

আজ
পর্যন্ত জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব জামায়াতে ইসলামী নেয়নি। এমনকি দলের কেউ আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিল বলেও দাবি করেনি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা
ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমরা বলিনি, আমাদের দলের এতজন শহীদ হয়েছেন। সেটা জনগণই তার সাক্ষী।
বৃহস্পতিবার
(৩০ জুলাই) দুপুরের দিকে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ
পরিবার ও আহত জুলাই
যোদ্ধাদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াতের
আমির বলেন, আন্দোলনের শুরু থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিল জামায়াত। জাতির প্রয়োজনেই দলটি বারবার মাঠে নেমেছে। আন্দোলনে আহত যোদ্ধারা আহত হওয়ার পরও পিছু হটেননি। কিন্তু জুলাই শহীদদের প্রত্যাশা পূরণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে; বরং তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
তিনি
আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করেছিল। অথচ এখন রাষ্ট্রের প্রায় সবখানেই দলীয়করণ চলছে। প্রশাসনের এই নির্লজ্জ দলীয়করণ
জাতির জন্য লজ্জাজনক। বর্তমান সরকারও বৈষম্যমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে এবং আগের সরকারের পথেই হাঁটছে।
জামায়াতের
আমির বলেন, গণভোট নিয়ে জামায়াতকে আপসের জন্য নানা ধরনের প্রলোভন দেখানো হয়েছে। তবে দলটি কোনো প্রলোভনে পা দেয়নি। গণভোটের
গণরায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত
সংসদ ও রাজপথ, উভয়
জায়গায়ই জামায়াত সোচ্চার থাকবে। অন্যায়ের কাছে জামায়াত কখনও মাথানত করবে না। জনরায় উপেক্ষা করে সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। সরকারকে সেই পথ থেকে সরে
এসে জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তা বাস্তবায়নের আহ্বান
জানান তিনি।
তিনি
আরও বলেন, জনগণের অধিকার এবং সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করায় দেশের বিভিন্ন স্থানে জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। তবে যত নির্যাতন ও
হামলাই হোক না কেন, জনগণের
অধিকার আদায়ে জুলাই যোদ্ধা ও বিরোধীদলগুলো সোচ্চার
থাকবে।
মন্তব্য করুন


সরকার
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে
৫ শতাংশ কোটার সেই আদেশ বাতিল করেছে ।
সোমবার আগের আদেশ বাতিল করে
নতুন আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে সই করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
উপসচিব (মাধ্যমিক-১) মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার।
নতুন আদেশে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অনেক
ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে জারি করা আদেশ বাতিল করে নতুন আদেশ
জারি করা হলো।
এটাতে
বলা হয়, গত বছরে জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানে অনেক ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের
সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি জারীকৃত আদেশ বাতিল
করে নতুন আদেশ জারি করা হলো।
তবে,
কোটার স্থলে আহত ও নিহতদের সন্তানদের জন্য স্কুলে ভর্তিতে লটারির জন্য নির্ধারিত আসন
সংখ্যার অতিরিক্ত প্রতি শ্রেণিতে একজন করে ভর্তির জন্য আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আদেশে
আরও বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে
সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র/গ্যাজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং
ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে ইস্যুকৃত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের গেজেট যথাযথভাবে যাচাই
করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
এ ছাড়া
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে উক্ত
আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না বলেও আদেশে বলা হয়।
এর আগে,
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জারি করা এক আদেশে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের
পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
মন্তব্য করুন


রোববার (১৪ জুলাই) জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ থেকে প্রত্যয় স্কিম নিয়ে দেওয়া এক
নির্দেশনায় জানানো হয়েছে , সরকারি কর্মচারীদের মতো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব স্ব-শাসিত,
স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত ও তার অঙ্গসংগঠনের কর্মচারীরা নতুন কর্মচারী হিসেবে ১
জুলাই ২০২৫ সাল বা তার পরবর্তীসময়ে চাকরিতে যোগদান করবেন ,তারা বাধ্যতামূলকভাবে সর্বজনীন
পেনশন স্কিমের আওতায় আসবেন।
সরকার এ মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব স্ব-শাসিত,
স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত ও তার অঙ্গসংগঠনের প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মচারীরাও সরকারি
কর্মচারীদের মতো যারা নতুন কর্মচারী হিসেবে ১ জুলাই ২০২৫ সাল বা তৎপরবর্তী সময়ে চাকরিতে
যোগদান করবেন তারা বাধ্যতামূলকভাবে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আসবেন।
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের সর্বস্তরের জনগণকে একটি টেকসই পেনশন
ব্যবস্থায় আনার লক্ষ্যে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩ এর আওতায় গত ১৭ আগস্ট
২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী সর্বজনীন পেনশন স্কিমের উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন


রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় বসবাসরত সকল নাগরিককে শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। আইন কেউ নিজের হাতে তুলে নিবেন না।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরা-৪
(শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী
নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি
হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর প্রথমে সেটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে তৈরি
বলে দাবি করা হলেও পরে দলটির স্থানীয় নেতারা ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণীকে এমপির দ্বিতীয়
স্ত্রী বলে দাবি করেন। এমপি গাজী নজরুল ইসলামও একই দাবি করেন। ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তিনি
বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ভিডিওতে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। আর এটা স্বামী-স্ত্রীর
সম্পর্ক। এ নিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক চক্রান্ত হচ্ছে।
বিষয়টি
নিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এমপি নজরুল ইসলাম আরও জানান, প্রিয় দেশবাসী, গত
১৩ জুলাই, ২০২৬ তারিখে আমার প্রথমা ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে
আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার ব্যবসায়িক অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক
ঘণ্টা অবস্থান করি। আমরা উক্ত অফিসে অবস্থানকালে আমার গাড়িচালক ও আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর
মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যায়। পরবর্তীতে সে ৫/৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে
নিয়ে আমাদের কক্ষে প্রবেশ করে এবং আমাদের জিম্মি করে ১ লক্ষ টাকা আদায় করে।
এমপি
নজরুল আরও লিখেছেন, আমি চলাচলের জন্য যে ভাড়াকৃত গাড়িটি ব্যবহার করি, ওবায়দুল্লাহর
যোগসাজশে পরবর্তীতে সেটিও আটকে রেখে দফায় দফায় আমাদের কাছে কয়েক লক্ষ টাকা দাবি
করা হয়। আমরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়।
আমি এসময় জানতে পারি, আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পূর্বশত্রুতা
ও পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এই ষড়যন্ত্রের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
তিনি
লিখেছেন, পরবর্তীতে, হিংসা ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ওবায়দুল্লাহ
আমাদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক
উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা হিসেবে প্রচার করছে,
যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এমপি
নজরুল বিবৃতিতে লিখেছেন, প্রকৃতপক্ষে, গত ১৭ জুন, ২০২৬ তারিখে পারিবারিকভাবে এবং আমার
প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে তার পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর বাসভবনে
আমাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ফলে আমাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের
কোনো সত্যতা নেই।
তিনি
লিখেছেন, যারা আমাদের সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নৈতিক চরিত্র ক্ষুণ্ন
করার উদ্দেশ্যে এই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ
তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


জাপানের
আমামি ওশিমা দ্বীপে ‘হাবু’ নামের মারাত্মক বিষধর পিট ভাইপার সাপের
উপদ্রব কমাতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে গিয়ে বড় ধরনের পরিবেশগত বিপদে পড়েছিল দেশটির
কর্তৃপক্ষ।
টাইমস
অব ইন্ডিয়া ও ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেসের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৭ থেকে
১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ওই অঞ্চলে ২ হাজার ৬৭৩ জন মানুষ হাবু সাপের কামড়ের শিকার হন। সাপ
থেকে রক্ষা পেতে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে আগে ওকিনাওয়ায় নেওয়া বেজির বংশধর থেকে ৩০টি
বেজি আনা হয়েছিল আমামি ওশিমা দ্বীপে।
তবে
সাপের উৎপাত বন্ধে গৃহীত এই পরিকল্পনাটি হিতে বিপরীত হয়। এর অন্যতম মূল কারণ ছিল- হাবু
মূলত একটি নিশাচর প্রাণী এবং বেজি দিনের বেলা সক্রিয় থাকে। ফলে সাপের সাথে বেজির দেখা
হওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম।
জাপানের
পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানায়, হাবু সাপ শিকারের বদলে দিনের বেলা সক্রিয় থাকা বিপন্ন আমামি
খরগোশ সহ দ্বীপটির বিরল বন্যপ্রাণিদের শিকার করতে শুরু করে বেজিগুলো। প্রাকৃতিক শিকারি
না থাকায় এবং পর্যাপ্ত খাবারের কারণে ২০০০ সালের দিকে ৩০টি বেজি থেকে তা প্রায় ১০ হাজারে
পরিণত হয়।
পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে ২০০০ সাল থেকে শুরু হয় ব্যাপক নিধন অভিযান। ‘আমামি মঙ্গুজ বাস্টার্স’
দল গঠন করে ৩০ হাজারের বেশি ফাঁদ, ৩০০ ক্যামেরা এবং প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পুরো দ্বীপে
বেজি খোঁজার কাজ চালানো হয়।
দীর্ঘ
অভিযানের পর ২০১৮ সালের এপ্রিলে শেষবারের মতো একটি বেজি ফাঁদে ধরা পড়ে। এরপর টানা কয়েক
বছর ব্যাপক নজরদারি চালিয়ে অবশেষে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দ্বীপটিকে পুরোপুরি বেজিমুক্ত
ঘোষণা করে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ
থেকে যাওয়া এই বেজির হাত থেকে বিরল প্রাণী ও পরিবেশ বাঁচাতে জাপানের সময় লাগে দীর্ঘ
৪৫ বছর। অন্যদিকে ২০০০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই নিধন অভিযানে জাপানের ব্যয় হয়েছে ৩.৫৭
বিলিয়ন ইয়েন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৯০ কোটি টাকা।
মন্তব্য করুন


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
সম্পর্ক যখন নানা কারণে উত্তেজনাপূর্ণ, ঠিক সেই সময় ভিন্ন এক মানবিক গল্প আলোচনায় এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের একজন পেশাদার নারী বাস্কেটবল খেলোয়াড় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে এক ইরানি
যুবককে বিয়ে করেছেন।
বার্তাসংস্থা
আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের নারী বাস্কেটবল ক্লাব এস্তেগলালের হয়ে খেলতে
গিয়ে দেশটির সংস্কৃতি ও মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে মার্কিন খেলোয়াড় চেয়া
রেল-হুইটসিট। পরে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং এক ইরানি নাগরিককে বিয়ে করেন।
ইরানের
আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, মিশিগানের ২৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড রেল-হুইটসিট
সোমবার (৮ জুন) এস্তেগলালের নারী দলের মৌসুম-শেষের এক অনুষ্ঠানে নিজের বিয়ের বিষয়টি
নিশ্চিত করেন।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, বিয়ের আগে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ২০২৫ সালে ইরানে নারী বাস্কেটবল কার্যক্রম
পুনরায় চালুর পর বিদেশি খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগের অংশ হিসেবে এস্তেগলালের মহিলা
বাস্কেটবল দলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন তিনি।
রেল-হুইটসিটের
যোগদানের পর প্রথম মৌসুমেই ইরানের নারী বাস্কেটবল চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নেয় এস্তেগলাল।
এর আগে তিনি আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জার্মানি, কসোভো ও পুয়ের্তো রিকোতে পেশাদার বাস্কেটবল
খেলেছেন।
টেক্সাস
এঅ্যান্ডএমের সাবেক এই খেলোয়াড় গত বছর এস্তেগলালের হয়ে খেলার জন্য ইরানে যান। কয়েক
মাস ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই তার জীবনে এই
নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।
ইরানি
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা ও সংঘাতের সময়ও তিনি ইরানেই
অবস্থান করছিলেন।
এই
ঘটনা ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের মাধ্যমে দুই ভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে
সংযোগের এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে
ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ঢাকায় নিযুক্ত চীনের
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ
বুধবার জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল
মঙ্গলবার ঢাকায় চায়না দূতাবাসে এ সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত আন্তরিকতা
ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
এ
সময় রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ দেশের সার্বিক বিষয় নিয়ে তারা আলোচনা করেন।
মতবিনিময়কালে
তারা আশা প্রকাশ করেন, সামনের দিনগুলোতে দুই দেশের জনগণ ও সরকারের সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে
কাজ করার সুযোগ রয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতে এ ধরনের পারস্পরিক সংলাপ দুই দেশের স্বার্থে
অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
ভবিষ্যতে
বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা আরও জোরদার
হবে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে যুক্ত হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার
(চৌধুরী রফিকুল আবরার)।
তিনি
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন ।
মঙ্গলবার
(৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
অধ্যাপক
সিআর আবরার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক নামকরা শিক্ষক ছিলেন উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন,
কাল (বুধবার) উনি শপথ নেবেন। প্রফেসর ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ অনেক দিন ধরেই বলছিলেন, উনি
একসঙ্গে দুটি মন্ত্রণালয় কাজ করতে পারছেন না। যেহেতু উনি অ্যাডভান্সড স্টেজে, প্ল্যানিং
মিনিস্ট্রিতে অনেক বড় দায়িত্ব ওনার। এজন্য অধ্যাপক সি আর আবরার যুক্ত হচ্ছে উপদেষ্টা
পরিষদে।
প্রসঙ্গত,
বর্তমান শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ এই মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি পরিকল্পনা
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করে আসছেন।
তবে
নতুন কতজন উপদেষ্টা শপথ নেবেন সেটি তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
শফিকুল আলম বলেন, উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন
মাহমুদ অনেকদিন যাবত বলে আসছিলেন, তার পক্ষে একই সঙ্গে পরিকল্পনা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে তার বদলে অধ্যাপক আবরারকে সম্ভবত শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ধর্মমন্ত্রী
কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, ‘২০২৭ সালের হজযাত্রীদের জন্য বিমানভাড়া
২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে।’
মঙ্গলবার
(২১ জুলাই) সচিবালয়ে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি
এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী
বলেন, ‘সরকার ২০২৭ সালের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর
মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ
৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।
হজযাত্রীদের
ব্যাকআপ আবাসন ১ শতাংশ বহাল রাখার অনুরোধ ধর্মমন্ত্রীর। এ ছাড়া দ্বিতীয় প্যাকেজের মূল্য
নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা।
২০২৭
সালের হজযাত্রীদের জন্য বিমানভাড়া গত বছরের তুলনায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০
হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কেন্দ্রীয় ব্যাংক একীভূতকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করেছিলো ।
আর সে নীতিমালাটি জারি করার পর এবারই সর্বপ্রথম পাঁচটি ব্যাংককে একসাথে করা হচ্ছে।
সোমবার (১৫ এপ্রিল) এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক জানান, কেন্দ্রীয়
ব্যাংক প্রথমত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিডিবিএল, বেসিক, পদ্মা ও ন্যাশনাল ব্যাংকের
বাহিরে নতুন কোনো ব্যাংককে আপাতত একীভূত করবে না আর পরবর্তী সময়ে অন্য কোনো ব্যাংক
একীভূত করা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি।
এ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বেসরকারি খাতের শরিয়াহভিত্তিক এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে নাজুক
পদ্মা ব্যাংক একীভূত হওয়ার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়।
এদিকে ব্যাংক একীভূতকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে,
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার আলোকে দুর্বল (খারাপ অবস্থা) থাকা ব্যাংকগুলো নিজ থেকে
একীভূত না হলে বাধ্যতামূলকভাবে একীভূত করা হবে। তবে তার আগে দুই ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারকে সই করতে হবে।
আর এর পরবর্তী ধাপে আমানতকারী, পাওনাদার ও বিনিয়োগকারীর অর্থ ফেরতের পরিকল্পনা
জমা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তারপর বহিঃনিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকের
সার্বিক আর্থিক চিত্র বের করবে।
এ সবগুলো ধাপ শেষে আদালতের কাছে একীভূতকরণের আবেদন করতে হবে।
একীভূতকরণে কোনো ব্যাংক মূলধন ও তারল্য ঘাটতি, খেলাপি ঋণ, সুশাসনের ঘাটতি এবং
আমানতকারীদের জন্য ক্ষতিকর কার্যকলাপের কারণে পিসিএ ফ্রেমওয়ার্কের আওতাভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট
ব্যাংক পুনরুদ্ধারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিনিষেধ মানতে হবে। পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা
বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে আমানতকারীর স্বার্থে ব্যাংক বাধ্যতামূলক একীভূতকরণ হবে। একীভূতকরণ
প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যে ব্যাংকের অনুসরণের এ নীতিমালা
জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মন্তব্য করুন