

চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা মামলার মূল আসামি অপূর্ব দাস (১৯) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
রোববার (১৭ নভেম্বর) রাতে বামনসুন্দর দারগারহাট বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত অপূর্ব দাস চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী থানার পাতাকুট এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম দিলীপ দাস।
র্যাব জানায়, অপূর্ব দাস সীতাকুণ্ড মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় দায়ের হওয়া মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। ওই মামলা ৯ আগস্টে দায়ের করা হয়েছিল এবং তার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
চট্টগ্রাম র্যাবের সহকারী এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, গ্রেপ্তারের পর তাকে সীতাকুণ্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত র্যাব কর্মকর্তা মো. মোতালেব হোসেনের কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে এখন শুধু শোকের মাতম। কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী এখনো বিশ্বাস করতে পারছেন না যে মানুষটি হাসিমুখে গ্রামের সবার সঙ্গে সময় কাটিয়ে গত শনিবার কর্মস্থলে ফিরে গেছেন, আজ তিনি ফিরছেন লাশ হয়ে।
অলিপুর গ্রামের প্রয়াত আবদুল খালেক ভূঁইয়ার ১১ সন্তানের মধ্যে সবার ছোট মোতালেব হোসেন। শিক্ষাজীবন শেষে চাকরিতে যোগ দিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন তিনি। স্ত্রী শামসুন্নাহার, বড় ছেলে মো. সাকিব, মেয়ে শামিমা জান্নাত ও ছোট মেয়ে মুনতাহাকে নিয়ে ছিল তাঁর সংসার। বড় ছেলে সাকিব কলেজে পড়ে, মেয়ে শামিমা জান্নাত এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং ছোট মেয়ে মুনতাহা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটাতে গত শুক্রবার ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন মোতালেব হোসেন। বাড়িতে এলে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকার মানুষের সঙ্গে আন্তরিকভাবে সময় কাটান তিনি। গ্রামের মসজিদ, বাড়ির উঠান কিংবা পাশের বাড়িগুলোতে গিয়ে সবার খোঁজখবর নিতেন তিনি। ছুটি শেষে শনিবার কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারান এই র্যাব কর্মকর্তা। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার ও গ্রামে নেমেছে গভীর শোকের ছায়া। কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী শামসুন্নাহার, সন্তান ও স্বজনেরা। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, বাড়ি ছাড়ার সময় মোতালেবের ছোট মেয়ে বারবার বাবাকে যেতে মানা করছিল। বড় মেয়ে শামিমা জান্নাতও চাইছিল, বাবা আরও কয়েক দিন বাড়িতে থাকুন। অনেক বুঝিয়ে সন্তানদের রেখে দায়িত্বে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বিদায়ই যে শেষ বিদায় হবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।
নিহতের বড় ভাই মো. জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমার আট ভাইয়ের মধ্যে মোতালেব সবার ছোট। লেখাপড়া শেষ করে সে চাকরিতে যোগ দেয়। ছুটিতে বাড়িতে এলে এলাকার সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকত। শুক্রবার বাড়িতে এসেছিল, শনিবার দুপুরে বের হওয়ার সময় তার মেয়ে বারবার আটকাতে চেয়েছিল। অনেক বুঝিয়ে সে চাকরিতে যায়। তার সৎ চাকরির কারণে তেমন কিছুই করতে পারেনি। ধারদেনা করে বাড়ির কাজ ধরেছিল। কিন্তু শেষ করে যেতে পারল না। আমরা আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
নিহতের বোন আনজুম আরা বেগম মুন্নি বলেন, ‘আমার ভাই একজন দেশপ্রেমিক মানুষ ছিলেন। পরিবার আর সন্তানের চেয়েও দায়িত্ব ও দেশকে বেশি গুরুত্ব দিতেন। শেষবার যখন বাড়িতে এসেছিল, তখন সন্তানেরা যেন অজানা আশঙ্কায় বারবার তাকে যেতে নিষেধ করছিল। আরও কিছুদিন ছুটি নিয়ে বাড়িতে থাকার অনুরোধ করেছিল। এত অনুরোধের পরও সে চাকরিতে ফিরে গিয়েছিল, আর সেখানেই হত্যার শিকার হলো। আমরা এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমরা আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই।’
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে জানাজা শেষে নিজ বাড়ির সামনের মসজিদের পাশেই মোতালেব হোসেনকে দাফন করা হবে।
কালিরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘মোতালেব হোসেন ছিলেন অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। তাঁর এমন মৃত্যু শুধু পরিবারের নয়, পুরো এলাকার জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর নিবন্ধন এবং "শাপলা কলি" প্রতীক প্রাপ্তি উপলক্ষে কুমিল্লা নগরীতে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর পুলিশ লাইন মোড় থেকে আনন্দ মিছিলটি শুরু হয়ে ফৌজদারী হয়ে কুমিল্লা জিলা স্কুলের সামনে শেষ হয়।
আনন্দ মিছিলটিতে অংশগ্রহণ করেন এনসিপি'র বিভিন্ন স্তরের নেতা–কর্মী, ছাত্র–জনতা ও সাধারণ জনগণ। এসময় বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো এলাকা।

নাভিদ নওরোজ শাহ বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির নিবন্ধন ও প্রতীক প্রাপ্তি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি জনগণের অধিকার রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দেশব্যাপী উন্নয়নমূলক রাজনীতির ধারক হয়ে উঠবে। "শাপলা কলি" প্রতীক ঐক্য, শান্তি ও নবজাগরণের প্রতীক। দেশের তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতির ইতিবাচক ধারা ও নৈতিক নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করাই এনসিপির প্রধান লক্ষ্য। এটি মানুষের আশা–আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনও বয়ে আনবে।
মন্তব্য করুন


শ্রীপুরের সাটিয়াবাড়ি এলাকায় একটি মোজা তৈরির কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ করছে।
শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন, গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, সাটিয়াবাড়ি এলাকায় গ্লোব গ্লোভস ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড নামে একটি মোজা কারখানায় আগুন লেগেছে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছিল। পরে তারা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। আগুন কারখানার ৩ তলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। শ্রীপুর, রাজেন্দ্রপুর, কাপাসিয়া ও জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি:
“বাল্যবিবাহ নিয়ে সমাজের ধারণা পরিবর্তনে যুবদের অঙ্গীকার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে কিশোর-কিশোরী, অভিভাবক সমাবেশ এবং নাটক প্রদর্শন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বৃহস্পতিবার বিকালে নাওডাঙ্গা স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে নাওডাঙ্গা যুব সংগঠনের আয়োজনে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) প্রকল্প, এমজেএসকেএস এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, নাওডাঙ্গা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হানিফ, নাওডাঙ্গা যুব সংগঠনের সভাপতি মিলন মিয়া,মহিদেব যুব কল্যাণ সমিতির চাইল্ড নট ব্রাইট প্রকল্পের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর রনজিৎ রায়, এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ফুলবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, চ্যানেল এস এর ফুলবাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি মোস্তাফিজার রহমান জাহাঙ্গীর। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক নাটক ময়নার জীবন কাহিনী মঞ্চায়িত হয়।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহের নান্দাইলে চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভেতর থেকে এক নারীর ‘বাঁচাও বাঁচাও’ চিৎকারে চারপাশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা অটোরিকশাটিকে ধাওয়া করে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে গিয়ে আটক করেন চালককে।
আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে ময়মনসিংহ–কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের চণ্ডীপাশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক চালকের নাম মো. আলমগীর হোসেন (৩৫), তিনি নেত্রকানার কেন্দুয়া উপজেলার কালিয়ান গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আলমগীর বিবাহিত। কিছুদিন আগে মোবাইল ফোনে তার সঙ্গে নান্দাইলের মুক্তা বেগম (২২) নামে এক তরুণীর পরিচয় হয়। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে পরিবারের পছন্দে অন্যত্র মুক্তার বিয়ে হয়ে গেলে বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি আলমগীর।
মুক্তার বড় বোন মীম জানান, কয়েকদিন আগে বোন মুক্তা বাবার বাড়িতে বেড়াতে এলে আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। পরে বুধবার সকালে মীম আলমগীরের খোঁজ পেয়ে তার কাছে বোনের অবস্থান জানতে চাইলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আলমগীর জোর করে মীমকে সিএনজিতে তুলে দ্রুত চলে যেতে থাকেন। মীম বলেন, “চালক আলমগীর আমাকে সিএনজিতে তোলার পর হুমকি দিচ্ছিলেন যে, আঠারবাড়িতে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলবেন। তখনই আমি চিৎকার শুরু করি।”
নান্দাইল নতুনবাজার কলেজগেট এলাকায় পৌঁছানোর পর মীম প্রাণ বাঁচাতে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা অটোরিকশাটি ধাওয়া করেন। কিছু দূর গিয়ে তারা চালক আলমগীরকে আটক করতে সক্ষম হন।
অভিযুক্ত আলমগীর দাবি করেন, “আমি মুক্তাকে বিয়ে করেছি, আমাদের সংসারও চলছে। তার পরিবার আমাকে মারধর করেছিল। রাগের বশে মীমকে সিএনজিতে তুলি, অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।”
নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সরোজ মিয়া জানান, স্থানীয়দের সহায়তায় চালক আলমগীরকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নাঙ্গলকোটে আলোচিত গণধর্ষনের ঘটনায় জড়িত একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ০৯/০১/২০২৫ ইং তারিখ দুপুর ১ টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানাধীন নুরপুর সাকিনস্থ সেবাখোলা বাজারের খোকন স’মিলের টিনের ঘরের ভিতর দুই নারীকে গনধর্ষণ এর ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম লাকি বেগম (৪০) বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে একটি গনধর্ষণ মামলা দায়ের করে। উক্ত ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ২৯ জানুয়ারী দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন ধামতী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষন মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী মোঃ খোকন (৪২), পিতা-আলী মিয়া, সাং-করের ভোমরা, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত
আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম মায়া খাতুন (২০) এর সাথে ১ নং আসামী
সহিদ (২৬) এর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ঘটনার দিন সকালে আসামী সহিদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে
ভিকটিমকে দেখা করার জন্য আসতে বলে। তখন ভিকটিম মায়া খাতুন তার সাথে অন্য ভিকটিম লাকি
বেগম (৪০)’কে নিয়ে বাঙ্গড্ডা বাজারে গেলে আসামী সহিদ ভিকটিমদ্বয়কে নিয়ে অটোরিক্সাযোগে
বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাফেরা করে এবং একপর্যায়ে ভিকটিম মায়া খাতুন’কে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব
দেয়। ভিকটিম মায়া উক্ত প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। পরবর্তীতে
আসামী সহিদ সুযোগ বুঝে ভিকটিমদ্বয়কে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় এবং তার পরিকল্পনা মোতাবেক
সেখানে পূর্ব থেকে ৭-৮ জন অবস্থান করছিল। ভিকটিমদ্বয়কে সেখানে নেয়ার পর আসামী সহিদ’সহ
অন্যান্য ৭-৮ জন আসামী মিলে ভিকটিমদ্বয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ
করে এবং কাউকে কিছু না বলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে। পরবর্তীতে ধৃত আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা
গ্রেফতার এড়াতে আত্নগোপনে চলে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা ভগবতী এন্ড পেড়া ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট কিরণময় দত্ত ঝুনু পরলোকগমন করায় আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়ম অনুসারে শেষকৃত্য পালনের জন্য কিরণময় দত্ত ঝুনু'র সহধর্মিণী অনিতা দত্তের হাতে ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বুঝিয়ে দিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ নজরুল ইসলাম মানিক ও এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার সহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য যে, এডভোকেট কিরণময় দত্ত ঝুনু গতকাল শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার সময় ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন।
মন্তব্য করুন


মো: বাকী অনিক, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা নগরীর চকবাজার কাশারী পট্টি চুন্নি বাবা মাজার সংলগ্ন এলাকায় রাতভর তাণ্ডব চালাচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কিছু দোসর এবং তাদের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও কৃষকলীগের একাংশ রাস্তায় প্রকাশ্যে চেয়ার বসিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা, মাদকসেবন ও মাদক বিক্রিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিন রাত ২টা পর্যন্ত তারা বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে মাদকসেবন ও বাণিজ্যে লিপ্ত থাকে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির কিছু সদস্যের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। নিয়মিত লেনদেনের পাশাপাশি ফাঁড়ির কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের রাতের খাবার ও পার্টি আয়োজনেরও প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
জানা যায়, এই বাহিনীর অনেক সদস্যের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তবুও তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন।
কুমিল্লা টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের অনুসন্ধানী সাংবাদিক গত এক সপ্তাহ ধরে এই বিষয়টি নিয়ে মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধান চালিয়ে আসছেন। কিন্তু এ কারণে তাকে নানা রকম হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল)কে একাধিকবার অবগত করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। স্থানীয়রা বলছেন, “পুলিশ যদি অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?”
জানা গেছে, বিষয়টির তথ্য-প্রমাণসহ লিখিতভাবে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং মাননীয় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশের (আইজিপি) কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কুমিল্লা টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের সংশ্লিষ্ট রিপোর্টার।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের রামু উপজেলায়
পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
উপজেলার রাজারকূল ইউনিয়ন
পরিষদের চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ইউনিয়নের পশ্চিম
রাজারকূল মৌলভী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
দুই শিশুর ব্যাপারে জানা
যায় তারা খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল ।
মৃত মো. রিহাব (৭) ও মারিয়া
(৫) পশ্চিম রাজারকূল মৌলভী পাড়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর সন্তান।
স্থানীয়দের বরাতে ইউপি চেয়ারম্যান
মুফিজুর বলেন, “সন্ধ্যার ঠিক আগে বাড়ির আশেপাশে প্রতিবেশী শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল
রিহাব ও মারিয়া। এক পর্যায়ে তারা বাড়ির পাশের রেললাইনের সেতুর দিকে চলে যায়। সন্ধ্যার
পরেও দুই ভাই-বোন বাড়ি না ফেরায় বাড়ির লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের
সন্ধান পাচ্ছিল না। পরে হাসমত আলী নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি মাছ ধরে বাড়ি ফেরার পথে
রেললাইন সংলগ্ন একটি সেতুর মুখে পানিতে ভরে থাকা গর্তে জাল ফেলেন। এ সময় দুই ভাই-বোনের
মৃতদেহ জালে উঠে আসে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান
বলেন, রেললাইন ও সেতু নির্মাণের সময় বেশ কয়েকটি গর্ত তৈরি হয়। সম্প্রতি বৃষ্টিপাতের
সময় ওই গর্তগুলোতে পানি জমে যায়। আর ওই পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
রামু থানার ওসি আবু তাহের দেওয়ান বলেন, গর্ত বা কূপের পানিতে পড়ে ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে এবং তাদের লাশ স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে বাড়িতে নেওয়া হয়েছে ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলায় সাপের কামড়ে তানজিনা আক্তার নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি হোমনা উপজেলার গোয়ারি ভাঙ্গা এলাকার আলী আহমেদের স্ত্রী এবং দুই সন্তানের জননী।
আজ (২৬ জুন) সকালে তাদের নিজ বাড়িতে বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থায় তানজিনাকে সাপে কাটে। তবে সাপটিক কোন প্রজাতির তা জানাতে পারেনি কেউ।
হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, সাপে কাটা তানজিনাকে এন্টিভেনম দেয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু তার পরিবার সেটি না মেনে তাকে এক কবিরাজের কাছে নিয়ে কাজ না হয় আবার হাসপাতালে ফেরার পথেই তার মৃত্যু হয়।
তানজিনার স্বামী আলী আহমেদ বলেন, সকাল আনুমানিক ৭ টায় নিজ
বাড়ির বিছানাতেই শুয়েছিল তানজিনা। এ
সময় তার বাম পায়ে আঙ্গুলে সাপের ছোবল টের পায়। উঠে খাটের নিচে তাকাতেই কালো রঙের একটি সাপকে চলে যেতে দেখে। পরে
তার শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে তাকে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ সকাল ৮
টায় নিয়ে যাওয়া হয়। উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঔষধ দেওয়ার পর সেখান থেকে
স্থানীয় এক কবিরাজের কাছে
'পানপড়া' খাওয়ানোর
জন্য নিয়ে গেলে সেখান থেকে তানজিনাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ফেরার
পথে তানজিনার শারীরিক অবস্থা আরো অবনতি ঘটলে তাকে আবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নেয়া হয়। হাসপাতালে
নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। তবে কি সাপে কেটেছে
বলতে পারছিনা। তবে সাপটি কালো রঙের ছিল।
হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার রাশেদুল ইসলাম বলেন, সাপে কাটা রোগী তানজিনা আসার পর তাকে অ্যান্টিভেনম এর ডোজ শুরু করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি মাঝামাঝি পর্যায়ে থাকাকালীন সময়ে তার পরিবারের লোকজন তাকে এক কবিরাজের কাছে নিয়ে যাবার জন্য জোরাজুরি করে এবং নিয়ে যায়। পরে শুনেছি তাকে মৃত অবস্থায় আবার হাসপাতালে আনা হয়েছে। সাপটি কি ধরনের সেটি তিনি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারেননি।
তবে তিনি জানান, তানজিনাকে কেটেছে তা বিষধর ছিল।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, তানজিনাকে যখন নিয়ে আসে তখন তার শরীরে বিষক্রিয়ার বিভিন্ন উপসর্গও দেখা গেছে। তার চোখের পাতা বারবার পড়ে আসছিল এবং গলা শুকিয়ে আসছিল। চিকিৎসকরা তাকে এন্টিভেনম দেয়ার মাঝামাঝি সময়ে তার পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে যায়। পরে আবার হাসপাতালে আনলে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন