

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চরহাজারী ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের তের
বাড়ি সমাজের মরহুম আব্দুস সোবহানের ছেলে ইমরোজ হোসেন রিপন (৩৬)। সে একজন জন্মান্ধ
যুবক।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা কোনো বাধাই নয়, এমনটা প্রমাণ করতে যেন তার
লড়াইটা জীবনের প্রথম দিন থেকে শুরু। মনের আলোয় উদ্ভাসিত এ যুবক পেশায় একজন
ইলেকট্রিক ও প্লাম্বার মিস্ত্রি। পাশাপাশি বাড়ির পাশে করছেন ছোট্র একটি ইলেকট্রিক
দোকান। শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও কারো কাছে হাত না পেতে করছেন ইলেকট্রিক ও
পাইপ ফিটারের কাজ। স্থানীয় এলাকাবাসী তার এমন প্রয়াসে অনুপ্রাণিত। সে যেন নিজের
অনুপ্রেরণা নিজেই।
১৯৮৬ সালে জন্ম গ্রহণ করেন রিপন। সাত ভাই-বোনের মধ্যে সে চতুর্থ।
বর্তমানে তার মা দুই ছেলের সাথে আমেরিকায় থাকেন। আমেরিকা প্রবাসী বড় বোন সুমনা ও
ডাক্তার শাহজান আক্তার এবং ছোট ভাই শিপনের সহযোগিতায় বাবার দিয়ে যাওয়া ঘরে এক ছেলে
এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছে রিপন।
নিজ গ্রামে বিদ্যুতায়ন শুরু হলে নিজের মধ্যে ইলেকট্রিকের কাজ শেখার
স্বপ্ন জাগে। কিন্তু এতে বাধা দেন মা-বাবাও স্থানীয় ইলেকট্রিক মিস্ত্রিরা। এরপর
একা একা নিজেদের বসত ঘরে ইলেকট্রিকের কাজ শিখতে চেষ্টা চালায় রিপন। একপর্যায়ে এ
নিয়ে চেঁচামেচি শুরু করে তার মা-বাবা। এ কারণে ইলেকট্রিকের কাজ করার যন্ত্রপাতি
লুকিয়ে রাখতেন। পরে ঘর থেকে বের হয়ে বারান্দায় চলে যান। সেখানে একাকী দীর্ঘ
চেষ্টার পর আয়ত্ত করে ইলেকট্রিক, প্লাম্বার ও সোলারের কাজ। এরপর তিনি গত ১৮ বছরে
নিজ গ্রামে বেশ কয়েকটি মসজিদসহ ১৫০-২০০টি ঘরের ইলেকট্রিক কাজ সম্পন্ন করেন। এছাড়াও
টুকিটাকি অসংখ্য মেরামতের কাজ করেছেন।
নিজের গ্রামের সকল রাস্তার সাথে তার নাড়ির সম্পর্ক। কারো সহযোগিতা
ছাড়াই রাস্তাঘাটে চলাফেরা করেন। একা একা যান নিজের দোকানে। গোসল থেকে খাবার সবই
করেন নিজে হাতে কারো সাহায্য ছাড়া। এখন পর্যন্ত সরকারি কোনো সহযোগিতা পাননি রিপন।
রিপনের স্ত্রী শাহিনা আক্তার বলেন, স্বামী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হলেও
অন্যদের থেকে সে পুরোপুরি আলাদা। সে নিজের সকল কাজ নিজে করতে পারে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলম শিপন বলেন, দৃষ্টি
প্রতিবন্ধকতা যে স্বপ্ন পূরণের জন্য বাধা নয় তার উজ্জল দৃষ্টান্ত রিপন।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়েও অবিরাম কাজের পিছনে ছুটে চলেছেন। দৃষ্টি তার সামনে এগোনোতে
কোনো বাধা হতে পারেনি, উল্টো সে এক অনুপ্রেরণার নাম। ব্যতিক্রমী প্রতিভার অধিকারী
রিপন কারো বোঝা না হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়। তার এ উদ্যম ও মনের শক্তি সমাজের
প্রতিটি মানুষের কর্মজীবনকে প্রভাবিত করবে এমনটাই সকলের প্রত্যাশা। তাকে খুব দ্রুত
একটি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লা
নগরীর চকবাজার ডিজেল ও অকটেন কম দিয়ে ক্রেতাদের ঠকানোর অভিযোগে দুই তেলের পাম্পকে সিলগালা
করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তেল পরিমাপের ৪টি ডিসপেন্সিং ইউনিট বন্ধ করে দেওয়া হয়।
আজ
মঙ্গলবার (৬ মে) কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করেন
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।
বিএসটিআই
কুমিল্লা কার্যালয় প্রধান কে এম হানিফ বলেন, নগরীর চকবাজার এলাকায় সার্ভিল্যান্স অভিযানে
মেসার্স শরীফ এন্টারপ্রাইজের দুটি অকটেন ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে যথাক্রমে
১৯০ মিলি ও ২০০ মিলি তেল কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। একই পাম্পের দুটি ডিজেল ডিসপেন্সিং
ইউনিটেও প্রতি ১০ লিটারে যথাক্রমে ১৯০ মিলি ও ২২০ মিলি তেল কম দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত
হয়। এই গুরুতর অপরাধে পাম্পের চারটি ইউনিট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে,
একই এলাকার মেসার্স এম এ হাকিম এন্ড ব্রাদার্সের দুটি ডিজেল ডিসপেন্সিং ইউনিটেও তেলের
মাপে কারচুপির চিত্র দেখা যায়। পাম্পটির এই দুটি ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে গ্রাহকদের
যথাক্রমে ৩৪০ মিলি ও ৩৯০ মিলি তেল কম দেওয়া হচ্ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে এই দুটি ইউনিটও সিলগালা
করে দিয়েছে বিএসটিআই।
বিএসটিআই
কুমিল্লা অফিসের পরিদর্শক (মেট্রোলজি) মো: লুৎফর রহমান এবং মো: হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে
এই সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত হয়।
মন্তব্য করুন


সোমবার
(৫ মে) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় (AOR 23 BIR) যৌথ অভিযানে
দুটি পৃথক অভিযান চালিয়ে ডিপার্টমেন্ট অব নারকোটিক্স কন্ট্রোল (ডিএনসি), কুমিল্লা
ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সহযোগিতায় বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে
আটক করা হয়েছে।
প্রথম
অভিযানটি চালানো হয় মদিনগর এলাকায়। অভিযানে আটক করা হয় ইব্রাহিম খলিল (৩৫) নামক
এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে। তার কাছ থেকে ৩৮৪ পিস ইয়াবা, ২ পিস স্ক্রাপ এবং ১,৮১৯
টাকা উদ্ধার করা হয়।
দ্বিতীয়
অভিযানটি পরিচালিত হয় আমতলী বিশ্বরোড সংলগ্ন রহমান ফিলিং স্টেশনের সামনে। অভিযানে
স্টার লাইন পরিবহনের এক যাত্রী, আব্দুল মাজেদ (৪৫)-কে তল্লাশি করে তার দেহ থেকে ১,৯০০
পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত
মাদকদ্রব্যসহ আটক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় কুমিল্লায় হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর:
শনিবার
দুপুরে চাঁদপুর শহরের পৌর এলাকায় গুনরাজদী আনোয়ারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার বার্ষিক
ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি
শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, চাঁদপুর জেলা বি.এন.পি'র সাধারণ সম্পাদক ,এড. মোঃ সেলিম উল্লাহ সেলিম, পৌর বি.এন.পির আহ্বায়ক আক্তার হোসেন মাঝি, চাঁদপুর পৌর বি.এন.পির, সদস্য সচিব এড হারুনুর রশিদ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ , অভিভাবক ও শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দুরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সবার শেষে মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু :
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
গত (১০ ফেব্রুয়ারি) শনিবার জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা চান্দিনা থানাধীন কাশিপুর সাকিনস্থ পশ্চিম পাড়া মোঃ খলিল এর বসত ঘর হতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রনি(২৪) কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত রনি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কাশিমপুর পশ্চিম পাড়া খলিলের বাড়ী মাধাইয়া ইউপির মোঃ খলিল এর ছেলে।
উক্ত ঘটনায় চান্দিনা থানায় এজাহার দায়ের করলে চান্দিনা থানার মামলা নং-০৮, তারিখ- ১০/০২/২০২৪খ্রিঃ, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১৯(গ) রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার পূর্বক প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা।
সোমবার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা রাজেস রড়ুয়া পিপিএম প্রকৃত মালিকগণের কাছে মোবাইল গুলো হস্তান্তর করে।
মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভিকটিমগণ তাদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কুমিল্লা পুলিশ সুপার, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


ফেনী
জেলার পরশুরাম উপজেলায় হাত-পা ও মুখ বেঁধে উম্মে সালমা লামিয়াকে (৭) হত্যাকাণ্ডের নতুন
তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। শিশুটির সৎ মা রেহানা আক্তারকে ফাঁসাতে আপন মা আয়েশা আক্তার হত্যাকাণ্ডের
পরিকল্পনা করেছিলেন। আয়েশা আক্তার কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ
জানিয়েছে, মেয়েকে হত্যার ঘটনায় আয়েশা নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠান।
পরশুরাম
মডেল থানার ওসি মো. শাহাদাত হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
গতকাল
বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ফেনী জেনারেল হাসপাতালে লামিয়ার ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে পরশুরামের
বাঁশপদুয়া গ্রামে তার দাফন করা হয়।
ওসি
মো: শাহাদাত হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) হত্যার শিকার হয় শিশু লামিয়া।
রাতে তার বাবা মো: নূর নবী বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে পরশুরাম থানায় একটি মামলা দায়ের
করেন। সে রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের মা আয়েশা আক্তার ও সৎ মা রেহানা আক্তারকে
হেফাজতে নেয় পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদ
শেষে বৃহস্পতিবার সকালে আয়েশাকে গ্রেপ্তার দেখায় পরশুরাম মডেল থানা।
ওসি
শাহাদাত হোসেন আরও জানান, শিশু লামিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তার আপন ও সৎ মাকে
জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় নূর নবীর প্রথম স্ত্রী ও নিহত লামিয়ার মা আয়েশা আক্তার হত্যাকাণ্ডে
জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে নূর নবীর করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গত
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে হেলমেট পরা ২ যুবক পরশুরাম পৌরসভার পশ্চিম বাঁশপদুয়া এলাকার
এয়ার আহামদের ভাড়া বাসায় এসে নিজেদের পল্লী বিদ্যুতের লোক দাবি করে দরজা খুলতে বলে।
লামিয়া দরজা খুলে দিলে তারা ঘরের ভেতরে ঢুকে তাকে টেপ দিয়ে হাত-মুখ-পা বেঁধে হত্যা
করে। লামিয়ার বড় বোন ফাতেমা আক্তার নিহা (১২) এ ঘটনা দেখে পালিয়ে পাশের একটি বাড়িতে
আশ্রয় নেয়। তবে ওই ২ যুবককে এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। হেফাজতে নেওয়ার পর নূরের ২য়
স্ত্রী রেহানাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ঘটনার সঙ্গে তার জড়িত থাকার বিষয়ে কোনো তথ্য
পাওয়া যায়নি। যে কারণে রেহানাকে বাদীর জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের
মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে বলেও জানান ওসি শাহাদাত।
নিহত
লামিয়ার বাবা নূর নবী বলেন, বিচ্ছেদের পরও আমার সাবেক স্ত্রী আয়েশার সাথে বিরোধ চলে
আসছিল। আমাকে ও আমার বর্তমান স্ত্রীকে ফাঁসাতেই আয়েশা এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন।
তিনি
আয়েশার শাস্তি দাবি করেছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৩২ কেজি গাঁজা, ১৮০ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ডভ্যান গাড়ি সহ
২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
শনিবার
(১৮/১১/২০২৩) বিকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলার
সকল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা সদর
দক্ষিণ মডেল থানাধীন ঢাকা টু চট্টগ্রামগামী মহাসড়কের ধনাইতরী সাকিনস্থ জনৈক নিজাম উদ্দিন
এর ইট ভাটার সামনে পাকা রাস্তার উপর চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে একটি কাভার্ডভ্যান গাড়ী
থামানোর জন্য সংকেত দিলে গাড়ীটি থামায়। পরবর্তীতে উক্ত কাভার্ডভ্যান গাড়ীটি তল্লাশী
করে গাড়ীর ভিতর হতে ৩২ কেজি গাঁজা ও ১৮০ বোতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ বিল্লাল
হোসেন রনি ও মোঃ রাকিব হোসেন রকিব কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১।
মোঃ বিল্লাল হোসেন রনি (২৬), পিতা-মোঃ মতিউর রহমান, মাতা-রেহেনা বেগম, গ্রাম-শৌলমারী
(খান বাড়ী), থানা-ঝিনাইদহ সদর, জেলা-ঝিনাইদহ, বর্তমানে-পঞ্চবটি (হাজী বাড়ীর ভাড়াটিয়া),
থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ, ২। মোঃ রাকিব হোসেন রকিব (২৪), পিতা-মৃত আবুল কাশেম,
মাতা-হনুফা বেগম, গ্রাম-মিয়া বাজার, রামচন্দ্রপুর (সর্দার হাজী বাড়ী), থানা- চৌদ্দগ্রাম,
বর্তমানে গ্রাম-ভাটপাড়া (মন্দার বাড়ী), নানা-মৃত মন্দার, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফাতেমাতুজ
জোহরা
তন্বী,
প্রতিবেদক
:
প্রতিবছর ১৯ আগস্ট বিশ্বজুড়ে এই দিনটি উদযাপন করা হয় ফটোগ্রাফির গুরুত্ব, ইতিহাস এবং এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত সৃজনশীল মানুষদের সম্মান জানাতে।
১৮৩৯ সালের এই দিনে ফ্রান্স সরকার ‘ডাগুয়েরোটাইপ’ (Daguerreotype) নামে পরিচিত প্রথম কার্যকর ফটোগ্রাফি প্রযুক্তিকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করে। সেই স্মৃতিতেই প্রতি বছর ১৯ আগস্ট পালন করা হয় বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস।
আজকের দিনে, বিশ্বজুড়ে পেশাদার এবং শৌখিন ফটোগ্রাফাররা বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, প্রদর্শনী এবং কর্মশালার মাধ্যমে ফটোগ্রাফির গুরুত্ব তুলে ধরছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ #WorldPhotographyDay ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ মানুষ শেয়ার করছেন তাঁদের প্রিয় মুহূর্তগুলোর ছবি।
বাংলাদেশেও দিবসটি ঘিরে বিভিন্ন স্থানে ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। অনেক তরুণ আলোকচিত্রী তাঁদের তোলা ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে সমাজের বাস্তবতা, সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র্য তুলে ধরছেন।
একজন ফটোগ্রাফার শুধু ছবি তোলেন না, তিনি সমাজের এক নিঃশব্দ ভাষ্যকার। ফ্রেমের ভেতরে একটি মুহূর্তকে ধরে রেখে তিনি ইতিহাসের সাক্ষ্য দেন। এই বিশেষ দিনে, তাঁদের প্রতি রইল অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৬৬ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
গত ৩০ জুলাই রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) শেখ মফিজুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানার ৪ নং আমড়াতলী ইউনিয়নের বাঁশমঙ্গল কালভার্টের উপর থেকে ৬৬ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল কাফীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: রংপুর জেলার
গঙ্গাচরা উপজেলার তালুক ভুবন
গ্রামের মৃত আব্দুর
রশিদ এর ছেলে মোঃ আব্দুল কাফী(৩৭)।
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লার কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়।
আসামীর বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি ॥
চট্টগ্রামের ভান্ডার শরীফে হারিয়ে যাওয়ার পর ফেইসবুকের কল্যাণে ১৮ বছর পর চাঁদপুরের কচুয়ায় নিজ বাড়িতে ফিরেছে খানু মিয়া নামের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক যুবক। ওই যুবক তার নিজ বাড়িতে ফিরে আসায় আনন্দিত তার পরিবার ও এলাকাবাসী।
সরেজমিনে জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার চাংপুর গ্রামের মৃত. খলিলুর রহমানের শারীরিক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছেলে খানু মিয়া ২০০৬ সালের দিকে একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলম পাঠানের সাথে চট্টগ্রাম ভান্ডার শরীফে গিয়ে হারিয়ে যায়। পরবর্তীতে তিনি ফেনী জেলার সোনাগাজী চন্দ্রনাথ এলাকায় ছিলেন। সম্প্রতি আলোকিত সোনাগাজী নামে একটি ফেসবুক পেইজ থেকে তাকে নিয়ে একটি ভিডিও ভাইরাল হলে খানু মিয়ার পরিবার ও এলাকাবাসী তার সন্ধান পেয়ে সোনাগাজীতে গিয়ে বৃহস্পতিবার তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন।
খানুর বড় বোন মানছুরা আক্তার জানান, আমরা ৩ ভাই ও ২ বোন। ১৮ বছর আগে আমার ভাই খানু মিয়া চট্টগ্রামে ঘুড়তে গিয়ে হারিয়ে যায়। সে থেকে আমরা তাকে বহু জায়গায় খোজাঁখুজি করে অবশেষে তাকে পেয়েছি।
খানু মিয়ার চাচাতো ভাই সাজলু মিয়া বলেন, আমার বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম পাঠানের সাথে তৎকালীন ভান্ডার শরীফে যায় সরল প্রকৃতির খানু মিয়া। পরে সেখানে হারিয়ে যায় তিনি। তাকে পেয়ে আমরা আনন্দিত।
মন্তব্য করুন