

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ে দুইটি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম লণ্ডভণ্ড হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ে শতাধিক বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে চলতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে এলাকা বিদ্যুতবিহীন হয়ে পড়েছে।
বুধবার (২৭ মার্চ) দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার পাচুড়িয়া ও বানা ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে অসংখ্য গাছপালা ভেঙে এবং উপড়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের উপরে গাছ পড়ে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে অন্ধকার হয়ে যায় দুটি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম।
বানা ইউনিয়নের কঠুরাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ইমরান হোসেন জানান, বানা ইউনিয়নের শিরগ্রাম, গড়ানিয়া, পাকুড়িয়া, টাবনী, টোনাপাড়া, শিয়ালদি চরপাড়া, জয়দেবপুর, আউশির হাট, কঠুরাকান্দি, মাজপাড়া, আড়পাড়া গ্রামে ঝড় আঘাত হানে। ঝড়ে কাচাঁ-আধাপাকা ঘরবাড়ি, গাছপালা, পেঁয়াজ, রসুন, মশুরি, ধনিয়া, ধান, গমসহ কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গ্রামগুলোতে বিদ্যুত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে।
পাচুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. আমিনুর রহমান বলেন, ঝড়ে আমার ঘরবাড়ি, ফসলি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও যুগীবরাট, ভাটপাড়া, চাদড়া, পাচুড়িয়া, দেউলি, চরনারানদিয়া, ধুলজুড়ি, চরভাটপাড়ায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম জাহিদুল হাসান জাহিদ বলেন, বুধবার রাত একটার দিকে ঘূর্ণিঝড়ে দুই ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক কাঁচাপাকা বাড়িঘর ও কয়েকশ গাছপালা উপড়ে যায়। বিস্তীর্ণ জমির ফসল বিনষ্ট হয়েছে। অনেকেই ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নেন। ঘটনাস্থলে পোঁছে তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুত সমিতির আলফাডাঙ্গা সাব জোনাল অফিসের এজিএম ফাহিম হাসান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সেখানে কয়েকটি গ্রামে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুতের তাঁর ছিড়ে গেছে, কয়েকটি খুঁটি ভেঙ্গে অনেকগুলো আঁকাবাঁকা হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে কাজ চলছে।
এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমীন ইয়াছমীনের মোবাইল নম্বারে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি। তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার (১১ জুলাই) ভোরে জেলার সীমান্তবর্তী রাজেশপুর ফরেস্ট বাগান এলাকা থেকে এই গাঁজা জব্দ করা হয়।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ মথুরাপুর বিওপির (বর্ডার আউটপোস্ট) একটি টহল দল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে সীমান্তের প্রায় ১৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রাজেশপুর ফরেস্ট বাগান এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৯৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দ করা গাঁজা পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক ধ্বংস করা হবে বলে বিজিবি জানিয়েছে।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
৪৮৭ পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ শিবের বাজার
বিওপি এর বিশেষ টহলদল সীমান্ত পিলার ২১০২ থেকে ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সোনাপুর
এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচারের জন্য প্রস্তুত বিভিন্ন প্রকার
৪৮৭ পিস ভারতীয় শাড়ি আটক করা হয়।
আটককৃত
শাড়িগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ৩৭ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১৯৬ বোতল ফেন্সিডিল’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ রবিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন বলদাখাল এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আসামী মোঃ আব্দুল সালাম (২৮) নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৯৬ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ আব্দুল সালাম (২৮) খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গা থানার নাজিরহাট গ্রামের দুলাল হোসেন এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের
নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক
অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে
র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ার কৃতি সন্তান ও যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ পাঠানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার মরহুমের পরিবার ও পালাখাল ছালেহিয়া আলিম মাদ্রাসার আয়োজনে দোয়া মিলাদ ও স্মরন সভা করা হয়।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি আব্দুর রাজ্জাক আনোয়ারীর সভাপতিত্বে ও সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ উল্যা’র পরিচালনায় স্মরন সভায় বক্তব্য রাখেন, মরহুমের সন্তান ও বিশিষ্ট সমাজসেবক রাকিবুল হাসান জেমস,মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মবিন,জাবের মিয়া,সালাউদ্দিন মানিক,পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান,পালাখাল ফাতেমা আইডিয়াল একাডেমীর পরিচালক মাহবুব আলম,প্রধান শিক্ষক কবির হোসেন মাষ্টার,সাংবাদিক জিসান আহমেদ নান্নু,আলমগীর তালুকদার,শিক্ষক আব্দুল কুদ্দস সহ আরো অনেকে। মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আবুল কাশেম ভূঁইয়া। এসময় মরহুমের আত্মীয়-স্বজন, মাদ্রাসার শিক্ষক,অভিভাবক,শিক্ষার্থী এ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, ২০২৩ সালের ২৩ অক্টোবর এই দিনে সবাইকে কাদিঁয়ে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। তিনি ১৯৫২ সানের ৩০ জুন পালাখাল গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। জীবদ্দশায় তিনি পালাখাল ছালেহিয়া আলিম মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি, কচুয়া উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাবেক সভাপতি সহ বিভিন্ন জনহিতকরন কাজে নিয়োজিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ার মনপুরা-নয়াকান্দি মাঠে ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি কাটার অভিযোগে ভেকু বিকল করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকালে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাপ্পি দত্ত রনি।
জানা গেছে, উপজেলার মনপুরা-নয়াকান্দি উত্তর পূর্ব বিলে সরকারি খাল বন্ধ করে একই এলাকা চকমোহাম্মদ গ্রামের ছিকু মিয়ার ছেলে ইউসুফ মিয়া ও মনপুরা গ্রামের আব্দুল মালেকের পুত্র ইউনুস মিয়া ভেকু বসিয়ে মাটি কেটে বিক্রি করে। এ সংবাদ পেয়ে প্রশাসনের লোকজন তা বিকল করে দেয়।
কচুয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) বাপ্পি দত্ত রনি জানান, ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি বিক্রি করা বেআইনী। কোথাও অবৈধ ভাবে মাটি বিক্রি করলে অভিযানের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের খানসামায় অনুকূল পরিবেশে আশানুরূপ লাভজনক হওয়ায় চলতি বছর বেড়েছে পপকনের চাষ। পপকনকে ঘিরে কৃষক দেখতে শুরু করেছেন রঙিন স্বপ্ন। ধান, সরিষা, আলু ও ভুট্টার পাশাপাশি এ ফসল অধিক লাভজনক।
অন্য ফসলের চেয়ে তুলনামূলক কম খরচ, উৎপাদন ভালো, লাভজনক হওয়ায় স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য ও সরাসরি পাইকারি বাজার সৃষ্টি হওয়ায় পপকন চকষে ঝুঁকেছেন সাধারণ কৃষকরা। এছাড়া নিয়মিত কৃষি বিভাগ থেকে উদ্বুদ্ধকরণ, পরার্মশ প্রদান, সরকারি সহায়তার ফলে চাষিদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েই চলছে। সব মিলিয়ে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতি মৌসুমে বাড়ছে পপকন চাষ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় ১৫২০ হেক্টর জমিতে পপকন চাষের লক্ষমাত্রা থাকলেও ১৬৬০ হেক্টর অর্জন হয়েছে।
গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পপকন চাষি মোস্তফা কামাল ডাবলু শাহ্ বলেন, আমি এ এলাকায় সর্বপ্রথম পপকন চাষ করি। আমাকে দেখে অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে এখন চাষ করছেন পপকনের। প্রথমের দিকে ৬০ থেকে ৬৫ বিঘা চাষ করেছি। গতবার ও এইবার ২০ বিঘা জমিতে চাষ করেছি। গতবার ২০ বিঘা জমিতে শুকনা দেড় টন পপকন পেয়েছি। আশা করছি এবার আরো বেশি পাবো।
একই এলাকার পপকন চাষি লতিফ হাজ্বী বলেন, পপকন চাষে বেশ লাভবান হয়েছি। গতবারের ন্যায় এবারো ৫ বিঘা চাষ করেছি। সব কিছু ঠিক থাকলে ভাল ফলন হবে বলে মনে করছি।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোপাল রায় বলেন, পুরো উপজেলার মধ্যে গোয়ালডিহি ইউনিয়নে ৭০ ভাগ ও বাকী ৫ ইউনিয়নে ৩০ ভাগ পপকন চাষ হয়। পপকন চাষে চাষিদের পাশে থেকে ভালো ফলন পেতে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাবিবা আক্তার বলেন, দিনাজপুরের শস্যভান্ডারখ্যাত এ উপজেলা। ভুট্টার পাশাপাশি এ অঞ্চলের কৃষক পপকন চাষে বেশ আগ্রহী। পপকন চাষে উদ্ভুদ্ধকরণসহ সার্বক্ষণিক কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় জড়িত আরও একজনকে গ্রেফতার
করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযান
পরিচালনার সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) শহিদ
হয়েছিলেন। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মোঃ নাসির (৩৪) নামক একজনকে গতকাল (২৭
সেপ্টেম্বর ২০২৪) গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ১৭
জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গ্রেফতারকৃত
ডাকাতদের নিকট হতে ৫টি দেশিয় তৈরি বন্দুক, বিভিন্ন ধরনের ১৪ রাউন্ড গুলি,
হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। ডাকাত দলের অন্যান্য জড়িত
সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতকে চকরিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নরসিংদীতে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায়
চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার
দিকে সদর উপজেলার আলোকবালী উত্তরপাড়া এবং শহরতলীর হাজীপুরে মা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যুর
এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো আলোকবালী উত্তরপাড়ার
কামাল মিয়ার স্ত্রী শরিফা বেগম (৫০), তার ছেলে ইকবাল হোসেন (১২) এবং করম আলীর ছেলে
কাইয়ুম মিয়া (২২)।
বজ্রপাতের এ ঘটনায় কামাল মিয়া
নামের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়। নিহত এবং আহত সবাই আলোকবালী উত্তরপাড়ার বাসিন্দা।
তারা তখন মাঠে ধান কাটছিল।
এ ছাড়া সদর উপজেলার হাজীপুর
ইউনিয়নের চকপাড়ায় মোছলেহউদ্দিন (৫০) নামে আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে।
বজ্রপাতের ঘটনায় চারজনের মৃত্যু
নিয়ে নরসিংদী সদর মডেল থানার ওসি তানভীর আহমেদ
জানান, নিহতরা সবাই ধান কাটার জন্য কৃষি জমিতে ছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে শরিফা বেগম এবং
তার ছেলে ইকবাল ঘটনাস্থলেই মারা যায়। গুরুতর আহত আবস্থায় সদর হাসপাতালে আনার পথে
মারা যায় কাইয়ুম নামের অপরজন। এতে কামাল হোসেন নামে আহত আরেকজনকে চিকিৎসা দেওয়া
হচ্ছে। তাছাড়া হাজীপুরে বজ্রপাতে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সারাদেশে যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের
পদত্যাগ করানোর হিড়িক পড়েছে তখন ঠিক এর উল্টো ঘটনা ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ে। জোর করে পদত্যাগ
করানো প্রধান শিক্ষকসহ চার শিক্ষককে ফিরিয়ে এনে তাদের চেয়ার বসিয়েছেন চখমিল বহুমুখী
উচ্চ বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১১টায়
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নে চখমিল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। যা
রিতিমত প্রশংসার ঝড় তুলেছে।
এর আগে গত রবিবার (২৫ আগস্ট) এলাকার
কিছু উশৃংখল ও দুষ্কৃতিকারী ব্যক্তিদের উস্কানিতে প্রধান শিক্ষকসহ চার জনকে জোরপূর্বক
পদত্যাগ লিখে স্বাক্ষর করে নেয় এক দল শিক্ষার্থী।
জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের
হাতিয়ার করে তাদের ভুল বুঝিয়ে গত রবিবার দুপুরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: সেলিম
উদ্দীন, সহকারী শিক্ষক মো: ইয়াছিন আলী, মো: নুরে আলম এবং শরণ শিংকে জোরপূর্বক পদত্যাগ
পত্রে স্বাক্ষর করে নেয় এক দল শিক্ষার্থী। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক মাধ্যমে নিন্দা
জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরাসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ। জোর
করে পদত্যাগ করানোর খবর শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ছাত্র-জনতা।
গত মঙ্গবার সকালে তারা বিদ্যালয় মাঠ
সমবেত হয়ে প্রিয় শিক্ষকদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফেরাতে বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে বুধবারে
স্থানীয় এলাকাবাসী এবং কমিটির সবাই বসে সিদ্ধান্ত নেয় বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট ) তারা
স্বসম্মানে শিক্ষকদের বরণ করে নেবেন।
তারই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকালে
প্রাইভেট কারে করে শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে ফুলের মালা গলায়
দিয়ে তাদের বরণ করে নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের পা ধরে
ক্ষমা চায় এবং আবেগ আপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, এই কাজ মূলত কিছু
উশৃংখল ও দুষ্কৃতিকারী করেছে। এটার জন্য আমরা দায়ী না।
উল্লেখ্য, গত (২৫ আগস্ট) রবিবার সদর
উপজেলার উশৃংখল ও দুষ্কৃতিকারীদের একদল ব্যক্তি ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে ছাত্রদেরকে উস্কিয়ে
দেয় এবং তারা শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রেখে পদত্যাগের দাবিতে। এ সময় শিক্ষকদের দুটি
গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে তারা উল্লাস করতে থাকে। পরবর্তীতে পুলিশসহ সেনাবাহিনী একটি
দল এসে শিক্ষকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এসময় শিক্ষকদের পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করে
নেওয়ার পরেই তাদেরকে রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকদের হত্যার হুমকিও
দেন তারা।
মন্তব্য করুন


শেরপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাশুরা নোকাদ্দেস তানাজ এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। মেয়ের ভালো ফলাফলের পরও তার বাড়িতে যেনো বিষাদের ছায়া নেমে এসেছে। বিষাদের কারণ যাকে নিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠার কথা ছিল, সেই মাশুরা নোকাদ্দেস তানাজই আজ বেঁচে নেই।
জানা গেছে, শ্রীবরদী উপজেলার চরশিমুলচুড়া গ্রামের বাসিন্দা কুয়েত প্রবাসী মোকাদ্দেসুর রহমান তোরাব ও মোছা. মনিরা বেগম দম্পতির মেয়ে মাশুরা নোকাদ্দেস তানাজ। গত ৩১ মার্চ ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় তানাজ।
রোববার (১২ মে) এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হওয়ার পর দেখা যায়, তানাজ জিপিএ-৫ পেয়েছে। শুধুমাত্র বাংলা বিষয়ে এ গ্রেড ছাড়া বাকি সব বিষয়েই এ প্লাস পেয়েছে সে। এ সংবাদ শোনার পর শোক আরও দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিল তার মা-বাবার।
উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ তানাজের মামা কুয়েতপ্রবাসী সোহাবুর রহমান বাপ্পীকে বিমানবন্দর থেকে আনতে সপরিবারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। পথে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার জামান ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় এসএসসি পরীক্ষার্থী তানাজ ও তার ছোট ভাই আড়াই বছর বয়সী শিশু আনাছ। তাদের মা-বাবাসহ তিনজন আহত হয়।
মন্তব্য করুন