবক আটক
ছবি

যশোরে স্বর্ণ পাচারের সময় দুই যুবককে আটক করেছে বিজিবি। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার মুরাদগড় বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের ফরিদুল ইসলাম (২৮) এবং ঝিনাইদহের মহেশপুরের পান্তাপাড়া এলাকার মাহাফুজ আলম (৩১)।

৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়—দুই ব্যক্তি স্বর্ণ পাচারের উদ্দেশ্যে চৌগাছা সীমান্তের দিকে রওনা হয়েছে। ওই তথ্যের পর বিজিবির একটি দল ভোরে মুরাদগড় বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর ঢাকা থেকে আসা একটি বাস আটক করে তল্লাশি চালালে ফরিদুল ও মাহাফুজকে ধরা হয়।

তল্লাশি শেষে তাদের প্যান্টের পকেটে বিশেষভাবে লুকানো ১০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। স্বর্ণের মোট ওজন ১ কেজি ১৬৪ গ্রাম এবং বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ২৪৪ টাকা বলে বিজিবি জানায়।

লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দু’জনই স্বীকার করেছেন যে, ঢাকার তাঁতিবাজার এলাকা থেকে স্বর্ণগুলো সংগ্রহ করে যশোর হয়ে চৌগাছা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের পরিকল্পনা ছিল তাদের।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান

দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

চুরি করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে : জামায়াত আমির

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

বরিশালের জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

নারীদের ঘরে বন্দি করার রাজনীতি দেশের জন্য অশনিসংকেত : তারেক রহমান

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

১০

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

১২

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

১৩

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

১৪

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

১৬

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১৮

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১৯

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

২০

নির্বাচনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টার

নির্বাচনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টার
ছবি

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।  প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের নিরাপত্তা, অগ্রগতি ও জাতি গঠনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান সত্যিই প্রশংসনীয়। দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আপনারা যে ত্যাগ ও নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন, তা দৃষ্টান্তমূলক।’ 

আগামী নির্বাচনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারিতে আমাদের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে সত্যিই একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করতে হবে। এটি শুধু একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে না, বরং শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করবে। ভোটাররা যখন ভোট দিতে বের হবেন, তা উৎসবমুখর হবে এবং জাতি গর্বের সঙ্গে স্মরণ করবে যে তারা দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে অংশ নিয়েছেন।’একইসঙ্গে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা, অগ্রগতি, জাতি গঠন এবং সংকটকালে জনগণের পাশে দাঁড়ানোয় সশস্ত্র বাহিনীর অবদানের প্রশংসা করেন।

আজ রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স (এনডিসি) ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স (এএফডব্লিউসি)-২০২৫-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।তিনি  বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মহামারীর মতো সংকটে সশস্ত্র বাহিনীর অব্যাহত প্রচেষ্টা দেশের জনগণের কল্যাণে তাদের প্রস্তুতি ও অটল নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।’ বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বৈশ্বিক শান্তিতে অবদান রাখার জন্যও ধন্যবাদ জানান, যা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতি 

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় তিনি দেশবাসীকে দোয়া ও প্রার্থনা করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানের এই আনন্দময় মুহূর্তে আসুন আমরা সকল বাংলাদেশীর সঙ্গে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি আমাদের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’

স্নাতক সম্পন্ন করা অফিসারদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকের গ্র্যাজুয়েশন আপনার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করা সত্যিই একটি বড় অর্জন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি আপনার জীবনের স্মরণীয় মুহূর্ত। এই অর্জন বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের প্রতিফলন। এখন আপনি উচ্চতর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত, যা আপনাকে জাতীয় নিরাপত্তা, রাষ্ট্র পরিচালনা, নীতি নির্ধারণ, কৌশল প্রণয়ন এবং জাতীয় উন্নয়নের জটিলতাগুলো বোঝার ক্ষমতা প্রদান করবে।’

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, কলেজটি এমন নেতৃবন্দ গড়ে তোলার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যারা জটিল ও ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেকে নিবেদিত করতে সক্ষম হবেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা এমন এক এক সময়ে আছি যখন অর্থনৈতিক কেন্দ্রীকরণের গুরুত্ব এশিয়ার দিকে স্থানান্তরিত হচ্ছে, বাংলাদেশ এমন একটি কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে যা অসাধারণ সুযোগ প্রদান করে। ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য এই অনন্য ভূ-রাজনৈতিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে দেশের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।’

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স একটি কৌশলগত স্তরের কোর্স, যা অংশগ্রহণকারীদের জাতীয় নিরাপত্তা বোঝার, বিশ্লেষণ এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম এবং নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স কৌশলগত ও অপারেশনাল স্তরের ওপর কাজ করে এবং কৌশলগত ও ট্যাকটিক্যাল স্তরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে সহায়ক। এই কোর্স চলাকালীন, আপনি বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ যেমন সন্ত্রাসবাদ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সাইবার হুমকি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিশ্লেষণে যুক্ত হয়ে পড়েছেন।’

বিদেশি গ্রাজুয়েটদের  অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি আশা করি, এখানে আপনার সময়কালে আপনি এমন বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন যা দিগন্ত বিস্তারী যা আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গভীরতর বোঝাপড়া তৈরি করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের উপস্থিতি আমাদের প্রতিষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করেছে এবং আমি বিশ্বাস করি, আপনারা আপনার নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করবেন। বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও মজবুত করবেন। আমি আপনাদের আগামীর জন্য সফলতা কামনা করছি।’

এনডিসির অবদানের প্রশংসা করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ প্রতিষ্ঠার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করেছে। ‘এটি স্বীকার করা গুরুত্বপূর্ণ যে এনডিসি কেবল সামরিক ক্ষেত্রে নয়, ভবিষ্যত নেতৃত্ব গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতি বছর বেসরকারি প্রশাসন,পররাষ্ট্র ক্যাডার, পুলিশ, আর্মি ও বিডিপির উঁচু পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এনডিসি কোর্সে অংশগ্রহণ করা আমাকে অত্যন্ত আনন্দ দেয়।’

তিনি আরও বলেন, বিদেশি কর্মকর্তাসহ কোর্সটি চিন্তাধারা বিনিময়, বন্ধুত্ব সৃষ্টি এবং বোঝাপড়া সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য অসাধারণ সুযোগ প্রদান করে। ‘আমি কমান্ড্যান্ট, শিক্ষক ও স্টাফদের আন্তরিক প্রশংসা জানাই, যারা ২০২৫ সালের এনডিসি কোর্স এবং সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ কোর্সটি উৎকর্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেছেন,’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন।

অধ্যাপক ইউনূস কোর্সে অবদান রাখার জন্য রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স পার্সন এবং বিশেষ বক্তাদের প্রশংসা জানিয়ে বলেন, ‘আমি সেই দেশের সমর্থনকেও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করি, যারা স্টাডি ট্যুরের আয়োজন করেছে, যা এই কোর্সের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’

তিনি আরো বলেন,‘ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী যে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ তার মূলমন্ত্র ‘সুরক্ষা থেকে জ্ঞান’ বজায় রাখবে। এই প্রচেষ্টা আপনাদের নতুন ভূমিকা গ্রহণের সময় প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা নির্ধারণে পথ দেখাবে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জটিলতা মোকাবিলায় সহায়ক হবে।’

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান

দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

চুরি করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে : জামায়াত আমির

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

বরিশালের জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

নারীদের ঘরে বন্দি করার রাজনীতি দেশের জন্য অশনিসংকেত : তারেক রহমান

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

১০

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

১২

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

১৩

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

১৪

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

১৬

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১৮

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১৯

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

২০

মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরশায়িত হাসান আরিফ

মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরশায়িত হাসান আরিফ
সংগৃহীত

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রয়াত উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফকে রাজধানীর মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে তাকে সেখানে দাফন করা হয়।

এসময় হাসান আরিফের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি সরকারের শীর্ষস্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন স্বরাষ্ট্র এবং কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সালেহ আহমেদ, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

গত ২০ ডিসেম্বর উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

তার প্রথম নামাজে জানাজা ২১ ডিসেম্বর বাদ এশা ধানমন্ডি সাত নাম্বার বায়তুল আমান মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন বেলা ১১টায় হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় জানাজা ওইদিন দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তার জন্য আজ সোমবার রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হচ্ছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান

দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

চুরি করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে : জামায়াত আমির

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

বরিশালের জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

নারীদের ঘরে বন্দি করার রাজনীতি দেশের জন্য অশনিসংকেত : তারেক রহমান

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

১০

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

১২

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

১৩

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

১৪

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

১৬

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১৮

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১৯

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

২০

দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত, সবচেয়ে বেশি গাঁজার ব্যবহার: গবেষণা

দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত, সবচেয়ে বেশি গাঁজার ব্যবহার: গবেষণা
সংগৃহীত

দেশে মাদক সেবনকারীর সংখ্যা বর্তমানে আনুমানিক ৮২ লাখে পৌঁছেছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪.৮৮ শতাংশ। গাঁজা সেবনকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৬১ লাখ। এছাড়া ইয়াবা, অ্যালকোহল, কফ সিরাপ, হেরোইনসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক সেবন চলছে।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস লিমিটেড যৌথভাবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী এই গবেষণাটি সম্পন্ন করেছে। এতে দেশের ৮ বিভাগে ১৩ জেলা ও ২৬ উপজেলা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে ময়মনসিংহ (৬.০২%), রংপুর (৬.০০%) ও চট্টগ্রাম (৫.৫০%) বিভাগে মাদক ব্যবহারের হার সর্বোচ্চ। ঢাকা বিভাগে সংখ্যার বিচারে সর্বাধিক মাদক ব্যবহারকারী রয়েছে, প্রায় ২২.৯ লাখ।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মাদকসেবীদের অধিকাংশই তরুণ। ৩৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ৮-১৭ বছর বয়সে এবং ৫৯ শতাংশ ১৮-২৫ বছর বয়সে প্রথম মাদক গ্রহণ শুরু করেছে। বেকারত্ব, পারিবারিক অস্থিরতা, মানসিক চাপসহ বিভিন্ন সামাজিক কারণে মাদক সেবন বাড়ছে। প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবহারকারী জানিয়েছে মাদক সহজলভ্য।

গবেষণায় উঠে এসেছে, মাত্র ১৩ শতাংশ মাদকসেবী চিকিৎসা বা পুনর্বাসনের সুযোগ পেয়েছেন। সেবাদানের অভাবে অনেকেই মাদক ত্যাগে ব্যর্থ হচ্ছেন। ৬৯% মাদকসেবী চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ এবং ৬২% কাউন্সেলিং সেবা চেয়েছেন।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, মাদক সমস্যা শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি একটি জটিল জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সমস্যা। তাই রাজনৈতিক সংকল্প এবং গবেষণার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ জানান, বর্তমানে দেশের মানুষের মধ্যে মাদকাসক্তির ঝুঁকি বেড়েছে। সরকার ইতিমধ্যে ৭ বিভাগে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট পুনর্বাসন কেন্দ্র চালুর অনুমোদন দিয়েছে। পরিবার থেকে শুরু করে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদক নির্মূল নিশ্চিত করতে হবে।

গবেষণার ফলাফল দেশের মাদক নীতি প্রণয়ন ও কার্যক্রমের জন্য মূল্যবান তথ্য হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান

দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

চুরি করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে : জামায়াত আমির

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

বরিশালের জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

নারীদের ঘরে বন্দি করার রাজনীতি দেশের জন্য অশনিসংকেত : তারেক রহমান

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

১০

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

১২

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

১৩

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

১৪

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

১৬

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১৮

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১৯

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

২০

সম্মাননা পেলেন পাঁচ জয়িতা

সম্মাননা পেলেন পাঁচ জয়িতা
সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পাঁচ জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন।


শুক্রবার(৮ মার্চ) সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে পাঁচ জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়।


মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক।


সম্মাননা পেয়েছেন তারা হলেন-ময়মনসিংহের আনার কলি, সিলেটের চা শ্রমিক কমলী রবিদাশ, রাজশাহীর কল্যাণী মিনজি,  বরগুনার জাহানারা বেগম ও খুলনার পাখি দত্ত হিজড়া।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান

দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

চুরি করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে : জামায়াত আমির

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

বরিশালের জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

নারীদের ঘরে বন্দি করার রাজনীতি দেশের জন্য অশনিসংকেত : তারেক রহমান

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

১০

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

১২

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

১৩

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

১৪

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

১৬

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১৮

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১৯

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

২০

ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর

ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
ছবি

রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম সাদ আলী (১০)। তিনি এনজিও কর্মী লিয়াকত আলী লিটনের ছেলে। পরিবারটি মূলত লালমনিরহাটের বাসিন্দা।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে, নগরীর লিলিহলের মোড় এলাকায়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্যমতে, সেদিন দুপুরে লিটন তার ছেলে সাদকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে আমচত্বর থেকে কাশিয়াডাঙ্গার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে লিলিহলের মোড়ে পৌঁছালে পেছন দিক থেকে দ্রুতগতির একটি ট্রাক এসে তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়।

ধাক্কার ফলে সাদ মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে একই ট্রাকের চাকা তার ওপর দিয়ে চলে গেলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান

দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

চুরি করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে : জামায়াত আমির

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

বরিশালের জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

নারীদের ঘরে বন্দি করার রাজনীতি দেশের জন্য অশনিসংকেত : তারেক রহমান

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

১০

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

১২

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

১৩

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

১৪

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

১৬

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১৮

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১৯

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

২০

ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালালেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে : আইজিপি

ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালালেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে : আইজিপি
সংগৃহীত

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানিয়েছেন- ঈদযাত্রায় মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালালেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবারের ঈদযাত্রায় কোনোভাবেই মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল করবে না। চলবে না নছিমন করিমন ভটভটিও। যারা চালানোর চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরে গাবতলীর কোরবানির পশুর হাট ও বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, বরাবরের মতো এবারও আমরা ঈদ উপলক্ষ্যে পশুর হাট, রেল, সড়ক ও নৌপথে ঈদযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবকিছু মিলিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি। রোজার ঈদে একমুখী চাপ থাকে। কিন্তু কোরবানির ঈদে সাধারণত যেটা ঘটে সেটা হচ্ছে, ঘরমুখো মানুষের চাপ সড়কে যেমন থাকে তেমনি, পশুবাহী ট্রাক-পিকআপও চলাচল করে। অর্থাৎ মানুষ বাড়ি যায়, গরু আসে। সড়কে দ্বিমুখী চাপ মোকাবিলা করতে হয়। পুরো বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আমরা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সঠিক রাখার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান

দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

চুরি করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে : জামায়াত আমির

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

বরিশালের জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

নারীদের ঘরে বন্দি করার রাজনীতি দেশের জন্য অশনিসংকেত : তারেক রহমান

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

১০

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

১২

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

১৩

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

১৪

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

১৬

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১৮

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১৯

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

২০

দেশে কমে গেলো সোনার দাম

দেশে কমে গেলো সোনার দাম
সংগৃহীত

বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশন সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ।

সোনার দাম কমিয়ে দেশের মানুষের জন্য সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এবং নতুন নির্ধারণ করা এ দাম যা আজ থেকেই কার্যকর করা হবে।

শনিবার (২০ এপ্রিল) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি গ্রাম সোনার দাম ১০ হাজার ২৭৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১০ হাজার ১৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে আর এই হিসেবে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম দাঁড়াচ্ছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৯৮ টাকা।

এদিকে সোনার দাম পরিবর্তন করা হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। 

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান

দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

চুরি করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে : জামায়াত আমির

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

বরিশালের জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

নারীদের ঘরে বন্দি করার রাজনীতি দেশের জন্য অশনিসংকেত : তারেক রহমান

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

১০

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

১২

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

১৩

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

১৪

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

১৬

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১৮

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১৯

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

২০

জানুয়ারিতে ৫টি শৈত্যপ্রবাহ, হতে পারে বৃষ্টিপাত

জানুয়ারিতে ৫টি শৈত্যপ্রবাহ, হতে পারে বৃষ্টিপাত
ছবি

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বাড়াতে পারে। 

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২-৩টি শৈত্যপ্রবাহ হবে মৃদু থেকে মাঝারি তাপমাত্রার (৮-১০ ডিগ্রি থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং ১-২টি শৈত্যপ্রবাহ হবে মাঝারি থেকে তীব্র (৬-৮ ডিগ্রি থেকে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। জানুয়ারিতে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ থাকবে। দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ১.৫০ থেকে ৩.৫০ মিমি এবং গড় সূর্যকিরণকাল ৩.৫০ থেকে ৫.৫০ ঘণ্টার মধ্যে থাকবে।

সাধারণ মানুষ শীতের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন কারণ জানুয়ারি মাস শৈত্যপ্রবাহের কারণে বেশ ঠান্ডা হবে বলে আবহাওয়া অফিস সতর্ক করেছে।

এদিকে গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে। এ ছাড়া, আগামী দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

প্রথম দিন (২ জানুয়ারি) অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, পঁঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসমূহের উপর দিয়ে মুদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কিছু কিছু জায়গা থেকে তা প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এদিনও কুয়াশার কারণে যোগাযোগব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) থেকে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) এবং পঞ্চম দিন মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ও সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। পঞ্চম দিনে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এ ছাড়া বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী দিনগুলোতে সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান

দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

চুরি করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে : জামায়াত আমির

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

বরিশালের জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

নারীদের ঘরে বন্দি করার রাজনীতি দেশের জন্য অশনিসংকেত : তারেক রহমান

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

১০

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

১২

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

১৩

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

১৪

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

১৬

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১৮

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১৯

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

২০

যারা জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট চায় না তারা ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভয় পেয়েছে- ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের

যারা জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট চায় না তারা ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভয় পেয়েছে- ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের
ছবি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, যারা জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট চায় না তারা ডাকসু নির্বাচনে ভয় পেয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পরাজয়ের পর তারা জাকসু, চাকুস, রাকসু নির্বাচন বন্ধে কত শত ষড়যন্ত্র করেছে তা শিক্ষার্থীর পাশাপাশি দেশবাসীও দেখেছে। তারা বুঝতে পারছে জাতীয় নির্বাচনের আগে যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয় তাহলে পরাজয়ের ভরাডুবি খেতে হবে। সেজন্য তারা জাতীয় নির্বাচনে আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যেভাবে বিরোধিতা করেছে একইভাবে গণভোটের বিরোধিতা করছে।
ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘সিপাহি-জনতার বিপ্লব আর ছাত্র-জনতার বিপ্লব একই সূত্রে গাঁথা’। সিপাহি-জনতার বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমান নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে হলেও জাতীয় ঐক্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। শহীদ জিয়াউর রহমান ও শহীদ গোলাম আজমের জানাজা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা। এই দুটি জানাজা বলে দেয় তাদের জনপ্রিয়তার পরিধি।
ডা. তাহের বলেন, আমরা বলতে চাই না কিন্তু আমাদেরকে শুনতে হয় আজকের বিএনপি সেই জিয়াউর রহমানের বিএনপি নয়। ‘জনগণের আস্থাশীল হতে হলে আজকের বিএনপিকে জিয়াউর রহমানের বিএনপি হতে হবে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘জিয়াউর রহমানের সময় বিএনপি ছিল বড় দল, আজ সেই জায়গায় অবস্থান করে নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী’’। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা জিয়াউর রহমানের অনুসারীরা তার আদর্শ ভুলে গেছে। যার কারণে তারা এখন গণতন্ত্র চর্চা করে না, মানুষের সেন্টিমেন্ট তারা বুঝতে পারছে না, বুঝতে চেষ্টাও করছে না। তারা সংস্কার চায় না। তাদের দলের স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য যিনি সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর তিনি বলেছেন সংস্কার তারা চায় না। ডা. তাহের বলেন, আপনারা না চাইলেও জনগণ চায়। জনগণের সেন্টিমেন্ট বুঝে রাজনীতি না করলে আওয়ামী লীগের মতই পরিণতি হতে পারে। শেখ মুজিবুর রহমান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার আগে এদেশের জনগণের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী তিনি যখন ক্ষমতা গ্রহন করেছেন তার পর থেকে তিনি জনপ্রিয়তা হারাতে শুরু করেন। গুড গভর্নেন্স দিতে না পারায় ক্ষমতা গ্রহনের দিন থেকেই শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তা নষ্ট হতে শুরু করে। ‘শেখ মুজিবুর রহমান গুড ভাষন দিতে পারলেও গুড শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি’। তিনি রাষ্ট্র শাসনের পরিবর্তে রাষ্ট্রের জনগণকে শোষণ করেছেন। বাকশাল কায়েম করে রক্ষীবাহিনী দিয়ে জনগণের ওপর জুলুম নির্যাতন চালিয়েছে। যার কারণে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনা অভ্যুত্থানে শেখ মুজিবুর রহমান স্বপরিবারের নিহত হলেও মানুষ ইন্না-লিল্লাহও পড়েনি। শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পর তার দলীয় নেতারাও আওয়ামী লীগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হয়ে আওয়ামী লীগকে আবারও রাজনীতিতে পুনবার্সনের সুযোগ দেন। তিনি মসিউর রহমান যাদু মিয়া, শাহ্ আব্দুল আজিজকেও মন্ত্রীসভায় স্থান দিয়েছেন। একাত্তরে তাদের কী ভূমিকা ছিল দেশবাসী জানে, আমরা বলতে চাই না। তবে জিয়াউর রহমান চেয়েছেন সকলকে নিয়ে ঐক্যমত্যের একটি সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করতে। জিয়াউর রহমানের সেই আদর্শ আজকের বিএনপি চর্চা করে না।
গণভোট প্রসঙ্গে ডা. তাহের বলেন, সময়ক্ষেপণ করে লাভ নাই, গণভোট জাতীয় নির্বাচনের আগেই হতে হবে। যতই চালাকি করে সময় নষ্ট করা হোক না কেন, আগে গণভোট তারপর জাতীয় নির্বাচন হতে হবে। নতুবা জনগণ ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় আবার রাজপথে নেমে আসবে। সংকট সৃষ্টি না করে তিনি নভেম্বরের মধ্যে গণভোট সম্পন্ন করে জুলাই সনদের আলোকে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট পরবর্তী ০৭ নভেম্বর সংগঠিত ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব থেকে স্পষ্ট বাংলাদেশের জনগণ যখন যেই ভূমিকা রাখা দরকার তখন সেই ভূমিকা পালনে ঝাপিয়ে পড়ে। দেশের সকল আন্দোলন সংগ্রাম রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হলেও চব্বিশের জুলাই বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে। জুলাই আন্দোলন চলাকালীন একটি রাজনৈতিক দলের মহাসচিব বলেছিলেন, তার দলের কেউ এই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত নয়। তিনি আরও বলেন, সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা এবং একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। জুলাই সনদের আদেশ জারি করে নভেম্বরের মধ্যে গণভোট দিয়ে সরকার সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জুলাই সনদের ভিত্তিতেই ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে বাংলাদেশের ইতিহাসে বারবার বিপ্লব সংগঠিত হবে। বাংলাদেশের রাজপথকে আর রক্তে রঞ্জিত না করতে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পদক্ষেপ গ্রহনের আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পরিচালনায় মহানগরী কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর (ঢাকা-৮ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী) এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম প্রমুখ। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান, মহানগরীর অফিস সেক্রেটারি কামরুল আহসান হাসান, সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন, সহকারী মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল আলম ইমন, সহকারী অফিস সেক্রেটারি মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের যেই চেতনা সেই চেতনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হওয়ায় জুলাই বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে। যেভাবে সিপাহি-জনতা নারায়ে তাকবির স্লোগান দিয়েছিল একইভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষ বৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার স্লোগান দিয়েছে। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার ধারক বাহক হচ্ছে নারায়ে তাকবির স্লোগান। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। এবং সব দল ও প্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে হবে। কোনো দল বা প্রার্থীর প্রতি অনুগত থাকা যাবে না।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান

দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

চুরি করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে : জামায়াত আমির

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

বরিশালের জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

নারীদের ঘরে বন্দি করার রাজনীতি দেশের জন্য অশনিসংকেত : তারেক রহমান

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

১০

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

১২

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

১৩

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

১৪

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

১৬

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১৮

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১৯

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

২০

সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ছিনতাইকারী,চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাং এর সর্বমোট ৪৫ সদস্য গ্রেফতার

সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ছিনতাইকারী,চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাং এর সর্বমোট ৪৫ সদস্য গ্রেফতার
সংগৃহীত

দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের জান- মাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে দেশব্যাপী নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ অক্টোবর ২০২৪ (শনিবার) আনুমানিক রাত ১০টার দিকে মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র ব্রিগেড,র‍্যাব এবং পুলিশের সমন্বয়ে এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানে সেনাবাহিনী,র‍্যাব এবং পুলিশের একাধিক দল অংশগ্রহণ করে।

নিরাপত্তাহীনতায় নিমজ্জিত মোহাম্মদপুরবাসীর জীবনে স্বস্তি আনয়নের লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর এ অভিযান সুপরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়। এই অভিযানে মোহাম্মদপুর এলাকা হতে ৪৫ জন অপরাধী (০৯ টি দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ) গ্রেপ্তার হয়। ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাপ্রাপ্তির পর থেকে মোহাম্মদপুর, আদাবর এবং শের-ই-বাংলানগর থানাধীন ১৫২ জন অপরাধী, ১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৭১ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১৭২ ধরনের বিভিন্ন দেশী বিদেশী অস্ত্র, ১টি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ নেশাজাত দ্রব্য উদ্ধার হয়। সন্ত্রাস দমন এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারের পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।


ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান

দেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব হয়েছে: তারেক রহমান

দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

চুরি করে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে : জামায়াত আমির

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত

বরিশালের জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

নারীদের ঘরে বন্দি করার রাজনীতি দেশের জন্য অশনিসংকেত : তারেক রহমান

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

১০

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

১২

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

১৩

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

১৪

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

১৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

১৬

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৭

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১৮

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১৯

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

২০